অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

চলছে গাড়ি যাত্রাবাড়ি-৮

যেই দেশে থাকি শীত ভালোই পড়ে। আসার আগে জানতামও সেটা যেই কারণে ঢাকা নিউমার্কেট আর ঢাকা কলেজের সামনে থেকে অনেক শীতের কাপড় কিনে এনেছিলাম। পরে দেখালাম আমার ধারণার বাইরে বেশী শীত পড়ে আমার শহরে তা আবার দেশের অন্য জায়গা থেকে অনেক কম।তা এই শীতে আমার জান যায় যায় অবস্থা। শীত নিয়ে এতো প্যাচাল শুরু করলাম ক্যান?

কারণ অনেকদিন ধরে ঠিক করে রেখেছি এইবার যেদিন তুষার পড়বে সেদিন ছবি তুলে ব্লগে একটা পোস্ট দিবো।

বছরের প্রথম দিন বুসান গেলাম আমার ইউনির এই সেমিস্টারে ডিগ্রী পাওয়া ছাত্রছাত্রীদের সংবর্ধনা পার্টি তে।পার্টি শেষে ফটোসেশনের সময় শুরু হলো তুষারপাত। ভাবলাম কালকে সকালে ফাটাফাটি কিছু ছবি তুলে পোস্ট দিবো। তুষার বেশী হয়ে গেলে আমার শহরে আসা দুরূহ হয়ে যেতে পারে এই কারনে অন্য বন্ধুদের চাপে তাড়াতাড়ি চলে আসতে হলো। ও বাবা!!! আমার এলাকাতে এসে দেখি পুরাই খটখটা অবস্থা।কোন তুষারই পড়ে নাই।

যাত্রা হল শুরু

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে আমার সম্পর্ক কি?

মায়ের সাথে সন্তানের যে সম্পর্ক ঠিক তাই, এই বিশ্ববিদ্যালয়, পরিসংখ্যান বিভাগ আমাকে দু'হাত উজাড় করে দিয়েছে। বরং এই অধম সন্তানই পারেনি তার যথোপযুক্ত প্রতিদান দিতে।

’৯২ এর মে মাস, পাশ করেছি মাস তিনেক।বাবা অবসরে,গুরুতর অসুস্থ, প্রাণ সংশয়, ঘরে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া দুই ভাই, বোনটা স্কুলে। দারিদ্র্যের কষাঘাত কাকে বলে তা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি। সমানে প্রাইভেট পড়াচ্ছি। কিন্তু কারো কাছ থেকেই পয়সা নিচ্ছি না, এটা যে আমার নীতি বিরুদ্ধ।

স্বপ্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার। কিন্তু কবে নিয়োগ হবে তার কোন নিশ্চয়তা নেই।

তোমাকে ছাড়া বেঁচে থাকা

তোমার দীর্ঘ অনুপস্থিতি আমাকে
তোমাকে ছাড়া বেঁচে থাকা শিখিয়েছে
তোমার নির্দয় চলে যাওয়া আমাকে
চোখে জল নিয়ে মুখে হাসি দিয়েছে
হাত বাড়িয়ে তোমাকে ছুঁতে না পারার
বেদনা শীতল নিজেকে গোটানো দেখিয়েছে।

জানিয়েছে এভাবেও বেঁচে থাকা যায়
অসহ্য যন্ত্রনায় তোমার বুকে কাঁদতে না পেরে
শিখেছি কান্না কি করে গিলে ফেলতে হয়
জীবনের প্রতিটি আঘাত আমাকে আরো দৃঢ় করেছে
আজ আমি জানি জীবন কাটবে জীবনের নিয়মে
ভালবাসা হারিয়ে যাবে ভালবাসার নিয়মে
তারপরো অপ্রত্যাশিত কোন আশা মনে নিয়ে
রোজ সকালে আমি চোখ মেলি।
প্রতিদিন আমি পথ চলি।

তানবীরা
৩১/০১/২০১

উৎসর্গঃ জ্যোতি আর জেবীন দুই সাহসী জীবন সৈনিককে

ব্লগ দিবস বিষয়ে

বাংলা ব্লগ দিবস উদযাপনের রাজনীতিতে একটা প্রাথমিক ধারণা ছিলো ব্লগিং বিষয়ে আম-জনতার উৎসাহ বাড়ানো, ব্লগের বিকল্প গণমাধ্যম হিসেবে পরিচিতি করিয়ে দেওয়া। ব্লগারদের আড্ডা ব্যতীত সেমিনার ঘরে উদযাপিত ব্লগ দিবসে সাধারণ মানুষের নগন্য উপস্থিতিতে সে লক্ষ্য কতটুকু অর্জিত হয় সেটা বিবেচনা করে দেখতে হবে।

