চাইনি তোমার বন্ধুতা
তুমি আমাদের কেউ নও। তোমাকে আমরা চাইনি। চাইনি বলেই আসার আগেই তোমার বিদায় জানানোর প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। নাড়ী কেটে মায়ের গর্ভ থেকে বাদ দেয়ার বাদানুবাদে লিপ্ত হয়েছিলাম ডাক্তারের সাথে। আগমনের পুর্বেই তোমাকে কেটে বাদ দিয়েছিলাম মানব সমাজের তালিকা থেকেও।
কক্সবাজার ও নারিকেল জিঞ্জিরা ভ্রমন ২ : সমূদ্র সৈকতে
ঝলমলে শীতের সকাল। কোমল রোদ্দুরের পরশ শরীরে নিয়ে উঠে বসলাম রিক্সায়। ছুটির দিন, চারিদিকে নেই ব্যস্ততা, মানুষ ও গড়ির ভীড়। বাসা থেকে মিনিট বিশেকের পথ সোহাগ বাস কাউন্টার। বেশ কয়েকদিনের জন্য ঢাকার কোলাহল ছেড়ে সমূদ্রের পাশে থাকার আনন্দ ভাবনায় প্রান উৎফুল্ল। মন গান গেয়ে উঠে, কোথাও আমার হারিয়ে যেতে নেই মানা।
রেফারেন্স...।
মামা চাচা না থাকলে চাকরী পাওয়া যায় না জানতাম যদিও এটা ভুল প্রমানিত করে বাংলাদেশে পাক্কা আড়াই বছর বাংলাদেশের এক নম্বর ঔষুধ ফ্যাক্টরীতে চাকরী করে এসেছি।।কিন্তু এই অচিন দেশে এসে বন্ধু হতে গিয়ে রেফারেন্স লাগলো।।
গতকাল এটা নিয়ে কথা বলছিলাম রাফি ভাই এর সাথে সে বললো রেফারেন্স লাগবে তুমি আমার নাম দিয়ে দাও.।কিন্তু আমি ঠিক করেছিলাম দিবোনা।কিন্তু কিছুক্ষন পর তার নাম রেফারেন্সে দিয়ে আবার রেজিষ্ট্রেশন করলাম।।আজ সারাদিন ল্যাবে কিছুক্ষন পর পর ঘোড়ার ডিম সারফেস প্লাজমন রেজোনেন্স এর পেপার থেকে মাথা তুলে তুলে চেক করি আর দেখি আমারে বন্ধু হিসাবে নিছে কিনা??
না সারাদিন সেই চেকই করে গেলাম আর কিছু খুব সুন্দর লেখা পড়লাম.।মাঝে মন খারাপ করে হাসান রায়হান ভাইরে কমেন্ট দিলাম সে উত্তরে জানালো সে আমার জন্য সুপারিশ করবে.।।।দেখে খুব খুশি হলাম যাক চাচা-মামা (রাফি ভাই-রায়হান ভাই) তাইলে পেয়ে গেছি.।
একটি জ্যাকেট, একজন বুড়ো আর একটি ব্লগের কাহিনী
অন্ধকারের রং কালো। আমাবস্যার অন্ধকার এর রং নিকষ কালো। ভয় ধরানো। আমার জীবনে এখন ঠিক সেই ভয় ধরানো অন্ধকারের রাজত্ব। অদক্ষ খেলোয়াড়দের পরিনতি যা হয়, আমার বেলাতেও তাই হতে চলেছে বোধ করি। দলথেকে বাদ পড়া। আমি পৃথিবী থেকেই বাদ পড়ে যাবো সম্ভবত।
স্বপ্নভঙ্গ
আমার মূলত পরিচয় ছিলো যুবকের স্বপ্নটার সাথে। কান্নাটুকু দেখতে হয়েছিলো বলেই, পিছনের স্বপ্ন আর স্বপ্নভঙ্গটুকুও দেখা হয়ে গিয়েছিলো।
আমি কুমিল্লার জামাই!!
আমি খাই রসমাল্লাই,
আমার খুশির সীমা নাই!
আমি শুধু গান গাই,
আমি কুমিল্লার জামাই!!
চিটাগাং যাবেন কে কে ?
ম্যালাদিন ধরে এবি'র লোকজন ঢাকার বাইরে একদিনের শর্ট একটা ট্যুরে যেতে চাচ্ছে। তো, সে ব্যাপারে চিন্তা ভাবনা করে ঠিক করলাম। একদিনের শর্ট ট্যুরে চিটাগাং যাওয়া যায়। বৃহস্পতিবার রাতের ট্রেনে যাবো। শুক্রবার সারাদিন আড্ডা-খানা-পিনা-পতেঙ্গা সৈকত-ফয়'স লেক ঘুরে রাতের ট্রেনে আবার ঢাকায়। থাকা- খাওয়া নিয়ে নো টেনশন । পুরোটার জন্য স্পন্সর পাওয়া যাবে (চিটাগাং-এ আমাদের এবি'র ২ জন আছেন না ?
