অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১১ জন অতিথি অনলাইন

পাঠ করো দিন, পাঠ করো রাত-দুই

সকালে আমার ঘুম ভাঙলেও বালিশটা ঘুমিয়েই থাকে! আমার বালিশের অমরত্ব আছে
বালিশ ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে ও বেঁচে থাকে আর আমি বেঁচে থেকেও মরে আছি ঠাকুর!

এক ভোরবেলায় বনফুলের মায়ায়, পুড়েছিলাম চৈত্রপারের হাওয়ায়। আর বলেছিলাম 'সমস্ত না পাওয়া নিয়েছি দু'হাত ভরে দেখো হাতে আর জায়গা নেই!' মুখে কোন কথা নেই, আমার সকল কথা পুড়িয়ে পুড়িয়ে ডুবে যায় সূর্য হাত ঘড়িতে!

আমি পাঠ করি দিন; পাঠ করি রাত
দেখি নীল নীল অক্ষরের সন্তরণ
দেখি দৃশ্য থেকে আড়াল হয়ে যাওয়া
দেখিনা কখনও, কিভাবে আড়াল থেকে দৃশ্য হয়ে উঠেছিলে !

নাম কীর্তন!!!

কোন জায়গা বা মানুষের নাম শুনলেই মনের মধধে একটা না একটা ছবি ভেসে ওঠে। তারেই বুঝি কয় নামকরনের সার্থকতা! তয় কয়টা জায়গা বা মানুষের নাম যথার্থ, সেইটা নিয়া বোধ করি আমার মতো আপনেরাও সন্দিহান। প্রতিটা ফ্যামিলি-তেই বাবু নামের কেও না কেউ পাইবেন। কন তো, কয়টা বাবুর মধধে বাচ্চা সুলভ বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান? পাইবেন না। আসলে বাবা মায়েরা নিজের পোলাপান-রে চিনে, এইটা খুব একটা মনে হয় না। নইলে, কোমল নামের মাইয়া-টার মনটা, কেন আমার জন্য কোমল হইল না! আমার সাথে যেইরকম আচরণ করসে, তাতে শিরীষ কাগজও মোলায়েম মনে হয়। আবার শিলা’র মতো নরম মনের মাইয়া আমি আর দেখি নাই। কলেজে প্রতিদিন-ই আমাগো কিছু না কিছু খাওয়াইতো। খালি কইলেই হইত, “দোস, খিদা লাগসে।“ আবার কোন কোন বাপ মা কিন্তু নিজের ছেলেমেয়েরে ঠিক-ই চিনতে পারে। কলেজের ‘লীলা” যেই লিলাখেলা দেখাইসে! এক ইয়ারেই তিন তিনটা সম্পর্ক!

আহত বোধ কিংবা স্মরণ

আয়ূধ
হাজার হাজার নরম মাটির ঢেলা ভেঙ্গে শক্ত ইটের বাড়িগুলো বাইরে থেকে শক্ত-ই ভীষণ! ভেতরের পানিটুকু আগুনে পোড়ার পর মাটির আর্দ্রতা শত্রুজ্ঞানে প্রতারক ভাবে ইটের দেয়ালকে। বৃষ্টিভিজে শুকায় গায়ের লোশনমাখা কিংবা পেইন্টেড চামড়া, তরল অনুপ্রবাহ ভেতরের কিছুই নরম করতে পারে না; যদিও পঁচাগলা পানি কোনোমতে হয়তো চুঁইয়ে চুঁইয়ে নষ্ট করে দেয় দেয়ালের কার্যকারিতা।

প্রতারণা
আমি করেছি এক, করিয়েছে বহু ছলনার আকাঙ্ক্ষা, উপাধিতে হয়েছি ভরপুর। ভেতরের গাঁথুনিটুকু অটুট থাকলেও ইঞ্জিনিয়ারের কাছে তা বাতিল। ঘুমন্ত দিনগুলোর কাছে চোখের পানির লবণটুকু সঞ্চিত হয়ে আছে কেবল- অশ্রুটুকু বাস্পীভূত!

