অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

পথ চলা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার শিক্ষকতার শুরুটা ছিল স্বপ্নের মত। বিভাগ আমার প্রতি যে আস্থা রেখেছিল তার প্রতিদান দিতে পারব কি না সেই চিন্তায় সবসময় অস্থির থাকতাম। আমাকে প্রথমেই পড়াতে দেওয়া হল মাস্টার্সে Order Statistics. ক্লাসের সবাই বন্ধুস্থানীয়। আমার কোন কোন সহপাঠী যারা যে কোন কারণেই হোক না কেন একটি বছর খুঁইয়েছে, তারা আছে সেখানে। তাদের সাথে তুই তোকারি সম্পর্ক। আছে মামুন আপনের মত আপন জন। দু’ একজন বড় ভাইও আছে। ওরা ক্লাসে বলত স্যার, বাইরে ভাই বা দোস্ত। মহা ফ্যাসাদ। আমাদের বিভাগের অন্যতম কৃতী শিক্ষক প্রফেসর রেজাউল করিম মামুন (যাঁর একটি গ্রন্থ বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রকাশন Springer-Verlag থেকে প্রকাশিত হয়েছে) সেই যে আমাকে স্যার বলা আরম্ভ করল যা অদ্যাবধি বহাল আছে। প্রথম বর্ষে পড়াতে দেওয়া হল Probability. আমি ছাত্র থাকাকালীন এই কোর্সে ভাল করি নি, তাই কোর্স দেবার সময় মনোয়ার স্যার বললেন

নির্জন নিশীথে.. [এলোমেলো কাব্যকথন!]

টিক টক টিক টক..

নিরবতা ভেঙ্গে পড়ে,
কালের অতল গহ্বরে..

নিস্তদ্ধতার মেঝে তে পা ফেলতেই,
চারিদিক শীতল অন্ধকার..

অবাক শিহরনে-
কেঁপে উঠে,
নিমেষে হারায় আলোর পরশ..

ঝড় তোলা চায়ের কাপে,
আজ মাতাল প্রানের ঘ্রান..

বদ্ধ বাতাস আজ পাগলপারা,
আনন্দে হারিয়ে যাবার ছলে..

অনেক অনেক দিনের পর,
আজ অন্ধকার..

মুঠোফোন মূহুর্ত যত,
হাতে ছুঁয়ে যায় হাত..

স্নিগ্ধ দুচোখে,
আলতো হাসির ঢেউ-
ভেসে চলে নিয়নে..

ভুল সুরে গাওয়া গান,
নিরর্থক কথকতায়-
অপার্থিব মুগ্ধতার;
অসম্পূর্ন সিম্ফনী..

স্মৃতির শহর জুড়ে,
পথিকের পথ-

নির্জন নিশীথে,
অকারন কারনে-
ভাবনাবিহীন..

সঙ্গী কেবল;
একরাশ বিস্ময়ের,
অফুরান ভালবাসা..

বই মেলা কড়চা- ৩

দুপুরে জুম্মার নামাজ পড়ে এসে তড়িঘড়ি বেরিয়ে পড়লাম। না, বই মেলায় নয়। এফডিসিতে। চার নস্বর ফ্লোরে মীরাক্কেল আক্কেলের অডিশন দেখতে। গতকাল শুনেছি মীর আর শ্রীলেখা এসেছে- বাংলাদেশের ছেলে মেয়েদের অডিশন নিতে। তো, মীরকে (মীরাক্কেলের মীরের কথা বলছি, এবি'র মীরকেও আমি লাইক করি- সেটা নতুন করে বলার দরকার নেই) আমি ভয়ঙ্কর পছন্দ করি। শ্রীলেখাকে ভালো পাই। দুটো পাশ ছিলো আমার কাছে। হাতের কাছে কাউকে না পেয়ে রোদ্দুর কে নিয়ে রওয়ানা হলাম। এফডিসির গেটে পৌঁছে দেখলাম, হাজার হাজার মানুষ!

একটি ছোটখাট আত্মপ্রচারণামূলক পোস্ট

ব্লগের অনেকেই হয়ত জানেন গত বইমেলায় আমার একটা বই বের হয়েছিল। বইটা এবার মেলাতেও পাওয়া যাচ্ছে। আপনারা পড়লে খুশি হব। বইটার নাম 'স্প্রিং মুন', পাওয়া যাবে জনান্তিক এ, স্টল নম্বর ৩৩২। তবে আমার ধারণা বইয়ের কবিতাগুলা থেকে লোকজনের আর্টওয়ার্ক গুলাই বেশি ভাল লাগে Tongue

cover

রুদাবা মহসিন দয়াপরবশ হয়ে প্রত্যেকটা হাইকুর সাথে একটা করে ছবি এঁকে দিয়েছিলেন আর উনার বর জাহান ভাই করে দিয়েছিলেন প্রচ্ছদ।

