এলোমেলো
আমার এলোমেলো লেখার খাতা,
কখনো গান কখনোবা কবিতা।
মন মেঘের আড়ালে উঁকি দেয়া স্বপ্নগুলো,
আজ পেয়েছে প্রাণ নির্বাক শব্দগুলো।
হাজারো কাজের ভিড়ে, ইচ্ছেগুলোর সমাধিতে,
জ্বলছে আমার স্বপ্ন প্রদীপসম।
ঠিকানা আমার সাড়ে তিন হাত মাটি
চিহ্ন শুধু কাফনের কাপড়খানি,
তবুও এ পথ চলা
গানের খাতা ভর্তি করে লেখা।
ছড়ানো ছিটানো কাগজ যত্রতত্র,
পড়ে আছে কলমের মুখটা হতভম্ব।
অজস্র কাটাকুটি আর অনিয়মের ভিড়ে,
আমার নিরর্থ এ গান লেখা জীবনকে ঘিরে।
ধূসর গোধূলিঃ ২১ - আজ গাশ্বীর রাত...

শিউলির শহরে যাওয়ার দিন ঠিক হয়ে গেছে। আর মাত্র এক সপ্তাহ, তারপর সবাইকে ছেড়ে ও চলে যাবে বহুদূরে। চলে যাবার আগে কয়েকটা দিন মা-বাবার সাথে কাটাবে ও। মেয়েটা চলে যাবে তাই মষ্টারসাব আর সালমা বেগমের মনটা খুব খারাপ। এতদিন শ্বশুরবাড়িতে ছিল, ইচ্ছে হলেই গিয়ে দেখে আসতে পারত। দূরে চলে গেলে মনটা বড় কাঁদবে।
অয়ন বড়দি আসার পর থেকেই বলে আসছে, ওকে সাথে নিয়ে যেতে হবে। শহর সম্পর্কে ওর কথার উত্তর দিতে গিয়ে শিউলিকে হিমসিম খেতে হচ্ছে।
-বড়দি, তুমি কবে শহরে যাবা?
-এই তো আগামী সপ্তায়
-তুমি একলা যাবা শহরে?
-না, কাইল তোর ভাইয়া আইব। আমারে লগে কইরা নিয়া যাইব
-আমারেও কিন্তু তোমগো লগে নিতে অইব
ভাইয়ের আবদার শুনে শিউলি হাসে। তারপর বলে- বাবা, মা, বকুলরে ছাইড়া তুই থাকতে পারবি অনু?
-আমি তো শহরে ঘুইরা আবার চইলা আমু
-ও আইচ্ছা, শুধু শহর দেখতে যাবি, আমার লইগা তোর কোন মায়া নাই, তাইনা?
-আমি কি তাই কইছি? তোমার কাছে কয়দিন থাইক্যা বাড়ি চইলা আমু, আমার স্কুল আছে না?
কে সফল ???
২০০৮ সালের জাতীয় নিবর্াচনে আওয়ামীলীগের অন্যতম প্রধান নিবর্াচনী ইস্তেহার ছিল '৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের মানবতাবিরোধী ও যুদ্ধাপরাধীর বিচার করা ২০০৮-২০১৩ এর সময়কালে আওয়ামীলীগ সরকার মানবতাবিরোধী/যুদ্ধাপরাধীর বিচার শেষ করতে না পারলেও তারা ২০১০ সালে বিচার শুরু করে তারই ধারাবাহিকতায় ১২ ডিসেম্বর, ২০১৩ '৭১ এ মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত যুদ্ধাপরাধী কসাই কাদের নামে খ্যাত আব্দুল কাদের মোল্লার ফাঁসির রায় কার্যকর হয়েছে কাদের মোল্লাকে ফাঁসি না দেওয়ার জন্য বিশ্বের প্রভাবশালী দেশ ও আন্তজর্াতিক সংস্থার পক্ষ থেকে বাংলাদেশের সরকার প্রধানকে টেলিফোনে অনুরোধ করা হয় কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি আইনের হাতে ছেড়ে দিয়েছেন আব্দুল কাদের মোল্লার ফাঁসি আইনগতভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে বারবার দাবি করা হয়েছে, যদিও যুদ্ধাপরাধের বিচার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে দেশে বিদেশে আপত্তি উঠেছে বিশেষ করে ২০১২ সাল থেকে জামায়াত শিবির যুদ্ধাপরাধের বিচার বানচাল করার জন্য দেশে সহিংস আন্দোলন শুরু করে দেশের বিভিন্নস্থানে জ্বালাও পোড়াওসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপর প্রকাশ্য হামলা চালায়
