অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১৩ জন অতিথি অনলাইন

জীবন থেকে নেয়া (টুকরা টাকরা গল্প)

আজকাল সাংবাদিকরা সবাই একযোগে এক কাজ করেন। বিশেষ করে কোন একটা কিছু হিট হয়ে গেলেতো কথাই নাই। সবাই তার পিছনেই ছুটবেন। ফেব্রুয়ারীতে বাংলা একাডেমীর বইমেলায় যেয়ে বাচ্চা আর বাচ্চার মায়েদের প্রশ্ন করা কেনো এই বইমেলা, একুশে ফেব্রুয়ারী মানে কি জানেন কিনা ইত্যাদি ইত্যাদি। বেশির ভাগ সময়ই যেসব মায়েরা বা তাদের বাচ্চারা সঠিক উত্তর দিতে পারে না, তাদের সাক্ষাতকার চ্যানেলে প্রচার করা, সব চ্যানেলেই মোটামুটি এই কাজটা গেলো দু/তিন বছর ধরে যত্নের সাথে করে যাচ্ছে। এই কাজটা করা তাদের নৈতিক সাংবাদিক দায়িত্বের মধ্যে পড়ে গেছে। মেয়ের বাবা বাংলাদেশের মানুষের ইতিহাসের জ্ঞানের এই বহর দেখে, এই পরিনতি নিয়ে যারপর নাই হতাশ। বিদেশে বসে নৈতিক হতাশা জ্ঞাপন করেন আর দেশের কি হবে ভেবে নিয়মিত আফসোসায়িত হন। আমি একদিন বল্লাম, চ্যারিটি বিগিনস এট হোম, তোমার মেয়েকেতো এতো একুশের প্রোগ্রামে নিয়ে গেছো, একুশে নিয়ে জ্ঞান দিয়েছো, কাঠ বিড়ালী কাঠ বিড়ালী আবৃত্তি করিয়েছো সাড়ে তিন বছর বয়েসে, তখনো বাংলা অক্ষর জ্ঞান নেই, কিন্তু ছড়া মুখস্থ করিয়েছি, জিজ্ঞেস করোতো ডেকে একুশে ফেব্রুয়ারী কি ব্যাপার?

বিজ্ঞান তোমাকে ছালাম(প্রথম পর্ব)

আগুন আগুন চিৎকার শুনে বাম দিকে তাকাতেই দেখি সহকর্মী রাজিব অ্যাকাউন্ট্‌স এর জি, এম, শ্রী শঙ্কর বাবুর রুমের দিকে ছুটে যাচ্ছেন। এ সময় অফিসে আমাদের এ জোনে আর কেউ ছিল না। আমাদের এক প্রাক্তন সাইট ফোরম্যান আমাদের কোম্পানির সাথে এখন ছোট খাট ব্যবসা করেন, ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়াতে এম ডি স্যার, ম্যাডামসহ সবাই তার সুচিকিৎসার জন্য বিদেশ যাবে কিনা এ বিষয়ে ছোট কনফারেন্স রুমে আলোচনায় রত।অ্যাকাউন্ট্‌স এর জি, এম সাবও কোন এক মিটিংয়ে অফিসের বাইরে ছিলেন। আমি রাজিব সাহেবকে অনুসরন করে রুমে ঢুকেই দেখি স্প্লিট এসির ভিতরের ইউনিট ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন ও এক পাশে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে।

দালাল আইন এবং দালালবান্ধব সামরিক শাসক

৫৬ হাজার বর্গমাইলের এই ছোট দেশটি পৃথিবীর মানচিত্রে স্থান করে নিতে সাগর পরিমান রক্ত দিতে হয়েছে। আর সেই স্বাধীনতার বিরোধিতাকারী একটি শ্রেণী সেসময় দেশব্যাপী চালিয়েছে গণহত্যা, গণ ধর্ষন, রাহাজানি, মুক্তিযোদ্ধাদের বাড়িতে আগুন দেয়া, লুট এবং মানবতা বিরোধী আরো অনেক কাজ। তারা ভেবেছিলো এসব করে দেশকে স্বাধীন হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারবে, আর আমরা আজীবন অধিকারবঞ্চিত পরাধীন জাতি হয়েই থাকবো।

