অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

রাতের রেশম অন্ধকার

আজ সন্ধ্যায়, চায়ের কাপেরা অনেক বেশিই ব্যাস্ত ছিলো
হাতে-হাতে
ঠোঁটে-ঠোঁটে
স্পর্শে এবং অবহেলায়।

বহমান নদী, পথভুলে, নাগরিক যানজটে হারিয়েছিলো
জীবনের অনেকটা গান।
টেলিভিশনের রঙচঙে পর্দায়,
মুখোশের আড়ালে, শত শত চোখ, লোলুপ তাকিয়েছিলো
রেশমী কিংখাবে ছড়ানো ছিটানো তারাদের দিকে।

রাত নেমে আসে শহরের শরীরে
নদীর ভেজা বাতাসে
কুয়াশা ছোঁয়া নিঃশ্বাসে এবং প্রশ্বাসেও।

ক্লান্ত আমি,
অন্ধকারের রেশম রেশম আবেশে ভিজিয়ে নেই দু'টি পা।

অধরা

কিন্নর পাখির দেশে, উত্তর-পশ্চিম অবশেষে
কোথা আর যাবো প্রিয়তমা?
নির্লিপ্ত জল সাক্ষি
নদী-নেত্র ময়ুরাক্ষী
প্রমিত প্রেম হয়ে থাক জমা..
{(c)MNI, 18.01.12}

খুব শীগ্রই লিখবো

প্রিয় বন্ধুরা অনেকদিন পর বাসায় বসে লিখতে পারছি। কোন কিছুই যেন সহজে পাওয়া আমার জন্য নয়। জীবনের সাথে সবকিছু মিলিয়ে ঝিলিযে দেখেছি। ভাই প্রমাণিত। জানিনা কেমন করে যে কি হয়ে গেল। এখন বোধহয় প্রতিদিনই আপনাদের সঙ্গে কথা বলতে পারবো । বন্ধুরা মনে হচ্ছে খুশির চোটে ধিন ধিন করে নাচি। কি যে ভালো লাগছে। আহা! কি শান্তি।

ভালো আছেন এই মধ্যরাত্রিতে। আশা করি সকলে ভালোই আছেন। ভালো থাকুন এই প্রত্যাশা রইলো। খুব শীগ্রই লিখবো।

আউট অফ দ্য বক্স

পৃথিবীর কতোজন গহ্বর খুলে চলে গেছে অনাহারে?
কতোজন ধুলোবালি হলো বলিহারী রক্তস্রোতে
এমনো অনেকে ভেসে যায় লবনাক্ত ঢেউ ঢেউ জোছনায়
সমুদ্র যাদের ফিরিয়ে দিয়েছে আবার লোকালয়ে।
কোনো ভোরে চমকালো একজন চতুর্দশী, মৃত্যুময়
ব্যর্থতায় কুকড়ে যাওয়া যুবকের অলস চাহনী দেখে,
যার চোখ নেভে নাই মরনের আগে, অথবা জলের
ভেতরেই চন্দ্রালোক ভেঙে যায়, ভেঙে যায় নীরবতা
আর চাঁদের রূপালী শরীর কেমন রেশম কোমল দোলে।

মৃত্যুর ঠিকানা লিখে রেখে স্টিকি নোটে, কানা ভোরে
সবুজ ঘাসের গায়ে পদছাপ আঁক তুলে হেটে গেছে
যে তরুণ, তার দেহের প্রতিটি ভাঁজে কেমন অপার
ঘ্রাণ ছেয়ে থাকে, ভালোবেসে ঘ্রাণ অনায়াসে চেনা যায়।
আমি ঠিক প্রতিরাতে এমন মৃত্যুর আবেশ টের পেলে
হাতটাকে কাছে এনে দেখি...খানিক্ষণ আগে মৃত্যু
এইখানে ছুঁয়ে গেছে। সমনের কপিখানা পৌছে গেলো
তবে...ফুরিয়েছে বছরের গুণিতক, মাসের গণিত
শুরু হলো আজ থেকে; দিনের গণিত প্রত্যাশায় এলে

হে আল্লাহ, তুমি এত নিষ্ঠুর কেনো ?

