অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১০ জন অতিথি অনলাইন

পাগলের দিনলিপি (ছাব্বিশ)

......................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................

তবে তুমি চলে এলে প্রথম পাতায়
আমার খাতায় কতোগুলো পাতা আছে
কখনোই তারে গোনা হয় নাই আগে
এইবার প্রথম পাতা ধরে সবটারে গুনি।

গন্তব্য ছিলো না বলে আমাকে শোনালে

তটিনী / মুহাম্মাদ আমানুল্লাহ

তটিনী কিশোরী রাঙ্গা- করে বার বার ভুল,
ভাঙ্গে কুল- রাখে এলোমেলো খোলা চুল,
টিকালো নাকের ‌‌‌'পরে জ্বেলেছে মুক্তোর দীপ –শ্বেত নাকফুল।

তটিনী মানেনা ব্যাকরণ -শুধু অকারণ কবিতা ও কথা লিখে-
চিকন সুচারু দেহ সুপুরি গাছের মতো একেবারে লিকলিকে।

তটিনী মেলছে ডানা হৃদয়ে বাঁধছে দানা রমণের বিষ,
উড়ু উড়ু মন যখন তখন বাজে মুঠোফোন অহর্নিশ।

সাজছে প্রথম নারী- তটিনী পরছে শাড়ি, বাড়ি বাড়ি পই পই করে ফিরে,
রঙের বারতা মেখে ছুটছে সে এঁকেবেঁকে নোঙর বসাবে বুঝি শবরের তীরে।

তটিনী উতলা বেশ - খুলছে হৃদয়দেশ, যাদুর সকল জানালা কপাট-
জাতমান ভুলে চড়বে রতির শূলে তালিম নেবে সে প্রেম-প্রণয়ের পাঠ।

২১.০৩.২০১২ইং
চট্টগ্রাম।

এইবার কাপ চাই

আমগো কাপ নাই। চা খাওনের লাইগাও তো একখান কাপ দর্কার কি কন?
সেল্লিগা আশা কর্তেছি টাইগাররা এইবার এশিয়া কাপ খান রাইখা দিবো চা খাওনের লাইগা।

বাংলাদেশ ইল্ডিয়ারে হারাই দিলো= বাস্তব
বাংলাদেশ ছিলংকারেও হারাই দিলো=বাস্তব
বাংলাদেশ ফাইনালে ফাকিস্টাংরে হারাই দিলো= ?
কুইঞ্চেন দেহি এডি স্বপন না বাস্তব?
বাংলাদেশ আমার কাছে এডিও বাস্তব বাংলাদেশ

মাসকাবারী জোছনা

boimela 2010 205 (Small).jpgও চাঁদ তোমার মাসকাবারী জোছনা আমায় দাও
গৃহস্হলীর চাতাল ছূঁয়ে হেঁসেলখানা
দিয়াশলাই নাই উনুনখানা জ্বালিয়ে দিয়ে যাও ।

ও চাঁদ তোমার মাসকাবারী জোছনা যদি দিতে
ছড়িয়ে দিতাম আটপৌরে ফিকে চা-তে
আগুন বাজার, মাসকাবারী লিষ্টি হাতে
ভাতের হাড়ি ক্ষুধার জ্বালা
চড়ুই ছানা ঘুলঘুলিতে
বারান্দাভর আমের আচার শুকিয়ে দিয়ে যাও ।।

ও চাঁদ তোমার মাসকাবারী জোছনা বেঁচে
মাস্ত জুয়াড়ীর জুয়ার আসর মাতিয়ে দেব
মধ্যরাতে মদ্য মাতাল নিশিপদ্ম
তার আঁচলে স্বর্ণচাঁপা ফুল ফুটাব।

মাসকাবারী জোছনা নেব তোমার কাছে
আরোও নেব, আর যা আছে
রুগ্ন শিশুর দুধের বাটি ভরিয়ে দেব
আমারতো নেই কানাকড়ি, ভাঙ্গাচোরা
শেষ ট্রেনেতে তাই চেপেছি, ছন্নছাড়া
বিষন্নতার শহর ছেড়ে

‘ভৃত্য হবার দায়, হায় এড়াই কিসে’

পৃথিবীর সবকিছু ক্রমে কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে উঠছে। আমরা যারা সাধারণ মানুষ, এক্কেবারে খাঁটি চাঁপাই'এর আম; তাদের জন্য। যারা সাধারণের স্তর থেকে উপরে উঠেছেন, তাদের জন্য আবার সবকিছু সহজ। সাবলীল ও মসৃণ।

