অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১২ জন অতিথি অনলাইন

টাইগারদের মিউ মিউ আর সমালোচকের গর্জে ওঠার দিন...

স্টেডিয়ামে গিয়া খেলা দেখি নাই বহুদিন, কিন্তু গতোকাল রাত বারটার সময় এক বন্ধু হঠাৎ ফোন কইরা জানতে চাইলো বাংলাদেশ আর সাউথ আফ্রিকার সাথে খেলা দেখতে চাই কীনা, তার কাছে একটা ক্লাব হাউজের টিকেট আছে...এই টিকেট প্রাপ্তির সম্ভাবনায় মনে হইলো যাই একদিন অন্ততঃ দেশের ক্রিকেট সমর্থকগো বাস্তবতাটা বুইঝা আসি। আর তাই সকাল সকাল ঘুম থেইকা উইঠা রওনা দিলাম মিরপুর স্টেডিয়ামের উদ্দেশ্যে।

স্টেডিয়ামে ঢুকনের আগে আমার বুটের ভিতরে পাঁচটা সিগারেট লুকাইয়া নিলাম যাতে কোনো ঝামেলা না হয়। ফোন ছাড়া আর কোনো বহনযোগ্য মালামাল রাখলাম না সাথে, যাতে চেকিং বিষয়ক জটিলতা এড়ানো যায়। তারপরেও আমার পকেটে থাকা চ্যাপস্টিকটা বাইর কইরা ছুইড়া ফালাইয়া দিলো গেইটের সতর্ক প্রহরীরা। একা একা খেলা দেখতে যাওনটা একটু বোকামী আজকালকার যূগে। তয় আমার মন কইতেছিলো পরিচিত লোক হয়তো পাওয়াই যাইবো এতো লোকের ভীড়ে।

ভাবনা ও একটি পরাজয়

বাংলাদেশ দল আজ পরাজিত হইছে... এইটা সমস্যা না... খেলায় হারজিত থাকবই ... এটা মাইনাই খেলতে নামছে... প্রতিযোগিতায় কখনো দুই দল জিতে না ... আসেন একটা পোস্টমার্টেম করি ক্যান বাংলাদেশ হারল...

কিছু বিষয় মাথায় রেখে আমাদের তদন্ত চালানো প্রয়োজন। একটু ভাবুন... মাত্র কয়েক দিন আগেই জাপানে প্রলয়ঙ্করী সুনামি শেষে দুনিয়াদারি ১০ ফুট দূরে সইরা গেছে। স্বাভাবিক ভাবেই এর প্রভাব মিরপুর স্টেডিয়ামে পর্ছে। স্টেডিয়াম, পিচ... সব কি ঠিক জায়গামত আছিল? কোচ, টিম এবং টিম সংশ্লিষ্ট কেউ বিষয়টা নিয়ে ক্যান মাথা ঘামাইল না? এখন এই প্রশ্নই বার বার মানুষের মুখে মুখে...

যেখানে ছোট থেকেই আম্রা জেনে আসছি "নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা" ... এটা স্মরণে থাকার পরও ক্যান বিষয়টা খেয়াল করা হলো না? এই যে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আমাদের ভুলিয়ে রাখা হলো এর মধ্যে কি বিরোধী দলের ষড়যন্ত্র আছে? সবগুলো বিষয় তলিয়ে দেখার সময় এসেছে...

দোলযাত্রা...

দোল কি???

দোলযাত্রা-কে অনেকে সংক্ষেপে দোল বলে থাকেন।

ফাগুন মাসের পূর্ণিমা তিথিতে (প্রচলিত পঞ্জিকা অনুসারেঃ ১৪ তম রাতের পরবর্তী দিন) দোলযাত্রা নামক অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। যাকে অনেকে "বসন্তোৎসব"-ও বলে থাকে।

দোলযাত্রা একটি হিন্দু বৈষ্ণবীয় উৎসব। এটি ভারতের বিভিন্ন স্থানে (বহিঃবঙ্গে) "হোলি উৎসব" নামে-ও পরিচিত। তবে, প্রকৃতপক্ষেঃ এটি আসলে অনেকটা ভিন্ন ধরনের উৎসব; তবে মূল-বিচারে বলা চলে এরা পরস্পর সম্পর্কযুক্ত।

আবার, এই পূর্ণিমা তিথিতেই শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু জন্ম-গ্রহণ করেন বলে একে গৌর-পূর্ণিমা নামেও অভিহিত করা হয়।

উদ্ভব কিভাবে???

