অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১ জন সদস্য ও ২২ জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

কে কীভাবে নবজাতকের নামকরণ করবেন

প্রতিটি মানুষেরই নিজ নামের চেয়ে প্রিয়, বড় আপন আর কিছু নাই! চারপাশে তাকালেই এর সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়! নামের মধ্যেই ফুটে ওঠে মানুষের রুচি, বংশ, শিক্ষাদীক্ষা ইত্যকার নানা বিষয়। আগের দিনের বাবা-মা, দাদি-নানিরা নবজাতকের নাম রহিম-করিম, যদু-মধু রেখে দায়িত্ব সারলেও এখনকার গার্জিয়ানরা অনেক সচেতন! যার-যার চরিত্র এবং রুচির ছাপ তারা ঢেলে দেন আত্মজ-আত্মজার নামকরণে! দেখা যাক এমনই কিছু নবজাতকের নাম, কে কীভাবে নামকরণ করবেন-

কবি : অনুসূর্য তিতিবীক্ষা, প্রহর প্রহাদ, পদ্যপ্রজ্ঞা যবনিকা, মার্তণ্ড উদয়াচল, চণ্ডীমঙ্গল কালিকাপ্রসাদ, ধারাপাতিকা বর্ষা
প্রকৃতিবাদী : মৃত্তিকা ঘনিষ্ঠম, অন্তরী লবঙ্গলতিকা, নিপাতক সারসংক্ষুব্ধ, বিহঙ্গবৃক্ষ, সমীরণমলয় দক্ষিণারঞ্জন, সবুজাবতী
খাদক : মিষ্টি, পেয়ারা, বেদানা, আপেল, কইতরি, তরু, বাতাসি, গোল্লা, মধু, আতা, আঙ্গুর, তুষার, কমলা, মিছরি, চিনি
চিত্রশিল্পী : সুতন্বী সুকেশ, অনাদি রজঃস্বলা, বিমূর্তায়ন চৈতন্য, মগ্ন নিমাগ্নিক, তুলিকা মালবিকা, ভূমিকা রঙ্গিলা, পরশটুকুন

কাছের মানুষরা বইয়ের ফ্ল্যাপ লিখলে!

ফ্ল্যাপ লেখক : গলির মোড়ের চা দোকানদার
বইয়ের ধরন : গল্প
কুদ্দুসের নামই যে অনন্য অনার্য এটা জেনেছি মাত্র সপ্তাহখানেক আগে। হঠাৎ সে আমার কাছে এসে বললো, ফ্ল্যাপ লিখে দিতে হবে। তাও আবার গল্পের বইয়ের। আমি সারাদিন চা বানাই, কাস্টমারদের সেবা-খেদমত দিই, পড়ার সময় কই! তবু কুদ্দুস যখন বলেছে না দিয়েও তো পারি না। হাজার হোক, সে আমার কাস্টমার! কাস্টমারের মন জোগানো যে কোনো ব্যবসায়ীর জন্য অতীব জরুরি। দুঃখের কথা হচ্ছে, কুদ্দুসের বইটা আমি পড়ে শেষ করতে পারিনি। অবশ্য শেষ করতে পারবো কি, ওটা শুরুই তো করতে পারিনি। আর সুখের কথা হচ্ছে, বই না পড়েও আমি বুঝেছি কুদ্দুস গল্পকার হিসেবে খুব ভালো। নিজেকে দিয়েই তো সেটা বুঝতে পারি। ও আমার বাকি কাস্টমার। সময়মতো টাকা দেয় না। টাকা দেবে বলে মাসের পর মাস ঘোরায়। হয়তো কোনোদিন বলে বসলো, ভাই, আগামীকাল অবশ্য আপনার সব টাকা দিয়ে দেবো। এখন ১০টা টাকা ধার দেন। পরদিন টাকা পাওয়া দূরে থাক, নগদ দেয়া ১০ টাকাও পাওয়া যায় না!

