অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১ জন সদস্য ও ৯ জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

বইমেলায় কেনা (আউট) বই

এবার বইমেলায় সেরা পাওয়া ছড়াকার লুৎফর রহমান রিটন ভাইয়ের একটা বই। লাল লাল নীল নীল নামের এই বইটা তিনি উৎসর্গ করেছেন আমাদের "ন" পরিবারকে

এবারের মেলায় নতুন বই তেমন কেনা হয়নি এখনো। আমি পুরনো আর বিষয়ভিত্তিক কিছু বই খুজেঁ খুঁজে হয়রান হইছি। নতুন বইগুলো জমিয়ে রেখেছি শেষদিকে কিনবো বলে। জয়িতার অনুরোধে তালিকা শুরু করলাম-

ওজারতির দুই বছর- আতাউর রহমান খান
মেজর জলিল রচনাবলী
উপন্যাস সমগ্র- রশীদ করীম
রোদের অসুখ- আশরাফ মাহমুদ
অশ্রু ও রক্তপাতের গল্প- আহমাদ মোস্তফা কামাল
অবিশ্বাসের দর্শন- অভিজিৎ রায়, রায়হান আবীর
বঙ্গভবনে পাঁচবছর- মাহবুব তালুকদার
অবরুদ্ধ নয়মাস- আতাউর রহমান খান
যখন সময় এল- সৈয়দ আলী আহসান
মারবেল ফলের মওসুম- পিয়াস মজিদ
ট্রেন টু পাকিস্তান- খুশবন্ত সিং
সাদা কালোর অর্থনীতি- শওকত হোসেন মাসুম
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ রক্তাক্ত মধ্য আগস্ট ও ষড়যন্ত্রময় নভেম্বর- কর্নেল শাফায়াত জামিল

সিনেমা পারাদিসো

movie

[আমরা বন্ধুর জন্য একটা অনুবাদ করছি। হাতের কাজগুলো শেষ করেই ওটা করে দেব- এমনই ভেবেছিলাম। কিন্তু তা আর হলনা। গতপরশু মেলায় টুটুল’দা-নাজ বৌদি, লিজা আপা, জয়িতাদের সঙ্গে দেখা হল। জেবু না থাকায় কিছুটা হতাশ হয়েছিলাম। কথা প্রসঙ্গে এই লেখাটার কথা বলেছিলাম জয়িকে, ও শুনেই পুনঃপুনঃ কুপ্ররোচণা দিতে থাকে এটা এখানে দেবার জন্য। এক পর্যায়ে ইমোশনাল ব্ল্যাকমেল করা শুরু করে। এটা আসলে মিছিমিছি একটা লেখা। খুবই বাজে। কেউ পড়ে যদি গালি দেন কিচ্ছু মনে করব না। আর মাসুমভাইকে ফুল রিকোয়েস্ট এটা না পড়ার জন্য।]

সেই রঙিলাজনের জন্য

১.
সেদিন ক্যাপ্টেন ববি আর মেজর অনন্তের ঝগড়া হয়ে গেছে। সামনা-সামনি ক্রসফায়ারে দু'জনেই গুরুতর আহত হয়েছেন। অবশ্য যৎসামান্য ঘটনা থেকে এ গুলিকাণ্ডের উৎপত্তি। ছুটির দিন দুপুরে ক্যাপ্টেন বড় বড় গলদা চিংড়ির দোপেয়াজা রেধেঁছেন। ঝাল ঝাল করে। তাই খেতে খেতে মেজর বললেন, এরপরে ইয়েমেন।
সঙ্গে সঙ্গে প্রবল দ্বিমত আসলো ক্যাপ্টেনের দিক থেকে। মোটেও না, এরপরে সুদান। মেজর বললেন, আলী আব্দুল্লাহ সালেহ্ ৩২ বছর ধরে দেশটায় একনায়ক হয়ে আছেন। ক্যাপ্টেন প্রতিবাদ করলেন, তাতে কি? ওমর হাসান আল বশিরও ২১ বছর ধরে দেশটায় দুঃশাসন চালিয়ে যাচ্ছেন।

