টুকটুক গল্প - ১
একা থাকলেই ভাবতে থাকি, আকাশ-পাতাল ভাবনা, পুরোনো দিনের কথা, নতুন কোন স্বপ্ন নিয়ে। নির্জনতা, একাকীত্বে ডুবে যাওয়া বোধ হয় সেই ছোটবেলা থেকেই , ভাই-বোন ছাড়া একা বড় হওয়া থেকে হতে পারে। অনেক হৈ চৈ , আড্ডায়ও হঠাৎ নিজের ভাবনার ভেতর ঢুকে যাই শামুকের মতো।
কবিতা: প্রার্থনা তোমার হারিয়ে যায় অন্ধকারে
সে যাই হোক, এখনকার সিচুয়েশন ডিমান্ড করতেসে, ঘাসফুলটার ভেতর থেকে একটা ভয়াল অজগর সাপ বেরিয়ে আসুক। ওটার চাপায় গেঁথে থাকা ধারালো দাঁত দু'টোও বের হয়ে আসুক। এসে গ্রাস করে নিক তার নিজের লেজটাকেই। কিন্তু তেমনটি ঘটছে না। এই না ঘটাটা শুভলক্ষণ নয়।
রঞ্জন সেদিন সন্ধ্যায় গার্মেন্টসের ভেতরেই আল্পনাকে জাপটে ধরেছিলো। তাদের দু'জনের শরীরে বা মনে কোথাও মাধুর্য নেই। ওদের জাপটা-জাপটিতেও ছিলো না। দেহভরা কাম হঠাৎ কুল-কিনারা ভাসিয়ে বইতে শুরু করেছিলো। কেউ দেখে নি।
হরতালে প্রথম নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটলো তিন বছরের মাথায়। উত্তালতাও ইদানীং নতুন মাত্রা পেয়েছে। একদল লোক হিংস্র পশুর মতো রামদা' আর লাঠি হাতে রাস্তায় নামে লুটপাট করতে। কুপিয়ে মানুষ মারতে। আরেকদল নামে বন্দুক হাতে। তাদের পরনে থাকে উর্দি। কিন্তু মননে থাকে জিঘাংসা। কোনো পিকেটিং হয় না। তবু পুলিশের গুলিতে সেই পশুদের একজন মারা যায়। মরেই শহীদ বনে যায়।
রিক্যাপচারিং পাস্ট -৪
হতে পারে বরিশাল থেকে খুলনা আমরা স্টিমারেই যাইনি। গিয়েছি অন্যভাবে। বাসে। সে সময়ের বাস ছিল লক্করঝক্কর, মিনিবাস টাইপ নয়। শৈশবে কোনো ক্ষুদ্রকায় বাস দেখা স্মরণে নেই। বিশাল একটা বাহন, অসংখ্য আসন, প্রচন্ড ঝাঁকুনি আর বেজায় ভিড় মনে পড়ে। সামনে বাম দিকে লাগানো লম্বা সিটে মায়ের পাশে বসার স্মৃতিও আছে। তবে কোন ট্রিপে বলা মুশকিল। ৮২ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে আমাদের সেই অভ্যন্তরীণ অভিবাসন সম্পন্ন হয়েছিলো কিনা সেটাও মুখ থুবড়ে পড়ছে স্মরণে। বিচ্ছিন্ন কিছু স্মৃতির সাথে গণিতের মাপ ঝোপে মাসটা চিহ্নিত করছি বটে, কিন্তু একে খনন বলে না, রীতিমত ধোলাই।
অনিদ্রিত রাতের কার্নিশে কিছু কথা
১.
