যা মনে আসে তাই
১.
তসলিমা নাসরিনের লেখার হাত কী নষ্ট হয়ে গেছে? পড়ছিলাম নির্বাসন, তাঁর আত্মজীবনী। ভাগ্যিস নিজে কিনি নি। তাই সময় নষ্ট হলেও অর্থনাশ হয়নি। বলে রাখি বইটা জ্যোতির। তসলিমার লেখার বিষয়বস্তু নিয়ে বিতর্ক করা যেতে পারে, তবে এটা ঠিক যে তাঁর লেখার হাত অনেক ঝরঝরে। কিন্তু হতাস হচ্ছি নির্বাসন পড়ে। লেখার ধরণটা ভাল না, ভাষার ব্যবহার ভাল লাগে নাই, ভাষার উপর দখল আছে সেটা বোঝানোর চেষ্টা আছে। কিন্তু একদমই টানলো না। সে তুলনায় পড়ে ভাল লাগলো লীনার ভাইয়ের বইটি। সেদিন অনন্ত মধ্যরাতে, মোস্তাক শরীফ লেখক।
সন্দেহ নাই উপন্যাসটির শুরুটা দুর্দান্ত। আগ্রহ জাগায়। সেই আগ্রহ পুরো বই জুড়েই ছিল। যদিও যে পরিবারের গল্প সেটি পড়লে একটু শঙ্খ নীল কারাগারের আদল আছে। সে যাই হোক বইটা টানা পড়েছি। আমি মনে হয় গত এক বছরে আর কোনো উপন্যাস পড়িনি।
বই মেলা কড়চা- ১৪
গতকাল ছিল ১৪ ফেব্রুয়ারি। ভালোবাসার দিন। মানে স্বীকৃতভাবে এদিনে যার সাথে যত খুশি ভালবাসাবাসি করা যাবে। এই ভালবাসার দিন বা ভ্যালেন্টাইনস ডে বাংলাদেশে জনপ্রিয় করে তোলেন (আমার যদ্দুর মনে পড়ে) শফিক রেহমান। অত্যন্ত রোমান্টিক এ মানুষটি যায়যায়দিন পত্রিকার মাধ্যমে ভালোবাসা নিয়ে বিশেষ সংখ্যা করেন। যাতে তিনি জানান দেন যে, ভালোবাসার জন্যও একটা স্পেশাল দিন আছে। সারা বিশ্বে সেটা পালন করা হয়। এদিনে প্রিয় মানুষটিকে/পছন্দের মানুষটিকে 'তোমাকে ভালোবাসি' বলা হয়- অনুষ্ঠানিক ভাবে। তার পছন্দের উপহার সামগ্রীও কিনে দেয়া হয়। এ ভালোবাসার মানুষটি যে প্রেমিক বা প্রেমিকা হতেই হবে তা নয়। ভালোবাসার যে কোনো একজন হলেই হবে। মা-বাবা- ভাই-বোন-স্ত্রী-পুত্র-কন্যা- বন্ধু...।
আমরা মানুষ আছি ?
আমরা মানুষ আছি ? সন্দেহ হয় ,
যে সমাজে প্রতিদিন মনিষ্য খুন হয়,
ধর্ষণের হননের নিত্য যেথা জয়,
সে সমাজ মানুষের ? কি করে যে হয় !
বিবর্তনের উল্টো রথে কি জানি কবে,
অমানুষ হয়ে গেছি বাঙ্গালী সবে ।
সন্ত্রাসের সংহারের নিত্য করি চাষ,
মানুষ আমরা ? নাকি দানব পিচাশ !