এত টেনশন না দিলেও পারতো বাংলাদেশ দল

বিজয়ের উল্লাস চারপাশে, বাংলাদেশের বিজয়ে উচ্ছ্বসিত মানুষেরা আজ ঢাকা শহর কাপিয়ে ফেলছে আনন্দ উল্লাসে, প্রায় প্রতিটি রাস্তার মোড়েই তারুণ্যের বাধ ভাঙা উল্লাস, মোটর সাইকেল, গাড়ী, খোলা পিক আপ ভ্যান, কিংবা খালি পায়ে মানুষ ছুটছে রাস্তায়, কোনো আওয়াজই এখন কর্কশ লাগছে না, সামান্য উপলক্ষ্য পেলে বাংলাদেশী তরুণদের এই লাগামছাড়া আনন্দ দেখে মনে হয় অতিসামান্যেই আমাদের তৃপ্তি আসে বলেই আমরা নিজেদের ক্ষমতাকে আরও বেশী পরিণত করতে ব্যর্থ হই।

বাপ ছেলের বই মেলা ভ্রমন।

মাস ব্যাপী কার্নিভাল পড়ে পড়ে প্রায় একটা সিদান্ত নিয়েই ফেলেছিলাম, এবার বইমেলায় যাব না! মোটামুটি চোখের সামনে রাসেল ভাই একটা ছবি তুলেই দিচ্ছেন। রেডিওতে নাটক শুনার মত অবস্থা! তারোপরি টাকা পয়সার একটা চরম টানাটানিতে আছি। শেয়ার মার্কেটে টাকা হারানো সহ নানা অর্থ কষ্টে আছি। (দ্রব্য মুল্যের লাগাম না ধরলে আমার মত লোক ঢাকা থাকতে পারবে কিনা সন্দেহ! করল্লার কেজি ১০০ টাকা।) আজকাল ভাবছি নূতন কোন শহরে চলে যাব! বিদেশ নয়, দেশেই অন্য কোন বিভাগীয় শহরে! যেখানে কেহ আমাকে চিনবে না! আর কয়েক মাস দেখি। (ওয়াইফকে রাজী করাতে হবে!)

মাসব্যাপী কার্ণিভাল ১২

বই মেলা শেষে টিএসসি থেকে শাহবাগের দিকে হেঁটে আসবার সময় বুঝি আমরা ত্যাগে বিশ্বাসী, রাস্তার দুপাশেই মানুষ সারি বেধে প্রসাব করে রেখেছে, তার গন্ধে মৌ মৌ করছে চা্রপাশ, সাবধানী পা ফেলে এই অব্যহত স্রোত এড়িয়ে শাহবাগ পর্যন্ত হেঁটে আসবার কৌশলের কাছে যেকোনো কমান্ডো ট্রেনিং শিশুতোষ মনে হবে।

বইমেলার ব্যারিকেড থেকে শুরু করে সম্পূর্ণ পথটাতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সহায়তা আর সহযোগিতার আহ্বান সম্বলিত বাক্স এবং ব্যানারের সামনে আগ্রহ নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষদের উপলব্ধি ভিন্ন রকম, তারা বেশ স্পষ্টই বুঝে মলমুত্র ব্যতিত বাঙালী অন্য কিছু এত সহজে ত্যাগ করে না।

(আউট) বই কেনা

নাহ, এইবার বইমেলায় যাওয়াই হলো না!! কপালের দোষ নাই। আসল কথা, অফিস ফাঁকি দেবার কোন সুযোগ করতে পারি নাই। এই মাসের ফাঁকির বাজেট শেষ। মাসে একদিন নিয়ম করে অফিস ফাঁকি দেবার চেষ্টা করি। মাসটা আটাশে হওয়াতে বাজেটে টান পড়ছে। বই মেলা নয়, বইকেনা নিয়ে একটা বকরবকর পোষ্ট লিখতে ইচ্ছা হইল। পুরান কথা নিয়ে একটা চুইংগাম পোষ্ট।
‍ ‍= = = =

