অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

মুখোশে কি বিষণ্নতা ঢাকে!

শুভ'র কবিতাটা পড়তে পড়তে মনে হইলো এই অনুভূতিগুলি আসলে আজকে ছবির হাটে যারা ছিলো তাদের সবার। তাই এই লেখাটারে রায়েহাত শুভ'র নামেই উৎসর্গ করতেছি। আশা করি একইরকম বিষয়ে কবিতা লেখাটারে কাবিল কর্ম হিসাবে নিবেন না কেউ, এইটা একান্তই ইচ্ছার স্বাধীনতা। মানে লেখাটারে নিজের স্বাধীনতা ধইরা নিয়াই লিখলাম। ...............................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................

মজা পাইলাম না মজা

মজা পাইলাম না মজা
হাতে নিয়ে তাই গজা
মাছি উড়ে ভন ভন
গজা হয় ফন ফন!!!!

ফন ফন ভন ভন
চারদিকে সব ভেজাল
আসল জিনিষ কেনার জন্য
খোজতেছি তাই কাঠাল!!!!!!

কাঠালের আঠা কঠিন জিনিষ
তাহাতে নাই ভেজাল
আঠা যদি খাওয়ার হইতো
পাইতাম একটা কপাল!!!!!!!

পিরিতি কাঠালের আঠা
লোক সমাজে কথা
পিরিত ঘাইটা আঠার সন্ধান
পাইলাম নাতো সেথা!!!!!!

==========================================
ফোনেটিকে লিখেছি ,তাই বানান ভুল হইতেই পারে,মাফ করে দিবেন

হাজির হয়েছি গুরু

দুটি চোখ নিয়ে হাজির হয়েছি গুরু/তোমার দরগায়/আমিতো আয়না চিনি না/দেখিনি নিজের হা হা কার/ভেতরে হাউজে কাওসার হয়ে আছে মরু।

দুটি পা নিয়ে হাজির হয়েছি গুরু/পদাবলীর লীলা কি শেষ?/লাল হয়ে আছে ভীতরের জিহ্বাটা/লা হয়ে আছে আলিফ/আল্লাহু জিকিরে জাহের বাতেন হলো তরু।

দুটি হাত নিয়ে হাজির হয়েছি গুরু/হস্ত পদের অভাবে বন্ধ কান/কাজের অউরসে জন্মঅন্ধ কাম/ধরাধামে বাজে নীল শব্দের দোতারা/আমার হাতে পড়ালো তোমার নামের হাতকড়া করুণ।

দুটি কান নিয়ে হাজির হয়েছি প্রভু/ইন্দ্রিয় নিয়ে ইন্দ্র রাজার বাহাস/জাহাজ ভেড়ালো তোমার কীর্তণ তীরে/তবুও তাবুর ভেতরে আলোক গেল/বলো বীজের ভেতরে গেল কোন ভীরু?

একটি অঙ্গ নিয়ে হাজির হয়েছি গুরু/দেখি অঙ্গ দুটি ভঙ্গ সীমার নাম/তুমি তবে কোন খন্ডে বলো?/তোমারও অধীক নামে/নেমে যেতে যেতে আসে আমার কাছে পথ যতো হোক সরু।

আর কিছু নাই, একটা দুঃসম্পর্কের কথাই কেবল উল্লেখযোগ্য

আমার একটা ধারণা হচ্ছে- এই কঠিন-কঠোর পৃথিবীতে কেউ আসলে কাউকে খুব একটা বোঝে না। যার মূল কারণ এর কাঠিন্য। তাই আগের লাইনে 'কঠিন-কঠোর' দুইটি শব্দ ব্যবহার করেছি। আমাদের চারপাশের পৃথিবীটা এত কঠিন যে, জন্মদাত্রী মা’কেও আমরা বঞ্চিত করি। বাবা’কে দূর দূর করে তাড়িয়ে দিই জীবন থেকে। শুনেছি স্নেহ নাকি সর্বদা নিম্নগামী। যে নিচের দিকে মানুষ হৃদয় নিংড়ানো স্নেহের বস্তা উপুড় করে দেয়, সেই নিচ থেকেই আবার চলে আসে উপরের জনের সঙ্গে করা অন্যায়ের প্রতিশোধ। মানুষ কি ভীষণ অসহায়!

