অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১ জন সদস্য ও ১৯ জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

বাংলা ব্লগিংয়ের তকমাশিল্প বিষয়ে একটি চরম ব্যক্তিগত ব্লগপোস্ট...

সামহোয়্যার ইন আমলের শুরুর দিকে রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতির জটিলতায় তিনবারের বার একটা রিপ্লাই পাইছিলাম। পারমুটেশন-কম্বিনেশনের তৃতীয় পর্যায়ে যেই আইডিটা আমার হইলো সেইটা শুনতে বেশ খ্যাত লাগলেও মাইনা নিলাম ধৈর্য্যের অভাবে। সেইসময় জানতামই না যে নিকের চেহারা পাল্টাইতে কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা যায়। মূলতঃ ব্রাত্য রাইসু'র প্ররোচনায় বাংলা ব্লগিঙের স্বরূপ দেখতে ২০০৬'এর মার্চের দিকে ব্লগের প্রথম পাতা দেখা হইছিলো। রাইসু তখন রাসেল ও তার বাহিনীর হাতে গালি খায় কথায় কথায়। রাইসু আমারে স্বাধীনচেতা বাঙালির এইরূপ দেখাইতেই আমন্ত্রণ জানাইছিলো সেই আসরে। সেইসময়ের সামহোয়্যার ইন ব্লগের প্রথম পাতা দেখতে ভীষণ ক্লামজি লাগাতে খুবেকটা আগ্রহ পাই নাই শুরুতে তখনো আমরা ইয়াহু গ্রুপেই সাচ্ছন্দ্য বোধ করি বেশি। সেইখানে সাহিত্য আর সমাজনীতি কপচাই। গালাগালির ব্যবহারে সারাক্ষণ সচেতন থাকতে হয়, মডারেটররা ভীষণ কড়া ছিলেন সেইসব ইয়াহু গ্রুপে।

একমুঠো জমিন

মন খারাপের
নিস্তব্ধ দুপুরগুলো
কেটে যায় একা,
দূর থেকে
কোনো এক ঘুঘু
বিষন্ন সুরে
ডেকে যায় অবিরাম ,
বুকের বাম পাশে
জমে থাকা
একতাল কষ্ট
গলার কাছে
দলা পাকিয়ে থাকা
এক মুঠো কান্না ,
আমার আকাশের
যত মেঘ
বৃষ্টি হয়ে ঝরে পরে।
একবার এসো
আমার হয়ে

হেডফোন

দিনগুলো যাচ্ছে দিনের নিয়মে। সময় কাটছে সময়ের মতো করেই। আমারো দিন যাচ্ছে আমারো মতো করেই। তবে সাম্প্রতিক কালে একটা হালকা গেঞ্জামে অহেতুক জড়াইছি তা হলো এলাকার এক প্রভাবশালীর বাড়ীওয়ালার পোলার সাথে ঝগড়া করছি। সেইখানে না চাইতেই আমি যা বলি না কাউকে সে ধরনের কথা বলে ফেলছি। যা চরম ফাউল একটা কাজ হইছে। এই ফাউল কাজটা নিয়ে আমি কিছুদিন খুব বিচলিত ছিলাম। মন মেজাজ খারাপ ছিলো। খালি ভাবতেছিলাম আট দশটা থার্ডক্লাস মানুষের সাথে আমার ডিফারেন্স কি?

আমরা বন্ধু ডট কম, তোমরা বন্ধু একটু বেশি হয়ো . . .

সমবয়সী কোনো বন্ধু না থাকা একধরনের বিড়ম্বনা। এই বিড়ম্বনায় আমি জড়িয়ে আছি বলা যায় বন্ধুত্ব কী জিনিস তা বোঝার আগে থেকেই। ঘটনাচক্রে আমার সব বন্ধু আমার চেয়ে বেশি বয়সী। শুধু বেশি নয় অনেক বেশি। এই যেমন আমি যখন এসএসসি-ও দিই নি তখন আমার এক বন্ধু কলেজে পড়ান। নিয়মিত শিক্ষক হিসেবে। আর একবার বয়সে বড় লোকজনের সাথে বন্ধুত্ব হলে সমবয়সী বন্ধুত্বে তখন কেমন একটি অস্বস্তি হয়। মনে হয় কোথাও ফাক থেকে যাচ্ছে। অনেক আড্ডাকে মনে হয় ছেলেমানুষি ধরনের। ধীরে ধীরে আগ্রহ নষ্ট হয়ে যায়। এও একধরনের ক্ষতি। সারাজীবন বয়ে বেড়াতে হয় এক সুক্ষ শূন্যতা; সহজিয়া সতঃস্ফূর্ততার ।

