অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

বই মেলা কড়চা- ৫

আমার মনে অনেক দুঃখ। সেই দুঃখের শেষ নাই। ছুটির দিনে অন্য দিনের চেয়ে একটু বেশি ঘুমাই। ঘুমানোর জো কি আছে ? সকাল ৯ টার পরে ছোট ছেলে ঘুম থেকে উঠে বাবা, বাবা বলে ডাকা শুরু করবে। লীনা দিলরুবা ফোন করলো সকালে। এরপর জয়িতা বানু ম্যাসেজ পাঠালো- বিকাল ৪ টায় মেলায় যাইতে ! আরে বাপু, তোর যেতে ইচ্ছে করছে, যা না... কে নিষেধ করেছে। তারপর কি আর ঘুম আসে ?

বিকাল ৪ টার দিকে বই মেলার উদ্দেশ্যে বাইক হাঁকালাম। পান্থপথের সিগন্যাল পার হয়ে বায়ে মোড় নিলাম। বসুন্ধরার একটু সামনে থাকতে ট্রাফিক সার্জেন্ট হাত দেখালো থামতে। আমি ভদ্রলোকের মত বাঁয়ে ইন্ডিকেটর লাইট জ্বালিয়ে বাইক স্লো করলাম। সার্জেন্টের কাছাকাছি যাবার পর হেসে বললো, যান বস...। আমিও কিছু না বলে আবার ডানে ঘুরলাম। ভাবছেন, সার্জেন্ট আমার পরিচিত কেউ ? যি না মশাই, আমার বাইকের সামনে প্রেস লেখাটা দেেখেই আমাকে খাতির করলো।

বাবা

আমি অনেক আগে শিশুতোষ কবিতা লিখতাম এবং সেই লেখাগুলো আমার কাছে বেশ যত্ন সহই সংরক্ষিত আছে। মাঝে মাঝে লেখাগুলো পড়ি এবং নিজের মনে হাসি। তবে হাসাটা মনে হয় ঠিক হচ্ছে না। কারণ একসময় আর কিছু না হলেও এসব লেখার 'চেষ্টা' করতাম। এখন তো তাও করি না। সুতরাং হাসলে হাসা উচিত আমার এখনকার অবস্থা দেখে। যাই হোক একবার বাবাকে নিয়ে লিখেছিলাম। কবিতাটা এখানে তুলে দিচ্ছি। আমার বাবা বেঁচে আছেন। যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন। সময় সময় আমার আসলেই তার কথা ভীষণ মনে পড়ে। এটা নিতান্তই ছোট একটা ছেলের শিশুমনের আবেগ। কিন্তু ওই যে বললাম না, এখন তো আর লিখি না। লিখলে হয়তো এই কবিতাটা দেয়া লাগতো না। আরো ভালো কিছু দিতে পারতাম।

------------------------------
মনের স্মৃতির জানালা খুলে
তোমায় মনে পড়ে,
কোথায় তুমি লুকিয়ে আছো
আমায় একা ফেলে।

তোমার মতো প্রতিদিন কেউ
করে না আমায় শাসন,
মনে পড়ে তোমার বকানি-
তোমারই কথা ভীষণ।

রঙ্গরসে জীবনযাপন-১

১. এক লোক প্যারাস্যুট জাম্প দেখাইয়া আয় করে। অনেক উপর থেকে জাম্প দেয়, পাবলিক দেখে আর যে যার সাধ্য টাকা-পয়সা দেয়। একসময় অনেক মানুষ দেখতো, এখন আর দেখে না। এক জিনিষ আর কতো দেখবে।
উপায় না পেয়ে ওই লোক এবার নতুন ঘোষণা দিল। সে লাফ দিবে, কিন্তু প্যারাস্যুট খোলা হবে শেষ সময়ে। খেলায় একটু থ্রিল আনার চেষ্টা আর কি।
খেলা শুরু হল। ওই লোকের সহকারী নীচে দাঁড়ানো, বসের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য টকব্যাক আছে। (টকব্যাক কি জানতে হলে মেসবাহ ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেন, সে সদ্য টকশো করে আসছে)। লোকটি লাফ দিল। কিছুদূর নামার পর সহকারী জানালো, ‌'ওস্তাদ, আর মাত্র ১০০০ হাজার মিটার, এইবার প্যারাস্যুট খোলেন।' ওস্তাদ জানালো, আরেকটু।

