টিলো এক্সপ্রেস
.................................................
জলছবি (প্রথম পর্ব)
প্রচন্ড বিরক্তি নিয়ে ডেস্কের সামনে বসে আছে শায়লা। একটু আগে কম্পিউটারে রিজাইন লেটার লেখা শেষ করেছে। এখন বানান ভুলগুলো দেখছে। প্রিন্ট দিয়েই এমডির রুমে জমা দিয়ে আসবে। শায়লা মনে মনে অবশ্য একবার ভাবলো কিছু বানান ভুল রেখে দিতে। তাতে এমডিকে কিছুটা বিরক্ত করা যাবে। সাধারণ শব্দের ভুল বানান দেখলে এমডি খুব বিরক্ত হয়। তবে রাগের মাথায় চাকরি ছেড়ে দেওয়া উচিত হচ্ছে কি না বুঝতে পারছে না শায়লা। সে কাজ করে একটি রিয়েল এস্টেট কোম্পানীতে। রাজধানীর অদূরে পানির ওপর ওদের রিয়েল এস্টেট কোম্পানীটির বেশ কিছু প্রজেক্ট রয়েছে। কোম্পানীর এমডির পিএস হিসেবে কাজ করছে সে।এমডি বিবাহিত, আট নয় বছরের কন্যাসন্তানও রয়েছে। এজন্যই কিছুটা ভরসা করে চাকরিতে ঢুকেছিল। চাকরির প্রথম দুয়েক মাস খুব ভালো চলে। অফিসের সবাই মোটামুটি তাকে সহযোগিতা করে। হয়তো কোম্পানীর সর্বোচ্চ কর্মকর্তার পিএস বলেই কেউ কেউ বাড়তি সমীহও করে।সমস্যার শুরু হয় চাকরিতে জয়
ঐতিহাসিক কাইব্যাঘাত...
দেশে পুরাদমে শীত নাইমা পর্ছে। সইত্য মিথ্যা প্রবাহ জারি হইয়া গেছে
সেই সইত্য মিথ্যা প্রদাহ দেখি ব্লগেও তার বাড়ি দিতেছে। ব্লগের লুকজন সব ল্যাপ কাথা মুড়ি দিয়া কুনুমতে হাত দুইটা বের কইরা এক্টুস্খানি লিখে। তারপর লগফ কইরা ঘুমাইতে যায়। আমগো আছিলো দুইখান বিনুদুন। যাগো রক্ত গ্রম। তাগোরেও পাপিষ্ঠ মডু তাড়াইয়া দিলু। আর যেই বেটারে এদ্দিন ধইরা মিস কর্তেছি সেই বেটার এক্কান অবশ্য পাঠ যোগ্য কবিতা এইখানে কপি পেস্টাইতেছি। এক্কান নিয়ম কইরা দেওন দর্কার, যেই এবিতে রেজিস্টার কর্বো তারেই এই ঐতিহাসিক কাব্য খান পাঠ কইরা সের্পর ব্লগে নয়া লেখা দিতৈবো। পরিশেষে পামর ডেভু আর ফর্সা মডুর কালো মাউস ভেঙ্গে দেউয়ার আন্দুলুন করনের লাইগা সব্বেরে ডাক দিয়া ভাষণ শ্যাষ কর্তেছি। সুম্মা আমিন।
গুলনাহার সাহাবউদ্দিন নামা
১।
একটা জন্মদিনের অনুষ্ঠানে,
কুটকে বসে আছি এক কোনার সোফায়।
ঘাসফুল..[এলোমেলো কাব্যকথন]
ঘুম পোষা চোখে;
আলসেমি ঘোর,
ঘুম ঘুম ভোর..
এলোমেলো চুলে;
আনমনে,
বিলি কেটে যায়-
ঝিরঝিরে রোদ্দুর..
নীলাকাশ;
মেঘ সারি সারি,
মন ভাবে-
ক্ষতি কি?
যদি,হয় তা বাড়ি..
কুয়াশায়;
সজীব ঘাসে-
নিষ্পাপ শিশির কণা..
শীত কবে আসবে..
পথ চেয়ে থাকা,
আর দিন গোনা..
আর কত দিন?
মিষ্টি ভোর আর-
ধোঁয়া উড়া ভাপার অপেক্ষা..
উফ্,আর ভাল্লাগে না..!