বেশ দক্ষ আঁকিয়ে হয়ে উঠছি ইদানীং, সবগুলো দেয়াল ভরিয়ে ফেলেছি শাদা এবং বিভিন্ন মাত্রার ধূসর দিয়ে। বিন্দুমাত্র বিচলিত নই সিঙ্কে স্তুপীকৃত এঁটো থালাবাসন কিংবা হিমায়িত আঁশের জীবনমুখী জটিলতায়। কারণ এখন ফার্মেন্টেড মোজাদের জন্য গল্প লেখবার সময়। এই নাগরিক জীবনের প্রায় অবিচ্ছেদ্য অংশ লোডশেডিং গত ছ'ঘন্টায় চাঁদি বরাবর সপ্তমবারের মতো ঘা বসানোয় তুবড়ে গিয়েছি আবার, দ্রুত প্রস্তুতি নিচ্ছি ঘোলাটে জ্যোৎস্নাতে চোখজোড়াকে ঝলসে নেবার জন্য। তাই দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়া শার্সির অপর পাশ থেকে চেয়ে থাকা কালো বেড়ালের জন্য দুঃসংবাদ;
তোমার জন্য ইন্দ্রিয়টি সেন্সরড, প্রিয়তমা।
২.
কোণঠাসাদের হেলা করতে নেই; গত পরশু বিকেলে চৌরাস্তার মোড়ে ট্রাফিক পুলিশকে হলদে আলোয় সহসা বদলে যেতে দেখেছিলাম ম্যাটাডরে।
৩.
আমার বাল্যবন্ধুর সাথে কথোপকথনের একটা অংশ মনে পড়ছে এখন,
চোর আর প্রহরী বিষয়ক আরো একখানা কবিতা
চোর আর প্রহরী বিষয়ক আরো একখানা কবিতা লিখলাম। আমরা বন্ধুতে লেখা আমার স্বল্পায়তনের পোস্টগুলি দেখি পৃথম পাতায়ই পরিপূর্ণ দৃশ্যমান হয়। তারে দেখলেই মনে হয় পাঠকরে প্রতারণা করতেছি। পোস্ট খুলবার দরকার কি যদি প্রথম পাতায়ই পড়া হয়ে যায়!?
চোরের নজর পড়েছে এবার গৃহস্থ সিন্দুকে।
প্রহরীরে দেখি ঘুমে
আর স্বপনে একাকী আত্মহারা;
সদর দরোজা তবে খোলা পড়ে থাক
চোর তবে হেটে যাক উঠান অবধি।
প্রহরী ঘুমায় আর নাক ডাকে
চোর বলো তবে ভয় পাবে কাকে!
নিষ্ঠাবান চোর এইবেলা শিখেছে বুদ্ধিজীবীতা...
পাহাড়ার পরোয়া করার
সময় ফুরোল, নটে গাছটি ওলোটপালোট যথেচ্ছা মুরোল।
ওহে চোর, ওহে বুদ্ধিজীবী
তোমার বুদ্ধির বদৌলতে
তুলে আনো তবে সকল দৌলত...
গৃহস্থের যৌবনবতী কন্যার রূপ কোনোকালে
স্পর্শ করে নাই চোরের পরান।
কেবল সিন্দুক আর তার চাবিগুচ্ছ যখন ঝুলেছে
গৃহকর্তৃর আচলে, তার রূপ আর শব্দের মাধুরী
উল্টোকে পাল্টিয়ে
যোগাযোগের কতো ধরণ বাড়ছে, বাড়ছে মাত্রা, বাড়ছে যোগাযোগে ব্যস্ত মানুষদের সংখ্যা। আমার কেন জানি থেকে থেকে মনে হয় সুবিধে বাড়ার সাথে সাথে মানুষের পারস্পরিক দূরত্ব জ্যামিতিক প্রগমণে বাড়ছে। এইটা হয়তো আমার ভ্রমমাত্র, কিন্তু আমি নিজে অনুভব করি এমনকি ফেসবুকে রোজ কথা হওয়া মানুষটার চেয়ে কতো যোজন দূরত্বে আছি। আমি হয়তো ওল্ড-ফ্যাশনড। কিন্তু আমি সরাসরি, সামনা-সামনি রক্তমাংসের মানুষের সাথে ইন্টারঅ্যাকশানে যেতে না পারলে কেমন জানি অস্থির থাকি। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে অন্তর্জালের জগতে অনেক উপস্থিতি, অনেকের সাথে সত্যিকারের হৃদ্যতাও আছে ভীষণ। কিন্তু সেই মানুষগুলোকে খুব কাছ থেকে ছুঁয়ে দেখতে মনে চায় খালি। প্রায় বছর চারেক ধরে সাউথ আফ্রিকার একটা মেয়ের সাথে বন্ধুত্ব আমারই একটা প্রাচীন ইংরেজী ব্লগের সূত্র ধরে। কোন একটা জাহাজের প্রাক্তন ক্যাপ্টেন সেই মেয়েটার অদ্ভুত প্রেম, ভাংগন, গর্ভধারণ, মিসক্যারেজ, বাবা
জাতীয় ব্যাপার স্যাপার
১.
