অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১২ জন অতিথি অনলাইন

একটি হলুদ সন্ধ্যা ...

গত এক মাস ধরে অনেক জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে মুরাদ হাফিযের হলুদ সন্ধ্যা হল।ব্যাপক প্রস্তুতির পর জয়িতা আর শ্রেয়ার সাথে রওনা হলাম লিনা আপার গাড়িতে। বিয়ে বাড়িতে গিয়ে দেখা হয়ে গেল মেজবাহ ভাই, রায়হান ভাই, মাসুম ভাই, নাজ, টুটুল ভাই,জেবিন, বাবুষ্কা আর মুক্তর সাথে। জেবিনের টিপ দেখে আমি মুগ্ধ ।লিনা আপু,জয়িতা,নাজ আপনাদের সবাইকে অনেক অনেক সুন্দর লাগছিল (যদিও শাড়ি নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলাম কিন্তু শেষ পর্যন্ত মনে হয় খারাপ হয়নাই Glasses ) আমাদের বর কে দেখাচ্ছিল লাজুক একজন বরের মতই। মনেই হচ্ছিল না যে পুরোনো বর। অনেক গল্প গুজবের পর যখন বাবুষ্কা চলে গেল, তারপর দুই ঘোড়ার গাড়িতে চড়ে কনে পক্ষ এল।কনে পক্ষ দের দেয়া হয়েছিল ছোট্ট ছোট্ট থলিতে করে উপহার। লাল থলিতে তেমন কিছু পাওয়া যায়নাই। সাদা থলি ভর্তি ছিল চকলেট এ। সেই ভাগ শেষ পর্যন্ত কিন্তু পাইনাই (মুরাদ মনে রাখিয়েন) ......

আসেন বন্ধুরা, কে কোথায় আছেন?

আসেন বন্ধুরা, কে কোথায় আছেন। আজ শুক্রবার। সাধারনত আমাদের সবারই সাপ্তাহিক ছুটির দিন। আর ছুটির দিনে আমাদের মোটামুটি সবার ঘরেই ভাল রান্না হয়। মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্দ্ব, খ্রীষ্টান সবার ঘরেই। বিশেষ করে এইদিনে দুপুরের খাবারটা আমাদের দেশে বেশ জেরেসোরে হয় - স্বামী স্ত্রী, ছেলে মেয়ে, ভাই বোন, মা বাবা সবাইকে নিয়ে দুপুরে খেতে বসার মজাই আলাদা, এই আনন্দ বলে শেষ করার মত নয়।

আমার এমনি একটা পুরানো ইচ্ছা যদি এমন একদিনে আমরা বন্ধু'র সবাইকে নিয়ে এক দুপুরে খেতে বসতে পারতাম! চলুন, আপনাদের জন্য আমার আইটেম গুলো কি কি হতে পারে দেখে আসি।
1.JPG
আইটেম ১; দুই ধরনের ভর্তা। টমেটো পুড়িয়ে শুকনা মরিচের ভর্তা। সাথে টাকি মাছের ভর্তাও থাকবে।

2.JPG

একটা নোবেল প্রাপ্তির সুখবর

যেকোনো দিন বাংলাদেশের দৈনিক পত্রিকার পাতা খুলে পড়লেই আঁতকে উঠি, মনে হয় ক্রাইম থ্রিলার পড়ছি, গুমখুন, গুপ্তহত্যা, ষড়যন্ত্রের নীলনকশা, বিদেশী শক্তির উস্কানি আর বিদেশী গোয়েন্দা সংস্থার স্বদেশী এজেন্টদের পারস্পরিক সংঘর্ষ আর এদের মুখোশ উন্মোচনে নিবেদিতপ্রাণ সংবাদপত্রকর্মীদের দেশপ্রেম দেখে মুগ্ধ হয়ে যাই।

দেশের দুটো গোয়েন্দা সংস্থা বিশেষ মন্তব্য প্রতিবেদনের উপসংহারে বলেছে " দেশের গার্মেন্টস শিল্পকে ধ্বংস করবার চক্রান্তে লিপ্ত আছে বিদেশী রাষ্ট্রের এজেন্টগণ।" তবে আমাদের মাননীয় মন্ত্রী বলেছেন 'কোনো চক্রান্তেই এ দেশের গার্মেন্টস শিল্প ধ্বংস করা সম্ভব হবে না।'