ঝলমলিয়ায় সনাতন মেলায় - ৩

মাতম করা মানে বিলাপ করা এইটা জানা ছিল। কিন্তু এর জন্য যে একটা দলই থাকে এবং ওরা অনুষ্ঠানে মাতমে অংশ নেয় জানা ছিলনা। সন্ধ্যার অনুষ্ঠানে প্রথমেই ছিল সনাতনের স্মরণে মাতম। সন্ধ্যা হতেই ঢাক ঢোল শিঙ্গা ইত্যাদি নিয়ে মাতম দল হাজির। সনাতনের পরিবার ও মাতম দল বাদ্য বাজনা বাজিয়ে সনাতনের সমাধির চারপাশ ঘুরে ঘুরে প্রদক্ষিণ করে। কয়েকবার করার পর পরিবারের মহিলারা পারিবারিক গুরুর ছবির সামনে না অর্ঘ্য দিয়ে পূজা করে। আর মাতম দল বাজাতে থাকে ঢাক বাদ্য। যার যেটা সাথে আছে। সে এক অভূতপূর্ব পরিবেশ। আলো আধারি, মোমের আলো তার মধ্যে মাতম বাজনা লিখে প্রকাশ করার মত ভাষা আমার নাই। ছবিতেও আসলে ঠিক রূপটা প্রকাশ সম্ভব না । একমাত্র উপষ্থিত থাকলেই সেই সময়ের পরিবেশ বোঝা সম্ভব। মাতম পর্ব শেষ হয় সনাতনের মার মন্ত্র পড়ার মাধ্যমে।
sanaton 1

ডায়েরি

দু'একটা দিন বাপের মত
দু'একটা দিন মায়ের
দু'একটা দিন স্বামীর মত
দু'একটা দিন জা-য়ের।

কিছুটাক্ষন চাল ও চুলা
বৃষ অথবা মীন
এভাবেইতো দুপুর গড়ায়
পাশ ফিরে শোয় দিন।

পাশ ফিরে শোয় দিন ও বছর
ঘুমায় জীবনখানি
পাশ ফিরে রয় গোপন অসুখ
পাশ ফেরে হাতছানি।

বীজ পড়ে রয় বীজগণিতে
ফলের চিন্তা লুটায়
সুখ পড়ে রয় ট্রাফিক জ্যামে
দুঃখ ফেরে নটায়।

আমার প্রতি তোমার যে টান
তোমার প্রতি আমার
একটা বিড়াল সে উষ্ণতায়
গড়ে যৌথ খামার।

আমার যত নরম ছিল,
কোমল ছিল, আলো
ঢেকে দিলাম আজকে সবই
-প্রসাধনই ভাল।

হাত ঢেকেছি, মুখ ঢেকেছি
শোক ঢেকেছি শাকে
বুকের ভেতর রোদ ঢুকেছে
তবুও কোন ফাঁকে।

সে রোদ আমার তরল আগুন
সে রোদ আমার টু-জি
সে রোদ দিয়ে, পাঠক, আমি
তোমার মুখকে খুঁজি.....

(বর্তমান) প্যাচালঃ রোমান্সিচ্ছা

১। আমার বাবা হিমুর বাপের মত আমারে মহামানব বানাতে না চাইলেও জ্ঞানী বানাতে চাইছিলো, সো সরাসরি দৈনিক ইত্তেফাক দিয়েই বর্নপরিচয় ও পড়তে শেখানো হৈছিলো। কিন্তু ইত্তেফাক থেকে আমি পড়া শুরু করলাম কচি-কাচার আসর-সাহিত্য সামিয়িকী (না বুইঝাই)-সিনেমার বিজ্ঞাপণ আর মোস্ট ইম্পর্টেন্টলী রাশি ফল।

মেষ রাশির জাতক আমি, দৈনিকি "রোমান্স শুভ" থাকে। রোমান্স শব্দটাই কেমন চনমনে উত্তেজনা জাগানোর মত। কিভাবে যেন বুঝছিলাম রোমান্স মানে "ইয়ে" মানে "বিয়ে" আর কি। হয়তো রাজ্জাক-কবরী বা ববিতার সিনেমার একনিষ্ঠ দর্শক হিসেবে সিনেমার শেষে তাদের "মেলামেশা" পরবর্তী বিয়ে ও কাহিনীর সমাপ্তি দেখেই বিয়ের গুরুত্ব ও রোমান্সের সাথে এর অবিচ্ছেদ্য সম্পর্কের সম্বন্ধে ধারনা পাইছিলাম। তাই ছোট বেলা থেকেই আমার বিয়ের খুব শখ, কারন রোমান্সের খুব শখ।

অনুবাদ-অক্ষম একাকীত্ব এবং আমি…….।

আমার পৃথিবী জুড়ে কেবলি স্বপ্ন ভঙ্গের শব্দ।
পথ হাটছি অবিরাম………
শুধু হেটেই চলেছি…..।
প্রচন্ড ক্লান্তি এসে ভর করে। থেমে যেতে চায় আমার অনিশ্চিত পদযাত্রা।

তারপরও আমি হেটে চলি বন্ধুহীন, ভালোবাসাহীন।

বন্ধু,
আমার কথা ভেবে কখনো কি তুমি আনমনা হও?
কোন জোৎস্না ভেজা রাতে মনে পড়ে কি আমার কথা?

