অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও ২২ জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

চোখ

ধরা পড়ে গেছি তোমার চোখে। আমি একশো বার নিশ্চিত হয়ে বলছি, ধরা পড়ে গেছি তোমার চোখের ফাঁদে। নিজেকে হারিয়ে ফেলেছি ওই চোখের গভীরে।
সত্যি বলছি, তোমার চোখের দিকে আমি তাকাতে পারি না, চোখে চোখ রাখলেই আমার ভেতরে কি এক অস্থিরতা শুরু হয়, মনে হয় আমি বুঝি ডুবে যাবো এখনই। সত্যি বলছি ক্রন্দসী কন্যা, মনে হয় আমি নিঃস্ব হয়ে যাবো আরো একটু তাকালে। কি আলো ঝরে চোখ দুটি থেকে, মনে হয় সে আলোয় তুমি দেখো ফেলো আমার সব। আমায় কিনে নিচ্ছো বিনিময় ছাড়া।
পৃথিবীতে আমি আরো বহু চোখের ওপর রেখেছি চোখ, কখনও এমন মধুর ঝড়জলে ভাসি নি। কি নেশা চোখ দুটিতে, একবার তাকোলে আর তাকাতে পারি না। চোখ কখনও এমন নেশার হতে পারে ধারণাও ছিলো না। কি যে নেশা। কি মায়া চোখের ছায়ায়, খুব ইচ্ছে করে চোখ দুটিতে রেখে আসি বাড়ি ফেরার পথ। আমার ভোরবেলা। আমার ঘুমপাহাড়। যা যা আমার সব রেখে আসি চোখের ভেতর। কন্যা সত্যি করে বলো তো তোমারও কি এমন হয়?

আমি তুমি (প্রবাহ মানতা-২)

আমি তুমি আর মন ( প্রবাহমানতা-২)

আমি তুমি আর সবাই হলেম
ওই আকাশের মুক্তোমালা
হেসে হেসে কাঁদি, কেঁদে কেঁদে হাসি
ভেজাই মোদের দুঃখের জালা ।

ভিজিয়ে রাখি, যতটুকু পাড়ি
পাছে যদি আবার না ভূলে যায়,
যোগ-বিয়োগের নানা রূপতলে
হাজার সুখের নদী সাতরায় ।

সাঁতরে সাঁতরে বহুদুর যায়
এক অজানার আলোহীন পাড়ে,
নিঃসঙ্গ যখন জড়িয়ে ধরে
মন বলে আছি তোমার ধারে ।

আমি আর মন, মন আর আমি
দু'জনে মিলে খুনসূটি করি
একটি নদীর দু'কুল ধরে
জোয়ার-ভাটার জল মেপে ভরি ।।

প্রবাহমানতা

প্রবাহমানতা

জীবন নিয়ে জীবন খেলা
ভাসাই মোরা রংঙের ভেলা,
নানান রংঙের দেশে ...

পাগলা মনের খনিক চাওয়া
মন-মাতানো দক্ষিন হাওয়া ,
স্রোতের সাথে মেশে ।

চলতে গিয়ে হোঁচট লাগে
বুকের মধ্যে ব্যাথা জাগে,
তবুও তো নেই বসে ..

আশা আলোর হাতটা বাড়ায়
স্বপ্নচারী এসে দাড়ায়,
সপ্ত তারা খসে ।

কি অভিমান গুমড়ে কাঁদে
কোন সে ব্যাথা গোপন খাদে,
সব ফেলে দাও ঝেড়ে..

মনটা করো পাখির মতো
(তাহলে) দুর অজানা সাথি হতো,
ক্লান্ত সময় ছেড়ে ।

ভালবাসার এক এক ধরন
তার ভিতরে কত মরন,
সময়টাকে মেপে..

কেউ হয়তো পেয়ে হাসে
কেউ বা আবার দুঃখে ভাসে,
মুখে হাসি লেপে ।

তাই বলে কি মন ছোঁব না
ওগো আমার সু লোচনা,
পদ্ম হাতে নিয়ে..

