অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

যাপিত জীবনের গল্প-৩

সর্বশেষ যে স্বপ্নটা মরে যেতে দেখছি সেটা হলো ব্লগ লেখা । জীবনের পথে পথে কতো যে স্বপ্ন মরে গিয়েছে খোঁজ রাখিনি কোনো দিন। এখন তো মাঝে মাঝে মনে হয় আমার জীবনে কোনো স্বপ্নই ছিলো না। ছিলো কি কোনো স্বপ্ন?

জীবনের দিনলিপিতে শুধু সাতটি দিনেরই অস্তিত্ব খুঁজে পাই কেবল। তাতে কেনো যেনো কোনো আনন্দ খুজে পাইনা। সকাল হয়, রাত আসে। তারপর আবার সকাল। ক্যালেন্ডারের পাতার এই দিন গোনার বাইরে আর কোনো কিছুই আজকাল আর আমাকে তেমন স্পর্শ করে না ।

এইযে ৪২ বছর পর মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচার নিয়ে সারাদেশে তোলপাড় হয়ে গেলো। তার খুব কমই আমাকে স্পর্শ করেছে।

দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ট্রাজেডি সাভারের ভবন ধ্বসের ঘটনায় মারা যাওয়া মানুষগুলোর স্বজনের হাহাকার ও আমার গভীরে ছুয়ে যেতে পারেনি।

৫ই মে মতিঝিলে কি হয়েছিলো সেই নিয়ে সাধারণ মহলের নানা জল্পনা কল্পণার কোনো কিছুই আমাকে তেমন স্পর্শ করেছে বলে কখনো মনে হয়নি।

মাঝে মাঝে মনে হয় সব কিছু কেমন যেনো আমার স্পর্শের বাইরে চলে গেছে।
আহ! কোথায় গেলো , আমার সেই গল্পের বই?

অনুতপ্ত

তখন মগবাজার মোড় থেকে সূর্যসেন হল পর্যন্ত রিক্সা ভাড়া ছিল ২টাকা। মাসের শেষে খরচের টাকা আনতে বাসায় গেলাম। ্বন্ধুদের মধুর ক্যান্টিনে অপেক্ষা করতে বলে আমি বাসায় রওনা দিলাম। ২ টাকাই ছিল, তাই নিশ্চিন্তে ভাড়া জিজ্ঞেস না করেই রিক্সায় চেপে বাসার সামনে এসে ২ টাকা বের করে দিলাম। রিক্সাওয়ালা আরো ৫০ পয়সা চাইলো। এমনিতে পকেটে আর কোন ফুটা পয়সাও ছিল না তার উপর ভাড়া বেশি চাওয়াতে মাথা বিগড়ে গেলো। ঠাস করে একটা চড় দিয়ে আমি বাসায় ঢুকে গেলাম। একটু পর বাইরে হৈ চৈ শুনে বারান্দা দিয়ে উঁকি মেরে দেখি ২০/৩০ জন মানুষ, সবাই রিক্সাওয়ালা খুব চিৎকার করে আমাকে বের হতে বলতেসে।ঢাকা বিস্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের দল বেঁধে ঘুরা টগবগে ভয় ডরহীন যুবকের মনে বিশাল ভীতি জন্মালো এই ভেবে যে বাসা থেকে কেমন করে বের হব, বের হলেই তো পিটিয়ে ভর্তা বানিয়ে দিবে।

বুয়েটের বাপ(পর্ব-৫)

বুয়েটের বাপ(পর্ব-৫)

