অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ৮ জন অতিথি অনলাইন

বয়ে চলা জীবন কাব্যের পান্ডুলিপি - ৩

আজ মা দিবস। এফ এম রেডিও তে তাই মা'কে নিয়ে গান, ব্লগ গুলোতে মা'কে নিয়ে পোষ্ট, ই বুক , ফেসবুকে মা কে নিয়ে স্ট্যাটাসের ছড়াছড়ি।

সে যে কেন এলো না, কিছু ভালো লাগে না

যুদ্ধ শেষ। দেশ মাত্র স্বাধীন হয়েছে। স্কুলে যাবার বয়স হয়নি আমার তখনো। পটিয়ায় দাদার বাড়ীতে গ্রামে থাকতাম। স্কুলে ভর্তি হবার আগ পর্যন্ত বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর সেই গ্রামটিতে শৈশবের চমৎকার ৪ বছর কেটেছে।

ঝটিকা সফরে রাঙামাটি

প্রতি বছর মুন্নি রিমঝিমকে নিয়া ঢাকার বাইরে কোথাও বেড়াতে যাওয়া হয়। এবছরও শেষের দিকে যাওয়ার প্ল্যান ছিল। এর মধ্যে দাওয়াত আসল রাঙামাটি যাবার। আমার আগের অফিসের দশ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিশাল আয়োজন করেছে। প্রথমেই না করে দিলাম। একটা ট্যাকনিক্যাল কারণ প্লাস এই তাতানো গরমে পুরতে যাওয়ার কোনো মানে হয় না। সিদ্ধান্ত অবশ্য পাল্টাই আমার ছবি তোলার বন্ধু ইকবালের মন্ত্রনায়। যাব না শুনে ইকবাল হায় হায় করে উঠে। বলে, আমি

আধা টেকি পোস্টঃ ব্যানার কথন

এক.
আমি বেশ নিরাবেগ মানুষ। খুব আবেগী কথাবার্তা-কাজকর্ম আমারে দিয়ে হয় না। আমার মধ্যে অনুভূতি জিনিসটাই কম...স্টোন-কোল্ড যাকে বলে আর কি! বিপদে পড়লাম মা দিবসের ব্যানার করতে গিয়ে। অদ্ভূত রকম বিপদ।

একটা ব্যানার বানাতে খুব বেশি সময় নেই না আমি। মোটামুটি পনের থেকে বিশ মিনিট। এর মধ্যে দশ-বারো মিনিট যায় রিসোর্স খুঁজতে। বাকি পাঁচ-দশ মিনিটে আমি সেই রিসোর্স খিচুড়ি পাকিয়ে ব্যানার পয়দা করে ফেলি।

মা দিবস ই-বুক - "মায়াবতি মা আমার"

মা - ছোট্ট শিশুর প্রথম ভালবাসা। নিরাপত্তা আর মমতায় গড়া সেই কোল, সেই উষ্ণতার পরশে সারাটা জীবন কাটিয়ে দিতে চায় মন। বড় হয়ে ওঠার সাথে সাথে মা'কে ঘিরে জমা হয় ভালবাসা, অভিমান আর দুষ্টুমির শত শত গল্প। সঙ্কটকালে কেবলই মনে হয় যদি সব কিছু ছেড়ে মা'র স্নেহমাখা কোলে মুখ লুকাতে পারতাম, তবে পৃথিবীর কোন কষ্টই আমাকে স্পর্ষ করতে পারতোনা। দৃশ্যত মা কারও কাছে থাকেন, কারও বা দূরে - কিন্তু মা আছেন সবার হৃদয়ে - সব ময়। মা'কে নিয়ে লিখতে গেলেই মনে পড়ে যায় সেই ছেলেটির কথা, যে প্রিয়তমাকে উপহার দেবে বলে মা'র হৃৎপিন্ডটা ছিড়ে নিয়ে যাচ্ছিলো, পথে হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলে মা'র হৃৎপিন্ড বলে ওঠে - "বাবা, ব্যাথা পেলি?"

mayaboti ma ebook

সেই বুড়ো লোকটি এবং আমি..

