...ডাক...
ইট-পাথরের রঙিন খাঁচায়
মন লাগেনা আর,
ডাকছে আমায় শেওলা ধরা
ছোট্ট পুকুর পাড়।
পুকুর জলে গজিয়ে ওঠা
কলমি গাছের শাখ,
সবুজ বাহু নাড়িয়ে যেন
যাচ্ছে দিয়ে ডাক।
শেওলাগুলো আঁকড়ে ঢেউয়ের
দোদুল দোলায় দুলে,
চিংড়িগুলো ডাকছে হেসে
ছোট্ট দু'হাত তুলে।
মাঝ পুকুরে বুদবুদেতে
ভরিয়ে পোনার ঝাঁক,
নিজের স্বরেই যাচ্ছে দিয়ে
শব্দবিহীন ডাক।
রুই-কাতলের দম্ভভরা
হঠাৎ কিছু লাফ,
বলছে, ছুটে আয়রে আবার
বাঁচবি ছেড়ে হাঁফ।
ডাকছে তীরের হলদে-সাদা
প্রজাপতির ডানা,
পুকুর পাড়ের গর্তে বাঁচা
ছোট্ট ডাহুক ছানা,
আকাশ জুড়ে চক্রে ওড়া-
বকের পাখার দোল;
বলছে ডেকে, আয়রে ছুটে,
ডাকছে মায়ের কোল।
বলছে সবাই, আয়না ফিরে
ছোট্ট পুকুর তীরে,
যান্ত্রিকতার নগর-জীবন
যা ফেলে আয় ছিড়েঁ।
বলছে ডেকে, সবুজ জলে
ডুবিয়ে পায়ের পাতা,
আমার ছেলেবেলার "ফল"
জানালার কপাটগুলো খুটখুট করে নড়ছে..ঘরের ভিতরে দেয়ালে কাঁপাকাঁপা ছায়া..পিনপতন নীরবতার চাইতেও বেশি কিছু। ভয়ে কুঁকড়ে পারলে বালিশের তলায় আশ্রয় নেয়ার যোগাড়... কোনমতে চোখ বন্ধ করে রাত পোহাবার অপেক্ষা। কলোনীর ঐ জামগাছ নিয়ে সে কি নানা রকমের গদ্য। সেই জাম গাছে নাকী ভূত আছে! রোজ রাতে ভূতটা আঁচল মেলে বসে আর মায়াতে সবাইকে ডাকে...শুনে ভয় পেতাম, রাতে গুটিশুটি মেরে পড়ে থাকতাম..মনের অজান্তে ঘুম। আর ঘুম শেষে ঝলমলে সকাল। জানালার কপাট খুলতেই ধ্যাড়ধ্যাড়ে হয়ে ওঠা জাম গাছটার সবুজ ডালপালা। যে গাছের ছায়া দেখে রােত ভয়েই অস্থির, সেই জাম গাছটাই আমার দিনের আলোর সবচেয়ে পছন্দের গাছ। হাত বাড়ালেই ধরা যেতো ছোট ছোট জামের গোছা। কখনো কখনো নীচে গিয়ে জাম গাছটায় উঠার অদম্য ইচ্ছা। সেই তখন থেকেই জামের প্রতি অদ্ভুদ একটা টান আমার এখন পযর্ন্ত। দাঁত কিড়কিড় না করা পর্যন্ত জামা চিবাতে হবেই।
ঢাকা-টু-পাবনা, জর্নি বাই বাস
............................................................................................................................................................................................................................
নতুন বউ সবসময়ই বিভ্রান্তিকর। চেহারা কেমন বুঝা যায় না। সব নতুন বউই দেখতে ভাল। আমার পাশের সিটে নতুন বউ। তাকেও দেখতে ভাল লাগছে। পাশে মেয়েটির নতুন বর।
যাচ্ছিলাম পাবনায়। ৬ ঘন্টার লম্বা রাস্তা। আমার ঠিক পাশের সিটে নতুন এই দম্পতি। মেয়েটি একটা লাল টুকটুকে শাড়ি পড়া। গলায়, কানে, হাতে বড় বড় গহনা। আর বরটির হাতে রেমন্ডের স্যুটের এক কাভার, অতি যত্নে ধরা। আরেক হাতে খাবারের প্যাকেট।
দেখে মনে হচ্ছিল সদ্য হানিমুন ফেরত। এখন বাড়ি ফিরে যাচ্ছে। মনে হল বাস ভ্রমন খারাপ হবে না। আর আমার ঠিক পাশেই বলে না চাইলেও দেখতে হবে তাদের। যদি না বাসের দুলুনিতে ঘুমিয়ে পড়ি। দুলুনিতে ঘুমানোর একটা গল্প বলি।
ডাক্তারের কাছে গেছে রোগি।
-ডাক্তার সাহেব, আমার নতুন বউ পাঠিয়েছে আপনার কাছে
-কি হয়েছে আপনার?
