অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১১ জন অতিথি অনলাইন

ছাত্রলীগের মাস্তানি কি আপনারা সমর্থন করতেছেন?: বুয়েট ছাত্রদের প্রতি প্রশ্ন...

বুয়েটের একজন ছাত্র বাসের ধাক্কায় মারা গেলো কিছু কাল আগে। সারা বুয়েটের ছাত্ররা প্রতিবাদে মূখর হইয়া উঠলো। তারা বিভিন্ন রুটের গাড়ি ভাঙচূড় করলো। প্রতিবাদের প্রকাশে স্বতঃস্ফূর্ত ক্ষোভের রেখাগুলি দৃশ্যমান ছিলো। তাদের এই ক্ষোভে শ্রেণী বিদ্বেষ ছিলো কীনা জানি না, কিন্তু ঐ সময়টাতে বিষয়টা আমার কাছে তেমন মনে হয় নাই। আমি বুয়েটের ছাত্রদের এই বিচ্ছুরিত আগুনের পক্ষে ছিলাম।

শিক্ষক শিক্ষানীতি এবং অন্যান্য প্যাচাল ০১

বাংলাদেশের মতো ছোট্ট একটি দেশে যুগোপযোগী শিক্ষানীতি নেই বলে নীতিনির্ধারণী মহলে আক্ষেপের কমতি নেই, সবারই বক্তব্য শেষ পর্যন্ত একটি বাক্যে গিয়েই সমাপ্ত হয়ে যায়, একটি শিক্ষানীতি থাকলে সেটার সাথে সকল শিক্ষালয়ের শিক্ষাপাঠক্রমের সমঞ্জস্য করা যেতো, কিন্তু গোড়ার কাজটি করা হয় নি। শিক্ষাবিদদের আন্তরিক এবং আন্তরিকতাবিহীন প্রচেষ্টায় অবশেষে শিক্ষানীতি প্রণীত হয়েছে এবং সেই শিক্ষানীতিতে সেক্যুলার বাংলাদেশ নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জনবল নির্মাণের আশাবাদও ব্যক্ত করা হয়েছে। আমাদের সামনে দৃষ্টান্ত হিসেবে এই শিক্ষানীতি থাকবে এবং সেটার ভিত্তিতে আমরা আমাদের শিক্ষাঙ্গনগুলোর পাঠ্যক্রম সরকারী নীতিমালার সাথে খাপ খাইয়ে নিবো।

এলোমেলো মুভি পোস্ট

রাসেল আমারে ওয়ালে চিকা মারছে। মুভি নিয়ে পোস্ট দাবি করছে। আগের মতো মুভি দেখা তেমন হয় না। মেয়ের স্কুল, অফিসের কাজ সব, ব্যস্ততা এবং বই পড়ার নেশা ও নেট-মুভির সময় কমিয়ে দিয়েছে। আর সব মুভি দেখেই তো আর চীৎকার দিয়ে জানানোর ইচ্ছা হয় না। তাই ভাবছিলাম কি পোস্ট লিখবো। আগের দেখা মুভিগুলোর কথাই ভাবছিলাম। পুরোনো দেখা মুভির কথা ভাবতেই মাথার মধ্যে জানান দিল কিছু মুভি দেখার স্মৃতি। ভাবলাম লেখা শুরু করি, যেসব ছবির নাম মনে আসবে সেগুলোই লিখে দেবো। ধরে নিলাম এই মুভিগুলো কোনো না কোনো কারণে মাথার মধ্যে গেঁথে আছে।
এটা আসলে এলোমেলো মুভি পোস্ট

১. মুলহল্যান্ড ড্রাইভ-ছবিটা দেখে প্রথমে বুঝাই যায় না শেষ পর্যন্ত কি হলো। কোনটা আসল আর কোনটা কল্পনা। দর্শকদের দারুণভাবে বিভ্রান্ত করতে পেরেছে এই ছবি।

ডাইরী ১১৯

এক.
সময় আমাকে জাগায় সকালে, কিন্তু আমি ঠিক ভুলে যাই প্রয়োজন কিংবা প্ল্যান। ঘুম ভাঙতেই বিছানার শরীর ছাড়তে পারি নাই অতএব; আমাকে আকড়ে রেখেছে অ্যামনেশিয়া আর মুহুর্তেরা। অপেক্ষায় থাকি কেউ এসে ডেকে নিয়ে যাবে, চুপিসাড়ে জানাবে আমার অভিনয়ের নিয়মাবলী। শিখে নেয়া বুলি সব আওড়ে যাবো চন্দ্রালেখ্য সুরে।

