অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

বৃশ্চিক গতি

চাঁদ থেকে গড়িয়ে পড়া খেঁজুরের রসে সিক্ত হলে তুমি
এতগুলো দরজা খোলা রেখেছো ছয় কামরার বিশাল বারান্দা জুড়ে
বাবুই পাখির ঘরের সুখ উড়ে গেছে জলে হাওয়ায় মিশে

সমুদ্র ফনা তুলে, ভেসে আসা ফেনা বালুর সৈকতে গা এলিয়েছে
কিছু পোকাও কাঁকড়ার মত বালুজলে সর্বসুখে মধুর ধেয়ে চলছে
তারা আজ নৃত্য করবে গারো মেয়েদের শ্যামল পায়ের তালে তালে।

আমাকে স্থান দেবে না উৎসবে, জলের অতল পুরীর গোপন নারীর নির্দেশ
ধরার ঘাসকে স্পর্শ করে গেলে আমার পাপের বোঝা হবে আরো গভীর
চাপিয়ে দেয়া হরতালের মতই আমার সব কিছু নিষিদ্ধ হয়ে গেছে রে
আমি আর জলে নেমে ডুবে মরে যাবো কি করে তবে
বৃশ্চিকেরা মার্চ করে এগিয়ে আসছে ঘাড় শুষে রক্ত টেনে নেবে বলে।

ঝরা পাতার গান পর্ব-2

মনে পড়ে, কাজের সন্ধানে কয়েকবার যেতে হয়েছে সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ। বর্ষায় দিগন্তবিহীন হাওর--কূল নাই, কিনারা নাই--এযেন, সাগর। শীতের আগমনে ছোট ছোট নদী-নালা-খাল-বিল হাওর থেকে যেন, জেগে উঠে ফসলের মাঠ। নদী-নালা-খাল-বিল-পুকুর-ডোবা মিলেই এ সুবিশাল হাওর। শীতকালে হাওরের সীমানায় দাঁড়িয়ে অবিশ্বাস্য চোখে আমি তাকিয়ে থাকি। ভাবি, হাওরের পানি কোথায় চলে যায়। দেখি, চারদিকে মাছ ধরার মেলা; কোন কোন নৌকার খোলা, মাছে পরিপূর্ণ। কোথাও হাঁটু পানি; গরু-মহিষ সেই পানি পেরিয়ে যাচেছ সবুজ তৃণভুমিতে। বিল-ঝিল হাওরের অতি আপন বৃক্ষ হল হিজল গাছ; মাসের পর মাস পানিতেই কেটে যায় এদের জীবন। শকুন, ভূবন চিল মাছ শিকারের ফাঁকে এ গাছের ডালে ডালে বিশ্রাম করে। ঝাঁকে ঝাঁকে পানকৌড়ি, বক, শালিক ইত্যাদি জানা-অজানা বিদেশী পরিযায়ী পাখিরা ভীড় করে হিজল গাছে, জেগে উঠা জলাশয়ে খুঁজে খাবার। কাজের অবসরে আনমনে ভাবতে থাকি--বর্ষাকালের জলডুবা হাওর আর শীতকালে সেই হাওরে ঢেউ খেলানো সবুজ ফসলের মাঠ--প্রকৃতির কি বিচিত্র খেলা!

তোমাকে..

একটা চিঠি লেখার কথা ছিল - তোমাকে..

কিছু প্রশ্ন ছিল..
ইচ্ছেভুলে হারিয়ে ফেলেছি..

কিছু কথা বলার ছিল - তোমাকে..

কিচ্ছুটি বলার জো হয়ে উঠে না।

কি ই বা বলবো -
'ভালোবাসি'?
হুহ! স্বপ্ন দেখার ঐ চোখ দুটো তো সেই ক'বেই হারিয়ে বসেছি..

বলতে পারো?
পথের শেষে কোন গন্তব্য নেই জেনেও কিভাবে পথ চলতে হয়?

শীতের সন্ধ্যায়,
অথবা বৃষ্টিতে ভিজে একদিন বিকালে -
নয় হারিয়েই যেতাম।
চোখের পাতায় জমা থেকে যেত এক টুকরো রোদ্দুর,
কি ই বা যায় আসতো তাতে?

