অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

ভুতের মুখে রাম নাম! পাকিস্তানী পত্রিকায় বাংলাদেশের সুনাম!!

[পুরা লেখাটা এখানে ]

লেখক বলেছেনঃ Unlike Pakistan, Bangladesh immediately carried out fundamental reforms in their constitution and system of governance. Like vast majority of the Muslim countries, the prefix of ‘Islamic’ was omitted from the name of Bangladesh.

আমি মনে করিঃ ৭১ এ আপনারা ইসলাম ট্যাগ নিয়ে যা দেখিয়েছেন তারপর আবার ইসলাম! থাক আপনাদের ইসলাম আপনাদের কাছে, আমরা বরং নিরপেক্ষই থাকি। আমাদের ধর্ম আমাদের মতই পালন করতে দিন। নাম দিয়ে কাম কি? প্রতি ঈদে আপনাদের দুই ইসলামী গ্রুপে[ সিয়া সুন্নি] বোমাবাজি হয়ে হতাহত হয় আর আমরা ঈদ পালন করি বিনা বোমাবাজিতেই

পাঠ প্রতিক্রিয়া : রশীদ করীম

রশীদ করীমের উপন্যাস সমগ্র পড়া শেষ করলাম।
সেই ১৯৬১ এ লেখা প্রথম উপন্যাস “উত্তম পুরুষ” থেকে ১৯৯৩ এ লেখা শেষ উপন্যাস “লাঞ্চবক্স” পর্যন্ত। প্রথমেই বইলা রাখা ভালো, আমি কোনো সমালোচক নই। যার জন্য এই উপন্যাস সমগ্র নিয়া যা যা লিখতেছি তা সবই আমার নিজস্ব ভাবনা।

উপন্যাস সমগ্র পড়বার একটা সুবিধা আছে। বিভিন্ন সময়ে লেখকের বিভিন্ন রকম ভাবনা-চিন্তা গুলারে এক মলাটে পাওয়া যায়। তাতে লেখকের চরিত্র সম্পর্কেও মোটামুটি বেশ পরিষ্কার ধারণা জন্মায়। যাক এইসকল কথাবার্তা, পাঠ প্রতিক্রিয়ায় আসি।

ইওরোপের কোন এক খানে... (৫)

কথা কম...ফটু বেশী

~
SAM_2143.JPG

SAM_2140.JPG

SAM_2145.JPG

SAM_2146.JPG

SAM_2148.JPG

SAM_2149.JPG

স্মৃতি কথা, স্পর্শ উপাখ্যান-১

তোমার সাথে স্পর্শের কোন স্মৃতি নেই।
তাই চোখ দুটোকে ওরা হিংসা করে বেশ
তোমার কথা শোনে কানদুটো সন্যাসে গ্যাছে
ঝলসে যাওয়া কানে শুনি না কিছুই আর।

তোমার সাথে আমার কোন স্পর্শ নেই।

একটু বেশিই তোমায় দেখার ছিল
আর একটু বেশি শোনার…
একটি কথা তোমায় বলার ছিল
বাকী রইল। থেকেই যাবে।

দরজায় কি কেউ কড়া নাড়ছে ?

কেউ একটা এসেছে নিশ্চয়, দরজায় কড়া নাড়ছে মৃদু শব্দে । জানলার জীর্ণ পর্দাটা হঠাত্‍ কেঁপে উঠে আবার থেমে গেল কি ভেবে , তা বুঝে ওঠার আগেই আবার শব্দ । মৃদু নয় , এবার তা সজোরে শোনালো । মৃন্ময় দ্বার খুলে দিতে যাবে ভাবছে , এমন সময় মনে পড়ল দরজাটা তো খোলাই পড়ে আছে । এখানেও কি চোর আছে নাকি ! তবে কে হতে পারে ? এই রাতদুপুরে ঘোর অন্ধকারপুরীতে কোন অমানুষের কাজ থাকতে পারে ? কিংবা কোন কামাতুর মোহিনীর ? যে রাতযাপন শেষ না হতেই ফিরে যাবে অন্য দরজায় ? কিন্তু শব্দ তো স্পষ্টই শোনা গেল । তবে কি কেউ এলো এই স্বেচ্ছা নির্বাসনে শরিক হতে ?

যুদ্ধাপরাধের বিচার

যুদ্ধাপরাধের বিচার ।

নীল পাহাড়

১.
সাপটা ছোবল দিতে আধসেকেন্ড দেরী করাতেই সাবুর ভোজালির কোপে মরলো। সবুজ লতা সাপটা ঝুলে ছিল ঝাকড়া শ্যাওড়া গাছ থেকে। ঝুলন্ত অবস্থাতেই ছোবল তুলেছিল। ভয়ংকর বিষধর এই সাপ।

সাবুর মেজাজটা তিনদিন থেকে চোতরা পাতার মতো চুলবুল করছে। তিন বাটি নাপ্পি খেয়েও ভুলতে পারছে না নীলা ম্রুর সেই রুদ্রমূর্তি।

বিপদসঙ্কুল বর্তমান, বালকবেলার স্মৃতিরে এলোমেলো করে দিয়ে যায়...