বয়ে চলা জীবন কাব্যের পান্ডুলিপি ৯

১

দীর্ঘ ১ বছরের উপর হয়ে গেছে। টিভি খুলি না। ভালো লাগেনা। আগে তাও জিওগ্রাফী, ডিসকভারি চ্যানেলে দেখতাম, এখন কিছুই দেখিনা। বাসায় কোন গেস্ট আসলে তার সাথে গিয়ে হয়তো বসি , তখন দেখি। অল্প কিছুক্ষন পরেই বিরক্ত লাগা শুরু হয় । তাই টিভি দেখা হয় না।

২
এক সময় গান শুনতাম প্রচুর। সারাক্ষন গান, ঘুমাতে গেলে গান। এমনকি গান শুনবো বলে ঘুমাইনি কত রাত। সারারাত ধরে গান শুনে কাটিয়ে দিয়েছি কত বার।

এখন গানও শোনা হয় না । মাঝে মধ্যে হয়তো শুনি । কিন্তু সেটা কালে ভদ্রে , কখনো সখনো।

৩

আগে যখন ব্লগ ছিলো না, মাসুম ভাইকেও চিনতাম না। তখন পেপার থেকে মুভির নাম সংগ্রহ করে , অস্কার পাওয়া ছবির লিস্ট ধরে নিয়ে যেতাম সিডি/ডিভিডি কিনতে। ছুটির দিনগুলোতে একের পর এক গোগ্রাসে গিলতে থাকতাম মুভি।

নতুন কোন মুভি সিনেমা হলে মুক্তি পেলে কোন মিস ছিলো না। শঙ্খনীল কারাগার দেখতে গিয়ে শার্টের বোতাম ছিড়েছিলাম, ধাক্কা ধাক্কি করে গ্যারিসনে টিকেটে কেটে দেখি টিকেটের গায়ে "টুল" সিল মারা।

শাহবাগ আমার চেতনার নাম...

বেশ কিছুদিন থেকেই কিছু লোকজন ইনিয়ে বিনেয়ে বলতেছে যে, শাহবাগে লোক নাই ক্যান? কোথায় গণজাগরণ? মিডিয়ার সব ছবি ভুয়া... ব্লা ব্লা ব্লা ব্লা। এদের কথা শুনলে বাঁশের কেল্লার কথা মনে পড়ে। এই অবসরে অনেকের লুঙ্গি দেখলা ঢিলা হইয়া গেছে।

তাদের জন্য বলি
শাহবাগ এখন আর শাহবাগে নেই... ছড়িয়ে পরেছে সারা দেশে... শাহবাগ এখন একটা চেতনার নাম... যে চেতনা আমার হৃদয়ে... যে চেতনাকে ধারণ করছে বাংলার মানুষ... যে চেতনা ছড়িয়ে আছে দেশ থেকে দেশান্তরে... আমরা সেই চেতনাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।

নিচের লেখাটা পড়ার পর আসলে আর কিছু লিখতে পারলামনা। সরি Sad
======================================
যোগ - বিয়োগের বিক্ষোভ তান্ডব --- দিনের শেষে হিসাব টা ঠিক মিলানো যায় না ... টানাটানি পরে যায় ...

সমর্থন ও সহযোগীতা কতভাবে দেয়া যায় ...? সহযোদ্ধা কতভাবে হওয়া যায় ...? ব্যাক্তি উপস্থিতি ছাড়াও মানসিক , নৈতিক , তাত্ত্বিক, তথ্য নির্ভর সমর্থন ও সহযোগীতার কথা কি আমরা জানি কিংবা বুঝি ??? আমরা তাদের কে চিনি, জানি, অনুভব করতে পারি ...এক ই ধারায় বিরুদ্ধাচরণ এবং পথ কাটা ও যায় ... তাদের কে ও আমরা চিনি, জানি, অনুভব করতে পারি ...

আবোল তাবোল

২০১০। এস এস সি পরীক্ষা শেষ, হাতে অফুরন্ত অবসর। আগে কখনো এত বড় ছুটি পাইনি, তাই পুরো দিশাহারা অবস্থা। সবেমাত্র কৈশোর পার করার উপক্রম করছি, কি হয়ে গেনুরে ভাব নিয়ে চলি। কি করে সময় কাটাব তার একটা রুটিন করে ফেললাম-বই পড়া, আড্ডা দেওয়া, তুমুল খেলাধুলা আর সব বন্ধুদের বাড়িতে বেড়ানো। কিন্তু দেখা গেল, আমরা কেউই রুটিন ঠিক রাখতে পারছি না। রুটিনের প্রথম কাজটি বাদে বাকি কাজগুলো প্রায় হচ্ছিলই না, তাই স্বাভাবিকভাবেই প্রথম কাজ, বই নিয়ে ডুবে রইলাম। একসময় দেখা গেল বাড়ীর সব বই-ই পড়ে ফেলেছি! বেহেশতী জেওর থেকে শুরু করে শরৎ রচনাবলী, পাক সার জমিন সাদ বাদ-বাড়িতে যত বই ছিল তার সবগুলোই আমার হাতে অত্যাচারিত হয়েছে।