যেহেতু ভালোবেসেছি অ্যামনেশিয়া, তাই ডুবে ডুবে থাকি মিমিক্রি'র জলাশয়ে। ধরা পড়ে গেলে বোকাচোদা মুখ করে আলাভোলা হই...এমত পাগল মুখোশেরা সব পারে ভেবে, এই বেলা সকলের ক্ষমাটমা জুটে যায়।

দুই.
অ্যামনেশিয়া শুনেছি সব পারে। দুঃখবোধ অথবা নির্জলা রোমান্স সব সাদাখাতা হয়ে যেতে পারে। ভুলে যেতে পারি প্রিয় চলচ্চিত্রকার কিম্বা লেখকের নাম-পরিচয়, চিঙড়ি মাছের বুনো স্বাদ, তেতো জলে কতোটা অ্যালকোহল...এমন অনেক সর্বনাম।

তিন.

তোমাকে ভালোবাসার থেকে মুক্তি চাই

দেখলেই যেমন বিটকেলে পরমাণুভূতি
ঠায় দাড়িয়ে থাকতে অশ্রাব্য গোঙানি শুনি
ব্যাকবেঞ্চিতে যাবতীয় ধীমান
আমার পুরুষ জঙ্ঘাতে প্রথম প্রেমিক পুরুষ!

যার সকল মুখস্থ দেহাবশেষ কেবল ধূসর বনলতা
আরাধ্য অঞ্জলী দিয়ে ফেসবুকের চিত্রে চিত্রে ট্যাগন
দুচারটে অভিমানী ফোড়ন পীড়নের পরে
পুরুষের দুই স্তনের মাঝে প্রেমাংশুর নখের আচড়!

আমার পুরুষ প্রেমিক এবার আমাকে পুরুষ করো
দেহস্থ ভাজের মাঝে হৃদয়ের অবোধনামায়
আমাদের উত্তররমনীদের বিস্ফোরিত উরু থেকে
জন্ম দাও এক যৌন-রাজনীতির আনকোরা পুরুষ!

এসব প্রশ্ন কখনো কর না । বোবা কালা হয়ে থাকো।

কেন ইউনুস প্রশ্নে বিচলিত যুক্তরাষ্ট্র ???
কেন সরকারের ২ বছর পর মনে হলো ইউনুস অবৈধ ভাবে ক্ষমতায় আছেন ?
কেন এতদিন বাংলাদেশ ব্যাংক অবৈধ ব্যাক্তির সাথে লেন দেন করলো ?
কেন এতদিন বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যবস্থা নেয় নাই ইউনুস সাহেবের বিরুদ্ধে?
কেন সেই কুমিরের ছানার মতন একই গল্প - টিনের চাল খুলে নেয়া, লাশ দাফন করতে না দেয়া , গরু নিয়ে যাওয়ার গল্প বলা হচ্ছে ? এর বাইরে আর কি কিছু ঘটে নাই ? কেন ঘটে নাই ? যদিও বা ঘটে সেগুলো কেন আমরা জানিনাই?
কেন পি কে এস এফ দেশে ক্ষুদ্র ঋন চালু করলো ? কেন ইউনুস মডেল ফলো করলো তারা ?
কেন অন্যান্য ক্ষুদ্র ঋন প্রদান কারী এন জি ও দেশে এখনো ক্ষুদ্র ঋন নিয়ে কাজ করছে, যদি এটা এতই খারাপ বিষয় হয় ?
কেন ক্ষুদ্র ঋনের আরো ভালো ফর্মুলা নিয়ে কেউ এগিয়ে আসছে না ?
কেন শেখ হাসিনা ক্ষুদ্র ঋন বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন, যদি এতই খারাপ হয় ?

নৈর্ব্যক্তিক সময়ের শব্দ

কয়েকটা টেলিফোন বেজে উঠেছিল কোথাও
আর, রাতজাগা ঘুমেদের আস্ফালনে চাপা পড়ছিলো
বিবিধ আগুনের তাপ

ত্রিধাবিভক্ত জিহ্বা নিয়ে উল্লসিত সাধুগোত্র
অন্যের রক্তে পানপাত্র ভরে নিচ্ছে অবিরাম

পাথর চোখের কার্নিশে ঘর বাঁধা প্রজাপতি, তোমরা উড়ে চলে যাও
এখানে স্বপ্নের বলি দেয়া হবে কিছুক্ষণ পর
বেজে উঠবে বিকলাঙ্গ নর্তকীর কাঁচের চুড়ি

হাড়ের গভীরে হেঁটে যাওয়া ঘুন পোকা, তুমি কেঁদে উঠোনা
এখনি প্রস্তুত করা হবে রাজকীয় সিংহাসন
অভিষেক হবে ক্লীব জনকের যৌনাচার