বিশ্বজিতের আত্নীয়রা মরবে হাজার বার
সময়ের প্রয়জনে পোষ্টটি দিলাম। আমার মনে হয় এ লেখাটি আমি আমরা বন্ধুর সদস্য হবার পূর্বে লেখা।
আমি রাজনীতি করি না, রাজনীতি বুজি না। তবে দেশের ভাল যাতে হয় সেটা সব সময় কামনা করি।
যেদিন বাংলাদেশের খেলা থাকে, আর বাংলাদেশ হারবে মনে হয় আমার মেয়ে টিভি বন্ধ করে দেয়। কারন আমার হাই ব্লাড প্রেশার। বাংলাদেশ হারলে প্রেশার বেড়ে যাবার সম্ভাবনা ৯০ভাগ। আমার দেশে জন সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে কিন্তু কারও একের জায়গায় দশটি সন্তান হলেও যেমন তার কাছে বোজা হয়ে যায় না। তেমনই আমার দেশ মাতা যত দরিদ্রই হউক আমাদেরকে কখনো ফেলে দেন না এবং না খাইয়ে রেখেছেন কেঊ বলতে পারবে না।
দুর্ণিতিতে চ্যাম্পিয়ন হওয়া, বিভিন্ন রাজনৈতিক অস্থিরতা সত্ত্বেও আমার বিশ্বাস সকল ক্ষেত্রে দেশের ঊন্নতি হয়েছে। তারজন্য সরকারের পাশাপাশি আমাদের দেশের বেসরকারি ঊদ্যোগতারা বেশী প্রশংসার দাবিদার এটা আমার দাবি।
মোরশেদ শফিউল হাসানের লেখনীতে বেগম রোকেয়ার সময় ও সাহিত্যকে দেখা!
বড় অসময়ে এই পোষ্ট লিখতে বসলাম। কয়েল আছে বাসায় কিন্তু ম্যাচ নাই তাই বসে বসে রাত জেগে মশার কামড় খাচ্ছি, মন মেজাজের অবস্থাও ভালোনা তার ভিতরেই এই লেখাটা শুরু করার শখ হলো। যদিও মন মেজাজ খারাপ থাকার কথা না, যেমন ভালো দিন আমি আশা করি তেমন ভালো দিনই আজ আমি কাটালাম- খানা খাদ্যময় ও আড্ডাময় দিন চলে গেল ভালোই, কিন্তু গুলশান দুইয়ে গনজাগরন মঞ্চের উপর পুলিশের হামলার শিকার হলো তা নিয়ে মন বিক্ষিপ্ত। অবশ্য পুলিশ তো প্রতিদিনই কত মানুষকে মারে তা নিয়ে আমার চিন্তা হয় না, আমি নিজে গা বাচিয়ে চলা শিখে গেছি। কিন্তু নিজেদের সহযাত্রীরা এরকম বেদম মার খাবে তা দেখতে অসহ্য লাগছে। কিন্তু কি আর করা, আমাদের মন খারাপে কারো কিছু যায় আসে না। অলরেডি দলকানারা ত্যানার ছবক নিয়ে বসে গেছে আর ছাগুরা হাতে তালি দিচ্ছে, ভালোই তো- ভালো না!
আমার আমি : কিছু এলোমেলো স্মৃতি
জীবন থেকে প্রতিটি ক্ষণ হারিয়ে যাচ্ছে। মানবিক জীবন, সংসার জীবন, ব্যক্তি জীবন এমনকি পেশা জীবনও বাদ পড়ছে না এ গৎবাঁধা সময়সূচি থেকে। মহামনীষীদের লেখায় এ সত্যটি প্রকাশ পেয়েছে ঠিক এভাবে- ‘Time and Tide wait for none’- সময় এবং স্রোত কারো জন্য অপেক্ষা করে না। কেবলই বয়ে চলে।
পৃথিবীর প্রতিটি প্রাণীর সাথে সময়ের এ কঠিন নিয়মে আমিও আবদ্ধ। একে একে জীবন থেকে ঝরে গেছে চারটি যুগ, ৪৮টি বছর (নভেম্বর ১০, ১৯৬৫-২০১৩)। এ দীর্ঘ জীবন পরিক্রমায় কী পেয়েছি, কী পাওয়া উচিত ছিল- এ নিয়ে এখন কোনো অনুযোগ, অভিযোগ বা আক্ষেপের সুযোগ নেই। তবে গুণীজনেরা অকপটে লিখে গেছেন- ‘মানুষ যা চায় তা কখনো পায় না; যা পায় তা ভুল করেই পায়’। আমার চাওয়া-পাওয়ার ক্ষেত্রেও এর ব্যত্যয় ঘটেনি।
ধূসর গোধূলিঃ বন্ধন মুক্তির ডাক...

