সস্তায় বিকিয়ে দেয়া সময় গুলো!
ম্যানেজমেন্টে পড়ায় সময় মানেই টাকা। তাই সময় অতি মুল্যবান। কিন্তু এই মুল্যবান সময়ের যে যথেচ্ছ ব্যাবহার করতেছি তাতে কতো টাকা যে চলে গেলো তার হিসেব আর নেয়া গেলো না। সময় ভাঙ্গিয়ে টাকা গুলো নগদ নগদ পেলে অনেক উপকার হতো। ছোটোখাটো অনেক আশা ভরসা আছে নিজের বন্ধুদের তা পুরন হয়ে যেতো সহসাই। আমি আবার লোকজনরে আশায় রাখতে ওস্তাদ। একেক বন্ধুরে একেক ধরনের আশা দিয়ে বেড়াই। যে টাকা হইলে তোকে সেইটা কিনে দেবো, সেই জিনিস খাওয়াবো, আমাদের ওই প্ল্যানটার পিছনে মাঠে নামবো। কিন্তু সেরকম টাকাও আসে না আর আমার সব কিছুই ফাকা বুলি থেকে যায়। আবার নিজের সাথে নিজের কিছু আশা ভরসা প্রতিশ্রুতি পুরন হয় না মুলত ডেডিকেশনের অভাবে। আমার ডেডিকেশন সব সময়ই প্রশ্নবিদ্ধ। এইজন্যেই কিছুই হচ্ছে না আর আমাকে দিয়ে। না হলে কি আর করার। জান তো দেয়া যাবে না। আর আমি জিয়া খান না যে অবসাদগ্রস্থ হয়ে সুইসাইড খাবো। আমি আমার মতোই থাকি চিরচেনা আলসেমীতে। যা হবার হোক মরে গেলেই তো সব শেষ। যা করতেছি তাই করি, ঠুনকো নানান আশা ভরসা দিয়ে মানুষকে দিয়েই বেচে থাকি। রাজনীতিবিদেরা এতো মিথ্যার প্রতিশ্রুতিতে ভাসাতে পারে আর আমি সামান্য আশা ভরসা কাছের মানুষদের দিতে পারবো
নিবে কি তোমাদের সাথে
আরাফাত প্রতি বছর বক্ষে ধারন করে
লাখ লাখ একত্ব বাদীকে লাব্বায়িক লাব্বায়িক ধ্বনিসহ
কি পেয়েছে না পেয়েছে যার হিসেব সে করবে
ফিরে আসে অন্তরে বিশ্বাস ধারন করে।
কেউ মানি বা না মানি এতো সত্য
যেমন আমি আস্তিক আমি নাস্তিক আমি মানুষ সত্য।
মোদের শান্ত শিষ্ট আরাফাত, সাগর সম বক্ষ নিয়ে
সকলের দুঃখে দুঃখি সকলের সুখে সুখি।
প্রতিদিন সবাইকে সচল রাখে
রোজ নামচা বা লিখে দিনলিপি।
অকিঞ্চন তব আস্ফালন কেন হবে বৃথা?
তব আস্ফালন অকিঞ্চন নয়, পাহারসম
তাই সজল নয়ন নিভৃত স্বপ্নচারীর
পিতৃবিরহে মম অন্তর ফালি ফালি হয় হেথা।
টুটুলের চোখ ধাঁধানো হিরন্ময় অবয়ব
শওকত মাসুমের নিচ্ছিদ্র, চিন্তক লেখা সব,
তানবীরা আপু , জেবিন, রন্টি , বিষন্ন বাউন্ডুলে
আজ পেলাম ফিরে আসা পুরাতন অমিত মানুষ
আমরা একটি পরিবার একটি বাগান ভরা ফলে ফুলে
আমরা হেথা উপভোগ করি সর্বদা ফাগুন পৌষ।
টোকাই, মন খারাপ ভেবেছ তুমি গিয়েছ টুটে
নারে বন্ধু না, তবে শান্তর সাথে ঢাকার অলি গলি কে বেড়াবে ছুটে।
আরও কতজন আছে মুই না জান সবার নাম ঠিকানা
নিজ গুনে তাই করিবেন এই অধমক ক্ষমা।
আমরা সবাই সাধারন, সবাই বাংগালী, বাঁচি মাছে ভাতে।
বাবা, তোমাকে মনে পড়ে
আমার স্বপ্নভঙ্গের দিনগুলোতে
কিংবা পরম সুখের মূহুর্তগুলোতেও
বাবা, তোমাকে মনে পড়ে
খুব মনে পড়ে!