২০০৬ সালে’র মাঝামাঝি’র কথা, একদিন দেখি “রন” নামক এক বালক আমাকে একটা ই-মেইল পাঠিয়েছে। "আমরা বন্ধু" নামক একটা ইয়াহু গ্রুপে যোগদান করার অনুরোধ। করলাম যোগদান। শুরু হলো মেইল প্রাপ্তি। শিক্ষনীয় মেইল, আজাইরা মেইল..

অচেনা এই আমি ....

তুমি রবে নিরবে হৃদয়ে মম

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

খোজ- দ্য সার্চ ; ব্যচেলরদের জন্য টু লেট- হিডেন ড্রাগন ; বাড়িওয়ালা- ক্রাউচিং টাইগার

এই পোস্ট মিন্টো রোডের বাড়িগুলারে উতসর্গ করলাম... ঢাকায় ২০০৪'এ যখন আসলাম তখন মিন্টো রোডের বাড়িগুলা দেইখা মাথা আউলায়া গেছল... এইরকম একটা বাড়ী থাকলে কী যে করতাম... বন্ধুদের নিয়া ফুটবল খেলতাম... বউরে নিয়া চা খাইতাম... একলা একলা বই পড়তাম... প্ল্যান করছিলাম অনেক টাকার মালিক হইলে মিন্টো রোডের একটা বাড়ি কিনুম Smile ... ঐ রাস্তা ধইরা যাওয়ার সময় বাড়ীগুলা থিকা বাছাই করার চেষ্টা করতাম কোনটা কিনা যায়...

তোমাকে বলার ছিলো...

কেউ আমাকে ধরে বেধেঁ না শোনালে আমার গান নিয়ে তেমন কোন আগ্রহ নাই। নিজ
থেকে খোজঁ করে কোন গান না শোনার কারনে এমনটা বলেছিল একবন্ধু। কিন্তু তাই
বলে শুধু বাছাবাছে গানই যে কেবল শুনি তাও না, আমার সব জাতের গানই ভাল
লাগে, সুনির্দিষ্ট কোন ধাচেঁর গান না। যেটা ভালোলাগার লাগে। কিছু কিছু
ভালোলাগা গানের ক্ষেত্রেতো আমি গানটাকে জুড়ে একটা গল্পই বানিয়ে ফেলি।
তেমনই একটা গানের কথাগুলো এমন –

পুর পুর সিংগাপুর.....................।

কাহিনী একেবারে টাটকা। এই ধরেন এই পোষ্ট পাবলিশ হবার ২ঘন্টা আগে ঘটেছে। কাহিনী এইবার শোনেন।

বাংলাদেশে একটা ইএমএস (পার্সেল) পাঠায়ছিলাম গত ৯ই এপ্রিল। নরমাল পার্সেল করলেও হইতো, কিন্তু আমার বউয়ের প্রথম ভাস্তির জন্য পাঠানো জিনিসপত্র যেন ঠিক মত তাড়াতাড়ি পৌছায় তাই করলাম ইএমএস, টাকা বেশি লাগলেও। বউরে তেল মারাও কইতে পারেন এইটারে.।.।.।.।।।

ক্যানবেরা সফর - পর্ব ৫ (ইন ক্যানবেরা)

ঘুমাতে যাওয়ার দশ পনের মিনিট পর মুজা কাকু একত্রিশ দাঁত বের করে (একটা পড়ে গেছে ) মামুরে বলে কালকে তো আমাদের কোন ঝামেলা নাই শুধু ঘুরাঘুরি আর দাওয়াতে যাওয়া। আমার দিকে ইশারা করে বলে এই দুই নম্বরের কালকে অনেক কাজ। আমাদের কে সব যায়গায় নিয়ে যাবে হে হে হে। এরপর কাকু আর মামু তাদের সুখ দুঃখের আলাপ জোড়া দিলো। কে কবে কখন কিভাবে ছেঁকা গলাধঃকরণ করছে, কোথায় আর একটু পরিশ্রমী হলেই ..........

