অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১৫ জন অতিথি অনলাইন

বসন্ত-যন্ত্রণা….নীলাঞ্জনা নীলা

**সুমনা যাকে আমি ভুলে যাই , কিন্তু ঋতু বসন্ত ভুলতে দেয়না**

সেই মূহুর্তে চোখ বন্ধ করি ।
অনুভূতির সব কয়টি দরোজা-জানালা লাগিয়ে দেই দ্রুততার সাথে
যেনো কিছুতেই ঝড়ের মাতমে ভেঙ্গে না পড়ে ওপরের ছাদ
ধূলো-বালিতে ভরে না যায় মস্তিষ্কের যন্ত্রপাতি ।
আবেগ আর বিশ্বাসে যেনো না পড়ে টান ,
একটুকুও যেনো কমতি না হয় প্রেমের ।
যদিও ইচ্ছে করে আদিম অস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে মুখোশ পড়া মুখে
কিছুতেই পারিনা ।
তাইতো মনের ইচ্ছেগুলো কে অজ্ঞান করে রাখি ।
কোথায় আর থাকে !
চেতনানাশক ঔষধটা যে ভেঁজালে ভরা---

তোমাকে ভালোবাসার শাস্তি পাচ্ছে এই চোখ-অনুভূতি-মন-ইচ্ছে ।
অন্যদিকে তুমি নিশ্চিন্তে ঘুরে বেড়াচ্ছো এখানে-সেখানে ;
আর তোমার বুকে , চোখে , শরীরের সবখানে , মনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে আমিহীন কারুকাজ ।
হৃদয়ে নাকি ভালোবাসা থাকে , আর আমি প্রেম কে ধারণ করেছিলাম অস্তিত্ত্বে (মানে এই নিঃশ্বাসে )।
কেন এমন হয় ?

ডায়েরি ১

ভেতরটায় একটা জন্তু ডাকছে । একটানা অনবরত ; নীল মাছি ভরা মৃতদের মচ্ছবে । সমুদ্র সঙ্গমে চলে গেছে কয়েকটি নদী ; আর ফিরে আসবে না বলে ।

এদিকে শুকিয়ে কাঠ অই বদ্বীপ । বুনো অন্ধকার বিষণ্ণ করে দেয় তোমার পতিত জমিন ।তির তির করে কাপতে থাকে প্রথম বোতাম খোলার অস্থির উল্লাস । ঘাসের বুক থেকেই শুকিয়ে যায় শিশিরস্মৃতি ।তোমার চোখে ভর করে বিষ কন্যার দৃষ্টি ।

অস্থির হয়ে জন্ম নেয় মহাস্থানগড়ের ভোর । আর খিস্তি খেউরের ফুল্কি ছোটে ক্রমশ একটি কাকের মুখ থেকে ।
প্রবল পৌরুষ আর্তনাদ শোনা যায় সহর সভ্যতার। মিথস্ক্রিয়ায় জন্ম নেয় নতুন দুঃস্বপ্ন ।

এবার মনে হয় সময় হল নীলকণ্ঠ হবার ।

অস্কার পুরস্কার পছন্দ হয়নি

জ্বরের কারণে চারদিন বাসায় ছিলাম। সময় অবশ্য খারাপ কাটেনি। বাসায় এমনিতেই থাকা হয় না, বাচ্চারা মিস করে। আমিও করি। উপরি পাওনা ছিল টানা কয়েকটি সিনেমা দেখা। বিশেষ করে এবারের অস্কার পাওয়া অনেকগুলো ছবি পর পর দেখলাম। সেই সব মুভি নিয়েই লেখা।
সিনেমাগুলো দেখে মনে হলো এবারের পুরস্কারের নির্বাচন সঠিক হয়নি। এটা আমার ব্যক্তিগত মত। সবার সঙ্গে মিলবে না তা বলাই যায়। লীনার সাথে তো মিলছেই না। কারণ লীনা জীবনে প্রথম বারের মতো মুভি নিয়া পোস্ট দিছে, দি আর্টিস্ট দেখে মুগ্ধ হয়েই তো।

