অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ৪ জন অতিথি অনলাইন

রান্না রান্না

সম্ভবত ৩ বছরের বেশী সময় পরে আজকে রান্না করলাম, শেষ বার কোন এক ঈদে অনেক যত্ন করে মুরগীর হাড় রান্না করেছিলাম, যদিও এরপরে আর আম্মাকে জিজ্ঞাসা করা হয় নি, কেনো এত যত্ন করে মাংস কেটে হাড় সাজিয়ে রেখে দিয়েছিলো ফ্রিজে? প্রায় ১ ঘন্টা পরিশ্রম করে রান্না করা মুরগীর হাড় খেতে পারি নি, ঈদের দিন ডিনার করেছিলাম বিএফসির চিকেন আর বান দিয়ে।

আমার রান্না ঘরে যাওয়ার বাধ্যবাধকতা তৈরি হয় বাসার লোকজন চলে গেলে, একা বাসায় ফ্রিজে রাখা রান্না খেয়ে চমৎকার চলে যায়, কিন্তু বসে বসে খেলে রাজার ভান্ডারও শেষ হয়ে যায় একদিন, ফ্রিজের জমানো রান্নাও শেষ হয়, সব চিল ঘরে ফিরে আর আমি ঘর থেকে রান্না ঘরে যাই। আমার রান্না করতে খুব একটা খারাপ লাগে না, শুধু যদি কেউ কেটে-বেছে দেয় আমি আগ্রহের সাথে রান্না করতে রাজী- শুধু এই পিয়াজ মরিচ কাটা, সবজি কাটা- মাংসা কাটা কুটা আমার পছন্দ না।

জীবনরে, তুঁহু মম মরণ সমান

১

তুলির পোঁচড় পড়তে থাকে মিতার ইজেলে। তীব্র যন্ত্রণা ধারণ না হলে শিল্পী হওয়া চলে না, না কি? মেধা, মগজ, মনন, আবেগ এক না হলে সৃজনী বা সৃষ্টিশীলতায় পরিণতি আসে না। সে সত্য এখন তার মধ্যে কাঁপন তুলে দিয়েছে। স্থির জীবন চিত্রে তো অনেক কিছুই আঁকা হয়েছিল। অল্প আলো-আঁধারিতে টেবিলের উপর রাখা মানুষের হৃদপিন্ড ধুক ধুক করছে, সেটা যদি ক্যানভাসে তুলে আনা যেত, তাহলে তো স্থির জীবনে ভীষণ এক অস্থিরতা চলে আসতো। রক্তমাখা একটা হৃৎপিন্ড ধুক ধুক ধুক ধুক। বছর খানেকের উপর ধরে এমন নিবিড় যন্ত্রণায় মিতার মানসিক ক্লান্তির শারীরিক রুপ পাচ্ছিল। কিন্তু বেঁচে থাকার জন্য মানুষের প্রয়োজন কিছু না কিছু নিয়ে মেতে থাকা। মিতার বেঁচে থাকা ছিল নিজের অনুভূতির বাঙ্গময় প্রকাশ। মিতাকে তুলি চালাতে হয়েছিল।

আরো কিছু ফেইসবুক স্টেটাস...

ক)
আমার ল্যাপটপের নাম দিলাম তবে "ঘুম"। বিছানার নাম "স্বপ্ন"। ঘরটার নাম "ভালো বাসা"। আর যে মেয়েটা সিলিং ফ্যানে ওড়না বেঁধে ঝুলে পড়েছিলো বলে বাড়িটার নাম হয়েছে ভুতের বাড়ি; তাকে "পড়শী" বললে, খারাপ শোনায় না...

খ)
বহুদিন আকাশের মাঠে মেঘের রহস্য নেই,
বহুদিন পথের খরখরে গায়ে জলের আচড় নেই।
বহুদিন নাচে নাই উলুখড়-কাশফুল, টোকাই শিশুরা।
বহুদিন প্রাণের অভাবে ভুগে বেহুদা নিথর রহমান।
বহুদিন চা'র কাপে চামচ প্রলয় তুলে
তিতকুটে পাণীয় দিতে ভুলে গেছে মুকিম-বাশার।

আর তাই, আমার ক্যামেরা পড়ে আছে অগোছালো
যত্নহীন, তার গায়ে জমেছে ধুলোর দানা, দুষ্টুমিতে
যারে বলি শহরের ঘাম। সয়ে যায় সকল উপেক্ষা আমার নিকন;
বহুদিন...