নিত্য পুরাতন ও অন্যান্য

সময়ের সাথে সব বদলায় না মানুষ বদলায়। আমার মনে হয় সময় আর মানুষ পরপস্পরের সাথে বদলায়। গত কটা দিন ঘাপটি মেরে ফেসবুকে বসে থেকে আমার এ উপলব্ধি। এই যেমন আগে বন্ধুরা আপডেট দিত-বোরিং ক্লাস ঘুম আসে। কাল এক্সাম সব ভুলে গেছি...।পি কে স্যারের *******। আজ তাদের আপডেট অফিসে বসে ফেসবুক ঘাটছি বা কাল শুক্রবার কি শান্তি। আবার কাল এক বন্ধু দেখলাম এক ধাপ এগিয়ে আপডেট দিল কবে যে একটা বঊ পাব ইত্যাদি। আমার ও ভালোই চেঞ্জ হয়েছে। কোন ছবি ভাল লাগলে বা খুব বেশি কিছু না হলে আমার কোন স্ট্যাটাস থাকেনা। কি লিখব?

কবিতা পড়ার প্রহর

চোখের উপর হাত উল্টো করে চেপে শুয়ে আছে অদিতি। ঘড়ির কাঁটা টিকটিক করে বাজছে। একটু আগেই সে ঘড়িতে সময় দেখলো রাত ১২.৪০ মিনিট। অদিতি ভাবছে, প্রতিদিন অরিত্রর সাথে তার দেখা হয় না, তবু একই শহরে থাকে, অকারণেই একটু পর পর কথা হয় ফোনে, অকারণ এস এম এস। মনে হয় দুজন দুজনের পাশেই আছে।অরিত্র গতকাল রাতের বাসে চট্রগাম গিয়েছে তার অফিসিয়াল কাজে।ঢাকায় না ফেরা পর্যন্ত অদিতির মন অস্থির থাকবে।মোবাইল ফোনটা আরেক হাতে ধরে আছে। ফোন করতে ইচ্ছে করলেও করতে পারছে না কারণ অরিত্রর সাথে তার দুজন সহকর্মীও আছে। তারা রাতের খাবারের পর আড্ডা দিচ্ছে, সেটা অদিতিকে এস এম এস করে জানিয়েছে।হাত সরিয়ে চোখ মেলে দেখতে ইচ্ছে করছে না কত রাত হলো।হঠাৎ মোবাইল বেজে উঠলো।অদিতি খুব আদুরে গলায় বললো...
-হ্যালো!
-কি করো?ঘুমাওনি কেনো?
-তোমার সাথে কথা বলতে ইচ্ছে করছিলো যে!মনে হচ্ছে অনেক দূরে তুমি।

সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে, বৃদ্ধ হয়ে যাচ্ছিনা বিশ্বকাপ ক্রিকেটের সময় ঘনিয়ে এল

আমরা ব্ন্ধুর সংগ্রহে থাকা বিশ্বকাপ ক্রিকেট সিডিউলের লিংক। এটা সবার কম্পিউটারে থাকা প্রয়োজন বলে আমার মনে হয়েছে।

ট্রফি লোগো

বিশ্বকাপের উত্তাপ লাগতে শুরু করেছে অনেক আগে থেকেই। তবে সত্যিকার অর্থে বাংলাদেশে বিশ্বকাপ শুরু হচ্ছে আজ। প্রথম দল হিসেবে গতকাল সন্ধ্যায় ঢাকায় আসছে কানাডা। কানাডাকে দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু হবে মাঠের বাংলাদেশেরও। ১২ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামে নিজেদের প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে বাংলাদেশ খেলবে তাদের বিপক্ষে।

বিষ্ময়কর যুবক মোঃ শহর আলী!

