আমার ক্রমশ বাবা হয়ে ওঠা
মানুষ হিসাবে আমি স্বার্থপর। নিজের জন্ম তারিখটা ছাড়া অন্য কারো জন্মদিনের কথা মনে রাখি না। মনে না রাখাটাকে স্মৃতির দুর্বলতা হিসাবে চালাইয়া দিই। আসল কথা মনে রাখতে চাই না। মনে রাখতে না চাওয়াটা এখন এমন অভ্যসে পরিনত হইছে যে আজকাল চাইলেও মনে রাখতে পারি না। এইসব মা, বাবা, ভালবাসার দিন পাশ কাটাইয়া চইলা যায় তবু ছুঁইয়া যায় না। বাবা দিবসটাও পাশ কাটাইয়া চইলা গেছে অথচ বাবারে নিয়া কিছু লেখা হইল না। বড়ই অকৃতজ্
দি মোটরসাইকেল ডায়েরিজ
যানবাহনের নাম্বার প্লেটের ক্ষেত্রে নিয়ম হলো ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য গাড়ির নাম্বারপ্লেট হবে কালো। কালোর পটভূমিকায় সাদা অক্ষরে নাম্বার। আর ভাড়ার গাড়ির ক্ষেত্রে সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডে কালো অক্ষর দিয়ে নাম্বার। আমার আগের যে বাইকটা ছিলো সেটাতে এসব নিয়ম যথাযথই মানা হয়েছে। কিন্তু অফিস থেকে যে বাইকটা পেলাম সেটার নাম্বার লাগাতে গিয়ে দেখি আমার এবারের ভাগ্যে পড়েছে সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড। চাইলেই চেঞ্জ করা যায়। কিন্ত
অবাক পৃথিবী (বিশ্বকাপ ২০১০ ভার্সন)
অবাক পৃথিবী অবাক করলে তুমি
টিভি খুলেই দেখি ক্ষুব্ধ ফুটবল ভূমি
অবাক পৃথিবী অবাক করলে আরো
দেখে খেলা না বুঝেই বলে আর্জেন্টিনার সাপোর্ট করো।
অবাক পৃথিবী অবাক যে বার বার
দেখে এই দেশে আর্জেন্টিনার সাপোর্টারগো কারবার
হিসেবের খাতা যখন নিয়েছি হাতে
মিলাতে পারিনি ২ বারের কে ৫ বারের চ্যাম্পিয়ানের সাথে
বারে বারে শুধু আশাহতই হলাম জেনে
কিছুই না পেয়ে নারীর অন্তর্বাস কে যখন তারা টানে
বিশ্বকাপ নিয়া এবি-এক্সক্লুসিভ ফ্যান্টাসী টুর্ণামেন্ট (এই পর্বের এন্ট্রি শেষ)
এবিতে ওয়ার্ল্ড কাপ নিয়া ফ্যান্টাসী টুর্ণামেন্ট শুরু হয়ে গেছে! আরমাত্র একঘন্টা, তাড়াতাড়ি আপনার লিস্টটা জমা দিন।
সহজ হিসাব, গ্রুপ লীগের তৃতীয় রাউন্ডে জেতার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশী এমন আট দলের নাম। জেতার সম্ভাবনা সবচেয়ে কম থেকে বেশী এই ক্রমে লিখে দিন।
ডিটেইলড নিয়ম এখানে
কে জেতে কে হারে, এইরকমই বেটিং গেম -- তবে একটু নিয়মকানুন মিশিয়ে।
জীবন অন্যত্র - মিলান কুন্ডেরা (একটি অনুবাদ প্রচেষ্টার শুরু)
কবি'র মা যখন ভাবতে চেষ্টা করেন, ঠিক কোথায় কবিকে পেটে ধরেছিলেন, ঘুরেফিরে কেবল তিনটি জায়গার কথা তার মাথায় আসে: একরাতে একটি পার্কের বেঞ্চ, এক বিকেলে কবি'র বাবার এক বন্ধুর এপার্টমেন্ট, কোন এক সুন্দর সকালে প্রাগের বাইরের একটা রোমান্টিক নিসর্গ।
পেচ্ছাপেছি-১
১.
মনটা খারাপ হইলো। ভাবলাম শোকের ড্রেস পড়ি। কালো একটা টি-শার্ট ছিলো সেইটা পড়লাম। ফেসবুকে স্ট্যাটাসও দিলাম।
'বাবা দিবসে কাকা হারাইলাম'।
২.