প্রবাহমানতা

অনুভব ভীষণ রকম ব্যক্তিকেন্দ্রীক, যদিও সাড়ে ছয় শো কোটি মানুষের পৃথিবীতে একক, অনন্য, অসাধারণ, অভূতপূর্ব কোনো অনুভব গাণিতিক বিবেচনায় অসম্ভব এরপরও প্রত্যেকের ব্যক্তিগত অনুভবটুকু তার কাছে এমনই অনন্যঅসাধারণ।

একটি সামষ্টিক ক্ষেত্রে নিশ্চিত বলা যায় প্রতিটি অনুভবই অসংখ্য মানুষ উপলব্ধি করেছে, একটি নির্দিষ্ট সমাজে ভাষিক সীমাবদ্ধতায় সেইসব অনুভুতি, উপলব্ধির একান্ত উচ্চারণগুলোও প্রায় ক্ষেত্রেই একই রকম শব্দগুচ্ছ দিয়েই প্রকাশিত হয়েছে, একই রকমের সসীম বাক্য দিয়েই সেসব অনুভব সংজ্ঞায়িত হয়েছে কিন্তু এটুকু মেনে নেওয়ার কষ্টও ব্যক্তি স্বীকার করতে নারাজ।

যেসব অনুভব বাক্যে প্রকাশ অযোগ্য, শুধুমাত্র নিখাদ শাররীক , কিংবা ভাষিক সীমাবদ্ধতায় ব্যক্তি সেসব প্রকাশ করতে অক্ষম সেসব অনুভুতিও কেউ কেউ নিজের মতো বাক্যে প্রকাশ করেছে, পরিপার্শ্বিক থেকে এমন ভাবেই আমাদের অনুভব উপলব্ধিগুলোকে আমরা সংজ্ঞায়িত করতে শিখেছি।

ক্যান আসো ফিরে (খুলনার আঞ্চলিক ভাষায় লিখিত কবিতা)

হাত ধইরে মারো যদি টান
টাল খায় কলজের ঘর ।
ধুয়ে যায় মান আর অভিমান
কামনায় প্যাঁচ খায় কণ্ঠের স্বর ।
সুন্দরী ! কও দেহি শুনি,
তুমি যদি প্রেমই নিতি চাও;
চোখ দিয়ে যদি কিছু কই
লাল হয়ে ক্যান ফিরে যাও ?
ছুইটে চলে গাঙ্গের পানি,
এই দ্যাহো জুয়ার অই দ্যাহো ভাঁটা ।
তুমিও গাঙ্গের মত সই
আসার আগেই ধর হাঁটা ।
ভালবাসা না-ই যদি থাহে
তালি কও, ক্যান আসো ফিরে
আমারে মুছতি দেইহে চোখ,
ভীরু চোখি চুপচাপ ধীরে !

ঘুমপাড়ানি মাসি-পিসি

সেদিন এক ক্লাসমেটের সাথে দেখা হওয়া মাত্র কি খবর, কেমন আছো কোনো কিছুর ধারধারি নাই জিজ্ঞাসা করলো এই তুমি কি এখনো ক্লাসে ঘুমাও?
আমিও স্বীকার করলাম হ্যাঁ। আগের মতোই ঘুমাই।

ক্লাসের ফার্স্ট বেঞ্চে বসে ঘুমানোর প্রতিভা আমি খুব ভালো ভাবেই আয়ত্ব করে নিসি অনেক আগেই। পড়তে বসলে বইয়ের উপর মাথা রেখে ঘুমানো সহ অনেক বিচিত্র ঘুম ঘুমানোর অভ্যাস থাকলেও স্কুল লাইফে ক্লাসে বসে কোনোদিন ঘুমাই নাই।

স্কুল লাইফের ফার্স্ট বেঞ্চার কলেজে উঠে হয়ে গেলাম ব্যাক বেঞ্চার শুধু মাত্র ঘুমের জন্য। আমার কলেজ লাইফের একমাত্র এবং অন্যতম বান্ধবী মীমের সাথে বন্ধুত্ব হওয়ার সাথেও আছে আমার ঘুমের গল্প।

বই মেলা কড়চা- ৪

এই ঢাকা শহরে থাকলেও কদাচিৎ যাদের সাথে দেখা হয় বা মোবাইলে কথা হয় সেই সব পরিচিত জনদের সাথে বই মেলা আসলে দেখা হয়। তো, এমন একজনের সাথে আজ দেখা হলো মেলায়। ভাল্লাগলো ভীষন। বিশেষ করে তার আন্তরিকতা আমাকে মুগ্ধ করলো। মনেই হয়নি প্রায় বছর খানেক পর তার সাথে দেখা হয়েছে। তার আচরণ দেখে মনে হয়েছে কালই একসাথে ছবির হাটে চা-বিড়ি খেয়েছি। ভদ্রলোকের স্ত্রীও বেশ আন্তরিকতার সাথে খোঁজ খবর নিলেন। মেলায় ঢুকেই মনটা ভালো হয়ে গেলো। যদিও অনেক মেজাজ খারাপ নিয়ে আজ মেলায় গিয়েছি। একবারতো ভেবেছিলাম, আজ বই মেলায় যাবোই না। আবার মনে হলো- তাহলে বই মেলা কড়চা- ৪ যে লেখা হবেনা। এই বার পণ করেছি- যা থাকে কপালে, কেউ পড়ুক আর না পড়ুক: ঢাকায় থাকলে প্রতিদিন একটি করে কড়চা লিখবো...

