চলমান থ্রেডের একটি বিচ্ছিন্ন অংশ
লাইকানথ্রপ হবার সুবাদে
আমি প্রতি ফুলমুনে
একবার করে ভাবতাম,
যদি আমি একজন স্বাভাবিক মানুষ হতাম
তাহলে আমার কাছে পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো মেয়েটির ঠিকানা ছিলো।
---
বন্ধু হতে চলে এলাম
আমার এক বন্ধুর কাছে শুনলাম "আমরা বন্ধু" ব্লগের কথা আর সাথে সাথেই রেজিস্ট্রেশান করে ফেললাম।আশা করি এখানে খুব ভালো কিছু বন্ধু পাবো 
-
-
-
-
-
-
-
-
সবার কাছে আমার একটা প্রশ্ন।আমি কি এখানে ইংলিশ লেখা পোষ্ট করতে পারবো?

টুকটুক গল্প-৭
রায়হান ভাই মাঝে মাঝেই বলে আড্ডাটা আমাদের এডিকশনের পর্যায়ে চলে গেছে। দুই/একদিন পর পর কোন না কোন উছিলায় একটা আড্ডা। কোন উছিলা না থাকলে এমনেই আড্ডা আর অফিস ফাঁকি দেওয়ার পায়তারা। যে অফিস ফাঁকি দিতে পারে না তাকে ফাঁকি দেওয়ার জন্য উস্কানো এবং ফাঁকি দিতে না পারলে ধিক্কার দেওয়া...এই চলছে। আড্ডা শেষে কখনও লীনাপার সাথে রিক্সায় ফিরলে প্রায়ই জোর করে বাসায় যেতে, রাতে থাকতে অথবা রাতে বাসায় পৗঁছে দিবে এমন বলবেই। যাওয়া হয় না, বলি-যাব একদিন। একদিন বললাম, কাল বৃহস্পতিবার, কাল যাবো। সকালেই লীপনাপা ফোন করেছে যে না গেলে আর কথাই বলবে না, উনার বাসার খালাকে ফোনে ধরিয়ে দিলো। খালাও বলে, আসেন, আমি রান্না করব। শুক্রবার জাহাঙ্গীরনগর যাব বলে আর গেলাম না সেদিন, বললাম পরের সপ্তাহে যাব।
নিয়মিত বা অনিয়মিত -১
শনিবারও ছুটি নেই। সকালে অফিসের উদ্দেশ্যে বের হয়ে দেখলাম কুয়াশায় চারদিক ভরে আছে। বছরের প্রথম কুয়াশা ঠিকমত উপভোগ করতে পারলাম না, গাড়িতে উঠে পড়তে হলো। শনিবার বলে রাস্তাঘাট অনেকটাই ফাঁকা। একটা সিগন্যালে সব গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে, এমন সময় দেখি একটা ডাবল-ডেকার রাস্তার রঙ সাইড দিয়ে যাচ্ছে। গাড়িটার মাথার কাছে লেখা আছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। বাস ভর্তি ঝকঝকে মেধাবী ছেলেমেয়েরা। দৃশ্যটা অবশ্য আজকে নতুন না, এটা প্রতিদিনের পরিচিত গল্প। গাড়িটার রঙ সাইডে চলা নিয়ে মনে হলোনা দেশের উচ্চতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কোনো আগ্রহ রয়েছে। এটা যেনো অলিখিত নিয়ম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গাড়ি যেকোনো ভাবে রাস্তার যেকোনো সাইড দিয়ে চলার অধিকার রাখে। বাধা দিলেই প্রতিবাদ। এইতো কিছু মাস আগেই ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের কাছে নাকি এক পুলিস সার্জেন্টের মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দিয়েছিলো ছাত্ররা। কারণ নাকি আর কিছুই না, শুধু বাসটাকে রঙ সাইডে চলতে মা
