অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১০ জন অতিথি অনলাইন

নিতান্তই সহজ-সরল ::: ২

সামাজিকতার রকমফের!

শিরোনামহীন

.......................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................

বনলতার অসুখ

অনেকদিন স্বপ্ন দেখি না। কাল রাতে অদ্ভুত একটা স্বপ্ন দেখে ঘুম ভেঙ্গে গেল। সেই স্বপ্নের অধিকাংশই মুছে গেছে ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথে।

*****

তবু স্বপ্নটাকে নিয়ে লিখতে ইচ্ছে করছে। আবার অর্থহীন স্বপ্নটাকে গুরুত্ব দিতে বারণ করছে আরেকটা মন।

*****

স্বার্থপরতার অলিগলি পেরিয়ে শীত কুয়াশার বেড়াজাল এড়িয়ে শেষরাতের স্বপ্নে ভেসে এলো- কাঁপানো জ্বর নিয়ে এলোচুলে বিছানায় শুয়ে বনলতার শরীর।

এত ছোট্ট স্বপ্ন আমি আর কখনোই দেখিনি।

ঋকের স্কুল

১.
বাংলাদেশের গণমাধ্যম বিশেষত ইলেকট্রনিক মিডিয়া অযথা নৃশংসতা প্রচার করে, ক্ষেত্রবিশেষে সেটার লাইভটেলিকাস্টও হয়। ২০০৯ এর ২৫শে ফেব্রুয়ারীর লাইভ টেলিকাস্টের প্রতিক্রিয়ায় অন্য সবার কি অবস্থা হয়েছিলো আমি জানি না, কিন্তু ঋকের ভেতরে ইউনিফর্ম ভীতি প্রবল হয়েছিলো। তখন রাস্তায় বন্দুক কাঁধে পুলিশ দেখলেও আমার টি-শার্টের নীচে মুখ লুকিয়ে রাখতো ও। পরবর্তী ২ বছরে ওর অবস্থার উন্নতি হয়েছে, এখন পুলিশ দেখলে আর ভয়ে নীল হয়ে যায় না, টি শার্টের নীচেও লুকায় না।

ডায়েরীর একটি খালি পাতা ও অন্যান্য কথকতা..

আমি ডায়েরী লিখি, ছয় বছর হল কয়েকদিন আগে। কলেজে থাকতে ইন্টার লাইফে হঠাৎ খেয়ালে শুরু। ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০৬-এ লেখা শুরু করে আর থামা হয়নি এই পাগলামির। আস্তে আস্তে দিনে দিনে পুরোই নেশার মত হয়ে গেছে আমার এই ডায়েরী লেখা। নিতান্তই সাধারণ, বিন্দুমাত্র সাহিত্যের ছোঁয়া ছাড়া একঘেয়ে প্রতিদিনকার দিনলিপি - মনের অজান্তেই কবে থেকে যেন আমার প্রতিদিনকার ধরাবাঁধা জীবনের অবিচ্ছেদ্দ অংশ হয়ে গিয়েছে। সকালে বা প্রায়-দুপুরে ঘুম থেকে উঠার পর থেকে রাতে ঘুমাতে যাওয়া পর্যন্ত, কিছুই লেখার বাকি থাকেনা তাতে। এতটাই লম্বা বৃত্তান্তে ধুলো জমা ডায়েরীর গায় জমা থাকে আমার দিনগুলি, যে যখনি পড়তে ইচ্ছে হয় নিমেষে চোখের সামনে ভেসে উঠে এই কটা বছরে আমার জীবনের স্বপ্নের মত সুন্দর অথবা তীব্রতম কষ্টের একেকটা দিন। ডায়েরী ছাড়া কোথাও বেড়াতে গেলেও দিনগুলো জমা থাকে মুঠোফোনের নোট হয়ে অথবা কোন ছেঁড়া পাতায়, পড়ে ডায়েরীতে টুকে নেবো বলে। এতটা লম্বা সম

আশা গুলো আজ আলো হয়ে জ্বলে উঠে

কেমিস্ট্রি ক্লাস করছিলাম। হটাত বাংলাদেশের খেলার কথা মনে পড়লো।ক্লাসের কম্পিউটার দিয়ে গুগলে সার্চ করলাম। প্রথমেই লেখা 'Bangladesh lost by 2 runs'। বিশ্বাস করতে পারছিলাম না, কান্না আসছিল। অনেক চেষ্টা করে চোখের পানি আটকে রাখলাম।