গ)
দিক ভুলে শহরের গোলক ধাঁধাঁয় ঘুরতে ঘুরতে
জেনে গেছি এ শহরে কারা কারা লুকিয়ে চুরিয়ে
ললিপপ চোষে, কারা কারা ক্যানাবিস চাষ করে
পেছনের বারান্দায়, সুর্যের আলোকে কার চামড়া
পুড়ে দগদগে ঘা থেকে অবিরল পুঁজ ঝরে; কারা
বায়না ধরেছিলো "লাল জুতো কবে কিনে দেবে বাবা?"

এতোকিছু জেনে ফেলে কেমন অপরাধের বোধ
ছেয়ে গেছে শরীরে শরীরে, আঙুল শীর্ষেই যদি
পথের নিশানা ধরা না দিলো, তাহলে বলো আর কীসে

টিভি দেখা বা না দেখা

এই পোষ্টটা তিনবার লেখার ট্রাই করছি। এক বার এমএস ওয়ার্ডে প্রায় লিখেই ফেলছি তখন বেকুব গিরি করে লেখাটা গায়েব করে ফেললাম আর দুই বার কারেন্ট গেছে। শরীর ভালো না। ঠান্ডায় নাক টানাটানিতে গরমে কাহিল অবস্থা। তার ভিতরে এত শ্রম ভালো লাগে না। চিটাগাং থেকে বন্ধু আসলো তেমন মজাই করতে পারলাম না। কাল যখন চলে গেলো পান্থপথে বাসে তুলে দেবার সময় ভাবলাম কিছুই তো হলো না কথা বারতা, খিলখিল করে হাসা, পুরা ঢাকা শহর ঘুরা সব মাইর খেয়ে গেলো এই গরম আর ঠান্ডা লাগার কারনে। সামান্য শরীর খারাপ যে এমন ভাবে মনে পরিচালিত করতে পারে তা আমার জানা ছিলো না।

গল্প: পেশাজীবী মীমের ঝিক ঝিক টাইপের আত্মকাহিনী (৪)

মেয়েটি বলে চললো, আগেই বলেছি আমার সঙ্গে কেউ ব্যক্তিগত যোগাযোগ করতে চাইলে তাকে সেটা গোপনে করতে হতো। আমি সেসব গোপন যোগাযোগ আসলে কতটুকু গোপন, তা গোপনে ক্রসচেক করতাম। মেয়ে হওয়ার অনেক সুবিধা আছে জানেন। একটা মেয়ে যদি কোনো আননোন নাম্বারে ফোন করে ছেলেদের মতো করে কিছুক্ষণ ছোঁক ছোঁক করে, তাহলে অপরপাশ থেকে রাজ্য জয় করে আনা সম্ভব। আমি শুধু খোঁজ করতাম, আমার শিকারগুলাকে সেইসব নম্বরের মালিকেরা কতটুকু চেনে বা আদৌ চেনে কিনা। তবে প্রচুর ইনিয়ে-বিনিয়ে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নাম্বারগুলো হতো ফ্লেক্সিলোডের দোকানের নাম্বার। তাই আমার কাজ অনেক সহজ হয়ে যেতো। আমি কোনো ছেলের কাছ থেকে টাকা চাই না, বিয়ে করার চাপ দিই না, কখনো ফোন করি না, টেক্সট্ করি না; কিন্তু আমার কাছে এলেই ইচ্ছামতো সেক্স করতে দিই- এ যেন এক কাল্পনিক রাজ্য!