ভালোবাসা দিতে যদি কার্পন্য এতোই
তাহলে ঘৃনাই দাও নূন্যতম
অন্তত কিছু তো পাবো
হিমাঙ্ক অতল শৈত্য উপেক্ষা অথবা
তবু কিছু দাওগো পাষান
কাঙালের ভাঙা হাত একেবারে
ফিরিয়ে দিওনা।

উত্তরাধিকারঃ প্রাসঙ্গিক বিষয়ে (অ)প্রাসঙ্গিক ভাবনা

জজ হবার খায়েশ নিয়ে ৬ষ্ঠ বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষা দিচ্ছি। গতকাল “পারিবারিকসম্পর্ক বিষয়ক আইন” এর লিখিত পরীক্ষা দিয়ে আসলাম। যেহেতু পরীক্ষার জন্যে প্রয়োজনীয় পড়াশুনার পরিমান অত্যন্ত কম, কাজেই লেখার সময় অনেক ভাবনাচিন্তা করে লিখতে হয়। পরীক্ষায় উত্তর লিখতে গিয়েই ভাবতে ভাবতে একটা বিষয়ের দিকে আমার মনোযোগ চলে গেল, এবং আজকের লেখার বিষয়টা সেই ভাবনা থেকেই উৎসরিত।

"LIKE" একটি অন্তর্জাল ভিত্তিক সামাজিক ব্যাধি !!!

নয়া একখান অসুখের প্রাদুর্ভাব দেখা যাইতাছে ইদানিং।

মানুষ যেমন আজকাল আর তার নিজের সামাজিকতার শারীরিক সংযুক্তি অন্তর্জালের মাঝে বদলি করেছে। তেমনি অন্তর্জালের মাঝে দেখা দিয়েছে কিছু রোগের প্রাদুর্ভাব। তার মধ্যে একটি হলো “LIKE” ম্যানিয়া। এই রোগ এখন মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়েছে অন্তর্জালের প্রতিটি কোনায় কোনায়। অন্তর্জালের ফেইস বুক নামক সামাজিক পরিবেশটিতে এর আক্রমন হয়েছে সবচেয়ে বেশী।

ব্লেড

বানাতে চাইছে ব্লেড রক্ত মুর্ছালোক
এ শুধু রক্ত নয়, আগাগোড়া পাপের মোড়ক
প্রায়শ্চিত্ব শূণ্য সব অচৈতন্য বোধে
ব্লেড ঝলকায় অন্ধ অতিত ক্রোধে
বর্তমানের ভোগ্য পণ্য বিষ
ব্লেড চিনে গেছে জন্মের ইবলিশ
ফেঁড়ে ফেলে দিতে পাপের জুয়াচুরি
ব্লেড হয়ে গেছে সোজাসাপ্টা ছুরি
টাটকা রক্তের নেষা পরীক্ষিত
ব্লেডের হিংসা জীবনে বিচ্চুরিত
গর্ভফুলের জন্মের ছলাকলা
এসো তবে ব্লেড দুই ফাঁক করো গলা.....
(c)MNI, 05.01.12

{বিদায় বন্ধুরা, আমি আমার লেখক জীবনের ইতি টানলাম।}

নদী

অমোঘপুরের ছাত্র আমি
বিধির পদ্য বোধে লিখি
জলের শব্দ নকল করে
পাখির মত গাইতে শিখি

এইতো সেদিন একটা পরী
ভিষণ রাগে, জোরসে হাঁকে
"সাহস কত! আমার পাখা
চুরিয়ে এনে নদী আঁকে!"

আঁকা বলে হেলা করলে
শোন, এও নাচতে জানে
ঢেউও আছে, স্রোতও আছে
বেলাল্লা হয় ঝড়তুফানে।

আমার কাছে নদীই সব
ঝর্ণা হয়ে সাগরে আসা
জীবননদী, সময়নদী
নদী আমার মাতৃভাষা।

গতপরশু নদীর ভাষায়
চা চাইতেই এক দোকানি
বল্লো," আমি নদীভাঙ্গা,
নদীর ভাষা আমিও জানি"।

নদীর ভাষা কঠিন অতি
ভোকাবিউলারি শেখা লাগে
সিনটেক্সের এর শক্ত বাঁধে
না বলা সব ইচ্ছা জাগে।

আমিতো ভাই নদীপাগল
জীবন গেল নদীসুখে
বুড়িগঙ্গায় ঢেউ উঠলেই
আঁছড়ে পড়ে আমার বুকে।

তাইতো আমি নদী পড়ি
নদী শিখি, নদী থাকি
পরীর পাখা চুরি করে
হারিয়ে যাওয়া নদী আঁকি।

চাঁদবেনে যায় সওদা সমেত
বেহুলা লাশ ও লাস্য নিয়ে
মারমেইড গায়, " জীবন হল
জলের সাথে জলের বিয়ে।"

দল ভিত্তিক ছাত্ররাজনীতির অপরিহার্যতা !!!!!

