অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ২৪ জন অতিথি অনলাইন

হেথাক তুকে মানাইছে নারে, ইক্কেবারে মানাইছে নারে...

এক.

বুলবুল আহমেদের জন্য কয়েকটি লাইন

cb_bd73.jpg

অল্প বিদ্যা ভয়ংকরী

যথারীতি হাতে আজাইরা সময় থাকলে যা হয়...মেহেদী হকের টিউটোরিয়াল দেখে কাকের ঠ্যাং বকের ঠ্যাং এঁকে ফেললাম। অবশ্য উনার মতো স্পেসিফিক পেন্সিল-রাবার, কলম-দোয়াত, স্ক্যানার এতো ব্যবস্থা করতে পারি নাই। ৫৳ এর পেন্সিল, ৫৳ এর ইরেজার, ১৫৳ এর জেল কলম, আর মান্ধাতার আমলের বোগাস সনি সাইবারশট দিয়ে কাজ সারলাম। ছবিতে কোথায় লাইট হবে আর কোথায় শেড হবে তা অবশ্য এখনো বুঝতেছি না। না বুঝাটাই স্বাভাবিক, বুঝলে তো বহুত আগেই আর্টিস্ট হয়ে যেতাম! যাই হোক...নতুন একটা শখ আর কি! অঙ্কুরেই মরে যাবে হয়তো।

সংস্কারবিহীন জনির সংস্কার

মসজিদের মোয়াজ্জেমের ছেলে হয়ে আশরাফ সাহেব যখন লেখাপড়া শিখে নাস্তিক আর্মি অফিসারের ছোটো মেয়েকে বিয়ে করে গ্রামের বাড়ির সম্পর্ক ছেড়ে শহরে এসে স্যুটেড বুটেড হয়ে উঠলেন, তখনই অনেকেই বুঝে নিলো, এই পরিবারের ছেলেদের মাঝে, জগৎ এর প্রচলিত নিয়ম কানুনের প্রতি আকর্ষন কমই হবে।

ডাইরী ১১৩

তবে পাহাড়েই যাই; পাহাড়ের কাছে প্রশ্ন রাখি, কোনক্ষণে পাহাড়েও নামে ধ্বস, কোনক্ষণে টলে গেছে পাহাড়ের ভিত?

এক.
কোন একদিন সমতল বলে কোন ভূমি ছিলো না হেথায় এমন বিশ্বাসে সাজিয়েছি চিন্তার রাশিমালা। পাহাড়ও টলেছে এমন আনন্দ বুকে নিয়ে ভেবেছি...কোন একক্ষণে নিমেষ ফুরাবার আগেই পাহাড় নিঃশেষ হবে।

অস্থির মানব জীবন জায়েজ হলো তবে...

এই নগরের প্রেসক্লাবে যেতে চেয়েছিলেন কোটালীপাড়ার নির্মল সেন...

সূর্য সেনের সহযোগী, আপসহীন সাংবাদিক, মুক্তিযোদ্ধা, সারা জীবন মানুষের জন্য কাজ করে যাওয়া বাম রাজনীতিবিদ নির্মল সেন। কৃষক-শ্রমিক সমাজবাদী দলের প্রধান এ মানুষটির সাংবাদিকতার জীবন শুরু হয় ইত্তেফাকের সহকারী সম্পাদক হিসেবে। ১৯৬৪ সালে দৈনিক পাকিস্তানে যোগ দেন তিনি। দৈনিক পাকিস্তানের নাম একসময় হয়ে যায় দৈনিক বাংলা। সহকারী সম্পাদক নির্মল সেন। উপসম্পাদকীয় লিখতেন অনিকেত নামে। ১৯৭৪ সালে তাঁর আলোচিত উপসম্পাদকীয়

বেড়াল এবং কাঁকড়া পূরাণ

ব্যাপক তত্ত্ব-তালাশের পরে একটা বিষয় জেনে মনটা একটু শান্ত হলো। অস্ট্রেলিয়ান সরকার অন্তত একটা ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মানুষদের কুকুর-বিড়ালের চাইতে বেশিই মর্যাদা দেয়। সেটা হলো বাংলাদেশে শিক্ষিত, শান্তিপ্রিয়, ভদ্দরলুকদের জন্য বিস্তর কাটখড় পোড়ানোর পরে অস্ট্রেলিয়ায় ঘাঁটি গাঁড়ার সুযোগ থাকলেও, বাংলাদেশী কুকুর-বিড়ালদের জন্য সেই সুযোগ একেবারেই নাই, বেচারিরা এক্কেবারে অচ্ছুৎ সেই সব পেয়েছির দেশে। গত কিছুদিন যাবৎ