আমরা ৬ ভাই বোন। সবার বড় ভাইয়া, তারপর আপা, আমি, আমার ছোট দুই ভাই, সব ছোট এক বোন। সবাই এখন ঢাকায় পরবাসী। আপার ৩ ছেলে। বড়টির নাম তূর্য। এবার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ শেষ করলো। অনার্স, মাস্টার্স দুটোতেই প্রথম শ্রেণী পেয়েছে। গত মাসে একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে জয়েন করেছে। আপা চাকুরী করেন অগ্রণী ব্যাংকে। দুলাভাই একমি ল্যাবরেটরিতে। আপার মেজো ছেলে প্রত্যয়। আমরা ডাকি প্রত্যু বলে। দারুন ব্রিলিয়েন্ট ছেলে। বড়টার চেয়েও বেশি। এসএসসি আর এইচএসসিতে গোল্ডেন এ পেয়েছে। ওর বড় স্বপ্ন ছিলো বুয়েটে পড়বে। এইচএসসিতে গোল্ডেন এ পাওয়া স্বত্বেও কোন্ একটা বিষয়ে মাত্র ৩ নম্বর কম পাওয়ায় বুয়েটে পরীক্ষা দিতেই পারলোনা। খুব মন খারাপ হলো- প্রত্যুর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আর জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয় দুইটাতেই পরীক্ষা দিলো। চান্স পেলো দুটাতেই ভর্তি হবার। মাকে বললো, ঢাকাতে নয় আমি ভর্তি হবো জাহাঙ্গীর নগর বিশাববিদ্যালয়ে। আই.টি

ফুটপাথ

প্রথমত , ক্ষমা চেয়ে নিই , বেশ কিছুদিন বাদে ব্লগে আসার মার্জনীয় অপরাধের জন্য । দ্বিতীয়ত , এই উছিলায় ব্লগার বন্ধুদের সামনে পেশ করি এক বিশেষণহীন বস্তু (কবিতা ট্যাগ দিলাম , ভুল হল বোধ হয়) যাতে চোখ বোলালেও ক্ষতি নেই ।বস্তুটি নিম্মরূপ :

ভাবুকের
কামুকের
পাথুরের
শরীরী তেজী বুকের
গত বাঁধা রক্তের
আবেগী উষ্ণতা ,
রাতজাগা ঝিঝিদের
প্রহরী কুকুরদের
ধূর্ত শৃগালদের
বেমালুম নীরবতা ,
হৃদয়ের হিমালয় গলে
নেমে আসে ঐ
স্বগত কল্লোলে -
সকলে মিলেমিশে করে হৈ চৈ -
শীতের ফ্যাকাশে রাত ,
নাক ডাকা রাজপথ ,
কম্পমান ফুটপাখ
এবং
কুয়াশার শরীরী উত্তাপে উত্তপ্ত
মোমের মত
গলে পড়া শত শত
শতভাগ ফুটপাথ মানব !

কার কদর বেশি?

আমরা কেউ আসল গুণীর কদর করিনা। যার যা প্রাপ্য তাকে না দিয়ে অন্যকে দিয়ে দিই। যেমন আমরা ফুলের কদর করে তাকে নিয়ে কবিতা লিখি প্রিয় মানুষটিকে উপহার দিই। যে গাছে ফুলটি ফুটে তাকে নিয়ে কবিতা লিখিনা উপহার দিইনা প্রিয় মানুষকে। অথচ গাছ না থাকলে ফুল কি আমরা জানতাম না। আর ফুল না ফুটলে আমরা ফল পেতাম না। আবার আমরা রাতের আকাশে পুর্ণিমার চাঁদকে নিয়ে কবিতা লিখি এবং গান গাই তুলনা করি প্রিয় মানুষের মুখের সঙ্গে। কিন্তু যে সুর্যের আলোয় চাঁদ এমন সুন্দর হয় সে সূর্যকে নিয়ে কি আমরা তেমন করে কবিতা লিখি বা গান গাই? উত্তর একটাই তা হলো না। অথচ চাঁদের সৌন্দর্যের জন্য সূর্য়ের অবদান বেশি।

৮০% কবি ও গীতিকার ডাহা মিথ্যাবাদি

৮০% কবি ও গীতিকার ডাহা মিথ্যাবাদি। কারণ তাদের কবিতা ও গানে সত্যের চেয়ে মিথ্যা কথাই বেশি থাকে। যেমন তারা বলে চাইলে আমি তোমার জন্য আকাশের চাঁদ এনে দিতে পারি। আরো পারি তোমাকে আমার হৃদয়টা বের করে দিতে। শীল্পীর কণ্ঠে শুনি আঙ্গুল কাটিয়া কলম বানাইয়া নয়নের জলে কইরা কালি, কলিজা চিড়িয়া লিখন লিখিয়া পাঠাতাম শ্যাম বন্ধুর বাড়ি। আজ পর্যন্ত কি কেউ কাউকে চাঁদ এনে দিতে পেড়েছে? আপনারাই বলুন আঙ্গুল কেটে ফেলে সে কিভাবে লিখবে? নয়নের জলে চিঠি লিখলে কি সে লেখা পড়া যাবে? আর কলিজা চিড়লে তো তার বেঁচে থাকার কথাইনা তাহলে লিখন লিখিয়া কিভাবে প্রাণ বন্ধুর বাড়ি পাঠাবে? মরা মানুষ কি কোনো কিছু করতে পারে? স্বাধের লাউ বানাইলো মোরে বৈরাগী। লাউ কাউকে কখনো বৈরাগী বানিয়েছে কেউ দেখেছেন?