এই যে একটি শ্রেণী ধর্মের দোহায় দিয়ে পাকিস্তানীদের দালালীতে লিপ্ত ছিলো গোটা নয়টি মাস, তাদের শাস্তির জন্যই ১৯৭২ সালে ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু দেশে ফিরেই উদ্যেগ নিয়েছিলেন বলেই মাত্র ১৪দিনের মাথায় ২৪শে জানুয়ারী "দ্যা বাংলাদেশ কোলাবোরেটরস অর্ডার ১৯৭২" বা "দালাল আইন আদেশ" শিরোনামে আইন প্রনোয়ন করা হয়। নতুন দেশ, নতুন সবকিছু, তাই এই আইনটি চুড়ান্ত হতে আরো তিন দফা সংশোধন করা হয় যথাক্রমে ঐ বছরেরই ৬ই ফেব্রুয়ারী, ১লা জুন এবং ২৯শে আগষ্ট।

জানা যাক, এই দালাল আইনের কিছু উল্লেখযোগ্য ঘটনাবলীঃ
১৭ই মার্চ, ১৯৭২ঃ শহীদ পরিবারের সদস্যরা পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে ঢাকায় মিছিল বের করে।

মাগো ভাত খাবো

( এটা আমার লেখা প্রিয় কবিতার একটি তাই পুরান হলেও এ ব্লগে শেয়ার করার লোভ সামলাতে পারলাম না। আমার এ ইচ্ছাকৃত অপরাধ কি ক্ষমা করা যায় না!)
লোভাতুর রক্তপিপাসু মাছিগুলো
বারবার কাটাফাটা রক্তাক্ত শরীরে
হানা দেয়।
অবচেতন শরীর ও মন,
নরম ঘুমের বারবার ব্যঘাত ঘটায়।
প্রায় অবশ হাতে মাছিগুলোকে
তাড়াবার ব্যর্থ চেষ্টা?
আর রুক্ষ্ম মরুর দু-স্বপ্নের মাঝে
সু-স্বপ্ন দেখা।
দেশ স্বাধীন হয়েছে, রুদ্ধশ্বাসে সবাই
ছুটে চলেছে গগন বিদারি জয় বাংলা
জয় বাংলা স্লোগানে।
আচমকা নরশ্বাপদের ঊচ্চ চীৎকার,
আর দুপায়ের স্বজোর লাথি,
উঠ শালে, শালে জয় বাংলা ঊঠ।
হরমড়িয়ে তাকিয়ে দেখে-----
কোন কিছু বুজে উঠার আগেই
নাকে মুখে কিল ঘুসি ও থাপর
বাতা শালে বাতা, কৌন কৌন হ্যায়
তোমহারা সাথ..................।
কিন্তু মা যে বলে দিয়েছে
যত নির্যাতনই করুক না কেন বাবা
কারো নাম বলবি না।
তাইতো নিশ্চুপ সব অত্যাচার সহ্য করা।

ধীরে ধীরে ভাঙ্গা জানালা ও ভেন্টিলেটরের
ফাঁক গলিয়ে আসা আলোর রেখাগুলো
ক্ষীন হতে ক্ষীণতর হতে লাগল।
বারবার চোখের পাতা ঘসেও
আলোর রেখাগুলোকে স্বাভাবিক করা গেল না।