জীবন চক্র
গ্রীষ্মে
বৈশাখ মাসের রোদেলা দুপুর।আম গাছের নিচে পাতা মাচানে বসে পান চিবুচ্ছেন রহম আলী। সারাদিন কলা বাগানে খেটে এসেছেন। নিজের এক চিলতে জমিন। তার উপর ভরসা করে চলতে হয় পুরো বছর। কোন কোন বছর বেশ ভালো চলে । আর কোন কোন বছর অনেক কষ্ট সহ্য করতে হয়। এসব সব উপরে ওয়ালার খেলা বলে মানেন রহম আলী।
বাপ মারা গেছে সেই ছোট বেলায়। মা জন্মের সময়। সেই থেকে ফুফুর বাড়ীতে মানুষ হতে হতে নিজের বাড়ী হয়ে গেছে অশ্বথতলা গ্রাম। গ্রামের এই নামের পেছনে ছোট একটা ইতিহাস আছে। গ্রামের ঠিক মাঝ খানে একটি অশ্বথ গাছ আছে । যার বয়স সঠিক কত তা কেউ জানে না । সকলে ধারনা করে এই গাছটির উপর ভিত্তি করে কেউ হয়ত এই গ্রামের নাম রেখেছে অশ্বথতলা । সেই কারনে প্রতি বছর বৈশাখী মেলা এই অশ্বথ গাছের তলায় হয়। বাড়ীর পাশে মেলা হলে ও সেখানে তেমন একটা যেতে পারেন না রহম আলী।
১০ ডিসেম্বর ১৯৭১
চূড়ান্ত বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ। রাজধানী ঢাকা ছাড়া অধিকাংশ দেশের অধিকাংশ জেলা শত্রুমুক্ত। ঢাকায় পরিকল্পিত চূড়ানত্ম হামলা চালিয়ে শত্রুদের আত্মসমর্পণে বাধ্য করার লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে যৌথবাহিনী। এদিন মিত্রবাহিনীর জঙ্গী বিমানগুলো ঢাকা বেতার কেন্দ্র স্তব্ধ করে দেয়, বোমা-রকেট ছুড়ে বিধ্বস্থ করে দেয় ঢাকার কুর্মিটোলা বিমানবন্দর। মিত্র বাহিনীর বিমান আক্রমণে চট্টগ্রাম ও চালনা বন্দর অচল হয়ে পড়ে। কয়েকটা জাহাজভর্তি পাকিস্তানি বাহিনী বঙ্গোপসাগর দিয়ে পালানোর সময় ধরা পড়ে। সম্মিলিত বাহিনী উত্তরাঞ্চলের যুদ্ধে সর্বাত্মক সাফল্য অর্জন করেছে। মিত্র বাহিনী ও মুক্তিবাহিনী যৌথ অভিযান চালিয়ে দিনাজপুর, রংপুর ও সৈয়দপুরের শত্রু বাহিনীকে পরস্পর থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। যৌথ বাহিনী এই তিন শহর ছাড়া রংপুর ও দিনাজপুর জেলা সম্পূর্ণ শত্রুমুক্ত করে। রাতে পাকিস্তানি বাহিনী জামালপুর গ্যারিসন ছেড়ে ঢাকার
দূরাগত আশঙ্কা অজানা
উদ্দীপ্ত সূর্যতলে উদ্ভাসিতা
এক চাঁদের বিকিরণ
খাঁজ কাটা লাঙ্গলে
জোয়ার আসে শোণিতে
ঘর্মাক্ত শিহরণ
উজান বেয়ে চলতে থাকে
নদী ঝিকিমিকি
স্নায়ুবিক উত্তরণ দু-কূলে
লাফিয়ে নামে শিশু-বসত
ফসল-ফাল্গুনে কাঁপে গ্রীবা
ছড়ায়িত স্বর্ণালী আঙ্গিনা
আলতা পায়ে বাজে নূপুর
দূরাগত আশঙ্কা অজানা।
বন্ধুদের বিবাহের খায়েশ পূরন সমিতি!