বোধি

চিঠি

মেঘবালিকা,

কেমন আছো তুমি? নিশ্চয়ই ভালো! এখনও কি মনে পড়ে আমায়?
তুমি নেই তাতে কি,
আমার কাছে এখনো বেঁচে থাকার মানে হল প্রতিটি মুহুর্ত তোমার স্মৃতির কাছেই ফিরে আসা..
কখনো তোমায় ভেবে,
কখনো অন্য কারো চোখের নিরন্তর ছায়াপথে ভেসে আসা ভালবাসায়।
মনে পড়ে,
কত্ত স্বপ্ন ছিল তোমার আমার?
কিছুতেই কিছু হল না..
কি সব দিন যে ছিল তখন।
মনে হত,
প্রত্যেকটা দিন ভোরের প্রথম আলো ছড়াতো
তোমায় দেখবো বলে।
প্রখর রৌদ্র দিনের শেষে
মেঘ করে যেত
বৃষ্টিকণা যত তোমায় ছুঁয়ে যাবে বলে।
খুব ভাল লাগতো গোধূলির আলো,
সে তো তোমার চোঁখের পাতায় জল মুছে দিত বলেই।
তুমি যে কখনো এভাবে চলে যেতে পারবে, কেই বা ভেবেছিল বল?
কিছু করার ছিল না সেদিন, কেবলি নিজের ছায়ার মত আঁধার ভাগ্য কে দোষ দেওয়া ছাড়া।
জানো, ওইদিন সমূদ্রস্নানে গিয়েছিলাম। খুব বেশিক্ষণ একা থাকতে পারিনি,
বারেবার মনে পড়ে যাচ্ছিল-
কথা ছিল আঙ্গুলের ফাঁকে থাকবে তুমি..

চিন্তার মৃত্যুচিন্তা

ভাবনারা নেমে এলে, কংক্রীটের পথটা নদী হয়ে যায়
উথাল পাথাল ঢেউ।

ছলোছলো জল
চোখে নিয়ে জেগে ওঠে সূর্যমুখী সাগর
সুদূরের অপেক্ষায় থাকা সাম্পান ছুঁয়ে বেড়ানো সুনির্দিষ্ট কুকুর
খুঁজে পায় কাঁকড়ার খোলস আর মরে যাওয়া স্টারফিশ।

গ্রাফিটি জুড়ে আনন্দ আঁকা হয় মানুষগুলোর
রাংতায় গড়িয়ে আসা ধোঁয়াময়তা, ছড়িয়ে পড়ে ওদিকে।

টুপটাপ শব্দে চেতনা, চিন্তা ও ভাবনা এলোমেলো ছড়িয়ে পড়ে মাটি লেপা মেঝেতে।

মাঝরাতে মৃত্যুর শব্দ, শাঁ শাঁ দেখা দিয়েই মিলিয়ে যায়
ধরা হয়ে ওঠেনা, ছোঁয়া হয়ে ওঠেনা,
মৃত্যু নিজেই মরে যায় মৃতদের রাজ্যে...

নিঃসঙ্গ নিঝুপদ্বীপ এবং একটি হুমায়ুনকাব্য

যাত্রী সংখ্যা ষোল। পাঁচ জোড়া দম্পতি। দুইজন বন্ধু। এক জোড়া কলিগ। একটি বোন। একজন সহকর্মী। ওহো, আর সতেরোতম ব্যক্তি একটা উদ্ভট পথপ্রদর্শক। এই হলো নিঝুম দ্বিপ বাহিনী। এদের নাম বলে নেয়া ভালো। তাহলে গল্পটা বলা যাবে আয়েশ করে।

পাগলের দিনলিপি (উনিশ)

.............................................................................
..............................................................................
...............................................................................
.................................................................................
.................................................................................