যেদিন থেকে বুঝতে শিখেছি
মাথার উপর তোমাকেই পেয়েছি, বন্ধুর মত
মাকে আমি পাইনি কোনোদিন,
সেই অভাবও মিটিয়েছ তুমি
অনেক আদরে, পরম স্নেহ মায়ায়
আজ তুমিহীনা কষ্টের প্রহরগুলো
বুকের ভিতর জমাট কান্নার ঢেউ তুলে যায়!
প্রতিদিন ঘর হতে বের হবার সময় তুমি বলতে
সাবধানে চলিস বাবা!
আমি হেসে বলতাম, তোমার দোয়া সাথে আছে তো!
বাসায় ফেরার সময়ও দেখতাম
দাঁড়িয়ে আছ তুমি বারান্দায়
তীর্থের কাকের মত! আমার অপেক্ষায়,
আজ তুমি নেই, আমি একা; বড় একা!
আমার জন্য দাঁড়িয়ে থাকেনা কেউ আর বারান্দায়,
মাথায় রাখেনা ভরসার হাত!
তোমাকে দেয়া কথাগুলো এখনও ভুলিনি বাবা!
তোমার শেখানো পথে আজও হেঁটে চলেছি
দুর্গম সে পথে ঝড় আসে, ঝঞ্ঝা আসে
তবু ছুটে চলি অবিরাম, জানি
পাশে আছ তুমি; ছায়ার মত!
বিষাদে ছেয়ে যাওয়া মনটা
বার বার খুঁজে ফেরে শুধু তোমায়
চোখের কোণে তপ্ত জল জমে,
মাঝে মাঝে বড্ড জ্বালা করে চোখদুটো,
বার বার তোমাকে মনে পড়ে যায়
খুব মনে পড়ে!
খুব!!
আবার আসলাম
দীর্ঘ দিবস রজনী কিছু লেখা হয় না বিধায় কি-বোর্ডে মরচে পড়ে গেছে। আজকাল আর কিছুই লিখতে পারি না। অনভ্যাসে বিদ্যা নাশ। আর সে বিদ্যা যদি ক্ষুদ্র হয় তাহলে তো সর্বনাশ। আমারও আর সর্বনাশের কিছু বাকি নেই।
প্রথম ব্লগ লিখেছিলাম ১৫ই জুন ২০০৭-এ সামুতে :-
সবাইকে সালাম। সামহয়্যার ইনতে নিয়মিত ঘোরাঘুরি করলেও কখনো লিখিনা। তার প্রধান কারণ অবশ্য লিখতে পারিনা। তাই বলে আমাকে আবার কেও বকলম ভাববেন না। লিখতে পারিনা মানে গল্পটল্প কবিতা টবিতা লিখতে পারিনা। তবে সমালোচনাতে অগ্রণী ভূমিকা রাখি (কাজটা তুলনামূলক সহজ কিনা!!!)। এখন থেকে ভাবছি সমালোচকের কাজটা নেব। আপনাদের দারুণ দারুণ লেখার সমালোচনা, মতান্তরে নিন্দা করব। আসলে অন্যের নিন্দা করার মজায় আলাদ।
সমালোচনার কথা বললেও আমি কথা রাখিনি। বিভিন্ন ব্লগে প্রায় হাজার খানেক ব্লগ লিখে ফেলেছি এবং সত্যি কথা বলতে তার দুই একটা লেখা আমাকে আত্মতৃপ্তিও দেয়। অমর করে রাখার মতো কিছু না, তবু আত্মতৃপ্তি দেয়। সেটাই বা কম কিসে?