কিন্তু কাকে বলে বন্ধুতা?
আমাদের সমাজে বন্ধুতাকে বড়ো একটি জায়গা দেয়া হয়েছে। বাঙালি এমনকি স্বামী বা স্ত্রী বা পার্টনারের সাথে যা শেয়ার করে না তা তুলে রাখে বন্ধুর সাথে শেয়ার করার জন্য। বন্ধুরা রীতিমতো একে অধিকারের পর্যায়ে নিয়ে যায়। তা নইলে বন্ধুত্ব কেন?

একলা একজন

নিঃসঙ্গ
রাতের বুকে
সবই যখন
ঘুমে নিশ্চুপ,
একলা আমি
হতাশার কাফনে জড়িয়ে
হিসেব মিলাই
জীবনের খাতায়,
যার প্রতি পাতা জুড়ে
আছে শুধু
ভুলের সমীকরণ
পাওয়া না পাওয়ার
দাড়িপাল্লায়
না পাওয়া টা ই
পরে থাকে
সীমাহীন
এক শূন্যতায়

বৃষ্টিবিলাস কথকতা..

#

''ভালোবাসি, বৃষ্টিদিন..
চায়ের কাপে আনমনা মেঘ;
চিলতে রোদে সাতরঙা সুখ,
প্রাণের গানে মন রঙ্গিন.. ♥ :)''

এই কটা লাইনই এখন আমার এফবি স্ট্যাটাস।
ওইদিন দেখলাম সচলেও এখন স্ট্যাটাস দেওয়া যায়, একটু হিংসাই লাগলো বলা যায়। ইশ্, আমাদের এখানেও স্ট্যাটাস দেওয়ার ব্যাবস্থা থাকলে কত্ত ভাল হত!

# #

আমার মনে বৃষ্টি লেগে আছে, পরশু রাত থেকেই।
কিছুতেই যাচ্ছে না। মাথার ভেতর মন ভিজিয়ে ক্রমাগত পড়ে যাচ্ছে
টুপটাপ ঝিরঝির আর ঝুম বৃষ্টি।

অসাধারণ একটা বৃষ্টিদিন গেল কাল, আজকের আকাশেও ঘুরেফিরে আসতেছে তার স্মৃতি। কালকের কথা ভেবে ভেবে আজকেও সকালে একটু বৃষ্টি হল। এখনও আকাশে কিছু কিছু মেঘ দৌড়াদৌড়ি করতেছে। মাঝে মাঝে একটু আধটু রোঁদ, আবার ঝিরঝির বৃষ্টি। এই চলছে।

ঘোরাঘুরি

বাংলাদেশের ৬৪ জেলা ঘোরা মানুষ আমি। স্কুল জীবন থেকেই আমার সারাদেশে ঘোরাঘুরি শুরু। কখনো এমনিতেই ঘুরতে যাওয়া। কখনো বাবার চাকরীর সুবাদে থাকা। আমার নিজের চাকরীর কারনেও অনেক জেলায় ঘুরেছি। আবার প্রথম আলোর সাথে দীর্ঘদিন জড়িত থাকার কারনেও দেশের অনেক জেলায় ঘুরতে পেরেছি। বিভিন্ন জেলায় ঘুরতে যেয়ে বিভিন্ন রকমের মানুষের সাথে মেশার এক অন্য রকম সুযোগ পেয়েছি আমি। কোথাও যেয়ে মনটা ভালো হয়ে গেছে। এত সুন্দর নিরিবলি ছিমছাম শহর। আবার কোথাও যেয়ে মেজাজ খারাপ হয়ে গিয়েছিল। সেই সব আজ কেবলই স্মৃতি। সুখের স্মৃতিই বেশি।

চলমান...