ঘুড়িতে ঘুড়িতে শত্রুতারেই মেনেছে মানুষেরা
আর তাই ভোকাট্টা বলেই আমরা দৌড়েছি ঈষাণে
সেখানে জমাট হয়ে ছিলো একদল মেঘ-কালোমেঘ
ঠিক যেনো মোমপালিশে ঝলক মেরে দিলো একবার।

আমাদের ঘুড়িটা উড়ছিলো যার পাশে, তার বাদুরের চোখ,
কলাবতী নাক আর রক্তলাল ঠোটের কোনায় কুকুরের দাঁত
উঁকি মেরে যায়। প্রতি টানে শব্দে শব্দে জানান দিচ্ছিলো
তার অস্তিত্ব-অভ্যাস আর মন-মানসিকতা...

অলৌকিক লন্ঠন

কেমন এলোমেলো দাঁড়িয়ে আছো তুমি
হাতে নিয়ে অনিশ্চয়তার অলৌকিক লন্ঠন
যে যখন ভিক্ষা মাগে পথ
কেমন নির্লিপ্ত হাতেম তাইয়ের মত, তুমি নাকি
এদিক ওদিক দোলাও লন্ঠনের আলো।
পথ ভুলে কানাগলিতে চলে এলে কোন বেভুল, শুনেছি
নিঃশব্দে তাকেও চিনিয়ে আনো হাত ধরে।
তোমার অলৌকিক লন্ঠন যেন ক্রমাগত দোল খায় বাতাসে
অন্ধকার রাত্রিতে তুমিই নাকি হও নাবিকের শেষ বাতিঘর।
প্রবল শীতে বেড়ে গেলে রক্তের ডাক
তোমার লন্ঠনই নাকি উম হয়ে ধরা দেয় শহরগামী কোন শ্রমিকের কাছে
অথচ আমি, এই ঘোর দুঃসময়ে দাঁড়িয়ে রইলামতো রইলামই
সেকেন্ড গেছে, মিনিট গেছে, দিন গেছে, চলে গেছে ঘুমের পরে ঘুম
অথচ তোমার অলৌকিক লন্ঠন কেবল দুলতেই লাগলো পেন্ডুলামের মত
আর যখনি ছুঁতে গেলাম, হয়ে গেলো পলায়নপর
অস্পস্ট ধুধু মরিচিকা
{(c) MNI, 04/03/2012}

দাসবিদানীয়া

শব্দটা Dasvidaniya, দাসবিদানীয়া, এটা একটা রাশিয়ান শব্দ, এর অর্থ বিদায় বা গুডবাই।
IPMOVIE_138_1.jpg
এই বিদায় মানে চিরবিদায়, আর কখনো দেখা হবে না।
It's Russian, a common way to say goodbye to someone that you will see again later. In Cyrillic it's written as До свидания.

До = until
свидание, свидания = meeting

"Until meeting," in other words "until we meet again."

I should have clarified that you wouldn't say "До свидание", but свидание is the form of the word you'd find if you looked in a dictionary. It means "meeting" or "rendezvous". To say "until meeting" as a goodbye, you change the case so it becomes "До свидания".

বিহারী জনগোষ্ঠী

মাত্র ৫ শত বছর আগেও মৈথিলী, বাংলা, ঊড়িয়া অসমীয়া ভাষার ভেতরে এতটা ব্যবধান ছিলো না। বিহার তারপরও কৌশলগত দিক থেকে একটা গুরুত্বপূর্ণ স্থান ধারণ করে ছিলো, উত্তর ভারত থেকে বাংলা মুল্লুকে আসবার গুরুত্বপূর্ণ পথ হিসেবে এখানেই মুসলমান শাসকেরা তাদের দুর্গ বানিয়েছেন।

উত্তর ভারতের ভাষা, মৈথিলী আর ফার্সী, তুর্কি বিভিন্ন ভাষা মিলে মিশে এক ধরণের মিশ্রভাষারীতির উৎপত্তি হলো এখানে। এখন যেটাকে হিন্দী হিসেবে দেখা হয়, এই মিশ্র ভাষা আদতে সে ভাষারই পূর্বপুরুষ। আরবি হরফে লিখিত সে ভাষার পোশাকী নাম হলো উর্দু, মৈথিলীর বিবর্তন এটাকে সম্পূর্ণ উর্দু কিংবা হিন্দীর আকার দেয় নি, বরং তাদের ভাষাটা একটু উর্দু-হিন্দীঘেঁষা এক ধরণের আলাদা উচ্চারণরীতি-

শাশ্বত ছাব্বিশ

-‘মুক্তি’ আর ‘স্বাধীন’ ! প্রজন্ম ,৭১ আর প্রজন্ম ’৭৫ ! কাকতালীয়ভাবে দু’জনই মাতৃ-পিতৃ হারা ! আমার মায়ের কোলেই মানুষ, আমার মাকেই মা ডাকে !

