ইউজার লগইন
কবিতা
হাম্বার আহার
জানি ভুলগুলো নিয়ে আর কিছুটা পথ পাহারা দিতে হবে
শৈশবের মুদ্রাদোষ আজো আমার পিছু ছাড়লোনা বোলে
অস্তিত্বে থাকো মানে ফুলে ফলের চিহ্ন বৃক্ষে আদি
মুক্তির অপর নাম মূহুর্তের দমকা হাওয়া।
এই হাওয়া মাঝে মধ্যে আমার ঘরে আসে
খোঁজে স্ত্রীলিঙ জাতীয় কোন পদার্থ
আমিতো তখন আদম সুরত ধরে
ধারা পাল্টানোর মসলা শুনাই শব্দশিশুর কানে ।
পাল্টাল কই এইতো সকল আদি
নিধুবাবুর নিশ্চয়তা গেল
গোলের মধ্যে সকল পাখির আবাস
ছানার সঙ্গী খড়কুটো কেবল।
লিঙ দিয়ে অঙ্গ ঢাকার কথা
কোথায় থেকে কোথায় এলো ক্রুশের মাথায় বঙ
ললনারা গঠলো বুঝি নারীসত্ত্বা সংগ ।
এইখানে তোর হাতাহাতি শুরু
গুরুর কৃপায় নমরুদও পায় পাহাড়
ধ্যান যোগে বিয়োগ নামার ঢলে
তৃন সকল হলো হাম্বার আহার।
বিশুদ্ধ জীবন
বিশুদ্ধ জীবনের অপর নাম কি?
নিজেকে যতবার প্রশ্ন করেছি উত্তর পেয়েছি ‘ছক’ এ চলা।
অমন একটেরে চলা কে কবে মানতে পারে!
অথচ চারিদিকে সেই প্রস্তুতি;
প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া মানে গোল্ডফিশের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য অর্জন -
অ্যাকুরিয়ামের সীমিত গন্ডিতে সব তর্জন গর্জন।
এফএম শুনতে শুনতে দাঁড়ি কামানো, ওড়না পিন্আপ,
লাঞ্চ বক্স ব্যাগে পুরে নামানো ঘরের ঝাঁপ;
তারপর দৌড়, ন’টা পঁয়তাল্লিশ বাজি রেখে কার্ড পাঞ্চ,
হাজিরা খাতায় সই-
নিজের মনকে চোখ ঠারা আদতে প্রত্যেকে”বাঁশী” কবিতার
কেরানী ছাড়া অন্য কেউ নই -
খুব ক্যাতা আমি অমুক, ভিজিটিং কার্ড, গলায় টাই
হিলের ঠকঠক, ঠোঁট পালিশ-
কেরানীগিরিটা কেড়ে নিলে বিছানায় শুইয়ে রাখা জীবন্মৃত
কোলবালিশ।
বিশুদ্ধ জীবনে তাই বরাবর ঢেলে দিয়েছি ছাই,
‘ছক’ এর চারপাশ ছেঁড়া, সুযোগ করে যখন তখন
খ্যামটা নেচে গাই।
(১৫.০৭.১১)
ভদ্রমহিলার কেচ্ছা
কবিতা চর্চা অপছন্দনীয় অপরাধ!
ভদ্রমহিলার কাছে,
শব্দটা শুনতেই নাকি তিতকুটে লাগে!
তাই কবিতার জগত থেকে প্রস্থান করেছিলাম ।
রাজনীতি রাগবি খেলার মত!
তার বুঝতে গিয়ে নাকি
মস্তিস্কে মহাহাঙ্গামা লাগে !
তাই রাজনীতি থেকে পদত্যাগ করেছিলাম ।
সাংবাদিকতা টোকাইদের কাজ !
আমার কৌতুহলী প্রশ্নে নাকি
তার চরম বিরক্তি আসে !
তাই মিডিয়ার সাথে আত্নীয়তা ছিন্ন করেছিলাম ।
পিরিত করা জঘন্য অপরাধ !
সেই ভদ্রমহিলার কাছে
আমাকে দেখতে নাকি রামছাগল লাগে !
তাই ছ্যাক খেয়ে পলায়ন করেছিলাম ।
সেই ভদ্রমহিলার নামটা শুনতে চান ?
থাক না, নাইবা বললাম !!!
বৃষ্টি ও জোছনা..[অলীক কাব্য - এলোমেলো কাব্যকথন!]