আমাদের যন্ত্রযুগে

রোমান সম্রাজ্য কিংবা গ্রীক সভ্যতার শ্রেষ্ঠ সময়েও " দাস" কখনই স্বাভাবিক মানুষের মর্যাদা পায় নি। মানুষের অধিকার সম্পর্কিত কোনও ভাবনায় 'দাস' আলাদা মানবিক অস্তিত্বসমেত দৃশ্যমান হয়ে উঠে নি। পরবর্তী দেড় হাজার বছরেও কোনো মহামানবই 'দাস' প্রথার বিরুদ্ধাচারণ করেন নি, দাসদের প্রতি আরও একটু মানবিক হয়ে ওঠার উপদেশ প্রদানের বাইরে 'দাস'দের স্বাধীনতা প্রশ্নে নিস্পৃহ থেকেছেন। তাদের এই সচেতন নির্লিপ্ততা তাদের ব্যক্তিগত অমানবিকতার চেয়েও বরং তাদের সময়ের বিদ্যমান অর্থনৈতিক সম্পর্কে দাস শ্রমিকদের উৎপাদনশীলতার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তার স্বীকৃতিস্বরুপ।

সভ্যতায় যন্ত্রযুগের আবির্ভাবের আগে 'দাস' উৎপাদক হিসেবে পেটচুক্তি শ্রমিক, এমন এক উপকারী জীব যাকে যথেচ্ছা ব্যবহার করা যায় এবং যাদের প্রতি মানবতাবাদী মনোযোগ কোন না কোন ভাবে উৎপাদন সম্পর্ককে বাধাগ্রস্ত করবে। যদিও সাধারণ মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিতে একজন " স্বাধীন মানুষের" উৎপাদনের যাঁতাকলে কলুর বদলের মতো জুড়ে যাওয়া সমর্থনযোগ্য নয় কিন্তু এই মনোভাব অষ্টাদশ শতাব্দী পর্যন্ত সভ্যতার ইতিহাসে বিদ্যমান ছিলো।

চাঁদের আলোয় হারিয়ে যাওয়া দিন!

আমাকে কেউ পোস্ট নিয়ে প্রশ্ন করলে বিশেষ করে তা যদি হয় বন্ধু আড্ডামেটদের কেউ তবে সিরিয়াসলি মেজাজ খারাপ হয়। নিতান্তই লোকজন শেয়ার দিতে বলে তাই ফেসবুকে শেয়ার দেয়া। নয়তো নিজের পোস্ট শেয়ার দিতে আমার সিরিয়াস বিরক্ত লাগে। যারা ব্লগার যারা আমার লেখা চিনে জানে তাদেরকেই শুধু লেখা পড়াতে ইচ্ছা জাগে। আর কাউকে নয়। রিয়েল লাইফ ফ্রেন্ডদেরকে তো আরো নয়। কারন আমি যদি কোনো জাতীয় ইম্পর্টেন্ট কিছু লিখতাম তাহলে অবশ্যই বন্ধুদের শেয়ার দিয়ে জানাতাম। তাদের পাশে চাইতাম। কিন্তু আমি লেখি সাদামাটা দিনলিপি যার বেশীর ভাগের বুক জুড়ে থাকে নিজের কথা, নিজের দিনযাপনের কথা আর বন্ধুদের কথা। তাদের সমন্ধে কি কি ভাবছি তা যদি ব্লগ পড়েই জেনে এসে আমাকে প্রশ্ন করে তখন খুবই ইরিটেটিং লাগে। আর প্ল্যান করি কিভাবে ফেসবুক থেকে তাকে বাদ দেয়া যায়। আমার ফেসবুকে রিয়েল লাইফ ফ্রেন্ড এই জন্যই এড নাই। কারন বন্ধুরা বাস্তবেই ভালো আর ফেসবুকের বন্ধুরা ফেসবুকে। কিন্তু সবাই কে তো আর ডিলেট মারা যায় না তাই শেয়ার ঝটকায় লাইক না পেলেও পোস্ট পড়ে তাদের নানান কিছুর উত্তর দিতে হয়। কোনোটা বাড়িয়ে লেখেছি, কোনটা কমিয়ে লিখছি, কোনটা বাদ পড়েছে, কোনটা লিখেছি তা তাদের পছন