আকাশটা ভালবেসে;
দিন কেটে যায়,
আসে রাত্তির..
আকাশের তারা..
প্রত্যাশা;
যেন,
ভোরে হয়ে উঠে-
সেই..চিরচেনা..
ঘাসফুল..
প্রেমনির্বাণ
রাত্রীর পাপড়ি একটা একটা করে খুলুক
তোমার মত করে ঘাসফুলের স্পর্শ
ক্রমশ আলো হয়ে যাক রাতের অন্ধকার
একটা একটা করে নিঃসঙ্গতা পালিয়ে
চুম্বনগুলো জমুক একটা একটা করে
রাতজোনাকির ভয়ে আড়ষ্ট হোক তোমার ঠোঁট
হিমালয়ের বরফ জমিয়ে দিক
আর উত্তরের বাতাস ভাসিয়ে দিক তোমায়
আমি দিয়ে দিব তোমায় আমার উষ্ণতা
চুম্বনগুলো জমছে ক্রমশ
আমি আর তুমি ছাড়া কেউ না থাকার দিনে…
পরিচিতি
অবশেষে আমার নিবন্ধন সম্পন্ন হইল এবং আপনাদের মাঝে চলে আসতে পারলাম। ভেবেছিলাম কোনদিনই আমার নিবন্ধন সম্পন্ন হবে না কারন বছর ২ আগে একবার নিবন্ধন করে অনেকদিন অপেক্ষা করে ফিরতি মেইল পেলাম না। তখন থেকে নিয়মিত অতিথি হিসাবেই ব্লগ পরা র কমেন্ট করা ছারা র কিছু করার ছিলনা। যদিও লেখক হিসাবে আমি অতীব নিকৃষ্ট মানের কিন্তু কথা দিচ্ছি পাঠক হিসাবে আমার অবস্থান ভালই পাবেন।
তাই এইবার নিনন্ধন এর ৩দিন পার হওয়ার পর ভাবলাম এডমিন বেটাকে তো ফাপর দিতে হইব। ইয়াহু মেসেঞ্জার থেকে নক করে মেছেজ দিলাম অনুমোদন এর জন্য। আজ সকালে মেইল খুলে দেখি বহুল প্রত্যাশিত মেইল।
চলছে গাড়ি যাত্রাবাড়ি-৭
১.
অনেকদিন পর আজকে আবার সেই ধরনের স্বপ্ন দেখেছি।সকালের বাকীটুকু সময় এপাশ ওপাশ করে কাটিয়ে দিলাম। এই ধরনের স্বপ্ন আমি স্কুলজীবনে প্রায় দেখতাম। পরীক্ষা শুরু হয়ে গেছে কিন্তু আমি যেতে দেরী করেছি বা পড়ে গেছি এক বিষয় কিন্তু পরীক্ষা দিতে গিয়ে দেখি আরেক পরীক্ষা চলছে। কী ভয়ংকর সেই সব স্বপ্ন!!!!!!!পরীক্ষার মধ্যে আরেকটা কমন স্বপ্ন ছিলো তা হচ্ছে ওএমআর এর গোল্লা পূরণ করতে পারছি না। পূরণ করেই যাচ্ছি করেই যাচ্ছি কিন্তু গোল্লা পূরণ হচ্ছে না। সকালে এইটা ভাবতে ভাবতে কলেজের এক ক্লাসমেটের কথা মনে হলো। এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হওয়ার সময় স্যাররা বয়ান দিতো বাবারা গোল্লা পূরণে বিষেশ সতর্ক হবা কোন ভাবেই যেন ভূল না হয়।হেন ত্যান ইত্যাদি... কিন্তু স্যারের বয়ান শেষে একজন দাঁড়িয়ে বলতো স্যার আমার গোল্লা পূরণ ভুল হয়েছে আমি এখনো এর কোন ব্যাখ্যা খুঁজে পাইনা একজন কীভাবে বারোটা পরীক্ষাতেই একই ভুল করতে পারে।
