অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১০ জন অতিথি অনলাইন

নতুন মুখ

অভিশপ্ত রাতের আঁধার ঘুচেছে নিরালায় ।
তুমি এখনো ঘুমিয়ে আছো ?
দেখ , বুকের রক্তে ফুটে উঠেছে নতুন ভোরের সূর্য ।
শোনো , পাখির কন্ঠে বেজে ওঠে দুঃসাহসী গান ।
এত জ্বালা সয়ে যে আশা হৃদয়ে করেছ লালন -
কোনো কালে কি তা হবেনা পূরণ ?
বিভোর রয়েছ দিন বদলের স্বপ্নে ,
অথচ আজো তুমি নিষ্ক্রিয় ! তুমি সুপ্ত !

থেকোনা থেকোনা , ঘুমিয়ে আর থেকোনা ।
জেগে ওঠো আজ চার দেয়ালের বাধন ভেঙে ।
এইতো সময় , কখনো কি আর আসবে ফিরে ?
সময়ের ডাকে দাও নির্ভীক সাড়া ,
খুলে দাও যত বহুরূপীদের মুখোশ ।
নতুন মুখের সৃষ্টির ভার তোমারই ওপর ন্যস্ত ।

অন্ধকারের বুকের ভেতর

আপনার নাম অবর্ণা কেন?
প্রশ্নটা শুনে অবর্ণা থতমত খায়। রাত বারোটার সময় ফোন করে, ঘুম থেকে জাগিয়ে এমন প্রশ্ন করে কেউ? মেজাজ খিঁচে যায় অবর্ণার। বিড়বিড় করে সে বলে, অপদার্থ।
কী বললেন?
যা বলার বলেছি।
আপনি আমাকে অপদার্থ বলেছেন। এটা কি ঠিক হলো?
শুনেই যখন ফেলেছেন তখন আর বেঠিক বলি কীভাবে?
দুইভাবে বেঠিক। এক-আপনার তিন বছরের সিনিয়র কাউকে আপনি এটা বলতে পারেন না। দুই-বিজ্ঞানের ছাত্রী হিসেবে আপনি নিশ্চয়ই পদার্থ আর অপদার্থের পার্থক্যটুকু বোঝেন?
ও আচ্ছা আচ্ছা। ওভাবে দেখলে আমি দুঃখিত।
আমিও দুঃখিত এত রাতে আপনাকে বিরক্ত করার জন্য।
ঠিক আছে। খোদা হাফেজ।
না না। আগে প্রশ্নটার উত্তর দিন।
ওটা জানতে হলে আপনাকে মরতে হবে।
মানে?

অসমাপ্ত এক কবিতা

আমি আমার মতো করে একটি পৃথিবী সাজাতে চাই
কিন্ত পারি না।
সেখানে অনিয়মের বেড়াজালে আটকে যেতে হয়।
স্বাধীন হয়েছি আজ থেকে চল্লিশ বছর আগে।
তবুও কেন যেন নিজেকে বন্দি লাগে।
কেন জোর করে চিৎকার করতে পারি না।
গলা ছেড়ে গাইতে পারিনা।
অসমাপ্ত এক কবিতা

যাপিত জীবনের গল্প - ১

শীতকাল !!!
শীতকালটা যখনি আসে , তখনি একা বসবাস করার বড় লোভ হয় । শীতের সকালে কম্বলের উষ্ণতার কোমল আদরে জড়িয়ে থাকা ঘুম ছেড়ে কি উঠতে ইচ্ছে করে?
অতুলনীয় সে ঘুম।
আমি বরাবরই Early Riser. কিন্তু শীতকাল আমাকে অলস বানিয়ে ছাড়ে। আর বানাবেই না কেনো!
চারিদিকে ইট পাথরে ঘেরা এই ঢাকা শহরে সকালের সুর্যোদয় দেখার অবকাশ নেই। নেই সকালের মিঠে রোদে রোদ পোহানোর সুযোগ । তারচেয়েও বড় কথা শীতের সকালে চুলার পাশে বসে মায়ের হাতের তৈরী ভাপ উঠা গরম ভাপাপিঠা খাবার তাড়াও নেই এখানে । কিছুই যখন নেই তাহলে আর কিসের লোভে ঘুম থেকে উঠবো?