পড়ন্ত দুপুর। সুর্য্যের কড়া তেজ কমে গেছে অনেকটাই। জানালা দিয়ে তাকিয়ে সুবলকে আসতে দেখে ঘর থেকে বেরিয়ে আসলো অয়ন। আজ স্কুল থেকে ফেরার পথে মিরাজ বলছিল- উজানগাঙের ওপাড়ে অনেক কাশফুল ফুটেছে। বিকালে ঝাঁকে ঝাঁকে বকের মেলা বসে। তখনই ওরা ঠিক করেছিল আজ নদীর ওপাড়ে যাবে। মিরাজদের বাড়ির সামনে আসতেই দেখে ও রাস্তায় এসে দাঁড়িয়ে আছে। তিনজনে ছুটতে থাকে নদীর দিকে। কোটাখালী খালের পাড় ধরে সরু রাস্তার দু’পাশে বুনো ঝোপঝাড় আর মাথার উপর বড় গাছের ছায়ায় ছায়ায় ওরা এগিয়ে চলে উজানগাঙের দিকে। গ্রামের মধ্য দিয়ে একেবেঁকে খালটি যেখানে এসে নদীর সাথে মিশেছে, সেখানটাতেই একটি কাঠের ব্রিজ। এলাকার লোকজন এই জায়গাটিকে বলে- তেমাথার পুল। এই ব্রিজ পার হয়েই সরু রাস্তাটা নদীর পার ধরে চলে গেছে বহুদূর। এই ব্রিজের পরের গ্রামটির নাম ভবানীপুর। তারপর গৌরীপাশা, চন্দ্রপাশা, ইন্দ্রকাঠী এবং সর্বশেষ প্রান্তে একবারে নদীর পাড় ঘেঁষে গ্রামটির নাম কমলডাঙা।
চাঁদ, ঝরাপাতা আর বিকেলের পাখিদের সাথে পথচলা
রাতে হলে ফেরার সময় যখন আমি হারিয়ে যেতে থাকি তখন একটা চাঁদ প্রায়ই আমাকে সঙ্গ দেয়। তারপর ঘুমানোর জায়গাটা অ্যাভেইলেভল হলে মেঘ, রাতের চাঁদ আর মাথা জুড়ে থাকা ভাবনাগুলোকে বিদায় জানাতে হয়। ততক্ষণে চোখ মুখ বন্ধ। তখন আমার শরীর মনে অতীতের কোন আচ্ছন্নতা থাকে না। ঘুমের সময় নাকি মানুষ পুরোপুরি নাই হয়ে যায়। এটা সেটা পরিকল্পনা জড়ো করতে করতে ঘুম চলে আসে আমাকে নাই করে দেবার জন্য।
বিজয় দিবস ও পাকি কুত্তার ঘেউ ঘেউ
তুমি শরৎ প্রভাতে সবুজ ঘাসের
উপর জমে থাকা শিশির বিন্দু
নাকি শিশির বিন্দুর উপর সূর্যের কিরন
পড়ে চিক চিক করা মুক্তা সদৃশ, মুক্তা
তুমি তিমির বিদারী আলোয় ভাসানো
পূর্ণিমা শশী
যা প্রকৃতির সাথে মনের আঁধার ঘুচিয়ে দেয়।
নাকি অমাবর্ষার নিকষ
কালো অন্দকার
যা আমাকে জেগেও স্বপ্ন দেখায়,
তুমি অন্ধকারে দিশাহীন পথে
জোনাকির আলো
যার মিটি মিটি প্রিদিম পথ চলতে
সাহায্য করে।
নাকি তুমি দিগন্ত বিস্তৃত
সোনালী ধানের ক্ষেতে
হিন্দোল তুলে
বয়ে যায় মৃদু মন্দ শীতল হাওয়া,
কোথাও গমের ভুই
কোথাও নয়ন জুড়ানো
হলুদাভ সরিষার ক্ষেত।
আরও আরও কত কি!
