জোয়ান অফ আর্ক
ইতিহাস ঘাঁটাঘাটি করলে যে কয়জন সাহসী, যোদ্ধা, রাজনীতিবিদ এবং ব্যক্তিত্বসম্পন্ন নারী পাওয়া যায় তাদের মধ্যে জোয়ান অফ আর্ক ছিলেন অন্যতম। তিনি ছিলেন পরাধীন ফ্রান্সের মুক্তিদাত্রী বীরকন্যা এবং রূপকথাতুল্য এক নেত্রী। মিউজ নদীর তীরে দঁরেমি গ্রামের এক সাধারণ কৃষক পরিবারে ১৪৪২ সালের ৬ই জানুয়ারী এই বীর নারীর জন্ম। ফ্রান্স তখন ইংরেজদের শাসনাধীন ছিল। ইংল্যান্ডের রাজপুত্র ষষ্ঠ হেনরি ফ্রান্সের সিংহাসনে আরোহন করলে ফ্রান্সের রাজা সপ্তম চার্লস পালিয়ে যান। মাত্র তের বছর বয়সে মাঠে ভেড়ার পাল চড়াবার সময় জোয়ান দৈববাণী শুনতে পান যে তাকে মাতৃভূমির স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার ও ফ্রান্সের প্রকৃত রাজাকে ক্ষমতায় পূনর্বহাল করার জন্য প্রধান ভূমিকা পালন করতে হবে। দৈববাণী শুনামাত্রই জোয়ান অনেক চেষ্টার মাধ্যমে ফ্রান্সের পলাতক রাজা সপ্তম চার্লসের সঙ্গে দেখা করেন এবং দেশের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের জন্য তার কাছে সৈন্য প্রার্থনা
"মা"
মাগো তুমি শুধু গর্ভধারিনী নও,
অসুখে মোর নির্ঘুম রাত্রি জেগে রও,
মাগো তুমি শুধু দশ মাস দশ দিন গর্ভে দাওনিকো ঠাঁই,
সারাক্ষণ ছায়া হয়ে থাকো আমি যেখানে যাই,
মাগো তুমি শুধু দুধ করোনিগো দান,
ভালবেসে আজও বাচিয়া রেখেছো মোর প্রাণ,
মাগো আমার এই দেহ মন তো তোমারি গরা,
এই দেহ মোর তোমারি রক্তে ভরা,
মাগো আমারি অনুভূতি তো তোমারি দান,
ভালবাসা দিয়ে তুমি কর তার প্রমাণ,
মাগো তুমিই তো প্রথম শিখিয়েছো কথা,
তুমিই তো বুঝিয়ে দিয়েছো জগতের যত ব্যথা,
মাগো তোমারি হাত ধরে শিখেছি প্রথম পথ চলা,
তোমারি মুখের মুধুর গানে কাটিয়েছি মোর শৈশব বেলা,
মাগো তুমিই প্রথম শিখিয়েছো শিষ্টাচার,
তুমিই করিয়েছো প্রথম আহার,
যে নারী সারাক্ষণ আমার চিন্তায় থাকে নির্ঘুম সে তো তুমি মা,
আমার দেহের রক্ত নিশ্বাসে মিশে আছে তোমারি মহিমা,
যে নারী আমার মঙ্গলের জন্য করে প্রার্থনা,
যে নারী আমার সুগের জন্য প্রভূকে করে আরাধনা,
ফুল পাহাড়ের দেশে
ছোট্ট স্টেশনটায় এসে মন ভালো হয়ে গেল।। লোকজনের ভীড় নেই, হট্টগোল নেই; চারিদিকে শুনশান।, কোথাও কোন শব্দ নেই।।

মেয়ে আমাদের স্টেশন মাস্টার সেজে অভ্যর্থনা জানাল।।

স্টেশন থেকে বেরিয়ে, বাস ধরলাম।। কিছুক্ষণ যাবার পরই শুরু হল, ঘন বন।।। বাসের জানালা থেকে ছবি তুললাম।

আবোল তাবোল-১
[ডিসক্লেইমার:
পুরাই হাবিজাবি টাইপ পোষ্ট।অলস সময়ের আজগুবি চিন্তাভাবনা।করার মত কোন কাজ থাকলে ইহা না পড়াই উত্তম।
তবুও যারা সময় করে পরবেন তাদের কাছে আগেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।চিন্তাগুলো আমার নিজের কাছেই বেশ এলোমেলো তাই লেখাটা খুব একটা গোছানো হবে না বলেই আমার ধারনা!]