কি দেখছি, কি পড়ছি, কি শুনছি

কি দেখবো
মুভি প্রেমীদের আমি দুই ভাগে ভাগ করি। এক ভাগে আছে যারা বিফোর সানরাইজ দেখেছে, আরেক ভাগের মানুষ যারা বিফোর সানরাইজ দেখে নাই।
সেই মেয়েটার কথা মনে আছে। ওই যে, সেলিন (জুলি ডিপলি)। সেই যে ইউরো ট্রেনে দেখা হল ফরাসী এই মেয়েটার সংগে আরেক মার্কিন যুবক জেসির (ইথান হক)। বুদাপেস্ট থেকে ট্রেনে ভিয়েনা। এর মধ্যে দুজনের কথাবার্তা, তারপর ভাললাগা। তারপর দুজনের দুদিকে চলে যাওয়া।
Before_Sunrise_film_0.jpg
কথা ছিল ঠিক ৬ মাস পর তারা আবার দেখা করবে? দেখা কি হয়েছিল?

ছবিটি ১৯৯৫ সালের। ৬ মাস পর কিন্তু তাদের আর দেখা হয়নি। হয়েছিল ঠিক ৯ বছর পর। সিনেমাটির পরের পর্ব মুক্তি পায় ঠিক নয় বছর পরেই। এই পর্বের নাম বিফোর সানসেট। ঠিক ৯ বছর পরের ঘটনা নিয়েই সিনেমাটি। এই পর্বটিও যারা দেখেননি, তাদের এই জীবন রেখে কি লাভ?
Before_Sunset_movie.jpg

বন্ধুত্বের বয়স বাড়ে না!

সেই ছোটোবেলা থেকেই আমার এই সমস্যার শুরু। আব্বুর চাকরীর সুত্র ধরেই আমাদের বাসাতে কোনো কালেই আত্মীয় স্ব্জনে ঠাসাঠাসি ছিলো না। এমন অনেক বছর গেছে যে কোনো মানুষ- তা রক্ত মাংসের আত্মীয় হোক আর যাই হোক কেউই ছিলো না বাসায়। যে ধরনের পরিবারে মানুষ গর্ব নিয়ে বড় হয় তেমন কোনো যুথবদ্ধ জীবন আমার ছিলো না। বাবা মা ভাই বাবা শেষ। এর বাইরে অনেক দূরে থাকার কারনে আর কোনো আত্মীয় বেড়াতেও আসতো না। কে আসে আর এই জামালপুর থেকে মরার খুলনা কাপ্তাই চিটাগাং বেড়াতে। আর আব্বু আম্মুর ব্যাস্ততার কারনে আমাদের বাড়ীতে যাওয়াও হয়তো কম। দুই বছর একবছরের মাঝখানে ১ বার অল্পকদিনের জন্য বাড়ীতে যাওয়া, মাস খানেক থাকা এই। তাই বাল্যকালে আমার বাড়ীর আত্মীয় স্ব্জন বা গ্রাম কিছুই আপন হয়ে উঠে নি। আমার ভাইয়া তখন আমার চেয়ে বড় বলেই অল্প বিস্তর তার সাথে গ্রামের একটা টান ছিলো। মামা আর ভাইয়া সমবয়সী তাই ভাইয়ার বাড়ীতে থাকার দিনগুলো ভালোই লাগতো। আমার ভালোও লাগতো না, খুব যে যেতেও চাইতাম তাও না। আমার মনে আছে এখন যে মামা রুমমেট তাকে আমি ক্লাস ফোর ফাইভে চিঠি লেখছিলাম যে মামা বাড়িতে আসলে তুমি আমার সাথেই তো থাকো না তাই আমার ভালো লাগে না। আজ হুট করে সেই চি