শরীরটা ভালো না।কেমন জানি বমি বমি লাগতেছে তাই আড্ডা ফেলে বাসায় এসে পড়লাম।এসে দেখি শরীর কোনো খারাপই না।বাসায় বসে কী করবো ভাবছিলাম এমন সময় ভাবলাম এবিতে একখান পোষ্ট মাইরা দেই।কিন্তু কি নিয়ে লিখবো তা ভেবে পাইতেছিলাম না তখনি হঠাত ২০০৯ সালের কথা মনে পড়লো।ভাবলাম লিখেই ফেলি আজাইরা এক কাজ কর্মের ফিরিস্তি।
সামু ব্লগে এখন যাই না একেবারেই।লোকজন পড়ে মাঝে সাঝে আমি তাও যাই না।সামু ব্লগে সব সময় বিবাহ নিয়া যে কোন আলোচনাই হিট।বিশিষ্ট বড় ভাইজান-আপুদের দেখতাম বিবাহের সিরিয়াল নিয়ে খুব আলোচনা হয়তো।কার আগে কে থাকবে?সেইখানে আমাদের বলা হইতো 'পোলাপাইন রাস্তা মাপো।এই খানে কি?'আমি ভাবতাম বিবাহ করতে ব্লগের সিরিয়াল কেন নিতে হবে?মন চাইলে বিবাহের পরিবেশ পাইলেই বিয়া করবা!ব্লগের আলোচনার খেতা পুরো!
৯ ডিসেম্বর ১৯৭১
এদিন চতুর্দিক থেকে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে পাকবাহিনী। মাত্র একদিন আগেই বেতারসহ বিমানে হাজার হাজার লিফলেট ছড়িয়ে পাক হানাদারদের আত্মসমর্পণের আহ্বান জানায় মিত্রবাহিনী। মিত্র ও মুক্তিবাহিনী বীরদর্পে দেশের অধিকাংশ জেলায় বিজয়কেতন উড়িয়ে ঢাকা দখলের জন্য মরিয়া। মিত্র বাহিনী দ্রুত ঢাকা পেঁৗছার লক্ষ্য নিয়ে চারদিক থেকে অগ্রসর হচ্ছে। আগে একটি বাহিনী যাচ্ছে আশুগঞ্জ, দাউদকান্দি ও চাঁদপুর। পশ্চিমে আরেকটি বাহিনী পেঁৗছেছে মধুমতি নদীর তীরে। আরেকটি বাহিনী কুষ্টিয়া মুক্ত করে চলছে গোয়ালন্দ ঘাটের দিকে। হালুয়াঘাট থেকে এগিয়ে আসা বাহিনীও পেঁৗছে গেছে ময়মনসিংহের কাছাকাছি।
একজন ধনী মানুষের গল্প
হা জিন। চাইনিজ আমেরিকান গল্প লেখক। সমকালীন মার্কিন সাহিত্যে তার নামডাক আছে। বেশ কিছু পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। জন্ম ১৯৫৩ সালে সাংস্কৃতিক বিপ্লব চলতে থাকা চীনের লিয়াওনিং শহরে। তিয়েনয়ানমেন স্কয়ারে বিদ্রোহের সাথে জড়িত ছিলেন তিনি। ঐ সময়েই চীন থেকে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। বর্তমানে বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজী সাহিত্যের অধ্যাপক তিনি। অনুবাদিত গল্পটা তার আন্ডার দ্যা রেড ফ্ল্যাগ বই থেকে নেয়া হয়েছে।
একজন ধনী মানুষের গল্প
একটা কিচ্ছা