অনেক বড় কোম্পানি হয়ে গেছে তারা। লাভজনক তো বটেই। ১৫ বছরে অনেক বিনিয়োগ করেছে। সব মিলিয়ে যৌথ বিনিয়োগের এই কোম্পানি বাংলাদেশের প্রথম সারির কোম্পানি এখন।
কিন্তু এখন বিপাকে পড়েছে। লাইসেন্স এর মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে। নতুন করে নবায়ন করতে হবে। ঝামেলাটা এখানেই। নতুন যে নীতিমালা তৈরি করা হয়েছে তা দেখে জটিল সংকটের আভাস পাচ্ছে তারা। এরপর শুরু হলো দৌঁড়াদৌড়ি। কিন্তু কার কাছে গেলে সমাধান হবে সেটি জানা যাচ্ছে না। চলছে কেবল দৌঁড়াদৌঁড়ি। চলুক..........
২.
তাকে বললাম, মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। তিনি বললেন, লাভ নেই। দেখা করেছি, কাজ হবে না।
তারপর আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, আপনি তো সাংবাদিক, অনেক খবর রাখেন। বলেন তো মন্ত্রীর ছেলে-মেয়েরা এখন কোথায়?
আমি বললাম, আপনিই বলেন।
তিনি হাসলেন, বললেন-কলম্বো।
-কলম্বো কেন?
-খেলা দেখতে।
আমি জানতে চাইলাম, তাতে সমস্যা কোথায়?
আমি অপার হয়ে বসে আছি
গান শুনে মনের পরিবর্তন ঘটে, এটা পুরোনো কথা । অনুভূতির স্কেল কমে বাড়ে গান শুনে । যতক্ষন প্রিয় ব্যান্ডের গান শুনছিলাম, বেশ ভালো ছিলাম । যেই লালন ধরলাম, ব্যাস
মন খারাপ হতে লাগলো, অযথাই । উদাস হয়ে ভাবছিলাম মানুষ এতো দৌড়ায় কেন? সবসময় কেবল দৌড়চ্ছে । পরে যখন হুশ হল, আতলামি ছেড়ে আবার গান শুনতে বসলাম । সাথে টুকটাক ফেসবুকে ক্লিক ।
ফ্রেন্ডলিস্টে এক বান্ধবী আছে, এখন দেশের বাইরে । ওর কথা ভাবলাম । কোথাকার মানুষ কোথায় ঘুমুচ্ছে । এই মেয়েটা ছিল প্রেমকুমারী । পিচ্চিকাল থেকে একজনের সাথে প্রেম করেছে । সেই প্রেম চলা অবস্থায় আরো কয়েকজনের সাথে প্রেম করেছে । সবদিক এমন সুন্দর করে সামলে চলা মেয়ে আমার কাছে চরম বিস্ময়ের বস্তু ছিল ।
সাপ... ভয়....!!