“ আমরা অসহায় পরছি, আমাগোরে যদি দয়া কইরা একটু স্হান দেন, তয় আপনাগো দেশে থাকতে পারি”

[এটি একাত্তরের গনহত্যাকারী ,গনধর্ষণকারী ও মহাকাব্যিক স্বাধীনতার শত্রু দেইল্যা রাজাকারে ফাঁসির রায় উত্তর জঙ্গি জামায়েত-শিবিরের মধ্যযুগীয় নারকীয় হামলার শিকার এক হিন্দু ধর্মাবলম্বী বৃদ্ধার একটি আবেদন। আবেদনটি করেছেন এই দেশের জনগণের প্রতি।]

thumb_jammat 1.jpg

কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধী দেলোয়ার হোসেন সাইদি ওরফে দেইল্ল্যার ( আল্লামা কিংবা মাওলানা জাতীয় পবিত্র শব্দগুলি এই অপরাধীর সাথে ব্যবহার না করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি) ফাঁসির রায় হওয়ার পর স্বাধীনতা বিরোধীদল জামায়েত-ইসলাম ও শিবির দেশব্যাপি মধ্যযুগীয় ধংসাত্নক ও নারকীয় তান্ডব চালিয়েছে। কোন সভ্য, বিবেকবান ও মিনিমাম ধর্মজ্ঞান সম্পন্ন মানুষ এই তাণ্ডব লীলাকে সমর্থন করতে পারে না, পারে কি? দেশের অনেক জেলাতে পশুর মত নিরীহ মানুষ ও পুলিশকে হত্যা , বাড়ি ঘর ও সরকারী অফিস আদালততে অগ্নি সংযোগ , লুটতরাজ ও ভাঙচুর করেছে। পুলিশ প্রশাসনের উপর যে ভাবে হামলা করেছে তা ১৯৭১ সালে রাজারবাগ পুলিশলাইনের উপর পাকিস্তানি সেনাদের হামলাকে স্মরণ করিয়ে দেয়।

সময় গেলে সাধন হবে না

বর্তমান পরিস্থিতি দেখে অনেকেই ভয় পাচ্ছে। কেউ কেউ মিউ মিউ স্বরে বলছে কেন শুধু শুধু জামায়াতকে ঘাটাতে যাওয়া।

আসলে সময় না হলে কিছুই হয়না। দেশের মানুষ এতদিন এত বড় অরাজনৈতিক(রাজনৈতিক দলের এজেন্ডাবিহীন) আন্দোলনের মুখোমুখি হয় নি, কারন মানুষ তৈরি ছিলনা। এই আন্দোলন প্রথম শহীদ জননী জাহানারা ইমাম শুরু করেন। তিনি ১৯৯২ সালে ২৬ মার্চ গণআদালত গঠন করেন এবং ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি গঠন করে গোলাম আজমের ফাঁসির সপক্ষে প্রমাণ পান। গণআদালতের রায় গোলাম আজমের ফাঁসি দেয়। ’গণআদালত’ প্রতিষ্ঠা করায় বিএনপি সরকার ২৪ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিসহ জাহানারা ইমামের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ এনে অ-জামিনযোগ্য মামলা দায়ের করে।

২৬ মার্চ ১৯৯৩ সালে স্বাধীনতা দিবসে গণআদালত বার্ষিকীতে জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে গণতদন্ত কমিটি ঘোষিত হয় হয় যুদ্ধাপরাধের তদন্তের জন্য। আরো আটজন যুদ্ধাপরাধীর নাম ঘোষণা করা হয়। এরা হলঃ আব্বাস আলী খান, মতিউর রহমান নিজামী, মোঃ কামরুজ্জামান, আবদুল আলীম, দেলোয়ার হোসেন সাঈদী, মওলানা আবদুল মান্নান, আনোয়ার জাহিদ এবং আবদুল কাদের মোল্লা।

আশেপাশের ঘুরাঘুরি (শান্তিনিকেতন)