বই কিনে দেউলিয়া হবার কোন সম্ভাবনা আমার ছিল না, কারণ দেউলিয়া বড়লোকের কারবার। আমি তার ধার দিয়েও ছিলাম না।

বই কেনা একটা কঠিন চ্যালেঞ্জ মধ্যবিত্ত পরিবারে। যাদের 'আউট বই' পড়ার নেশা আছে কিন্তু বই কেনার সামর্থ্য নেই, তাদের মর্মবেদনা আমার খুব ভালো করেই জানা। তবে টাকা না থাকার অন্ততঃ একটা ভালো দিক হলো, না পাওয়া জিনিসের প্রতি আমাদের হাহাকার থাকে সবচেয়ে বেশী। টাকার টানাটানিতে বই পড়ার তৃষ্ণাটা প্রলম্বিত হয়েছিল।

তবলার যাদুকর

১.
আমি খুবই সাধারণ একজন শ্রোতা। গান শুনি, কারণ শুনতে ভাল লাগে। জগজিৎ সিং-এর গজল আর বন্যার রবীন্দ্রনাথের গান শুনে আমি ঘন্টার পর ঘন্টা কাটিয়ে দিতে পারি। ঢাকায় জগজিৎ সিং আসলেও একবারও দেখতে যেতে পারিনি। একবার একটা টিকেট হাতে নিয়েও কাজের কারণে যেতে পারিনি।
ভার্সিটি জীবনে শিল্পকলায় বন্ধুদের নিয়ে খুব যাওয়া হতো, বেশির ভাগই রবীন্দ্রনাথের গান শুনতে। চাকরি জীবনে অনেক অনুষ্ঠানে চাইলেই যাওয়া যায়, কিন্তু কাজের ধরণের কারণে আর যেতে পারি না। কারণ আমার কাজই সন্ধ্যায়।
আমি সামিনার খুব ভক্ত। এতোটাই ভক্ত যে, গত বছর এক অনুষ্ঠানে ফাহমিদা নবীর সঙ্গে জীবনের প্রথম আলাপের আমার প্রথম কথা ছিল 'আমি সামিনার খুব ভ্ক্ত।' যিনি আলাপ করিয়ে দিয়েছিলেন তিনি পরে আমাকে বকা দিয়ে বলেছিলেন, কাজটা ঠিক হয়নি। ঈর্ষা জিনিষটা খুবই খারাপ।

বাংলাদেশ আয়ারল্যান্ড ম্যাচ :: ভালবাসা সাকিব বাহিনীর জন্য

হ্যালো সাকিব...
কয়েকদিন আগে তুমি একটা সাক্ষাৎকার দিয়েছিলে না... একটা জাতীয় দৈনিকে? পত্রিকাটা হাতে নিয়েই ক্যামন একটা ভাললাগার আচ্ছান্নতার মধ্যেই তোমার সাক্ষাৎকার পড়েছি। তোমার কথা পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল আমিই সাকিব। তোমাকে কে কি প্রশ্ন করে ছিল সেটা কিন্তু তখন বিবেচ্য হয় নি।

ক্যানো জানো?
বিশ্বকাপ নিয়ে এই আমাদের ... বাংলাদেশের... বাংলাদেশীদের স্বপ্ন এখন তোমার হাতে। তোমার দলের প্রতিটা সদস্যই মনে হয় এক একটি আমি। তোমার হাতেই বাংলাদেশের স্বপ্ন। তুমিতো সেটা জানো।

তুমিতো জানো...
আমরা তৃতীয় বিশ্বের সবচাইতে দরিদ্রতম দেশ। এই কয়েকদিন আগেই আমার প্রিয় ঢাকা হয়েছে বসবাসের অযোগ্য শহরের মধ্যে দ্বিতীয়। তোমরা সেই অযোগ্য শহরেই খেলাধুলা করে বেড়ে উঠেছে... আবার এই আসরের খেলা গুলোও খেলবে। এই অযোগ্য শহরের মানুষের জন্য... এই দরিদ্র দেশটার দু:খি মানুষের জন্য।

তুমিতো জানো...

