অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

দ্বৈত-অদ্বৈত

চমৎকার টকটকে লাল তুমি লেলিহান
খুব ভালো আবার জ্বলছো বুকে ধিরে ধিরে
অলিন্দ থেকে অলিন্দে, স্মৃতিকোষ থেকে স্মৃতি কোষে বিস্তৃতি
প্রিয় শত্রুর মত কেমন গ্রাস করছো পাঁজর।
যে হৃদপিন্ড ঘুমায়নি বহুকাল
কি স্নেহে তার শরীরে বুলাচ্ছো হাত
খুব সুন্দর লেলিহান.....
এসো তোমার পাতাবাহার ঠোঁট দিয়ে চুমু খাও তবে
আর আমি প্রশান্ত পরখে ইঞ্জিনটাকে শোনাই
ঘুমপাড়ানি স্বউৎসাহ কবিতা
খোকা ঘুমালো পাড়া জুড়ালো গান।

২। ইদানিং রাস্তা দাপিয়ে বেড়ায় একটা নির্ভেজাল কুত্তা
ঈশ্বরকে ধন্যবাদ, ও মানুষকে কখনো কাটেনি।
ছয় আঙ্গুলের জীবন কত যন্ত্রণার, যদি জানতো কুত্তাটা
তবে কি আর আমাকে কাটতো?
তখন হয়তো কোন মানুষকেই.....

{(c)MNI, 27.01.12}

হৈ চৈয়েচ্ছার সুলুক সন্ধানে

একি সোনার আলোয় জীবন ভরিয়ে দিলে...।

আধুনিক বাংলা গানের কিছু কিছু লাইন আসলেই রগরগে একদম। এটা অবশ্য আমার নিজের কথা না। ভাষার চলমান বিবর্তন আজ এ কথার জন্ম দিয়েছে। গানটি যখন লেখা হয়েছিলো তখন হয়তো ব্যপারটা এমন (!) ছিলো না কিংবা কোনোদিন এমন হওয়ার সম্ভাবনাও দেখা যাচ্ছিলো না। তাই সে সময় গীতিকার নিশ্চিন্তমনে লিখে চলে গিয়েছেন। আর শালীনতামুক্ত বঙ্গভাষীর দল আজ শব্দগুলোকে কোথায় নিয়ে ঠেকিয়েছে। ওস্তাদ তুলে নাও।

শুরুতে একটা কৌতুক বলি। হাসি না আসলেও ঠা ঠা করে হাসতে হবে এই হচ্ছে কৌতুক পড়ার শর্ত।

ভবিষ্যতের সমাজ কাঠামো

জীবের স্বাভাবিক প্রেষণা নিজের "জেনেটিক কোড" পুনরুৎপাদন, কাঙ্খিত সঙ্গীর সাথে বলিষ্ট পরবর্তী প্রজন্ম পুনরুৎপাদনের নিশ্চয়তায় জীব সহিংস হতে পারে, কৌশলী হতে পারে, নির্মম হতে পারে, বিভিন্ন ছলা-কলায় সঙ্গীকে আকর্ষণ করতে উদ্বুদ্ধ হতে পারে, ময়ুরের পেখম মেলা, পায়রার গলার পালক ফুলিয়ে বাকবাকুম আর কোকিলের সুমধুর সঙ্গীত সবই সেই পুনরুৎপাদনপ্রক্রিয়ার বিভিন্ন প্রকাশমাত্র।

অংক

যেদিন একটা অংক কষতে পারবে
সেদিন বুঝবো আসল মুন্সিয়ানা।
যোগ, গুণ ভাগের দুনিয়ায়
শিখেছো খালি বিয়োগ হতে
ধারাপাতের ধারা বর্ণনায় এমনই আনাড়ি তুমি
বরাবরই ভুল উত্তরে দিয়েছো দাগ।
জীবনের পাটিগণিত যখন এসে দাঁড়িয়েছে সম্মুখে
তৈলাক্ত বাঁশ পিছল থেকে পিছল হয়েছে কেবল
বাদরটা হিমশিম খেয়েছে , তবু
উচ্চতা, সময় দৈর্ঘ্য মাপতে পারেনি কোনোদিন।
শুধু চক্ষু সীমায় ধু ধু সাদা খাতা
তিন রেখার আড়ালে হয়েছো ত্রিভুজ।
শোন হে অনাহুত,
মানব অংক কি এতই সহজ যে
চাইলেই বিয়োগের পদ ছেড়ে
যোগ ভাগের ভাগ্যে গুণ বসিয়ে
হাসতে হাসতে দিয়ে দেবে উত্তর?