বিপ্লবের ভেতর-বাহির: শেষ পর্ব
বিপ্লবের ভেতর-বাহির ১, বিপ্লবের ভেতর-বাহির: ২, বিপ্লবের ভেতর-বাহির: ৩, বিপ্লবের ভেতর-বাহির: ৪, বিপ্লবের ভেতর-বাহির: ৫
সিরাজ সিকদার নিয়ে বিপাকে পড়েছিলেন শেখ কামালও। বলা যায় তিনি গুলি খেয়ে মরতে বসেছিলেন। মরেন নাই শেষ পর্যন্ত, তবে ব্যাংক ডাকাতের একটা তকমা দীর্ঘদিন ধরে শেখ কামালের নামের সঙ্গে জুড়েছিল। এখনও হয়তো কেউ কেউ তা বিশ্বাসও করেন। অনেকের জানা সেই গল্পটা আগে বলি।
প্রসংগ হিন্দী ভাষা কিংবা ভিন্ন সংস্কৃতি
আজকাল বেশ একটা ট্রেন্ড শুরু হয়েছে দেশের আধুনিক ছেলেমেয়েদের মধ্যে “হিন্দী ভাষা”কে ঘৃনা করি টাইপ কথা বলার। যদিও “ঘৃনা” শব্দটা খুবই শক্ত, কোন কিছুকে নিয়ে মন্তব্য করার জন্যে, “অপছন্দ করি” কথাটা হয়তো তাও চলে যায়। যারা এধরনের ঘৃনা শব্দগুলো উচ্চারন করেন তারা কিন্তু অবলীলায় ইংরেজি, আরবী, চায়নীজ কিংবা ফ্রেঞ্চ গান, সিনেমা, বই পড়ছেন - উপভোগ করছেন। একশ কোটির বেশি মানুষ যে ভাষায় কাঁদেন, হাসেন, প্রেমিকাকে প্রেম নিবেদন করেন, রাত জেগে বই লিখেন, আবেগে কেঁপে কবিতা লিখেন সেই ভাষাকে আমরা কেনো ঘৃনা করি? তার কি কারণ? এতোগুলো মানুষের আবেগ প্রকাশের মাধ্যম কি করে অন্যদের ঘৃনার উদ্রেক করতে পারে? অনেকেই বলতে আসেন, তারা আমাদের সাংস্কৃতিকে গ্রাস করে নিচ্ছে, তাই ঘৃনা করি। তাই কি? নিজেদের দুর্বলতা ঢাকতে অন্যকে ঘৃনা করাই সার? তারা এসে চড়ে বসেছে আমাদের ওপর? বাধ্য করেছে আমাদেরকে তাদের সিরিয়াল দেখতে, শাড়ি পড়তে, তাদের গরু, পেয়াজ খেতে?