আজকাল কেবল ঘড়ির কাটার টিক টকে পথ চলছি,
আর কিচ্ছুটি ভাবতে ইচ্ছে করে না..অস্থির লাগে।

আর কি বলবো..
তুমি ভালো থেকো, ভালোবাসা নিও।

আর কোন বইয়ের পাতা,
গানের লাইন কিংবা কবিতার খাতা -
একেকটা অসাবধান বাঁধনহারা মুহূর্তে আমায় মনে পড়িয়ে দিলে..

জেনো, তোমায় বলেছিলেম -
কিছু, না বলা কথা'য়..ভালোবাসি.. <3

তোমাকে নিয়ে কোনো গান লেখা হয় নি চেষ্টা করেছি বহুবার

আজকাল মনে হয় আমি একা একাই নায়াগ্রায় চলে এসেছি। উঁচু পাহাড়ের উপর দিয়ে হাঁটছি। একা, ওক গাছের সারির ভেতর। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে থাকা খড়িগুলো দেখলে অনেক লোভ হয়। কিন্তু তুলি না। প্রকৃতি সম্ভবত অপচয় পছন্দ করে না। হাঁটার সময় পড়ে থাকা খড়ি তুলে লাভ নেই। শক্তির অপচয়। সন্ধ্যা নামার পর খড়ি খুঁজতে বের হতে হয়। মোটা ধরনের একটা বা দু'টো ডাল হলেই সারারাতের চিন্তা শেষ। আর কিছু শুকনো পাতা। পাতা পাওয়াও যায় প্রচুর পরিমাণে। আমার একটা ঝুড়ি থাকলে ভালো হতো। কিন্তু সেটা নিয়ে হাঁটাহাটি করাটা খানিক কষ্টের হতো। তারপরও পাতা কুড়ানোর সময় প্রতিদিন একবার ঝুড়ির অভাব অনুভব করি।

তুমি কি দেখতে পাও আমাকে? আমার সবকিছুই ঠিক-ঠাক আছে। শুধু আমি আর থামতে পারছি না। তুমি দেখতে পাচ্ছো? আমি হেঁটে হেঁটে ক্রমাগত দূরে চলে যাচ্ছি। আমি জানি তুমি টের পাচ্ছো। হয়তো হৃদয়ে তোমারও চলচ্ছে ক্ষরণ, অবিরাম। কিন্তু, এই দূরে সরে যাওয়া ছাড়া আমাদের যে আর কোনো উপায় নেই। আমি জানি, এই কথাটা তুমিও জানো।

সময়

ওইখানে ছিল তার ঘর! মাত্র কিছুকাল আগে-
মনে পড়ে; সব!
ভাঙ্গনের খেলা দেখেছে কত এ দুটি চোখ !
ঝাপসা হয়ে আসে!, বারে বারে;

একদিন যৌবন ছিল, লড়েছে কত-
বানের সাথে; ঝড়ের সাথে!
এখন শুধুই স্মৃতি, মনে পড়ে; ক্ষণে ক্ষণে !
বুকের ভিতরে এখনো টের পায় ঢেউয়ের শব্দ -
কাঁপা কাঁপা পায়ে এসে দাঁড়ায়,
ভাঙা পাড়ে-

ওইখানে, ঠিক ওইখানেই ছিল তাঁর ঘর!
ছানি পড়া দু’চোখ ঝাপসা হয়ে ওঠে-
কিছুই নেই এখন আর- ঘর, যৌবন কিংবা সময় !
মনে পড়ে একদা কেটেছে সময়-
সবুজ বৃক্ষের ডালে ডালে পাতায় কিংবা ফুলে;

ধূসর দৃষ্টি মেলে তাকায়
পার হয়ে গেছে সুদীর্ঘ কাল,
জীবন সায়াহ্নের এই বালুকা বেলায়!
বয়ে যায় সময়, সকাল-দুপুর-সন্ধ্যা করে রাত্রি গড়ায়
জীবনের চাকা ক্ষয়ে ক্ষয়ে থমকে দাঁড়ায়;
নিষ্ঠুর নিয়তি-

কুঁচকে যাওয়া চামড়ার ভাঁজে ভাঁজে খুঁজে ফিরে
ফেলে আসা দিন-
হারিয়েছে কত সাথীরে! কেউ প্রহর গুনছে আজ
তারই মত-
খুঁজে ফিরে উজ্জ্বল আলো; ওখানে আলো নেই!
মেঘলা আকাশ, ফ্যাকাসে, থমথমে!

