অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১২ জন অতিথি অনলাইন

বিশেষ ভাবে এই দিনটি পালন করার কি বিশেষ কোন প্রয়োজন আছে !

calendar pic -2008 042 (Small).jpg

এই মোটামুটির উপর পার করা একটা দিন!

লিখতে চাচ্ছিলাম আরেক জিনিশ কিন্তু এখন আর তা লেখতে মন টানছে না। আর জানাযার নামায পড়ে এসে কারো মন মেজাজ ভালো থাকবে এইটা শাওনের জামাই এর লেখা উপন্যাসের হিরোদের পক্ষেই সম্ভব আমার জন্য না। আমি গড় পড়তা একজন মানুষের চেয়েও সাধারন মানুষ তাই জানাযার নামায পড়ে এসে আমার মন ভালো থাকেনা। কিছুদিন আগে আমি মসজিদ ভাঙ্গা নিয়ে কিছু লেখছিলাম সেই মসজিদেরই বড় ইমাম মারা গেছে। সকাল বেলাতেই এই খবর পেয়েই ৭ টায় ঘুম ভাঙ্গছে। যিনি মারা গেছেন তিনি নোয়াখালীতে। তার লাশ সন্ধ্যায় আসবে তার বানানো মসজিদ মাদ্রাসার সামনে। তিনি কেমন লোক ছিলো আমি জানি না জানতেও চাই নাই কোনদিন। খালি আমার আর পুলকের সাথে দেখা হলেই বলতো বাজান আফনে কেমন আছেন?

কয়েকটা ভাল লাগা ছবি ও ক্ষয়ে যাওয়া আমি

কি জ্বালাতন বল দেখি?

সাম্প্রতিক পাঠানুভুতি

কম্পিউটার বিগড়ে গেলে ভুলে যাওয়া বই পড়ার অভ্যাস ফিরে আসে, যদিও গত বইমেলায় কেনা অনেক বইই পড়া হয়ে উঠে নি, তারপরও পল্টনের ফুটপাতে কিংবা আজিজের সুদৃশ্য তাকে সাজানো বই দেখি সময়-সুযোগ পেলে, পকেটে টাকা থাকলে কিনেও ফেলি, কিন্তু কম্পিউটার পাঠাভ্যাসে বাগড়া বাধায়। গত সপ্তাহে বেশ অনেক দিন ঠিকঠাক চলার পর হঠাৎ করেই কম্পুবাবাজী ফেল মারলেন, দীর্ঘদিন ধরে বুকমার্কে রকমারী অন লাইন বইয়ের বাগান সাজিয়েছিলাম, কোনো কোনোটার বেশ কিছু অংশ পড়াও হয়েছিলো, সেইসব বুকমার্কের অধিকাংশ বই আসলে কোনো না কোনো প্রয়োজনে পড়া শুরু হয়েছিলো, প্রয়োজন মিটে যাওয়ার পর আর জ্ঞানতৃষ্ণায় ঝাপিয়ে পরি নি শেষ করতে, কম্পুবাবাজী বিগড়ে যাওয়ার পর এখন সেই স্মৃতিরোমন্থন করে কোনো লাভ নেই। আমি প্রতিদিনই আগের দিনের স্মৃতি ভুলে যাই

ভীত সময় মিথ্যা আলিঙ্গনেও পোয়াতী হয়

(১)

একটু খানি বাতাস এলেই
হেলে দুলে পড়তে থাকি,
অথচ ওই ঝড়ের রাতে
বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলাম তুলি হাতে,
জলের ভাঁজে রঙ জড়াতে,
নীলে নীলে মাখামাখি।

(২)

হলুদাভ রংয়ের ক্লান্ত বিষন্ন নগর,
পিঠে উপবিষ্ট আমি, তুমি এবং বহুরং এর সময়।
জেনো,
ভীত সময় মিথ্যা আলিঙ্গনেও পোয়াতী হয়।

(৩)

কখনো তুমি, কখনো আমি,
এখন আর আড়া্ল কিছু নয়, প্রায় প্রকাশ্যেই হই খুন ।
ওই উঁচুতে যতগুলো শিমুল ফুটেছে
তার একটিও আর আমার নয়।
ভরা জ্যোৎস্নায় যতটুকু বান ডাকে
তার কাছাকাছি কিছু প্রখর রৌদ্রেও বেসুরো, প্রায় অমিল।
সরল মিথ্যার খুঁজেই সুচতুর হামাগুড়ি,
পরিত্যক্ত ভাগাড়ের কোনে বেমানান
প্রাপ্য চিলতেখানি নিয়েই হাঁটু মুড়ে বসে থাকি, স্থির।