জয়া তোমাকে বলছি

তুমি কি সেই জয়া
নাকি পার্বতী যার তপস্যার গুনে
ব্রহ্মার বরে
সোনার রঙ্গে রঞ্জিত হল অঙ্গ
নাম হল পার্বতী থেকে গৌরী।
নাকি তুমি
ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শিবের
নীলোৎপল তুল্য
নীলাভ জ্যোতিময় দৃষ্টিতে সৃষ্ট
ব্রহ্মার ত্রিকালেশ্ররী জগদ্ধাত্রী
বিষ্ণুপ্রিয়ার- জগদ্ধাত্রী লক্ষী
শিব শঙ্করের কৃষ্ণবর্ণী পার্বতী বা গৌরী,
তাই জয়া ও সৌন্দর্য অবিচ্ছেদ্য
যেমন
মেঘ ও বৃষ্টি
জল ও শীতলতা
আগুন ও আগুনের তাপ
চন্দ্র ও তার আলো
সূর্য ও তার দৃপ্তি
পৃথিবী ও তার সব কিছুর রূপ রস গন্ধ
জয়া বা পার্বতী হল সাগর
সোন্দর্য হল নদী
নদীর কি সাধ্য!
সাগর পানে ধেয়ে না যায়।
তাই সৌন্দর্যের কি সাধ্য
জয়া থেকে দুরে থাকে।
তবে কোরআন বলে
লাকাদ খালাকনাল ইনশানা
ফি আহসানী তাকবিম(সুরা- ত্বীন, আয়াত-০৪)
আমি অবশ্যই মানুষকে
সৃষ্টি করেছি
সুন্দর অবয়বে।
তাই
আবশ্যকতা আছে কি?
ফেবুতে ষ্টেটাস
দিয়ে জানতে?
তুমি কত সুন্দর!
কারন
তুমি, আমি সকলেই
সুন্দর!!!!

কথোপকথন

প্রচন্ড রকম রোমান্টিক কোনো মেয়ের সাথে যদি আত্মভোলা কোনো ছেলের প্রেম হয় তবে তাদের মধ্যকার কথোপকথন অনেকটা এমন হয়।

জানটা তুমি কি করছো?

-- বিড়ি ফুকি।

সারাদিন তোমার কোনো কাজ নাই? যখনই কল করি তখনই বিড়ি খাও।

-- কি করবো বলো কাজের সময় তো আর তুমি কল দাওনা!

ইয়ার্কি মারবা না! তোমার ইয়ার্কি দেখলে আমার গা জ্বলে!

-- ও আচ্ছা, আর কি কি দেখলে তোমার গা জ্বলে?

তোমার সবকিছু তে ই আমার গা জ্বলে!!

-- তাইলে তো তোমার এত্তো দিনে পুড়ে শীক হয়ে যাবার কথা।

সে তো তোমার সাথে সম্পর্কের পর থেকে প্রতিনিয়ত ই হচ্ছি।

-- তাই তো বলি তোমার গায়ের রং কেনো দিনে দিনে কালো হয়ে যাচ্ছে!!!

আবার ইয়ার্কি করে! মেজাজ খারাপ হয়ে যাচ্ছে কিন্তু।

-- মেজাজ খারাপ হওয়া ভালো , এতে মনের দুঃখ পুড়ে ছাই হয়ে উড়ে যায়।

তোমারে নিয়ে আর পারিনা। আচ্ছা তুমি কি কোনোদিনই সিরিয়াস হবা না?

-- কোন ব্যাপারে যেনো সিরিয়াস হওয়া লাগবে?

কেন আমাদের ভবিষ্যতের ব্যাপারে , রিলেশনের পরিনতির ব্যাপারে।

-- ও আচ্ছা , ওইটা নিয়ে তো আমি সিরিয়াস।

তাই! নাকি? কবে থেকে?