প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় আজ দুপুরে মরে গিয়েছিলাম
প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় আজ দুপুরে মরে গিয়েছিলাম।
চামড়াগুলো তেমনভাবে কুঁচকে যায় নি; নখ কিংবা চুলগুলো আরেকটু বেড়েছিল কিনা খেয়াল করি নি তখন
আমার ঘুমিয়ে পড়া দেহটিকে কেউ
উষ্ণতার পরশ দিতে চেয়েছিল কিনা-
জানতে জানতে আসল সময় পেরিয়ে গিয়েছিল;
শুধু আস্তে আস্তে টের পাচ্ছিলাম- গলিত ঠাণ্ডা লাভা জমতে শুরু করেছে ঠিক চামড়ার নিচে-
যেখানে জমা হয় রং ফর্সাকরী ময়েশ্চার ক্রিম।
প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় আজ দুপুরে মরে গিয়েছিলাম-
তখন যদিও হাতের নাগালে তিনটি কবিতা, একটি উপন্যাস এবং কয়েকটি প্রবন্ধের বই ছিল
ওগুলো ছুঁতেও ইচ্ছে করে নি,
মোটা কাপড়ের শাড়িটাকে শুধু গায়ের ওপরে তুলে দিয়েছিলাম।
কবিতার বইয়ের বদলে শাড়ি দিয়ে শীত নিবারণ বিপ্লবীদের শোভা পায় না-
ফলে দুপুরবেলাতেই মরে যেতে হয়েছিল।
প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় আজ দুপুরে মরে যেতে যেতে
সমাজ-রাজনীতি সব বাদ দিয়ে কেবল নিজের সুখটুকুর কথাই মনে হচ্ছিল।
আমার পংক্তিমালা ১
ফেসবুকে নানান সময়ে নানান মনের কথা স্ট্যাটাসে দিয়েছিলাম। কিছু গানের লাইন, কিংবা কবিতা কিংবা কবিতার ২ লাইন কিংবা নিজের মনের ভিতর থেকে উঠে আসা কিছু পংক্তি ।
মনের ভিতর থেকে আসা সেই পংক্তিগুলোই আজ একসাথে এই পোষ্টে শেয়ার করা ।
১
আমার পাশবিকতা গ্রাস করছে আমাকে ক্রমশঃ ......
২
একটাই জীবন। তবু টেনে নিয়ে যেতে এত কষ্ট !!!!
জীবনের ভার বড্ড বেশী ।
৩
স্বপ্নের খাতায় ধূলো পড়েছে ... পৃষ্ঠা গুলো মলিন , অক্ষর গুলো অস্পষ্ট এখন
৪
জীবন যাপন সহজ করতে গিয়ে আমরা বেঁচে থাকাটাই কঠিন করে তুলছি ।
৫
এ জীবন আমার নয় ......
৬
খন্ডিত ভালোবাসায় পরিপূর্ন আবেগ , সম্পূর্ন মানুষটার আংশিক ছায়া
৭
এই কোলাহলের মাঝেও নিঃশব্দ , সকলের মাঝেও একাকী।
৮
চৌরাস্তার মোড়ে এসে দাঁড়িয়েছি। চারটি পথই খোলা তবু পালাবার জন্য পঞ্চম রাস্তা খুঁজি ফিরি ।
৯
হায় জীবন ! হায় জীবন !! হায় বেঁচে থাকা !!!