এটি বৈষ্ণব মতানুসারীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব হিসেবে বিবেচিত হয়।

আমার ৬০ টাকা

আমরা বন্ধুর কয়জন ব্লগার বন্ধু বেড়াইতে যাইব, আমারে আগের রাতে ফুন দিছিল এক মাইয়া, দেখতে একদম সরল সিদা, গাল ভরা মমতাজের হাসি (Innocent)। আমারে কইল আপা আপ্নের বাসার কাছে আমরা বেড়াতে যামু আপ্নিও জয়েন করেন আমাগো লগে। আমি সাদাসিদা মানুষ, কিচ্ছু বুজিনা......কইলাম কই যাবা ?ওই মাইয়া কয় যামু এয়ারপর্টের কাছে...আমি ভাব্লাম ঠিক আছে যাই, ছুটির দিন বাড়িত থাইক্যা কি লাভ, তার চাইয়া বেড়াইতে গেলে যদি অন্য কুন Love হয়!!!! কইলাম ঠিক আছে তুমরা উত্তরার কাছাকাছি আইলে জানাইও।

কবিতা: শুধু তোমার নামটুকু পার হতে পারি নি আজো

বয়সের সঙ্গে সবকিছুতে স্থিরতা চলে আসে। পৃথিবীর বয়সও বেড়ে চলেছে প্রতিদিন। সঙ্গে সঙ্গে সবকিছু এগিয়ে যাচ্ছে স্থিতাবস্থার দিকে। আজ-কাল মানুষের মধ্যে একটা প্রাইম পার্ফেকশনের ব্যপার কাজ করে। চেহারায়, আকারে, ভঙ্গিতে, সবকিছুতেই। আমার মনে হয় অনন্য সাধারণ একটি প্রজাতি বিবর্তনের প্রায় শেষ ধাপে এসে পৌঁছেছে।
তবে বিবর্তন মানুষের জন্য সমূহ বিপদও ডেকে আনতে পারে। কারণ মানুষ তার অবস্থানগত কারণে অন্যান্য প্রজাতির ওপর ছড়ি ঘুরাতে সক্ষম। কিন্তু নিজেরা প্রকৃতির অসীম ক্ষমতার কাছে ভীষণ অসহায়। যেকোন সময় ভোজবাজির মতো মিলিয়ে যেতে পারে সবাই, সবকিছুসহ। এই অন্তর্জাল, কম্পিউটার, পারমাণবিক শক্তি বা টেকসই পরিকল্পনা, কোনোকিছুই কাজে আসবে না তখন।
আমি বলি কি, ভরপুর সম্ভাবনা আর ভয়ংকর আশঙ্কার সম্মিলনই জীবন। এর মাঝেই একটু ফাঁক বের করে নিতে হয় বেঁচে থাকার জন্য। নিজেকে ও অন্যকে ভালবাসার জন্য।

ডাইরী ১২০

--------------------------------------------------------------------------------------------------------

এক.
পাহাড়টারে খুঁজে পাওয়া যায়নি গতোকাল। ভীত পাহাড় লুকিয়েছিলো এমন কোথাও যার পথ জানা ছিলো না তোমার...লুকোন পাহাড় হাতের মুঠোয় পাওনি বলে কাল রাতে তুমি অনেক কেঁদেছো...অনেক কেঁদেছো?

দুই.
ক্লোক গায়ে দিয়ে পাহাড়টা আসলেই লুকিয়ে ছিলো, ঘুমিয়ে ছিলো। তুমি তারে খুঁজে পেলে ছুঁয়ে দিতেই জেগে উঠতো সে। তারপর তোমাকে ছাপিয়ে ছড়িয়ে যেতো, মিলিয়ে যেতো। পাহাড়টারে মুঠোর ভেতর আটকে রাখার মন্ত্র জানো?

তিন.
এমন প্রতারক পাহাড় এককালে আমার ভীষণ বশ ছিল, বলতেই মাথা উচিয়ে দাঁড়াতো মেঘের পাঁজর ভেদ করে, বলতেই আবার নমিত সমতল, ঠিক যেনো নিরাশার পদাবলী। মেঘদলের সাধ্য কি তারে ধরতে পারে!

চার.