১.
সনাতন হতে হতে আমি গণিত ভুলেছি,
প্রকৃতিরে সর্বময় জেনে ভুলেছি অতীত।
তবে জানালায় মৃত্যুর সমন ঝুলতে দেখে
ভবিষ্যত ভাবি; নিয়মের ব্যতিরেকে,
লুকিয়ে লুকিয়ে, নিরাপত্তার সংকেত শিখি।

আমরা যদি রক্ষার নিয়ম শিখে যাই,
তাহলে কী কামে লাগে বলো দারোগা পুলিশ!

২.
গঙ্গীমার গল্প শুনাইছিলো সাদেকালী
চেটানো পাজরে তার মিলেছিলো রূপসী মায়ার
তরুণীরা। লোভ জয় করে সাদেকালী
ফিরে আসে মর্ত্তধামে; সে আবার ফসলের মাঠে যায়
নদী গহ্বরে সে সাহস করে নাই যৌবন বিলাইতে...
যেহেতু দুয়ারে কানতেছিলো সুর্য্য বানু।

বালকের স্মৃতিগুলি পুরাতন হলে,
দেখে নদীর বিদীর্ণ জলে ভাসে
ক্ষমতা অথবা অক্ষমের বিকীর্ণ ধরেরা
করোটির ভারে ডুবে গেছে মস্তিষ্ক, নয়ন
আর স্মৃতি। স্বপ্নে তার সাদেকালী হাসে...

"কইছিলাম না গঙ্গীমা টোপ ফালায়
কলিজার লোভে..."

৩.
যদি জিগাও, "গন্তব্য কতোদূর?"
আমিও লজ্জিত হবো সাদেকালীর মতোন

জল ছুঁই ছুঁই

(১)

ডুবে যেতে যেতে যতটুকু ভেসেছি
তার কাছাকাছি ঠিক এসে দাড়ালে,
হাতটিও বাড়ালে,
চেপে চুপে অবশিষ্ট ডুবিয়ে দিতে দিতে বললে,” ভালবাসবি, কখনো আর?”
আমি হাসতে হাসতে ডুবতে ডুবতে বললাম, “ভালবাসি তোমায়” ।

কি বিষ্ময়! তোমার চোখে তখন জল।

(২)

একটু স্থির হই, কাঁদি কখনো
হঠাৎই হাসি, যাই করি।
জল ছুঁই ছুঁই পাড়ে দাড়িয়ে বিষন্ন হই মাঝে মধ্যেই।
এতো কিছু, তারপরও,
তুমি যখন বললে ” তীর্থে যাবো, যাবে ?”
হেসেছি শুধু।

এখন আর আমাদের যেতে নেই।।

আহাজারী

ষ্টেশন রোডের জরাজীর্ণ পথের ধারে
খুপড়ি ঘরে বাস করে
এই দেশের জন্য জীবন বাজী রাখা
লড়াকু, এক পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধা।
তক্ত পোষের দুর্গন্ধ রাস্তা পর্যন্ত পৌছায়
নাক সিটকিয়ে পথিক জায়গাটুকু পার হয়।
কেউ অশ্রাব্য গালি দেয় আজন্মা বলে , কেউ হনহনিয়ে চলে
ক্ষুধার তাড়নায় অভুক্ত তখন পঙ্গু যোদ্ধা ।
গতকাল পর্যন্ত মেয়েটাই ছিল সব
কোন দুর্বিত্তের দল উঠিয়ে নিয়ে গেছে তারে
কপালে মৃদু মৃদু ঘাম,ঘুমোট দুর্গন্ধে চারপাশ
শুধায় পথিকের তরে "দেখেছো বাপ মোর জুলেখারে"
কেউ থমকে দাঁড়ায় বিস্ময় নিয়ে , কেউ দ্রুত
পথচলে আপদ ভেবে।
নিঃস্ব মুক্তিযোদ্ধা আহাজারি করে
ষ্টেশন রোডের জরাজীর্ণ পথের ধারে।