-ডাক্তার সাহেব, আমি প্রতিদিন দুই ঘন্টা ট্রেনে করে কাজে যাই, ফিরিও দুই ঘন্টা ট্রেনে করে।
বরষার খিচুড়ি
[এটা আমারবন্ধুতে আমার প্রথম পোষ্ট। আপনাদের সাথে পরিচিত হতে চাই। আমারবন্ধুতে আমার কয়েকজন পরিচিত ব্লগার রয়েছে। অনিমেষ রহমান, ডাইনোসর, শনিবারের চিঠি এদেরকে আমারব্লগে দীর্ঘদিন ধরে দেখে আসছি। আমার কাছে এই ব্লগের রুলগুলো একটু কঠিন মনে হয়েছে। বিশেষ করে একটা পোষ্ট একাধীক ব্লগে ২৪ ঘন্টার আগে প্রকাশ না করাটা। তবে এই ব্লগের এডিটরটা বেশ ভাল লাগল। যাই হোক, বর্ষা জেঁকে বসেছে তাই ঝুম বর্ষায় বন্ধুদের জন্য একটা বর্ষার খিচুড়ি দিলাম
আশা করি আপনাদের ভাল লাগবে।]
প্রকৃতি এক রাজকন্যা
গ্রাম তার প্রাসাদ,
দৌঁড় এক যমদুত
শহর তার আবাস।আম এক মধুফল
জ্যৈষ্ঠে যার যৈবন,
গরম শুনলেই চরম
ঘর্ম যার ধর্ম।বরষা এক রূপবতী
ঝিরি ঝিরি ধারা
মনটা এক অনাহারী
উদাস তিয়াসপারা।ফুল এক মনোহারী
কদম্ব রানী বরষার,
কূল এক নাম ভারি
শুন্য অন্তঃসার।পুকুর এক কালো
শীতল স্নিগ্ধ জলা,
একটু দিলে হাওয়া
টল মল চঞ্চলা।রুই এক মাছ
স্বাদু পুকুরের আহার,
পুঁই যত শাক
শর্টকাট!! না শর্ট ফাঁদ?
প্রতারকদের কথা সব সময়ই মিষ্টি হয়। স্বভাব হয় মাখনের মত। তারা যখন রাতারাতি বড়লোক হবার সহজ পথ বাতলায়, শিক্ষিত অশিক্ষিত আমজনতা হা করে গিলে। বিনা পরিশ্রমে বড়লোক হবার স্বপ্ন কম-বেশী সবারই থাকে। সবার মধ্যে রাতারাতি কিছু একটা হয়ে যাবার প্রবণতা স্বভাবজাত। ছোটবেলার সেই আলাদীনের ভূত মাথায় কোথায় যে সযত্নে সেভ করে রেখেছি আমরা, তা নিজেরাও জানি না।
একদিন মুখোমুখি হব অতল অন্ধকারের
বেশ ছোট ছিলাম - বোঝার গন্ডি ছিল নিতান্তই সীমিত (এখনো যে খুব স্ফীত হয়েছে তা নয়) - এমনিতে চুপচাপই ছিলাম - কিন্তু মাথায় পোকা ঢুকলেই আশেপাশের মানুষকে উল্টোপাল্টা প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতাম - কেউ বিব্রত হতেন - কেউ বিস্মিত - কেউ বিরক্ত আর কারো কারো চোখে যেন শঙ্কার ছায়াও দেখতাম - একজন বালক যে অন্যদের জন্য কত বিরক্তিকর হতে পারে আমি বোধহয় ছিলাম তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ - আমার অধিকাংশ প্রশ্ন ছিল ধর্মকেন্দ্রিক - ওই বয়সে ধর্ম নিয়ে গভীর কোনো উপলব্ধি বা কৌতুহল থাকার কথা না - আমারও ছিল না - কিন্তু ধর্ম নিয়ে আমার কিছু জিজ্ঞাস্য ঐসময়ে ছিল - এখনো আছে - আর আমৃত্যু থাকবে.