বাসায় এসে আম্মুকে দেখলাম কাদছেন। আম্মু সাধারণত খেলা দেখেন না। আজকে দেখেছিলেন। আব্বু সারারাত জেগে খেলা দেখেছেন। প্রতিটা মানুষের বুকে তোমাদের জন্য এত ভালবাসা তারপরেও সাকিব তোমরা কাঁদছো কেনো? কাপ জিতিনি তো কি হয়েছে? খেলা তো আমরাই জিতেছি। তোমাদের পাশে আছি সবসময়। বাংলাদেশের হয়ে খেলা তোমাদের প্রতিটি ম্যাচের জন্য তোমাদেরকে স্যালুট। আমরা তোমাদের পাশে আছি.... শুধু জয়ের আনন্দে নয় , পরাজয়ের বেদনাতেও............... বাংলাদেশ

'শত আশা শত আশা ......

কিছু পাবার আশায় স্বপ্নগুলো আজ সত্যির পথে

কিছু দেখাব বলে স্বপ্নগুলো আজ মুক্তির পথে

দুঃখ ব্যাথায় মুখটা যে নীল

যখন কেবল আমরা এসএসসি পাশ করলাম তখন আমাদের এক বন্ধু পড়াশুনা বাদ দিয়ে ফ্যামিলির কথা চিন্তা করে নেভীর সেইলরে জয়েন করলো। তিন মাস পরে পাসিং আউট শেষে যখন চিটাগাং আসলো তখন কেমন আছিস জিগেষ করলেই সে বলতো কি অবর্ননীয় দুঃখে আছি তা তোরা বুঝবি না। আমি তখন বুঝতাম না কিসের এত দুঃখ কিন্তু এখন বুঝি প্রত্যেক মানুষেরই নিজের একটা দুঃখবোধের জগৎ আছে যা একেক জনের কাছে তা একেক রকম।

নিজের ঢোল নিজেই বাজানো।

এটা শেষ পর্যন্ত লেখা উচিত হয় নি মোটেও।

আমার কোনো জন্মগত প্রতিভা ছিলো না, এখনও নেই।

আমি বেড়ে উঠেছিলাম মফস্বলে, শান্ত-নি:স্তরঙ্গ মফস্বলে, যেখানে জীবনের গতি ছিলো অনেক স্থিমিত। মফস্বলে তখনও মহল্লাসংঘ বিদ্যমান ছিলো। মহল্লার মানুষের প্রতি আলাদা এক ধরণের অন্ধ সমর্পন তখনও মফস্বলে ছিলো। আশেপাশের মহল্লার ছেলেরা দল বেঁধে মারামারি করলেও সীমিত জনবলের আমাদের পকেট মহল্লার তেমন ঐতিহ্য ছিলো না। মাত্র ১২ পরিবারের একটি মহল্লায় অবশ্য তেমন দক্ষ লড়াকু সৈনিকও পাওয়া সম্ভব ছিলো না, আন্ত:মহল্লা কোন্দলের সুযোগ ছিলো না।

স্বভাব ও আভাব কবি এবং কাক বিষয়ক জটিলতা

যে কথাগুলো বলতে চাচ্ছি বা যে কথাগুলো লিখছি তা দেখলে অনেকেই আঁতকে উঠবেন, আবার কেউ কেউ ক্ষোভে দুঃখে হয়তো গালিবর্ষণও করতে পারেন। তবে এক শ্রেণী কিন্তু ঠিকই থাকবে তা আমি হলফ করেই বলতে পারি। যারা এই লেখা পড়ে ঠোঁটের কোণে যুদ্ধজয়ী হাসি ফুটিয়ে বলবেন- অবশেষ বোধোদয়।

প্রায়ই কেউ কেউ বলে থাকেন বাংলাদেশে নাকি যত কাক আছে তার চেয়ে কবির সংখ্যা ঢের বেশি। এর কারণ নাকি বাঙ্গালীর আবেগচিত্ত মন। সেদিন কে যেন আমাকে ব্যাঙ্গ করে শুনিয়েছিলো- -

কাব্য পঁচেছে কুষ্ঠ রোগেতে
কবিতা হয়েছে বাঁশি
আমার দেশে কাকের চাইতে
কবির সংখ্যা বেশি।

পাগলের দিনলিপি (সাতাশ)

................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................