আব্দুল কাদের মোল্লা আর কামরুজ্জামান গ্রেপ্তার

রাজাকার কামরুজ্জামান আর আব্দুল কাদের মোল্লা গ্রেপ্তার। মুক্তিযুদ্ধকালে গণহত্যার অভিযোগে পল্লবী থানায় দায়ের করা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ডিবি অফিসে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
এর আগে গ্রেপ্তার হয়েছে শীর্ষ তিন যুদ্ধাপরাধী মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মুজাহিদ আর দেলোয়ার হোসেন সাঈদী।

সিগারেট

অন্ধকার রাত। সবাই বিড়ালের পায়ে হেঁটে যাচ্ছে। দলবেঁধে। দলে কতজন লোক তা কেউ বলতে পারবে না। কেউ কাউকে চেনেও না। অন্তত, আগে থেকে চিনতো না। এখন চেনে। সবার একটাই পরিচয় এখন। তাড়া খাওয়া মানুষ।

সবাই পালাচ্ছে। যে যে দিকে পারে। অন্ধকারে, নিজের ছায়া লুকিয়ে।

তবে কেউ এখন আর অন্ধকারকে ভয় পায় না। তাদের ভয় দিনের আলো। আরো নির্দিষ্ট করে বললে, মানুষকে।

এবি ফ্যান্টাসী কাপ: শেষরাতের মারে চ্যাম্পিয়ন হলো এবি রাইডার্স!!!!

মাঝপথে উত্তেজনা হারিয়ে ফেললেও শেষমেষ বেশ জমজমাট হয়ে উঠেছিলো ফ্যান্টাসী কাপ। পুরো টুর্ণামেন্ট জুড়ে চালকের আসনে থাকা সাহাদাত ভাইয়ের আখাউড়া এক্সপ্রেসকে শেষরাতে ওস্তাদী মাইর দেখিয়ে হারিয়ে দিয়েছে মীর ভাইয়ের দল "এবি রাইডার্স"!!!

থ্রি চিয়ার্স ফর এবি রাইডার্স
আখাউড়া এক্সপ্রেসকেও অভিনন্দন (হল্যান্ডের খেলোয়াড়দের অনুভূতি উদরাজী ভাইয়ের চেয়ে বেশী এখণ আর কে বুঝবে? Wink)

“অক্রোধেন জয়েৎ ক্রোধম”

"রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন" হরহামেশাই শোনা যায় কথাটা। রেগে যাবার সময় কতোটাই বা মনে রাখতে পারি এই হেরে যাওয়াকে। ক্ষণিকের একটা অনুভূতি সারাজীবনের বড় বড় কতো ভবিষ্যত অনুভবগুলোর সাথে অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িয়ে যায় বুঝেই উঠতে পারিনা। একটা "রাগ" মুছে দিয়ে যায়, সারাজীবনের স্বপ্ন, অনুরাগ, আশা, সব কিছুকে।

কুফা কাল ও সুপারী নেওয়া বিষয়ক ঘোষনা

"একটি বিশেষ ঘোষনা!!"
"আমার বর্তমানের কুফা কালের যথাযোগ্য ব্যবহারের উদ্দেশ্যে আপনার অপছন্দীয় পাত্র/পাত্রীকে যে কোন প্রতিযোগীতায় হারানোর সুপারী নেয়া হচ্ছে। ১০০% নিশ্চয়তাসহ। বিফলতা সেলিব্রেট করা হবে।"

অমল ধবল চাকরি

আমি একটা পত্রিকায় লেখতাম। একদিন তারা জানাইলো আমারে তারা চাকরি দিতে চায়। চাকরির কাগজপত্র রেডি, আমি যোগদান করি যেন।
আমি করলাম না।
তখনো পর্যন্ত একটাই সিদ্ধান্ত, চাকর হইতে রাজী না।

আগামী সৌভাগ্যের রজনী কি জাহানারার জন্য সৌভাগ্য বয়ে আনবে- আপনারা চেষ্টা করলে তাই হবে। আশা করি তাই যেনো হয়।// আপডেটঃ

ভেবেছিলাম হাতে খানিকটা সময় আছে তবে সকালে ফোন পেয়ে বুঝলাম আমার/আমাদের হাতে তত বেশী সময় নেই।

আমি কেন খেলোয়াড় হইলাম না

অনেক চিন্তা ভাবনা করে দেখছিলাম যে আসলে খেলোয়াড় হওয়া উচিত না আমার জন্য, তাই আর খেলোয়াড় হই নাই জীবনে, সে ফুটবল হউক, ক্রিকেট হউক আর লন টেনিস হউক ।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড।

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

● ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