প্রতারণার কলম্বাস

হীরকরাজার সবুজদ্বীপে যাবনা যাবনা
ঠাকুরমার ঝুলি কক্ষোনো পড়বোনা
গোয়ালে গোরু, কুমারীত্ব লুপ্তপ্রায়
পতি পরম গুরু, রমণীর চরণতলায়৷

বাংলার বধুর মধুমাখা বুক ফাটিবে
পুরুষদের লালসায় ধর্ষিত হলেও
অকুমারীর দোষে নয়নে নীরব ভাষা
পুরুষের কৌমার্যের দাপট রীতিতে
দাসী রমণীর মুখ ফুটিবে না।।৷

ধর্মের মহিমাই মানবাত্মার উচ্চতান
আবার ধর্মই পৈশাচিকভাবে
পতিতের গলায় চাপে আসুরের পা
ইহাতে ধর্ম যন্ত্রেরই বা কী দোষ!

মাথার ওপরে ধর্মের দীর্ঘশ্বাস
আদতে শুধু প্রতারণার কলম্বাস
শকুনের মত দৃষ্টিহানা অপাঙ্গ
অন্তঃপুরে অর্থলোলুপ শরীরি-বিভঙ্গ।।।।৷

এলেবেলে নামগুলো

(নিকোলাসের নাম কীর্তণ লেখাটা পড়ে...)

আমার দেখা, শোনা এবং পরিচিত অনেক মানুষ আছেন- যারা অদ্ভুত কিছু নাম নিয়ে চলাফেরা করছেন। এসব নাম শুনলে, নামের পেছনের মানুষটাকে না চিনলে আপনার পক্ষে বোঝা মুশকিল হবে যে- সে পুরুষ না মহিলা। এসব নাম সংক্রান্ত একটি লেখা বোধ করি অনেকদিন আগে কোথাও লিখেছিলাম। এ মূহুর্ত্যে ঠিক মনে করতে পারছিনা।

পাগলের দিনলিপি (একুশ)

................................................................
................................................................
..................................................................
................................................................
...............................................................
...............................................................

একটা মেঘে ঢাকা সকাল বেরিয়ে এলো,
তার জিহ্বার মতো পথ বেয়ে চলে গেলো
একটা ভাড়া খেটে বুড়ো হয়ে যাওয়া
নিখাদ স্কুটার। চলে গেলো শহরের পেটে।
শহরের ক্ষুধা মিটিয়ে দেবে বলে দলে দলে
হেটে চললো গার্মেন্ট কন্যারা, উপন্যাসে নাম লিখে
রেখেছে তাদের বিবিধ চুলের ফ্যাশন দুরস্ত লেখকেরা।
তাদের ছায়ায় ছায়ার স্কুলের কিছু বালক-বালিকাও
ব্যাঙ লাফে, ব্যাঙ লাফে চলে যাচ্ছে নিরাপত্তাহীন

পরীদের শহর থেকে... (২)

SAM_2838.JPG
( এই ছবিটা রমণীয় পা সন্ধানীদের জন্য Wink )

থাইল্যান্ডের ডাকনাম "হাসির দেশ" আর ব্যাংককের সদা হাস্যময় মানুষ সেই নামের মর্যাদা ভাল ভাবেই রেখে চলে। এখানকার মানুষের ব্যবহারের কারণে পর্যটকরা বারবার এখানে আসে। অত্যধিক উন্নয়ন-জনিত নির্মাণ আর সামুদ্রিক উচ্চতা বৃদ্ধিতে ব্যাংকক শহর বছরে ২-৫ সে.মি. ডেবে যাচ্ছে। ফলে অদূর ভবিষ্যতে এটি ভেনিস শহরের মত ডুবন্ত শহর হয়ে যাওয়ার কিঞ্চিত সম্ভাবনা বিদ্যমান। তবে, ব্যাংকক শহরের মধ্যে দিয়ে অনেকগুলি খালে পানিপথে চলাচলের সুযোগ থাকায় একে “প্রাচ্যের ভেনিস” বলা হয়।