বুয়েটের বাপ(পর্ব-শেষ )
সকল দিনে যেমন ঝক ঝকে সূর্য কিরন থাকে না বা সব রাত্রি যেমন পূর্নিমার আলোয় ভাসিয়ে নেয় না তেমনি সকল প্রেমের উপাখ্যানও সফলতা লাভ করে না। আবার কারও হয়তবা হতে হতেও হয় না। সকল ফুলে ফল হয়না, সকল গাছেও ফল ধরে না। যাক এ নিয়ে কত বিরহের গান কবিতা গল্প আছে আমার আর এ বিষয়ে কিছু না বললেও সবাই জানি,
পথ হারা পাখি কেঁদে ফিরে একা
আমার জীবন শুধু আধারে ঢাকা।(নজরুল)
অথবা
কাঁদালে তুমি মোরে ভালবাসারই ঘায়ে
কাঁদালে তুমি মোরে।
নিবিরও বেদনাতে পুলকও লাগে গায়ে।
কাঁদালে তুমি মোরে।(রবি)
চিঠিও নাই ঠিকানাও নাই
কোথাই খুজি তারে
জীবন যৌবন কেড়ে নিয়ে
ভিখারী করিল মোরে।
সে যে ভিখারী করিল মোরে।
আমার কল কল ছল ছল ডল ডল যৌবনে
কিসের বান মারিল সে যে বুঝতে নারি ক্ষণে
কিসের ব্যথা কিসের জ্বালা বুজিতে না পারি
ডাক্তার বৈদ্যের সাধ্য কি যে আমায় ভাল করে।
জীবন যৌবন কেড়ে নিয়ে
ভিখারী করিল মোরে।
পড়ার টেবিল কাটার বাগান ঢুকতে গেলেই হানে,
যাকে যায় না ধরা যায় না ছোয়া সেই আমাকে টানে।
কোথায় যাব কি করিব বুঝতে নাহি পারি।
অকালে বুঝি যায় যে জীবন ভালবেসে তোমারে
জীবন যৌবন কেড়ে নিয়ে
হাবিজাবি
আরাফাত শান্ত'র দিনলিপি পড়ে আমি এলোমেলো হয়ে যাই।ফিরে চলে যাই অনেক পিছনে যখন আমিও ঢাকার রাস্তায় রাস্তায় টোকাই'র মত ঘুরে বেড়াতাম মনের আনন্দে।আসোলেই শান্ত আপনি আমাকে মনে করিয়ে দেন আমার অনেক প্রিয় সেই দিনগুলির কথা।
প্রতিবছর নভেম্বর এলেই আমি দেশে যাবার জন্য ব্যাগ গুছাতে শুরু করি।নভেম্বরে যাই কারণ তখন একটু শীত শীত ভাব আসে দেশে, অনেক আরাম লাগে , বিশেষ করে গ্রামে গেলে ভোরের কুয়াশায় ভিজা ঘাসে খালি পায়ে হাঁটতে।খেজুরের রসের সিরনি , চাদর মুড়ি দিয়ে উঠোনে চুলার পাশে বসে গরম গরম হাঁসের মাংশ আর খোলা পিঠা খাবার কথা মনে হলেই আবার ছুটে যাবার জন্য পাগল হই।এবার যেতে পারবো কিনা জানিনা ।
দিনকাল
কেউ বাম, কেউ ডান, কেউবা আবার চিনাবাদাম
তবু কেন ঠোঁটের আগায় প্রাণটার আজ বিধিবাম
মাছে মাংসে ফরমালিন রোগীর ফলে বিষ
গণের কথা না ভাবলেও তাদের নীতিই ফিট।
কেউ বলে শহীদ জিয়া কেউ দেয় মুজিবীয় সালাম
ভাবখানা ধরে বলে দেশের তারা কেনা গোলাম।
একাত্তরের খুনি বাঁচাতে দেশ করে দেয় কেউ অচল
আমজনতা যুদ্ধ করে, আয়ের চাকা রাখতে সচল
ধর্ম নিয়ে ধর্ষ করে পার পেয়ে যায় সকল
ধর্ম পোষাক গায়ে দিলেই অপরাধী সফল।
কী যে হল দেশটার ভাই ঘুমাতে পারে না হরিদাশ পাল
ডাবের পানিতে ঘুমের ওষুধ, তরমুজেতে রঙ লাল।