কাছিমের চুম্বন একচেটিয়া এবং

সাপের জিহ্বার মতো আকাশের বিদুৎচমক
তোমাকে পাল্টে দিল রাস্তা চেনার পাঠক্ষেত।

বিদ্যার বদলে তোমার রাস্তা গেল আলয়ের দিকে।
এবং তারপর অবিদ্যা অধিবিদ্যার পথ গিয়ে থামলো বাইজিদ বোস্তামির মাজার প্রাঙ্গনে।
সেখানে হলুদ অক্ষরে মেট্রাপলিটন সঙ্কেত বার্তা:
‌‌কচ্ছপে কামড়ে ধরলে মেঘ না ডাকা পর্যন্ত ছাড়ে না'

তোমার অধিবিদ্যাতে আগ্রহ নেই
মেঘ ডাকছে
তুমি পা চুবিয়ে ধরলে ।

তোমার জ্বালা বেড়ে গেল
কাছিমের চুম্বন একচেটিয়া এবং দীর্ঘতর।

বইমেলা চত্ত্বরে

গতবারই দেখেছিলাম, এবার দেখলাম সাজানো গোছানো মেলা তৈরিতে বদ্ধপরিকর বাংলা একাডেমী কতৃপক্ষ লেখকদের জন্য বর্ধমান হাউসের উল্টোপাশে একটা খাঁচা বানিয়েছেন, চিড়িয়াখানার গেট দিয়ে ঢুকলেই সবার প্রথমে চোখে পড়ে বাঁদরের খাঁচা আর বইমেলা চত্ত্বরে বাংলা একাডেমীর স্টল পার হয়ে সামনে এগুলেই চোখে পড়ে লেখকদের খাঁচা। অবশ্য তাদের যুথবদ্ধতা এবং সংঘবদ্ধ দাঁতখিঁচানি দেখে মনে হয় কতৃপক্ষ খুব একটা ভুল সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন নি।

কামরুদ্দীন আহমেদ তার "পূর্ব বাংলার সমাজ ও রাজনীতি" গ্রন্থে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে বুদ্ধিজীবীদের অবস্থা বিষয়ে লিখেছিলেন

উপন্যাস : অচল পয়সার জবানবন্দি (১)

নিজের ধৃষ্টতা দেখে নিজেই অবাক হচ্ছি। সেই অবাক হওয়ার মাত্রা এত বেশি যে এ নিয়ে বেশি কথাও বলতে পারছি না। আমার সকল বন্ধু-বান্ধবের কাছে সনির্বন্ধ অনুরোধ, প্লীজ এই অধমের উপন্যাস লেখার অপচেষ্টা চালানোর দুঃসাহসকে ক্ষমা করে দিন। আমি মনে হয়, জীবনে খুব বেশি বার এই অপকর্ম করবো না।
আরেকটা জরুরি কথা হচ্ছে, গত বছর আমি কিছু পোস্টে ডিসক্লেইমারের কথা বলে রেখেছিলাম। সাতটা পোস্ট। ডিসক্লেইমারগুলো পরে জানাবো বলেছিলাম। এই উপন্যাসটা লেখা হলেই সেগুলো জানিয়ে দেবো। এটা আসলে খুবই ছোট আকৃতির একটা উপন্যাস। আমি জানি উপন্যাসতো নয়ই, এটা উপন্যাসের নামে কোনো অপন্যাসও হয় নি। তারপরও ধারাবাহিকভাবে এটা আমার ব্লগে প্রকাশ হবে। সেজন্য ক্ষমাপ্রার্থী আবারো।