যদি বাংলা ব্লগ বিষয়ে সাধারণকে উৎসাহী করতে হয় তবে সেমিনার রুমের আবদ্ধতা থেকে ব্লগি দিবসকে বিচ্যুত করতে হবে। বইমেলাকে প্রাধান্য দিয়ে ১লা ফেব্রুয়ারী ব্লগ দিবস উদযাপন না করে বইমেলার প্রথম সপ্তাহে সেটাকে উদযাপন করতে হবে।

সেমিনার, গণমাধ্যমের রথি-মহারথীদের শুভেচ্ছাবানী আর কেক কাটাকাটি বাদ দিয়ে ব্লগকে সাধারণ মানুষের কাছে আকর্ষণীয় করে তুলতে বরং বই মেলা চত্ত্বরকেই ব্যবহার করা যায়।

আমার যত সিনেমা - ১

জ্ঞানীগুনী লোকেরা প্রায়ই সিনেমা নিয়ে লিখেন। তাদের লেখা পড়ে আমারো সাধ জাগে সিনেমা নিয়ে লিখতে। মনে মনে লিখি কিন্তু ভয়ে পোষ্ট দেই না। সিনেমা দেখে আমি টেকনিক্যাল সাইড তেমন কিছু বুঝি না। শুধু বুঝি আমার ভালো লেগেছে কি লাগেনি। কিংবা আমি কি কিছু বুঝলাম নাকি বুঝিনি। অনেকদিন কিছু লিখি না। কিছু সিনেমা দেখলাম। মাথায় সিনেমাগুলো ঘুরছে, কাজের ফাঁকে ফাঁকে মনে হয় আচ্ছা নীরা বাবার বাড়ি চলে গেলেই হয়তো পারতো কিংবা মহিলা কি করে সারাক্ষণ এমন চিৎকার করে যান। এটা ওভাবে হলে কি হতো? কেন সেভাবে হলো না? মনে হয় এ চরিত্রগুলো আমার বড্ডো চেনা। আমি আমার অতি সরলীকরণ ভঙ্গীতেই সিনেমা নিয়ে কিছু লিখছি। প্রথমে,

নিজের কাছে ফেরা

তবুও জীবন যাচ্ছে কেটে জীবনের নিয়মে-----।জীবনের নিয়মটা আসলে কি? সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টি ভেদে সেই নিয়মের তারতম্য ঘটে! সেটা মেনে নেওয়া ছাড়াই বা আর কি উপায়! অনেকগুলো রাত নিয়ম করে না ঘুমিয়ে শুধু বসে থেকে কাটছে। রাত শেষে ভোরের স্নিগ্ধ আলোয় এসে দাঁড়ালে চোখ জ্বালা করে, মাথার ভেতর জ্বালা করে.....যন্ত্রণায় কপাল কুঁচকে থাকি। কপাল কুঁচকালেই চোখে চাপ পড়ে, চোখের পাপড়ির নীচে লুকিয়ে থাকা জলধারা ছুটাছুটি শুরু করে। অকারণ আবেগের বাড়াবাড়ি অত্যাচারে জীবন অচল, অতিষ্ট হচ্ছে প্রতিনিয়ত। নানাবিধ সমস্যা-জটিলতা, বাস্তবতার চাপে নিজেকে এত বেশী একা লাগছে যে, এই একাকীত্বটা দুঃসহ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাস্তববাদীরা আবেগ অনুভূতি একপাশে রেখে জটিলতাকে মোকাবেলা কবে জীবনকে সহনীয়, আনন্দময় করে তোলে। আর আমি ভাবি, খুব কাছের মানুষ এসে পাশে বসবে, নির্ভরতার এক হাত রাখবে মাথায়---আমি ভাবব হোঁচট খেয়ে পড়ে যাব না, কেউ তো আছে পাশে!