অনিমেষ রহমানের নাগরিক গল্পঃ ১৩-থমকে যাওয়া শহর
ঝির ঝিরে বৃষ্টির মাঝে বেরিয়ে পড়ে অরুপ। ছাতা হাতে নিয়ে বের হওয়ার মতো বিরক্তিকর কাজ আর দুনিয়াতে দ্বিতীয়টা নেই। মানুষের হাত থাকবে খালি। সে হাত উড়বে বাতাসের সাথে। হাত স্বাধীন তো দুনিয়া স্বাধীন! আর আজকে পরাধীন হাত নিয়ে বের হলো অরুপ। মোড়ের টং দোকানে হালকা বৃষ্টির মাঝে দাঁড়িয়ে দিনের প্রথম চা। না ছাতা মেলতেই হলো। বৃষ্টি আরো ঘন হয়ে নামছে। কিন্তু আজব ব্যাপার হলো সুর্যের আলো আছে। ছেলেবেলার কথা মনে পড়ে গেলো অরুপের। এমন রোদ বৃষ্টির খেলা শুরু হলেই চিতকারঃ রোদ হচ্ছে বৃষ্টি হচ্ছে খেঁকশিয়ালের বিয়ে হচ্ছে। খেঁকশিয়ালের বিয়ের মাঝেই অরুপ নেমে পড়লো রাস্তায়।আজকে অফিস নেই কিন্তু অনেক কাজ। সেলফোন নড়ে চড়ে উঠলোঃ
-মামা আমি মতিঝিলে; তুমি থেকো কলেজের কাছেই।
-কিসে আসতেছিস? বাস না সি এন জি?
-না মামা বাস! অনেক আওয়াজে হারিয়ে যায় অন্তুর শব্দ।
মানুষ চেনায় আনন্দ!
কেমন আছি?
ফেইসবুক স্টেটাসমালা,,,
এক.
হাত বাড়িয়ে তোমার নাকের উপর জমে থাকা স্বেদবিন্দু মুছে দিতে পারি; পারি অগোছালো চুলের এলোমেলোপনায় ছুটে আসা ভ্রমরটাকে দূরে সরাতে, আমার প্রয়োজন দু্টো মন্ত্র আর একটা ফু। ভুল করে পথ ভুলে যদি মাছিরাও ঘিরে ফেলে কখনো তোমাকে, একটা হুংকার ছড়িয়ে দেবো দিকদিগন্তে। আর পিপীলিকা গা বেয়ে উঠতে চাইলে ছড়াটা শোনাবো তাদের কানের কাছাকাছি। এতোটাই যেনো কাছে সরে গেছি...
তবে দূরত্বের মাপকাঠি যদি ফুটকাঠিতেই হতো, এ মুহুর্তে আমি টেবিল চেয়ার ক্লীবলিঙ্গ ভালোবেসে একলা বসে আছি নিথর অফিসে; বলে দেয়া যেতো নিঃসংশয়ে...
দুই.
জাদুবলে নিজেকে পাল্টাতে হলে, সবচেয়ে ভালো সময় আঁধার
কেউ দেখবে না কোত্থেকে বেরিয়ে এসেছে কোলা ব্যাঙ; কালো কুকুরের
উত্থান কোথায় হলো আচমকা, কেবল গলিপথে রোজ লেজ উচিয়ে অপেক্ষারত
স্থানীয় নেড়ি কুকুরটা খানিক্ষণ জায়গার দখল গেলো বুঝি বলে চেচামেচি
করতে করতে থেমে যাবে একসময়। অন্ধকারে কোলাব্যাঙ আর কালো
কুকুরের নৈশব্দে তোমার রেখাপাত ভুলে যাও, নিম্ন বর্গের পুরুষ
চাহনীর মোহ মদিরতা ছাড়াও আঙুল ছুঁয়ে জাগিয়ে তুলেছে নারী;
আমি এখন ঝলকে বাতাসের সাথে উড়ে যাবো তোমার বাড়িতে
বেঁচে আছি শুধু সে চাহনির জন্য
অনেকটা অভ্যস্ত হয়ে গেছি।কনক বেশ কয়েকদিন হল অফিসে আসছে না । আসবে কি করে? কনকের বাবা’র অসুখ , সেই কারণে কনক’কে বেশ খাটতে হচ্ছে।কনকের মিষ্টিমাখা মুখ বেশ কয়েকদিন হল দেখতে পারছি না । সকালে বাসায় নাস্তা বন্ধ করে দিয়েছি। পাউরুটি আর জেলিতে কয়দিন চলে।মা বলে এবার বউ নিয়ে আয়। সকাল সকাল বউয়ের হাতের বানানো নাস্তা খেয়ে অফিসে যাবি!