যে যার খুশি বলে বলুক
হৃদয়টা ওর পথে চলুক
নব রত্ন দিয়ে ।।

দেশ-দেশান্তর (দুর্যোগ, উৎসব)

ঝড়

৩১ শে অক্টোবর। আজ সকাল সাড়ে সাতটায় ঘর থেকে বেড় হয়ে দেখি শোঁ শোঁ বাতাশ, মুষল বৃস্টি, মধ্য রাতের অন্ধকার। স্যান্ডি তার ঝড়ের মেজাজ নিয়েই আছে, ধার কিছুটা কমেছে এই যা। হেডলাইট জ্বালিয়ে গাড়ির লাইন, মানুষ প্রকৃতিকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে নিজেদের কাজে বেরিয়েছ। গতকাল সাড়াদিন আবহাওয়া চ্যানেলে তাকিয়ে ছিলাম, মেজ কন্যার জন্য দোয়ায় ছিলাম, তারা থাকে ম্যানহাটনে, স্যান্ডির তান্দব্ লীলার ঠিক মধ্যখানে। সকালে জানলাম না তাদের খুব বেশি কিছু হয়নি, তারা ভালোই আছে। আজ সকালে টিভিতে দেখছি নিউ ইয়র্কে ফুঁসে ওঠা সমুদ্রের ঢেউ এর মাঝে সার্ফিং করছে বেপরোওয়া কজনা!! লন্ডভন্ড পথঘাট, ভাঙ্গাচোড়া গাছপালা, ঝিমিয়ে পড়া ম্যানহাটন থেকে উন্মত্ত ফনাতোলা পাহাড়সম ঢেউএর সাথে পাঞ্জালড়া মানুষগুলো আমাদের মুগ্ধ করলো।

আ-কি-হ

আ-কি-হ = আমি কি হলামরে হইলো মুই কি হনুরে এই রোগের মর্ডান ভার্সান। যাহাকে অন্তত জলিল ভাইয়ের ইংলিশে “সিকিং এটেনশন ডিসঅর্ডার” ও বলা হইয়া থাকে। আমরা অনেকেই এই রোগে অল্প বিস্তর আক্রান্ত। আজিকে ইহার লক্ষন ও প্রতিকার নিয়া আলোচনা করিবো প্রিয় পাঠকরা, ধৈর্য্য ধরিয়া বসুন, বিজ্ঞাপন বিরতিতেও টিভির রিমোট ঘুরাইবেন না। যাহা মিস করিবেন তাহাই মিস হইয়া যাইবে। মিসকে মিসেস করিবার আর সুযোগ পাইবেন না।

ব্লগানি

শব্দের চে' ভালো নীরবতা
অক্ষরের চে' শূন্যতা অধীর হয়েছে পাতা জুড়ে...

এক.
বহুদিন ব্লগে লেখা হয় নাই। বহুদিন ব্লগ লেখা হয় নাই। ব্লগাঞ্চলে লেখালেখি মানেই যেনো অনেক সময় সাপেক্ষ উপলক্ষ্য। এমন এক আরোপিত আচরণে আটকা পড়ে আছি। সময়ের যে খুব টানাটানি তা কিন্তু নয়! তাও কিছু লেখা হয় না। লেখার আগেই মনে হয়, হয়তো এইখানে লেখার মতোন মানসিক অবস্থা আমার নাই। এর চে' ভালো হয়তো অনলাইন নিউজে ডুবে থাকা। আপনমনে হাসাহাসি। দেশ ও দশের অবস্থার পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনের টানাপোড়েন নিয়ে চোখ বুজে স্বপ্ন দেখা কখনো; কখনো বা সবকিছু ভুলে গিয়ে মনহীনতার স্তরে ঘোরাঘুরি।

কবিতা: তমা, তোমার চাহনিতে

আমি আজো আমৃত্যু-চঞ্চল মরুর পথের রথি; চলি ছুটে
অ্যাপোলোর সূর্যরথে আহোরন করে সহস্র জনম আগে,
আমি আজো চলেছি জ্বলে পুড়ে হৃদয় আত্মা; বড় ব্যাথা জাগে,
রাত্রি’ আঁধারে, তমা, থাকো কি জেগে? তব চোখে সব ব্যাথা টুটে।

যেমন সহস্র রাত্রির তারাদের ব্যাথায় চন্দ্রের উত্থান;
যেমন মরুর তপ্ত বালুতে জলের প্রবাহ; ঝর্ণার জয়,
অথবা লক্ষ বছরের জীবন্ত অগ্নিগিরি যাতে সুপ্ত হয়,
তমা, তোমার চাহনিতে, চোখের তারায় হৃদয় স্বর্গদ্যান।

তারপর কোন একদিন চাঁদনীতে হবে চোখে চোখে কথা;
হৃদয়ের ভাষা পারবে কি বুঝতে চন্দ্রের আলোয়? কী সেই ব্যাথা!
১৫-২৯/১০/২০১২, ঢাকা।

হে অজ্ঞ, প্রণয়-প্রবণ!