বিষপাঁচালি

সন্ধ্যে বেলা পেখম নাচানো সুর
বুকের বাবুই বুনেছিলো তার বাসা
মানুষ জীবন কুহকে ভরপুর
আর পাওয়ার করিনি উচ্চাশা।
অনিশ্চিত অদ্ভুতেড়ে ক্ষণ
বিষমন্তর ঢেকে রেখেছে গলা
স্বর্গমিতা কোথায় সন্তরণ?
প্রেম পদ্য অনুর্বর নিস্ফলা
অনিচ্ছার উসকানো জলরঙ
বাজে মানুষের বাজারি ছিনালপনা
তোমার ভালোতে তুমিই জবরজঙ
আমিই তবে হই কালনাগের ফনা

এক-দুই

১. আগুনের ফুল ধরে হাতে
চোখে জলের নৌকা ভাসাই
তুমি কি এমনি উৎপাদক
হৃদয়ের গ্রন্থি ধরে দাও টান?
ঘুমন্ত সিংহের গুহায় আমি যেন কম্পমান হরিণ
তুমি যখনি তোমার কেশর দুলিয়ে জেগে উঠবে
আমি স্থির হয়ে যাবো
নখর সুখে তখন তুমি যেমন ইচ্ছে খেলো
উন্মোচনের খেলা।

২. জালটাকে ক্রমান্বয় জৈবিক করো জেলে
জলের যোনিতে জাগছে জাগতিক আঁচ
ছায়া পুরু মেঘ রঙ ঠোঁটের আধার পেলে
চমকাবে চকিতে সোনারঙ মাছ।
{(c)MNI, 30.01.12}

কুকুরের জন্য আবাসিক হাসপাতালের দাবীতে নাগরিক আন্দোলন

এখন নিশ্চয়ই বলবেন আপনার সময় দুর্মূল্য
যখন মাথার উপরে সর্পিল ফেস্টুন
ছেড়ে যায় ধোয়ার বিচালি
তার থেকে দুই কিলোমিটার দূরে সরে আছেন নিরাপদে

যখন বলবেন মাইকের চিৎকার থেকে আপনার জানালা সাটানো
পায়ের নখর থেকে দূরবর্তী সারমেয়
আর যখন যা ইচ্ছে ধরার জন্য আপনার হাতেই আছে বিশাল থাবা
যেকোনো মৈথুনের পরেই আপনি সিজদায় নত হন

যখন দেখবেন বিকল্প বারান্দাগুলোতে অজস্র মুকুর
সব আপনার প্রিয় মানুষের নামে ফুটেছে সকালে
ওয়েব জুরে বন্দনা-সংগীত আর ভেঙে যাওয়া লিংকেও শোনা যায়
কোনো বাঞ্ছিত নাগরিকের কণ্ঠস্বর

এমন নিরুদ্বিগ্ন আপনার জগৎ সংসার যে পড়শিদের সকল কুকুরের জন্য
গড়ে তুলেছেন আবাসিক হাসপাতাল
আর এফএম সিগন্যালে মেঠো পথ সন্ধানের জন্য নাগরিক আন্দোলন
উঠেছে বিশালকায় বিলবোর্ডে ডিজিটাল

আপনার জন্য দৃষ্টি পাজল - দেখুন তো এই সংবাদে কতটা নিরেট বিনিয়োগ

ব্লগীং মানেই 'মুক্ত কথা'..তবে যে এত বাক রুদ্ধের আভাস !

২০০৬ থেকে ব্লগীংয়ের শুরু করেছিলাম। বাংলাদেশে ব্লগীংয়ের জয়যাত্রাও ঐ সেই সময় থেকেই বা কিঞ্চিৎ পূর্বে ২০০৫ এর ডিসেম্বরই ধরি যদি। ..তারপর অনেক বছর পেরিয়েছে ..আজ বাংলাদেশে ব্লগীংয়ের জয়জয়কার। ...
ব্লগীং তাই মাথা ব্যাথার কারন হয়ে উঠেছে অনেকের , বিশেষ করে নতুনের প্রতি ভয় যাদের । কবিতার একটা লাইন মনে পড়ে যায় ...‌‌'..ওরে নবীন ওরে আমার কাঁচা/আধমরাদের ঘা মেরে তুই বাঁচা'

বিখ্যাত এ কাব্য চরণ দুটি খুব মিলে যাচ্ছে।....ব্লগীং বিকল্প মিডিয়া হয়ে উঠেছে, এটা নবীন প্রবীন সকলের মূলত সেই অর্থে কাঁচাদের। এটা প্রথগত মিডিয়া নয়, এটা সীমায় রুদ্ধ নয় ,তাই তো এটা ব্লগীয়। না হলে তো নিউজ মিডিয়া হয়ে যেত।