[পুর্বকথন :
বৃষ্টি,
তোমারো কী 'মন ভাল নেই' হয়?
যায় কী ছুঁয়ে বিষণ্ণতার হাওয়া?
তোমার আকাশ যায় কী ঢেকে মেঘে?
যাও কী ভুলে ভিতর বাহির যাওয়া?
'নীল বেদনা' সে-ও কী তোমার চেনা?
তুমি-ও বুঝি হুট্ অভিমান কর?
নীল আকাশে ভাসিয়ে মনের তরী,
নীল জোছনায় অঝোর ধারায় ঝরো?]
বন্ধ দুয়ার খোলেনি আজো,
আঁধারের কোলাহলে..
ডেকে যায়;
নিঃশব্দে,
তীব্র জোছনাপ্রহর..
মেঘের গা'য়ে জল,
জলস্পর্শে জোছনা
মেঘে ভিজে যায়,
ভেসে যায় জোছনা..
ভোরের আঁধার হয়ে;
ছুঁয়ে যায় জোছনা,
অগাধ বিশ্বাসে..
আরো একবার -
ভেসে যাক চরাচর,
রুপোলি স্নিগ্ধতায়..
..
ফিরে এসো জোছনা..।।
মাটির মেয়েটি হারিয়ে ফেলেছি
যখন আমি ছোট ছিলাম
শিশু ছিলাম
মেঘের মতো, ঘাসের মতো, জলের মতো।
শহরের ইট, সিমেণ্ট, রড, কংক্রীট থেকে দূরে...
দূর গ্রাম দেশে। মাটির সাথে মিশে
জলের সাথে ভেসে, শ্রাবণের প্লাবন আমার বন্ধু ছিল।
আকাশের মেঘ মালা আমার ভাল লাগত
হিজল ও অশ্বথ্বের রঙ্গিন ডালে দোলতে দোলতে
চপল মেয়েটির গালে
জোর করে চুমু এঁকে দিতাম।
দুষ্টু মেয়েটির তুলতুলে হাতের চট তখন আমার ভাল লাগত।
------এখন বড় হয়ে
শহরে এসে, শহুরে হয়ে
টকটকে লাল গালওয়ালা সেই মেয়েটিকে ভুলে...
মনে হল দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় এত দিনে
আমি সব খুয়েছি।
কাদা মাটির গন্ধ ভুলে গেছি, মেঘের ডাক ভুলে গেছি,
হিজল অশ্বথ্বের পাতার রঙ্গিন সুর হারিয়েছি।
মেয়েটির সঙ্গে দিঘির ওপারে দাঁড়িয়ে বর্ষামঙ্গল গান শুনতে পায় না আর।
কদম ফুলের ঘ্রান এখন আর অনুভব করিনা।
বৃষ্টি বিলাসী মেয়েটিকে হারিয়ে
এখন হাতড়িয়ে খুঁজি অন্ধকারে অমাবশ্যার গন্ধ,
শিমূলে শিমূলে বিলম্বিত যাত্রা আমার ও একটি দূরপত্র
(১)
শিমূলে শিমূলে বিলম্বিত যাত্রা আমার,
তারপর দীর্ঘ অনুশোচনা
ব্যর্থতার গ্লানী নিয়ে শোকের নাচানাচি
এবং আমি হঠাৎই বর্নহীন হয়ে যাই।
(২)
অল্পপোঁড়া চাঁদ সবে জ্যোৎস্না ছড়াচ্ছে সর্বত্র
সামনে আবছাযা সুপুরী বাগান,
আামি এবং তারাগুলো।
তুমি বললে “ভুলে যেও”।
আমিতো আর নিষ্ঠুর হাতে গোলাপ ছাঁটতে পারি না।
(৩)
প্রিয়,
তোমাকে শেষ কখন কোথায় দেখেছিলাম মনে পড়ে না আর।
যদিও, যখন তখন তোমাকে নিখুঁত ভাবতে কষ্ট হয় না এখনো।
লাল একটা গোলাপ পাঠিয়েছিলে একদিন, মনে পড়ে?