বাংলাদেশে এই প্রথম বাংলায় ওয়ার্ডপ্রেস গ্রুপ

ওয়ার্ডপ্রেস কি ?
বর্তমানে সর্বাধিক জনপ্রিয় শক্তিশালী কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (CMS) । প্রথম দিকে এটি একটি ফ্রি ব্লগিং প্লাটফর্ম ছিল ..একটি ব্লগ পাবলিশিং অ্যাপলিকেশনস ও কন্টেট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা সিএমএস [CMS] । এটি বিনামূল্যে ডাউনলোড করা যায়..য়া একটি ব্লগার কে ব্লগ বা সাইট বানাতে সাহায্য করে থাকে । ওয়ার্ডপ্রেস চালু হয় ২০০৩ সালে ।
সিএমএস [CMS] টা কী জিনিস ?
[CMS] কন্টেট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ।আপনার সাইট/ব্লগ এর বিভিন্ন তথ্য ব্যবস্থাপনার একটি সক্রিয় সিস্টেম ।CMS] মাধ্যমে আপনি আপনার সাইট/ব্লগ এর যেকোন পরিবর্তন , সংশোধন , সংযোজন , বা মুছে ফেলতে পারবেন । আর এটি সম্পুর্ন ফ্রীতে ব্যবহার করতে পারবেন ।
সহজ ব্যবহার ও ইচ্ছা মত ডিজাইনঃ

সাহায্য করেন অথবা বুদ্ধি দেন প্লিজ

বন্ধুরা

মহাবিপদ

আগামী ২২ ডিসেম্বর আমার প্রথম ভাষ্কর্য প্রদর্শনী চট্রগ্রামের শিল্পী রশিদ চৌধুরী আর্ট গ্যালারী,চারুকলা ইনিস্টিটিউট চট্রগ্রামে।

কিন্তু সমস্যাটা হচ্ছে একটি কম্পানি এবং আমার এক বন্ধু স্পন্সর দেবার কথা বলেও শেষ পর্যন্ত
অক্ষমতা প্রকাশ করেছে ।

এখন আমার মাথায় হাত

মান্দার গাছ বাইতে ইচ্ছা করছে ।

অতএব
বন্ধুরা

সাহায্য করেন অথবা বুদ্ধি দেন প্লিজ

১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১

বিজয় সময়ের ব্যাপার মাত্র। এদিনে মুক্তিযোদ্ধা ও মিত্রবাহিনীর সর্বাত্মক হামলার মুখে পাকসেনারা দিনাজপুর হতে সৈয়দপুরে পালিয়ে যায় এবং দিনাজপুর হয় শত্রু মুক্ত। এদিকে ঢাকা বিজয়ে প্রচন্ড হামলা রাজধানীর চারদিকে। ১৩ ডিসেম্বর রাত থেকে ১৪ ডিসেম্বর ভোর পর্যন্ত পূর্ব ও পশ্চিম দিক থেকে মিত্রবাহিনীর কামান অবিরাম গোলা ছুঁড়ে চলল। নিয়াজীসহ পাকি হানাদারদের হৃদকম্প তখন তুঙ্গে। মিত্রবাহিনীর কামানের গোলা গিয়ে পড়ল ঢাকা ক্যান্টনমেন্টেও। সে গোলার আওয়াজে গোটা শহর কাঁপল। ঢাকার সবাই বুঝল, আর রক্ষা নেই। গভর্নর মালিক সেদিন সকালেই 'সমগ্র পরিস্থিতি' বিবেচনার জন্য গভর্নর হাউসে মন্ত্রিসভার এক জরুরি বৈঠক ডাকলেন। ওই বৈঠক বসানোর ব্যাপারেও রাও ফরমান আলী এবং চীফ সেক্রেটারি মুজাফ্ফর হোসেনের হাত ছিল। মন্ত্রিসভার বৈঠক বসল বেলা ১১টা নাগাদ। একটি পাকিস্তানী সিগন্যাল থেকে দিল্লীর বিমান সদর দফতর জানতে পারে, মাত্র ঘণ্টাখানেক