ত্রিমোহনী

১.
বিধিবন্ধের পিদিম পেয়ালা
প্রজাপতি আর ধুয়া
হৃদ তরঙ্গে কাটছে সাতার
মীন ও মহুয়া

২.
এসো তবে বিভা আগুন জ্বালাই পথে
আমরা হবো জীবের থেকে জড়
এই সমাজের কৃতদাশ নই আমি
ভালোবাসা জেনো এমনই তীব্রতর।

৩.
তীক্ষè তিরে বিদ্ধ পৃষ্ঠদেশ
টকটকে লাল পদ্মের মত খুন
বুক জুড়ে আজ স্বপ্নের অবশেষ
সামনে আবার অন্য এক অর্জুন....
(c)MNI, 16.01.12}

(বন্ধুরা আজ আমার মনটা খুব খারাপ। কেউ আমাকে একটা সুসংবাদ শোনাতে পারো?}

একটি সুইসাইড নোট এবং কিছু অভিযোগ

প্রিয় শাদল,

কেমন আছো তুমি? কি করছো এখন? খুব ব্যস্ত হয়ে অফিসের কাজ করছো নাকি বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিচ্ছো? তোমাকে খুব দেখতে ইচ্ছে করে। কয়েকদিন তোমাকে না দেখলেই আমার মধ্যে যে কী ভীষণ এক অস্থিরতা তৈরী হয় তা তো তুমি জানোনা। তোমার কাছে আমার দরকার ফুরিয়ে যেতে পারে, আমি একটা ঝামেলায় পরিণত হতে পারি কিন্তু আমার কাছে তুমি সবসময়ই দামী, অমূল্য। সারাদিন, রাত তোমার কথা ভেবে আমার আর কিছুই করা হয়ে উঠেনা। অসম্ভব কষ্ট হচ্ছে শাদল, কি করি বলতো?

টাইফুনের গতিতে কাটিয়ে দেয়া সময়

কোন কোনো লোক কয় তাদের নাকি সময় কাটে না। আমি তো দেখি আমার সময় খালি শার্প ব্লেডের মতো কাটতেছেই মসৃনভাবে। এই গত ১ মাস যে কত ব্যস্ততায় গেলো টেরই পাইলাম না। ভাইয়া-ভাবি আসলো দেশে কিন্তু এতো অল্প সময়ের জন্য যে বুঝতেই পারলাম না।তবে ভাইয়া-ভাবীর আগমনে মন মেজাজ খুব ভালো ছিলো,তাদের মেয়েকে দেখতে পারা,বাড়িতে যাওয়া সব মিলিয়ে দিন গুলো ছিলো গত বছরের সেরা দিন গুলোর অন্যতম। তারপর ক্রমাগত পিছাইতে থাকা ডি ইউ এর ইএমবিএ পরীক্ষা ৬ তারিখে আনলো। কীভাবে জানি চান্স পেয়ে গেলাম। চান্স টান্স পেয়ে মন মেজাজ ভালো। বাপ মাও খুশি কিন্তু দিন গুলো যে চলে গেলো বুঝলামই না। ব্লগে নিয়মিত হবার কথা ছিলো তাও পারলাম না।তবে সামনে অফুরন্ত সময় এমবিএর উসিলায় আরও কিছু দিন বেকার থাকার মজা ভাবের সহীত নেয়া যাবে। এই কথা ভাবতেই শান্তি পাইতেছি। কিন্তু আপসুস হলো সামু ব্লগের এককালের স্টার নাদান সাহেব বিয়া করলো এই ব্যাস্ততার উসিলায় যোগাযোগ করতে পার

নরকের কীট

একদা কি করে জানি
কিছু নরকের কীট
মর্ত্যে নেমে এলো !
পৃথিবীর সবচে উর্বর
মাটিতে করলো ঘর ।

তারপর---------
দিন মাস বছর—
কেটে গেল বহুদিন !
অতঃপর একদিন
বিবর্তনের স্বাভাবিক নিয়মে
ওদের দেহে
অঙ্গ প্রত্যঙ্গ গজালো
অবিকল মানুষের !

এবং
ওরা মিশে গেল মনূষ্য সমাজে !
কিন্তু-----------
মানুষ হলোনা !
নরকের যাবতীয় দূষণ
রয়ে গেল ওদের শিরায় ।
পৃ্থিবীর কোমল আলো-জলে
পরিশুদ্ধ হলোনা একটুও !