ভেজাল মোরা খেয়েই যাচ্ছি বেড়ে যাচ্ছে ডাক্তারের বিল
একটু খানি বিষ্টি হলেই নগর মোদের চলনবিল।
নিত্য নতুন যানজটের দ্বিগুন সময় দিচ্ছি দাম
হাইওয়েতে মার্সিডিজ ঠেলাগাড়ির নতুন নাম।
ট্রেনে বগি ফাঁকা নেই তবুও তো লোকশান
হপ্তাখানেক আগে এলে তবেই পাবে টিকেটখান।
কত মানুষ মিডেল ইস্টে যায় আসে দিনে রাতে
বলাকাটার গলা কাটা ছাড়ে বিমান বড্ড লেটে।
একটুসখানি ফ্লাইওভার উড়ার আগে ধ্বসে পড়ে
বেকারী মালিক রাস্তা বানায় বড়সর ঘুষের জোরে।
বাড়িওয়ালা নয় তো ভাই নব্য নতুন ইয়াহিয়া
পরীক্ষার নাই শেষ( শনিবার থেকে জুনাঈদের পরীক্ষা। ও আপনাদের সকলের দোয়া চেয়েছে)
পরীক্ষার হল
নেই কোলাহল
কাগজের খসখস
কলমের ঠকঠক
মনের আছে বল
পরীক্ষার হল।
কারো হাত খাতায়
কারো হাত মাথায়
কারো লেখা ভালো
কারো লেখা মন্দ
কারও লেখা ধীরে
কারো লেখা জোরে
তবু লিখতেই হবে
লেখা নেই বন্দ।
টিচারের তেজ
খাতার পেজ
পরীক্ষার হলে নাই
কোনো কিছুর শেষ
ঘণ্টা যখন পড়ে যায়
সবার লেখা থেমে যায়
খাতায় তো থাকবেই ভুলের লেশ
জীবনে তো নাই পরীক্ষার শেষ
১৩/০৬/২০১৩ খ্রীঃ
মরুময় এই শহরে রোদে পোড়া দিন রাত্রী!
আমি সিগারেট খাই না একেবারেই। কিন্তু এই গরমে আমার খুব সিগারেট খেতে ইচ্ছা করে। মনে চায় মনের সুখে বেনসন টানি। কিন্তু তা আর হয়ে উঠে না, তার সম্ভাবনাও নাই। কারন এতোদিন খাই নি এই বুড়ো বয়সে সিগারেট টানার কোনো মানেই হয় না। সামান্য চা খাই তাতেই দাতের অবস্থা বারোটা। ভাইয়া দেশে এসেই বলে শান্ত চা খাওয়া কমা নয়তো চা খাওয়ার পর কুলি করে নে"। আমি তো বুঝাতে পারি না যে আগের চেয়ে অনেক কম চা খাই। সেই দুরন্ত ভার্সিটির দিন গুলোতে দিনে বারো তেরো কাপ চা খাইতাম। এখন চা খাই চার থেকে পাচ কাপ। তবে আমার চা খাওয়ার জন্য নান্নুর চায়ের দোকানে কাপটা একটু বড়। তাই পাবলিক ভাবে ঐ কাপে আমি সমানে শুধু চা খাই। কিন্তু এক কাপ চা খেতে যেয়ে যে আধা ঘন্টা লাগাই তা দোকানদার ছাড়া আর কেউ বুঝে না। আবার চা না খেলেও বিপদ। আমাদের ওয়ার্ডের যে আওয়ামীলীগ সভাপতি তিনি হাসতে হাসতে বলবেন শান্ত মামা আগের মতো চা খান না কেন? কোনো টেনশনে আছেন নাকি?
সেদিন বাঁধভাঙা চোখের জল খুঁজে পেয়েছিল ভালবাসার আশ্রয়

শহরের ছোট্ট একটি এলাকা। আধুনিকায়নের ছোঁয়া তখনো লাগেনি তেমন। সারা মহল্লায় কয়েকটি একতলা বিল্ডিং, কিছু টিনশেড সেমিপাকা বাড়ি আর বাদ বাকী সব বাঁশের বেড়ার ঘর উপরে টিন কিংবা চাটাইয়ের ছাউনি। চলাফেরার রাস্তাগুলোর বেশির ভাগই কাঁচা আর বাড়িগুলোর ফাঁকে ফাঁকে বেশ কিছু খোলা মাঠ আর নিচু জমি। মোটকথা শহরের মধ্যেই কিছুটা গ্রামীণ পরিবেশের আবহ।