বোনের ইজ্জ্বত লুঠি, ভাই করি খুন,
কষে -------মেরে দিই যার খাই নুন ।
নির্দ্বিধায় মিথ্যা বলি, স্বার্থে হলে হানি,
জনকের জান নিতেও সংকোচ না মানি
জলপাই বনের আখ্যান
*
ধুসর গুবরেপোকাটা সেজেছিলো ফিরোজা সোনালী ডোরাকাটা রঙের সাজে।
**
জলপাই বনের স্নিগ্ধ সবুজে ঘুরতে এসেছিলো একটা নীল প্রজাপতি। সবুজগুলো আরো বেশী সবুজ হয়ছিলো সেই নীল প্রজাপতির আগমনী গানে। জলপাই বনের পাখিরা, কেউই দেখেনি গুবরেপোকার আনন্দ। শুধু রঙ মাতাল বসন্ত তার দারুচিনিগন্ধী হাওয়া ছড়িয়ে দিয়েছিলো এদিক ওদিক।
***
কৃষ্ণপক্ষের ক্ষয়াটে চাঁদের আলো ঈর্ষায় খয়েরী হয়ে যায়। জলপাই পাতাগুলি জড়োসড়ো হয়ে ওঠে সেই খয়েরী চাঁদের ঈর্ষায়। মৃদু আলোমাখা পথ ধরে ফিরে যেতে থাকে আনন্দের দল, আর অস্ত্র সজ্জিত বিষাদেরা এক এক করে দখল নিতে থাকে দারুচিনীগন্ধী হাওয়ার।
****
এখনই বলতে পারছি না ভালবাসিই তোমাকে
মুখের ভেতরে পাথর টুকরো - বলে ফেললেও উল্টো শুনবে তুমি
যখন সবার জন্য একটা করে নক্ষত্র কেনা হবে
তার ভূপৃষ্ঠে মুখের টুকরো ফেলে
বলবো ভালবাসি
আপনাদের তো মনে আছে যখন চিরকুটের ভেতর থেকে
এক গুচ্ছ স্বপ্ন বের হলো? মনে নেই!
তবে শুনুন গোড়া থেকে। আমাদের স্বপ্নেরা জন্মে
দমকা হাওয়ায় এক আড়ষ্ট জানলা খুলে
যার ভেতরে বৈমানিক চলচ্চিত্র পৃষ্ঠা উল্টে শোনায়
কোনো এক গ্রহের নাগরিক ইতিহাস
সেখানে দুজন ছিলো - কেবল দুটো স্তম্ভে
সটান স্বল্প দূরত্বে
তাদের পায়ের নিচে আবদ্ধ করোটি - শরীর থেকে খসে
স্বপ্নসৌধ গড়ে
আর চারদিকে ঐ নিথর শূন্যতার মাঝেও
পরিস্কার হুমকি দিয়ে যায় ধাবমান হৃদস্পন্দন
যেনো সত্যিই এগুলো স্বপ্ন নয় শেষে
এই সভ্যতায় আমাদের বিকার নেই।
প্রকার আছে বহু।
বহু সংখ্যক মানুষের বিকার থেকে
এখন বলা সম্ভব নয় ভালোবাসি
ড্যাম কেয়ার
আহা! কি যে বাহারে
কমছে সূচক শেয়ারে,
কতো কি যে প্রণোদনা
প্রধানমন্ত্রীর বিবেচনা
গেলো মাঠে মারা যে।
মুহিত কামাল সালমান
করলো জারি ফরমান,
মৌলভিত্তি জেনে বুঝে
লগ্নি করো শেয়ারে
রবে ড্যাম কেয়ারে।
কি যে মজা আহা! রে
সূচক কমছে বাহা রে,
স্বল্প মধ্য দীর্ঘমেয়াদে
প্রণোদনা কয় কাহারে
বাড়ছে কি দর শেয়ারে।
ফটকাবাজের সরদার
কমিটি করে বারবার,
তদন্ত নয় সময়ক্ষেপণ
প্রতিবাদে দলন-পীড়ন
কি তামাশা বাহা রে।
দিন নয়, মাস নয়
বছর গেলো পেরিয়ে,
দরপতনের এমন ধারা
দেখেনি কেউ শেয়ারে
মরছে যুবক আহা! রে।
অর্ধাহার আর অনাহারে
যাচ্ছেবা কেউ দিন গুজারে,
দায়দেনা লোনের দায়ে
মানসম্মান সব হারিয়ে
নিচ্ছে বেছে পরপার!
নিঃস্ব সবাই কাঁদছে এবার
কাঁদছে যে তার পরিবার,
আত্মহনন কেউবা করে
সাধ্য কি তা দুর্নিবার
কমছে সূচক বারবার।
০৮.০২.২০১২
"ম্যুরাল", আমরাবন্ধু ব্লগ সংকলন ১ এর মোড়ক উন্মোচন : আপনি আসছেন তো?
বন্ধুরা...
আগামী ১৬ই ফেব্রুয়ারী বৃহষ্পতিবার সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় লিটলম্যাগ চত্বরে আমরাবন্ধু'র বন্ধুদের উদ্যোগে ম্যুরালের মোড়ক উন্মোচন হবে। মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে সকলকে সবান্ধবে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। আপনাদের উপস্থিতি আমাদের প্রেরণা যোগাবে।
ম্যুরালের প্রথম কিস্তি আমাদের হাতে আসার পর আমরা বই এর বান্ডিং এবং কাটিংয়ে কিছু সমস্যা দেখতে পাই। সঙ্গে সঙ্গেই সকল বই প্রত্যাহার করে নতুন করে ছাপা এবং কাটিংবাইন্ডিং করে আপনাদের কাছে উপস্থাপন করি। আমরা মানের বিষয়ে কোন আপোষ করতে চাইনি। প্রথম যেদিন ম্যুরাল মেলায় আসে সেই দিন যে সকল বন্ধুরা বইটা সংগ্রহ করেছেন তাদের বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি, আপনাদের সংগৃহীত বইটা লিটলম্যাগ চত্বরের ‘গল্পপত্র’ অথবা ‘কবিতা সংক্রান্তি’ স্টল হতে বিনামূল্যে বদলে নেয়ার জন্য।
মুর্যাল এলো এই বসন্তে বইমেলাতে! - ছবি ব্লগ

প্রথম সংকলন ফুরিয়ে যাবার পর গতকাল বইমেলায় ফাল্গুনের বসন্ত বাতাসে সব এলোমেলো করে দিতে এলো "মুর্যাল"

টিভি ক্যামেরাও কাভার করতে এসে গিয়েছিলো মুর্যালের আগমনীকে, কিন্তু আমাদের 'বিষাক্ত মানুষ' দখল করে ফেললো ফুটেজ! শত হলেও মডেল বলে কথা!

ধন্দে পড়বেন না, বিজ্ঞাপন তৈরী বাদ দিয়ে ভাস্কর'দা টুথপেষ্টের বিজ্ঞাপনে নামেননি, মুর্যাল'কে নিয়ে উনার প্রানোচ্ছল প্রতিক্রিয়া!

মুর্যাল হাতে পেয়েও জনৈক শেয়ার ব্যাবসায়ীর এলোমেলো চাহুনি!
ভালবাসি
আমি ভালবাসি সখি একটি কুসুম,
প্রস্ফুটিত যা আমার হৃদয় কাননে,
আমি আঁকি নিয়ত তার পাপড়িতে চুম ।
ভালবাসি আমি তোর হৃদয় কুসুম !
আমি ভালবাসি সখি দু’টি চোখ কালো,
ডাগর সায়রে যার ডুব দিয়ে সই,
থই নাহি পাই কভু, না পাই দিশালো,
আমি ভালবাসি তোর চোখ জোড়া কালো ।
আমি ভালবাসি তোর অধর পলাশ,
লাল গোলাপের চেয়েও আরো লালিমায়,
ছোঁয়ায় রাঙ্গায় মোর মনের আকাশ,
আমি ভালবাসি তোর অধর পলাশ !
ভালবাসি ! ভালবাসি ! ভালবাসি !
একটা প্রিয় গানের কথা, লিখে রাখলাম অকারণেই
চন্দ্রবিন্দুর 'ভিনদেশি তারা'র চেয়ে বেশি প্রিয় আর কোনো গানকেই কখনো মনে হয় না। যখন মনটা খুব বেশি খারাপ হয়ে থাকে, কথা বলতে ইচ্ছে করে না কারো সঙ্গে, এমনকি নিজের সঙ্গেও; তখন মাঝে মাঝে গানটা প্লেলিস্টে ঢুকিয়ে 'রিপিট' অপশনটা চালু করে দিই। শুয়ে থাকি চুপচাপ। শেষ প্যারাটা অনেক সময় আমাকে খামচে ধরে। ভাবি, এই কথাগুলোর সঙ্গে আমার জীবনের এত মিল কেন? ভাবনাগুলো আমাকে সাজেস্ট করতে থাকে, জীবনটা এমনই। জোয়ার-ভাটাময়। এক সময় খেয়াল করি, নিজের সঙ্গে কথা বলতে পারছি। তারপর আস্তে আস্তে, আবার সবকিছু ঠিক হয়ে যায়। আমি ধীরে ধীরে উঠে আমার মুটে জীবনে ফিরে যাই। কোনো কারণে ব্যবস্থাটা যখন কাজ করে না, তখন কি করা যায় ভাবতে ভাবতে আজকের এই পোস্টটা লেখা হলো। সবাইকে শুভেচ্ছা।
আমার ভিনদেশি তারা
একা রাতেরই আকাশে
তুমি বাজালে একতারা
আমার চিলেকোঠার পাশে
ঠিক সন্ধ্যে নামার মুখে
তোমার নাম ধরে কেউ ডাকে
মুখ লুকিয়ে কার বুকে
বাংলাদেশ বিষয়ক সভা: যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল এবং জবাবদিহিতা প্রসঙ্গে মতবিনিময়
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের প্রসিকিউটর এডভোকেট জেয়াদ-আল-মালুম সম্প্রতি ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের কয়েকজন সম্মানিত সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত কমিটির সামনে একাত্তরের মানবতা বিরোধী বিচার সংক্রান্ত কর্মকান্ড নিয়ে একটি বক্তব্য পেশ করেন। তার বক্তব্যে তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল কিভাবে তদন্ত ও বিচারের উন্নত মানদন্ডের নীতিসমুহ পূঙ্খানুপূঙ্খ অনুসরণ করে তা বর্ণনা করেন। আইসিএসএফ এর অনুবাদ টিম ইংরেজিতে দেওয়া বক্তৃতাটি বাংলায় অনুবাদ করে। যুদ্ধাপরাধীরা এবং তাদের সমর্থনকারী দলগুলোর প্রতিনিয়ত বিচারের মান নিয়ে করা মিথ্যাচারে যারা বিচার ব্যবস্থা নিয়ে সংশয়ী এবং একই সাথে যারা পুরো পক্রিয়া সম্পর্কে ধারণা পেতে চান লেখাটি তাদের কাজে লাগবে বলে আমাদের বিশ্বাস।
বাংলাদেশ বিষয়ক সভা: যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল এবং জবাবদিহিতা প্রসঙ্গে মতবিনিময়
'ভালোবাসা দিবস'
'ভালোবাসা দিবস' যতই ঘনিয়ে আসছে আমার কিছু বন্ধুদের হাহাকার ও দেখছি ততোই বাড়ছে। কেউ কেউ frustration- য়ে ভুগছে, কেউ কেউ আবার ধুমধাম করে প্ল্যান করছে ভালো্বাসার মানুষকে নিয়ে। আমরা বাঙ্গালীরা আর কোনো দিবস উৎযাপন করি আর না করি...এই দিনটা কোনোভাবেই হাতছাড়া করা যাবেনা।
আমার এক বন্ধু দেখলাম একটা অভিমান ভরা ছড়া/কবিতা শেয়ার করেছে যেটা পড়ে আমার খুব মজা লাগল,-
''আমাকে ভালোবাসতে হবে না,
ভালোবাসা পেতে পেতে এখন আমি ক্লান্ত,
আমি চাইনা কেউ আমার জন্য অপেক্ষা করুক,
আড্ডার তুমুল সময়ে ফোন দিয়ে বলুক, তুমি এখন কোথায়?
আমি চাই না আমার জন্য কেউ না খেয়ে বসে থাকুক,
আমি চাইনা কেউ আমার লোকাল গার্জিয়ান হোক
আমি চাই না, কেউ নিজে চোখ লাল করে বলুক,
তোমার চোখ এতো লাল ক্যানো?
(আমি স্ত্রীজাতিকে মুক্ত করতে চাই স্বামীসেবার দায় থেকে 
ভালবেসো.. [এলোমেলো কাব্যকথন!]
ভালবেসো;
তারে,
যে তোমারে ভালবাসে..।
যে জন তোমার
দুঃখ-দিনে;
ঠিক রয়ে যায় পাশে,
তোমার সুখে আনন্দে যে ভাসে..
জেনো;
সে তোমারে ভালবাসে..।
তোমার চোঁখের জল মুছে যে,
হঠাত্ হাসির ছলে..
হাল না ছাড়ে;
দেখতে হাসি,
তোমার চোঁখের কোলে..।
যারে;
দুঃখ দিলে-ও,
সব ভুলে যায়;
একটু মৃদু হেসে..।
যত্ত দুরেই যাক চলে যাক,
সঙ্গী হয়ে হৃদয় জুড়ে থাকে..
চাও যখনি;
হৃদয় মাঝে,
এক লহমায় -
স্মৃতির তোড়ে ভেসে..
মন জুড়ানো ভালবাসায়,
জড়িয়ে ধরে এসে..।
জেনো;
সে তোমারে ভালবাসে..।
ভালবেসো তারে..
কত্ত শত মন ভোলানো
ভালবাসার ডাকে;
যে জন তোমায় একটু খানি,
'সত্যি' ভালবাসে..।
[ অনেক অনেক ভালবাসা, সব্বাই কে.. <3
]
তুমি কিংবা তুই
"তোমাকে চায়"
রাত ১০:৩১, বুধবার ১৩-০৭-২০১১
মেঘলা রাতের জোছনা এবং জোনাকি মিলে
কলমিলতার ঘ্রাণে পাগল কাজল ঝিলে
ঘাসফরিংয়ের ডানায় উড়ি নিরবতায়
এসব কিছু কেবল যেন তোমাকে চায় ।
"তোর আবেশ"
10:47pm, Sat 21-05-2011
আজ আমার আকাশ জুড়ে ওড়েনি গাংচিল।
ফোঁটা জল তোলেনি ঢেউ, স্তব্ধ বিল-ঝিল।
ধোঁয়া ধোঁয়া বিকেল হঠাত্ তারায় ঝিলমিল।
তোর আবেশে আনাড়ি কবি খুঁজে অন্তমিল।
বই মেলা কড়চা- ১৩
আজ পয়লা ফাল্গুন। বসন্তের প্রথম দিন। সকাল বেলায় ঘুম ভেঙ্গেছে একটি মৃত্যু সংবাদ দিয়ে। এমনিতেই নানাবিধ কারনে মন ভাল নেই। পরশু রাতের কোনো এক সময়ে সাগর আর রুনি খুন হয়েছে নিজের বাসায়। তার ধকল সামলানোর আগেই আজ আবার মৃত্যু সংবাদ! এ যেনো একটি নক্ষত্রের পতন হল। এক সময়ের মঞ্চ কাঁপানো অভিনেতা, তারপর টেলিভিশন নাটক, এরপর বাংলা সিনেমা- সব জায়গাতেই ছিল তার অদম্য বিচরন। অভিনয় শিল্পীর তো অভাব নেই এদেশে, অথচ তাঁর মত অভিনেতা হাতে গোনা যাবে...। কত যুগ পরে আবার এরকম একজন অভিনেতার জন্ম হবে কিংবা আদৌ হবে কিনা, বলা মুশকিল। বলছিলাম হুমায়ুন ফরিদীর কথা। পরম করুনাময় তাঁর আত্মার শান্তি দিক...