লুক্কায়িত আছো তুমি আঁধার-স্বপ্ন ভেঙে
কেন মিছে মুছে নিয়েছো দীর্ঘশ্বাস?
ছড়িয়ে ছিটিয়ে কোমল রোদ
জ্বালা বুকে উঠে আসে
তুমি কি মিথ্যার লোবানে নিয়েছো শপথ?
নিষিদ্ধ তারকারাজি খসে পড়ে মলয় দৈবাৎ।

এমন ব্যর্থ স্নান হৃদয় রসে ভরে
কেন ছুটে গেলে বিধুর দূরন্ত প্রতাপ
ক্ষণিক জেগে উঠে আবারও করো যদি গভীরে ভ্রম
উত্তর জানা নেই তার আর
হবে সুদূরে গহীন বিভাজন -
হে অজ্ঞ প্রণয়-প্রবণ!

সেরা ছবির সেরা তালিকা

সেরা ছবির অনেকগুলো তালিকা আছে এখানে। ব্রিটিশ ফিল্ম ইন্সটিটিউটের প্রকাশনা সাইট অ্যান্ড সাউন্ড তালিকাগুলো করেছে। এখানে উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে, মূল তালিকার বাইরে আরেকটি তালিকা আছে। কারণ মূল তালিকায় ১৯৬৮ সালের পর আর কোনো ছবি স্থান পায়নি। ফলে ১৯৬৮ সালের পর মুক্তি পাওয়া ছবিগুলো থেকে আরেকটি সেরা ছবির তালিকা করা হয়েছে।
sight-and-sound-top-250-feature.jpg
সাইট অ্যান্ড সাউন্ড ১৯৫২ সাল থেকে প্রতি ১০ বছর পর পর বিশ্বের সেরা চলচ্চিত্রের একটি জরিপ করে। এখানে ভোট নেওয়া হয় বিশ্বের বড় বড় পরিচালক ও সমালোচকদের। এ কারণে এই জরিপটির একটি গ্রহনযোগ্যতা তৈরি হয়েছে। ১৯৫২ সালের প্রথম জরিপে সেরা চলচ্চিত্র হয়েছিল ভিত্তোরিও ডি সিকোর বাইসাইকেল থিভস। এরপর থেকে প্রতিবারই প্রথম স্থানে ছিল অরসেন ওয়েলস-এর সিটিজেন কেইন।
Vertigo.jpg

মানুষ

মানুষ

বুক চিতিয়ে বলি মোরা...
আমি মানুষ , মানুষ আমি
কতটুকু মানুষ আছি..
জানেন তাহা অন্তর্জামী ।।

অগাধ টাকার মালিক হলে ...
মানুষ মোরা বলি তারে ,
পথের ধুলায় যারা থাকে..
ওরা পরে কোন কাতারে ?

নিজের কাছে প্রশ্ন হলে ..
লজ্জা আমি রাখবো কোথায় ?
বিবেক টাকে কষে বেঁধে ..
আমি ‍"মানুষ" বলবো সদায় ।

কিছু হলেই বলি মোরা ..
জীবন বড় কঠিন রে ভাই,
বলছেন আপনি সত্য কথা..
"ও" কথারি খাওয়া নাই ।

আমার মাথায় আসে না যে,
জীবন কেন কঠিন হবে?
বিবেক হীনের কিছু কাজে..
মাশুল কেন গরীব দিবে ?

যেমন খুশি চলছে চলুক
আমার কথায় সবাই হাসে,
ভবিতব্যের এই খেলাতে..
দুঃখের কথা দুঃখেই ভাসে ।।

অনুভূতি

অনুভূতি তাং- ০৮/১১/২০১১

প্রথম কথা কেমন যে হয়,
লগ্ন আসে কি সুর নিয়ে ?
নতুন চোখের প্রথম পড়া ,
কোন ভাষাতে আসে ধেয়ে ??

হাজার কথা বুকের মাঝে ...
ফুটে উঠে গন্ধ নিয়ে,
একটি মুখই ভাসতে থাকে..
সব কথাকে ফাঁকি দিয়ে ।।

ঝাপটা লাগে কিসের যেন ...
প্রথম পাওয়ার অন্তরাতে,
জীবন তখন ধন্য যে হয়..
নুতন করে জীবন মাতে ।।