বিষয় : বর্ষা ও মৃত্যুচিন্তা ।
বৃষ্টি পড়ছে।দিন রাত কোন বিরাম নেই। এই কমে তো এই আবার বেড়ে যায়।ছাতা ছাড়া বাইরে যাওয়া যায়না, এমন বিরক্তিকর অবস্হা।একেই বোধহয় বলে বর্ষার 'গাদলা'!
এইরকম দিনগুলো আসলেই, বিশেষত রাতের বেলা।জানি না কেন, আজগুবি একটা চিন্তা মাথায় এসে জ্বালিয়ে মারে।
চিন্তাটা আমাদের কবর জীবন নিয়ে!
আমরা জানি আমাদের মৃত্যুর পর যখন আত্মা শরীর ছেড়ে চলে যায়.তখন ওই শরীরের আর বিশেষ কোন মূল্য থাকেনা।ওই শরীরের আর কোন অনুভূতি ও থাকার কথা না।
কিন্তু হাদীসে এসেছে,
গোল্লায় যাক সমাজ ভাবনা
গোল্লায় যাক সমাজ ভাবনা
জানিস হরতাল সামনে রেখে দশটা গাড়ি পুড়লো ধিকিধিকি?
শুনেছিস যোগাযোগমন্ত্রী কিভাবে খাচ্ছে
পরিবহন মালিকদের হাতে ফাঁকি!
ভীষণ ঘটমান বর্তমান সচেতন বন্ধুর ফোন ইচ্ছে করে,
আলগোছে কানের কাছ থেকে একটু দূরে রাখি।
আমার বলতে ইচ্ছে করে, ”তুই জানিস না ইসাবেলা,
আমিও এখন নির্বিরোধ নৈর্ব্যক্তিকতার একনিষ্ঠ সাকি!”
বলি না।
সত্য জেনে চেপে যাওয়ার মতো মাহাত্ম্য
আর কোনকিছুতে নেই।
কতদিন, মাস, বছর আমি রাজনীতি সচেতন নই
আমার সামনে সীমিত কড়িতে চলার হিসাব,
আমি ন্যূব্জ, যেখানে সেখানে রাখা আসবাব
আমার উপর কথিত বাস্তবতার ধূলো জমে যায় প্রতিদিন,
আমি মুছিনা,
এমন কী এখন আর স্বীকারও করি না
কোথাও কোন ঋণ
এই যে খামারী জীবন টেনে নিয়ে যাচ্ছি এই যথেষ্ট
বরং আমাকে বাঁচাতে তুই হ’ আরেকটু সচেষ্ট
বিবিধ স্মৃতি : আড়তদারি ব্যবসায়ের অভিজ্ঞতা
আগের দুই পর্বে একান্ত ব্যক্তিগত স্মৃতি অনেকের একঘেয়েমি লাগতে পারে। তাই বিষয়ভিত্তিক স্মৃতি লেখার কথা ভাবছি। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, আড়তদারি ব্যবসায়ের অভিজ্ঞতা, পালিয়ে গিয়ে বিয়ে, পার্বত্য চট্টগ্রামে রাবার বাগান গড়ার চেষ্টা, গার্মেন্টস শিল্পে উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর এক্সপেরিমেন্ট, বাংলাদেশে ইন্টারনেটের সূচনা, প্রথম আলোতে ১১ বছর, ইত্যাদি।
ইচ্ছে
ইচ্ছে হলেই লিখে ফেলা যেতো.
.তোমার কানের দুলের দুষ্টুমির কথা
তোমার কালো টিপের নার্ভাসনেস
লিপিস্টিকের ভিরু ইশারা
নেইল পলিশের বিষন্ন হয়ে যাওয়া
রেশমি চুড়ির হঠাত থমকে যাওয়া,
আচলের বেসামাল উড়াউড়ি
তোমার অনামিকা ঘিরে ছায়াদের ঘুরোঘুরি
আর চুলের কালো টিপটার মরচে পড়ে যাওয়ার ইতিবৃত্ত,
তোমার নাকের তিলটাকে নিয়ে আমার যে স্বরবৃত্ত।
কিন্তু যেখানটায় লিখবো,
সেই তোমার করতলে যে হাটুজল !