বিষয়টা অনেকটা ব্যংকক-সিঙ্গাপুর-হংকং'এর ট্রাফিক ব্যবস্থার মতো। আমি নিজে এসব জায়গায় কখনো যাই নি। মানুষের মুখে শুনেছি। সেখানে অপেক্ষাকৃত কম যান চলাচলকারী রাস্তা দিয়ে চলতে হলে বেশি পয়সা গোনা লাগে। যাদের সে সামর্থ্য নেই, তারা যানজটে আটকে থাকে। আমাদেরও আজ সেই দশা।

উল্লিখিত জায়গাগুলো বাংলাদেশের চেয়ে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই উন্নত। তার মানে আমাদেরও জাতিগত উন্নতি ঘটছে। কারণ আমাদের গরীবরা প্রতিদিন আরো গরীব হচ্ছে। আর ধনীরা প্রতিদিন আরো ধনী। পয়সা নাই, ফাঁকে যাও। পয়সা আছে, আরাম নাও।

সৌধস্নাণে নিমগ্ন স্ফারিত সংগীত!

a

নীল প্রজাপতিটা যখন ডানা ঝাঁপটা দিয়ে সামনে দিয়ে উড়ে চলে যায় তখন খুব করে রোমন্থনের ইচ্ছে জাগে.. স্মৃতি বিস্মৃতির দোলাচালে নিজেকে উজাড় করে দেবার নিমিত্তে আবেগ নাড়া দিয়ে যেতে থাকে, প্রথমে একবার, তারপর অনেকবার.. সাগরের নীলাভ্র লোনা জলের মৌন স্নান মাখা জলজ শরীরে কেউ যখন সূর্যের নরম মিষ্টি উষ্ণতা মেখে নেবার নিমন্ত্রণ জানাতো, তখন মনে হতো চিরায়ত পৃথিবীর অফুরান সুখের বৈভব কিশলয়গুলো যেন আমার সামনে এসে তার নির্মল কুসুমকলির পরিস্ফুটনে ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়েছে..

মুভিস টু সি বিফোর ইউ ডাই-২

সময় কাটানোর সব চেয়ে ভাল উপায় হচ্ছে গান শোনা, বই পড়া আর সিনেমা দেখা। এখন অবশ্য বাড়তি সময় খুব বেশি পাওয়া যায় না। ফলে সামান্য যে সময়টুকু পাওয়া যায় তার সদ্ব্যবহার করাটাই প্রয়োজন। এজন্য আজকাল বেছে বেছে সিনেমা দেখি, বেছে বেছে বই পড়ি। আর বাছাবাছি করতে করতে নানা ভাষার ছবি আজকাল দেখা হচ্ছে। হলিউডের বাইরেও যে সিনেমার এক বিষ্ময়কর জগৎ আছে সেটি তো অনেকদিনই জনতাম না। ভাবছি সেই বিষ্ময়কর জগৎ নিয়ে কিছু লেখি।

সম্পূর্ন রঙীন - আংশিক ডিজিটাল "মুঘলে আযম" (১)

মুঘলে আযম
(সম্পূর্ন রঙীন , আংশিক ডিজিটাল)

প্রথম দৃশ্যঃ

সিংহাসনে বসা সম্রাট আকবর। উৎফুল্ল চিত্তে ........

সম্রাট আকবরঃ বাংলা বিহার উড়িষ্যার মহান অধিপতি
বীরবলঃ খুক খুক (কাশি) Puzzled
আকবরঃ খামোশ !!! সম্রাটের ভাষনের মধ্যে তুমি কাশি দাও । এত বড় সাহস !!!
বীরবলঃ হুজুর আপনি ভুল করে ঐ সিরাজ বেক্কলের ডায়লগ দিয়া দিছিলেন তাই মনে করায়ে দিতেই .......
আকবরঃ ওহ। sorry. .. Stare তো যা বলছিলাম , আজ আমাদের শাহজাদা সেলিম ১৪ বছর পর আম্রিকা থেকে দেশে ফিরছে। তাকে অভ্যর্থনার জন্য কি বন্দবোস্ত করিলে , বীরবল?