কে যেন বললো, ”সাবধান,
মিউনিসিপালিটির লোকেরা কুকুর মারতে বেড়িয়েছে”

আলোর ঝর্ণাধারা

pizap.com13307818631511.jpg

নভেম্বরে ফেসবুকে একটা স্ট্যাটাস দিয়েছিলাম, সময় যায় না কেন । অপেক্ষার প্রহর এত দীর্ঘ কেন? আমি যার জন্য অপেক্ষা করছিলাম, তার আসার কথা ছিল জানুয়ারিতে । একটা একটা দিন পার করছিলাম, যেন এক একটা যুগ । মনে হচ্ছিল ২০১২ সালের জানুয়ারি বোধহয় আর এ ধরাধামে আসছে না ।
তার সাথে কথা বলার উপায় নেই, তাঁকে দেখার উপায় নেই । শুধু তাঁকে অনুভব করি দিনরাত । তাঁকে বলি, জলদি এসো ............... আমি বড় অধৈর্য । সে একটু আধটু নড়ে বুঝি সান্ত্বনা দেয় আমায়, আসছি আমি ............... সময় হলেই ঠিক এসে পড়ব, একটু ধৈর্য্য ধর ।

কাঁচের দেয়ালে সাজানো দৃশ্যাবলী

নয়টা নিতান্ত অবহেলা মিলেমিশে ঝগড়া করছিলো দরজার ওপাশে।

লক্ষী বেড়ালছানার মতো পায়েপায়ে হেঁটে এলো একরাশ ধ্বনি ও শব্দ
ধানমন্ডির লেকে ভেসে বেড়ানো টুকরো চাঁদের আলোরাও
ভীড় জমালো জানালার গ্রীলঘেঁষে।

স্তুপমেঘে রঙতুলির আঁচড় শেষে চোখ ফেরালেন উদাস শিল্পী,
জন্ম নিয়েছে ছবি, একই সাথে মৃত্যু নীল শিল্পীসত্ত্বা।

।।চুপ।।

বলতেই ভেঙে পড়লো আয়নায় সাজানো প্রতিফলন
একঝাঁক রোদের প্রজাপতি ডানা মেলে উড়ে গেলো বৃষ্টির হাত ধরে
ছায়ামাখা বিষাদ গানে মুখরিত হ'লো বনজ কিশোরের চোখ...

শের-এ-শায়েরী

...............................................................
..............................................................
...............................................................
................................................................
................................................................
১.
আগুন ছুঁয়েছে তার হাত,
আগুন ছুঁয়েছে তার হাত...
এখন চলেছে বরফের আয়োজন,
বরফ এবার ছোঁবে তার হাত;
আমার কেবল লোভাতুর চেয়ে
আগুন এবং বরফের পানে,
কেটে গেছে উদাসী অবুঝ রাত।

২.
এইভাবে তার চলে যাওয়া,
এইভাবে তার চলে যাওয়া দূরে...
জলের অভাবে শুকিয়েছে দেখি
শিকায় ঝোলানো মানিপ্ল্যান্ট
যেভাবে সে চলে গেছে দূরে
কাটাময় পথে রক্তস্রোত ঝরে,
ছুঁয়ে যাই তবে ফোঁটায় ফোঁটায়
দূর কল্পনার গানে তারে ফিরে পাওয়া।

৩.
অন্ধকারে ফুটে আছে এক চাঁদ,
অন্ধকারে ফুটে আছে এক চাঁদ...

Baran

বরণ

আরও একটি বসন্ত, সামনে দন্ডায়মান
তাকে বরণ করার জন্য চারিদিকে
সবাই বাসন্তী হয়ে উঠছে। তবু!
এমন দিনে তোমার কি হলো?
নীল কোন বেদনা হৃদয় কোণে মেঘ করছে?
কিংবা কোন চাওয়া, যা পাওয়া হয়নি
নয়তো কারো প্রতীক্ষায় পথ গোণা?