-- এই যে এখন থেকে।

বর্ষার গান

অনেক অনেক দিন পর আমার জগন্ময় দা'র কথা মনে পরলো এই বিস্তৃত মাঠে দাঁড়িয়ে, দুরের আকাশে ধীরে ধীরে মেঘ জমছে, বাতাসে বুনো মোষের মতো ক্ষ্যাপা কালো মেঘ দুমড়ে মুচড়ে দিচ্ছে আকাশের নীল সামিয়ানা। ওক সাভানায় যতদুর দেখা যায় বুনো ঘাসের উপরে ছায়া হয়ে দাঁড়িয়ে আছে বুড়ো ওক, নীলচে সবুজ উঁচু নীচু মাঠ থেকে দূরে ছোটো টিলা, আর সেই পাহাড়ের ওপাশ থেকে বুনো মোষের মতো ছুটে আসছে কালো মেঘ, বাতাসে কেঁপে ওঠা এই নীলচে সবুজ ঘাসের গালিচা দেখে মনে হলো সারি নদীর কথা। সারি নদীর পানি এতটা হলদে সবুজ কিন্তু বর্ষায় আকাশের রঙ এর সাথে বদলে যেতো নদীটার রঙ। হলদে সবুজ থেকে কালচে সবুজ একটা জলের চাদর কেঁপে উঠতো বাতাসে, আমাদের কোষা নৌকা কাঁপতো সেই ঢেউয়ের সাথে। এখানে এই নীলচে সবুজ ঘাসের গালিচা কাঁপচে সারি নদীর ঢেউয়ের মতো আর সেই ঢেউয়ের মাঝখানে একাকী দাঁড়িয়ে আমার জগন্ময় দা'র কথা মনে পরছে

"উস্কানিমূলক" বক্তব্য দিয়ে বার বার শিরোনামে নব্য রাজাকার মাহমুদুর রহমান

একজন মাহমুদুর রহমান আর তাকে নিয়েই আমার লেখা । একজন লেখক হিসেবে নয়, বরং সচেতন বাংলাদেশী হিসেবে, রাজাকারদের বিপক্ষ এবং মহান স্বাধীনতার মাধ্যমে অর্জিত বাংলাদেশের পক্ষের শক্তি হিসেবেই তাকে দিয়েই এই ব্লগে আমার যাত্রা শুরু হলো । আর আমাদের দেশের শীর্ষস্থানীয় ও কিছু দলীয় সাংবাদিকরা যখন তথাকথিত বাক বা সংবাদপত্রের স্বাধীনতার নামে মাহমুদুর রহমানের মুক্তি চাইছে, তখন তার মুখোশ উন্মোচনের ছোট প্রয়াশ না নিয়ে পারছি না ।

একজন বিচারকের কথিত স্কাইপ কথপোকথন প্রকাশ ও রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে গ্রেপ্তার এবং আধুনিক জঙ্গী ও রাজাকার মাহমুদুর রহমান তার 'উস্কানিমূলক ও বিতর্কিত' বক্তব্যের জন্য আলেচিত, সমালোচিত হয়েছেন বিভিন্ন সময়ে।

প্রকৌশলের ছাত্র মাহমুদুরের পেশাজীবনের উত্তরণ ঘটে দেশের অন্যতম বৃহৎ ব্যবসায়ী গ্রুপ বেক্সিমকোর মাধ্যমে। পরে অর্থ আত্মসাতের জন্য তাকে সেখান থেকে বিতারিত করা হয়। সর্বশেষ ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ পর্যন্ত বিএনপি সরকারের জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্বও পালন করেন।

যাপিত জীবনের গল্প-৪

ছোট বেলাতেই সব কিছুতেই সহজে হার মেনে নেয়ার একটা প্রবণতা ছিলো। যে কোনো কারণেই হোক, যা কিছুই ঘটুক খুব সহজেই হার মেনে নিতাম। হয়তো কোনো ভেজালে যেতে চাইতাম না বলেই অথবা খুব ক্ষীণ শক্তির অধিকারী ছিলাম বলেই।

কিংবা কখনো কোন কারণে মনে হয়নি আমার জিততেই হবে। কোন কিছুতে জেতার চেষ্টাও করিনি কখনো।

খুব ভালো ছাত্র যে কখনোই ছিলাম না সে ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। কিংবা ভালো ছাত্র হবার চেষ্টা কখনো করিনি। কখনো ক্লাসে প্রথম হওয়া ও তাই কোনোদিন হয়ে উঠেনি। তবে বই পড়ার প্রতি আমার ছিলো প্রচন্ড ঝোঁক। সেটা নিজের পাঠ্য বইয়ের প্রতি নয়, বড় বোনদের বাংলা কিংবা ইংরেজী বইয়ের গল্পগুলোর প্রতি। ওই বইয়ের গল্প পড়েই বিকেলের সময়টুকু কাটিয়ে দিতাম ।