কুশল / মুহাম্মাদ আমানুল্লাহ

বেলা বাড়ে- বাড়ে উত্তাপ শীত বর্ষা হেমন্ত বসন্তে
দোয়েল গায়না , চড়ুই হাসেনা-
ডানা ভাঙ্গা প্রজাপতি, কাকের কান ফাটা চিৎকার কার ভালো লাগে বলো;
পানের বরজ,আমের বাগান, আমনের ক্ষেত এখনো বর্গীর দখলে,
পদ্ম পুকুর গেলো, সবুজ পাহাড় গেলো,
সমুদ্র আকাশ গেলো- চেতনার রং ক্রমে কেঁদে কেঁদে শেষ-
কীভাবে এখন ভালো থাকা যায় বলো।

ভুলে থাকা কালো বেড়ালের লোম কিংবা না পেয়েই হারাবার গল্প

"তার" একটা ভুলে থাকা কালো বেড়াল আছে। যার বসবাস তার মনের অনেক ভেতরের একটা রোদক্লান্ত ব্যালকনিতে। বেড়ালটা বারবার ভুলে যায়, "সে" যে তাকে ভুলে থাকতে চায়। তাই আড়মোড়া ভেঙে সে উঠে আসতে চায় রোদক্লান্ত ব্যালকনি থেকে। তার অস্থির ছটফটানিতে রোদের দেয়ালে কোনো ছায়া পড়ে না। শুধু বাঁকা হয়ে পড়ে থাকা দৃষ্টিকে পাশ কাটিয়ে কিছু বেড়ালের লোম ভেসে যায় এদিক সেদিক।

আলফেসানীর হাত ফস্কে পড়ে গিয়েছে অনেকখানি রঙ মাখা সময়। এই হারিয়ে ফেলা সময় গুলোকে সে রাখতে চেয়েছিলো নিজস্ব বাগানের ঘাসপাখিলতাপশুফুলে। বোঝেনি, নিজস্ব যে বাগানের ছবি সে এঁকেছিল, সেই ছবিটাতে বাস্তবতার তুলির আঁচড় দেবার কথা যে শিল্পীর সে আর তুলি হাতে নিতে অনিচ্ছুক। অনেক আগে শিল্পীর তুলির রঙ কেড়ে নিয়েছিলো যে তরুণ, তার কাছেই বাঁধা আছে শিল্পীর রঙীন রেখা গুলোও।

সোহেল ভাই ০১৭

ঘুমটা ভাঙলো মোবাইলের আওয়াজে, বিকট শব্দে মোবাইল বাজছে, ঘড়িতে বাজে পৌনে দুইটা, রফিক ফোন করছে।

কি রে শালা এত রাইতে ঘুম ভাঙাইলি ক্যান?

দোস্তো আম্মাকে নিয়ে বারডেমে যাচ্ছি, অসুস্থ।

ড্রাইভার পাইছিস না কি এম্বুলেন্সে নিয়ে যাচ্ছিস।

না গাড়ীতেই যাচ্ছি।

ঠিক আছে দোস্তো আমি পৌঁছাচ্ছি একটু পরেই।

চোখে-মুখে পানি দিয়ে ট্রাউজারে ঢুকে মারুফকে ফোন দিলাম।
মারুফ মনে হয় জেগেই ছিলো, দোস্তো বার্সেলোনা ফাটায়া ফেলতেছে, মেসী ইজ গড।
ঐ শুন, রফিক ফোন দিছিলো, আন্টিকে নিয়ে বারডেমে যাচ্ছে, তুই কি যাইতে পারবি?
তুই কোথায় এখন?
বাসা থেকে বের হচ্ছি এখনই।
তুই বাসার নীচে দাঁড়া এসে আমি নামতেছি এখনই।

স্মরণীয় সময়: বাংলাদেশের জয়

000

বিশ্বকাপের পর আর মাঠে যাওয়া হয় নাই... মধ্যে বিপিএল গেল... ক্যান জানি মন টানলো না ... খুব বেশী যে খেলা দেখি তাও না... মাঝে মাঝে ঢু মারি স্টেডিয়ামের পথে... বাঙালী জাতীর আনন্দের জায়গা খুব কম... মাঝে মাঝে দু/একটি ম্যাচে জয় আমাদের সত্যই আনন্দীত করে... উদ্বেলীত হই নতুন আশা নিয়ে। ফুটবলতো গেছেই... ভরষার জায়গা একটাই... ক্রিকেট। হকি নিয়ে কিছু করার সুযোগ ছিল... আমাদের বদমাইশ কর্মকর্তারা সেইটারেও খাইছে...