আমরা আজ সবাই সহজলভ্য জিনিস পাওয়ার প্রত্যাশা করি। অথচ কোন কাজের কথা বললে আমরা এড়িয়ে যাই বা সহজভাবে বলে দেই, আমি পারব না বা আমার দ্বারা সম্ভব না, আমরা বেশির ভাগই ভাবই আমাদের ক্ষমতা খুবই সীমিত সব কাজ আমাদের দ্বারা সম্ভব না। অদ্যম ইচ্ছাশক্তি আমাদেরকে সাফলের চুড়ান্ত শিখরের পৌছে দিতে সক্ষম।এমন ই এক যুবকের সাথে
আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিব

জীবনের শেষ শুকনা খাওয়া

নিরান্নব্বই সালের শ্যাষ সপ্তায় দুই দোস্ত মিল্যা ঠিক করলাম নয়া সেঞ্চুরিতে আর শুকনা ধরামু না। আরেক দোস্ত আছিলো খুলনাত, তারে দিয়া শুকনা আনাইলাম তিরিশ টেকার। সেই টাইমে তিরিশ টেকায় বহুতগুলা শুকনা পাওন যাইতো। যাই হউক, শুকনা সাইজ করনের দায়িত্ব পড়লো আমার উপরে। অইটাইমে শুকনা ভালোই সাইজ করতে পারতাম। তো আটানা দামের সান-মুন সিগ্রেটের সুকা ফালায়া দিয়া পুরা শুকনা দিয়া তিনটা লোড দিলাম। সান-মুন সিগ্রেটের ফিল্টার দামী সিগ্রেটের ফিল্টারের থাইকা ছোট আছিলো, যার লাইগা বেশি ধুমা ফিল্টার হইতোনা :হুক্কা:।

নতুন ইমোর দ্রুত ব্যবহার

আমার বই বের হয়েছে। গেছি বই মেলায়। আমার সামনে লম্বা লাইন। অটোগ্রাফ দিয়ে কুলিয়ে উঠছি না। এক পর্যায়ে কলমের কালি শেষ হয়ে গেল। কী আর করি। তখন আঙুলটাকেই কাজে লাগালাম।
টিপ সই
কিন্তু তাও বেশিক্ষণ চালানো গেলো না। কেমনে যাবে? দিবাস্বপ্ন Day Dreaming কী এতোক্ষণ ধরে দেখা যায়?

তবুও সবাইকে জানিয়ে রাখি। আমার এই বই কিনতে লাগবে ৯০টি এক পয়সা টাকার মুদ্রা। ২৫% কমিশন ধরে এই দর। Smile
তবে এরই মধ্যে যারা কিনেছেন তাদের THNX । আর যারা কিনবেন বলে ঠিক করেছেন তাদের জন্য Welcome

আজ একটা সংস্থা আমার প্রকাশকের সঙ্গে যোগাযোগাগ করেছে, তারা একসঙ্গে ১০০টি বই কিনতে চায় পার্টি
সুতরাং ফুরিয়ে যাওয়ার আগেই কিনুন, কিনে ধইন্যা পাতা নিন। এখনো বসে আছেন? মেলার দিকে ভাগন্তিস হন।
তারপরেও যারা বসে আছেন তাদের মাইর গুল্লি
আর যারা কিনছেন তারা ব্লগিং-এর অবসরে পড়তেছি

জানতে ইচ্ছে করে

অনেকদিন আগে একটা গল্প শুনেছিলাম, এরকম-

এক কৃষক কয়েকজন মজুর নিয়োগ করেন তার পাটের জমি কোপানোর জন্য। মজুরদের মধ্যে একজনের ছিল একটি চোখ নষ্ট, তাই সবাই তাকে 'কানা' বলে ডাকত।
কোপানো শেষে জমির মালিক গেলেন কোপানি কেমন হলো তা দেখতে। কিন্তু কৃষক দেখলেন জমিতে অনেক আগাছা এখনো বিদ্যমান। তিনি জমির এক জায়গায় গিয়ে মজুরদের ডেকে বললেন - এই জায়গাটা কে পরিস্কার করেছে রে?
শ্রমিকদের কর্তা ব্যক্তি বলল - এই জায়গাটা আমাদের 'কানায়' পরিস্কার করছে। মালিক কিছুদূর যেয়ে আরো একটা জায়গা দেখিয়ে বললেন- এই জায়গাতেও আগাছা আছে, এখানে কে কাজ করছে?
'আর কেডায়- ঐ কানায়' - কর্তা শ্রমিকের উত্তর। এভাবে মালিক এখানে সেখানে যেয়ে যতবার জিজ্ঞেস করে প্রতিবারই ঐ একই উত্তর- "কানায়"।
জমির মালিক এবার গম্ভীর হয়ে ভারী গলায় বলল- সবই যদি কানায় করছে তয় তোরা কি করছস? তোরা কি বইয়া বইয়া কানার পিট খাউজাইছস?