গতকাল থেকে মেঘ বৃষ্টির রাজত্বে বসবাস।
ভালোই লাগছে।
ভ্যাপসা গরম, ধূলা বালি আর ঘামের শ্বাসরুদ্ধকর ব্যাবস্থাপনায় বেশ কিছুদিন কতখানি অসন্তুষ্ট ছিলাম সে কথা লিখে বোঝানো দুস্কর।
বাংলাদেশে (বিশেষত ঢাকায়) মানুষ থাকে! জীবন এতো দুর্বিষহ হয়! শালা দেশেই থাকবো না। যানজট, দ্রব্যমুল্য এইসব বিষয়গুলি এই আগুনে গোপনে ঘি ঢালছিল আগে থেকেই।
সব কিছু ঠিক ঠাক; পরিবর্তন শুধু একটাই , তা হোল এই মেঘ বাদলের খেলা। মনের ঘরে কি হল জানিনা; মায়াময় লাগছে সব। সজীবতার ভরসা দিচ্বছে। বসন্তে বর্ষণ-এ বোধয় শরীর মনে অনেক ইয়ে- তৈরী করে।
আমার আর কোথাও যেতে ইচ্ছে করছে না। যা ইচ্ছে করছে তাঁর সবটা প্রকাশ যোগ্য না। তবে ভালো লাগছে এটা বলে যাই।। ভালো লাগার কথা বলে বোঝানো যায় না!!!
5641371568_6d19f54845_z.jpg

আমাদের সময়ের গান

জীবনমুখী গানের ধাক্কায় আমাদের গানের কাছে প্রত্যাশা বদলে গেলো, প্রতি সপ্তাহে নতুন নতুন ব্যান্ড আর তাদের এলবাম প্রকাশ নিয়ে চারু-পার্থ একটা র‌্যাপ গান করেছিলো , তবে সেটার প্রভাব শ্রোতাদের মানসিকতাকে তেমন পরিবর্তন করে নি সম্ভবত। আমাদের তারুণ্যে বাংলা গানের ধারাবাহিকতা বদলে দিলো সুমন-নচিকেতা-অঞ্জন।

ফিরে আসা

দীর্ঘদিন পর ফিরে এলাম
তোমাদের মাঝে।
ফিরে এলাম স্বরুপে
চিরটাকালের নির্জন একলা
এই আমি ফিরে এলাম
নির্জনতার রুপ নিয়ে।।

দীর্ঘদিন পর
ফিরে এসেছিলাম,
ভেবেছিলাম কেউ একজন
অন্তত কেউ একজন,
আমায় জিজ্ঞেস করবে
কোথায় ছিলে এতোদিন।
বুকের গভীরে জমিয়ে রাখা
অভিমান চেপে কেউ একজন
ঠোট ফুলিয়ে প্রশ্ন করবে
ভালো আছো তো?

আশ্চর্য!!!
আমার এই ফিরে আসাতে
কারো মাঝে কোনো উচ্ছ্বাস নেই।
আমার থাকা বা না থাকা
দুটোই যেনো আজ সমান।

অথচ যখন আমার যাবার সময় হয়নি
অথবা আমার যাবার সময়েরও
বহু বহুদিন আগে,
কোনো এক রমণী কিংবা
অন্তত কেউ একজন বলেছিল
আমায় ছাড়া তার পৃথিবী অসম্ভব।

অথচ এই আমার অনুপস্থিতিতেও
তার পৃথিবী সমধিক উজ্জ্বল,
আজও কি সেই একজন
অন্য কোনো কাংখিত বাহু ডোরে
খুজে ফেরে আমার উষ্ণতা ?