হৃদয়ের আর কি দোষ বল--
হৃদয় মন্দিরে শঙ্খ বাজবে, ঘন্টা বাজবে
অচীন দেশে তরী বাইবে
পূর্ণিমা আমবশ্যা তো হবেই।
তাই বলে কি মনের মণি কৌঠায়
লালন করে যেতে হব।
ভুলে যেতে হবে সব কর্তব্য?
এর কোন অর্থ হয়
দেখ, যা গেছে তা ফিরিয়ে আনা
তোমার আমর পক্ষে অসম্ভব।

স্বপ্ন তো স্বপ্নই, কল্পনা তো কল্পনাই
তার সব কিছুর কি বাস্তব রূপ দেখা যায়।
মানুষ যা চায় তার সবটুকু কি পায়?
জানোই তো দুঃখ আছে বলে সুখরে এতো মূল্য?
অন্ধকার আছে বলেই আমার আলোর পেছনে
বাহ্যজ্হান হয়ে ছুটি
এটাইতো প্রকৃতির নিষ্ঠুর খেলা।

তাহলে বিষাদী, এবার উঠ বরণ কর
তোমার জীবনের বসন্তকে
মনের সব কালোকে ঝেড়ে ফেলে।

ইট পাটকেল

আমার ছোটবেলার বন্ধু রাজশাহীর কাজলার পিন্টু পেশায় রিকশাচালক। আমি যখন রাখাল বালক তখন পিন্টু আমার নিত্যসঙ্গী। একসংগে গরু চরানো, বাঁশি বাজানো, পার্কের কদম গাছ থেকে কদম ফুল পাড়া আরো কত না মজার স্মৃতি। যেদিন ওর কাছ থেকে শিস দিয়ে সিনেমার গান গাওয়া রপ্ত করলাম বাবা মার টনক নড়ল... আমি মাদ্রাসা ঘুরে গেলাম স্কুলে আর পিন্টু জীবিকার তাগিদে পা রাখল রিকশার প্যাডেলে। তারপর পেরিয়ে গেল কত বছর... কঠোর জীবন সংগ্রাম তার, কিন্তু... মুখে আমলিন সেই ছোটবেলার নিষ্পাপ হাসি। দেখা হলেই একগাল হেসে জিজ্ঞেস করবে

কেমুন আছেন ইমুন ভাই?

কতদিন বলেছি আরে আমরা তো ছোটবেলার বন্ধু, আপনি বল কেন? এ কথায় দারুন লজ্জিত সে। বলে

কী যে বুলেন? আপনে এখন কত থ বড় ষাঁড়!!! (যথার্থ)

পরীদের শহর থেকে... (১)

শহরটার পুরো নাম এতটাই বড় যে গিনেস রেকর্ডে এটা যেকোনো জায়গার সবচেয়ে দীর্ঘতম নামের অধিকারী, মোট ২১টি শব্দ নিয়ে এর পুরো নাম। সংক্ষেপে শহরটার নাম “ক্রুং থেপ মাহা নাখন” যার মানে “পরীদের শহর”। আর আমরা শহরটাকে চিনি ব্যাংকক নামে। এখানে আসছি অফিসের কাজে।

ব্যাংককে বাংলাদেশীরা এত বেশী আসে যে এই শহর সম্বন্ধে নতুন কিছু জানানোর চেষ্টা রীতিমত ধৃষ্টতা। তাই শুধু কয়টা ছবি...

~

SAM_2610.JPG

SAM_2501.JPG

SAM_2496.JPG

SAM_2676.JPG

জীবন কড়চা

বই মেলা কড়চা নামে একটা সিরিজ লেখা চালু করেছিলাম ফেব্রুয়ারির ১ তারিখ থেকে। খুব ইচ্ছে ছিল- সিরিজটি নিয়মিত করা। এক দুই দিন বাদে সব দিনই বই মেলায় গিয়েছিলাম। ২৯ টি পর্ব লেখার ইচ্ছে থাকলেও ১৭ পর্ব লেখার পর বন্ধ করে দিলাম। এই পর্বগুলো লিখতে যেয়ে আমাকে প্রায় প্রতিদিনই রাত ১/২ টা পর্যন্ত নেটে থাকতে হয়েছে। একসময় মনে হল আর লিখবো না। সে সময়টার কোন একদিন আমার কোনো এক কারনে এতটাই অভিমান হয়েছিল যে, লিখা বন্ধ করে দিলাম। ভাল করেছি কী মন্দ করেছি- সেটা জানিনা। তবে আজ নিঃসংকোচে বলতে পারি, সিরিজটা বন্ধ করে দেবার পর আমার খুব খারাপ লেগেছে। অনেকের অনুরোধ স্বত্তেও আর লিখিনি। আমি কি একটু বেশি অভিমানী বা জেদী ?