মাধুর্য্যময়

আমার জীবনটা এখন মাধুর্য্যময় । মাঝ রাতে হঠাৎ ঘুম ভাংলো, শুনি বাচ্চার কান্না, দেখি মাধুর্য্য বিছানায় নাই। কি ব্যাপার! কোথায় সে! দেখি ওর বাবা যে দিকে শোয়, সেই পাশের মশারীতে ঝুলছে। তার বাবা কুম্ভকর্ণের মত ঘুমিয়েছে, মেয়ে যে তার গায়ের ওপর দিয়ে পড়ে গেছে সে খবর তার নাই। মেয়ের তারস্বরে কান্না শুনে সে ও ঘুম ভেঙ্গে হতভম্ভের মত বসে রইল। আমি ছুটে যেয়ে মেয়েকে কোলে নিয়ে কান্না থামানোর চেষ্টা করলাম। খুব ভয় পেয়ে গেছে মেয়ে। একটু পর কাঁদতে কাঁদতে আবার ঘুমিয়ে পড়ল। এভাবে সারারাত ঘুম আর হয় না, প্রায় জেগেই থাকি বলা যায়। ঘুমের মাঝেও সারা বিছানা তার বিচরণ। কখন আবার কি ভাবে পড়ে যায় কে জানে? এরকম উৎকন্ঠায় সারারাত ঘুম আর হয় না আর, প্রায় জেগেই থাকি বলা যায়। হয়ত একটু চোখ লেগে গেছে, হঠাৎ টের পাই আমার ঠোটের উপর সজোরে কি যেন এসে পড়ল, ব্যাথায় কুঁকড়ে গেলাম। উহ!

আজো.. [এলোমেলো কাব্যকথন!]

আজো..

প্রতিদিনকার বিকেলবেলায়,
প্রতীক্ষা..

এলোমেলো চুলে;
আনমনা আঙ্গুল,
আদুরে শাসন..

অলস বিষণ্ণতায়;
বেড়ে উঠে-
ইট কাঠের খাঁচা,
বাতাসের ব্যারিকেড..

বেখেয়ালে বন্দি;
মনের কুঠুরি জুড়ে,
স্মৃতিধুলোর পোস্টার..
বদলে যাওয়া প্রিয়মুখ,
ছুটির নোটিশ..

দখিন দুয়ার জুড়ে,
সমুদ্দুরের হাওয়া..
হারিয়ে যাওয়ার;
সুনীল জলরাশি,
বালুকাবেলার হাতছানি..

দুঃচিন্তা ভোলার একলা প্রহর,
আধো ঘুমে রেখে দেয়া বই..
ভুলে ভরা প্রার্থণায়,
অবাক আলোর নিশ্চিন্তিপুর..

আজো..

অগাধ নির্ভরতায় ছুঁয়ে যাওয়া হাত,
ভালবাসার আশ্বাসে খুঁজে পাওয়া চোখ..

প্রতীক্ষার..

খোলা আকাশ জুড়ে,
এক ঝাঁক পায়রার উচ্ছাস..

সাঁঝের মায়া,
অন্ধকারের বদ্ধ সময় শেষে..

ফিরে চাওয়া,
সূর্যের দিন..

শায়লার দিকে যাওয়া: রাজনৈতিক সম্পর্কের মেটাফিজিক্স উন্মোচন প্রচেষ্টা...

দালান উঠছে তাও রাজনীতি, দালান ভাঙছে তাও রাজনীতি,

------ আবুল হাসান

খোলা ডায়েরি....

বছর পেরিয়ে গেল কোনো কিছু বুঝে উঠার আগেই। এর মধ্যে পেরিয়ে এসেছি কত উচু নিচু পথ। এখনও আমার কাছে সব কিছু নতুন লাগে। তোমার গল্প....তোমার হাসি....আর তোমার বেশী রেগে গেলে " কেন? ...why?

আইসক্রিম

কাল রাতে হাটতে হাটতে অনাহারী চক্ষুদল চাক্ষুস করেছে একটা নক্ষত্রের আইসক্রিম। পিপাসা আর তৃষ্ণার ছুরি আমার মাতৃভাষা বোঝেনি। আইসক্রিমটা সোজা চলে গেছে অন্য কারো হাতে। বুকভর্তি হাহাকার নিয়ে পথ চলেছি। অর্থহীন স্বরে ধ্বনির সাথে ধ্বনি। তবু একটা অদৃশ্য আইসক্রিমের ছায়া আমাকে তাড়িয়ে বেড়িয়েছে বহুকার। আমি হাতজোড় করে বলেছি, এই মুহূর্তে একটা আইসক্রিম কেনার স্বামর্থ আমার নেই। তবু নক্ষত্র কথা শোনেনি। অকারণে চোখে ঝরেছে জল, পিপাসার্ত হয়েছি আরো বেশি। হঠাৎ দেখি আইসক্রিমটা হয়ে গেছে হীমবাহ। নিরেট আর গভীর ছদ্দবেশী।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