ছবি ব্লগ: বালিয়াটি জমিদার বাড়ি

ছবি তোলা শিখছি। তাই প্রায়ই দলবেধে কোথাও যাই ছবি তুলতে। সেদিন গেলাম মানিকগঞ্জের বলিহাটি জমিদার বাড়িতে। বিশাল জমিদার বাড়ি। সেই বাড়ির কয়েকটা ছবি।
Image Hosted by ImageShack.us

Image Hosted by ImageShack.us

Image Hosted by ImageShack.us

Image Hosted by ImageShack.us

Image Hosted by ImageShack.us

Image Hosted by ImageShack.us

প্রবাল দ্বীপ - ২ ( রহস্য গল্প )

প্রথম পর্ব

বাংলাদেশ বিমানের ঢাকা টু লন্ডন সরাসরি ফ্লাইটে লন্ডন যাচ্ছে অভি। বাংলাদেশ দূতাবাসের কালচারাল উপদেষ্টা হিসেবে নতুন জয়েন করেছে সে। অন্য কারো জন্য এই চাকরিটাই হতো সোনার হরিণ কিংবা লক্ষ টাকায় কেনা নিজস্ব সম্পত্তি।

ইওরোপের কোন এক খানে... (১)

আমি গরীব মানুষ, হাতের লেখা খারাপ, কিবোর্ডের লেখা আরও খারাপ। তবে কোপানী, থুক্কু কোম্পানী আমারে পাঠাইছে ফ্রান্সে কিছু প্রব্লেম রে ঝামেলায় রূপান্তরিত করতে। কি করা আইসা পড়লাম ফ্রান্স।

আইলাম কাতার এয়ারওয়েজে, তাগো সার্ভিস তেমন পছন্দ হয় নাই। পেলেনে উঠার আগে বিশাল লাইন ধরতে হইলো। এর মধ্যে মধ্যপ্রাচ্য-গামী এক সদ্য-যুবক চামে লাইনে ঢুকতে গেছিলো। তারে বললাম, ভাইরে পিছনে যাও, লাইনে আস, এইখান থেইক্কাই লাইন ধরা শিখো, ভবিষ্যতে কামে দিবো।

চলমান থ্রেডের একটি বিচ্ছিন্ন অংশ- ৩

এসো আরো দুই বছর আমরা একে অপরকে ইমপ্রেস্ করি,
তারপর নাহয় হাত ধরার পর্বে যাবো।
কারণ পরিচয়ের প্রথম দিকের দিনগুলির মতো সময়
আর ফিরে পাওয়া যায় না।
---

জলাঞ্জলি

আমি ফেলে এসেছি সুদূর অতীতের স্বপ্নভঙ্গ রাতগুলো ।
যখন ক্লান্তির মলিন বুকে নিদ্রাতুর অলস করেছিলো ভর ,
থেকে থেকে মাদকতার তীব্র ঝাপটায় নুয়ে পড়ছিল একাগ্র সচেতন চোখের পাতা ।
জীবন সমস্যার দুঃসাধ্য সমাধান কখনোই হয়না সারা ।
অতিবাস্তবেও উদ্ভ্লান্ত স্বপ্নের হাত ধরে সজ্ঞানে বিপথে চালনা ।
গন্তব্য পিছু টানে বারে বারে , টের পাই , সাড়া দেয়ার সাহস থাকেনা ।

তবু আমি মুক্তির আকাশপথে মেঘ হয়ে উড়েছি ক্ষণকাল
আকাশের সীমানা ছাড়িয়ে যেতে চেয়েছি , পারিনি , মুহূর্তের আঘাতে বৃষ্টি হয়ে ঝরে পড়েছি উদ্বাহু ধরণীর বুকে । সেখানে কোমল পলিতে একেবারে মিশে যেতে পারিনি , নদীতেও পাইনি কোনো ঠাঁই ,
শুধু বন্যার সাথে মিলে ভেসে গেছি কোন লোকালয়ে , বহুদূর বয়ে নিয়ে গেছি মাটির নিবিড় কিছু আবর্জনা ।
তবু সে বন্যার তোড়ে হয়তো ধ্বসে গেছে কারো কারো স্বপ্নের চার দেয়াল । তারাও আমার সাথে ভেসে যেতে চেয়েছিল বহুদূর ।
কিন্তু কি লাভ তাতে !