জেলার নাম কুষ্টিয়া

গত পাঁচদিন কুষ্টিয়া কাটিয়ে আসলাম।এবার শহরের আমার প্রিয় জায়গা গুলাতে আমি ইচ্ছা করেই যাইনি বা যাওয়া হয়ে উঠেনি।জায়গাগুলো মনের মধ্যে যেভাবে আছে সেভাবেই থাকুক সেই কারনে। কিন্তু কুষ্টিয়া মনে হয় আগের মতোই আছে।সেই রকম নিরিবিলি।যে রকম দেখে আসছি ছোটবেলা থেকে।এই শহরটা আমার জন্মস্থান কিন্তু এই জীবনে এই শহরে আমার গোটা তিরিশদিনও থাকা হয় নাই।ছোটবেলাতে নানাবাড়ি গেলে আমরা ছোটরা স্কুলের সমাজ বই নিয়ে বসতাম দেশের কোন বিভাগ বেশি ভালো এই নিয়ে বরাবরের মতো আমি আর আমার এক খালাতোভাই থাকতাম রাজশাহীর পক্ষে আর বাড়ির অন্যরা থাকতো খুলনা বিভাগের পক্ষে।তখন খুব মন খারাপ হতো কারন জন্মস্থান আমার কুষ্টিয়া হলেও আমি খুলনা বিভাগের লোক হতে পারতাম না বলে।

ছবি ব্লগ: হারিয়ে যাওয়ার ঠিকানা...

বুড়া বয়সেই ছবি তোলার শখটা মাথায় চাপলো। যখন তারুণ্যে উদ্দাম ছিলাম, তখন ক্যামেরা কিননের সামর্থ্য ছিলো না...তখন ছবি নিয়া নানারকম এক্সপেরিমেন্টাল আগ্রহ কাজ করতো। তখন এলোমেলো হাটতাম-ঘুরতাম। এর ফাকে ফাকে খালি চোখে অবলোকন করতাম লাখো ছবির ফ্রেইম। মধ্যবয়স পার কইরা এখন আর আগের মতোন উদ্দেশ্যহীন থাকতে পারি না। কোথাও ঘুরতে যাওনের লেইগা পরিকল্পণা লাগে। পরিকল্পণার পারফেকশনের ভক্তও হইয়া উঠি মাঝে সাঝে।

গতোমাসের শেষ দিনে পেশাগত কাজে ঢাকার পাশেই মানিকগঞ্জের ত্বরা গ্রামে গেছিলাম। সাধারণতঃ কাজের সময় আমার কেনো জানি ছবি তুলতে শখ হয় না। তয় ঐদিন এক তরুণ বন্ধু আমার সাথে যাইবো বইলা গো ধরলো। সে উঠতি ফটোগ্রাফার। অকুস্থলে পৌছাইয়া তারে ক্যামেরা বাইর করতে দেইখা আমিও ভাব ধইরা কয়টা ছবি তুললাম। মনে হইলো ছবিগুলি ব্লগে শেয়ার করা যায়...

