অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

খাও দাও ফুর্তি করো

আর একদিন বাদে পরশু কাক ডাকা ভোরে রাজশাহী ছাড়বো আবার কবে আসবো ঠিক নাই।যেয়ে শুরু হবে সেই একঘেয়েমি জীবন ল্যাব টু বাসা দিয়ে আবার ল্যাব মাঝে মাঝে সুপারম্যানের রামডলা কোনদিন আলহাদের শুরে চিকন ডলা।তা যাই হোক।যা হবে সেটা পরে দেখা যাবে।

আজ অনেক দিন পর রাজশাহী শহর চক্কর দিলাম।সন্ধ্যায় বন্ধুদের সাথে আমাদের কিছু প্রিয় জায়গার বিকালের খাবার খেলাম।গত পোস্টে ছবি দেই নাই দেখে অনেকেই বকাবকি করলো তাই আজ আর সেই ভুল করছি না।

আমরা আগে মাঝে মাঝে সন্ধ্যার খাওয়া শুরু করতাম নবরূপের দই আর রসমালাই দিয়ে আজ ও তাই করলাম।খেয়ে দেয়ে বিল দিতে গিয়ে দেখলাম দাম আগের চাইতে অনেক বেড়েছে কিন্তু টেস্ট আগের মতোই আছে।

DSC01765.JPG
রসমালাই

কারো বই-পত্রের আহবানকে করেন ''স্টিকি'' আর পত্রিকা পড়ার আহবান হলো নীতিবিরুদ্ধ?

মডারেটর, আমরা বন্ধুর চলতি ''স্টিকি' পোস্ট হচ্ছে --দুই ব্লগারের বইমেলায় প্রকাশিত দুটি বই এর বিজ্ঞাপন এবং প্রকাশনা অনুষ্ঠানের খবরসহ সময় ও তারিখের ঘোষনা, যা রীতিমত ব্যবসায়িক প্রচারনা । কিন্তু আমার অনলাইন পত্রিকার লিঙ্ক দিয়ে তা পড়ার আহবানও কি সেই পর্যায়ে পড়ে? তবু আপনারা ক'জন ব্লগারের আপত্তিতে আমার নির্দোষ লেখাটি নীতিমালার দোহাই দিয়ে প্রথমপাতা থেকে সরিয়ে দিলেন! এটা কি পক্ষপাতিত্ব ও বৈষম্যমূলক হলো না?

আপনারা স্বীকার না করলেও পাঠকরা কিন্তু সবই বুঝবে, তাদের চোখ-কান খোলা আছে।বইয়ের প্রচারণা চালালেও তাকে স্টিকি করবেন আর একটা পত্রিকা পড়ার আহবানকে নীতিবহির্ভূত বলবেন, এটা কেমন নীতি সেটাই আমার প্রশ্ন? আশা করি ব্যাপারটা পরিষ্কার করবেন।

ঢাল-তলোয়ারবিহীন নিধিরাম সর্দার

সেদিন অর্থাৎ গত পরশু মানে ফেব্রুয়ারির ১০ তারিখ বিকেলে বইমেলায় গেলাম । মনে মনে ভেবে গেছি যে, ‘আমরা বন্ধু’র বন্ধুদের লেখা যে কটা বই এবার প্রকাশিত হয়েছে সব ক’টি কিনবো । রিক্সা, বাস, অবশেষে হেঁটে বইমেলায় অনেক ভিড় জমে উঠবার আগেই পৌঁছে গেলাম উদ্দিষ্ট লক্ষ্যে । টিএসসি মোড় থেকে সারিবদ্ধ হয়ে ধীর পায়ে এগুবার বিড়ম্বনা তখনও শুরু হয়নি । মনে মনে খুশি হয়ে উঠলাম – ভিড় ঠেলে স্টলের কাছাকাছি যেতে যে পরিশ্রম হয়, তা না-করেই বই ক’টি সংগ্রহ করে নিয়ে তারপর বইমেলায় ঘুরবো, এই আনন্দে ডানদিকে প্রথম যে গেইটটা পেলাম সেটা দিয়ে ঢুকে পড়লাম সেই মিলনমেলায় ।
মজা