মননে শতভাগ ওরা
থেকে গেল নরকের কীট,
যদিও ওদের দাবি
ওরা নাকি রাজনীতিবিদ !

সর্বোচ্চ সম্মান ও অধিকার নারীর পাওয়া উচিত

ভীষণ খারাপ লাগে যখন দেখি কোনো নারী গাড়িতে প্রচন্ড ভীরের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে। অথচ পুরম্নষরা সিটে দিব্যি বসে থাকে। আমরা ইচ্ছে করলে তাদেরর জন্য নিজের সিট ছেড়ে দাঁড়াতে পারি। এটা করা উচিত বলে মনে করি। কারণ নারী মায়ের জাত। সব ৰেত্রে সর্বোচ্চ সম্মান ও অধিকার তার পাওয়া উচিত। কিন্তু আমরা তাদেরকে সে অধিকার থেকে বঞ্চিত করছি। শুধু সম অধিকারের দোহাই দিয়ে। আমি মনে করি কোনো গাড়িতেই নারীর জন্য নির্দিষ্ট সিট রাখা উচিত না। লিখে রাখা উচিত নারি যাত্রী আসলে পুরষরা সিট ছেড়ে দিবেন। কতকিছুর জন্য মানুষ আন্দোলন করে অথচ এ ব্যাপারে কেউ কিছু বলেনা। কতর্ৃপৰেরও সেদিকে নজর নেই।

কথোপকথন

- তুমি আমার পথ রোধ করে দাঁড়িয়ে আছো আমার চলার পথে। নদীর বুকে জেগে উঠা বালুচর কে বলে নদী ডেকে।

বালুচর নীরব থাকে ।

- আমাকে যেতে দাও মোহনায় । পদে পদে আটকে দিওনা আমায়। দেখো , সমুদ্র আমার অপেক্ষায় কেমন আছড়ে পড়ছে মোহনায় । আকুতি করে নদীর জল ।

দীর্ঘসময় নীরব থেকে বালুচর বলে উঠে -
- চেয়ে দেখ তোমার কষ্টের পলিমাটি ধারন করে করে আজ আমি বালুচর হয়েছি । আর আমাকেই আজ ভুলে যেতে চাইছো তুমি !!! তোমাকে তো আমি আটকে রাখিনি । আমাকে মুক্তি দাও , তুমি যাও তোমার ঠিকানায়। দেখ , আজ আমার বুকে জমেছে কষ্টের ঘাস, শরীরের বাসা বেঁধেছে অনিশ্চিয়তার সোনালী ডানার চিল । তবু নীরবে সব সয়ে যাই আমি ভালোবেসে ।

অভিমানী নদী একদিন তার চলার পথ বদলে ফেলে। বালুচরখানি কে পাশ কাটিয়ে ছুটে চলে আবার মোহনায় মিলবে বলে ।

ভয়ংকর ভূত পিচ্চি হান্নু (বাচ্চাদের পড়া নিষেধ)

যে মেয়েটার সাথে আমার প্রেম ছিলো তার সাথে সকাল-দুপুর-বিকাল-সন্ধ্যা-রাত-গভীর রাত ফোনে গুজুরগুজুর ফুসুরফুসুর করেছি আট বছর। পরিমিত ব্যয়ে গভীর রাতে যখন আমরা দু'জন অপ্রয়োজনীয় আলাপ করতাম তখন প্রায়ই মেয়েটা কথার মাঝে বলতো - ভয় করছে। নিঝুম রাতে বাসার সবাই ঘুমিয়ে, একা অন্ধকার রুমে মেয়েটার ভয় পাওয়াটা খুবই স্বাভাবিক। তবে আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করতাম সে যেন আরো ভয় পায়, শেষে তার ভয় বাড়াবার জন্য তাকে ভূতের গল্প শোনাতাম। এমনই কপাল, আমার ভয়ংকর ভয়ংকর সব ভূতের শুনে সে মজা পেত। এমনকি মাঝে মাঝে ভয় না পেলেও দুষ্টুমি মাখা আদুরে গলায় বলতো - অনেক ভয় লাগছে, ভুতের গল্প শোনাও।
সে ছিলো আট বছর আগের কথা, এখন সে আমার সাথে একই রুমে থাকে তবুও প্রায়ই ভুতের গল্প শোনার বায়না করে, আমি ঠিক করেছি গল্পগুলো লিখে রাখবো এবং সে রাতদুপুরে ভুতের গল্প শোনার আব্দার করলে ব্লগ খুলে তাকে বসিয়ে দিবো।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