১০
ইওরোপের কোন এক খানে... (৪)
আবেগ-সর্বস্ব এক দেশের মানুষ আবেগ-হীন এক দেশে হাজির।
তয় ফ্রান্স পর্ব শেষ করণের আগে দুই ফরাসীর কাছে কৃতজ্ঞতা জানাইতে চাই। একজন ফরাসী সেনাপতি সিনফ্রেঁ, যিনি তাঁর সৈন্যবাহিনী নিয়া পলাশীর যুদ্ধের শেষ পর্যন্ত বাংলার স্বাধীনতা রক্ষায় সিরাজউদ্দৌলার হইয়া যুদ্ধ কইরা গেছেন। আর দ্বিতীয় জন ফরাসী যুবক জাঁ ক্যুয়ে কে, যিনি ’৭১ এ প্যারিসে পিআইএর একটা ফ্লাইট হাইজ্যাক করছিলেন বাংলাদেশের শরণার্থীদের জন্য সাহায্য চাইয়া।
শুধু তুমি চলে যাবে আমি স্বপ্নেও ভাবিনি
আমি বৃষ্টি দেখেছি, বৃষ্টির ছবি এঁকেছি
আমি রোদে পুড়ে ঘুরে ঘুরে অনেক কেঁদেছি,
আমার আকাশ কুসুম স্বপ্ন দেখার খেলা থামেনি
শুধু তুমি চলে যাবে আমি স্বপ্নেও ভাবিনি।
কবিতা : মিথ্যা কবিতা
শীতে কাবু হয়ে আছে চারিদিক। একদম চারিদিক। মাঝে মাঝে মনটা এত খারাপ হয়ে থাকে! কোনো কারণ ছাড়াই। অজস্র চিন্তা ভীড় করে আসে মাথায়। ইচ্ছেই হয় না, সেসবের কোনোটা নিয়ে ভাবতে। খালি পালাই পালাই করতে থাকি। কিন্তু পালিয়ে আসলে যাবো কই? যেখানে যাই, পৃথিবী ধাওয়া করে। সে সবসময় হাতে একটা ইট নিয়ে প্রস্তুত। আমার মাথায় আঘাত করার জন্য। সেটাও কোনো কারণ ছাড়াই।
বন্ধুত্ব একটা দারুণ ব্যপার। ভালো বন্ধুরা আপনাকে কখনো অপ্রস্তুত হতে দেবে না। যদি কোনো কারণে তাদেরকে আপনার জন্য চূড়ান্ত অপ্রস্তুতও হতে হয়, তাও চেষ্টা করবে আপনাকে সেটা কোনোভাবে বুঝতে না দিতে। যদি আপনি কষ্ট পান? তখন যে ওদের আরো কষ্ট হয়। আমার কপালটা খুব ভালো। এমন বন্ধু আমার কোটি কোটি আছে। আছে আসলে দু'একজনই। কিন্তু তারা দু'একজনই কোটি কোটি মানুষের সমান।
প্রেমের কবিতা
আমি ভালোবেসে শিশির নিরব পলিমাঠে
আয়েশে তোমার চুলে ছুঁয়ে ছুঁয়ে এই শীতঋতু
কাটিয়ে দিয়েছি।
চোখ নেই, নেই বুদ্ধিবৃত্তি
কেবল ঘ্রাণেরা রয়েছে অটুট আর
স্মৃতির কোষেরা ভরে যায়
নির্ঘ্রাণ অথবা নির্বেদ সংলাপে।
কখনোই পাশে থাকি নাই
আমি...আমি যেনো তোমাতেই থাকি।
গুম হয়ে যাক যতো ক্ষমতার লেহ্যপেয়ীরা
আমার ঠিকানা লেখা থাকে
নৈঃশব্দের ঘরে ঘরে, শব্দে
আরো শব্দে...চতুর্মাত্রা মেনে।
ধীরে ধীরে আমার পৃথিবী
আকার পেয়েছে।
আয়তক্ষেত্রের অবয়বে, পাঁচ
ফিট বাই সাত ফিট...
চিরায়ত ইংরেজ নিয়ম মেনে মেনে।
আমি স্থিতু হয়ে পড়ে রয়েছি তোমার বিছানায়
একান্তই অর্থনীতি বুঝে...কেবল শিশির হতে
শিখে গেছি বলে।
শিখে গেছি কিভাবে ঘ্রাণ নিতে হয়,
কিভাবে জড়িয়ে থাকা যায় চুলের সকল বাঁকে
বিলি কেটে কেটে;
কিভাবে কাটিয়ে দেয়া যায়
একটা জীবন...
বাকীটা জীবন।
ইওরোপের কোন এক খানে... (৩)
প্রত্যেকের জীবনই একেকটা আস্ত ভ্রমণ-কাহিনী। কিন্তু সেইটা আমরা হয়তো খেয়াল করি না।
'অপরাজেয় বাংলা'- একটি ছোটখাটো অসামান্য তথ্যচিত্র

'অপরাজেয় বাংলা' তিনজন মুক্তিযোদ্ধার এই ভাস্কর্যটি সম্ভবত বাংলাদেশের সবচেয়ে পরিচিত ভাস্কর্য। ফার্স্টএইড বাক্স হাতে সেবিকা, সময়ের প্রয়োজনে রাইফেল কাঁধে তুলে নেয়া গ্রীবা উঁচু করে ঋজু ভঙ্গিমায় গ্রামের টগবগে তরুন এবং দু'হাতে রাইফেল ধরা আরেক শহুরে মুক্তিযোদ্ধা।