ইসলামী ছাত্ররাজনীতির ধারক বাহক ছাত্র শিবির-কে দিয়েই আমার ছাত্র রাজনীতির সাথে পরিচয়। তারপর অনেক কাল পের হলাম, অনেক কিছু দেখলাম, শুনলাম, শিখলাম নিজেও জড়িত ছিলাম। এখন আমার কাছে মনে হয় এককালের সর্বেসর্বা ছাত্ররাজনীতি তার নিজস্ব জৌলুস হারিয়ে বিষফোঁড়ায় রুপ নিয়েছে। বর্তমান কালের ছাত্ররাজনীতির সাধারণ ব্যবচ্ছেদ করলে তাকে দুই ভাবে ভাগ করা যায়, একটি দল ভিত্তিক যা প্রায় নব্বই ভাগের বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়। অপরটি সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের অধিকার আদায়ের রাজনীতি যা অলিক প্রায়। আমার দেখা দল ভিত্তিক ছাত্ররাজনীতির চেহারা বড়ই কুৎসিত। এর সাথে জড়িত খুব কম সংখ্যক ছাত্রই আছে যার ছাত্রদের অধিকার সম্পর্কে নুন্যতম ধারনা আছে। থাকলেও তার কোন পরোয়া তারা করেনা। উপড়ের সারির নেতাদের বেশিরভাগ-ই হন ত্রিশোর্ধ অছাত্ররা যার বেশিরভাগই হয় কোন আইন কলেজ বা হোমিওপ্যাথি কলেজের রেজিস্টারভুক্ত ছাত্র। কালের বিভিন্

ঝলমলিয়ায় সনাতন মেলায় - ২

সনাতন বিশ্বাস ঢাকার চারুকলা থেকে পাশ করা অকাল প্রয়াত প্রতিভাবান চিত্রশিল্পী। অবাক লাগে এই অজ পাড়া গাঁর সাধারণ বাড়ি থেকে একজন রাজধানীর চিত্রশিল্পের অঙ্গনে নাম লিখিয়েছিলেন। তার থেকেও অবাক লাগে মৃত্যুর পরও বন্ধুরা বছরের বছর কী চমক্প্রদ আয়োজন করে যাচ্ছে বন্ধু স্মরণে। সনাতন মেলা মূলতঃ সানতনের চিত্রশিল্পী বন্ধুদের উদ্যোগে প্রতি বছর হয়ে থেকে ঝলমলিয়ায় সনাতনের বাড়িতে। সনাতন স্মরণে র‌্যালি, গ্রামের ছোট ছোট শিশুদের রং তুলিতে ছবি আঁকা প্রতিযোগিতা, সনাতনের চিত্র প্রদর্শনী, মাতম, গানের আসর এসব নিয়েই সনাতন মেলা। আর এই সব আয়োজন তার বন্ধুরা করে যাচ্ছে বছরের পর বছর। কী অসাধারণ বন্ধুত্ব!
sanaton 1

আরেকটি ধ্বংসের কাহিনি...

পদার্থ বিজ্ঞানের ভাষায় আমাদের দেশের সব কিছুরই যেন এন্ট্রপি বাড়ছে। যেখানে তাকাই সমস্যা আর সমস্যা। অপরিকল্পিত সম্পদ শোষন কোথায় নিয়ে গিয়ে আমাদের ফেলবে এখন হয়ত আমরা বুঝতে পারছি না, কিন্তু এই সবকিছুরই প্রভাব আমাদেরকেই ভোগ করতে হবে এক সময়, তা প্রায় নিশ্চিত। যাইহোক, কে শুনবে কার কথা? অনেকদিন পর আসলে যে জন্য লেখা শুরু করেছি, একটি ধ্বংস কাহিনি শুনানোর জন্য।

চট্টগ্রামের হালদা নদী। অনেকে হয়ত এই নদীর নাম শুনে থাকবেন। গবেষকদের মতে হালদা পৃথিবীর একমাত্র জোয়ার-ভাটার নদী যেখান থেকে সরাসরি রুই জাতীয় মাছের (রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালিবাউশ) নিষিক্ত ডিম সংগ্রহ করা হয়। পৃথিবীর আর কোন জোয়ার-ভাটার নদী থেকে সরাসরি ডিম আহরণের রেকর্ড আজ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

DSC08272-copy.gif

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