মডুদের প্রতি সবিনয় নিবেদন...
ভেবেছিলাম কমেন্ট করবো আড্ডাবাজ ভাই এর মা দিবস ই-বুক - "মায়াবতি মা আমার" এই পোষ্টটাতে। কিন্তু পরে দেখলাম যে একটু বড় হয়ে গেল আর অনেক টা জরুরি বার্তা তাই কমেন্ট টা পোস্ট আকারেই দিলাম।
২১২০' মা দিবসে আমি...............সানজিদা শাহরিয়া
বেশ ক’দিন থেকে গাড়িটা সমস্যা করছে... সকাল সকাল গেছি গ্যারেজে। যেভাবেই হোক ঠিক করতেই হবে। ভীড়ের কারনে গতকালও ফেরত এসেছি। কাজ করাতে পারিনি। তাই আজ সকাল ৯টার মধ্যে হাজির।
অহনার অজানা যাত্রা (দুই)
সারারাত বৃষ্টি হয়ে সকালে খুব মিষ্টি রোদ উঠেছে। চারপাশটা তাই অনেক স্নিগ্ধ। দুরু দুরু বুকে দোয়া ইউনুস পড়তে পড়তে অহনা এ্যম্বেসীর ভিতরে গেলো হাতের ফাইল শুদ্ধ, সে টেবিলের একপাশে বসল আর অন্যপাশে বসলেন একজন শ্বেতাঙ্গ আর একজন দেশী ভাই। শ্বেতাঙ্গ ভাই অবশ্য বেশ হেসে তার খোঁজ খবর নিলেন, সে কি করতো, কবে বিয়ে হলো, অর্ন অহনার পূর্ব পরিচিত কিনা, বাবা মাকে ছেড়ে যেতে মন খারাপ লাগবে কিনা ইত্যাদি ইত্যাদি, দেশী ভাই অবশ্য তেমন কোন কথা বললেন না শুধু শ্যেন দৃষ্টি দিয়ে তার ভিতরটা এফোড় ওফোর করে এক্সরে করে দেখার চেষ্টা করলেন। দৃষ্টি দিয়ে উনি বুঝার চেষ্টা করছিলেন সে কি টেররিষ্ট কিংবা কোন ভয়াবহ অপরাধী কী না, যে নেদারল্যান্ডসে চলে যেতে চায় তাকে ফাঁকি দিয়ে। শ্বেতাঙ্গ ভাইয়া অবশ্য খুব আরামদায়ক ভঙ্গীতে ছিলেন, অহনা কফি খাবে কিনা তাও এক ফাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন এমনকি চলে আসার সময় তাকে দরজা পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে গেলেন। এরি মধ্যে ফ
আগে খুব করে মোরে মেরে ধরে শেষে আয় যাদু বাছা বলে, ও মা এই যে নিয়েছ কোলে
http://www.youtube.com/watch?v=mOpVdmFSkeU&feature=related
মা কে নিয়ে পৃথিবীতে অনেক অনেক গান হয়েছে। সেই ছোটবেলা থেকেই 'মায়ের এক ধার দুধের দাম কাটিয়া গায়ের চাম' শুনতে শুনতে বড় হয়েছি। বড় হতে হতে জেমসের মা গাইতে গাইতে কণ্ঠ ফাটিয়েছি।
বয়ে চলা জীবন কাব্যের পান্ডুলিপি - ৩
আজ মা দিবস। এফ এম রেডিও তে তাই মা'কে নিয়ে গান, ব্লগ গুলোতে মা'কে নিয়ে পোষ্ট, ই বুক , ফেসবুকে মা কে নিয়ে স্ট্যাটাসের ছড়াছড়ি।
সে যে কেন এলো না, কিছু ভালো লাগে না
যুদ্ধ শেষ। দেশ মাত্র স্বাধীন হয়েছে। স্কুলে যাবার বয়স হয়নি আমার তখনো। পটিয়ায় দাদার বাড়ীতে গ্রামে থাকতাম। স্কুলে ভর্তি হবার আগ পর্যন্ত বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর সেই গ্রামটিতে শৈশবের চমৎকার ৪ বছর কেটেছে।
ঝটিকা সফরে রাঙামাটি
প্রতি বছর মুন্নি রিমঝিমকে নিয়া ঢাকার বাইরে কোথাও বেড়াতে যাওয়া হয়। এবছরও শেষের দিকে যাওয়ার প্ল্যান ছিল। এর মধ্যে দাওয়াত আসল রাঙামাটি যাবার। আমার আগের অফিসের দশ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিশাল আয়োজন করেছে। প্রথমেই না করে দিলাম। একটা ট্যাকনিক্যাল কারণ প্লাস এই তাতানো গরমে পুরতে যাওয়ার কোনো মানে হয় না। সিদ্ধান্ত অবশ্য পাল্টাই আমার ছবি তোলার বন্ধু ইকবালের মন্ত্রনায়। যাব না শুনে ইকবাল হায় হায় করে উঠে। বলে, আমি