হিরনবালা- হেলাল হাফিজ

হিরনবালা তোমার কাছে দারুন ঋণী সারা জীবন
যেমন ঋণী আব্বা এবং মায়ের কাছে।

ফুলের কাছে মৌমাছিরা
বায়ুর কাছে নদীর বুকে জলের খেলা যেমন ঋণী
খোদার কসম হিরনবালা
তোমার কাছে আমিও ঠিক তেমন ঋণী।

তোমার বুকে বুক রেখেছি বলেই আমি পবিত্র আজ
তোমার জলে স্নান করেছি বলেই আমি বিশুদ্ধ আজ
যৌবনে ঐ তৃষ্ণা কাতর লকলকে জিভ
এক নিশীথে কুসুম গরম তোমার মুখে
কিছু সময় ছিল বলেই সভ্য হলো
মোহান্ধ মন এবং জীবন মুক্তি পেলো।

আঙুল দিয়ে তোমার আঙুল ছুঁয়েছিলাম বলেই আমার
আঙুলে আজ সুর এসেছে,
নারী-খেলার অভিজ্ঞতার প্রথম এবং পবিত্র ঋণ
তোমাকে নিয়ে কবিতা লিখে সত্যি কি আর শোধ হয়েছে?

আমরা হেঁটেছিলাম বাতাসের বিপরীতে

আমরা হেঁটেছিলাম গন্তব্যহীন
আমাদের পায়ের নীচে সবুজ জমিন ।
আমরা রাখিনি হাত পরস্পরায়
তবু আমরাই ছুঁয়ে দেখি যুগলভাবে---
স্বপ্নহীন জীবন যেখানে থেমে আছে অনেককাল;
কবেকার স্মৃতিতে ।
আমরা কথা বলি,কোন কথাই হয় না তবু
চেয়ে দেখি স্বচ্ছ দিঘীর টলমলে জলে
গলে পড়ে সূর্যের সোনালী রশ্মি ।
তবু আমরা কিছুই দেখি না !
শুধু নীলসবুজ পাখিটা উড়ে গেলে 'পর
দীর্ঘশ্বাস ফেলি আর
চোখের কোণে জমে ওঠা শিশির বিন্দু ছুঁয়ে
দাঁড়িয়ে থাকি তেপান্তরের মাঠে
কি
ছু
ক্ষ

তারপর ফিরে আসি
"যে জীবন শালিকের,দোয়েলের " তাকে ফেলে
যে যার গন্তব্যে ।
হয়ে উঠি আবার নাগরিক ভারবাহী !

সময়গুলো দ্রুত পার হয়ে যাচ্ছে

ইদানীং সময়গুলো খুব দ্রুত পার হয়ে যাচ্ছে। এটা বোধহয় আমাদের সবারই হচ্ছে। সেদিন সাকিব আল হাসানকে দেখলাম, এ নিয়ে আক্ষেপ করতে। বিপিএল টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট সম্পর্কিত নিজের একটা লেখায়। সাকিবকে আমি পছন্দ করি ওর রেগুলার পার্ফর্মেন্স আর পজিটিভ অ্যটিটিউডের জন্য। আর প্রথম আলোতে ছাপা হওয়া ওর লেখাগুলো পড়ে পড়ে যেটা মনে হয়েছে, লেখালেখির কাজটাও বেশ পারে ছেলেটা। সব মিলিয়ে একজন অলরাউন্ডার যাকে বলে আরকি। আমার আরেকজন পছন্দের খেলোয়াড় হচ্ছে আশরাফুল। যদিও বেচারা এখন পর্যন্ত নিজের সেরা সময়টা খুঁজে পায় নি এবং নিজের সেরা খেলাটাও খেলতে পারে নি। তবু আমি আশায় আছি, একদিন সে ফর্মে ফিরবে এবং অনেকদিন পর্যন্ত একটানা স্বীয় ঝলকানিতে প্রকম্পিত করে রাখবে চারদিক। প্রসঙ্গত বলে রাখা ভালো, আমার অপছন্দের একজন খেলোয়াড় হচ্ছে তামিম ইকবাল। ছোকড়াকে ডেঁপো আর বেয়াদপ ধরনের মনে হয়েছে আমার। এ ধরনের ধারণা অবশ্য এমনি এমনি তৈরি হয় নি আমার ভে

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