মেঘ কাব্য - ২

শ্বেত শঙ্খের মত নীল চোখের মেঘ এল
পয়োধর অঙ্গে সোনারাঙ্গা সকালের স্বর্গছাপ
মেঘ ছিড়ে মেঘ ভেসে যায় অজানায়
ঘাসের শরীর বেয়ে শিশিরের টুপটাপ।
এলো চুল দুলে দুলে, বকের পাখনা উর্দ্ধে তুলে
বেঁধে ফেলে সোনালী আঁশের মেঘকেশদাম-
সহসা উত্থিত হল বক্ষের সূর্য মধ্যগগনে
সে কী তেজ- কোন শিল্পীর তুলি দিতে পারে নাই তার দাম।

মেঘ আছে ধিয়ানে দাঁড়িয়ে যেন রূপকথার
গ্রীসের ক্যারিয়াটিড সকল দায় নিয়ে নির্ভার।
কী আছে মেঘের মনে, যাবে সে কোন পথে
কি দিয়ে তাকে রাখা যাবে- পায়রার শীতল বাতাসে।
বেশ তো ছিল মেঘ সকালের সোনা রোদে সোনালি ঝিলিক
কেন তারে ছুঁয়ে দিলি রূপালী ইলিশ
ঝর ঝর কালো মেঘে নীল সাদা বৃষ্টি
নাগর কালিয়ার ভালবাসায় মেঘ করবে শুভদৃষ্টি।
মেঘ কাব্য - ২

আমি কেন তাদের দলে নাই?

মাথার উপর চাঁদ, পায়ের নিচে অকূল।
নিজেকে দেখি আয়নায়, করোটিতে ভীড় করে দৃশ্যমান ভুল।

ভাবি, আমি কেন তাদের দলে নাই?
যারা লুটিয়ে দিতে পারে সবই,
প্রিয়ার কালো চুলে, কিম্বা মানবতায়!
আর আমি ?
আমি শুধু ভেবে অবাক হতেই জানি।

বিধাতার সাথে মেঘের আলাপ আমার কানে পৌঁছে..
বোধগম্য বানী একটাই, বিধাতা বলেন...
-যাকে আমি পৃথিবীতে মানুষ হিসেবে পাঠাই, তার একটা না একটা গুণ থাকবেই-
যারা সেই গুণ টাকেই আপন করে নিয়ে, নিজেকে সফল করতে পাড়ি দেয় অতল গহীনে।
আমি কেন তাদের দলে নাই?

নিজের কাছে জমে থাকা ইতিহাসে মুখ লুকাই,
ডুবুরির মত খুজে ফিরি সাফল্যের নিদর্শন,
দীর্ঘশ্বাস শেষে-
আমি অবাক চোখে দেখি,
চরম দারিদ্রতা আর হতাশায় মানুষ কত খুশি..

আমি কেন তাদের দলে নাই?

নির্জনতায় বসবাস

১৬X১৪ ফুটের একটি কামরা
দুদিকের দেয়ালে
পিলার টু পিলার জানালা
পর্দা সহ খুলে দিলে
বাগানের পুরোটাই নজরে আসে।
অবাধ্য বাতাস
বিনে বাধায় এপাশ খেলা করে
এই রুমটি বাদে পুরো বাড়ীটাই
ভাড়া দেয়া। আজ ভাড়াটিয়ারাও নেই।
আমার পছন্দের এ ঘরটিতে
আমি একা, আমার একাকীত্বের
আমার নির্জনতা উপভোগের
এর চেয়ে উত্তম জায়গা আর নেই।
অমাবষ্যার নিকষ অন্ধকার,
পূর্ণিমায় চাঁদের আলো,
রাত জাগানিয়া পাখির মত
জেগে জেগে নির্জনতা
ঊপভোগ করি।
আজ ভর দুপুর...
বাইরে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি,
মৃদু মন্দ হিমেল হাওয়া।
খোলা জানালায়
এপাশ ওপাশ খেলা করতে
আপন মনে আমাকে ছুয়ে যাচ্ছে।
বাগানের গাছগুলো কৈশোর পেরিয়ে
যৌবনে পদার্পন করেছে।
পরিবেশের সাথে তারাও
প্রকৃতির আপন খেলায় মত্ত
কে কার উপর পড়ছে।
কে কাকে আদর করছে
বলা মুশকিল!
তবে অনেক কিছুই ঘটছে।
গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি, হিমেল হাওয়া,
বৃক্ষ রাজির প্রাকৃতিক খেলা,
একটি পরগাছা
কি যে মমতায় আশ্রিতকে জড়িয়ে।।