কেন পাঠিয়েছিলে জিজ্ঞেস করা হয়নি কখনো,
শীত-কুয়াশা ছাপিয়ে কতদিন তোমার জানালা ঘেষে ঠিক হেটে গিয়েছি রাত্রিতে,
যদি দেখা হয়, দেখা পাই আশায়।
মজাটা হল, তুমি চেয়েও দেখনি কখনো, তাতে কী হেসেছি মনে মনে।
কখনো বা শীতের কোমল রোদ ছায়ায় পুকুর ধারে দাড়িয়ে
সিঁদুরে লাল শেওলা বাতাসের ছোঁয়ায় জড়ো হওয়া দেখতে দেখতে মৃদু হাসতে তুমি।
কেবল ইশ্বর কারো কাছে যাবেন না
প্রকৃতি থেকে নিয়েছি যা তারও অধিক
ঘৃণা এবং অপবিত্রতা মাখা প্রতিবস্তু দিয়েছি ফিরিয়ে ।
জল নিয়ে দিয়েছি প্রস্রাব
প্রেম নিয়ে প্রতিশোধ ফিরিয়ে দিতে দিতে হয়েছি মানুষ ।
বৃক্ষ থেকে নিয়ে ফল দিয়েছি তার ডাল ভেঙে
যেন দ্বিতীবার আর কোন পুরুষ গাছের কাছে না যায় অই খানকিটা
অক্সিযেন নিয়ে মৃতবৎ কার্বনডাই অক্সাইড ছেড়েছি ফনার মতো ।
বলো গ্রহণ সত্য না বর্জণ বিবিধ?
ফেরত যাবার কালে কোন কিছুই আর অক্ষত রবে না
মনে পড়ে তোমার কথা
কোন প্রকার বর্জণ না করেও তুমি কারো প্রভু কারো পিতা
কারো প্রণয় ছুঁয়ে না দেখেও তোমার উলম্ব দেহ থাকে সীতা ।
বিশেষ দ্রষ্টব্য:আমার আরো কবিতা প্রবন্ধ বা রাজনৈতিক চিন্তার উপর পাঠ প্রয়োজন মনে হলে দয়া করে ঘুরে আসুন:http://www.gonshaipahlavi.fineartsbd.com
নিবর্ষা শ্রাবণ(অলীক কাব্য!)
[কোন এক শ্রাবণ দিনের শেষে,
প্রখর রৌদ্রদিনের স্মৃতি তখনো উজ্বল।
প্রতি পদক্ষেপে তার দিনান্তের ক্ষয়,
ক্লান্ত পথিকের পথ ভোলা দু'টি চোখ।
সেথায় দেখেছিলেম;
পড়েছে,
মেঘেদের ছাঁয়া..]
কালো পিচ ঢালা রাস্তা,
বিক্ষোভে ম্রিয়মান..
যেন ফেটে পড়বে সে,
আর একটুতেই..
ক্ষনিকের বাতায়ন,
নাড়া দিয়ে যায়;
বদ্ধ জীবনদ্বারে..
কেঁপে উঠে শিহরনে,
বয়োঃবৃদ্ধ গাছের;
শুশ্ক পাতা যত..
সময়ের মরচে পরা দেয়ালে,
একটা দু'টা চড়াই;
কাকে যেন ডেকে ডেকে ক্লান্ত..
নির্জন শহরতলীর;
কানাগলি রাস্তায়,
ধূলিঝড়..
ঘূর্নিপাকে উড়ে যায়,
পুরানো চিঠি -
ডায়েরির ছেড়া পাতায়;
সুসময়..
দুরে কোথাও..
চিরচেনা ছোট্ট নদীর;
নিঃশ্বাসে বিষ-
বালুকাবেলা রুক্ষ,
নদী তীর চৌচীর..
অথচ সেদিন বরষা..।
"মা"
মাগো তুমি শুধু গর্ভধারিনী নও,
অসুখে মোর নির্ঘুম রাত্রি জেগে রও,
মাগো তুমি শুধু দশ মাস দশ দিন গর্ভে দাওনিকো ঠাঁই,
সারাক্ষণ ছায়া হয়ে থাকো আমি যেখানে যাই,
মাগো তুমি শুধু দুধ করোনিগো দান,
ভালবেসে আজও বাচিয়া রেখেছো মোর প্রাণ,
মাগো আমার এই দেহ মন তো তোমারি গরা,
এই দেহ মোর তোমারি রক্তে ভরা,
মাগো আমারি অনুভূতি তো তোমারি দান,
ভালবাসা দিয়ে তুমি কর তার প্রমাণ,
মাগো তুমিই তো প্রথম শিখিয়েছো কথা,
তুমিই তো বুঝিয়ে দিয়েছো জগতের যত ব্যথা,
মাগো তোমারি হাত ধরে শিখেছি প্রথম পথ চলা,
তোমারি মুখের মুধুর গানে কাটিয়েছি মোর শৈশব বেলা,
মাগো তুমিই প্রথম শিখিয়েছো শিষ্টাচার,
তুমিই করিয়েছো প্রথম আহার,
যে নারী সারাক্ষণ আমার চিন্তায় থাকে নির্ঘুম সে তো তুমি মা,
আমার দেহের রক্ত নিশ্বাসে মিশে আছে তোমারি মহিমা,
যে নারী আমার মঙ্গলের জন্য করে প্রার্থনা,
যে নারী আমার সুগের জন্য প্রভূকে করে আরাধনা,
গোল্লায় যাক সমাজ ভাবনা
গোল্লায় যাক সমাজ ভাবনা
জানিস হরতাল সামনে রেখে দশটা গাড়ি পুড়লো ধিকিধিকি?