১।
ভারত ভ্রমণ নিয়ে পোস্ট দিলাম অথচ ববিতার কথাই লিখলাম না। এই কারণে মাসুম ভাইও আমার পোস্টে কমেন্ট করলো না। আবার ব্লগ জনতারও দাবী ববিতা কাহিনি শুনতে চায়। তাই আজকে আগে ববিতার কথা দিয়েই শুরু করি।

আস্তিক, নাস্তিক এবং ছাগু

্বেশ দীর্ঘ সময় ধরে ব্লগে লেখা হয়ে উঠেনি । লেখার মতো কোনো বিষয় ছিলো না এমন নয়। তবুও লেখা হয়নি। আমি বরাবরই "ব্যাক ব্যাঞ্ছার" ছিলাম। ব্লগ লেখাতে ও তার ব্যতিক্রম নই। যখন ই কোনো লেখা লিখবো বলে স্থির করি তার আগেই তা নিয়ে ব্লগের পাতা ভর্তি হয়ে যায়।। ওই সব লেখা পড়ার পর আর নিজের লেখা হয়ে উঠেনা। আস্তিকতা, নাস্তিকতা কিংবা ছাগু এটাও খুব পুরোনো বিষয় , তবুও আজ লিখতে হচ্ছে এইটা নিয়ে। আশা করি লেখাটা আমি সবাইকে বুঝাতে পারবো । আমার বুঝিয়ে বলার ক্ষমতা কম । তাই যারা পড়বেন তাদের বলছি। পড়ার সময় একটু ধৈর্য্য নিয়ে পড়বেন।
বর্তমানের প্রচলিত তিনটা শব্দ আস্তিক, নাস্তিক এবং ছাগু। সমমনা ব্যতীত অন্য কারো কাছ থেকে এই উপাধি গুলোর কোনোটা না পেয়ে থাকলে বুঝতে হবে আপনি কথা কম বলেন। আর যদি বলে থাকেন , তাহলে এতোদিনে যে কোনো একটা পেয়ে গেছেন । অবশ্য আস্তিক উপাধিতে কেউ গালি দেয়না। তবে আস্তিক শব্দটা নাস্তিক এর বিপরীত হিসেবে মুখে মুখে চলে এসেছে। তাই আস্তিক শব্দটা নিয়ে কিছু বলার নাই।

উপস্থিত আছি মহামান্য মডারেটর

১।

অনেকদিন পোস্ট দেই না। জেবীন অনলাইনে পাইলে কাইফা হালুকার পরেই জিজ্ঞাসা করে পোস্ট দেই না কেন? এমন ভাব কোন সে আমি লেখক রাইটিং ব্লকে জর্জরিত ভক্তকুল লেখা না পেয়ে আকুলি বিকুলি করছে। আসলে ঘটনা তা না এই কয়দিনে জীবন অনেক বদলে গেছে। আগে ধুমাইয়া ফেসবুকিং আর ব্লগিং করে দিন পার করলেও এখন আর সেইদিন নাই। সব সময় গোয়েন্দা নজরদারীর মধ্যে থাকতে হয়। পান থেকে চুন খসলেই হয়েছে থাক আর না বলি! Stare মাসুম ভাই এই লাইনটুকু পড়লেই যা করার করে দিবেনে Big smile

২।
গত একমাস ধরেই পোস্ট দিবো দিবো করছি কিন্তু দেয়া হচ্ছে না। সিউলে যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসির দাবীতে মানববন্ধনে অংশগ্রহন করে আসার পরেই একটা ছবি ব্লগ দিবো ভেবে রেখেছিলাম অন্যদের বলে অন্যান্য ব্লগে পোস্ট দিয়েছিও। কিন্তু এসেই জ্বরে পরার কারনে আমি দিতে পারি নাই। ভাবলাম সুস্থ্য হয়ে নেই তারপরে দিবো। সুস্থ্য হওয়ার কয়দিনের মাঝে আবার জ্বরে পড়লাম। জীবনটা ইদানিং জ্বর জ্বর হয়ে গেছে Sad

৩।

কি কি উপায়ে বাঁশের কেল্লা এবং ওই চক্রটিকে রুখে দেয়া যায়?

