ব্যানার সমালোচনাঃ- যেদিন তর্জনি'র "যাদুকরি" ইশারাতে জেগে উঠেছিলো মানুষ, মুক্তির আস্বাদে
নিজের বাংলা গেয়ান লৈয়া খুব বেশি গর্ব করনের মতন কিছু নাই, হিন্দিও শুইনা বুঝি এরম।
এই গেয়ান লৈয়াই কিছু লেখনের টেরাই দিতেছি।
হিন্দিতেঃ-
আলাদীন কি পাস এক যাদুই চেরাগ থি.............
বা
ইস গাঁও মে এক যাদুগর রেহতা হ্যাঁয়, জিনকো পাস এক যাদুই জুতা হ্যাঁয়।
বা
উন আঁখোকি যাদুই ইশারেপে ম্যাঁয় ঘায়েল হুঁয়া........
বাংলাতেঃ-
ক্রিস এঙ্গেল বা ডেভিড ব্লেইনের থেকে আমার ডেভিড কপার ফিল্ডের যাদুই বেশি ভালো লাগে।
বা
যাদুর পেন্সিল, আআহা যাদুর পেন্সিল
থাকতো যদি এমন একটা যাদুর পেন্সিল।
হিন্দিতে যতবার যাদুই লিখছি, ততবারই কইলাম যাদুই এর মিনিং বাংলায় যাদুর অর্থ লয়।
যেরাম হিন্দি শব্দগুলারে বাংলায় কইতে গেলে আমি এমনে কমু যে
একাত্তরের এদিনে-বঙ্গবন্ধু বললেন -এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ। বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসের অবিস্মরণীয় একটি দিন। একাত্তরের এই দিনে স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রমনার রেসকোর্স ময়দানের জনসমুদ্রে ঘোষণা করেছিলেন পাকিস্তানের অপশাসন ও নিষ্পেষণ থেকে বাঙালির মুক্তির মূলমন্ত্র। এই ভাষণটির তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ছিল তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের মানুষকে স্বাধীনতা যুদ্ধে উদ্বুদ্ধ করা।কবি নির্মলেন্দু গুণ শেখ মুজিবের সাত মার্চের ভাষণকে বলেছেন একটি মহাকাব্য। আর সেই মহাকাব্যের মহাকবি হচ্ছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। কবি গুণের কবিতায় বঙ্গবন্ধুকে কবি অভিহিত করার প্রতিধ্বনি শোনা গেছে লন্ডনের সানডে টাইমস পত্রিকার মতো কাগজে। কাগজটি শেখ মুজিবকে নাম দিয়েছিল 'এ পোয়েট অব পলিটিক্স' ।
চলুন ফিরে যাই একাত্তরে-
গল্প: হরেক রংএর মার্বেল
১.
সেদিন ঘর থেকে মাত্র বের হয়েছি, সিঁড়িতে একটা কালো হুলো দেখলাম। বেড়ালের চোখ সবসময়ই দর্শনীয়। আমি বেড়াল দেখলেই তার চোখের দিকে তাকাই। ছোটবেলায় মার্বেল জমানোর শখ ছিলো। এখন অবশ্য যেরকম সুন্দর সুন্দর মার্বেল ক্যম্পাস আর এ্যলিফ্যন্ট রোডের ফুটপাথে বিক্রি করে, সেরকম মার্বেল তখন পাওয়া যেতো না। সবুজ বা ঘন কালো রংএর মার্বেল ছিলো শুধু। সেরকম মার্বেল জমিয়েছিলাম এক হাজার। যার বেশিরভাগ খেলে খেলে জেতা। বেড়ালের চোখ আমার কাছে মার্বেলের মতো লাগে। শুনেছি ভুত মরে নাকি মার্বেল হয়।
সাইকেলটা একটা সীজনাল খোর। যখন যে সীজন চলে, তখনকার সহজলভ্য খাদ্যটি সে প্রচুর পরিমাণে খেতে থাকে। বর্ষার সময় সে কাদা খায়। গরমকালে খায় ধুলা। প্রতিদিন কমপক্ষে ১০ মিনিট ধুলা না ঝাড়লে জিনিসটা মনুষ্য সমাজে চলার মতো চেহারায় আসে না। আনমনে ধুলা ঝাড়তে ঝাড়তে ভাবছিলাম, সামনে দিয়ে বেড়াল চলে যাওয়াটা অপয়াই হয় কি না কে জানে।
রিপোষ্ট কবিতা প্রথম পর্ব
এইটা মুকুলের জন্য রিপোষ্ট করলাম, মুকুল কইলো অনেক দিন ধইরা সে আমার কবিতাওউবিতা পড়ে না, লিখা হয় নাই কইয়া পুরানা মাল গছায়া দিলাম
ভালোবাসা সর্বগ্রাসী
০১.