মা তো জানেনা , এখন কি আর আগের দিন আছে । মেয়েরা শুধু কিচেনে বসে বসে সকলের খাবার বানাবে? আমি নিজে ও জানিনা আমার কপালে কি আছে?সেদিন কনক’কে বিয়ের কথা বলাতে যে অগ্নি দৃষ্টিতে তাকিয়েছিল,ওরে বাবা!আজকালের মেয়ে গুল যেন কেমন?বিয়ের আগেই বলতে শুরু করবে আমার আলাদা ঘর চাই।বাবা মায়ের সাথে থাকা চলবে না । রান্নার জন্য কাজের মেয়ে লাগবে।এছাড়া আছে দামী দামী ফার্নিচারের বায়না।
অনিমেষ রহমানের বেহেস্তী বয়ানঃ ০৩-তঘমায়ে ছাগ জেনারেল আমীর আব্দুল্লাহ খাঁন নিয়াজী
ফাকিস্তান নিয়ে বহুত ঝামেলায় থাকি। যেদেশে ক্রিকেটার থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত সবাই দুর্নীতিতে যুক্ত!সেখানে আবার বিচার বিভাগ দুই একদিন পর-পর রায় দিতাছেন। অমুক এরেষ্ট করো আবার অমুককে বাতিল করো। ছাগরাজ্যে উজিরে আজম একবার হলো ইউসুফ রাজা গিলানী তারপর বিচার বিভাগের কোপে তার কল্লা যাওনের পরে আসলেন মাখদুম শাহাবুদ্দিন। তিনিও ওয়ান্টেড হয়ে গেলে আসলেন স্বয়ং রাজা যার নাম হইলো ‘রাজা আশরাফ’। তিনি আবার পার্লামেন্টে আস্থা ভোটেও জিতে এসেছেন। ছাগ রাজ্য সুখে থাকুক। দুনিয়াবি ছাগ রাজ্য নিয়ে আমার তেমুন মাথাব্যাথা নাইক্কা। এইডা হইলো আখেরাতি সিরিজ। তবু দুনিয়াতে হালকা টাচ দিয়া গেলাম।ভালুকুথা যে আদালত আজকের ফাকিস্তান চালাইতাছে তাদের পারফর্মেন্স কেমুন? একটু উইকি থেইক্কা ঘুইরা আসিঃ
আজি ঝরোঝরো মুখর বাদরদিনে
০১
বৈষ্ণব কবিতা ঝরছে
ঝরছে গীতগোবিন্দের শ্লোক,
ঝরছে মিঞা তানসেন
মেঘমল্লারের ভিজে চোখ।
ঝরছে রবীন্দ্রনাথ
— পূর্ণেন্দু পত্রী
সকাল থেকে ঝরো ঝরো করে অঝরে বৃষ্টি পড়ছে তো পড়ছেই। থামার কোনো লক্ষণ নেই। শহুরে মানুষদের ব্যস্ততায় ছুটে চলার গতি কিছুটা হলেও মন্থর করে দেয় এ বৃষ্টি।
বাইরে তেমন কাজও নেই আজ। তাই বৃষ্টিটাকে খুব উপভোগ করছি। ইদানীং কেনো জানি নাগরিক জীবনের গতি স্লথ করে দেওয়া সব অনাসৃষ্টিকে উপভোগ করা শুরুও করেছি; এমনকি মহাবিরক্তিকর যানজটকেও।
বালিশের কাছ থেকে গীতবিতানটি নিয়ে পড়তে শুরু করলাম। ইদানীংকালে আমার বালিশের পাশটা হয়ে গেছে ‘গীতবিতান’টার স্থায়ী ঠিকানা। বইটাকে এত বেশি ভালোবেসে ফেলেছি যে তাকে “বুক শেলফ” নামক দূরের ঠিকানায় রাখলে মনে কেমন জানি একটা শূন্যতা এসে ভর করে – যেন প্রিয় কোনো মানুষকে অনেক দূরের কোনো জায়গায় ফেলে এসেছি। গীতবিতানের একাকীত্ব দূর করার জন্য মাঝে মাঝে অন্য বইও বালিশের পাশে ঠাঁই নেই। তবে তারা কয়েকদিনের অতিথি – কয়েকদিন পর পরই তারা আবার “বুক শেলফ” এ ফিরে যায়, তাদের বদলে অন্য কোন বই এসে জায়গাটা দখল করে।
০২
বলেছিলে, কেমন আছো ?