তীর্থযাত্রা

চলো করি তীর্থযাত্রা
খালি পায়ে পথে হেঁটে হেঁটে
নেশায় কেমন চুর হয়ে আছে সময়ের দেহ
টলতে টলতে এগিয়ে যাচ্ছে ঘড়ি..
এখনি সময়, এখনি মোক্ষম মুহূর্ত
চলো আমরা হাঁটবো সন্তর্পনে।
দেখবো চলো তীর্থের আলোকচ্ছটা
সেগুন কাঠের বার্নিশ তার্থিক কফিন
মরে আসা রোদ ফেলে আসা ঘর
আর শুকিয়ে যাওয়া যবের ক্ষেতও দেখবো চলো
মানুষ কালে কালে কত আকালে ফেলে গেছে মানুষেরে।
এসা হাঁটো তীর্থে যাবার পথে
একে একে কদমে কদমে
যেমন মাঠের মধ্যে মাঠ হয়েছে বিরান
জলের মধ্যে জল হয়েছে ডুবডুব
তেমনি আমরাও চলো হাঁটবো শিকড়বিহীন
মৃত কঙ্কালের এপিটাফ গুণে গুণে

আয়নার মানুষ

কিছুই গোপন ছিল না;
অবিমিশ্র ভাষণ, অনুভূতি।
তবু যেন প্রতিবিম্ব শুধু,
চির অস্পৃশ্য, চির অধরা।
আমি তাই
তুমি যাকে কখনো জানো নাই . . . .

অপারেশন দুরমুজ

ব্রেকিং নিউজঃ ২২ মার্চের ফাইনালে যে সকল বঙ্গসন্তান(?) পাকিস্তানকে সমর্থন করিবেন তাহাদের নাম নিবন্ধন চলিতেছে। অতি সত্বর আপনার নাম নিবন্ধন করুন এবং নিবন্ধনপত্র সর্বদা সঙ্গে রাখুন। নিবন্ধিত ব্যক্তি ব্যতীত কাহারো পরিধানে পাকি জার্সি, চিবুকে পাকি আলপনা বা হাতে পাকি পতাকা থাকিলে 'দুরমুজ কমিটি' তাহাদিগকে কিঞ্চিত আপ্যায়ন করিবে। মূল আহার কি তাহা অপ্রকাশিত থাকিলেও প্রারম্ভিক উপাদান (স্টার্টার) হইল বস্ত্রহরণ পরবর্তীতে চুতরার পাতা লেপন সহ হালকা ধোলাই... স্টক সীমিত... আগে আসিলে আগে পাইবেন!

পত্রপাঠ মাত্র উত্তর দিও

তুমি নাই বলে অক্ষর থাকে বেড়ে ওঠে গায়
আপন হতে পকেট ভরা খসড়া সময় নামে
অকপটে খেয়ে নেয় সবুজ মাঠময়
অসংখ্য নিরর্থ আচড় ভরা নকশায়

যা কিছু লেখা হয় তার ধারা বর্ণনায় সকল পাঠক
যা কিছু পঠিত হয় তার অভিসারে জগতের সকল দর্শক
যা কিছু দেখা হয় তার জন্য আবার অক্ষরেরা নামে
বেড়ে ওঠে গায়ে গায়!

কেবল একটা দেয়াল মাঝখানে নেমেছে চন্দ্রযান থেকে
মাত্র একটা ঠুনকো বিরতি
তারপর থেকে চলমান সকল বিকেল থমকে থাকে পায়ে
অক্ষরেরা মাড়িয়ে যায় পথের টাঙানো ম্যাপ

৩ পিস বোয়াল মাছ এবং নতুন ইতিহাস

আমার নতুন অফিসের একটা কাজ চলছে সিটি ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ে। ৫/৬ দিন আগে গুলশানের সে কার্যালয়ে যাই। পরিচয় হয় ব্যাংকের পিআরও ইয়াহিয়া ভাইয়ের সাথে। ভদ্রলোককে দেখে মনে পড়লো, তাকে আমি আগে থেকেই চিনতাম। যখন সিটি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ছিল দিলকুশায়। আমার এক বন্ধু কাজ করত সে অফিসে। সেই সুবাদে তার সাথে পরিচয়। সিটি ব্যাংকের সাথে আমাদের অফিসের কিছু কাজ হচ্ছে। এমডি/চেয়ারম্যানের ফ্লোরে কিছু ইনটেরিয়রের কাজ করছি আমরা। তার অংশ হিসাবে বেশ কিছু ছবি লাগানো হচ্ছে সেখানে। আর সেকারনেই সেই অফিসে যাওয়া আমার।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