রাত জাগা চাঁদের স্নিগ্ধ আলো বুঝতে পারে না এখন আর!
হুক্কা হুয়া শিয়াল ডাকে দূরে কোথাও-
জানান দেয় গভীর হয়েছে রাত!
বসন্ত আসে, আবার চলেও যায়, অগোচরে-

হ্যাপী বার্থডে জেবীন আপু!

মন মেজাজ শরীর সব খারাপ। অবষাদ আর ক্লান্তিতে বসে আছি চায়ের দোকানে। বাসায় তো আর গীজার নাই তাই ঠান্ডা পানিতে গোসল করতে এতো রাতে মন চায় না। এরকম জঘন্য দিন আমার খুব কম আসছে যে একদিনে তিনটা পরীক্ষা। পারি না পড়ি নাই কিছুই তাও দিয়ে আসলাম। একেকটা পরীক্ষায় কি লিখবো তা ভাবতে ভাবতেই সময় গেছে। শুধু ভার্সিটির সেমিষ্টার ফাইনালটাই একটু জাতের হইছে ক্লাস করছিলাম বলে। অথচ বিসিএস নিয়ে পোলাপানের যে সিরিয়াসনেস তা ম্যাট্রিক পরীক্ষার নার্ভাসনেসের কাছেও হার মেনে যায়। আমি কিছুই করিনা হাড়কাপানো শীতে রিকশা দিয়ে যাই যেয়ে বসে পোলাপানের ক্রিকেট খেলা দেখি মাঠে। সবার পরে হলে ঢুকি আর চেষ্টা করি সবার আগে খাতা জমা দেয়ার। কি লিখলাম তা নিয়ে ভাবি না প্রশ্ন মিলাই না ছিড়ে ফেলে দেই। আমার পাশে যে বসা তৌহিদ ভাই তার ধারনা আমি হিমু রাশির লোক তাই সিরিয়াস না এসব নিয়ে। আসলে আমার বাংলা লেখা সহজে আসে না। পিসিতে বা মোবাইলে লিখতে দিলে দিস্তায় দিস্তায় পেজ লিখতাম কিন্তু খাতায় কলম চলে না। এ এক বিপদ। আর বিসিএসে প্রতিটা প্রশ্ন অংক বাদে প্রচুর তথ্য জানতে হয়। আগে মাথায় প্রচুর তথ্য রাখতে পারতাম এখন কিছুই মনে থাকে না। মাথায় খালি ফেসবুক চায়ের দোকা

এ বাংলার, শাশ্বত শীত প্রকৃতির গল্প ঃ `ঝরা পাতার গান ' পর্ব-১

কুয়াশার অন্ধকারে হাজার বছর ধরে শীত কন্যা আসে ষড়ঋতুর লীলা বৈচিত্রের হেমন্তের ফসলে আঁকা মেঠো পথ ধরে। স্থান, কাল ভেদে এ শীত কন্যায় রূপ নানা অঞ্চলের দেব-দেবীর মত নানা সজ্জায় সজ্জিত হয়। হেমন্তের মাড়াই করা ধান বড় বড় কড়াওয়ালা মাটির হাড়িতে রাখতেই শীত রূপসী শীতের নানা উপকরণ কুয়াশার চাদরে ঢেকে এনে রাখে গৃহস্তের আঙ্গিনায়; কড়াওয়ালা মাটির হাড়িতে টোকা দিয়ে বলে, ‘এই গৃহস্ত আমি এসেছি ; চল, পিঠা-পুলি-পায়েস বানাই।’

গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে রাজনীতি করবে কারা ?