হুমায়ুন আজাদের প্রবচনগুচ্ছ - ১


মানুষ সিংহের প্রশংসা করে, কিন্তু আসলে গাধাকেই পছন্দ করে।

পুঁজিবাদের আল্লার নাম টাকা, মসজিদের নাম ব্যাংক।

সুন্দর মনের থেকে সুন্দর শরীর অনেক আকর্ষণীয়। কিন্তু ভণ্ডরা বলেন উল্টো কথা।

হিন্দুরা মূর্তিপূজারী; মুসলমানেরা ভাবমূর্তিপূজারী। মূর্তিপূজা নির্বুদ্ধিতা; আর ভাবমূর্তিপূজা ভয়াবহ।

শামসুর রাহমানকে একটি অভিনেত্রীর সাথে টিভিতে দেখা গেছে। শামসুর রাহমান বোঝেন না কার সঙ্গে পর্দায়, আর কার সঙ্গে শয্যায় যেতে হয়।

আগে কারো সাথে পরিচয় হ’লে জানতে ইচ্ছে হতো সে কী পাশ? এখন কারো সাথে দেখা হ’লে জানতে ইচ্ছে হয় সে কী ফেল?

শ্রদ্ধা হচ্ছে শক্তিমান কারো সাহায্যে স্বার্থোদ্ধারের বিনিময়ে পরিশোধিত পারিশ্রমিক।

আজকাল আমার সাথে কেউ একমত হ’লে নিজের সম্বন্ধে গভীর সন্দেহ জাগে। মনে হয় আমি সম্ভবত সত্যভ্রষ্ট হয়েছি, বা নিম্নমাঝারি হয়ে গেছি।

১৩ ডিসেম্বর ১৯৭১

চারদিকে উড়ছে বাঙালির বিজয় নিশান । এদিনে পূর্ব ও উত্তর দিক থেকে মিত্রবাহিনী ঢাকার প্রায় ১৫ মাইলের মধ্যে পৌঁছে যায়। ৫৭ নম্বর ডিভিশনের দুটো ব্রিগেড এগিয়ে আসে পূর্বদিক থেকে। উত্তর দিক থেকে আসে জেনারেল গন্ধর্ব নাগরার ব্রিগেড এবং টাঙ্গাইলে নামে ছত্রিসেনারা। পশ্চিমে ৪ নম্বর ডিভিশনও মধুমতি পার হয়ে পৌঁছে যায় পদ্মার তীরে। রাত নয়টায় মেজর জেনারেল নাগরা টাঙ্গাইল আসেন। ব্রিগেডিয়ার ক্লের ও ব্রিগেডিয়ার সান সিং সন্ধ্যা থেকে টাঙ্গাইলে অবস্থান করছিলেন। রাত সাড়ে নয়টায় টাঙ্গাইল ওয়াপদা রেস্ট হাউজে তারা পরবর্তী যুদ্ধ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনায় বসেন। আলোচনার শুরুতে মেজর জেনারেল নাগরা মুক্তিবাহিনীর উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করে বলেন,

মুক্তিযোদ্ধারা যদি আমাদের বিনা বাধায় এতটা পথ পাড়ি দিতে সাহায্য না করতেন, তাহলে আমাদের বাহিনী দীর্ঘ রাস্তায় যুদ্ধ করতে করতে ক্লান্ত হয়ে পড়তো। রাস্তাতেই আমাদের অনে

প্রবাল দ্বীপ - ১ ( রহস্য গল্প )

বাংলাদেশ বিমানের ঢাকা টু লন্ডন সরাসরি ফ্লাইটে লন্ডন যাচ্ছে অভি। বাংলাদেশ দূতাবাসের কালচারাল উপদেষ্টা হিসেবে নতুন জয়েন করেছে সে। অন্য কারো জন্য এই চাকরিটাই হতো সোনার হরিণ কিংবা লক্ষ টাকায় কেনা নিজস্ব সম্পত্তি।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