ভালোবাসা সর্বগ্রাসী, অস্তিত্ব গিলে খেতে চায়
ডাঙ্গার প্রাণী ডুবে অগাধ জলে ,প্রেমের বরশী গিলে বৃথা তড়পায়।
০২.
আমি কীটস হলে ভালো হতো, বলতাম "আমার নাম লেখা ছিলো জলে"
আমি হারিয়ে নিজের নাম ঘুরছি শহরে
তুমিহীনা এ নগর পোড়ে বিরহ অঙ্গারে ।
০৩.
তোমার দুয়ারে দাঁড়িয়ে আছি, আসবো?
নিছক আবেগ বক্ষে ধরে
নিকষ কালো অন্ধকারে
একলা একাই দাঁড়িয়ে আছি, আসবো?
উপড়ে নেওয়া শেকড়ে এখনও লেগে আছে রক্ত আর অশ্রুকণা
সারাদিনের সঞ্চিত খড়কুটোয় এলোমেলো ঘুমায়াছে ক্লান্ত চড়াই
কড়া নেড়ে নেড়ে নিস্তব্ধ মহল্লার সবকটা জানালায় জ্বলে উঠলো আলো,
অসময়ে চলে যাওয়া ভালো।
শিশির দু পায়ে পিষে আমি ফিরে যাই...
০৪.
আমার যাদুমনি (৪)
আজকের ছবি গুলো বিভিন্ন দিনের, বিভিন্ন মূহুর্তে তোলা। আসলে স্টকে অনেক অনেক ছবি আছে ঋহানের। কিন্তু সেগুলো থেকে যে ভালো গুলো বেছে আলাদা করবো, সময়ের অভাবে সেটা হয়না। আর এত এত ছবি'র মাঝে কোনটা দিলে ভালো হয় বুঝে পাইনা। হাতের কাছে যে কয়টা পেলাম তার মাঝে যেগুলো ভালো লাগলো সেগুলোই দিয়ে দিলাম।
খেলার ফাঁকে
ঋহানঃ পোলাপাইন কিবোর্ডটাও ঠিক মত চালাইতে শিখে নাই। এই দেখো সবাই, এইভাবে লেখালেখি করতে হয়

ক্ষুধার্ত ঋহান

অসাধারণ একটি শিক্ষামূলক গল্প
একদা এক বিরাটাকার জাহাজে যান্ত্রিক গোলযোগ পরিলক্ষিত হয়। জাহাজ মেরামতের অভিপ্রায়ে মালিকের চেষ্টায় কোন ত্রুটি দৃষ্টিগোচর হয়নি। আজ এক জনকে, কাল অন্য জনকে, পরশু আরেকজনকে দিয়ে চেষ্টা চালিয়েই যাইতেছিল। কিন্তু কাহারো পক্ষেই এই জাহাজটিকে মেরামত করা সম্ভব হইতেছিল না। দেশ বিদেশের বিভিন্ন বিশেষজ্ঞরা আপ্রাণ চেষ্টা করিয়াও যখন কোন কুল কিনারা করিতে পারিতেছিল না তখন এক বৃদ্ধ লোকের ডাক পরিল। কারণ বৃদ্ধার যৌবনকালে এমন একটি সমস্যার সমাধান করিয়াছিল বলিয়া জনশ্রুত আছে।
বয়োবৃদ্ধ ভদ্রলোক বিশাল এক যন্ত্রপাতির বাক্স লইয়া হাজির হইয়া দ্রুতই কাজে নামিয়া পরিল। সে ইঞ্জিনের শুরু হইতে শেষ পর্যন্ত খুবই সতর্কতার সহিত পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে পরখ করিয়া দেখিল। জাহাজের মালিক বৃদ্ধার সহিত সর্বক্ষণ লাগিয়া থাকিল এবং বোঝার চেষ্টা করিল বৃদ্ধা কিভাবে জাহাজ মেরামত করিবে।
লজ্জা এবং অন্যান্য........