তুমি কিশোর প্রেমের
অবাধ্য আবেগ
নাকি পড়ন্ত জীবনে
স্মৃতি কাতরতার সুখস্মৃতি।
তুমি আধো আধো বোল
শিশুর প্রতি মা বাবার অকৃত্রিম ভাল বাসা
নাকি শেষ বয়সে যোগ্য সন্তানের প্রতি
তাকিয়ে গর্ব বোধ করে শুকরিয়া জ্ঞাপন করা।
তুমি সুউচ্চ পর্বত হতে বিচ্ছুরিত
অধোগামী শ্বেত শুভ্র জলরাশি
যাকে আমরা ঝর্ণা বলি
নাকি অথৈই সমুদ্রে ভাসমান
দুঃসাহসী মাঝি, মণি মোক্তা আহরনকারী।
তুমি মোর পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের সকল
ভাল লাগা- মন্দ লাগা
তুমি সৃষ্টি কর্তার প্রদত্ত
যখন যা মনে হয়
বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম এতো রাজনৈতিক স্ট্যাটাস কেন দেয়? তারা খুব সমাজ সচেতন সেজন্যে? তাই যদি হবে আশেপাশে এতো অপকর্ম ঘটছে কী করে? নাকি ছাত্র – পেশাগত জীবনের ব্যর্থতা, স্বপ্নভঙ্গের গ্লানি, প্রেমিকার উপেক্ষা, ক্ষয়ে চলা জীবনের সব ক্ষোভ এক পাত্রে রেখে ঢেলে দেয়ার এটাই সর্বত্তোম উপায়?
দাড়ি থাকলেই রবীন্দ্রনাথ হওয়া যায় না। শফি সাহেব রবীন্দ্রনাথ হতে চেষ্টা করে ধরা খেলেন। রবি ঠাকুর মেয়েদের বহু কিছুর সাথে তুলনা করেছেন, সবাই ধন্য ধন্য করেছে আটকে গেছে বেচারা শফী। সরাসরি তেঁতুল না বলে ঘুরাইয়া ঘুরাইয়া কাব্য করে এর থেকে বহু বেশী কিছু হয়তো বলা যায়, কবিরা তাই করেন।
রবি ঠাকুরের জন্যে কিছু লিখতে পারি না। চাকরী বাকরী কিছু করেন নাই, সারাদিন বজরায় বসে লেখালেখি করে অর্ধেক বাংলা সাহিত্য তিনি একাই লিখে ফেলেছেন। ভাগ্যিস তখন ফেবু ছিল না। কী করতেন কে জানে। এক লক্ষ ফলোয়ার পেতেনতো বটেই আর মুহুর্মুহু স্ট্যাটাস আপডেট দিতেন। (ফীলিং রাইটার্স ব্লক)
সকালে যখন কেউ কাউকে “সুপ্রভাত” লিখে শুভেচ্ছা পাঠায়, এটার মানে শুধু শুভ সকাল নয়। “আমার ঘুম ভাঙ্গার পর আমি তোমাকে ভেবেছি” এটাও জানানো হয় তাকে। (ভাষান্তর)
নাম্ব সময়ের দিনলিপি
পহেলা বৈশাখ আর একুশে ফেব্রুয়ারিতে রাত ১০টার আগে ক্যাম্পাসে যেতে ভালো লাগে না। গিজগিজে ভিড় আর ধাক্কাধাক্কি-ঠেলাঠেলি। বিজয় দিবসে কখনো এত মানুষ ক্যাম্পাসে আসে না। তাই বিজয়ের দিনে আমার ক্যাম্পাসে টো টো করতে খুব ভালো লাগে। মজার ব্যাপার হচ্ছে, এবার বিজয় দিবসে (গতকাল) কয়েক লাখ মানুষ ক্যাম্পাসে হাজির হয়েছিলো কিন্তু সেই ভিড় দেখে খারাপ লাগে নি। কারণ কালকের ভিড়টা আজগুবি ছিলো না।
বিকেলের মাঝামাঝি সময়ে লাল আর সবুজ রং দেখতে দেখতে মাথা খারাপ হয়ে যাবার মুহুর্তে একবার আকাশী নীল রং চোখে পড়েছিলো। বহুদিন পর প্রিয় রংয়ের শাড়ি চোখে পড়লো। আবারও সেই ছিপছিপে লম্বা মেয়েটি। উবায়েদ ভাইয়ের দোকানে যাকে দেখেছিলাম। আমি ভেবেছিলাম এবার ওর সাথে কয়েকটা কথা বলবো। অথচ ভিড় আমাদের দু'জনকে কাছাকাছি হতে দিলো না।
হাতিরপুলের সেকাল-একাল!