শুনেছিস যোগাযোগমন্ত্রী কিভাবে খাচ্ছে
পরিবহন মালিকদের হাতে ফাঁকি!
ভীষণ ঘটমান বর্তমান সচেতন বন্ধুর ফোন ইচ্ছে করে,
আলগোছে কানের কাছ থেকে একটু দূরে রাখি।
আমার বলতে ইচ্ছে করে, ”তুই জানিস না ইসাবেলা,
আমিও এখন নির্বিরোধ নৈর্ব্যক্তিকতার একনিষ্ঠ সাকি!”
বলি না।
সত্য জেনে চেপে যাওয়ার মতো মাহাত্ম্য
আর কোনকিছুতে নেই।
কতদিন, মাস, বছর আমি রাজনীতি সচেতন নই
আমার সামনে সীমিত কড়িতে চলার হিসাব,
আমি ন্যূব্জ, যেখানে সেখানে রাখা আসবাব
আমার উপর কথিত বাস্তবতার ধূলো জমে যায় প্রতিদিন,
আমি মুছিনা,
এমন কী এখন আর স্বীকারও করি না
কোথাও কোন ঋণ
এই যে খামারী জীবন টেনে নিয়ে যাচ্ছি এই যথেষ্ট
বরং আমাকে বাঁচাতে তুই হ’ আরেকটু সচেষ্ট
গ্রহান্তরী বৃষ্টি..(আধুনিকাব্য!)
সারারাত বৃষ্টি ঝরে গেল,
অঝোরে..
তমসাচ্ছন্ন নগরীর
অন্ধকারে,
মৃত্যুর ছায়া..
সময়ের নির্মমতায়,
বিমর্ষ প্রহর..
শেষরাতের ঘুমন্ত প্রহরী,
বরই গাছের পাতায় জল-
ল্যাম্পপোষ্টের নিয়ন আলোয়;
রুপোলি ঝিলিক..
স্তব্ধ সময়ের সাক্ষী;
বাতাসের গায়ে ভাসে,
কর্পূরের গন্ধ ভরা জল..
অসময় সময়ে;
সমুদ্দুরের অশ্রু ছুঁযে,
মেঘ হয়ে নামে..
বৃষ্টি,
গ্রহান্তরের চিরচেনা অচেনা আগন্তুক..।।
[ভাল লাগলে জানাবেন,
না লাগলে আরও বেশি করে..
ভাল থাকুন সবাই,
অনেক ভাল..সবসময়।।]
**আর কি লেখবো বুঝতে পারছিনা,৫০ টা শব্দ যে এত বেশি জানা ছিলনা!
তবুও ফিরে আসুক
(১)
তবুও ফিরে আসুক
সবুজ, মাটি ফাটল ধরলো হঠাৎ,
আর তুমি উঠে আসলে অবলীলায়।
কী ছিলনা না তোমার,
মাটি ছিল, পতাকা ছিল
অদৃষ্ট দেখার মোটা ফ্রেমের
একজোড়া স্বচ্ছ কাঁচ ছিল,
আর, ছিলাম আমরা।
ছিল এত,
তারপরও তোমাকে লুকাতে হয়েছিল, এ’ কটি বছর,
দিন ও রাতের খেলায তুমি নিশ্চিত পলাতক ছিলে।এবং
তুমি দেখলে না
লাল বৃত্ত আরও গাঢ় হয়েছে এ’ কদিনে।
তুমি এসেছো ?