কেবলি ভাবায়

ভাবনার অন্তরালে আর একটি ভাবনার উদয় হয়।
ভাবনা আমারে ভাবায়, কাঁদায়, হাসায় ইত্যাদি।
অনেকবার ভাবি আর ভাববনা
ভেবে ভেবে নিজের অস্তিত্বটাকে বিলীন করা ঠিক নয়
কে কার কথা শুনে, ভাবনা ভাবাবেই এটাই তার কাজ
কে কারে ঠেকায়। আমি বলি না আর ভাবনা বলে ভাব।

রবী ঠাকুররে ভাষায়
‌‌‌কতবার ভেবেছিনু আপনার লাগিয়া;
কি লাভ হয়েছে বলুন, কোন লাভ হয়নি
না আসমানে উঠতে পারলাম
না নিজেকে সময়রে স্রোতে ভাসাতে পারলাম
সমাজ-সেবা এগুলো ফালতু
আর্থ-সামাজিক উন্নতি এসব দরকার
স্ট্যাটাস, স্ট্যাটাস খুব বেশি গুরুত্বপূণূ।
কেননা আমরা বাঙালি, এর মূল্য নাকি
আমরা দিতে জানি না।
আমি যে মূল্যের জন্যে ছুটিনা।
কোন কিছুর দরকার নেই।

কিন্ত আমার ভাবনা তবুও ভাবে
তাদের জন্যে, যারা এখনও দিনান্তে
মৌলিক চাহিদাগুলো মিটাতে পারেনা
কেন মন ভাবে, একি ভাবা অন্যায়
তাদের জন্যে কিছু করা কি অন্যায়

আজ কেবলি ভাবায়।

কথোপকথোন

DSC01341_0.jpg
সময় রাত-১২টা, স্থান-আমার বাসা। আমি, আমার ৬ বছরের ছেলে ও আমার বউ। তারিখ-৯ জুন, ২০১২।
পুরো কথোপকথোনটি আমার মোবাইলে রেকর্ড করা আছে।
........................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................
তোমার কয়টা বেবি হবে-
-পাঁচটা
ছেলে কয়টা, মেয়ে কয়টা?
-ছেলে দুইটা, মেয়ে তিনটা
ওদের মা কে?
-নাম তো এখনও জানি না
কে পালবে বেবিদের?
-একটা আম্মু, একটা বাবা, একটা আমি, আর দুইটা পালবে তাদের মাটা।
তাদের মা দুইটা কেন পালবে?

গত পরশু রাতের ঘটনা

মোটর সাইকেল চালানো আমার দীর্ঘদিনে অভ্যাস। সেই ছোট বেলায় বাবা যখন দুপুরে বাসায় খেতে আসতেন, তখন তার হোন্ডা ৫০ সিসি চা-চামুচ দিয়ে স্টার্ট দিয়ে বেরিয়ে পড়তাম কলোনী থেকে। সে সাইকেলের কোনো গিয়ার ছিলো না। ক্লাস ছিলো না। স্টার্ট দিয়ে পেছনে গিয়ার দিলেই হতো। তারপর সামনে ২ টা গিয়ার... ব্যস। সেটা চলতে শুরু করতো। বাবা খেয়ে আবার অফিসে যাবার আগেই আবার ফিরে আসতাম। তখন ৭/৮ ক্লাসে পড়ি আমি।

অনিমেষ রহমানের নাগরিক গল্পঃ ১২- রিম ঝিম বর্ষায় মন খারাপ করতে নেই

সত্য যুগে ছিলেন হরি,
দ্বাপরে রাম ধনুকধারী,
ত্রেতায় কৃষ্ণ বংশীধারী,
তাই লালন কয়, কলিতে হচ্ছে লীলা
ও নিত্য কথা কেউ কয় না।।
-ফকির লালন সাঁই

আমার যত সিনেমা - ২

আমি সব কাজে লেট লতিফা। সিনেমাও তার ব্যতিক্রম কিছু না। আমি জানি যে সিনেমাগুলোর কথা আমি বলবো তার বেশিরভাগই ইতিমধ্যে সবার কয়েক দফা দেখা হয়ে গেছে, তবুও সিনেমাগুলো দেখে আমার কি অনুভূতি হয়েছে তাই লিখবো।