প্রথম লজ্জা আমাদের অন্যরকম এবং অবিশ্বাস্য পরাজয়ের। দ্বিতীয় লজ্জা আমাদের হতাশার অতিরিক্ত বহিঃপ্রকাশে। আমরা কি এখনো পর্যাপ্ত সভ্য হতে পারিনি যে এভাবে ইট ছুড়ে অতিথিকে তাড়িয়ে দিতে হবে। আমদের মানসিকতা এতটা নিচু আর কতভাবে দেখাবো ? আমাদের তামিম, সাকিবরা ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের বিপক্ষে দাঁড়াতে পারেনি, কেন পারেনি বিশ্লেষণ করে পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন। আমি ক্রীড়া বিশ্লেষক নই, আমি গতকালের খেলার বিশ্লেষণ করতেও বসিনি। আমার আপত্তি, অতিথির গাড়িতে ইট ছোঁড়া নিয়ে। যতটা লজ্জা আমাদের পরাজয়ে, তারও চেয়ে বেশি লজ্জা আমাদের আচরনে। তামিম সাকিবদের জয় যদি আমাদের উল্লাশে মাতিয়ে দিতে পারে, তবে তাদের পরাজয় আমাদের স্পর্শ করে না কেন? কেন আমরা ভুলে যাই জয় পরাজয় জীবনেরই অংশ, আর পরাজয় কখনো খুব খারাপ ভাবেও আসতে পারে।
এক অসম প্রেমের কাহিনী
মাঝে মাঝে অবাক হয়ে ভাবি, জানার আছে কত কিছু। সামু ব্লগে প্রথম চোখে পড়েছিলো মাঙ্গা শব্দটি। এরপরে আমার নিজের ব্লগেও শব্দটি পেয়েছি বিভিন্ন সময়। এই সেদিনই পড়লাম নাম নাই আর ভাস্করদা'র লেখায়। কোন্ ধরনের এ্যনিমেশনকে মাঙ্গা নামে ডাকা হয় সেটি জানতাম ঠিকই, কিন্তু এছাড়া জানা ছিলো না প্রায় আর কিছুই।
কন্টাক্ট লেন্স
কেমন আছেন সবাই? এটা ব্লগে আমার ১ম পোস্ট ।ভাল লাগছে লিখতে পেরে
পোস্টটা দেয়ার সময় ১টা প্রশ্ন ঘুরছিল মাথার মধ্যে । সেটা দিয়েই শুরু করলাম
পাওয়ার কন্টাক্ট লেন্স কোন কম্পানীরটা ভাল হবে?
ল্যাসিক কি নিরাপদ?কোন সাইড এফেকট নেইত?
... ................................
................. .................................
........................... ..........................
............................................... ............................
টাইগার প্রতিদিন শিকার করে না!