বোধিসত্ত্ব

..............................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................

রেললাইনে শরীর ফেলে রাখতে গিয়ে ভুল ক্রমে চড়েছি রেলগাড়িতে
তারপর কেবলি ফেলে আসা জংশনের মায়া জাগে; চোখে লেগে থাকে
পতাকার লাল রঙ, সিগনালের সবুজ বাতি।

উৎস বিন্দু থেকে বহুদূর চলে এলে পেছনে তাকিয়ে কোনো লাভ নেই
সেখানে তখন তুলির ব্রিসল টেনে অগণন রঙ চাপা হয়ে গেছে...
ক্যানভাসের শূন্যতা বলে কিছু নেই; জেন সন্ন্যাসে তারে
শব্দহীনতার শব্দ নামে ডাকা হয়।

সময়ের ফাঁদ

এটাও এক ধরণের গল্প বলার চেষ্টা, চিত্রনাট্য তৈরির সময় এইসব দৃশ্যগুলো মাথায় ছিলো, সেই অলিখিত চিত্রনাট্যের অন্য একটা অংশের নেপথ্যে ---

আমার সব ঝাকানাকা বন্ধুরা, আর সেই সব দিন

আমি ইদানিং দুইটি খেলায় ভিষণ আসক্ত হয়ে পড়েছি একটা হলো ফারম্ভিল আরেকটা লেখালেখি খেলা। ফারম্ভিল খেলার মজাই আলাদা, চকলেট গাছ-চানাচুর গাছ, লাল গরু দেয় চকলেট মিল্ক, গোলাপী গরু স্ট্রবেরী মিল্ক, হাতিশালে হাতি, ঘোড়াশালে ঘোড়া সে এক এলাহি কারবার। আর লেখালেখি খেলাটা আরও মজা, সারাদিন যা যা দেখি সব মনেমনে খালি লেখি আর পোস্ট দেই, বাসায় এসে লেখার টেবিলে বসলে তাদের আর খুজেঁ পাই না। নতুন বছরে তাই ভাবলাম বিসমিল্লাহ করে একটা ইটা রেখে যাই (এটা লিখতে শুরু করে ছিলাম ১ তারিখে, আমার আলসেমির জন্য দেরিতে পোস্ট দিলাম)।

মাতৃভূমি

- - - - - - - -
- - - - -
- - -
- -
-
-
.
. .
. . . .
. . . . . .
. . . . . . . .
. . . . . . . . . . . .
. . . . . . . . . . . . . . . . .

কাজলা মেঘের আঁচল তলে
হাজার নদীর শুদ্ধ জলে
সিক্ত করে করুন ডাঙা ,
সে আমারই মাতৃভূমি ।

ছায়াঘেরা শ্যামল গহন
জুরায় তনু শীতল পবন
পাখপাখালীর কলগুঞ্জন
কোখায় গেলে পাবে তুমি !

রক্তে ভেজা পবিত্র মাটি ,
তারই উপর গতর খাটি
কৃষাণ ফলায় সোনার আঁটি
শ্রদ্ধায় বারে বারে নমি ।

আকুল করে এই বাংলার
স্নেহে ভরা শত উপাচার
মরণেও তাতে পাই যেন ঠাঁই
মাতৃভূমির চরণ চুমি । ।

১১/০৩/০৭
(অন্য কোখাও)

...ইতি, আব্বু। [শুরুরও অনেক আগে]