আমার মন প্রাণ নির্জন সত্তা
শিশ্ন সহসাই—
তারই কি দোষ দেব বল
বাগান বাড়ীর পিছনের অর্ধ উচু
প্রাচীরের উপর দিয়ে
সদ্য প্রস্ফুটিত কলার থোর,

কিম কি-দুকের সিনেমা এবং আমার সাময়িক মনোবৈকল্য

সেদিন বন্ধুমহলে কিম কি-দুকের সিনেমা নিয়ে আলাপ হচ্ছিলো। চুপচাপ বসে ছিলাম। দেখি নাই একটাও সিনেমা কি-দুকের। আলাপে আর কিভাবে অংশ নিই।

spring.jpg

পর পর ৪টা দেখা হলো বেশ ঘটা করেই। শুরুও আবার স্প্রিং, সামার, ফল, উইন্টার... অ্যান্ড স্প্রিং দিয়ে। দেখার সময় বারবার মনে হচ্ছিলো এত সাইকেডেলিক সিনেমা আমার মতো দুর্বল চিত্তের লোকের জন্য না। ভয় পাচ্ছিলাম সিনেমাটা শেষ করে নিশ্চিত একটা ২-৩ দিনের সাইকোলজিক্যাল লুপে পড়ে যাবো।

ওই সুন্দর কোরিয়ান কিশোরীকে যখন তার মা বৌদ্ধ মন্দিরে নিয়ে যায় এবং মেয়েটির রোগমুক্তির প্রাথর্না করে, তখনই আমার কেন যেন মনে হচ্ছিলো শিক্ষানবিশ ভিক্ষুর বডি ফ্লুইডই হতে পারে মেয়েটির যথাযথ ঔষধ। যখন সেটাই দেখানো হলো, তখন চমকে উঠেছিলাম বেশ।

হলুদ বসন্ত

আজ কোন সুদূরে ভাসাও খেয়া আলোর পারে,
কোন অচিন দেশের অচিনপুরের পথের ধারে?

সবুজ বনের আঁকাবাকা আলটি ধরে
দুচোখ ছাওয়া সর্ষে হলুদ থরে থরে
যাচ্ছো হেটে সঙ্গী তোমার ছোট্ট প্রিয়া
হাতটি ধরে নির্ভরতায় তোমার ছায়া।
ঝলমলে ঐ রোদ ছড়ানো প্রান্ত ছুঁয়ে
নীল নীল দিগন্তরেখা পড়ছে নুয়ে
প্রিয়ার চোখে ঝরছে অথই সুপ্ত মায়া।
উড়ছে হাওয়ায় হাওয়াইমিঠা তোমার প্রিয়া!

শিশিরকনাও ছুলো বুঝি পায়ের আঙুল
জলমোতিরা গড়লো বুঝি জলের নুপুর।
শিরশির ঐ বিন্দু ভেজা শাড়ীর পাড়ে
লাজুক মুখে তেসরা দিঠি চাউনি আড়ে
চুলগুলো তার উতল হাওয়ায় উড়ু উড়ু!
কাপছে পাতা বেতসলতা দুরুদুরু।
যাচ্ছো হেটে সঙ্গী তোমার একটা ছায়া
সেই তুমি আর একটি বিকেল তোমার প্রিয়া।

জানতে ভীষন ইচ্ছে করে
বসন্তে কি আজও ফোটে সর্ষেকলি?
হলদে সবুজ দিক থইথই ঝিলিমিলি?
ফাগুন হাওয়ায় ঘ্রান কি ছড়ায় আমের মুকুল?
মৌ মৌ তার মাতাল পরাগ গন্ধবিধুর?
আসে ভেসে অতীত কোনো স্বর্ণালী সূর?
ঠিক যেন এক পশলা বিকেল নামছে দূরে
বাজছে বাঁশী কোমল মধুর মগ্ন সূরে।