আমার যাদুমনি (৬)

তানবীরা আপু'র কথা অনুযায়ী এবার বাছাবাছি না করে সব ছবি দিয়ে দিলাম, জনগন কার কোনটা পছন্দ, বেছে নিন Cool

DSC05959.JPG
ঋহানঃ কানে ধচ্চি মা, মাফ করে দাও। আর দুষ্টুমি কব্বো না Tongue

DSC05943.JPG

DSC05941.JPG

DSC05952.JPG

DSC05981.JPG
আমার বাবামনি'টা, মাশাল্লাহ!

DSC05989.JPG

এ জার্নি বাই মাইক্রোবাস, সিডান, হিরু হুন্ডা ফ্রম ঢাকা টু জিন্দাপার্ক টু চিকেন বিরিয়ানী

দুই-তিনদিন আগেই প্লান হইছিলো বৃহষ্পতিবার ১৮ মার্চ এবির ফটু মন্ত্রনালয় টঙ্গী রেল স্টেশন এর আশপাশে গিয়া ফটু তুলতে চায়। সকাল নয়টার ফটুগ্রাফার তিনজন (হাসান রায়হান, রায়হান সাঈদ আর বৃত্ত শুভ) রওনা দিলো ফটু তুলতে। আর দুধভাত আমজনতা সাড়ে ছয়জন (আমি, শওকত মাসুম, লীনা দিলরুবা, জয়ীতা, টুটুল, লীনা ফেরদৌস এবং তার মেয়ে মাধূর্য) আমরা রওনা দিলাম একটু বেলা করে সকাল এগারটায়।

পূর্ণিমা রাত ও লুসিফার

একটি অন্যরকম রাতের সূচনালগ্নে দাঁড়িয়ে আছি।
বাইরের প্রকৃতি অন্যান্য সব রাতের মতো। ভেতরের চেতনা একটু অস্থির। অস্থির না হলে সেটা হতো অস্বাভাবিক। এই রাতের জন্য অপেক্ষায় আছি দেখে বিয়ে করলাম না- অথচ আমি চিরকাল নারী ভক্ত ছিলাম।চাইলে ব্যবসা করতে পারতাম- ফুলে থাকা পৈত্রিক সম্পত্তি বাড়াতে পারতাম চক্রবৃদ্ধি হারে। খুলতে পারতাম একটি পাঁচতারা হোটেল- যে হোটেলের বারে বসে মাতাল হতে পারতাম ফ্রি’তে।
শুধু ধ্যান করেছি আমি। শয়তান হিসেবে যাদের আমরা চিনি,জানি কিংবা অনুভব করি তাদের দেবতা লুসিফারের সাথে দেখা করার জন্য প্রতি পূর্ণিমা রাতে রক্তস্নান করেছি।

আজ আবার পূর্ণিমা। আমি একশ’তম হত্যাকান্ডটি সম্পন্ন করে চুপচাপ বসে আছি। মিনিটে মিনিটে অস্থিরতা বেড়ে যাচ্ছে। লুসিফারের দেখা পাওয়া সহজ কথা নয়। স্বপ্নপ্রাপ্ত এক গোপন সূত্রের পথ ধরে এতদূর আগাতে পেরেছি।

দাম্পত্যঃ আহা, উত্তাপ কতো সুন্দর তুই থার্মোমিটারে মাপলে!!

দিল্লী’র লাড্ডু আসলেই খেতে কেমন তা কেউ পরিষ্কার করে জানায় না। সবাই কেবল দাম্পত্যের সাথে তুলনা দিতে গিয়ে টেনে আনে দিল্লী কা লাড্ডুর কথা যেটা নাকি খেয়েও পস্তাতে হয় আবার জেনে শুনে না খেয়েও গতি নাই কারুরই। লাড্ডুটা খাওয়া মেয়েটা যে পুরুষটি তাকে বিয়ে করতে চায় তাকে সারাজীবন মনে রাখে। আর ভাবে একআধটু উল্টোপাল্টা থাকলেও বিয়ের পর হাজব্যান্ড বদলে যাবে, কিন্তু তা হয় না। আবার উলটো ক্ষেত্রে বরটা সেসব নারীকে আজীবন মনে রাখে যাদের সে বিয়ে করেনি। আবার মনে করে প্রেমিকা স্ত্রী হওয়ার পরও একই রকম থেকে যাবে, কিন্তু, হায়! স্ত্রী বদলে যায়।

হুজুগে বাঙাল...