মাসব্যাপী কার্নিভাল ০৭

আজকে দুপুরে চকোলেট মিল্ক ফেলে পিচ্চি আমার ডেস্কটপের একমাত্র কি-বোর্ডের ১২টা বাজিয়েছে, কি-বোর্ডের কিগুলোর আচরণগত পরিবর্তন ঘটেছে ভয়াবহ রকমের এবং তাদের ভাবগতিক বুঝে উঠতে গিয়ে বেশ কয়েকবার বিরক্ত হলাম, নাম্বার প্যাড কাজ করছে না, স্পেস চাপলে সিস্টেম স্লীপ মোডে চলে যাচ্ছে, শিফট কি কাজ করছে না, এন্টার এখনও অক্ষত কিন্তু ক্যাপস লকের অবস্থা খারাপ। সেটা সামলে কবে নতুন কি-বোর্ড কেনা হবে আমি জানি না, এভাবে সামলে রয়েসয়ে বিভিন্ন ভাবে মানিয়ে নেওয়ার অভ্যাস পুরোনো, সে কারণেই হয়তো নিছক আলস্যের কারণেই কি-বোর্ড কিনতে কিনতে একটা দীর্ঘ সময় চলে যাবে।

মোবারকঃ শেখার সুযোগ খালেদা-হাসিনার

আনোয়ার সাদাতের দল এনডিপি অনেকটা সাবেক রাষ্ট্রপতি জেনারেল জিয়াউর রহমানের দল বিএনপি এর মতো গঠিত হয়েছিল ।ক্ষমতায় থেকে মসনদি হাতিয়ারের তেলেসমাতিতে জন্মে যায় এনডিপি । রাষ্ট্র আর দল যেন একই জিনিস বরং দ্বিতীয়টার গুরুত্ব বেশি, রাষ্ট্র যেন এক সম্ভ্রম হারানো আসহায় নারী । ১৯৭৮ সালে দলের প্রতিষ্ঠা করে ১৯৮১ তে আনোয়ার আল সাদাতের করুণ পরিণতি বরণ করতে হয়। দলটা দাঁড়িয়ে যায়, দাঁড়াবেই তো , অনেক অর্থ প্রাচুর্যের দল যে ওটা, সোনার চামুচ মুখে নিয়ে জন্মানো দল যে ওটা ।এনডিপি কেবল ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টিই নয় এই দল তাত্ত্বিক ভাবে মিশরীয় জাতীয়তাবাদের প্রচার প্রসার আর অন্তরে ধারণের প্রধান বাহক। আমাদের বিএনপিও মসনদি মমতায় গড়ে উঠে ১৯৭৮ এ আর ১৯৮১ তে মহান প্রতিষ্ঠাতার দুঃখজনক পরলোক গমন, কিন্তু দলটির শক্তিশালী অবস্থান যথারীতি আর দাবীর বলে তারাও আমাদের জাতীয়তাবাদের অভিভাবক ।

একটি হলুদ সন্ধ্যা ...

গত এক মাস ধরে অনেক জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে মুরাদ হাফিযের হলুদ সন্ধ্যা হল।ব্যাপক প্রস্তুতির পর জয়িতা আর শ্রেয়ার সাথে রওনা হলাম লিনা আপার গাড়িতে। বিয়ে বাড়িতে গিয়ে দেখা হয়ে গেল মেজবাহ ভাই, রায়হান ভাই, মাসুম ভাই, নাজ, টুটুল ভাই,জেবিন, বাবুষ্কা আর মুক্তর সাথে। জেবিনের টিপ দেখে আমি মুগ্ধ ।লিনা আপু,জয়িতা,নাজ আপনাদের সবাইকে অনেক অনেক সুন্দর লাগছিল (যদিও শাড়ি নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলাম কিন্তু শেষ পর্যন্ত মনে হয় খারাপ হয়নাই Glasses ) আমাদের বর কে দেখাচ্ছিল লাজুক একজন বরের মতই। মনেই হচ্ছিল না যে পুরোনো বর। অনেক গল্প গুজবের পর যখন বাবুষ্কা চলে গেল, তারপর দুই ঘোড়ার গাড়িতে চড়ে কনে পক্ষ এল।কনে পক্ষ দের দেয়া হয়েছিল ছোট্ট ছোট্ট থলিতে করে উপহার। লাল থলিতে তেমন কিছু পাওয়া যায়নাই। সাদা থলি ভর্তি ছিল চকলেট এ। সেই ভাগ শেষ পর্যন্ত কিন্তু পাইনাই (মুরাদ মনে রাখিয়েন) ......