এই ফাঁকে আমার ব্লগে আসার ইতিহাসটা বলে নেই। আমার বই বের হলেও গত বছর এই সময়ে ক্রিকেট ওয়ার্ল্ডকাপ চলছিল বলে মাত্র দুইদিন মেলায় যেতে পেরেছি। এর মধ্যে একদিন ছিল ২১শে ফেব্রুয়ারী। আমি তো হেভ্ভি ভাব নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিলাম আমি আজকে মেলায় থাকব আর অটোগ্রাফ দিব Tongue

প্রশ্ন গুলো সহজ আর উত্তরওতো জানা

সবাই দেখি বই মেলা নিয়া লিখে। বইমেলা আমার জন্যও একটা বিশেষ উপলক্ষ্য বই মেলা। চিটাগাং এ থাকতে ভাবতাম কবে টিভি বাদ দিয়ে কিউট চ্যানেলআই বই মেলা প্রতিদিন অনুষ্ঠানটা মেলায় গিয়ে দেখতে পারবো। ঢাকা এসে মুলত স্বপ্নভঙ্গের শুরু। যারা বই মেলার স্টার তারা দেখি আমার চেয়েও সহজলভ্য। তাদের একটা জবর জং বই কিনে পাশে দাঁড়ালেই দুনিয়ার আলাপ শুরু করে দেয়। যাই হোক বই মেলা নিয়া স্মৃতিচারন করার অনেক সময় পাবো। আজকে সময় নাই।

২১ এর প্রার্থনা

ঈশ্বর আমরা ষোল কোটি বাঙ্গালী,
হাতে গোনা ক’জন বেজন্মা বাদে---সবাই
নতজানু তোমার দরবারে,------ কায়মনোবাক্যে
প্রার্থনা করি প্রভু !
তুমি আমাদের প্রার্থনা শোন !

এই দেশ, এই মাটি আর এই ফসলের মাঠ,
এদেশের আলো-বাতাস-জল আর সবুজ বনানী,
মেঘ-বৃষ্টি-রোদ আর ফুল-পাখি-গান,
সর্বোপরি এ দেশের মানুষ আর এই মৃত্তিকার সন্তান,
এসব তুমি রক্ষা করো প্রভু !
রাজনীতি নামের দুর্নীতির ক্রুঢ়তা থেকে,
রাজনীতিক নামের কীটদের হিংস্রতা থেকে,
ওদের বিষাক্ত নিঃশ্বাস থেকে ,
অহেতুক জেদাজেদির সর্বনাশ থেকে,
হরতাল আর গণতন্ত্রের গণযন্ত্রনা থেকে !

ঈশ্বর আমরা চাইনা, কেউই চায়না ---
আমাদের সন্তান মস্তান হোক !
চাইনা ঝাপ্টাবাজ বা চাঁদাবাজ হোক !
খুনি, ধর্ষক কিংবা নেশাখোর হোক !
অথচ ওরা ওই কথিত জন দরদীরা
নিজেদের সন্তান বিদেশে সড়িয়ে রেখে,

বই মেলা কড়চা- ২

দুপুরের পর পরই বেরিয়ে পড়লাম। প্রথমে ব্যাংকে একটা কাজ সারলাম। তারপর এস এ পরিবহনে একটা পার্শেল পাঠালাম। এরপর গেলাম লীনা দিলরুবার অফিসে। লীনাকে কাল টুটুল ম্যুরালের কিছু লেখা দেখতে দিয়েছিলো। রাতের মধ্যে সেগুলো দেখে শেষ করার কথা লীনার। দুপুরে আমি তার কাছ থেকে সেগুলো নিয়ে প্রেসে যাবো- সেরকমই কথা ছিলো। ওমা, অফিসে গিয়ে দেখি আমাদের লীনা আপা তখন বনানীতে। তার অফিসের কাজে গিয়েছে। বললো, ৩০ মিনিটের মধ্যে ফিরবে। আমি হাসলাম ওর কথা শুনে। বনানী থেকে দিলকুশায় ফিরবে ও; তাও ৩০ মিনিটে ! সময় নষ্ট না করে নিচে নেমে এসে একটা বিড়ি ধরালাম। তারপর ছুটলাম প্রেসে...