অনেকদিন ধরেই ভাবছি। আমার মনের ভেতরে চুপটি করে বসে থাকা আমার শিশুকন্যাটা, যার নাম আরো দু'বছর আগেই রেখেছি শুদ্ধ শুচিস্মিতা, তাকে উদ্দেশ্যে অনেকগুলো চিঠি লিখে রাখবো ব্লগে। যার ভিতর দিয়ে সে তার বাবাকে জানতে পারবে। তার মা কে চিনতে পারবে। তার জন্য বাবার আবেগ কেমন ছিলো, তাকে ঘিরে তার বাবার স্বপ্নগুলো কেমন ছিলো, কিভাবে সেই স্বপ্নগুলোর বিবর্তন হ'লো। সব... সব... কিছু জানিয়ে রাখবো ওকে অকপটে। ও যেদিন বারো'তে পা দেবে, সেদিন ওকে ব্লগে বসতে বলবো। পড়তে বলবো ওকে লেখা বাবার লেখা চিঠিগুলো।

ক্রনিক্যাল অফ ঢাকা সিটি অথবা ঢাকা শহরের কিচ্ছা (৩)

(এই পোস্টটা হয়তো লিখতাম না কখনো। রায়েহাত শুভ নামের পছন্দের মানুষটার সাথে বেশ কয়েকদিন দেখা না হইলেও তার অনুরোধটা হঠাৎ মনে পড়লো...তারেই উৎসর্গ করলাম এই শহরে আমার জন্মবিষয়ক পাঁচালী)

আমাদের ভারতপ্রেম, বি.পি.এল ও কিছু প্রশ্ন..

একটা কিছু দেখলেই তা নিয়ে প্রশ্ন করে বসার সেই বয়স পার হয়ে এসেছি অনেক অনেক দিন আগে।
তবু-ও আজকাল মাঝে মাঝেই মাথায় নানান প্রশ্ন জাগে, কার্যকারণ খুঁজে পাইনা। তাই, শেষমেশ বন্ধুদের-ই সরন নিলাম।

ছোট থাকতে বড়দের সাথে কোন খেলায় অংশ নিলে 'দুধভাত' হয়ে খেলতে হত, অর্থাৎ সবকিছুতে অংশ নিলেও তার কিছুই গোণার মধ্যে পড়তো না।
বাংলাদেশের সীমান্তে ভারতীয় সহিংসতা বোধহয় আজকাল সবার কাছে 'দুধভাত' হয়ে গিয়েছে। কয়েকদিন পরপর-ই একটা কিছু হবে, সব পত্র-পত্রিকায় একটুআধটু লেখালেখি হবে। দুই তিন দিন হয়ত ফলোআপ পাওয়া যাবে, তারপর-ই আবার যে-ই কে সে-ই।

আগে তাও রাষ্ট্রপর্যায়ে কিছু আলোচনা হতো, এখন আর সে বালাই-ও নেই।
রাষ্ট্রপক্ষের প্রতিনিধি নির্দ্বিধায় জানিয়ে দেন যে, এত 'তুচ্ছ' বিষয়ে মাথা ঘামিয়ে সময় নষ্ট করার মত 'সময়' রাষ্ট্রের হাতে নেই!

অচেনা

আমার এমন কেন হয়ে যাচ্ছে সব
কিযেন একটা থেকেও হাতড়ে পাচ্ছিনা খুঁজে।
চেনা টেবিল কিংবা টুল
কোথাও যেন এতটুকু যায়গা নেই বসবার।
কাকে যেন কি বলার ছিলো
অথচ মনে আসছে না কিছুই
কে যেন বলেছিলো দেখা করো
তবু দেখা করা হয়না কারো সাথে।
আমি হাটলে পথও কেবল হাটছে
ভাবনার সময় শুধুই মগ্নতা
স্বপ্নের ভেতরে কেমন যেন একটা দেয়াল
আমি কেবলই ভাঙ্গছি আর ভাঙ্গছি
ভাঙ্গতে ভাঙ্গতে মিশে যাচ্ছি ধুলোর কণায় কণায়
রক্তের ভেতরে কিসের যেন একটা অনুভব
বুকের ভেতর কেমন যেন একটা দীর্ঘশ্বাস।
আমার এমন কেন হয়ে যাচ্ছে সব?
আমার কেন এমন হয়ে গেলো?
{(c)MNI, 24.01.12}