আজকাল আর মন ভাল রাখতে পারছি না। নানা কারনে নানা সমস্যায় জীবনটা অনেকটা তেজপাতার মত হয়ে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে একটা অর্থিক সমস্যায় পড়ব বুঝা যাচ্ছে! আয় ব্যয়ের হিসাব মিলছে না মোটেই! কি করব বুঝতে পারছি না। কোন পথে গেলে ‘গুরুধন’ পাব বুঝতে পারছি না। চারপাশের অনেকের অবস্থা দেখে আরো ভয়ে পড়ছি দিনকে দিন! কেমন যেন একটা অদৃশ্য গ্যাড়াকলে পড়ে যাচ্ছে আমাদের সামাজিক অবস্থা। রাষ্ট্রের পরিচালন পদ্বতির উপর আমাদের সাধারন মানুষের কোন হাত না থাকলেও সাধারন মানুষ যাদের পরিচালক হিসাবে নিযুক্ত করে, তাদের আচরন ও কর্ম পদ্বতি সঠিক না হলে সাধারন মানুষকেই তার ভার বহন করতে হয়! আমার মনে হয় আমরা সেই রকম একটা অবস্থার মধ্যে আছি এইসময়ে। যাক যা হবার তা তো হবেই! আমার মত আদার ব্যাপারী জাহাজের খবর নিয়ে কি লাভ! কিন্তু সব আদার ব্যাপারী এক হয়ে গেলে জাহাজ ব্যাপারী যাবে কই! কত কত জাহাজ ব্যাপারী এই দুনিয়ায় আসলো আর গেল! কত আদমের এই দুনিয়া!
ধাঁধা পোস্ট
এইটা একটা ধাঁধা পোস্ট। আপাতদৃষ্টিতে নিরীহ। উত্তরটা আর দিলাম না। আপনারাই বলেন-
বাসায় আপনি দেখেন টেলিভিশন। কিন্তু আপনি যখন বের হন নিয়ে যান আপনার সেল বা মোবাইল ফোনটাকে।
আপনার হাতে যখন টাকা থাকে না আপনি তখন টিভি দেখেও আনন্দ পান না। পারলে বিক্রি করে দেওয়ার কথাও ভাবেন। কিন্তু যখন আপনার হাতে টাকা থাকে আপনি আপনার মোবাইল ফোনটাকে বদলে ফেলেন।
আপনি কখনো কখনো টিভি উপভোগ করেন। কিন্তু আপনি আপনার মোবাইল ফোন নিয়ে খেলেন প্রায় সর্বক্ষণ, সর্বদা আপনার হাতেই থাকে সেটটি।
টিভি একবার কেনার পর সেটি সারাজীবনের জন্য ফ্রি, তেমন কোনো অর্থ ব্যয় করতে হয় না। কিন্তু মোবাইলের পেছনে যদি অর্থ ব্যয় না করেন তাহলে সেবা আর পাচ্ছেন না।
টিভি আজকাল অনেক বড়, মোটাসোটা এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পুরোনো। কিন্তু মোবাইল সুন্দর, স্লিম এবং সহজেই বহনযোগ্য।
তাপিত হৃদয় যেখানে শীতল হয়, সেখানে বস্তু রবে জেনো নিশ্চয়
খ্রিস্টাব্দ ২০০৮ ছিলো এ্যনিমেশন ভক্তদের জন্য দারুণ একটি বছর। বেশ কিছু চমৎকার এ্যনিমেশন দেখার সুযোগ, ভাগ্য হয়েছিলো সেবার। ওয়াল-ই আর মাদাগাস্কার: ইস্কেপ টু আফ্রিকা'র কথাতো আগেই বলেছি। সালের আরো একটা চমৎকার মুভি ছিলো কুং ফু পান্ডা। ড্রীমওয়ার্ক্সের পরিবেশনা ছিলো দারুণ; ডাস্টিন হফম্যান, অ্যাঞ্জেলিনা জলি, জ্যাকি চ্যাং, জ্যাক ব্ল্যাকদের ডাবিং ছিলো দারুণ আর এ্যনিমেশন হলেও কাহিনীচিত্র, দৃশ্যায়ন ছিলো দারুণস্য দারুন! মুভিটা দেখে অমৃতসম তৃপ্তি পেয়েছিলাম।