আধুনিক জীবনযাপ্ন ০১

এভাবেই চক্র পূর্ণ হয়, তুমি সন্তান হিসেবে জন্মেছিলে, পৃথিবীর রং-রূপ-রসআস্বাদন করে তুমিও যুবক হবে- তোমার পূর্বপুরুষের ঐতিহ্য বহন করছো তুমি, তোমারও সন্তান হবে- আবারও নতুন চক্রের শুরু হবে- এ চক্রের শেষ নেই।

এই কথাগুলো অতীতে কেউ না কেউ বলে গেছে আমি নিশ্চিত- যেকোনো ধর্মগ্রন্থে কিংবা তার ব্যাখ্যায় কিংবা অন্য কোনো পরিস্থিতিতে পৃথিবীতে বিভিন্ন ধরণের চক্রের বর্ণনায় এটা উদ্ধৃত হয়েছে নিশ্চিত ভাবেই- পৃথিবীতে নতুন কিছুই ঘটে না, অতীত পুনরাবৃত হয়। কোথায় পড়েছি, শুনেছি মনে নেই বলে উদ্ধৃতি হিসেবে দেওয়া সম্ভব হলো না।

আমরাও অতীতে ফিরে যাচ্ছি, আহারে- আভুষণে- অলংকারে আমাদের অতীতচারিতা স্পষ্ট হয়ে উঠছে প্রতিদিন। অনেক দিন পরে বিজ্ঞান আবিস্কার করছে অতীতের জীবনযাপনপদ্ধতি অনেক বেশী স্বাস্থ্যসম্মত ছিলো, অতীতে নিতান্ত বাধ্য হয়েই মানুষেরা যেমন জীবনযাপন করতো সে জীবনযাপনে ফিরে যেতে আমাদের দিস্তা দিস্তা কাগজ ক্ষয় করতে হয়েছে- কাউকে না কাউকে গবেষণা করে বলতে হয়েছে আমাদের জীবনযাপন অস্বাস্থ্যকর হয়ে যাচ্ছে প্রতিদিন।

তিনটি মিষ্টি সিনেমা

মাসুম ভাই বাজেট নিয়ে ব্যস্ত। তাই বলে লোকজন সিনেমা দেখবে না তা তো হয় না তাই না? তাই আজকে আমিই লিখলাম। আজকে তিনটা কোরিয়ান সিনেমা নিয়ে লিখবো। লেখালেখি বেশী পারি না তাই ডাইরেক্ট একশনে গেলাম

১. The Way Home
৭ বছর বয়েসী সাং-উ কে গ্রামে নানীর কাছে রেখে তার মা কাজ খুঁজতে যায়। সাং-উ’র জন্ম এবং বেড়ে উঠা শহরে সে তাই গ্রামের পরিবেশে মেনে নিতে পারে না। সে কারনে সবকিছুতেই প্রতিক্রিয়া দেখাতে শুরু করে এমন কী তার নানীকেও মেনে নিতে পারে না। তার আদর ভালোবাসা উপেক্ষা করতে থাকে। কিন্তু আস্তে আস্তে সব কিছু পরিবর্তন হতে থাকে.........
সিনেমাটা দেখে আমার নিজের দাদীর কথা খুব মনে পড়েছে। গ্রামে গেলে উনি আমাদেরকে গরম পানি ছাড়া গোসল করাতেন না। কত খাবার দাবার রান্না করে খাওয়াতেন। আমরা যে কয়েকদিন থাকতাম সেই কয়দিন ফুপাতো ভাইবোনদের কোন বেইল ছিলো না।
The-Way-Home-2002-movie-pictures.jpg