(১)
তোমাকে বলিনি কখনো, কোনদিন !
লুকোচুরিতে আমার ভীষন ভয়,
এমনি এক কানামাছি খেলার ফাঁকে
হারিয়েছি আমার শখের সোনালী ট্রয়।
(২)
আমার সব হল।
ঘর হল,
হিজলের সাথে একাকিত্ত্ব ভাগাভাগি এবং
ছোট্ট সুন্দর সুখের বাসরও হল।
শুধু তুমিই,
আমার বুকে আছড়ে পড়লে না।
(৩)
ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন চারদিক,
অস্থির দৃষ্টি এবং ক্লান্ত স্মৃতি আঁকড়ে গুটিসুটি,
বেশ যাচ্ছিল দিন।
সেসময়, প্রায় ভুলেই তুমি এসেছিলে,
নিঃশব্দে দাঁড়িয়েছিলে,
বলেছিলে, কেমন আছো ?
আমার দুচোখে তখন ভরা বর্ষা ।
একটি গান - সাধারণ তবুও অনন্য
১৬ নভেম্বর, ২০১১ - মুক্তি পেল একটি গান - গান বলা ঠিক হবে না - অদ্ভুতুড়ে কিছু শব্দের অবিন্যস্ত মিশ্রণ - ৩০ নভেম্বর, ২০১১ - ইউ টিউবের হিট কাউন্টার বলছে - গানটির শ্রোতা সংখ্যা ওই তারিখে এক কোটির বেশি - অনুরূপ তথ্য দিচ্ছে ফেসবুক আর টুইটার এর মত বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগের ওয়েব সাইট - এটা শুধু ওই তারিখের উপাত্ত - এরপর ইন্টারনেটের হিট কাউন্টারগুলো যেন পাগল হয়ে উঠলো - সমালোচকরা নড়েচড়ে বসলেন - জাভেদ আখতারের মত জনপ্রিয় ভারতীয় গীতিকার মন্তব্য করলেন - 'এটা গান নয়, সুস্থধারার প্রতি একটি আঘাত' - অতি আগ্রহী কেউ একজন গানটির বিরুদ্ধে ভারতের কেরালা হাই কোর্টে একটি পিটিশন দাখিল করে দিলেন - কিন্তু কিছুতেই কিছু হলনা - গানটির শ্রোতাপ্রিয়তা মহামারী আকারে দিনদিন বেড়েই চলল - আসুন একটু ফিরে দেখি - কি ছিল সেই গানটি ?
Yo Boys I Am Sing Song…
Soup Song..
Flop Song..
Why This Kolaveri Kolaveri Kolaveri Di
Why This Kolaveri Kolaveri Kolaveri Di
Rythm Correct
Why This Kolaveri Kolaveri Kolaveri Di
Maintain Please
Why This Kolaveri …………………………Aaa Di
Distance-La Moonu Moonu. Moonu Colour Whiteu.
নো এ্যাডভেঞ্চার
বিশতলার ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে
কোনো এক চলন্ত বাসে নিরাপদে ল্যান্ড করে
পদ্মানদীর পাড়ে যেতে চাই
যদি বাসটা ওদিকে না যায় তবে ড্রাইভারকে গুলি মেরে
জানালা দিয়ে ফেলে নিজেই চালিয়ে যাবো পদ্মায়
আর যদি পিস্তলই না থাকে, প্রথমে এক পুলিশকে করবো ছিনতাই
আর বাসের যাত্রীরা না যেতে চাইলে ছেড়ে দেবো বিনাশর্তে
একমাত্র তুমি যদি যেতে চাও তবে এসব এ্যাডভেঞ্চারের প্রয়োজন নেই