ধর্মভিত্তিক রাজনীতি বন্ধের দাবী এদেশে অনেক পুরনো। অনেকে মনে করেন এখনি সময় ধর্মভিত্তিক রাজনীতি বন্ধের। অনেক ইসলামী চিন্তাবিদও এক সময় ইসলামে রাজনীতি হারামের ফতোয়া দিতেন। তাদের কেউ কেউ পরবর্তিতে নিজেরাই ইসলামী রাজনৈতিক দলের কর্ণধার হয়েছেন।

এদেশে প্রচলিত গণতন্ত্র কি ইসলাম সমর্থন করে? ইসলামী চিন্তাবিদদের উত্তর- না। তাহলে তারা কেন এদেশে ভোটের রাজনীতি করে? তাদের উত্তর "মন্দের সয়লাব রুখতে প্রয়োজনে গণতন্ত্রের মাধ্যমে নির্বাচন করা জায়েজ আছে 'তীব্র প্রয়োজন হারামকে হালাল করে দেয়' মূলনীতির ভিত্তিতে। তারা যদি নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় যায় তাহলে কি তারা গণতন্ত্র রাখবে এই দেশে? তাদের উত্তর হল-না। তারা চায় খেলাফত প্রতিষ্ঠা। তারা বলে,আল্লাহর দেয়া নির্ধারিত পথ খিলাফত প্রতিষ্ঠা ছাড়া মানুষের গড়া মতবাদ গণতন্ত্র দিয়ে কখনোই ইসলাম প্রতিষ্ঠা সম্ভব হতে পারে না।

March 26, 1971 / Start of Bangladesh War of Independence

March 26, 1971 / Start of Bangladesh War of Independence
Magnum Photographers
40 Years since the start of the Bangladesh War of Independence.
Link

023
© Raymond Depardon/Magnum Photos
Near Jessore. December 1971.
The Pakistani army is routed.

022
© Raymond Depardon/Magnum Photos
BANGLADESH. November 1971.

021
© Abbas/Magnum Photos

পাঁচ পাঁচটি পার্সেন্ট কতটুকু হেলা করা যায়?

thumb_395043_173818966097135_1490811542_n.jpg
ওরা পাঁচ পারসেন্ট ওরা গিরগিটি, বর্ণচোরা
গিরগিটি যখন অজগরের সওয়ার
তখন চিন্তা করতই হয়।
ওরা আল্লাহ বেচে খায়, ধর্ম দিয়ে মানুষ চিনে
দাঙ্গার প্রয়োজনে ওরা মসজিদ ভাঙে;
ধার্মিককে কোরআন হাতে নিয়ে দেখাতে হয় না,
দুষ্কৃতিকারীর ছলের অভাব হয় না;
তোমরা ওদের হেলা করতে পার আমি পারি না।

একথা আমি ভুলি নাই--
তারাই ক্ষমতায় ছিল যারা স্বাধীনতার শত্রু।
দেশ জুড়ে সিরিজ বোমা হামলা আমি ভুলি নাই,
বাংলাভাইকে আমি ভুলি নাই,
২১শে আগস্ট, রমনার বটমূল
কোনটাই আমি ভুলি নাই।
ভুলি নাই হাটহাজারি,
ভুলি নাই আহাজারি রামুতে সাতক্ষীরায়।
ভুলি নাই শৈবাল সাহা পার্থের মায়ের কান্না,
ভুলি নাই ভোলা যায়ও না।
এসব অজগর ও তাদের সওয়ারির মিলিত ফল।

ওদের স্ট্রং ইকোনমি আমি দেখেছি,
ওদের সাংগঠনিক শক্তি আমি দেখেছি। আমি চট্টলাবাসী।
দেখেছি তারা বিশ্বাস নিয়ে খেলে
কি করে মানুষকে উন্মত্ত করে তোলে।

বিশ্বজিতের লাশ মরেও রেহাই পাচ্ছে না।

বিশ্বজিতের মৃতদেহের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের উপরে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে দৈনিক মানবজমিন, দৈনিক জনকণ্ঠ, দৈনিক সমকাল, দৈনিক ইত্তেফাক এবং অন্যান্য কোনো পত্রিকাও হয়তো এই পোস্টমর্টেম রিপোর্ট প্রকাশ করতে পারে।

দৈনিক মানবজমিনের প্রতিবেদনের শিরোণাম ছিলো " চাপাতির কোপ খুঁজে পায়নি ফরেনসিক বিভাগ"

দৈনিক সমকালের প্রতিবেদনের শিরোণাম "ময়নাতদন্ত রিপোর্টে মাত্র দুটি আঘাতের চিহ্ন!:

দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিবেদনের শিরোণাম " বিশ্বজিতের শরীরে কোপের চিহ্ন নেই!
ময়না তদন্ত রিপোর্ট নিয়ে প্রশ্ন
"

দৈনিক জনকণ্ঠের প্রতিবেদনের শিরোণাম " বিএনপিকর্মী ভেবে ভুলবশত বিশ্বজিৎকে হত্যা"

ক্ষয় বিষয়ক কিছু উপলব্ধি

........................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................