এখন তো অফিসে খুব ফুটবল ফুটবল চলছে। ওযারিদের (এয়ারটেল এখন) লোকজন এসে অনেকগুলো ব্রাজিল আর আর্জেন্টিনার ফ্লাগ দিয়ে গেছে। সবার টেবিলে টেবিলে এখন ফ্ল্যাগ।
দেখুনতো, ভাবসম্প্রসারণ কর্মটি ঝালাই করা যায় কিনা?--একটা করিলে আরেকটি ফ্রি।
রবীন্দ্রনাথ খুব বোকা সোকা লোক ছিলেন। প্রথম প্রমাণ--তিনি বয়স অনুপাতে লিখেছেন খুব বেশি। এক জনমে পড়ে শেষ করা কঠিন। বেশি লিখলে বেশি গোঁজামিল এসে যেতে পারে। রবীন্দ্রনাথের দ্বিতীয় ভুলটি হল--তাঁর গোজামিলগুলো ধরে ফেলার কিছু লোক যে কোনো কালে আবর্ভিূত হতে পারেন--এটা তিনি কল্পনা করতে পারেন নাই। তৃতীয় ভুল হল--হুট করে মরে যাওয়া। যারা গোঁজামিল আবিষ্কার করার কোসেস করছেন, তাদের এই কোসেসের উত্তর দেওয়ার আগেই তিনি ক
খেলা দেখুন বিশ্বকাপে, ঝড় তুলুন চায়ের কাপে! ১১
পর্তুগাল বনাম উত্তর কোরিয়া
বিশ্বকাপ শর্টনোট (৬, ইন ফ্যাক্ট, ভেরী লং)
ব্রাজিল দলটা আসলে কোন ফর্মেশনে খেলে?
পৃথিবীর ঠিকানায় আমরা খুব ভালো নাই রুদ্র'দা...
তখন আমি নিতান্তই কৈশোরকাল অতিক্রম করতেছি। মহল্লার বড় ভাই তপন বড়ুয়ার লগে শাহবাগে যাই। পিজির পিছনের বটগাছ তলায় বসি। আড্ডাবাজি চলে। সব প্রতিবাদী তরুণেরা কবিতা শোনায়। আর চলে প্রতিষ্ঠিত প্রাতিষ্ঠানিকগো গালাগালি। ঐ খান থেইকা উঠি যখন রাত বাড়তে থাকে। যাই আজিজ মার্কেটের দিকে। তখন মাত্র মার্কেটের নির্মাণ কাজ চলে। একটা দোকান একলা একলা বাণিজ্য করে। পাঠক সমাবেশ। আমরা দোকানের পিছনে সিঁড়ির নীচে ফরহাদ+মজহার টি স্
নয়নদার জন্মদিনে
নয়নদা... নয়ন বড়ুয়া। চট্টগ্রাম বন্দরের কর্মকর্তা। আমরা বন্ধু গ্রুপের সেই অমানবিক পত্র চালাচালির দিনগুলো থেকে আছেন। শুধু আছেন না, ব্যাপক ভাবে আছেন। ঢাকায় এলেই একটা আড্ডা জমে যেতো। আমরা বন্ধুর প্রথম পিকনিকে সপরিবারে চলে এসেছিলেন। ঢাকা থেকে কেউ চট্টগ্রাম গেলে একবার দেখা হতোই, যতো ব্যস্ততাই থাকুক। কক্সবাজার যাবার আসবার কালে চট্টগ্রামে এক টুকরো দেখা হলেও করে এসেছি নয়নদার সঙ্গে।
বাবা- কে নিয়ে লিখতে বসে মন ভরে কি কভূ .....তিনি যে জীবেন অসীম প্রভাবক...
বাবা'র কথা অনেক কিছু মন চায় বলতে। তারে আটকে রাখি। টুকটাক লেখার জগতে টুকটুক পদার্পন হেতু বাবারে নিয়ে অনেকবার ভেবেছি অনেক কিছু ই লিখব। আমার কাছে আমার বাবাকে নিয়ে লেখার মত অনেক অতীত উদ্ভাসিত রিয়েলিটি সদা ঘুরে ফিরে বেড়ায়।
কিন্তু বাবা মারা যাবার পর আমি বাবাকে নিয়ে সত্যি কথা কোন কিছু লিখতে বসেত পারিনা। খুব স্বার্থপরেরর মত বাবাকে নিরবে ভুলে থাকার অভিনয় করে করে আজও অভিনেতা হতেই পারলামনা।
বাবার জন্য ভালোবাসা
বাবা দিবস নিয়ে আলাদা করে কিছু ভাবতে পারছি না। সন্তান জন্মের পর যেমন প্রথমেই মায়ের বুকের উষ্ণতা স্পর্শ পায়, তেমনি বাবাও মাথার উপর ছায়া হয়ে থাকে। কবে প্রথম কে বাবার আঙ্গুলটা ধরেছিলো তা হয়ত কেউ বলতে পারবে না কিন্তু বাবার সেই আঙ্গুলটা ছেলেমেয়েরা ধরেই থাকে আথবা ধরে থাকাটা ধরে থাকার স্মৃতিটা টের পায়।
দীর্ঘ বাজেট বক্তৃতায় বলা হলো না অনেক কিছুই
অনেক কথা যাও যে ব’লে কোনো কথা না বলি।
তোমার ভাষা বোঝার আশা দিয়েছি জলাঞ্জলি।
খেলা দেখুন বিশ্বকাপে, ঝড় তুলুন চায়ের কাপে! ১০
স্লোভাকিয়া বনাম প্যারাগুয়ে