আমাদের চার তালার আন্টি মারা গেলেন ক্যান্সারে। চার দিনের মিলাদ হলো। হুজুর আসলেন তিনি মাশাল্লাহ একবার শুরু করলে থামেন না। হয়তো গান বাজনার ধাক্কায় হুজুররা সারা মাস কোন ঠাসা থাকেন বলে একবার প্রতিভা দেখানোর সুযোগ পেলে শতরঞ্চি ধরে টান না মারা পর্যন্ত থামতে চান না। আমাদেরকে মুখ কালো আর গম্ভীর করে বিরাট লম্বা কাল কাটাইতে হয় মিলাদের পরের তেহারীর আশায়। চল্লিশার মিলাদে আমরা ভাইবোনেরা কেউ আর বিরিয়ানীর আশায়ও ওপরে যেতে রাজি না। সেই বয়সে পৌঁছে গেছি যে ঘাড় ত্যাড়া করে বাবা-মাকে অগ্রাহ্য করে ফেলতে পারি। আর জানি বাসার বাউন্ডারীর মধ্যে বিরিয়ানি রান্না হয়েছে যখন তখন কিছু না কিছু বাড়ি পর্যন্ত আসবেই।
স্টোরিয়া পোলস্কা (শেষ পর্ব)
পরদিন সকাল সকাল বেরিয়ে পড়ব ভাবলেও গড়িমসি করে বিছানা ছেড়ে ফ্রেশ হয়ে বেড়োতে বেড়োতে বারোটা বেজে গেলো। নাস্তার টাইম চলে গেলো তাই ব্রাঞ্চ করে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয়া হলো। ব্রাঞ্চ করার জন্যে ট্রাম ধরে সিটি সেন্টারে গেলাম। বিভিন্ন ধরনের মুখরোচক খাবারের ছবি দেখে কোন রেষ্টুরেন্টে ঢুকবো তাই সিদ্ধান্ত নিতে পারছিলাম না। খাবার দাবার তুলনামূলকভাবে নেদারল্যান্ডসের থেকে বেশ সস্তা। একটি টার্কিস রেষ্টুরেন্টে শেষমেষ ঢোকা হলো। খেয়ে দেয়ে বের হয়ে আগে থেকেই ঠিক ছিল পুরনো ওয়ার্শাও দেখতে যাবো, কিন্তু ট্রাম খুঁজতে যেয়ে দেখলাম, ফাটাফাটি সামার সেল চলছে সেখানে। আর কি, ঢোকো দোকানে।

তুমি ডাকলেনাতো-----
তুমি ডাকলেনাতো, নিঠুর ওগো ! আসছি তবু আসছি ।
তোমার পথে চিরতরে হারিয়ে যেতে আসছি । তুমি ডাকলেনাতো-------
আকাশ পাড়ে হাজার তারা, জেগে থাকে তন্দ্রা হারা,
আপন হারা সে তারাদের কোনটি তুমি হও !
সারাটি রাত তাইতো জেগে খুঁজছি তোমায় খুঁজছি । তুমি ডাকলেনাতো-------
পথের ধুলায় পায়ের চিহ্ন যাওনি কিছু রাখি,
পথের মাঝে তাইতো থেমে আছি !
বনের ধারে সারাবেলা,
ফুল পরীদের বসে মেলা,
আপনভোলা সেই কলিদের কোনটি তুমি হও !
তাদের ছুঁয়ে তোমার ছোঁয়া তাইতো পেতে চাচ্ছি,
ওগো কাছে যেতে চাচ্ছি । তুমি ডাক্লেনাতো--------
জীবন মরণ
ফুরালোনা সাধ যত , ফুরালো সময় ;
যাতনে শান্তির খোঁজে ছলনার সুরে
ফেলে আসা পথে সুখ রয়ে গেল দূরে ।
সমুখে যে মহাকালে হারাবার ভয় ;
জীবন মানে কি এ সহজ পরাজয় !
এজীবন রণ - মানবের হিততরে
জিনতে তারে দৃঢ় আশা রবে অন্তরে -
অপরে অর্পণ করে প্রীতি ও প্রণয় ।
বিধির চরণে দিয়ে আপনাকে সঁপে
সংশয় কাটে তাঁরে করলে স্মরণ ;
অনন্ত সুখের পথ ব্যাথা অভিশাপে
গড়ে সদা নরভক্তি করেন গ্রহণ ।
তাঁরি ডাকে একদিন লয়ে পূণ্যপাপে
যেতে হবে চিরতরে বরিতে মরণ ।