সেকাল:
হাতিরপুলে হাতি ছিল
মাঝখানে সড়ক আর
দুই ধারে বিল ছিল।
হাতিরপুলে পুল ছিল
মাঝখানের সড়কে
রেললাইনও ছিল।
হাতিরপুলের খুব
নামডাক ছিল
গা ছমছম ভয় ছিল।
হাতিশালায় হাতি আর
বিলঝিলে দস্যুদের
রামরাজত্ব ছিল।
পুলের ধারে মাহুত আর
ছিন্নমূলের বাস ছিল
হাতি পালন কাজ ছিল।
এককালে অনেক জমি ছিল
জমিতে ধান আর পাটের
ভালো চাষ ছিল।
তেজি রোদে মাথলা মাথায়
ফসল বোনা আর নিড়ানি
কৃষকের কাজ ছিল।
একাল :
হাতিরপুলে হাতি নেই
বিল নেই ঝিল নেই
পুল নেই রেল নেই।
গা ছমছম ভয় নেই
দস্যু নেই মাহুত নেই
জমি নেই ফসল নেই।
উঁচু কাঁচা সড়ক নেই
ছিন্নমূলের বাস নেই
ঘাস নেই গাছ নেই।
কৃষক নেই মাথলা নেই
ফসল বোনা নিড়ানি নেই
নামটি আছে সেই।
হাতিরপুল, ঢাকা
১৭.১২.২০১৩
সরকারের এখন কি করা উচিত্
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে এখন ২টি অপশনঃ (১) জামায়াত-শিবিরের তান্ডব বন্ধ করার জন্য হার্ডলাইনে যাওয়া; (২) অন্তর্বতী কোন সরকারের হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দেয়া ২ নং অপশন গ্রহণ করলে আওয়ামীলীগের জন্য তা ক্ষতির কারণ হতে পারে ক্ষমতা ছাড়ার সাথে সাথে জামায়াত-শিবিরের ক্যাডাররা আওয়ামীলীগের নেতাকমর্ীদের উপর বেপোয়ারাভাবে আক্রমণ করার সুযোগ পাবে এছাড়া বিএনপি ক্ষমতায় এলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আর হবে না সেক্ষেত্রে আওয়ামীলীগের সাংগঠিক কাঠামো দূর্বল হতে পারে নেতাকমর্ীরা অনেকটা নিষ্কিয় হতে পারে সুতরাং দেশ-বিদেশের যতই চাপ থাকুক না কেন, দেশের স্বার্থে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি আমাদের বর্তমান দাবী জামাত-শিবিরের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড কঠোরহস্তে দমন করতে হবে অন্যথায় লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের প্রাণের স্বাধীনতা আজ বিপন্ন প্লিজ একটা কিছু করেন প্লিজ প্লিজ প্লিজ!!!
অরাজনৈতিক স্ট্যাটাস - এক
ফরহাদ মজহারের পক্ষের ছাগু, তথাকথিত বাম দলের ভেতরের ছাগু, বিএনপি-র ছুপা ছাগু, আর জামায়াত-শিবিরী ছাগু তো আছেই - এরা সবাই এখন তাদের রাজনৈতিক দর্শনে হাহাকার, হতাশায় ভুগছেন। #যুদ্ধাপরাধী কসাই মোল্লার ফাঁসিতে তাদের রাজনৈতিক দর্শনে ভয়ানক এক প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এমন ভয়াবহ রকম মানসিক বৈকল্য দেখা দেবে, তা আগে বোধ হয় ধারণা করা যায় নি। কেননা, তারা হলেন সর্বজানা এবং রাজনৈতিক সবকিছুতেই আগে থেকে নিশ্চিত ভবিষ্যত গণন করা গোষ্ঠী।
তবে তাদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, #যুদ্ধাপরাধীদের রায় সবে কার্যকর শুরু হয়েছে। আমি আশাবাদী আরো রায় কার্যকর হবে। এবং শেষমেশ যুদ্ধাপরাধীদের দল জামায়াতও প্রকৃত অর্থে, নিষিদ্ধ হবে। সেই সাথে আপনাদের রাজনৈতিক দর্শন চিন্তায় ধ্বস নামা শুরু হবে, প্রচন্ড হোঁচট খাবেন আপনারা। কারণ, বাংলাদেশ নামক ভূখন্ডে সরকার এবং বিরোধীদল উভয়কেই হতে হবে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি বিশ্বস্ত, দেশ মাতার প্রতি অনুগত। এর অন্যথা হবার সম্ভাবনা একাত্তরের শহীদানরা রেখে যান নি।