আসেন বন্ধুরা, কে কোথায় আছেন?

আসেন বন্ধুরা, কে কোথায় আছেন। আজ শুক্রবার। সাধারনত আমাদের সবারই সাপ্তাহিক ছুটির দিন। আর ছুটির দিনে আমাদের মোটামুটি সবার ঘরেই ভাল রান্না হয়। মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্দ্ব, খ্রীষ্টান সবার ঘরেই। বিশেষ করে এইদিনে দুপুরের খাবারটা আমাদের দেশে বেশ জেরেসোরে হয় - স্বামী স্ত্রী, ছেলে মেয়ে, ভাই বোন, মা বাবা সবাইকে নিয়ে দুপুরে খেতে বসার মজাই আলাদা, এই আনন্দ বলে শেষ করার মত নয়।

আমার এমনি একটা পুরানো ইচ্ছা যদি এমন একদিনে আমরা বন্ধু'র সবাইকে নিয়ে এক দুপুরে খেতে বসতে পারতাম! চলুন, আপনাদের জন্য আমার আইটেম গুলো কি কি হতে পারে দেখে আসি।
1.JPG
আইটেম ১; দুই ধরনের ভর্তা। টমেটো পুড়িয়ে শুকনা মরিচের ভর্তা। সাথে টাকি মাছের ভর্তাও থাকবে।

2.JPG

একটা নোবেল প্রাপ্তির সুখবর

যেকোনো দিন বাংলাদেশের দৈনিক পত্রিকার পাতা খুলে পড়লেই আঁতকে উঠি, মনে হয় ক্রাইম থ্রিলার পড়ছি, গুমখুন, গুপ্তহত্যা, ষড়যন্ত্রের নীলনকশা, বিদেশী শক্তির উস্কানি আর বিদেশী গোয়েন্দা সংস্থার স্বদেশী এজেন্টদের পারস্পরিক সংঘর্ষ আর এদের মুখোশ উন্মোচনে নিবেদিতপ্রাণ সংবাদপত্রকর্মীদের দেশপ্রেম দেখে মুগ্ধ হয়ে যাই।

দেশের দুটো গোয়েন্দা সংস্থা বিশেষ মন্তব্য প্রতিবেদনের উপসংহারে বলেছে " দেশের গার্মেন্টস শিল্পকে ধ্বংস করবার চক্রান্তে লিপ্ত আছে বিদেশী রাষ্ট্রের এজেন্টগণ।" তবে আমাদের মাননীয় মন্ত্রী বলেছেন 'কোনো চক্রান্তেই এ দেশের গার্মেন্টস শিল্প ধ্বংস করা সম্ভব হবে না।'

নিত্য পুরাতন ও অন্যান্য

সময়ের সাথে সব বদলায় না মানুষ বদলায়। আমার মনে হয় সময় আর মানুষ পরপস্পরের সাথে বদলায়। গত কটা দিন ঘাপটি মেরে ফেসবুকে বসে থেকে আমার এ উপলব্ধি। এই যেমন আগে বন্ধুরা আপডেট দিত-বোরিং ক্লাস ঘুম আসে। কাল এক্সাম সব ভুলে গেছি...।পি কে স্যারের *******। আজ তাদের আপডেট অফিসে বসে ফেসবুক ঘাটছি বা কাল শুক্রবার কি শান্তি। আবার কাল এক বন্ধু দেখলাম এক ধাপ এগিয়ে আপডেট দিল কবে যে একটা বঊ পাব ইত্যাদি। আমার ও ভালোই চেঞ্জ হয়েছে। কোন ছবি ভাল লাগলে বা খুব বেশি কিছু না হলে আমার কোন স্ট্যাটাস থাকেনা। কি লিখব?