ভুলে যেও না
ভরা পদ্মা এখন শুধুই বালি, এবং
তুমি শুধুই ছবি।
(২)
সম্প্রসারিত
বন্ধু,
তুমি কি খুঁজিতেছ,
অনেকগুলো বছর পর
অন্যের ছায়া হইতে তুমি
যে প্রতিমা তৈরী করিয়া আনিয়াছ
তোমার নিজস্ব ভূমির সহিত তাহার মিল কোথায়?
তুমি ক্রমশঃ দূরে চলিয়া যাইতেছ।
তবুও ফিরে আসুক
(১)
তবুও ফিরে আসুক
সবুজ, মাটি ফাটল ধরলো হঠাৎ,
আর তুমি উঠে আসলে অবলীলায়।
কী ছিলনা না তোমার,
মাটি ছিল, পতাকা ছিল
অদৃষ্ট দেখার মোটা ফ্রেমের
একজোড়া স্বচ্ছ কাঁচ ছিল,
আর, ছিলাম আমরা।
ছিল এত,
তারপরও তোমাকে লুকাতে হয়েছিল, এ’ কটি বছর,
দিন ও রাতের খেলায তুমি নিশ্চিত পলাতক ছিলে।এবং
তুমি দেখলে না
লাল বৃত্ত আরও গাঢ় হয়েছে এ’ কদিনে।
তুমি এসেছো ?
ভুলে যেও না
ভরা পদ্মা এখন শুধুই বালি, এবং
তুমি শুধুই ছবি।
(২)
সম্প্রসারিত
বন্ধু,
তুমি কি খুঁজিতেছ,
অনেকগুলো বছর পর
অন্যের ছায়া হইতে তুমি
যে প্রতিমা তৈরী করিয়া আনিয়াছ
তোমার নিজস্ব ভূমির সহিত তাহার মিল কোথায়?
তুমি ক্রমশঃ দূরে চলিয়া যাইতেছ।
জংধরা
আরো বেশি রমণীয় হ'য়ে ওঠো তুমি,
রমণের ভেলা ভাসানো আছে অথবা সাম্পাণ
লৌহজং ষ্টেশনের কথা মনে পড়ে
মনে প'ড়ে আনসিন প্যাসেজ
জংধরা,,,
প্রজণন প্রয়োজন হয়ে থাকে বালুকাবেলায়
নাতিসিতষ্ণ অঞ্চলে ঘুম আসে ভরা পেটে
খুব বেশি রমণীয় হ'য়ে ওঠো তুমি
তোমার দেহের থেকে হাতের থেকে মাথার থেকে
আরো বেশি রমণীয় যেন।-
ভোগের কালে মনে প'ড়ে দূর্ভোগের কথা;
হাত ধরার কালে হাতাহাতি
আর গম্ভুজের নিচে প্রার্থণাকালীন নিরাপত্তা বুহ্য থাকে চুলের বেণী।
এক ছিলো গূড় আর অনেক ছিলো পির্ফা
তো একজন কইলো
: মনে হইতাছে, ___ ভাই আবারো কাঠির আগায় গুড় লাগাইয়া গেছেন! সব পিপড়া এক লগে হাজির হইতাছে এইখানে!!
ভাব্লাম, জুকার্বার্গের এত্তবড় একটা সাইট্রে কাঠি কইতেছে বেপার্টা কি?
জিগাইলাম কে গুড় আর কেডাইবা পির্ফা?
আসলেইতো???
আসল কাঠি কুনটা, গুড় কুন্টা আর পির্ফাই বা কারা...
আসলে ভেজাল হইছে কি, ইদানিং লুকজন খালি ঝিমায়।ঝিমায় আর জুকার্বার্গের সাইটে গিয়া একটা ঘরের ভিত্রে ঢুইকা ঝিমাইতে ঝিমাইতে আড্ডা মারে। এদিকে মাঠ খাখা করে। কেউ কস্ট কৈরা মাঠে আসে না, সবতে মিল্যা ঠিকঠাক মতো খেলাধুলাও করে না। এইটা আসলে ঠিক না। মাঠে নাম লেখাইয়া সেই মাঠে না আইসা ঘরের ভিত্রে বৈয়া বৈয়া আড্ডা দেওনটা আসলে একটু কেরাম কেরাম জানি লাগে।
যাই হৌক, ঘটনা হৈলো একজনে কইলো যে মাঠে না আইসা ঘরে বৈসা আড্ডা দেওন উচিত না, লগে লগে ঘরে ভিত্রে হাজির হয়া গেলাম আম্রা সবতে। পুলাপান সব খ্রাপৈয়া গেছেগা। কলিকাল ঘোর কলিকাল...