অপেক্ষায়

সবকিছুতে খুব বেশি বাড়াবাড়ি দেখতে দেখতে বড় বেশি ক্লান্ত, বিরক্ত, আশাহীন।
কবে এসব খেলা শেষ হবে আমাদের দেশে। সবাই এখন অনেক বড় মাতবর।
শুধু সরকার আর বিরোধীদল নয়। এই মাতবরিতে এখন অংশগ্রহন করছে সুশীল সমাজ নামের ভন্ডরা, অবসরপ্রাপ্ত রা, সাংবাদিক রা, কে নয়?
তাই আজকাল আর কারো কোন কথাই বিশ্বাস হয়না, সবাইকে মনে হয় ভন্ড আর মিথ্যাবাদী।
নেতাদের কথা, সুধীজনের কথা , স্বপক্ষের , বিপক্ষের সবার কথা শোনা হয়ে গেছে। সব ভেল্কিবাজি। আমি এসব বুঝি। নির্লজ্জ আর চরম বেহায়া হয়ে গেছে সবাই। ক্ষমতায় টিকে থাকতে আর ক্ষমতায় যাবার আকাঙ্খায় দল্ গুলি বেপরোয়া। আর আমাদের দেশের বোকা সোকা নাকি অতি চালাক মানুষগুলি এদের পিছনেই ঘুর ঘুর করছে, অন্য কথা ভাবছে না, কিংবা বিগড়ে যাচ্ছেনা সব কিছু বুঝেও।

কবিতার ঋণ

প্রিয়তমা
তোমায় নিয়ে অনেকদিন
হয় নাকো
কবিতার গান শোনা

তবে আজ
থমথমে বৃষ্টির কথামত
কাব্যদেবীর পেটমোটা ব্যাংক থেকে
রাত জাগানিয়া চড়া সুদে
ধার করে এনেছি
রবিবাবুর শব্দভান্ডার
জীবনকবির মায়াবী ভাষা
আর আবুল হাসানের
বালিকাকে

প্রথমজন বাজাবে গিটার
দ্বিতীয়জন থাকবে কী-বোর্ডে
আর পরেরজন ড্রামসে

আর এতেও যদি কাজ না হয়
তবে
ভালোবাসার অমিত্রাক্ষর ছন্দে
শুধবো কবিতার ঋণ।
চলবে?

***

অনেকদিন পর ব্লগে কিছু লিখলাম। কেমন আছেন সবাই? আবার কবে গেট-টুগেদার? আমার হিসেবে তো ৫০ শব্দ হয়ে গেছে, তবু হয় নাই বলে কেন? Sad

যে সিনেমা দেখতেই হয়

ভাল একটা সিনিমা দেখার মতো আনন্দ এই জীবনে খুব কমই আছে। জ্বর হওয়ায় কয়েকদিন বাসায় ছিলাম। বাসায় থাকলে সিনেমা দেখা হয়েই যায়। ভাল যে বিষয় সেটি হচ্ছে, সিনেমা দেখা হয় বেছে বেছে। ফলে ভাল ভাল সিনেমায়ই আজকাল বেশি দেখি। পাঁচ দেশের পাঁচ সিনেমা।
১. দি লেডি: অং সান সুচিকে নিয়ে সিনেমা। মায়ের অসুস্থতার কথা শুনে ১৯৮৮ সালে দেশে (বার্মা) ফিরে এসেছিলেন তিনি। লন্ডনে থাকতে আগে। দুই ছেলে আলেকজান্ডার অ্যারিস ও কিম অ্যারিস। সুচির স্বামী একজন ব্রিটিশ ছিলেন, মাইকেল অ্যারিস।
The-lady-2011-poster-french.jpg
অং সান সুচির সেই জীবন নিয়ে সিনেমা দি লেডি। শুরু তাঁর বাবার হত্যার মধ্য দিয়ে, ১৯৪৭ সালে। তবে এরপরই সিনেমার কাহিনী শুরু ১৯৮৮ থেকে। ছবিটিকে সুচির জীবনী বলা যায়। আবার বার্মার রাজনৈতিক ঘটনার অন্তরালে এক অসাধারণ প্রেম কাহিনীও বলা যায় দি লেডিকে। এই প্রেম সুচি ও মাইকেল অ্যারিসের।