খুঁজবো কোথায় তাকে, দুচোখে হারাই যাকে

যখন থেকে সায়ান পড়তে গেলো এ্যামেরিকা তখন থেকেই দুজনের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি চরম আকার ধারন করেছে। ঝগড়া করতে করতে এক সময় ক্লান্ত হয়ে পড়ে তিতলি। দুজনের মধ্যে ভৌগোলিক ব্যবধান আর সময়ের ব্যবধানতো আছেই তার সাথে আছে নিদারুন মানসিক চাপ। চব্বিশ ঘন্টা যার ভাবনায় সে বুঁদ হয়ে থাকে সারা পৃথিবী থেকে তাকে লুকিয়ে রাখার যন্ত্রনা। সারাদিন মনে মনে যাকে ভেবে তার সময় কাটে, মুখে কখনো তার নাম উচ্চারন না করতে পারার ব্যাথা। প্রাত্যহিক জীবনের সাথে লুকোচুরি খেলে কতো কষ্টে সায়ানের জন্য সময়টুকু সে যোগাড় করে রাখে তা সায়ান যেন আজকাল বুঝতেই পারে না। সায়ানের সবকিছুতেই দেরী হয় নইলে সে ব্যস্ত, সময় নেই, নাকি তিতলিকে এড়িয়ে যাওয়ার বাহানা এগুলো তার। তবে কি বদলে যাচ্ছে তার সায়ান একটু একটু করে? আগেতো এতো ইনকনসিডারেট ছিল না, তিতলির সুবিধাই ছিল সায়ানের বড় চাওয়া, তিতলির সান্নিধ্যই ছিল তার বড় পাওয়া। কি করবে সে?

মোজাইকের সাদা, কালো আর লাল পাথরগুলো

সেবার কোট ডি’ ভোয়ায় জঙ্গলের ওপর দিয়ে উড়ে যাবার সময়, এক যৎসামান্য ফাঁকা জায়গায় কোনো বলা-কওয়া ছাড়াই যখন আমাদের হেলিকপ্টার থামানো হলো, তখন বেশ খানিকটা অবাক হয়েছিলাম। অবশ্য আমাদের ক্যপ্টেন কারণটা সঙ্গে সঙ্গেই ব্যাখ্যা করলেন। অনাকাঙ্খিত এ বিরতির জন্য দুঃখ-টুঃখ প্রকাশ শেষে তিনি যে কৈফিয়ত দাখিল করলেন, তা মূলতঃ কারিগরী ত্রুটি সারানোর সঙ্গে সম্পৃক্ত। আমার মতো অজপাড়াগেঁয়ে মূর্খের সে কারণ বোধগম্য হলো না। শুধু বিলম্বটুকু মেনে নিলাম খুশিমনে। আফ্রিকার জঙ্গলেও কোনোদিন পর্দাপণের সুযোগ পাবো, এত অচিন্ত্যনীয়।

আজ ১২ই ফাল্গুন। আমাদের ‘নাজমুল হুদা’ ভাইয়ের জন্ম দিন।

জন্মদিন এলে মনে একটা দোলা লেগে যায়। আজ আমি এই স্বাদের/রসের দুনিয়ায় এসেছিলাম! ভবের এই রঙ্গীলা মাজারে! বয়স বাড়ার সাথে সাথে এই দোল খাওয়াটা কমে যেতে থাকে। অন্য কারো ক্ষেত্রে কিনা জানি না আমার ক্ষেত্রে তা প্রকট হয়ে উঠছে এখন! একসময় ছিল যখন বুক ফুলে বলতাম আজ আমার ২৫তম জন্মদিন! কিন্তু এখন আর তা বলি না। ভয়ে বুক কাঁপে। কেহ বয়স জানতে চাইলে, পাশ কেটে বড় রাস্তা থেকে নেমে সরু ধান ক্ষেতের আইল দিয়ে বাড়ী চলে যাই! এটাকে মনে হয় বয়স লুকানো বলে!