আমি আস্তিক আমি নাস্তিক আমি মানুষ
আমরা বন্ধু ,তোমার জন্য
আজ আমি ধন্য আজ আমি গর্বিত
তব সদস্য পদ লাভে আমি নই বিজিত।
আজ আমি জয়ী, আমি ত্রিকাল দর্শী
মম কন্ঠ আজ ছায়ানট আমি উর্বশী।
আমি আস্তিক আমি নাস্তিক আমি মানুষ
করি না কারো কিছুতে আঘাত, নই তো অমানুষ
আমি নেচে যাই গেয়ে যাই ছুঁটে চলি দূর্বার
দীপ্ত কন্ঠে সিনা টান করে বলি, আমি ব্লগার।
আমি সব্যসাচী আমি ভার্সেটাইল আমি অমিত বিশ্বাস
আমি টোকাই আমি শান্ত আমি অকিঞ্চনের বৃথা আস।
আমি তানবীরা, আমি রাসেল জেলের শেকল ভাঙ্গার গান।
আমি চিন্তক,কুহেলিকা,ও হাজরাও নিভৃত স্বপ্নচারীর প্রাণ।
আমি আজান দিয়ে নামাজ পরি, মন্দিরে বাজাই ঘণ্টা
গীর্জা প্যাগোডা যথারিতি যাই বৌদ্ধ হলে বলনা কোনটা।
আমি মানি না কোন কিছু দেশের বিপক্ষে যদি যায়।
আমি দূর্বার আমি করি চুরমার আমি ডরি না কোন কিছুতে যদিও মৃত্যু এসে যায়।
তাই আমি আনন্দে আজ গেয়ে যাই,
মোর ঘূম ঘোরে এলে মনোহর
নমঃ নমঃ নমঃ নমঃ
শ্রাবন ও মেঘে নাচে নটবর
রম ঝম ছম ছম রম ঝম,
আ, আ...... (নজরুল)
২৯ জ্যৈষ্ঠ,১৪২০
১২/০৬/২০১৩ খ্রীঃ
বিবর্তনবাদ
এখন আমি উলঙ্গ নই ৷
প্রজাপতি কিংবা ঘাসফড়িং আমার ইচ্ছের
আকাশও নই ৷ ঘুড়ি আর নাটায়ের জীবন
প্রিয়তমা নদীটির আত্মার স্রোতধারায়
এখন আমি প্রকৃতির স্তন থেকে পাঠ
করি কবিতার রক্তমথ
সমুদ্রের
ভেতরে জেগে উঠা প্রতিটি দুঃস্বপ্নকে খুন
করে ফিরে আসি আমার ভূগোলে
আমার আমিকে মেলে ধরি ডালপালার মতো ৷
এখন আমি সুলেখা রে খুঁজে ফিরি ওয়ারীর
ছায়া বৃক্ষের মৌনতায় ৷৷
দুই মাথা ওয়ালা পাখি
আমার ছেলে গতকাল আমাকে একটা গল্প নেট থেকে খুজে দেবার জন্য বলল, কারন গল্পটা ওর বইতে নেই কিন্তু সিলেবাসে আছে। গল্পটা লিখতে হবে ইংরেজীতে। আমি বাংলায় গল্পটা জানি কিন্তু ইংরেজীতে লিখতে হবে তাই ভাবলাম দেখি নেটে সার্জ করে যদি পাওয়া যায়, তবে প্রিন্ট করে দিলেই হবে। কিন্তু অনেক সার্চ করেও গল্পটা পেলাম না। কিন্তু একটা গল্প পেয়েছি যা আপনাদের সবার সাথে শেয়ার করার লোভ সামলাতে পারছি না। আর ছেলের গল্পটা আমাকেই লেখে দিতে হবে। সেটাও সবার সাথে একদিনের জন্য শেয়ার করব যদি কোন সংশোধন থাকে বিনা সংকোচে করে দিবেন। আমি ইংরেজীতে লেখা কোন পোষ্ট ব্লগে দিতে চাই না। তবু একদিনের জন্য দিব, কারন আমি, আমরা বন্ধু একটি পরিবার এখানে ছোট বড় কিছু নেই। কিন্তু ছেলের স্কুলের স্যারদের কাছে ভুল ধরা খেতে আমার পাহাড়সম আপত্তি আছে।
গল্পটা হল
দুই মাথা ওয়ালা পাখি।