আমরা বন্ধু স্মৃতিগাঁথা - ১

n_a.jpg

অনেকদিন ধরেই ভাবছিলাম ব্লগে ফেরার কথা, সময় এবং সুযোগ এক হয়ে উঠছিলোনা কোন ভাবেই। এরপর যখন সময় হলো, কিভাবে ফেরা যায় তা ঠিক করতে করতে আরো বেশ কিছু দিন। শেষমেষ ঠিক করলাম, আমরা বন্ধু এই গ্রুপে কিভাবে আমার আগমন এবং এরপর এতগুলো বছর, এতগুলো মানুষকে চেনা, তাদের সাথে আড্ডা দেয়া, মাঝে মাঝে বিভিন্ন বড় ভাইদের বিরক্ত করা, এভাবেই পেরিয়ে গেল ৬টি বছর আমার এই গ্রুপে এসব ক্যাচাল নিয়েই ফিরি। বর্তমানে যা ব্লগ হিসেবে বেশ সুপরিচিত।

তোমার জন্য কবিতা

তুমি যখন কবিতা লিখতে বললে,
শব্দগুলো নিজেরাই কবিতা হয়ে উঠলো ।
তুমি যখন ফুল হয়ে গেলে-
সৌরভগুলো সব তোমার হয়ে গেল ।
এ ফেরোমোন ডাকছে আমায়;
শেষ বিকেলে পথ হারানো হরিণীর মত।
শুধু তোমার জন্যই শাদা গাংচিলের ডানায় আনন্দ ভাসাই
আর ওমে খুজে নিই
পাহাড় থেকে নেমে আসা ঝরনার ঘ্রান।
শুধু তোমার জন্যই
ভালোবাসি- না বলে ভালবাসাই হয়ে যাই ।

চুমু না চুমুক

ওষ্ঠে অধর লেপ্টে একটা চুমু দিতে গিয়েই
জিহ্বায় একটা লাগল দারুন ছ্যাঁকা ,
মুখটা হঠাত্‍ সরিয়ে নিতে গিয়েই
খেলাম একটা বিষম ভ্যাবাচেকা ।

সেই ওষ্ঠ বিমুখ ছিল বোধয় নিজেকে রাঙিয়ে ,
উষ্ণ ছোঁয়ার আবেগ বুকে নিয়ে
আমায় ডেকে ডেকে শেষে
অবহেলার রেশে
অভিমানে ফিরিয়ে তো দেবেনা !
তখন ওসব কিছুই মাথায় নেই
ওষ্ঠাধরে জুড়ে গেছে ডানা ।
উড়ে উড়ে নেশায় কেমন বুঁদ
চোখের পাতায় সপ্ন নীল হলুদ ।
হঠাত্‍ দুচোখ মেলে ধরি যেই
টগবগিয়ে উঠছে দেখি ধোঁয়া ।
ওষ্ঠে অধর ছুঁইয়ে দিতেই ছ্যাঁকা
বাপ রে বাপ !
ওষ্ঠ নয় , সে গরম চায়ের কাপ !

আমরা বন্ধু ব্লগ সংকলন "ম্যুরাল"

aB prokashoni

নানান বাধাবিঘ্ন পেরিয়ে অবশেষে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে আমরা বন্ধু ব্লগের ২০১১-এ আসা বিভিন্ন পোস্ট থেকে বাছাই করা কিছু লেখা নিয়ে আমরা বন্ধু ব্লগ সংকলন "ম্যুরাল"। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নানান ঘটনা নিয়ে যেমন একটা পুরো জীবনের চিত্র দেখা যায়, তেমনি ব্লগের বিভিন্ন স্বাদ ও গন্ধের লেখা নিয়ে ব্লগের একটা সামগ্রিক চিত্র সবার কাছে তুলে ধরবার প্রয়াস হলো "ম্যুরাল"।

"ম্যুরাল" এ সংযোজিত হয়েছে নানা সময়ে ব্লগারদের ভিন্ন ভিন্ন অনুভূতিতে পরিপূর্ণ মুক্তগদ্য, শক্তিশালী কিছু তরুণ গল্পকারের গল্প। এছাড়াও আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে দুটি লেখা থাকছে, যেগুলোর কারণে এই সংকলনটা ঋদ্ধ হয়েছে।

আমরা বন্ধু ব্লগ সংকলন ১ : ম্যুরাল

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