এলেবেলে
অনেকদিন ধরে লিখব লিখব করে কোনো কিছু লিখা হয়না। মানুষ কত কিছু লিখে, অথচ আমি কিছু লিখতে পারি না। এক প্রকার ইনফেরিওরিটি কমপ্লেক্স এ ভুগি। না জানি লিখা কেমন হয়। সবাই কত সুন্দর লিখে। আমার লিখা কি সেই রকম হবে? তারপরেও মাথায় কতকিছু ঘুরে, তাই আমি নিচের লিখাটি লিখলাম।
আমার এক ছোটভাই আমার উদ্দেশ্যে একটা গল্প লিখল। সেই গল্পটিতে দুইজন বন্ধুর কথা উল্লেখ করল। তারা দুইজন একটা দোকানে ঝাড়বাতি কিনতে গেল। তারা সেইখানে যেয়ে একটি বাতিও কিনতে পারলোনা। কারণ ঝাড়বাতিগুলো তাদের ঘরের সাথে মানানসই হচ্ছিলনা। গল্প শেষ হয়ে যায় ঝাড়বাতি না কেনার দুঃখ পর্য্ন্ত। এই রকম কত শত গল্প আমার মাথায় ঘুরতে থাকেয় কিন্তু কিছুই আমি লিখতে পারিনা। কারণ গল্প গুলোর শেষ রূপান্তর আমি কি দিব তাই বুঝতে পারিনা।
রুটি ও রবীন্দ্রনাথ -

রবীন্দ্রনাথকে চিনতে হলে আমাদের রুটি সেঁকতে হবে... আমাদের আটার দলা মাখতে হবে... বর্ষার অমোঘ মেঘে ঝরা প্রথম বৃষ্টির পানিতে ভাজতে হবে... রুটি!
হ্যাঁ... কবিগুরুও রুটি ভেজেছেন... না বউকে খুশি করতে বা তার রাগ দমাতে নয়, ভেজেছেন জীবনকে জানতে... রুটির ফুটো দিয়ে চেষ্টা করেছেন বিশ্বকে দেখতে...
আজ জোছনা রাতে সবাই গেছে বনে...
কবিগুরুর এই অদম্য ইচ্ছের মূলেও রুটি...
শুধু বিশ্ব লয়ে নয়... কবিগুরু খেলেছেন রুটি লয়েও...
তবে রুটিকে আমরা যেভাবে চিনি, বা যেভাবে চিনতে চাই, কবিগুরু কখনোই চাননি সেভাবে রুটিকে আমাদের সামনে তুলে ধরতে। অবশ্যই! তাহলে আর বিশ্বকবি আলাদা হলেন কিভাবে। রুটিকে রবীন্দ্রনাথ ভেলা বানিয়েছেন। না ভেলা নয়! সোনার তরী!
আনন্দময় একটা দিন
ছুটির দিন, আবার বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ খেলা। হাতের কাছে অসংখ্য বই, কোনটা ছেড়ে কোনটা পড়ি অবস্থা। ছফামৃতটা হাতে নিয়ে বসলাম। এটা শেষ করে আহমদ শরীফ-এর ডায়েরি, ভাব-বুদ্বুদ শেষ করবো। এরপর রফিক আজাদের কোনো খেদ নেই অথবা আব্দুল মান্নান সৈয়দের ডায়েরি। হাতের কাছে অনেকগুলো ভাল বই থাকলে এর চেয়ে আন্ন্দময় জীবন আর কী আছে।
কেনা হয়েছে অনেকগুলো ডিভিডি। মাত্রই অস্কার দিল। এবার অস্কার নিয়ে বিতর্ক কম। কেবল ইনসেপশন নিয়ে কেউ কেউ কথা বলছেন, এই ছবিটির নাকি আরও ভাল করা উচিৎ ছিল। আমার কাছে কিন্তু তা মনে হয়নি। আমার কাছে ইনসেপশন বরং ওভাররেটেড লাগছে। একজন সাধারণ দর্শক হিসেবে আমার ছবিটি আহামরি ভাল লাগেনি। হয়তো আমি ছবিটি ভাল বুঝতে পারিনি। 