চোর-পুলিশ

সে বহুদিন আগের কথা। চট্টগ্রামে মনা নামে এক চোর ছিল। চট্টগ্রামের চোরদের কাছে সে ছিল দেবতুল্য আর সাধারণ মানুষের কাছে সাক্ষাৎ বিভীষিকা। কারন, মনা-চোরাকে কখনো পুলিশ ধরতে পারেনি বা, কোথাও চুরি করতে যেয়েও সে কখনো ধরা পড়েনি। সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো মনা চোরাকে কেউ কখনো দেখেনি বা, তার আড্ডাখানা কোথায় বা, কোথা থেকে সে এসেছে, তার হদিসও কেউ জানে না।

.

মনার অত্যাচারে চট্টগ্রামবাসী তখন অতিষ্ট। সবাই মিলে গেল পুলিশের কাছে; যেভাবেই হোক মনা-চোরাকে ধরতে হবে। পুলিশের বড়কর্তা আশ্বাস দিলেন যেভাবেই হোক তিনি মনা-চোরাকে ধরবেন।

মাথায় গল্প নিয়ে ঘুরছি...

নীরব রাত। পাতা ঝরার শব্দ পাওয়া যায়। এমনকী নিজের শ্বাসের শব্দে চমকে উঠার পরিবেশে দূর থেকে ভেসে আসে বাঁশির শব্দ। কার এমন মন কেমন লাগা সুর ! জানার উপায় নেই। জানালায় চোখ রাখি। বালিচর। দূরে পানি। ওটা মেঘনা। তারওপর জ্যোন্সার নাচ..
মাথায় ঘুরছে বিকেল থেকে। ছুটির দিনে একটু ঘুম সুখ বিসর্জন দিয়ে ভেবেছিলাম গল্পের চরিত্রের সঙ্গে যাই, সেই আলো প্লাবিত মেঘনার চরে।
যাওয়া হচ্ছে না।
মাথায় ঘুরছে একটা গল্প।
ত নিয়ে বসে আছি।
শব্দে অনুবাদ হবার আগে নিজেই পড়ে নিচ্ছি গল্পটা। বর্ণমালাহীন এ ভাষার নাম কী?

তুমি অশ্ম হও, তব স্তুতির বিন্যাসে তুমি অংশুমালা !

a

এক স্নিগ্ধ বিকেল বেলার সতেজ আবেশে তোমাকে খুব করে মনে পড়ছে.. বিশুদ্ধ হিমেল হাওয়ার ঝাপটা যেন কতশত তরীর পাল উড়িয়ে দিয়ে এসে এখন আমার ব্যালকনিতে ঝরে পড়ছে তীব্র আবেগে.. তপ্ত মরুর বুকে অনুতপ্তের গ্লানি টেনে নিয়ে উদাস চিত্তে এদিক সেদিক উদ্ভ্রান্তের মত নিরবিচ্ছিন্ন বিচরণে নির্বিঘ্নে আর্তচিৎকার করে যেতে পারি এখন আমি অনেকটা ক্ষণ ধরে..

নিজগুণে ক্ষমা করার আশ্বাস...।

তানবিরা আফা’র ‘ব্যবচ্ছেদ’ পোস্ট-এর অংশবিশেষ দিয়া শুরু করি, “লেখা আর লেখককে মিলাতে আমি নারাজ। একটা লেখক অনেক মুড থেকেই একটা লেখা লিখেন। প্রত্যেকটা লেখা লেখকের চরিত্রকে ধারন করে, তাই কি?”। সম্পূর্ণ একএকমত।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