এবিসি ফ্যান্টাসী কাপ: সেকেন্ড লেগ

১.
ভূমিকা আর না বাড়াই। কি করতে হবে তা তো সবাই জানেনই! তো, নেমে পড়ুন। ১২ টা স্কোর আর কে জিতবে -- এই অনুমান লিখে দিন।
(খেলোয়াড়ের নাম দেয়ার দরকার নেই, কারণ আপনার দেয়া স্কোরের ক্রম আর ঐদিন বাংলাদেশের ব্যাটিং অর্ডারকে একই ধরে হিসাব করা হবে।)

মনে রাখবেন, শেষ ম্যাচ পর্যন্ত আপনার চ্যাম্পিয়ন হবার সম্ভাবনা আছে ।

২.
একই সাথে আলোচনাও চলুক।
আগামী ম্যাচে দল কেমন হওয়া উচিত। টসে জিতলে ব্যাটিং নেয়া উচিত কিনা। থার্ড পাওয়ার প্লে কত ওভারের দিকে নেয়া উচিত, অথবা অন্য যে কোনো কিছু নিয়ে।

৩.
প্রথম লেগ শেষে ফলাফল:

নাগনাগিন ৩৭৩.৮
রায়হান রেঞ্জার্স ১৩৫.৮
আলমুহাররাক ১৩৫.২
বীর টাইগার ১৩১.৪
লীনা টাইগার্স ১৩১.২
অরিত্র দ্য গ্রেট ১২৮.২

গো.আযমের ভাষাসৈনিক স্ট্যাটাস এবং উমরের কলাম 'ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর ভেলকিবাজি'

Shomoy pole
দৈনিক আমাদের সময় গু.আযম বাংলাভাষা আন্দোলনের একজন সেনানী কিনা এবিষয়ে জরিপ পরিচালনা করে। ভাষা আন্দোলনে জড়িত থাকুক আর না থাকুক ভোটিংয়ে জয়লাভ করায় (জরিপে ছাগুরা অংশ নিয়েছে এটা বলাবাহুল্য) ছাগুরা চ্রম অর্গাজম লাভ করছে এবং ব্লগাস্ফিয়ারে (বিশেষত সামুতে) জাবর কাটছে ।

প্রিয় কাঠবিড়ালীরা হারিয়ে গেছে

এই বৃষ্টিভেজা রাতে তুমি নেই বলে/ সময় আমার কাটে না। আর্টসেলের অর্থহীন একটি গান। একই গানে বলা হয়েছে বৃষ্টিভেজা রাত ও বসন্তের সন্ধ্যার কথা। ধরে নিচ্ছি বসন্তের রাতে বৃষ্টি হয়েছে। তাহলে অবশ্য বেশ রোমান্টিক একটি আবহাওয়া তৈরী হয়। আমি সে আশায় এখনো শীতের কম্বল গুছিয়ে ফেলি নি। কোনো একদিন বৃষ্টি নামবে অঝোর ধারায়। তুমি আর আমি কম্বলের ভেতর থেকে কচ্ছপের মতো মাথা বের করে ইনটু দ্য ওয়াইল্ড দেখবো।
২১-এ ফেব্রুয়ারির বিকেলে চার ফোঁটা বৃষ্টি হয়েছিলো। ঠিক চার ফোঁটা না, মনে হয় চার কোটি আশি লাখ ফোঁটা। গড় হিসেবে আমার ভাগে যা পড়ার কথা কাকতলীয়ভাবে পড়েছেও তাই। কমও না, বেশিও না।
সেদিন বসে বসে মৌতাতের আরেঞ্জমেন্ট করছি, শুনলাম একটা ছেলে একটি মেয়েকে বলছে, এই সম্পর্কটা চুকলে তো ভালোই। জিমে গিয়ে ব্যায়াম শুরু কইরা দিমু।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড।

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

● ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