ছোটদের নতুন পৃথিবী

ধরে নাও আজ পালটে গেল
এই পৃথিবীর নিয়ম,
ছোটদের আর মারছে না কেউ
বকছে না কেউ তেমন।
শিখছে ওরা হাতের শিল্প
প্রযুক্তি আর কাজ,
করছে যে আয় নিজের মত
হচ্ছে না আর ভার।
পড়ছে এখন নিজের টাকায়
দিচ্ছে না কেউ চাপ,
গবেষণায় শিক্ষা জ্ঞানে
পেরোচ্ছে তার ধাপ।
খুলছে অনেক বাচ্চা চালিত
সাহায্য কমিটি,
বাচ্চা সবাই ভাবনা করে
বানাচ্ছে সমিতি।
শিখছে নিতে দায়িত্ব ভার
বাড়ছে বুদ্ধিবৃত্তি,
দক্ষতা আর কর্মজ্ঞানে
হচ্ছে নতুন সৃষ্টি।
ছোটদের এই মজার জগৎ
কল্পনার এক মূর্তি,
তবুও যদি বাস্তবে আজ
ঘটতো এসব সত্যি?!!

অল্প বিদ্যা ভয়ংকর - ১

লেখালেখির ক্ষেত্রে বেশ কিছুদিন, এধারকা মাল উধার করে কাটালাম। মানে এ ব্লগের লেখা সে ব্লগে এই রকম আর কি! তাতে যে বেশ নাম ছড়িয়েছে, তাও নয়। দুই চারজন দয়া করে পড়ে আমার মান বাঁচিয়েছেন আর পুরোনোরা বারবার বলেছেন, "দিদি ইধারকা মাল উধার করে আর কদ্দিন, এবার নতুন কিছু ছাড়ুন..."
তা নতুন মাল ভেতরে থাকলে না হয়, ছাড়া যায়, মানে লেখা যায়....। বাহিরের মত আমার ভেতরটাও ঝরঝরে। ফিলিপস বাতির মত সব ফকফকা। কিন্তু সে কথা বলা বারণ, আজাকের যা জামানা...তাতে ভাব ধরে থাকতে হয়। ভাব ধরে বিশেষ সুবিধা নাই, কেহই জিগায় নাই-'লেখেন না কেন?' কিন্তু তাতে কি? আমিই জানিয়ে দেই- "আমি আবার রাইটার্স ব্লকে ভুগছি"। Tongue Tongue Tongue এটা একটা দামী অসুখের নাম। দামী লোকরে কে কবে পাত্তা দিছে বলেন?? পোড়ার দেশে সবই কপাল।জ্ঞানের কদর একেবারেই নাই।

রঙ আমার উড়তে থাকে ভাসতে থাকে

খয়েরী ডানায় সে এক চটপটে শালিক ছানা
চোখ-কান খোলা রেখে কথা তার না-বলা শোনা
চাইছিলো সে আসুক উড়ে উড়ে সময়ের আনাগোনা
আমার মনন মগজে দিলো খোঁচা
কীভাবে যে কী করি খুঁজতে কী পারি
ছড়িয়ে ছিটিয়ে কোথায় কাঁচা পাকা সোনা-দানা

সে তো ছোট্ট শালিক ছানা
আমার মন তো মানে না
সে বদ্ধ উঠোন জলে নাড়ালো পা দু'খানা
আমার নাচতে ইচ্ছে, না করে না

হেই শালিক ছানা
আমার উড়তেও যে মানা
বলে শালিক, উড়তে ডানা লাগে না
মন পবনে নাও ভাসালে ছুটছে দেখবে তোমার হাতে ঘুড়িখানা
তুমি নাটাইয়ের সূতো কেটে নিও না
তোমার উড়তে কোন বাধা না

দূরে বসে উঁচুই শালিক রঙের খেলা দেখে
কী রঙ মাখি আমি আমার ক্যানভাসে
ডিগবাজী তুলে শালিক শিমুল বাতাসে
তুলির রঙ ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে সর্বত্রে
রঙ আমার উড়তে থাকে ভাসতে থাকে মিশে মেঘ আকাশে।

এই শীতে উষ্ণপদ্য

উতল হাওয়া উড়িয়ে নিল কই আমাকে
উতল হাওয়ার আঁচল দোলে
আমারও যে পরাণ জ্বলে
বলি-
তোর আঁচলের খানেক ছায়া দে আমায় দে।

উতল হাওয়া শীতল হাতে দেয় ছুড়ে দেয়
বলে-
খানেক কেন, পুরো আঁচল নে বাবা নে।

ভুলের মাশুল

চরম একটা কথা কইছ তুমি ,
তোমার কথায় স্বর্গ হলো পাতাল ।
দীর্ঘশ্বাস ছাড়লা যখন তুমি ,
বাতাস কেমন হলো টাল মাতাল ।

আমি বুঝিনি , বুঝছো কেবল তুমি ,
এতো বুঝেও করলা বিরাট ভুল ।
আমার কথা শুনলানাতো তুমি ,
ক্যামনে দিমু এ ভুলের মাশুল ??

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