কর্মীরা ফিরে চলে গেছে মেঠোপথ অসমাপ্ত রেখে
দায়ভার... একা, অবিরাম সময়ের ।

কালিদাস পণ্ডিতের ধাঁধাঁ - ১

কবি কালিদাস আমাদের কাছে 'কালিদাস পণ্ডিত' নামে বেশী পরিচিত। ‘কালিদাস পণ্ডিত’ কে আপনারা সবাই জানেন। কালিদাস পণ্ডিতকে নূতন করে পরিচয় করে দিয়ে আমি নিজে 'পন্ডিত' সাজতে চাই না। নেট তথা গুগুল টাইপ প্রোগ্রামগুলোই এখন বিরাট বিরাট পন্ডিত! কিছু জানতে হলে লিখে সার্চ করলেই হল। ‘কালিদাস পণ্ডিত’ লিখে সার্চ করে কালিদাস পন্ডিত প্রসঙ্গে জানুন। কালিদাস ছিলেন ধ্রুপদি সংস্কৃত ভাষার এক বিশিষ্ট কবি ও নাট্যকার। কালিদাস প্রাচীন যুগের ভারতীয় কবি। তিনি সংস্কৃত ভাষার শ্রেষ্ঠ কবিরূপে পরিচিত। যদিও তাঁর জীবনকাহিনী সম্পর্কে বিশেষ নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায় না।

kalidas.jpg
(কালিদাস পন্ডিতের আনুমানিক ছবি, হাতে আঁকা)

ওড টু মাই ফ্যামিলি- ২

ঢাকা থেকে আগে গ্রামের বাড়ি যাওয়া একটা ঘটনা ছিলো।

সাত দিন আগে থেকে মা শুরু করতো, "আর ৬ দিন পর রাজশাহী যাবে তো তুমি, যাও এখন হাত-মুখ ধুয়ে পড়তে বস", কিংবা (অতি জঘন্য কোন খাবার দেখায়ে) "৫ দিন পর রাজশাহী, দুধটা শেষ কর"--- আমরা দাঁতে দাঁত চেপে কোনরকমে অপ্রিয় কাজগুলো করে ফেলতাম আর কতদিনে সাত দিন ঘুরে ৫, ৪, ৩, ২, ১ হবে তার অপেক্ষায় দিনানিপাত করতাম। সময় তখন বড়ই গাদ্দার ছিলো, এমন আস্তে কাটতো! আর এদিকে আমাদের মধ্যে টানটান উত্তেজনা ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট ম্যাচের মত বাড়তেই থাকতো।

প্রেমিকের ভালমন্দ

(আমার প্রতিটি লেখার মত এটিও প্রাত্যহিক জীবনের কথোপকথনের ফলে তৈরী।আমার এক বন্ধূর 'আমার প্রেমিক ভাল না' টাইপের অভিযোগ থেকেই আমি বিষয়টি নিয়ে ভাবি।)

মানুষ ভাংগা চেয়ারেরই প্রেমে পড়ে।

প্রেমের ইনিশিয়াল ইমপেক্ট মারাত্নক, মানুষ সরাসরি ভেংগে পড়ে। তবে ধকল কাটিয়ে উঠার পর মানুষের মনে হয় আসলে সে ভাংগা চেয়ারেরই প্রেমে পড়েছে। তিন পা নিয়ে দেয়ালে হেলান দিয়ে দাঁড়ায় এমন চেয়ার। সারফেসে পেরেক ওঠা, 'বসলে-নড়াচড়া-বারণ' এমন চেয়ার।

সমস্যা আপনার মধ্যে:

ক্ষমা করো হে নারী

আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবস । এদিনে তোমাদের নিয়ে টিভিমিডিয়া টক শো করবে,পত্রিকায় বিশেষ পাতা বেরুবে , ব্লগাস্ফিয়ারে প্রচুর পোস্ট আসবে (নারীর সম্মানে পোস্ট স্টিকি হবে কোথাও ), ফেসবুকে ষ্ট্যাটাসের বন্যা বইবে কিন্তু তুমি নারীই থেকে যাবে বেলা শেষে । বস্তুত:দুনিয়ার সমস্ত আবিস্কারে
ইতিহাস বিনির্মানে
অধিকার আদায়ের সংগ্রামে তথা মুক্তির লড়াইয়ে
সাহিত্যে ধর্ম দর্শনে বিজ্ঞানে সংস্কৃতিতে
যুগে যুগে তোমরা রেখেছে অবদান
কিন্তু পুরুষতান্ত্রিক ইতিহাস তোমাদের কথা চেপে গেছে
সমাজ তোমাদের কথা ভুলিয়ে দিতে চেয়েছে
আর শিশ্নকেন্দ্রীক সাহিত্য সমালোচনা তোমাদের অস্বীকার করেছে ।
আজ আমাদের এ দীনতা ও অপরাধ ক্ষমা করো হে নারী ।