বইমেলা ২০১২ (টুকিটাকি)

অন্যদিনগুলো যেমনই যাক, ফেব্রুয়ারি মাসটা সবচেয়ে ভালো লাগার। অপেক্ষা করতে থাকি ফেব্রুয়ারি মাস আসতে আর কত বাকী! সারাদিন কাজ শেষে বিকেলবেলাটা বইমেলায় যাওয়া,খুব বেশী বই যে কিনি তা না। তবে ঘুরে ঘুরে বই দেখি, বই কিনিও কিছু। বিকাল-সন্ধ্যা আড্ডা, বন্ধুদের দেখা পাওয়া- যাদের সাথে হয়ত আর কোন সময় দেখাই হয় না, কিছু বই কেনা, নতুন বইয়ের গন্ধ, রাত জেগে নতুন কেনা বইগুলো যত্ন করে পড়া --- অসাধারণ অনুভূতি।আর এবার রোজ বাংলা একাডেমীর সামনে দিয়ে সকাল-বিকাল যাওয়া আসার পথে দেখতাম স্টল বানাচ্ছে, সাজাচ্ছে,। বইমেলার প্রস্তুতি রোজ দেখতে দেখতে মনে একটা আমেজ লেগে আছে সেই কবে থেকেই!

ভালবাসার বিচ্ছিন্ন কথন

ভালবাসি তোমায়
সকালের স্নিগ্ধ আভা থেকে
গোধুলির শেষ রঙ পর্যন্ত ।

পাটে নামা সূর্য যখন
নামাবে অন্ধকার
এই পৃথিবীর প্রতিটি জনপদে,
সেই আধাঁর কালো সময়েও
থাকতে চাই তোমারই পাশে ।

বুকের খুব গভীরে
লুকিয়ে রাখতে চাই তোমায়,
যাতে আধাঁর জুড়ে লুকিয়ে থাকা হায়েনারা
তোমায় স্পর্শ করতে না পারে
ওদের লোলুপতায় ।

হৃদয়ের গভীর থেকে জেগে উঠা
অদ্ভুত সব অনুভুতিরা জানাতে চায়
ভালবাসি তোমায় ।।
প্রতিটি দিন
প্রতিটা সময় কাটে
তোমারই মগ্নতায় ।
............
............
..............
যদিও তুমি আজ ক্লান্ত,
তোমার ভালবাসা আজ
উষ্ণতা খুঁজে বেড়ায়
দেহের প্রতিটি ভাঁজে ভাঁজে ।
সব কামনার অবসান হলে,
নুয়ে পড়ে তোমার ভালবাসারা ।

তোমার হৃদয় নদীতে আজ
জেগেছে কামনার পলিচর ।
সেই কামনার চর ভেদ করে
কখনোই দেখতে পাওনি তুমি
এই হৃদয়ের গভীরতা ।

ঐতিহ্য

বিউটি বোর্ডিংএর আড্ডার টেবিলের শেষ চায়ের কাপটাও অনেক আগেই তুলে নিয়ে গেছে কেউ, অন্তত আমি যখন প্রথম বিউটি বোর্ডিং দেখি তার আগেই এখানকার লেখক আড্ডার ঐতিহ্য শেষ। ক্যাফে কর্নারের উল্টোপাশে বিউটি বোর্ডিং এর ছোটো জায়গায় অবহেলায় পরে থাকা কয়েকটা টেবিল আর প্লাস্টিকের চেয়ার একটি সত্য জানিয়ে গেলো পৃথিবীতে সবকিছুই প্লাস্টিকের মতো অবিনশ্বর নয়, সময়ের প্রয়োজনে সাহিত্যিক আড্ডাটা বাংলাবাজার থেকে দুরে সরে কিছুদিন শাহবাগের আজিজ মার্কেটে স্থিতু হয়ে এখন জায়গা পরিবর্তন করে কনকর্ড টাওয়ারের গ্যারেজে ঢুকে পরেছে। বিউটি বোর্ডিং এর মতো আজিজেরও সাহিত্যিক মৃত্যু ঘটেছে

থাইল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী উত্সব

ঘুরাঘুরি করতে কে না পছন্দ করে ? যারা করে না তাদের এক কথায় নিরামিষ ছাড়া আর কিছু বলা চলে না। আর ঘুরাঘুরির দিক দিয়ে থাইল্যান্ড সবার কাছেই বেশ পরিচিত। বাড়ির কাছে হওয়াতে সবারই একবার ব্যাংকক ঘুরে যাওয়ার প্ল্যান থাকে। আর সেই প্ল্যানটা যদি হয় ঐতিহ্যবাহী উত্সব এর দিনগুলির মধ্যে তাহলে তো এক জোড়া চোখে দুই জোড়া সানগ্লাসের মত অবস্হা । তেমনই একটি উৎসবের নাম হচ্ছে সংক্রান যা আমাদে দেশের আদিবাশীরাও করে থাকে। এই থাই নতুন বছরের উৎসব এপ্রিলের ১৩ থেকে ১৫ তারিখ পর্যন্ত হয়ে থাকে। সারা দিন রাত জুড়েই থাকে উৎসবের থৈ থৈ আমেজ। এখন মনে হতে পারে যে থৈ থৈ বললাম কেন?