অর্থ অর্জন
আপা দেশে এসেছে অনেকদিন পর। সাথে ভাগ্নেটা। বেশ পাজি। কথাবার্তা শুনতে চায় না। নিজের মতই সব কিছু করে। নিজের মতই সব কিছু পেতে চায়। সবকিছুই তাকে সেইভাবে দিতে হবে, যেভাবে সে চায়। বিদেশ থেকে আসা একটা চার বছরের ছেলে যে এমন জিদ ধরে চলবে, ভেবে পায় না তানিশা। সবে এইচএসসি শেষ করেছে সে। হাতে যথেষ্ট সময়। তাই সব আবদার তার উপরই। কী আর করা আপার ছেলে যে!
গল্প: লিহীন
(খুনোখুনি, রক্তপাত আছে লেখায়...)
রওশনের মতো বুনো আর হিংস্র মনের ছেলে এ পৃথিবীতে অনেক কম জন্মেছে। যারা জন্মেছে তাদের বেঁচে থাকা সবসময়ই মানুষকে কষ্ট দিয়েছে, কলুষিত করেছে এবং সবশেষে মানুষ বাধ্য হয়েছে তাদের প্রতি নিষ্ঠুর হতে। এদেরকে মানুষের জন্য দুর্ভাগ্যের নিমিত্ত হয়ে পৃথিবীতে আসা একধরনের প্রাণী হয়তো বলা যায় কিন্তু মানুষ বলা যায় না। প্রকৃতি নিজের কোনো এক অদ্ভুত খেয়ালেই এদেরকে মানুষ বানিয়ে পাঠায় না।
চট্টগ্রাম শহরে সিডিএ বলে একটা এলাকা আছে। সেটার ১২ নম্বর রোডের একদম শেষ মাথায় রওশনদের বাড়ি। জায়গাটা খুব ঘিঞ্জিমতো, যেখানে ওদের বাড়ির পাশ দিয়েই চলে গেছে শহরের বড় বড় স্যূয়ারেজ ড্রেনগুলোর একটি। সেটাকে ওরা বড় নালা বলে।
বন্ধুদের জন্য ভালোবাসা
আমার নতুন বন্ধুরা,
গ্রহান্তরী বৃষ্টি..(আধুনিকাব্য!)
সারারাত বৃষ্টি ঝরে গেল,
অঝোরে..
তমসাচ্ছন্ন নগরীর
অন্ধকারে,
মৃত্যুর ছায়া..
সময়ের নির্মমতায়,
বিমর্ষ প্রহর..
শেষরাতের ঘুমন্ত প্রহরী,
বরই গাছের পাতায় জল-
ল্যাম্পপোষ্টের নিয়ন আলোয়;
রুপোলি ঝিলিক..
স্তব্ধ সময়ের সাক্ষী;
বাতাসের গায়ে ভাসে,
কর্পূরের গন্ধ ভরা জল..
অসময় সময়ে;
সমুদ্দুরের অশ্রু ছুঁযে,
মেঘ হয়ে নামে..
বৃষ্টি,
গ্রহান্তরের চিরচেনা অচেনা আগন্তুক..।।
[ভাল লাগলে জানাবেন,
না লাগলে আরও বেশি করে..
ভাল থাকুন সবাই,
অনেক ভাল..সবসময়।।]
**আর কি লেখবো বুঝতে পারছিনা,৫০ টা শব্দ যে এত বেশি জানা ছিলনা!
বিবিধ স্মৃতি বহন করে দু'বছর পরই ৫০ হবো, সেঞ্চুরির স্বপ্নও দেখি! (পর্ব-২)
৭. ভুট্টো সরকার সেখানে অবস্থানরত বাঙালিদের জন্য পাকিস্তানের নাগরিকত্ব নিতে অপশানের সুযোগ দিল। বাবা তাঁর ক্যারিয়ারের কথা চিন্তা করে (সম্ভবত, বাংলাদেশে সরকারি চাকরিজীবীরা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ না করার কারণে বৈষম্যের শিকার হতে পারে- এমন আশঙ্কা করে) পাকিস্তানে থাকার অপশান দিলেন। শুনে মায়ের দিন-রাত কান্নাকাটি চলতে থাকলো। দেশের আপনজন ছাড়া ভিনদেশে থেকে যাওয়া তিনি মেনে নিতে পারছিলেন না। বাবাও দ্বিধায় পড়লেন। অফিসের বসরা তাঁকে স্নেহ করতেন। তাঁদের তালে পড়ে অপশান দিয়েছিলেন। মায়ের কান্নাকাটিতে আবার অপশানের ফরম পূরণ করে বাসায় এসে ঘোষণা দিলেন অপশান দুটোই দেওয়া থাকলো, ভাগ্যে যেটা হবে তা-ই মেনে নেব।
বন্ধু দিবস... :: বন্ধুগো... আমার...