ফ্রয়েডজীর জন্মদিনে শ্রদ্ধাঞ্জলি

গ্রামের এক কৃষক একবার হালচাষের সময় একটি মাথার খুলি পায় । কি মনে করে সে খুলিটি ভাল করে মুছে আলমারিতে রেখে দেয় । তার স্ত্রী একদিন আলমারি খুলে দেখে ভিতরে একটা খুলি । স্ত্রীর মনে সন্দেহ দানা বাঁধে । নিশ্চয় এটি স্বামীর বিয়ের আগের কোন প্রেমিকার খুলি । দাঁড়া দেখাচ্ছি মজা ! কৃষকের স্ত্রী পাটার মধ্যে খুলিটি রেখে শিল দিয়ে ছেঁচা শুরু করল এবং এরই মাঝে লক্ষ্য করল খুলির কপালে লেখা-‘কপালে আরো দুঃখ আছে !'

: এটা জানতাম যে, 'কপালের লিখন না যায় খন্ডন' কিন্তু আপনার এই গল্পের তাৎপর্য কি?

সর্বসত্ব সংরক্ষিত

পুরনো বাক্স ঘাঁটাঘাঁটি যদি করো, এখনও আচমকা
দু-একটা নীল খাম বেরিয়ে পড়তে পারে।
গোটা গোটা অক্ষরে ভুল বানানের ভালবাসা
রাখা না রাখার দ্বন্দ্ব।
অব্যবহৃত হলদে পাতার বইয়ের ভাঁজে এক আধটা
মৃত রুক্ষ গোলপের অবাঞ্ছিত উপস্থিতি কিছু বিচিত্র নয়;
বহু আগের ছুঁড়ে ফেলা অসমাপ্ত কাজের ইতি।
দু-একটা ফেলনা উপহার, যা না রাখলেও চলে।
চলে যেতে পারে জঞ্জালের বাক্সে
শতেক কবিতার শবযাত্রা।

নাহ,

অহনার অজানা যাত্রা

বেশ হুড়মুড় করেই ধরতে গেলে অহনার বিয়েটা হয়ে গেলো অর্নর সাথে। পাত্র অর্ন বিদেশ থাকে, তার ছুটি ফুরিয়ে এসেছিলো প্রায় এই মেয়ে বাছাবাছি করতে করতেই, অবস্থা অনেকটা সে পর্যায়ে চলে গিয়েছিল যে বিয়ে না করেই অর্নকে আবার কর্মস্থলে ফিরে যেতে হবে, যদিও পাত্রপক্ষীয় প্রথানুযায়ী অর্ন ছুটিতে আসার আগে থেকেই অর্নের পরিবার মেয়ে বাছার কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু ঠিক যেনো মিলাতে পারছিলেন না। এই মেয়ের বাবা পছন্দ হয়তো ভাই না, সে মেয়ের ভাই পছন্দ হয়তো মেয়ে না। সেই অন্তিম মূহুর্তে একজন কমন বন্ধুর মারফত পাত্রপক্ষের পাত্রীপক্ষের যোগাযোগ হলো। তারপর মেয়ে দেখার সেই চিরন্তন পালা। তবে অহনাকে স্বীকার করতেই হবে সে ভাগ্যবতী বর্তমান সময়ে জন্মানোর কারণে। আজকের আধুনিক সমাজে পড়াশোনা জানা সোকলড আধুনিক শিক্ষিত লোকজনের ভিতরে যাইই থাকুক, সবার সামনে আর সেরকমভাবে মেয়ের হাতের আঙ্গুল, পায়ের গোড়ালির পরীক্ষা তারা নিতে পারেন না, সাজানো মুখোশ খু

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড।

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

● ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