সোহেল ভাই ০১৬

ফারুকের বাসার দরজায় দাঁড়িয়ে আমরা ক'জন, এর মধ্যেই হাজির হলো নান্টু,

আজকে একটা কান্ডই হইছে, বুঝলি, বাসের জন্য দাঁড়ায় আছি, সুন্দর মতো একটা মেয়ে এসে বললো কেমন আছেন? আপনাকে অনেক দিন পর দেখলাম।

আমি তো পুরাই তব্ধা খায়া গেলাম, মাইয়ার দিকে তাকাই, হাসি দিয়া কি কমু বুঝি না। ভাবলাম কিছু একটা কওন দরকার, কইলাম হুমম, অনেক দিন দেখা হয় নাই, ভালো আছো তুমি?

মাইয়া আমার দিকে তাকায়া বললো আসি ভাইয়া।

তোর তো হয়ে গেলো বন্ধু, মেয়ের নাম কি?

আরে বাল গত ২ ঘন্টা ধরে তো সেইটাই মনে করার চেষ্টা করতেছিলাম জ্যামে বইয়া বইয়া।
কোথায় দেখা হইলো?
কই আবার ইউনির সামনে দেখা হইলো, এইখানে আসবার আগে আগে
রাশেদ বললো , কোন বাসে উঠছিলো খেয়াল আছে?
বিআরটিসি

বিশেষ ভাবে এই দিনটি পালন করার কি বিশেষ কোন প্রয়োজন আছে !

calendar pic -2008 042 (Small).jpg

এই মোটামুটির উপর পার করা একটা দিন!

লিখতে চাচ্ছিলাম আরেক জিনিশ কিন্তু এখন আর তা লেখতে মন টানছে না। আর জানাযার নামায পড়ে এসে কারো মন মেজাজ ভালো থাকবে এইটা শাওনের জামাই এর লেখা উপন্যাসের হিরোদের পক্ষেই সম্ভব আমার জন্য না। আমি গড় পড়তা একজন মানুষের চেয়েও সাধারন মানুষ তাই জানাযার নামায পড়ে এসে আমার মন ভালো থাকেনা। কিছুদিন আগে আমি মসজিদ ভাঙ্গা নিয়ে কিছু লেখছিলাম সেই মসজিদেরই বড় ইমাম মারা গেছে। সকাল বেলাতেই এই খবর পেয়েই ৭ টায় ঘুম ভাঙ্গছে। যিনি মারা গেছেন তিনি নোয়াখালীতে। তার লাশ সন্ধ্যায় আসবে তার বানানো মসজিদ মাদ্রাসার সামনে। তিনি কেমন লোক ছিলো আমি জানি না জানতেও চাই নাই কোনদিন। খালি আমার আর পুলকের সাথে দেখা হলেই বলতো বাজান আফনে কেমন আছেন?

কয়েকটা ভাল লাগা ছবি ও ক্ষয়ে যাওয়া আমি

কি জ্বালাতন বল দেখি?

সাম্প্রতিক পাঠানুভুতি

কম্পিউটার বিগড়ে গেলে ভুলে যাওয়া বই পড়ার অভ্যাস ফিরে আসে, যদিও গত বইমেলায় কেনা অনেক বইই পড়া হয়ে উঠে নি, তারপরও পল্টনের ফুটপাতে কিংবা আজিজের সুদৃশ্য তাকে সাজানো বই দেখি সময়-সুযোগ পেলে, পকেটে টাকা থাকলে কিনেও ফেলি, কিন্তু কম্পিউটার পাঠাভ্যাসে বাগড়া বাধায়। গত সপ্তাহে বেশ অনেক দিন ঠিকঠাক চলার পর হঠাৎ করেই কম্পুবাবাজী ফেল মারলেন, দীর্ঘদিন ধরে বুকমার্কে রকমারী অন লাইন বইয়ের বাগান সাজিয়েছিলাম, কোনো কোনোটার বেশ কিছু অংশ পড়াও হয়েছিলো, সেইসব বুকমার্কের অধিকাংশ বই আসলে কোনো না কোনো প্রয়োজনে পড়া শুরু হয়েছিলো, প্রয়োজন মিটে যাওয়ার পর আর জ্ঞানতৃষ্ণায় ঝাপিয়ে পরি নি শেষ করতে, কম্পুবাবাজী বিগড়ে যাওয়ার পর এখন সেই স্মৃতিরোমন্থন করে কোনো লাভ নেই। আমি প্রতিদিনই আগের দিনের স্মৃতি ভুলে যাই