বন্ধু তোমার চোখের মাঝে চিন্তা খেলা করে
বন্ধু তোমার কপাল জুড়ে চিন্তালোকের ছায়া
বন্ধু তোমার নাকের ভাজে চিন্তা নামের কায়া
বন্ধু আমার মন ভাল নেই / তোমার কি মন ভালো
বন্ধু তুমি একটু হাসো / একটু কথা বলো
বন্ধু আমার বন্ধু তুমি / বন্ধু মোরা ক' জন
তবুও বন্ধু...... মন হলো না আপন’- কৃষ্ণকলি
বন্ধুত্বের আহ্বান... বন্ধুত্বের অবগাহন... বন্ধুত্বেই জীবন... বন্ধুত্বেই মরন... এত এত বন্ধুর ভীরেও পুরোনোরা হারায়... খুজে পাওয়ায় আত্মহারা সুমন হয়তে বলে ওঠে
হঠাৎ রাস্তায়, অফিস অঞ্চলে
হারিয়ে যাওয়া মুখ, চমকে দিয়ে বলে
বন্ধু কি খবর বল?
কতোদিন দেখা হয় নি।
হুদাহুদাই (২)
প্লেনে যাতায়াত ভাড়ার সাথে খাবার আর অন্যান্য আনুসাঙ্গিক সুবিধাদির খরচ যোগ করা থাকে - এটাই সাধারনত হয়ে থাকে। কিন্তু ধরুন যদি প্লেনে বসে খিদে পেলেই খাবার কিনতে হচ্ছে কিংবা টয়লেটে যাবার তাগিদে প্রতিবারই আপনাকে পকেটের পয়সা দিতে হচ্ছে, কেমন লাগবে ব্যাপারটা? খাবার মানলাম আপনি কিছু না কিছু বয়ে নিয়ে যেতে পারেন সাথে করে কিন্তু টাট্টিখানার কি ব্যবস্থা করা সম্ভব? প্রথম যখন জানলাম প্লেনে এমন হাস্যকর ব্যবস্থা সত্যিই আছে, হাসবো না অবাক হবো বুঝেই উঠিনি। বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে একজন জানালো, এই ব্যবস্থা আছে ''ফ্লাইমি'' নামের ইউরোপের এক এয়ারলাইন্সে!
বিবিধ স্মৃতি বহন করে দু'বছর পরই ৫০ হবো, সেঞ্চুরির স্বপ্নও দেখি! (পর্ব-১)
বয়স নিয়ে অনেকের লুকোচুরি থাকলেও আমি বেশ বড়াই করি নিজের বয়স নিয়ে। মনে করি, বয়সও আমার অন্যতম সম্পদ। হিসেব করার চেষ্টা করি, কী পেলাম আর পেলাম না। ব্লগ আঙ্গিনায় আমার মত বয়স্ক হয়ত খুব বেশী নেই, কিন্তু আমি চেষ্টা করি চলমান প্রজন্মের মেধাবী মানুষগুলোর চিন্তার সাথে পরিচিত থাকার। দেখি, আমার চিন্তা/উপলব্ধির ব্যাপারে আমরাবন্ধুর ব্লগাররা আগ্রহী হন কি-না।
১. সুন্দরবন সংলগ্ন এক গ্রাম্য জনপদে কিশোরী মায়ের কোলে জন্ম নিয়ে নানাবাড়ীতে পরম আদরে বড় হচ্ছিলাম। আমার হাজী সাহেব দাদু ছিলেন কোমল মনের কিন্তু কর্কশ আচরণের সমাজপতি মানুষ। কি যে ভয় পেতাম তাকে! হিটলারের কর্মচারিদের কিভাবে দিন কাটতো- ঐ বয়সে টের পেয়েছিলাম।