অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১০ জন অতিথি অনলাইন

Temple Grandin: The world needs all kinds of minds (উৎসর্গ : নুশেরা'পা এবং আপনারা যারা আছেন)

আমি বিশ্বাস করি নুশেরা’পা সবদিক থেকেই আমার থেকে বেশি জানেন এবং অবগত আছেন। আর এটাও বিশ্বাস করি ব্লগে কপি-পেষ্ট কালচারকে তেমন ভাল চোখে দেখা হয় না (এমনকি আমি ব্যক্তিগতভাবেও সেটা অপছন্দ করি)। তারপরও কোথাও ভাল মুখরোচক কোন খাবার পাওয়া গেলে তা যেমন আমরা বন্ধুদের/পরিচিতদের সাথে শেয়ার করে আনন্দ পাই, অনেকটা সেই মানসিকতায় এটা আপনাদের সাথে ভাগাভাগি করা…

দেখা

এমনিতেই পৌঁছেছিল দেরীতে। ইমিগ্রেশানের কাজ করতে করতে অনেক দেরী হয়ে গেল। সোমা বিমানে ঢুকলো একেবারে সবার শেষে। হাত ব্যাগ তার দুটো, দুটোই সম্ভবতো তার নিজের ওজনের চেয়ে বেশী ভারি। ব্যগ দুটো টানতে এই প্রথম কাউকে সাথে পাওয়া গেল না; পেল্লায় সাইজের ব্যগ টানতে মাথা ওল্টাউল্টি করছে।

নজরুল ইসলামের একটি অসামান্য অর্জন :: অভিনন্দন নজরুল ভাই

পলান সরকার গ্রামে ঘুড়ে ঘুড়ে মানুষকে বই পড়ায়। তার ব্যাগে থাকে অনেক ধরনের বই। মানুষের পছন্দ অনুযায়ী গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে গিয়ে গিয়ে পৌছে দিয়ে আসে বই। মানুষের মধ্যে একটা পাঠ সচেতনতা তৈরীর এক মহান উদ্দেশ্য।

চলার পথে – ১

নিয়ম-কানুন মানার ব্যাপারটা আজকাল বেশ আউট-ডেটেড (এটার ভাল বাংলা কি হতে পারে?) হয়ে গেছে । নিয়ম-কানুন না মানা কাউকে সেটা মনে করিয়ে দিলেও হাস্যস্পদ হতে হয় । সেদিন শেরাটন থেকে কাকরাইল মসজিদের দিকে আসতে সিগন্যালের কাছে সোজা আর বাঁয়ের রাস্তা – দুটোই আটকা, একটা জীপ সোজা যাবে অথচ এমন ভাবে রাখা যে বাঁয়ের রাস্তাতেও কেউ যেতে পারছে না, পিছন থেকে হর্ণেও কর্ণপাত নেই । বেশ কিছুক্ষণ পরে পিছনের এক গাড়ী থেকে এক ভদ্র

দোষ

যেখানে যাবো না পণ করি, পা পিছলে সেখানেও এসেছি পদচিহ্ন রেখে। 

ব্লগিং করা সহজ নয়

...সকলেরই ঘোরতর দুশ্চিন্তা।

এমন সময় পিওন আসিয়া আমাকে একখানা চিঠি দিয়া গেল।

নৃপেন বলিল, কার চিঠি হে?

আমি চিঠি পড়া শেষ করিয়া বলিলাম, বউ লিখেছে - বুঁচি মারা গেছে। কাল।

কমরেড


কৌতূহলে বেড়াল মরে- বলে বাংলায় একটা প্রবাদ আছে, ইংরেজিতে এরকম কিছু হয়তো নেই। থাকলে অকালে মরতে হতো না পৃথিবীর অন্যতম সেরা হ্যাকার কমরেডকে, হ্যাকার কমিউনিটিতে যিনি কমরেড জন নামেও বহুল পরিচিত। ১৯৮৩ সালের ডিসেম্বর মাসে জন্ম নেয়া জনাথন জোসেফ জেমস ওরফে কমরেড মাত্র চব্বিশ বছর বয়সে ২০০৮ এর ১৮ মে হারিয়ে যান পৃথিবীর বুক থেকে।

ঘুমবনে মায়া হরিণ

এখন তো কালের স্রোতে দুঃসময় বয়ে
বাতাসে জং ধরা আস্তরণ!

জানি এর আছে শেষ,
একদিন খসে পড়বে তুষার হয়ে।
ঘুমের মধ্যে ছুটবে মায়া হরিণ;
সময়ের চৌকাঠ ডিঙিয়ে নিখিলের চূড়ায়
পৌঁছে যাবে আমাদের যৌথ ডানা...