ভবিষ্যত বলা কঠিন , তবুও সব বাবা মা নিশ্চয় তার সন্তানকে নিয়ে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম স্বপ্নটাই দেখে ।

ফ্রীডম ফাইটার

মন মেজাজ আজকে খুব ভালো। আবহাওয়ার মতোই মিস্টি। তবে আজ অকারনেই মন ভালো। আমার দুটোই হয়। অকারনে মন ভালো হয়, অকারনেই মন খারাপ হয়। তবে সব কিছু ছাপিয়ে কিছু কাজগুলোতে আমার মন মেজাজ খারাপ ভালো থাকা কোনো প্রভাব পড়ে না। তার মধ্যে প্রথম হলো চা খাওয়া। চা সবাই পান করে আমি খাই। দিন যতো বিষণ্ণই হোক আর যতো হইহুল্লোরের মধ্যেই থাকি না কেনো চা খাওয়া মিস নাই। চা খাওয়া মানে সবাই ভাবে ১-২ কাপ। এখানে কয় কাপ খাওয়া হলো তা ব্যাপার না। চা টা পারফেক্ট হলো কিনা তাই ব্যাপার, আমার চা পারফেক্ট হবার প্রধান শর্ত হলো চা অবশ্যই শেষ দিকের লিকারের চা হতে হবে। আমি ফাস্ট লিকারের চা খেতে পারি না কেমন জানি গরম পানি গরম পানি লাগে। তারপর দুধ চিনি অত্যন্ত কম। আমার জন্য একটা কাপ আছে সেই কাপ ভর্তি করে চা টা আসবে। আমি প্রথমে গন্ধ নিবো তারপর আস্তে আস্তে সময় নিয়ে তা খাবো। ওতো তাড়াহুরার কিছু নাই। রিল্যাক্স। আমি তাড়াহুড়ায় চা খাইনা। তবে ইদানিং নান্নু বিয়ের পর থেকে পারফেক্ট কম্বিনেশনের চা বানাতে পারে না। তাও চেষ্টা করে খেয়ে জানিয়ে দেই জোর করে খাইলাম। তিনি বলেন মামা এতো কষ্ট করে চা বানিয়ে দেই যখন বলেন হয় নাই তখন আমার চিত্তে কষ্ট লাগে। এই চি

বিড়ম্বনা

এখন এটা করে কিনা জানিনা কিন্তু আমাদের ছোটবেলায় হাইস্কুলের টিচাররা এস,এস,সি পরিক্ষার ফর্ম ফিল আপ করার সময় আমাদের অভিবাবকদের অনুমতি ছাড়াই আমাদের জন্ম তারিখ আসল থেকে কমি্যে দিতো, কারন হিসেবে দেখানো হত সরকারী চাকুরির ক্ষেত্রে এটা হেল্প করবে,ভাল কথা। দুঃখের বিষয় হল ওই টিচাররা সবাই এতই বেকুব আর মাথামোটা ছিল যে কোন চিন্তা ভাবনা না করেই সবার জন্মতারিখ করে দিতো জানুয়ারীর পহেলা দিন , যেমন ০১-০১-০০। এখনএ

এখন যদি একই পরিবারের দু ভাইবোন বা চাচাতো, খালাতো ভাইবোন একসাথে পরিক্ষা দেয় সেক্ষেত্রে তাদের সবার জন্মদিন একদিনে হয়ে যাচ্ছ সবার জন্মদিন যদি এক হয় তাহলে চাকুরির ক্ষেত্র ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষেত্রে মহা ঝামেলার সৃষ্টি হয়। বিসেশ করে বিদেশে এটা অনেক অস্বস্তিকর অবস্থার ভিতর ফেলে দেয়।