দিন যায় কথা থাকে

নিয়মমতো অক্টোবরের শেষ রোববারে ঘড়ির কাটা ঘুরে গেলো। অফিসিয়ালি এখন হেমন্ত আর এখানে শীতকালীন সময়সীমা শুরু হয়ে গেলো। উত্তর গোলার্ধের খুব কাছের দেশগুলোতে নভেম্বর থেকে শুরু করে তারপর পুরো টানা প্রায় ছয় মাস অন্ধকারে লোকজন বাড়ি থেকে বেরোবে আবার অন্ধকারে বাড়িতে ঢুকবে। সূর্য্যি মামা শীতনিদ্রায় যাবেন। যদিও বিশেষ দিনক্ষন দেখে সূর্য মামা কখনো কখনো এখানে উঁকি দিবেন তবে সেটাও বয়ে আনবে দুঃসংবাদ। বেশির ভাগ সময় দেখা যায় এরপরই বরফ পড়তে শুরু করে। সেই বরফে পড়ে যেয়ে কারো কারো হাত পা ভাঙ্গবে, আর প্যাচপ্যাচে কাঁদাতো আছেই। নিকষ কালো অন্ধকারের ভার সহ্য করতে না পেরে কেউ কেউ ডাক্তারের শরনাপন্ন হবেন, এন্টিডিপ্রেসন মেডিসিনের জন্যে। হিম হিম ঠান্ডা পড়ছে, তাপমাত্রা দুই অঙ্ক থেকে এক অঙ্কে নামা শুরু করেছে, মাঝে মাঝে রাতে শুণ্যের নীচেও নামছে।

অপহৃত উৎসব বিষয়ক কিছু কথা

১. দূর্গাপুজা ও কোরবানির ঈদ চলে গেল হাত ধরাধরি করে। মাতৃরুপেনু সংস্থিতা দেবী দূর্গা সপরিবারে পিত্রালয়ে নাইওর এসে এবারো দমন করলেন অশুভশক্তির প্রতীক দেবদ্রোহী মহিষাসুরকে। মৃত্যুর কিছুকাল পূর্বে নিজের মৃত্যুদৃশ্য স্বপ্নে দেখে ভীত মহিষাসুর ভদ্রকালীকে তুষ্ট করেছিলেন। ভদ্রকালী তাঁকে রক্ষার প্রতিশ্রুতি না দিলেও তাঁর ভক্তিতে তুষ্ট হয়ে বরদান করতে ইচ্ছুক হন। মহিষাসুর দেবতাদের যজ্ঞভাগ বর চাইলে দেবী সেই বর দিতে অস্বীকৃত হন; কিন্তু মহিষাসুরকে এই বর দেন যে যেখানেই দেবী পূজিতা হবেন, সেখানেই তাঁর চরণতলে মহিষাসুরেরও স্থান হবে। মায়ের গৃহে সকলেরই ঠাঁই আছে।

ভেবে দেখলে, কোরবানির ঈদ ও দুর্গাপুজার দর্শন প্রায় একই। এই ঈদ মূলত পশু কোরবানি অর্থাৎ প্রতীকী অর্থে অশুভ’কে নিধন করা, এবং আল্লাহর নেয়ামত সমাজের বঞ্ছিতদের সাথে ভাগাভাগি করে নেওয়ার জন্য পালন হয়। গরীব ধনী সকলের স্থান আছে ঈশ্বরের ঘরে, সবাইকে শামিল করতে পারলে তবেই না যথার্থ উৎসব।

এবার দিনাজপুরে

অনেক অনেক দিন পর দিনাজপুর গেলাম এবার। প্রতিবারই শহরের চেহারা বদলায়, আশৈশবের পরিচিত শহরটাকে নতুন স্থাপত্যের চাকচিক্যে অচেনা লাগে, পরিচিত সকলের চেহারায় সময় তার আঁচড় রেখেছে, জানি আমার চেহারাতেও সময় তার ছাপ রাখছে তবু মনে মনে এখনও আমি সেই কৈশোরেই আটকে আছি। বন্ধুদের পরিবার বড় হয়েছে, বাচ্চাদের স্কুল আর অনিশ্চিত ভবিষ্যতের গল্পের ফাঁকে নিজেদের স্কুল কলেজের গল্পও উঠে আসে সময় সময়।

শ্যাম-রাধা বিচ্ছেদঃ ০৬-রাধাবৃক্ষ

গাছের পাতা উড়ে হাওয়ায়
উড়ে আঁচল তোমার,
বুকের মাঝে কষ্টগাছ
শিকড় বাকড় শুধু আমার।

তুমি হইলা ফুল আর ফল
আমি দিলাম ছায়া আর জল।

অনিমেষ কয়-হাওয়ায় উড়ে
যাইবা কোথায় রাধা;
কৃষ্ণ হইলো একলা নাও
সে দুঃখনোঙ্গরে বাঁধা।

তুমি হইলা পুজার যোগ্য
ফুল-ফল সব তোমার ভোগ্য,
তুমি প্রেমের ধারা,
রাধা বিনে বহে কেমন
দিন রাত সব আছে যেমন
প্রেমের ঝর্নাধারা।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা