অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

কেন এসেছিলে

বসন্ত তুমি কেন এসেছিলে
কোকিলের কুহু ডাকে ,
মুকুলের ঘ্রাণে , শিমুলের ডালে ,
কাদাজল নদী বাঁকে ।
দাঁড়কাক এক উঠোনের কোনে
সারাদিন কাচ্ছিল আনমনে ।
কোথা থেকে উড়ে এসে হেসে ওঠে
কোকিল ধুরন্ধর ।
ভুলে যায় কাক মানায়না তার
কোকিলের মধুস্বর ।

কুশিয়ারা ও একজন লেখকের গল্প

ফেব্রুয়ারি মাস শেষ হতে চলল। বইমেলায় যেতে পারিনি। চট্টগ্রাম থেকে দু’এক দিনের জন্য ঢাকা যাওয়া খুব যে কঠিন তা নয়। তার ওপর আমার একটা উপন্যাস এসেছে মেলায়। কিন্তু আমি একা তো আর যেতে পারি না। মেয়ের বায়না- সেও যাবে। মেলা থেকে বই কিনবে। আমার স্ত্রী একটা স্কুলে চাকরি করেন। তাঁর আর আমার ছুটির সময়টা মেলেনি বলে যাওয়া হয়নি।
কিন্তু মেয়েকে কী করে সামলাই? তার বই চাই। নিয়ে গেলাম আন্দরকিল্লা। লাভ কিছু হয়নি। মেয়ে বইমেলা থেকেই বই কিনবে।

পাগলের দিনলিপি (ষোল)

দিকভ্রান্ত হয়ে যে পথিক চলেছে কোথাও
তার সাথে কথা হলে মনে হয়
বাস্তবতঃ দিকে কোনো ভ্রান্তি নাই
দিনে দিনে কেবল নতুন সত্য তৈরী হতে থাকে।
কেবল বিশ্বাসী বকেরা অভ্যাসে উড়ে যায়
অবিশ্বাসে তাদের বিপত্তি আসবে বলে ভেবে নিয়ে।

পথ ভালোবেসে পথের সৌরভে
পৌছবার তাড়া অথবা আলসেমি ভুলে যেতে হয়
পথ কখনো প্রতারণার গোলকধাঁধাঁ আঁকে নাই
তার শরীরে রয়েছে সহজ স্বচ্ছতা...

আমি সেই ট্রাক চালকের বন্ধুত্ব বরণ করি
যে বোঝে না উদ্বেগের দেহরেখা,
যার কখনো ফেরার তাড়া নাই...
পথে নেমে পথের বিভ্রান্তি ভুলের বিলক্ষণ মন্ত্র
তার শেখা আছে...

নিরবচ্ছিন্ন পাখিসমূহ: ঐশ্বরিক গন্ধ

খুব ভোরে সূর্য উঠার আগে একবার নিজস্ব ভুলে অনেক দূর পথ হেঁটে গিয়েছিলাম একাকী। অনেক পথ হেঁটে যাবার পরে মনে হয় এখনো শুরু হয়নি পথচলা। তাই ফি পথে পথচলার শুরু ফি-বার! এভাবে, এভাবেই হয়তো কোন একদিন পথের দেখা পাওয়া হবে বলে জেনেছিলাম কেউ কোন একজনের কাছ থেকে! কে, কখন আর কেনই বা বলেছিল তা আমি মনে করতে পারছিনা মোটেও!

এখানে যেখানে একবার তুমুল পদক্ষেপ ফেলেছিলাম সেখানে আজ দেখি কিম্ভূত পদচিহ্ন। এ আমার নয় বলে খানিক অবিশ্বাস্য চোখে বলেছিলাম কেউ কোন একজনকে। একান্ত সময়ে ভেবে দেখি এ আমার ভুল ছিল; খুব চোখে পড়া ভুলই! তাই ভুলের ফেরে নিজেকে জড়ানো হবেনা বলে সাক্ষী রেখেছিলাম একটা অবিশ্রান্ত পাখিকে। এ পাখি ডানা মেলতে জানে। তাই পুনর্বার ডানা মেলে বাতাসে; ফুড়ুৎ!

সোহেল ভাই ০১২

এইটা কি পড়ছোস তুই?

ক্যান কি হইছে?

না জিনিষটা কি সেইটা বুঝায়া ক?

তোর সমস্যাটা না কইলে ক্যামনে বুঝবো কি পড়লাম।

না যেইটা পইরা আছোস ঐটারে কি বলে?

এইটা টি শার্ট আর এইটা প্যান্ট

ও সেইটা তো বুঝায়া কইবি যে এই জিনিষটা প্যান্ট, আমি ভাবছিলাম তুই কাপর কিন্যা আইকা দিয়া পায়ের সাথে লাগায়া রাখছিস। তো এইটা পইরা হাঁটতে সমস্যা হয় না?

ক্যান দেখলি তো হাইটাই এইখানে আইলাম

না মানেএই জিনিষ পইরা তো হাঁটাহাঁটি করার নিয়ম নাই, কোনো শোরুম থেইক্যা কিনলে ঐখানে গিয়া আবার তুই ইউজার গাইড দেখিস, দেখবি লিখা আছে শুধুমাত্র প্রদর্শণীর জন্য, সর্বসাধারণের ব্যবহার্য নহে।

হাজার হাজার পোলা এই জিনিষ পইরা ঘুরতেছে, রাস্তায় গিয়া দেখ, তোর তো ফ্যাশনসেন্স বইলা কিছু নাই, তুই এইসবের কি বুঝবি শালা উজবুক।

এবারের বই মেলায় যে বই কিনলাম

১. আরজ আলী মাতুব্বর রচনাসমগ্র-পাঠক সমাবেশ
২. অপৌরুষের ১৯৭১-অদিতি ফাল্গুনী-শুদ্ধস্বর
৩. গল্প, অগল্প না-গল্প সংগ্রহ-শাহাদুজ্জামান, পাঠক সমাবেশ
৪. প্রবাদের উৎস সন্ধান-সমর পাল, শোভা প্রকাশন
৫. শতবন্দনা-জিয়াউদ্দিন সাইমুম, দিব্যপ্রকাশ
৭. যখন ক্রীতদাশ:স্মৃতি ১৯৭১-নাজিম মাহমুদ, মুক্তধারা
৮. সত্তর দশকে-আনু মুহাম্মদ.একুশে বাংলা প্রকাশন
৯. হায়েনার খাঁচায় অদম্য জীবন-মন্টু খান, মুক্তধারা
১০. আমার একাত্তর-আনিসুজ্জামান, সাহিত্য প্রকাশ
১১. একাত্তরের মুজিবনগর-বি বি বিশ্বাস, আগামী
১২. সেদিন অনন্ত মধ্যরাতে-মোস্তাক শরীফ, অ্যাডর্ণ
১৩. জেগে উঠেছে ইরান-শিরিন এবাদি (অনুবাদ), সন্দেশ
১৪. কান্নাপর্ব-আহমাদ মোস্তফা কামাল, শুদ্ধস্বর
১৫. ইন্তাম্বুল, একটি শহরের স্মৃতিচারণ-ওরহান পামুক (অনুবাদ), সন্দেশ
১৬. ঘুমের ভিতর নিদ্রহীন-আবদুল মান্নান সৈয়দ, শুদ্ধস্বর

বইমেলা-২০১২(টুকিটাকি-৩)

রোজ ই ভাবি বইমেলায় কয়েকদিন আর আসব না। এই ভাবতে ভাবতে বইমেলা প্রায় শেষ হয়ে আসলো। একাকী মানুষের অনেকগুলো দিন ভালো কাটলো। দিনশেষে বইমেলায় যাওয়া, কখনো কিছু বই নেড়েচেড়ে দেখা, কেনা..আবার কখনও হয়ত লিটল ম্যাগ চত্বরে বাঁশের বেঞ্চিতে অকারণেই বসে থাকা--মানুষের আনাগোণা দেখা, গান শোনা।মন শান্ত-স্নিগ্ধ থাকার এক অনুভূতি। বই এর ভিড়ে আর বইপ্রেমীদের মিলনমেলায় মনের খোরাক যোগানোর লোভটা সামলাতে পারি না একদমই। কোন না কোন উছিলায় তাই রোজ যাওয়া।

একাকীত্ব এবং মুখোশ পড়া দুঃখ বিষয়ক

ধুয়ে ফেলি রক্তাভ পাপ, সবুজাভ পূণ্য।

এলোমেলো পদচিহ্ন পড়েছিলো যেই কার্ণিশে, একাকী;
সেখানে ধীরে ধীরে জমে উঠেছে শৈবাল কোরাস,
অশান্ত চড়ুইয়ের দল প্রতিদিন মেতেছে ঐকিক নিয়মের পাটিগণিতে।
সামাজিক বোধের জল থৈথৈ পুকুর
উপচে গেছে অসামাজিক সান্ধ্য আইনের পেয়ালাতে।

ঘুমন্ত নারীর স্বপ্ন
ছড়িয়ে পড়েছে বিচ্ছিন্ন পংক্তিমালায়
বইমেলার ধুলার আভরণ ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে
জড়িয়ে নিয়েছে নির্ভরতার সীসার দেয়াল, বিভ্রান্ত আচরণ।

রঞ্জন রশ্মি ভেদ করে গেলো
প্রথমতঃ কাপড়
তারপরে একে একে
ত্বক
পেশী
অস্থি
মজ্জা।
নিখুঁত ছবি ভেসে উঠলো সীসার দেয়াল ভেদ করে
অদৃশ্য অক্ষিগোলকের স্নায়ু তন্ত্রী জুড়ে।

বসন্তের উদাস হাওয়াসুলভ চপলতায় মসৃণ, ভেসে এলো কাগজের প্লেন
সুখে ও যাপিত জীবনের অন্দর মহল পেরিয়ে।

দুঃখেরা অস্থির, ছটফটিয়ে উঠলো ছদ্ম সিন্দুকের আলিঙ্গনে, হাসির মুখোশ পরে।

ম্যুরাল: পোস্টমর্টেম

ম্যুরাল নিয়ে রিভিউ দেবার কথা অনেকেরই। লক্ষ্য করলাম- এ বলে বি কে। বি বলে সি কে। সি বলে ডি কে। আর ডি বলে এ কে...। ফলাফল: ১০ তারিখে ম্যুরাল মেলায় আসার পরও আমরা এবির পাতায় ম্যুরালের কোনো রিভিউ দেখতে পাই নাই। তাই আল্লার নাম নিয়ে আমি বসে গেলাম লিখতে।

ভালো দিক:
ম্যুরালের অনেক অনেক কটি ভালো দিক আছে। তারমধ্যে উল্লেখ করার মত হলো-
১. বেশ কটি ব্লগ সংকলন এবার বই মেলায় প্রকাশিত হয়েছে। তার মধ্যে লেখার গুনগত মানে ম্যুরাল সেরা বলে আমি মনে করি
২. ফর্মা হিসাবে ম্যুরালের মূল্য মেলায় প্রকাশিত অন্য বইয়ের তুলনায় কম
৩. ম্যুরালে প্রকাশিত নুরুজ্জামান মানিকের- ১৯৭১: ডিসেম্বরের দিনগুলি মুক্তিযুদ্ধের সময়কার এক অনন্য দলিল। শুধু এই লেখাটি আরো বিস্তারিত করলে এটি দিয়েই একটি বই বের করা যেত

বিহারের নাসিমার আশ্রয়ে থাকা আমাদের রুমা ফিরতে পারবে না?

আল-জাজিরা টিভির একটি প্রতিবেদনে ভারতের বিহার রাজ্যের তরুণী নাসিমা নামের এক বাতিঘর সম্পর্কে জানলাম। শ্রদ্ধায় অবনত হলাম। নাসিমা নিষিদ্ধ পল্লীতে বেড়ে ওঠা একজন বিদ্রোহী তরুণী। অন্ধকারে আটকে পড়া মেয়েদের রক্ষা করতে তাঁর যাবতীয় সংগ্রাম। একটি এনজিও গড়ে তুলেছেন। একটি পত্রিকার সম্পাদকও তিনি। শুরুতে চার পাতার পত্রিকাটি হাতে লিখে বিতরণ করত তাঁর সহযোগী মেয়েরা। সেটি আজ ৩২ পাতার পত্রিকা। বিলি হয় সারা বিশ্বে। পতিতাপল্লীতে প্রথম যে কাজটি নাসিমা সফলভাবে সম্পাদন করেছেন, তা হচ্ছে, নতুন কোনো মেয়েকে আনা হলে তাকে রক্ষা করে আপনজনের কাছে ফেরত পাঠানো।

নেশার মেলায়..

নিজের পকেটের পয়সা খরচ করে বই, সিনেমা, গান, কোমল সম্ভার কিনতে আজকাল কোন আগ্রহ পাই না। তাছাড়া, যা কিছু শক্ত, যা সংখ্যায় বেশী হলে সাথে রাখতে সমস্যা, তাতে উৎসাহ কম পাই। বই হলে পিডিএফ এ চাই; কখন কোথায় থাকি ঠিক নাই, তাই আজাইরা বুকশেলফ ভরার মানে নেই। সিনেমা আর গান হলে কোমল-অনুলিপি, আজাইরা সিডি-ডিভিডির স্তূপ করে লাভ নাই। বই, সিনেমা, গান, কোমল সম্ভার, যা কিছু ভাল, এসো আমার হার্ডডিস্কে এসো। কিন্তু বই মেলায় গেলে সব সংকল্প কোথায় যেন হারিয়ে যায়।

25022012050.jpg

একটা সময় ছিল যখন একুশে বইমেলায় সারা মাস প্রতিদিন হাজির থাকতাম। পিছনে তাকালে সেটা এই জীবনে নাকি গত জন্মে, নিজেরই সন্দেহ হয়। বইমেলার ওই এলাকার বাতাসে মনে হয় নেশার কিছু ভাসে, যারা যায় তারা নেশাগ্রস্থ হয়ে বার বারই যেতে থাকে।

ভাল বই মন্দ বই

অমর একুশে বইমেলা শেষ হয়ে আসছে।বিকেল হলেই এই শহরের ব্যস্ততা উপেক্ষা করে কোথাও যাবার জন্যে মন উদগ্রিব হবে না আর।।এক বছর মেয়াদী একটা অপেক্ষার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করছি।
পাঠক লেখক ও প্রকাশকের এই মিলন মেলা শুধু আড্ডা বা বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়।জাতির মানসিকতা গঠনেও এর অবদান অনেক।দেশের পাঠ্য বই বহির্ভূত ৯৫শতাংশ বই এই মেলা কেন্দ্র করে প্রকাশিত হয়।ফলে, গত এক বছরে দেশের গুনীদের ভাবনার সম্মিলন হয় মেলায়। বাংলা একাডেমীর হিসাব মতে,এবারে বই আসার কথা প্রায় চার হাজারের মত। অনেকেই বলা শুরু করেছেন এরমধ্যে মানসম্পন্ন বইয়ের সংখ্যা হাতে গোনা। মানে জাতীয় জীবনের নানা তর্কের মত বইমেলা নিয়েও বেশ কিছু বিতর্ক এখন মেলার মৌসুমে আছে।

অবিনাসী

শব্দ থেমে যাবে
চিৎকার থামবে না কোনদিন
ঝড় থেমে যাবে
তবু থামবে না গর্জন
রাস্তার স্লোগান, গলাবাজি, ক্যানভাস
থেমে যাবে, থেমে যাবে
খাদ্যের ভাগাড়, অশ্লীল ঢেকুর
বেহুদা বনবাস, দেখো একদিন ঠিকই থামবে সব।
তবু যে ভালোবাসা আমি লিখেছি কবিতায়
পরতে পারতে পাতার পতঙ্গ পেয়েও পাবে ফুল
সে রুপকথাতো থামবার নয়।
যে পথে এসেছিলো গান
অথবা যে পথে যাওয়া যায় একেবারে চলে
সে পথ ধরে আজীবন রয়ে যাবে আগন্তুক আনাগোনা।
থেমে যাবে, দেখো অন্য সব থেমে যাবে
শুধু তোমার কপালে টিপের লাল
থামবে না কোনদিন....
থামবে না মুগ্ধ মন
আর কলমের কাঙ্খিত কুরুক্ষেত্র
{(c) MNI, F.B 25.02.2012}

নিশ্চিহ্ন

জাহাবাজ জোস্নায় র্নিবৃক্ষ প্রান্তর
এখানে ধু ধু চক্ষুসীমা।
অবশেষে তবে ফিরে চলো কারণিক
চাক্ষুস সমূদ্র আর নেই কোথাও।
ছায়া নেই, রৌদ্র নেই এমন কি বৃষ্টির কণাও
দূর তুর পাহাড়ে ঈশ্বর যে কথা দিয়েছিলেন মুসাকে
তাও ফিরিয়ে নিয়েছেন তিনি।
মেষ পালক, হে বন্ধু আমার- তুমি তবে ফিরেই যাও
এ পথে আমার আর কোন চিহ্ন পড়ে নেই।

এক একটা দিন বড় বেরঙীন

হয়তো একটি মুহূর্তের স্কেচ এসব কিছুই, সে মুহূর্তে সবাই পরবাসী, গৃহের অন্তরালে, পলাতক জীবনযাপনে সবাই কোনো না কোনো পক্ষ বাছাইয়ের লড়াইয়ে বিভ্রান্ত হচ্ছিলেন, প্রতেকের ভেতরেই বিভিন্ন রকমের সংশয় ছিলো, কিন্তু দেয়ালে ঠেকে যাওয়া পিঠ আর সামনে আগুণ, দেয়াল ভেঙে পালিয়ে যাওয়া কিংবা আগুণে ঝাপিয়ে পড়ার এই ভাবনার দ্বৈরথে অনেকেই আগপাশ বিবেচনা না করেই আগুণে ঝাপিয়ে পড়েছিলেন। আমি সে সময়ের পরের প্রজন্ম, আমার যাবতীয় রসদ আত্মজীবনির পাতা থেকে খুঁজে নেওয়া, এর সাথে ১৪ আনা কল্পনা মিশিয়ে একটি সময়ের ভাবনা লিখছি সে সময় আমার অপরিচিত এবং আমার বেড়ে ওঠা শৈশবের সাথে যে সময়ের কোনো মিলমিশ নেই।

------------------------------------------------------------------------------------------------------
-------------------------------------------------------------------------------------------------------

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