ভীত সময় মিথ্যা আলিঙ্গনেও পোয়াতী হয়

(১)

একটু খানি বাতাস এলেই
হেলে দুলে পড়তে থাকি,
অথচ ওই ঝড়ের রাতে
বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলাম তুলি হাতে,
জলের ভাঁজে রঙ জড়াতে,
নীলে নীলে মাখামাখি।

(২)

হলুদাভ রংয়ের ক্লান্ত বিষন্ন নগর,
পিঠে উপবিষ্ট আমি, তুমি এবং বহুরং এর সময়।
জেনো,
ভীত সময় মিথ্যা আলিঙ্গনেও পোয়াতী হয়।

(৩)

কখনো তুমি, কখনো আমি,
এখন আর আড়া্ল কিছু নয়, প্রায় প্রকাশ্যেই হই খুন ।
ওই উঁচুতে যতগুলো শিমুল ফুটেছে
তার একটিও আর আমার নয়।
ভরা জ্যোৎস্নায় যতটুকু বান ডাকে
তার কাছাকাছি কিছু প্রখর রৌদ্রেও বেসুরো, প্রায় অমিল।
সরল মিথ্যার খুঁজেই সুচতুর হামাগুড়ি,
পরিত্যক্ত ভাগাড়ের কোনে বেমানান
প্রাপ্য চিলতেখানি নিয়েই হাঁটু মুড়ে বসে থাকি, স্থির।

কে যেন বললো, ”সাবধান,
মিউনিসিপালিটির লোকেরা কুকুর মারতে বেড়িয়েছে”

আলোর ঝর্ণাধারা

pizap.com13307818631511.jpg

নভেম্বরে ফেসবুকে একটা স্ট্যাটাস দিয়েছিলাম, সময় যায় না কেন । অপেক্ষার প্রহর এত দীর্ঘ কেন? আমি যার জন্য অপেক্ষা করছিলাম, তার আসার কথা ছিল জানুয়ারিতে । একটা একটা দিন পার করছিলাম, যেন এক একটা যুগ । মনে হচ্ছিল ২০১২ সালের জানুয়ারি বোধহয় আর এ ধরাধামে আসছে না ।
তার সাথে কথা বলার উপায় নেই, তাঁকে দেখার উপায় নেই । শুধু তাঁকে অনুভব করি দিনরাত । তাঁকে বলি, জলদি এসো ............... আমি বড় অধৈর্য । সে একটু আধটু নড়ে বুঝি সান্ত্বনা দেয় আমায়, আসছি আমি ............... সময় হলেই ঠিক এসে পড়ব, একটু ধৈর্য্য ধর ।

কাঁচের দেয়ালে সাজানো দৃশ্যাবলী

নয়টা নিতান্ত অবহেলা মিলেমিশে ঝগড়া করছিলো দরজার ওপাশে।

লক্ষী বেড়ালছানার মতো পায়েপায়ে হেঁটে এলো একরাশ ধ্বনি ও শব্দ
ধানমন্ডির লেকে ভেসে বেড়ানো টুকরো চাঁদের আলোরাও
ভীড় জমালো জানালার গ্রীলঘেঁষে।

স্তুপমেঘে রঙতুলির আঁচড় শেষে চোখ ফেরালেন উদাস শিল্পী,
জন্ম নিয়েছে ছবি, একই সাথে মৃত্যু নীল শিল্পীসত্ত্বা।

।।চুপ।।

বলতেই ভেঙে পড়লো আয়নায় সাজানো প্রতিফলন
একঝাঁক রোদের প্রজাপতি ডানা মেলে উড়ে গেলো বৃষ্টির হাত ধরে
ছায়ামাখা বিষাদ গানে মুখরিত হ'লো বনজ কিশোরের চোখ...

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড।

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

● ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