বিশ্বজিতের মৃত্যুর দায় আমাদের সবার

আমরা ষোল কোটি মানুষের মধ্যে সর্বোচ্চ কত সংখ্যক মানুষ সক্রিয় রাজনীতি করি বা সক্রিয় রাজনীতির সাথে জড়িত?

ফেটে যাওয়া ঠোটেঁ হাসি...

অতি বাস্তবের ঘূর্ণাবর্তে নিজেই এখন উপন্যাস বা ছোটগল্পের উপজীব্য, দেশলাই জ্বালতে জ্বালতে ছাইটুকু উড়াতে গিয়ে মনে পড়ে শীতের সেইসব ঘন চুম্বন; আত্মজার ঘ্রাণে প্রেম কায়া ইতিহাসের অংশ, পরিযায়ী তুমি, আ্মার করোটিতে জন্মভূমি, পরিবার- কোন অয়েভ লেংথে কোকিছু আর মিলছে না কোনভাবেই। সাগর পেরানো আলেকজান্ডার গ্রাহামবেল সব বিল মিটিয়েও তোমার প্রস্থানের অভাব পূরণ করতে পারে না।
আমি অবন্যিস্ত, অতি মাত্রায় দায়িত্বশীল, আমি নিশিপক্ষী, মোবাইলের স্ক্রীণ, আমি বন্ধুহীন, আমার ঠোঁটে লাগেনি ভেসলিন-আমি ফেটে যাওয়া ঠোটেঁ করি আগুন চুম্বন, প্রেম বোকা নারীর একমাত্র অলীক ভূষণ....

বাংলাদেশ

পথ ধরে যে নিজের মত চলছে পাশাপাশি,
হয়ত তারে দূরে ঠেলি হয়ত ভালবাসি,

হয়ত দেখাই হৃদ্যতা বা হাসির দেয়াল তুলি,
হয়ত কিছু অমিল পেতেই আর যা কিছু ভুলি;

হয়ত অমিল কথায় কিবা অমিল মতামতে,
হয়ত অমিল বেশভূষা আর পোশাক পরিচ্ছদে,
হয়ত অমিল বিশ্বাসে আর হয়ত অমিল কাজে,
হয়ত অনেক অনেক অমিল কেবল চোখে বাজে-

কেবল জানি অমিলগুলো কোথায় যেন এসে,
হাজার 'আমি' 'আমরা' হতেই সরলরেখায় মেশে;

আমরা হতেই সাকিব তামিম আমার হয়ে দাঁড়ায়,
আমরা হতেই প্রত্যাশারা একার সীমা ছাড়ায়,
আমরা হতেই তীব্র বিষাদ-ক্রোধ-হতাশার সুর,
আমরা হতেই প্রবল উছাস,আনন্দ-ভরপুর,
আমরা হতেই সবুজ শ্যামল অনন্য রূপ দেখা,
আমরা হতেই সংস্কৃতি আর ঐক্যে গড়া রেখা,
আমরা হতেই কালের ঘড়ি, রঙ্গীন দিনের আশা,
আমরা হতেই সুরের ছোঁয়া, শান্তি ভালবাসা,
আমরা হতেই বৈশাখী আর ফাল্গুনে বই মেলায়,
আমরা হতেই মিছিল-মিটিং উদ্দীপনার খেলায়,
আমরা হতেই রায়েরবাজার দীর্ঘনিঃশ্বাস আনে,
আমরা হতেই আমতলা আর 'আমার ভায়ের' গানে,
আমরা হতেই স্বজনহারার তীব্র শোক আর ক্রোধে,
আমরা হতেই ন্যায়হীনতায় প্রবল প্রতিরোধে,
আমরা হতেই একাত্তর আর উনসত্তর ডাকে,

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