কেবলই আমাদের কথা

১.
আমার মেয়ে প্রিয়ন্তী। ক্লাশ টুতে পড়ে এখন। গত দুই ঈদে সালাম করে যত টাকা পেয়েছে সব একটা বাক্সে রেখে দিয়েছে। সেখান থেকে চুপটি করে ৫০ টাকা নিয়ে সেদিন স্কুলে গেলো। স্কুলে ওই দিন বইমেলার শেষ দিন ছিল। মেলা থেকে একটা বই কিনে লুকিয়ে রাখলো সে। ছোট মানুষ তো, ২০ এপ্রিল পর্যন্ত অপেক্ষা করার ধৈর্যটুকু রাখতো পারলো না। সন্ধ্যায় বইটি বের করে মনোযোগ দিয়ে লিখলো, ' আদরের দুষ্টু ভাইকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা-প্রিয়ন্তী, ২০/০৪/২০১২'।
15032012640.jpg
আমরা যখন বড় হয়েছি, তখনও এভাবে ভাবতে পারতাম না। আমার মনে আছে আমার স্ট্যাম্প সংগ্রহ করার সখ ছিল। একবার আমার ছোট ভাইয়ের জন্মদিনে সেই স্ট্যাম্প অ্যালবাম সুন্দর করে রঙিন কাগজে মুড়িয়ে দিয়ে দিয়েছিলাম। আবার এক মাস পরেই সেটা ফেরতও নিয়ে নেই। Big smile

২.

এক মুঠো বিষণ্নতা..

আজ দুপুরে অসময়ের একটা ঘুম দিয়েছিলাম.. ঘুম থেকে উঠে দেখি সময় বলছে বিকেল পড়ে এসেছে.. কিন্তু জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে অসম্ভব মুদ্ধ হয়ে গেলাম.. ভীষণ মেঘাচ্ছন্ন আকাশ.. ভাবলাম বছরের প্রথম অঝোর বর্ষনটা বোধহয় আজই হতে যাচ্ছে.. নামায পড়ে আর খাওয়া দাওয়া সেরে নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম.. মেঘলা আকাশের ছায়া মাড়িয়ে নিয়ে নির্জন পথ ধরে একাকি হেঁটে হেঁটে অনেকটা দূর চলে গেলাম.. অপেক্ষায় ছিলাম.. ইশ্‌ !! কখন যে অভিমানের বাঁধ ভেঙ্গে ঐ দূরের আকাশটা হঠাৎই ঝর ঝর করে কেঁদে ফেলবে.. আর তার কান্নাজলে আমি বৃষ্টিস্নানের পরশ মেখে নিবো বহুদিনের উষ্ক-শুষ্ক শরীরটাতে.. তার সাথে আমিও কান্না করবো (সবার অলক্ষ্যে) ..

আঁধার আলোর বৃষ্টিবিলাস..[এলোমেলো কাব্যকথন!]

কোন এক ঘুম ঘুম দিনের শেষে..

দুচোখের পাতায়;
তখনো -
ফেলে আসা দিনের,
স্বপ্নছোঁয়ার স্মৃতি..।

সবুজের ক্যানভাসে,
কোন চীরসবুজ শিল্পীর;
কোমল তুলির অমর আঁচড়..

আঁধার গড়ানো শহরের,
সকল আলো গড়ানো প্রান্তরে..

হৃদয়ের স্পন্দনে যখন,
যুদ্ধজয়ের গান..
পঁচিশ হাজার তিনশ এগারো থেকে,
সতের কোটি হয়ে যায় -
ওরা এগারো জন..।

ঘুম ভেঙ্গে দিয়ে যায়,
আনন্দ আভার পরশে;
মৃদু আলো হাসির সুর..

অনেক দেরি হয়ে যাওয়া,
সন্ধ্যার রাস্তায়..

বিকেলের নরম আলোর পথে,
হঠাত্‍ মেঘলা মনের ছায়া..।

দিনের আলো নিভতেই,
মেঘেদের হাঁতছানি..

কত্ত কত দিনের শেষে,
পাগলা হাওয়া -
আবারো এলোমেলো চুল..।

জানলার কাঁচে,
উড়ে যাওয়া পর্দার গায়ে জল;
ভালবাসা মেঘকণা..
মেঘবালিকাকে,
না বলা কথার উত্তর -
মেঘের চিঠি..।

ধোঁয়া উড়া কফি টেবিল জুড়ে -
স্মৃতির রাজ্যপাট,
কাছের দুরের যত প্রিয়মুখ;
প্রিয়ক্ষণ..।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