ধন্যবাদ। মৃদুল ভাইকে। সেদিন শুক্কুরবারে অদ-ভুতুড়ে আড্ডা না শুরু করলে কখনোই স্মৃতি হাতড়ে এই গল্প বের হতো না। মাঝে মাঝে এসে নিজের কিছু গল্প বলে যাই। কড়া বা কঠিন কথা বলতে পারিনা, গল্প ছাড়া। কি আর করা।
শুনুন, নতুন গল্প।
তখন আমার দেড় বছর। সিলেটে গিয়ে বিখ্যাত বন্যায় পুরো পরিবার আটকে গেছি। বেশ পিকনিক পিকনিকভাব। বিশেষ করে আমার বড় বোন খুশিতে আটখানা। ইশ্কুলে ক্লাস করতে হচ্ছেনা। আমিতো তখন দুধভাত। কোন কিছুই বোঝার উপায় নেই। ছোটবেলা থেকে একটি অভ্যাসে ছিলাম সেটা হলো বাউণ্ডেলপনা।
হামাগুড়ি, গুড়ি-গুড়ি পায়ে হাটা..যেই পন্থাই হোক না কেন, উঠোন-টুঠোন পেড়িয়ে কই কই পই পই করে চলে েযতাম আল্লাহ মালুম।
আমাদের বাড়ির পাশেই কিছু দূরে একটি বিরাট আকারের তেতুল গাছ ছিল। দূরে মানে বাড়ির সীমানা লাগোয়া।
রিক্যাপচারিং পাস্ট -৩
তো কথা হলো বরিশাল থেকে স্টিমারে চড়ে খুলনা গিয়েছিলাম এবং এই আনন্দদায়ক ঘটনাটা আমার বিস্মৃতিতে থাকবে সেটা হতে পারে না। যেভাবে হোক, নদী খুড়ে বা স্টিমার খুড়ে হলেও স্মৃতি প্রকোষ্ঠে জমা করতে হবে। মনে থাকার প্রক্রিয়াটা বেশ জটিল, কোন থিউরি কাজে লাগে না। একসময় মনে হতো যা হৃদয়ে দাগ কেটে যায় তাই কেবল মনে থাকে। আমার বিজ্ঞ ও আতেলায়িত পরিচিতকরা 'মনে কি থাকে' আর 'কি থাকে না' প্রসঙ্গে কোন একটা বিষয়ের সাথে ব্যক্তির ঘনিষ্ঠতম যোগাযোগের সম্বন্ধ আছে বলে ব্যাখ্যা করেছেন। কিন্তু এর কোনো কাঠামো নেই, নিদিষ্ট ধরণ বুঝতে আমি অক্ষম। স্টিমারের দুটো বিশালকায় চাকা দেখে বিস্ময়াভিভূত আমার মুহূর্তটা না হয় বুঝলাম দাগ কেটে থাকার মত, কিন্তু এর চেয়ে ঠুনকো বিষয়ওতো মনে থাকে। আর পুরা স্টিমার যাত্রাটাই বেমালুম ভুলে যাবো তা হতে পারে না এবং হতে দেয়া যাবে না।
চির নিদ্রার প্রেরণা
ছড়িছে দেখ চারিদিকে ভাবনা
উড়িছে ছাই বাসনার রসনা
রক্ত ও অশ্রুর সাধ একাকারে লবন
আকাশে উড়িছে দেখ ভাসমান লেবানন।
উড়জাহাজও আছে অসমান সাগরে ও আকাশে
নদীতে তাকধুম তাকধুম নাচে জলজ জাহাজ
বইতে পারেনা ভার চিৎকারে জমেছে বরফ
উৎসে ফেরার চিন্তা আর করেনা চেতনা।
কোথাকার আবু হবে কাবু কাবুলের পথে
রথ দেখে কলা বেচে চরকার ছুরি
নিজেরই অজান্তে যদি ঢুকে পরে কেউ রাতের অজান্তায়