বাঁশের কেল্লা নামের ফেসবুক পাতাটি ক্রমাগত ভয়ংকর হয়ে উঠছে। একাধিকবার সরকারীভাবে বন্ধ করে দেয়া পরও কোনো লাভ হয় নি। কারণ বন্ধ করার অল্প সময়ের মধ্যেই শিবিরের লোকজন আবার একই নামে একটি করে নতুন পাতা চালু করে ফেলছে। তারপর বাঁশের কেল্লার টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে নতুন পাতাটির লিংক ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। ইন্টারনেট চড়ে বেড়ানো ছাগুর দল মুহূর্তে হুমড়ি খেয়ে পড়ছে সেখানে। চাঁদে দেইল্ল্যা রাজাকারের মুখ দেখা যাওয়ার গুজব এই বাঁশের কেল্লার মাধ্যমেই সারাদেশে ছড়ানো হয়েছিলো। এই ভয়ংকর গুজবটির কারণে সারাদেশে একশ'র বেশি মানুষকে মরতে হয়েছে। সিএনএন-এর আইরিপোর্ট বিভাগে এ ঘ্টনাটি নিয়ে একটি রিপোর্ট করা হয়। সেখানে বলা হয়েছে- কিভাবে ইসলামকে অপব্যবহার করে বাংলাদেশে সন্ত্রাস চালানো হচ্ছে।

৭ই মার্চ!

অনেক দিন ধরে রাতে মশার কামড় খেতে খেতে পোস্ট দেই না। আজ কোনো অদ্ভুত কারনে মনটা খুব খারাপ। তাই ভাবলাম লিখে ফেলি পোস্ট। যদিও মন খারাপ থাকার কোনো কারনই নাই। বন্ধু আড্ডায় দহরম মহরম জীবন। খাচ্ছি দাচ্ছি ঘুমাচ্ছি আর আড্ডা মারছি। দিন চলে যাচ্ছে খুব দ্রুত। সকাল শুরু হয় মাঝ রাতে ঘুমিয়ে পড়ি, সারাদিন বলার মতো কিছুই করিনা তাও দিন যাচ্ছে হাসতে খেলতে খেলতে। আমি জানি যে জীবন আমি চালাই তা অনেকেই ইর্ষা হয়। কিন্তু এতো ভালো থাকার ভিতরেও, অনেক আড্ডার ভীড়েও নিজেকে কেমন জানি অবসাদ গ্রস্থ ক্লান্ত লাগে। এই কথা কোনো বন্ধুকে বললে চিরাচরিত হাসি দিয়ে বলবে প্রেম কর, একবছরের মধ্যে বিয়ে কর। আমি হেসেই উড়িয়ে দেই। নিজেই বাচি না নিজের টেনশনে তারপর আবার প্রেম পীরিতি। এই প্রেম পীরিতির মাদার'স ফাদার। এই সব ইমোশনাল এটাচমেন্ট এখন আর আমার পোষায় না।

কাব্য কহন-০২

গত কয়েক মাস গেছে খুবই ব্যস্ততার ভিতর দিয়ে। তবে ব্লগে আসতে চেষ্টা করেছি নিয়মিত সময়-সুযোগ পেলেই। চাকুরীর বদন্যতায় জীবনটা একটি চক্রে আবদ্ধ হয়ে আছে, বাসা-অফিস-বাসা। তবে এর িভতরেও রয়েছে বিবিধ ব্যস্ততা, যখন অফিস এ থাকি কাজ করি, সহকর্মীদের সাথে কাজের ফাঁকে আলাপ-আলোচনা, নেট এ বিচরণ ইত্যাদি আর যখন রাতে বাসায় ফিরি তখন গৃহস্থালী কাজের ফাঁকে প্ুত্রকে (কাব্য) সময় দিতে দিতে ঘুমানোর সময় চলে আসে । ছুটির দিন গুলোতে কিছুটা সময় পাওয়া গেলেও তা দেখতে দেখতে চলে যায়। গত মাসের ছুটির দিনগুলোর কিছুটা সময় শাহাবাগে কাটানোর চেষ্টা করেছি এবং চেষ্টা সফল হয়েছি। Smile অনেক দিন ঢাকার বাইরে যাবার জন্য সময় বের করার চেষ্টা করছি, সম্ভব হচ্ছে না Sad ।এভাবেই চলছে জীবন। অনেক দিন কিছু লেখা হয় না। তাই এই আবোল-তাবোল লেখা।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড।

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

● ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