বই মেলা কড়চা- ১

সাধারণত ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকার বাইরে যাই না। ঢাকাতে থাকার চেষ্টা করি। এবং প্রতিদিন সন্ধ্যার পরে বই মেলায় যাই। বই মেলায় এদিক সেদিক ঘুরে অবশেষে এক জায়গায় জড় হই। এবং মেলার শেষ লাইটটা নেভানো পর্যন্ত আড্ডা দেই। তারপর দল বেঁধে টিএসসি পর্যন্ত হেঁটে আসি। সেখানে আমার হলুদ বর্ণের মোটর সাইকেলটা থাকে। প্রতিদিনই মেলা থেকে বেরিয়ে ভাবি, টিএসসিতে গিয়ে দেখবো মোটর সাইকেলটা নেই। কেউ নিয়ে গেছে। অথচ কেউ আমার মোটর সাইকেলটা নেয় না। না নেবারও একটা গোপন কারণ আছে...

এক টিকিটে দুই ছবি

(প্রথম ছবি : একটি নামহীন কবিতা)

আমার যখন কলম খোলে না
বুকের ভেতর ঝিকিরমিকির নদীর রেখায়
বেলীফুলের বাতাস লাগেনা,
রাত তলানো কান্না জোটে না
টান হারিয়ে ঢিলে তালের একতারা এই
দেহের তারে ছন্দ মেলে না ।

নিকোটিনের আঁধার গুড়িয়ে
কাজল রেখায় অবহেলার সুরমা মেখে
নামতামুখর নূপুর বাজিয়ে
আসতে সাধি প্রসাদ সাজিয়ে
হয়তো তবে ভেতর থেকে ডুকরে ওঠা
পঙক্তি দেবে ঊষর ভিজিয়ে।

(২য় ছবি : একটি আবেদন)

অধম আশরাফুল আলম খুলনা থেকে স্বপ্নতরী নামের একটি ক্ষুদ্র মাসিক শিশুতোষ পত্রিকা সম্পাদনা করে ।
আগামী পাঁচ তারিখের ভেতর আপনাদের কাছ থেকে যে কোন ধরনের শিশুসাহিত্য কামনা করছি ।
লেখা মেইল করার ঠিকানা : shapnotori@gmail.com

সরওয়ার এবং জীবন চক্র... ১

আজকের রাত বেশ অন্ধকার। আকাশে চাঁদ তারা কিছুই নেই শুধু জমাট বেধে থাকা মেঘ ছাড়া। সরওয়ারের এই রকম রাতে বিদঘুটে যন্ত্রনাবোধ হয় কারন সে আকাশের তারাগুলি দেখতে পারে না। প্রতি রাতে সরওয়ার উঠানে পাটি বিছিয়ে শুয়ে শুয়ে আকাশে তারার দিকে তাকিয়ে থাকে আর তার মায়ের কথা ভাবে। দাদি বলেছে মানুষ মৃত্যুর পর তারা হয়ে যায় আর ঐ দূর আকাশ থেকে তাকিয়ে দেখে তার প্রিয় মানুষটিকে। তাই সরওয়ার প্রতি রাতে নিয়ম করে আকাশের তারার দিকে তাকিয়ে থাকে। সরওার নিজেও জানে না তার মার কাছে সে প্রিয় ছিলো কিনা, প্রিয়ই যদি থাকতো তাহলে তাকে মাত্র ৭ দিনের রেখে কি অভিমানে চলে গেলো না ফেরার দেশে।

আমার "রচনা সমগ্র"

মুখবন্ধঃ দেখিতে দেখিতে ফেব্রুয়ারী মাস আসিলো। বই মেলা আরম্ভ হইলো । কোকিলের কুহু কুহু করিতে লাগিলো। বইমেলায় লেখকগণের বই আসিবে , মোড়ক উন্মোচন হইবে। নিত্য নতুন বই এর পাশা পাশি পুরনো বই মেলায় আসিবে । আসিবে লেখকদের "রচনা সমগ্র"। এইসব ভাবিয়া দেখিলাম আমারো রচনা সমগ্র প্রকাশ করিবার দরকার। যেহেতু সেই ছোটবেলা থেকেই লেখা লেখি করি ( তাহা যতই অখাদ্য হউক না কেন) কাজেই আমি একজন লেখক Steve । সকলের ন্যায় আমারো তাই "রচনা সমগ্র" থাকা উচিত। যেহেতু ব্লগেই লেখালেখি করিয়া থাকি , তাই ভাবিলাম ব্লগেই আমার রচনা সমগ্র থাকা উচিত।

বিস্তারিতঃ

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