গুহার আহার শেষ হলে বেছে নেবে চির নিদ্রার প্রেরণা।
গল্প: পরোপকারী কাঁচপোকার ভিউফাইন্ডারে চড়ে কাটানো একটি দিন
আমি ছোটবেলা থেকেই কিছুটা অন্তর্মুখী স্বভাবের। যে কারণে বাসায় কারুর সঙ্গে আমার সেই সখ্যতাটি নেই, যেটি বাবা-মাএর সঙ্গে থাকে ছেলের কিংবা ভাইএর সঙ্গে থাকে ভাইএর। নিজের মতো করে বড় হয়েছি। নিজের মতো করে পাশ দিয়েছি। এখন নিজের মতো করে দিন কাটাচ্ছি। খারাপ লাগে না বটে। আবার মাঝে মাঝে খানিকটা একাকীত্ব অনুভব করি।
মধ্যবিত্তের সংসারে আমার কিছু বিলাসীতার অভ্যাস আছে। যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ধূমপান। সেই কাজটি করার জন্য যা ব্যায় হয় সেটুকু নিজেই আয় করি। এছাড়া সংসারে একটি বাড়তি মানুষ থাকার কিছু খরচ আছে। সে খরচও নিজে জোগাই। এর বাইরে তেমন কোনো কাজ করি না। শুয়ে শুয়ে ভাবি। ছোটভাইটা মাঝে মাঝে এসে জ্বালাতন করে। ও-ও খানিকটা আমার মতো। চুপ-চাপ প্রকৃতির। কিন্তু চুপ-চাপ থাকার লাভ কি- সেটা সে জানে না। তাই আমাকে পেলে কখনো হয়তো জানতে চায়, ভাইয়া এত চুপ করে থাকিস কেন?
সময়ের ডায়েরী-১
এক
দেশে থাকতে আমার বসের মাসের অন্তত দু'সপ্তাহ কাটতো ওয়াশিংটনে। প্রতিবার দেশে ফিরেই কি করবেন সেটা মোটামুটি মুখস্থ হয়ে গেল । উস্কখুস্ক চুল আর লালাভ চোখ নিয়ে প্রথম মিটিংয়ে বলবেন -- "আমার জেটল্যাগ কাটেনি"। বারবার শুনতে শুনতে জেটল্যাগ খাওয়ার সুপ্ত ইচ্ছা হালকাভাবে মাথাচাড়া দিল।
মাসুম ভাইয়ের জন্মদিন ও একটি ফোন কল...

খঃ হ্যালো, কি অবস্থা ?
গঃ হ্যালো..এইতো..
খঃ শোন, যে জন্য ফোন করলাম, জানো তো আজকে মাসুম ভাইয়ের জন্মদিন ।
গঃ হুম্মম..জানি তো..
খঃ ব্যাপার হল, আমাকে “ক” ফোন করেছিল । আজকে রাত্রে নাকি মাসুম ভাই জন্মদিন উপলক্ষে তার অফিসের কাছের পাঁচ তাঁরা হোটেলে এবি’র কয়েক জনকে ডিনার করাবে..
গঃ তাই নাকি..আমাকে তো বললো না..
খঃ আরে ব্যাপার না, আমাকেও তো বলে নাই । তাতে কি । অবশ্য “ক” আমাকে যেতে বলেছে, আমি কি না গিয়ে পারি? তাছাড়া, আমি গেলে মাসুম ভাই খুশীই হবে । “ক” অবশ্য আমাকে ছাড়া আর কাউকে বলে নাই । তুমিও চল, মাসুম ভাই খুশী হবে ।
গঃ আচ্ছা..ঠিক আছে..
কঃ তাহলে, মাসুম ভাইয়ের অফিসের নিচে ঠিক সন্ধ্যা ৭টা ২৯ মিনিটে ।
গঃ আচ্ছা..