ও নদীরে - - - -

091a.jpgএখন মনে হয়, আমার শৈশব ও কৈশোর কেটেছে যে গ্রামে ও যে নদীর তীরে তা ভারী সুন্দর! বাংলাদেশের আর দশটি গ্রামের মতই বৈচিত্রহীন একটা গ্রাম। আর সে গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া তারও চেয়ে বৈচিত্রহীন একটা নদী। বাংলাদেশে নদীর কত সুন্দর সুন্দর নাম, মেঘনা, যমুনা, সুরমা, করতোয়া, রূপসা, তিস্তা, চিত্রা, শীতলক্ষ্যা, কুশিয়ারা, আরও কত কি! এমন সুন্দর একটা নামের নদীর পাশের কোন একটা গ্রামে আমার জন্ম হয়নি। যে গ্রামে জন্মেছি, তার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া নদীটির নাম শুনলে সবাই নাক কুঁচকায় – সেটার নাম মাথাভাঙ্গা। আমরা ছোট বেলায় লিখতাম মাথাভাঙা, উচ্চারণও করতাম তাই-ই, এখনও। কিন্তু কালে কালে আর সব কিছুর মতই মাথাভাঙা এখন হয়ে গেছে মাথাভাঙ্গা।

যাপিত জীবন: ছেলেবেলার খেলা

ফুটবল, ক্রিকেট, ডাংগুটি, তাস(সিগারেটে প্যাকেট), হকি ইত্যাদি সব খেলাই খেলতাম ছোটোবেলায়। যদিও কোনোটার পারফর্মেন্স উল্লেখ করার মত না, মহল্লা লেভেলেই। সারাজীবনে শুধুমাত্র একবারই পুরস্কার পেয়েছিলাম। সেটা মহল্লার খেলাতে। দৌড়ে আর মোরগ লড়াইয়ে প্রথম। কিন্তু এর বাইরে কোনো প্রতিযোগিতায়ই পুরস্কারের ধারে কাছে যাইতে পারি নাই। মান ভালো না হলেও খেলায় আমার আগ্রহ সব সময়। জয় পরাজয় কিছু নয় অংশ গ্রহন করাই বড় কথা এই দর্শনে বিশ্বাসি হয়ে খেলায় লেগে থাকতাম।

আমাদের ছেলেবেলায় ফুটবল ছিল প্রধান খেলা। কিন্তু আমার জন্য আরামদায়ক ছিলনা। কারণ আমার শরীর নরম। খালি পায়ে খেলতাম। এদিকে অন্যদের পা ছিল লোহার মত শক্ত। কতবার ল্যাং খেয়ে পা ফুলে ব্যাথায় কাতড়েছি। তারপরও খেলে গেছি, মানে বলের পিছনে দৌড়ানো আর কি।

আমার যাদুমনি (৫)

1_3.jpg

2_2.jpg

3_3.jpg

4_4.jpg
খেলা খেলা আর খেলা Smile

5_5.jpg
খেলা করবে আর মারামারি করবেনা? সেও কি হয়? Tongue

6_2.jpg
মারামারি করে একজন চিৎপটাং! Crazy

7_3.jpg

8_2.jpg

9_1.jpg
ঋহান ঋহান ঋহান.....................

10_2.jpg

খৃষ্টপর দুই সেঞ্চুরী

খৃষ্টপর দুই সেঞ্চুরির সিঁধেল অন্ধকারে
নায়কেরা কেমন বদ বখত হয়ে গেলো
আলোকালো আর কালোআলো তারকা থেকে
উৎক্ষেপণ যন্ত্রে চেপে নেমে এলো মাই ফুটে!

পানির বদলে গ্লাস ভেঙে খাই অটুট তৃষ্ণা মুখে
চাদরের হাতলে পিলোবন্দি ঘুরি রাতের দূর্বাঘাসে
যেখানে পতন তারও তলে গভীর খাদের বাঁকে
এক চুমুক অধর গিলে - আবার নায়ক হয়ে ফেরে!

আস্তিনে মোছা সফল গোঁফের সতেজ সফেদ ডাটা
কেবল চালান করে দিচ্ছি হেঁসেলের প্রয়োজন ভেবে
আরো কিছু পরে যদি কোনো গোয়েন্দা তল্লাশী চলে
দেখিয়ে দেবো সুয়ারেজের ছিপিটা কিভাবে খোলে!

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