কবিতা পড়ার প্রহর

চোখের উপর হাত উল্টো করে চেপে শুয়ে আছে অদিতি। ঘড়ির কাঁটা টিকটিক করে বাজছে। একটু আগেই সে ঘড়িতে সময় দেখলো রাত ১২.৪০ মিনিট। অদিতি ভাবছে, প্রতিদিন অরিত্রর সাথে তার দেখা হয় না, তবু একই শহরে থাকে, অকারণেই একটু পর পর কথা হয় ফোনে, অকারণ এস এম এস। মনে হয় দুজন দুজনের পাশেই আছে।অরিত্র গতকাল রাতের বাসে চট্রগাম গিয়েছে তার অফিসিয়াল কাজে।ঢাকায় না ফেরা পর্যন্ত অদিতির মন অস্থির থাকবে।মোবাইল ফোনটা আরেক হাতে ধরে আছে। ফোন করতে ইচ্ছে করলেও করতে পারছে না কারণ অরিত্রর সাথে তার দুজন সহকর্মীও আছে। তারা রাতের খাবারের পর আড্ডা দিচ্ছে, সেটা অদিতিকে এস এম এস করে জানিয়েছে।হাত সরিয়ে চোখ মেলে দেখতে ইচ্ছে করছে না কত রাত হলো।হঠাৎ মোবাইল বেজে উঠলো।অদিতি খুব আদুরে গলায় বললো...
-হ্যালো!
-কি করো?ঘুমাওনি কেনো?
-তোমার সাথে কথা বলতে ইচ্ছে করছিলো যে!মনে হচ্ছে অনেক দূরে তুমি।

সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে, বৃদ্ধ হয়ে যাচ্ছিনা বিশ্বকাপ ক্রিকেটের সময় ঘনিয়ে এল

আমরা ব্ন্ধুর সংগ্রহে থাকা বিশ্বকাপ ক্রিকেট সিডিউলের লিংক। এটা সবার কম্পিউটারে থাকা প্রয়োজন বলে আমার মনে হয়েছে।

ট্রফি লোগো

বিশ্বকাপের উত্তাপ লাগতে শুরু করেছে অনেক আগে থেকেই। তবে সত্যিকার অর্থে বাংলাদেশে বিশ্বকাপ শুরু হচ্ছে আজ। প্রথম দল হিসেবে গতকাল সন্ধ্যায় ঢাকায় আসছে কানাডা। কানাডাকে দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু হবে মাঠের বাংলাদেশেরও। ১২ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামে নিজেদের প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে বাংলাদেশ খেলবে তাদের বিপক্ষে।

বিষ্ময়কর যুবক মোঃ শহর আলী!

আমরা আজ সবাই সহজলভ্য জিনিস পাওয়ার প্রত্যাশা করি। অথচ কোন কাজের কথা বললে আমরা এড়িয়ে যাই বা সহজভাবে বলে দেই, আমি পারব না বা আমার দ্বারা সম্ভব না, আমরা বেশির ভাগই ভাবই আমাদের ক্ষমতা খুবই সীমিত সব কাজ আমাদের দ্বারা সম্ভব না। অদ্যম ইচ্ছাশক্তি আমাদেরকে সাফলের চুড়ান্ত শিখরের পৌছে দিতে সক্ষম।এমন ই এক যুবকের সাথে
আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিব

জীবনের শেষ শুকনা খাওয়া

নিরান্নব্বই সালের শ্যাষ সপ্তায় দুই দোস্ত মিল্যা ঠিক করলাম নয়া সেঞ্চুরিতে আর শুকনা ধরামু না। আরেক দোস্ত আছিলো খুলনাত, তারে দিয়া শুকনা আনাইলাম তিরিশ টেকার। সেই টাইমে তিরিশ টেকায় বহুতগুলা শুকনা পাওন যাইতো। যাই হউক, শুকনা সাইজ করনের দায়িত্ব পড়লো আমার উপরে। অইটাইমে শুকনা ভালোই সাইজ করতে পারতাম। তো আটানা দামের সান-মুন সিগ্রেটের সুকা ফালায়া দিয়া পুরা শুকনা দিয়া তিনটা লোড দিলাম। সান-মুন সিগ্রেটের ফিল্টার দামী সিগ্রেটের ফিল্টারের থাইকা ছোট আছিলো, যার লাইগা বেশি ধুমা ফিল্টার হইতোনা :হুক্কা:।

নতুন ইমোর দ্রুত ব্যবহার

আমার বই বের হয়েছে। গেছি বই মেলায়। আমার সামনে লম্বা লাইন। অটোগ্রাফ দিয়ে কুলিয়ে উঠছি না। এক পর্যায়ে কলমের কালি শেষ হয়ে গেল। কী আর করি। তখন আঙুলটাকেই কাজে লাগালাম।
টিপ সই
কিন্তু তাও বেশিক্ষণ চালানো গেলো না। কেমনে যাবে? দিবাস্বপ্ন Day Dreaming কী এতোক্ষণ ধরে দেখা যায়?

তবুও সবাইকে জানিয়ে রাখি। আমার এই বই কিনতে লাগবে ৯০টি এক পয়সা টাকার মুদ্রা। ২৫% কমিশন ধরে এই দর। Smile
তবে এরই মধ্যে যারা কিনেছেন তাদের THNX । আর যারা কিনবেন বলে ঠিক করেছেন তাদের জন্য Welcome

আজ একটা সংস্থা আমার প্রকাশকের সঙ্গে যোগাযোগাগ করেছে, তারা একসঙ্গে ১০০টি বই কিনতে চায় পার্টি
সুতরাং ফুরিয়ে যাওয়ার আগেই কিনুন, কিনে ধইন্যা পাতা নিন। এখনো বসে আছেন? মেলার দিকে ভাগন্তিস হন।
তারপরেও যারা বসে আছেন তাদের মাইর গুল্লি
আর যারা কিনছেন তারা ব্লগিং-এর অবসরে পড়তেছি

জানতে ইচ্ছে করে

অনেকদিন আগে একটা গল্প শুনেছিলাম, এরকম-

এক কৃষক কয়েকজন মজুর নিয়োগ করেন তার পাটের জমি কোপানোর জন্য। মজুরদের মধ্যে একজনের ছিল একটি চোখ নষ্ট, তাই সবাই তাকে 'কানা' বলে ডাকত।
কোপানো শেষে জমির মালিক গেলেন কোপানি কেমন হলো তা দেখতে। কিন্তু কৃষক দেখলেন জমিতে অনেক আগাছা এখনো বিদ্যমান। তিনি জমির এক জায়গায় গিয়ে মজুরদের ডেকে বললেন - এই জায়গাটা কে পরিস্কার করেছে রে?
শ্রমিকদের কর্তা ব্যক্তি বলল - এই জায়গাটা আমাদের 'কানায়' পরিস্কার করছে। মালিক কিছুদূর যেয়ে আরো একটা জায়গা দেখিয়ে বললেন- এই জায়গাতেও আগাছা আছে, এখানে কে কাজ করছে?
'আর কেডায়- ঐ কানায়' - কর্তা শ্রমিকের উত্তর। এভাবে মালিক এখানে সেখানে যেয়ে যতবার জিজ্ঞেস করে প্রতিবারই ঐ একই উত্তর- "কানায়"।
জমির মালিক এবার গম্ভীর হয়ে ভারী গলায় বলল- সবই যদি কানায় করছে তয় তোরা কি করছস? তোরা কি বইয়া বইয়া কানার পিট খাউজাইছস?

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