জল্লাদের চোখে একজন তাহের

আপনার জীবনের স্মরণীয়
ঘটনা কি?
কর্ণেল তাহেরের ফাঁসি
কেন?
মৃত্যুর কালো মুখোশ
ছুড়ে ফেলে নিঃশঙ্ক চিত্তে এগিয়ে গিয়ে
কেউ নিজে
ফাঁসির দড়ি গলায় পড়তে পারে
আমি কখনও দেখিনি , শুনিও নি
আমার জল্লাদি জীবনে,
তাহের
কর্ণেল তাহের,
দেশ প্রেমিক তাহের
বীর যোদ্ধা তাহের,
বীর মুক্তি যোদ্ধা তাহের
একজন ভাই তাহের,
যে বোনের ডাকে
১০২ ডিগ্রী জ্বর নিয়ে ছুঁটে যায়
বোনাইকে বাঁচাতে
সে বোনাই-ই ফাঁসি দেবার জন্য
আমার কাছে পাঠিয়ে ছিল।
আমি যে দেশ সেরা জল্লাদ।
তাঁকে ফাঁসি দেব
সে সাধ্য আমার কোথায়!
আমি পারিনি,আমি পারিনি
আমি কেন সাড়া পৃথিবীর
কার সাধ্য তাঁকে ফাঁসি দেয়।
সে যে যোদ্ধা, যোদ্ধার প্রতীক
১৯৬৫ র যুদ্ধ বিজয়ী বীর
মেরুন প্যারাসুট উইং খেতাব অর্জন কারী।
১৭৭১ এ ১১ নম্বর সেক্টরে পা হারিয়েও
মৃত্যুকে জয় করে হন বীর উত্তম।
১৯৭৬ সালের ২১জুলাই নিজেই
নিঃশঙ্ক চিত্তে মৃত্যুকে জয় করে হন
মৃতুঞ্জয়।
সাড়া দেশ,সাড়া পৃথিবী
তোমাকে জানে মৃত্যুহীন
ভয়হীন
একটি প্রাণের নাম
তাহের
কর্ণেল তাহের।।
তোমাকে নিয়ে লিখি
সে সাধ্য কি আমার
তাই তোমার বানী দিয়েই

ভণ্ড ভণ্ড ভণ্ড (পর্ব-১)

বাংলাদেশে আসলে কোনো ধার্মিক নেই। আমাদের সমাজটাই ভণ্ডামিতে পরিপূর্ণ।
আমরা সাধারনত ধার্মিক বলে আমরা চিনে থাকি মাদ্রাসা থেকে পাশ করা মাওলানাদের। কিন্তু আমাদের সমাজে মাওলানাদের পেট চলে সমাজে দুই নম্বর লোকের টাকায়। এটাই সমাজ বাস্তবতা। স্থানীয় সাংসদ বা কোনো ধনী ব্যক্তি যত দুই নম্বরই হোক, এলাকার মসজিদে যখন তিনি বড় অংকের টাকা দান করেন, হুজুরেরা তার নামে দোয়া পড়তে থাকেন। কাজেই হুজুরের কি ধার্মিক হওয়ার সুযোগ আছে??

আমাদের সমাজে দেখা যায় বাপ-মা নিয়মিত নামাজ পড়েন। কিন্তু ছেলে কিভাবে টাকা আয় করছেন তা তারা জেনেও না জানার ভান করেন। কিন্তু ছেলে নামাজে গেলে তারা গর্বে বুক ফোলান। ছেলে আমার অমুক পীরের মুরিদ!!! আহা রে!!

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