উড়ো সোনাপাখি

আজ একটা অন্যমনস্ক পাখি ডেকে গেছে আমায়। বলেছে উড়াল দাও এই শহরের আকাশে। এর অলিগলি রাজপথ ঘুরে উড়তে থাকো তুমি শূণ্যে। উড়তে উড়তে মিলিয়ে যাও শেষ বিন্দুতে।
পাখিটা ঠোঁটে করে নিয়ে এসেছিলো জল। বলেছে- এই নাও রুক্ষ তোমার জিহ্বায় দিলাম তৃষ্ণার অবসান। এবার শুধু উড়তে থাকো সোনাপাখি। যেখানে যখন গিয়েছিলে তুমি, অথবা যাবার কথা ছিলো যেখানে আবার। চষা ক্ষেত, হলদে ফুলের ঝোপ, কিংবা পেরিয়েও যেতে পারো সমুদ্রের ফেনারাজি। তবু থেমো না বিরহী, উড়তে থাকো কেবল। অনন্ত আগুনে শেষ হয়েছে পথ, সীমারেখা নেই অপেক্ষাতে তোমার। উড়ো, উড়ো তুমি সোনাপাখি, মগ্ন চিলের মত ঘুরতে ঘুরতে উড়তে থাকো আকাশের ছায়া তলে।

অনুভূতির ছেঁড়া পাতা - টুকরো স্মৃতি...

আজও বেঁচে আছি..
আজও ঘুম ভেঙে যায় বৃষ্টির সুরে, চেনা অচেনা ডাকে..

আজও হাটি, চলি..খাই, গান গাই..
আজও হাসি, কারও এক দুকথায় চোখের কোল ভিজাই..

আজও বেঁচে আছি..
হাসায়- কাঁদায়-জ্বালিয়ে মারে প্রিয় যত মুখ..
হঠাৎ হাওয়ায় বুক ভেসে যায়, আনন্দেতে দুঃখ উড়াই..
একটুতেই রাগ করে বসি..অভিমান হয়, দুঃখবিলাসি কাব্য করি..

আজও বেঁচে আছি..
খবরের কাগজ পড়ি, দিব্যি দেখে যাই..

সারাদিনে কত মন ভেঙে পড়ে,
কত না জন হারিয়ে যায় হুট করেই..

কত না কচি প্রাণ ভোরের পথে বের হয়ে যায়,
সাঁঝে আর বাড়ি ফেরা হয়না..

ঝড়ে যায় কত তাজা প্রাণ, এক নিমিষেই..

দেখেই যাই..
কিছু ক্ষণ বুকের গভীরে এক দুটা আঁচড় ফেলে, দুদিনেই ভুলে যাই..

আজও বেঁচে আছি..
প্রতিদিনকার বেঁচে থাকার ছলে তিলে তিলে মরে যেতে যেতে,
এই তো দিব্যি বেঁচে আছি..

[হায়াৎ মউৎ সবই তোমার হাতে..তবু-ও..
ও খোদা..
একটাই প্রার্থনা তোমার কাছে..

রিক্যাপচারিং পাস্ট-৮

সমুদ্র খুড়ে কি মেলে বলা মুশকিল, তবে কখনও ক্যারিবিয়ান উপকূলে গেলে দেখার চেষ্টা করতে পারি। নদী খুড়ে থরেবিথরে সাজানো লৌকিক প্রকৃতি মেলে। প্রকৃতি আবার লৌকিক কিভাবে হয় সেটা আমি বুঝতে পারি নদী খুড়তে বসলেই। এ এমন এক প্রকৃতি, নদী পাড়ে, যার সাথে মেশানো গ্রাম, মানুষ - সব যেন বৃক্ষের মত, আকাশের মত, স্রোতের মত একই, শতবর্ষ ধরে। এই লোকাচার প্রকৃতিমনস্ক, এই প্রকৃতি লোকালয়েও নৈসর্গিক। আবার যখন আমি সুন্দরবন যাবো, বিগত কয়েক বৎসর যাবত যার ভাব বুদবুদ দেখা মেলে, তার কোনো ব্যাপ্তির নিদর্শন নাই, আমি অবশ্য অবশ্য নদী খুড়ে স্বপ্নিল এক বৈকালিক আসর তুলে আনবো।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