বই মেলা এবং একটি নতুন বই

ফেব্রুয়ারী মাস মানেই ভাষার মাস। আর এই মাসেরই আরেকটা অবিচ্ছেদ্য অংশ বই মেলা। আমারা যে এখনো নষ্ট হয়ে যাই নি তার প্রমাণ বই মেলা। এতো জ্ঞানপিপাসু লোকের ভীড় দেখে এখনো বোঝা যায় আমরা আমাদের আত্মার মৃত্যু ঘটতে দেইনি। সাহিত্যের রস এখনো আমাদের মন থেকে মুছে যায় নি। যাই হোক এইসব দার্শনিক টাইপ কথা না বলে মূল কথায় আসি। কথাটা একটা বই নিয়ে। ছোটদের জন্য লেখা একটি বই। বহুল ব্লগ আলোচিত মাইনুল এইচ সিরাজীর ‘প্রেম পৃথিবীর পাঁচালি’ বইটি কিনতে গিয়ে বইটি চোখে পড়ে। শাহানা সিরাজীর ‘প্রজাপতির দেশে’। ‘প্রেম পৃথিবীর পাঁচালি’ নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। উনার লেখা আমি সবসময়ই পছন্দ করি। উনার এই বইটাও আমার প্রত্যাশা পূরণ করেছে। এখন আসছি ‘প্রজাপতির দেশে’ বইটার কথায়। প্রথমেই বলি বইয়ের প্রচ্ছদের কথা। মামুন হোসাইন ছোটদের কথা মাথায় রেখে মানানসই একটি প্রচ্ছদ তৈরি করেছেন। যথেষ্ট আই ক্যাচিং। লেখিকা শাহানা সিরাজী বইটিকে শিশু-কিশোর

ওরা বড় হবে,চড়বে গাড়ী / আর আমি কাটবো ঘাস!

আমাকে নিয়ে কোন সময়ই আমি উচ্চ ধারনা করি না।নিজেকে কোন সময়ই বড় কিছু এই জীবনে কখনোই মনে হয় নাই।এইটা কোন বিনয় বা লোক দেখানো ভদ্রতা না এইটা নিজের একান্ত বোধের জায়গা!সুতরাং লোকজন আমার অক্ষমতা নিয়ে কিছু ভৎসনা করবে এইটা মেনে নেওয়া ছাড়া আমার আর কোন গতি নাই।অন্যের জন্য কিছু করতে পারলে নিজের অনেক ভাল লাগে তাই করে দেই সাধ্যের ভেতরে থাকলে।এই যেমন কথা ছিলো আমার এক বন্ধুর ছোট ভাই চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় আসবে তার জন্য ফিরতি টিকেট কাটতে হবে ট্রেনের। আমিও অনুপ্রানিত হয়ে ছুটির শনিবারে কমলাপুরে যেয়ে টিকেট কাটলাম। এরপর কয় সে আসবে না মেজাজটা প্রচন্ড গরম হইলো সেই বন্ধু মাফটাফ চেয়ে তো অস্থির কি আর করা যাব.. গেলাম আবার টিকেট ফেরত দিতে ভাবলাম একটু ব্যাবসা করা যাক ফেরত না দিয়ে বেচে দিলাম এক চাচার কাছে ১৬৫ টাকার টিকেট বেচলাম ২০০ টাকায়।ভালৈ লাগলো ব্যাবসাটা করতে সেই আনন্দে কেটে আনলাম জামালপুর যাবার টিকেট।

মাসব্যাপী কার্নিভাল ০৬

সপরিবারে ঢাকার রাস্তায় নামবার একটাই বিপদ, মুখে কুলুপ এঁটে রাখতে হয়, সিগন্যালে গাড়ী থেমে আছে, ঠিক পেছনেই একটা ৯২ মডেলের টয়োটা বিশ্রীভাবে হর্ণ বাজাচ্ছে, মেজাজ তিরিক্ষি, মিশুকের পেছনের ফাঁক দিয়ে তাকালাম, যদি সত্যযুগ হতো তাহলে সে আগুণে বিস্ফোরিত হতো গাড়ীটা কিন্তু কলিকালে এইসব ঘটে না। ভীষণ ইচ্ছা করতেছে নীচে নেমে ড্রাইভারের কলার চেপে নামিয়ে বলি ' বাঞ্চোত তোমার হোগা দিয়া হর্ণ ভইরা তার পর বাজাবো, এই সিগন্যালে হর্ণ বাজায়া উইড়া যাইবা তুমি?' কোলে ছেলেকে নিয়ে এই স্বরস্বতী পূজার দিন এইসব বলা হয়ে উঠে না। পেছনে টয়োটার হর্ণ বাজতে থাকে

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