ছড়া ভাবলে ছড়া, কবিতা ভাবলে তা।

সূর্যের রঙ্গে লাজ রাঙ্গা মেঘ

শান্ত বিকাল বেলা

বন্ধু আমার বৃষ্টি গলে

রংধনুর হয়ে দেয় দোলা ।

আকাশ কালো মেঘে ছেয়ে যায়

ঝরের নামটি নাই

এমনো দিনে বন্ধু

তোমায় কাছে চাই।

হয়নি বলা অনেক কথা

বন্ধু তোমার কানে

মেঘে ছোঁয়া চোখ দুটো আজ

অপলক তোমার পানে।

শূণ্যে ভাসি, শূণ্যে ভাসাই

তোমার নামটি আজ

বন্ধু, আজ দিলাম পড়িয়ে

ভালবাসার তাজ।

প্রতিক্ষা

এখনও থাকি সেই প্রত্যাশাই

যদি হয়ে যায় দেখা আবার দুজনার

কোন এক পথের বাকেঁ,

সেই যে সেদিন দেখে ছিলাম তোমাই পড়ন্ত এক বিকালে,

সূর্যটা যখন লাল টুকটুকে ছিলো,

তখনি আমার হৃদয়ে দোলা লাগে,

তখনি তোমাকে ভালো লাগা শুরু হয়,

তারপর বুঝতে পারি তোমাকে ভালোবেসে ফেলেছি।

সেদিন অনেকক্ষন তোমাকে দেখেছিলাম অপলক দৃষ্টিতে।

আর অজানা এক অনুভূতি হৃদয়ের গহীন থেকে গহীনে নাড়া দিয়েছিলো।

বুঝতেই পারিনি সেদিন কতটা সময় কেটেছিলো।

আমি তখনি তোমাকে কিছু বলতে চেয়েছিলাম,

কিন্তু কি জানি একটা অজানা ভয়ে হৃদয় ধোক ধোক করছিলো,

তখনও ভাবছি আজ কিছু বলবই।

সব চিন্তাকে দূরে ঠেলে যখনি ভাবছি তোমার কাছে যাই,

তখনি,,,,,,,,,,তখনি,,,,,,,,,,,,, হঠাৎ,,,,,,,,,,,,,

তুমি কোথাই যেন হারিয়ে গেলে।

তোমাকে তারপর থেকে অনেক খোঁজেছি,

অনেক বার সেই খানে গিয়েছি,

এখনও যাই,

এখনও খোঁজি ।

রাধে শ্যাম

একদিন টিএসসির সামনে দাঁড়িয়ে আছি- বিকেল বেলা- এক অন্ধ গায়ক গান ধরলো দোতারা বাজিয়ে- তাতে সঙ্গত দিলো তার ছোটো ছেলে-একটা মিউজিক্যাল ফ্যামিলি বলা যায় তাদের সম্মিলনকে। স্ত্রী, কন্যা পূত্র এবং তিনি। এ চারজনের ব্যান্ড-

তিনি দোতারা বাজিয়ে গান ধরলেন
ও জীবন জীবন রে এ জীবন ছাড়িয়া রে গেলে আদর করবে কে জীবন রে।

পরিবেশের গুণে, কিংবা ছোটো ছেলেটার অত্যাধিক চড়া গলার স্কেলের কারণে গানটা মন স্পর্শ্ব করেছিলো- আমি গীটারে গান তুলতে পারতাম না, এখনও পারি না, কিন্তু চেষ্টা করে এই গানটা তুলতে পেরেছিলাম।

পরবর্তীতে অবশ্য নিজেও একটা লোকগীতি ধাঁচের গান লিখে সুর করে ফেললাম। লোকগীতির একটা ধুন আছে, গানের মাঝে কোথাও না কোথাও গায়কের কিংবা গীতিকারের পরিচিতি থাকে- এটা ছাড়াও হয়তো গান হয় কিন্তু ঐ পরিচিতিটা অনেকটা গানের উপরে নিজের জলছাপ বসানো।

বাজে বাঁশি বাজে বাঁশী দিবা নিশি সর্বনাশী

বিদায় স্বার্থপর পৃথিবীর কাছ থেকে॥

যদি চলে যাই বিদায় নিয়ে, এই পৃথিবীর কাছ থেকে। সমুদ্র কখনো কান্না করবে না আমার জন্য। তার জল ধারার একটুও ধার দেবেনা আমাকে। এই জল শুধু তার। আমার অশ্রুহীন হৃদয়ের কান্নায় তার মন গলে নোনতা পানি হয়ে পড়বে না। স্বার্থপর এ পৃথিবী। হয়ত বিদায় নিব এ পৃথিবী হতে। আমি জীবনানন্দ হতে চাই না। আমি চাই না তার মত এই নিষ্ঠুর পৃথিবীতে ফিরে আসতে। মানুষের উপর ই যে বর্বরতা গাংচিল শালিক তো কোন ছাড়। হারিয়ে যাব দূর কোন বাস্তবতায়, লীন হয়ে যাব মহাশূণ্যে।

জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা সিনেমার কবিতা অনুবাদ

বুকের ভেতর বিরহ শোক
সে তো বেঁচে থাকার উপযোগ
চোখের কোণায় স্বপ্নের ঝলক
সে তো বেঁচে থাকার উপযোগ

খোলা হাওয়া নাই বা হলে
নাই বা হলে উন্মাতাল ঢেউ
হৃদয় খুলে প্রতি পল বাঁচো
নতুন এর সাথে বেহুল নাচো

মনের গহীনে না পাওয়ার ক্ষোভ
জেনো, সে তো বেঁচে থাকার উপযোগ ।।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড।

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

● ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