ইউটিউব লিংক

২ Blind

কোন চোরের নাতি

একাত্তরে স্বাধীন মোরা
বাঙালি এক জাতি
কাজে নয় কথায় বড়
কোন চোরের নাতি।

লিখেছেন কবি এক
রামগরুরের ছানা
দুর্নীতি করবে তারা
বলতে এসব মানা।

খুন ধর্ষণ গুম হত্যা
চলতে নেই মানা
জনগণের নিরাপত্তা
নেই কারো জানা।

কুকুর থেকে সাবধান!
সতর্ক এক বাণী
পুলিশের দূরত্ব
বজায় রাখো মানী।

লোকে যারে বড় বলে
বড় সে তো নয়
নিজের বড় নিজে বলে
বড় সেই হয়।

সততা কোন ছাড়
আজব বাংলাদেশে
দুর্নীতির কালো হাত
তোমারই আশপাশে।

টাকা নিয়ে ধরা খায়
মন্ত্রী যেই দেশে
পদত্যাগে পার পায়
বিদায় হেসে হেসে।

চোরের মার বড় গলা
বলার উপায় নেই
টিপে টিপে বলে কথা
মন্ত্রী এখনো সেই।

দফতরবিহীন হোক
আপত্তি কিসে
লজ্জার মাথা খেয়ে
তিনি অফিসে।

যাপিত জীবনের দিনলিপি

ছোটবেলায় জুয়েলাইচ এর যাদু দেখতাম মনোযোগ দিয়ে। কত কিছুই না ভেনিশ করে দিত। মনে মনে ভাবতাম আমি যদি জুয়েলাইচ হতে পারতাম তাহলে হয়তো কাউকে কাউকে ভেনিশ করে দিতাম অথবা নিজেই ভেনিশ হয়ে দুনিয়ার তাবত মজার কাজগুলো করতে পারতাম। সেই ১৯৫৩ সাল পেরিয়ে এখন ২০১২। টেকনোলজীর জয়জয়কার। মাত্র কয়দিন আগে দেখলাম সবচাইতে লেইটেস্ট যাদু 'গুম'। আমাদের একজন বিশিষ্ট নাগরীকের ভেনিশ হয়ে যাওয়া। নিশ্চয় আমার মত হতে চাওয়া কোন যাদুকর নয়, সঠিক অধ্যাবসায়ে যাদু শিখে জ্বলজ্যান্ত একটা মানুষকে ঠিকই ভেনিশ করে দিয়ে নিজেও হাওয়া। মজা না?

আসলেই কয়েকদিন ব্যাপক মজায় আছি। ট্যাকেলটা খুললেই দেখি দুদলের মারামারি। একদলের নীল জার্সি, হাতে লঠি/বন্দুক আরেক দলের হাতে ক্যামেরা। উত্তরাধুনিক এই ম্যাচ গুলোও অনেক উপভোগ্য। যার রেশ থাকে কয়েকদিন। স্কোর কাউন্ট হয় বদলি এবং প্রত্যাহারের মাধ্যমে।

বালের দিনযাপন

মেজাজটা টু হান্ড্রেড পারসেন্ট খারাপ। রাত জেগে একটা পোষ্ট লিখলাম বিসিএস টিসিএস পরীক্ষা দেয়া সাথে এই দিন যাপন নিয়ে। লেখা প্রায় যখন শেষ তখনি তিন মিনিটের জন্য কারেন্টটা চলে গেলো। ইউপিএস নাই তাও পিসিতে রিস্টার্ট সেশনে থাকে সবসময় মনে মনে সুরা এখলাস পড়তেছি আল্লাহ লেখাটা যেনো থাকে। দেখি লেখা টেখা কিচ্ছু নাই। রাগে দুঃখে স্তব্ধ হয়ে গেলাম। এতো কষ্ট করে লিখলাম আর সামান্য তিনমিনিট কারেন্টের জন্যে গায়েব হয়ে গেলো। এইটা কোন কথা হইলো। ফেসবুক ব্লগের লোকজন বলে আমি কেনো এতো বাল বাল করি। এখন তো বুঝলেন কেনো বলি বালের লাইফ। তাই মনের দুঃখে এখন মোবাইলে এই পোষ্টটা দিলাম। ঘুম আসতেছেনা এই দুঃখে। আগের মতো ৮ কাপ চা খাই না ৪ কাপেই দিন কাটাই রিকশাতেও ঘুরি না একাএকা বইপত্রও কিনি না তেমন। তবুও নানা ধরনের বাশেই আমার বসবাস। বাজেটের এই মৌসুমে সব কিছুরই দাম বেশী খালি আমার এই প্রতিনিয়ত আবেগ চাহিদাই ঢলা খেয়ে যাচ্ছে অবিরাম। কি আর করা!

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড।

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

● ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