জাপানের পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্রে বিস্ফোরণের পর বাংলাদেশের মোবাইল ফোনগুলোতে আতঙ্ক-ছড়ানো মেসেজের ঢল বয়ে গেছে। কোনো গণমাধ্যমে কোনো খবর নেই, কিন্তু মোবাইল ফোনে এই মেসেজের উৎস কী?

অনেকের এবং আমারও ধারণা যে, রক্তচোষা মোবাইল অপারেটরদের কেউ অথবা সকলেই এই আতঙ্ক-ছড়ানো মেসেজের উৎস। কতো কিছু নিয়ে যে এরা ব্যবসা করবে।

বিষয়টি তদন্তের দাবি জানিয়ে গেলাম।

চলছে গাড়ি যাত্রাবাড়ি-১

অফট পিকঃ তার বা তাদের মতো লিখতে পারি না বলে সেদিন একজন এমন ঝাড়ি দিলো।দেখে চোখে পানি চলে এসেছিলো।তাই আজ থেকে আবজাব শুরু করলাম।যখন যা মনে আসবে তাই লিখবো পারলে আমারে যেন কেও ঠেকায়।
রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরো দিবো...............জয় বাংলা:

১.

হাতি নিয়ে মাতামাতি

বাংলাদেশ/নেদারল্যান্ড। নিশ্চিত বাংলাদেশ জিতবে। তবুও মনে ভয় কখন কি হয়। উইকেট পরা শুরু করলেতো তা মহামারী আকার ধারন করে। খেলা চলছে। এমন সময় আমার কাজের বুয়া এসে আমার মেজ মেয়েকে বললো '' হাতি দেখবে? মাঠে দাঁড়িয়ে আছে।" একথা শুনে আমার বাচ্চা তিনটা উঠে দৌড় ওদের পিছন পিছন আমি। বারান্দায় এসে দেখি হাতি চলে যাচ্ছে। বাচ্চারা ঘ্যান ঘ্যান শুরু কবলো --মা হাতিকে ডাকো, বাসায় আনো , আমি হাতির পিঠে চড়ব। বিরক্ত হয়ে বললাম ডাকতে।

আমার পথে তোমার ঝিকিমিকি

বাংলাদেশ ক্রিকেট টীমকে নিয়ে একটু টেনশনে আছি। আজ-কাল জিতলেও মানুষ সমালোচনা করতে ছাড়ছে না। ওরাও তো সবাই রক্তে-মাংসে গড়া, ভুল অভ্যাসে ভরা মানুষ। টাকা যাই কামাই করুক, তা দিয়েই সব বিচার করে ফেলা বোধহয় একশ' ভাগ ঠিক হবে না। আমাদের কষ্টার্জিত ট্যাক্সের টাকা দিয়ে দেশে খালি ওরা একাই লালিত-পালিত হচ্ছে না। আরো অনেকে হচ্ছে। এমন অনেক গোষ্ঠীকে আমাদের টাকা দিয়ে পালা হচ্ছে, যাদেরকে হয়তো আমাদের দরকারই নেই। যেমন, র্যাব (rab)।

প্রকৃতি তুমি এতো নিষ্ঠুর কেনো!!

আজকে সকালে এক বন্ধুর ফেইসবুক স্টেটাস পইড়া আসলেই কনফিউজ্ড হইলাম। জাপানে প্রলয়ংকরী ভূমিকম্প আর তারই ফলশ্রুতিতে আরো ভয়ঙ্কর জলোচ্ছ্বাস সুনামি ইফেক্টে যখন মানুষের জানমাল অস্তিত্ব আসলেই নিশ্চিহ্ন হইয়া যাওনের আশংকা দেখা দিছে সেইসময় এই পদার্থ বিজ্ঞানী বন্ধু বলতেছে,

জাপানে ব্লাস্টের পর নিউক্লিয়ার পাওয়ার সোর্স নিয়া যেই বিতর্ক তৈরী হইছে, তাতে দেশের বিকল্প জ্বালানীর স্বপ্ন মাঠে মারা যাইবো। কয়লা নিয়া কর্পোরেইট মাল্টি ন্যাশনালগুলি খেয়োখেয়ি শুরু করবো আর সোলার পাওয়ার এই বর্ষা বিধৌত দেশে কখনোই প্রধান জ্বালানীশক্তি হইতে পারে না।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