ঝরে যাওয়া পাতাদের ক্রন্দনে
জেগে ওঠবে ঘুমন্ত বোধ।
দূর দূরাশয় শব হয়েছে আমাদের
যতো বাসনা, তারাও-
ছুটবে পরাণের ডাকে। মানুষের রক্তে নয়
শিমুলের রঙে উজালা হবে মহাকাশের প্রাচীর।

আবজাব

মানব জীবনের সব চাইতে বড় ট্রাজেডি হইতেছে, এইখানে নুন আর পান্তার কম্বিনেশন কিছুতেই হয় না। যদি প্রেমিকা থাকে তো চাকরী নাই। আবার চাকরী হইতে হইতে দেখা যাইবে প্রেমিকা হাওয়া। বাড়ী থাকলে বিছানা নাই, বিছানা থাকলেও দেখা যাইবে সেইটা সিঙ্গেল। যদিবা নানান পরিকল্পনা করার পর একখানা ডবল বিছানা কিনেন তাইলে আবার দেখা যাইবে বউ নাই। আর যদি বউ আসে তাইলেতো সবই গেল। মোদ্দা কথা কালের বিবর্তনে মানব জাতি ল্যাজ বিসর্জন দিলে

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর বরাবর -

ভূমিকা না করে সরাসরি বলি ।

আপনার সময়ের মূল্য অনেক ;
আমার কালিও কিছু অ-মূল্য নয় !

এর-ওর থেকে জোগাড়যন্তর করে
আপনার ব্যাংক নিয়মের ফাইলগুলো
চষছিলাম । বহুদিন । বহুভাবে ।
নৈব নৈব চ । কী বুঝিনি তাও বুঝিনি ।
মানে এত এত ডলার , সোনা
জমির দলিল ,দালানকোঠা , ইট পাথর
শেয়ারের কাগজ -
আসলে রিজার্ভ কার জন্য ? ঠিক কার
কাজে লাগবে এসব কাগুজে বাঘ !

মতিঝিলের মিডপয়েন্টে বসে আপনি

আবার আাসিব ফিরে এই মামা-খালাদের ভীড়ে :)

বাল্য বয়েসে সিলেট শহরে পড়াশুনা করতে গিয়া আমি বিরাট বিশাল বিপদের মুখে পড়ছিলাম... শালার যেইখানেই যাই সেইখানেই মামারা খালারা... যাদের বেশীরভাগরেই আমি চিনিনা... কোথাও গিয়া বন্ধুবান্ধবদের সাথে সিগারেট ধরায়া একটা শান্তিমত টান দেয়ার মোকা নাই... খালারা দেইখা ফেলে... Sad... খুশীর কথা এই যে এদের কারো সাথেই সামনাসামনি ডীল করা লাগে নাই... লাগলে কী যে দশা হইত আল্লা-মাবুদই জানে...

ইচ্ছেকথা: সে আমার পাশে ছিল শস্যের পতনে

=================================
২১
পাহাড়ী হলো বাঙালির উগ্র জাতীয়তাবাদের কাছে জীবন বিসর্জন দেয়া মানুষ।

২২
সকালে উঠে পান্তাভাত খাই; সহজলভ্য, ঝামেলা কম। গাড়ি ধরতে না পারলে দিনের কাজ অন্ধপাখি। বৈশাখে তাই সকালে নাস্তা করি না। কাটখোট্টা গাড়িচালক কাঞ্জি আর পাকা মরিচের স্বাদ জানলে চাকরী ছেড়ে দিত। বেচারা।

বোহেমিয়ান সূচনা অথবা একজন ভজঘটক এর শুরু !

সূচনাটা কি হবে সেইটা নিয়ে কনফিউশন আমার এখনো যায় নাই ।
গরু রচনার সময় ধুমধাম লিখে দিতাম "গরু একটি উপকারী প্রাণী "।
কিন্তু এরপর জীবনের যত রচনাই লিখেছি প্রথম বাক্য নিয়ে একটা কনফিউশন ছিল-ই ।
অনেক গল্প অসমাপ্তির অন্ধ গলিতে আটকে আছে, শুরু কিভাবে করব তা বুঝছি না দেখে!
শুরু টা আমাকে দিয়ে হয় না ।
(কাছের মানুষরা অবশ্য বলবে তোকে দিয়ে ঠিক কি হয়?!!)

শুভেছা সবাইকে...!

নতুন বন্ধু হিসেবে সবাইকে শুভেছা অভিনন্দন,কত টুকু কাছের বন্ধু হতে পারব জানিনা...তবে মনে হছে এটা যেন কেবল বন্ধুদের মিলন মেলা ই নয়, তোমাদের প্রানের মেলা,তোমাদের এই মেলায় যোগ দিয়ে নিজেকে ভাজ্ঞবান মনে করছি...!

এই আমি ...

এই আমি, প্রথম প্রকাশ - ২০১০
এইটা কি হইল, কষ্ট কইরা এত কিছু লিখলাম, এখন দেখি গায়েব ...
খুব কষ্ট হইল ...

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড।

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

● ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