হকির দিনাজপুর ও বান্দরবন

আক্রমণ পাল্টা আক্রমণ
একদিকে অবহেলিত দিনাজপুর
অন্যদিকে ততোধিক অবহেলিত বান্দরবন
হাতে হকিস্টিক পরনে খেলোয়ারি পোশাক,
এ ষ্টিক নয়তো রক্ত ঝড়ানোর ষ্টিক
এ ষ্টিক যে নান্দনিক সৌন্দর্যের প্রতীক
এ যে ক্রিকেট ব্যাট বলের পর
আশা জাগানিয়া আর একটি জয়গানের প্রতীক
এ ষ্টিক যে বাঘের হুংকার,
এ ষ্টিক যে বঙ্গোপসাগরের গর্জন,
এ ষ্টিক লক্ষ্য ভেদী আঘাতে
হকি বলটিকে লক্ষে পৌছানোর ষ্টিক
এ ষ্টিকের আঘাতে আঘাতেই
পৃথিবী হয়ত আবার দেখবে বঙ্গ সার্দুলদের
বিশ্ব কাপে
পাকিস্তান, ভারত, নিউজিল্যান্ড, হল্যান্ড সহ
রথী মহারথীদের বধ।
সেদিন খুব দুরে নয়----
সেদিনের অপেক্ষায় থাকলাম
সাথে দিনাজপুর ও বান্দরবনকে
জানাই শুভেচ্ছা।
২৮/০৫/১৩

ভণ্ড ভণ্ড ভণ্ড (পর্ব-২)

পর্ব-১
শুক্রবারের জুম্মার নামাজ বাদে অন্য ওয়াক্তগুলোতে ঢাকা শহরের বিভিন্ন মহল্লার মসজিদগুলোতে খুবই অল্প সংখ্যক লোকের সমাগম ঘটে। সর্বোচ্চ দুই কাতার লোক হয়।
অর্থাৎ ওই অল্প সংখ্যক লোকই নিয়মিত নামাজ পড়েন। তাদের মধ্যে যদি জরিপ চালানো হয় তাহলে দেখা যাবে, তাদের কমপক্ষে ৯০ শতাংশ লোক বুইড়্যা এবং স্থানীয় বাড়ির মালিক। তাদের এক পা এরইমধ্যে কবরে গিয়ে বসে রয়েছ। এদের বেশিরভাগই অবসরপ্রাপ্ত সরকারি আমলা, কর্মকর্তা বা ব্যবসায়ী ছিলেন। যৌবনকালে তারা ঘুষসুদ খেয়েছেন সমানে, অন্যান্য আকাম কুকামও বাদ যায় নি। দুনিয়াতে সন্তানদের ভবিষ্যত নিশ্চিত করে শেষ বয়সে তারা এসেছেন পরোকালের ভবিষ্যত নিশ্চিত করতে। বাকী ১০ শতাংশের ৯ শতাংশ দেখা যাবে তারা ঘুষসুদ খাওয়ার সুযোগ পান নি। পেলে নিশ্চিতভাবেই খেতেন। ১ শতাংশ তূলনামূলক ভাল মানুষ পাওয়া যেতে পারে।তবে এলাকাভেদে এ হার কমবেশী হতে পারে। আমার কথা যারা বিশ্বাস করলেন না তারা ফজরের ওয়াক্তে মসজিদে গিয়ে দেখতে পারেন।

অন্ধরাজহাঁস ও সকাল

অন্ধ রাজহাঁসটি বেজে উঠলে সকাল আর
নামে না, নামেই না
সকালের আশায় আমি সামনের আমগাছটির মত
অপেক্ষায়,
গ্রীল ঠুকরাতে থাকা দু'টি চড়ূইয়ের মত আমিও
মাথা কুটি,
তারে ঝুলানো একটি নীল কাপড় চরাচর আড়াল
করে দাঁড়ায়,
গোড়ালি কামড়ালে আমার কীযে জলাতঙ্ক মত হয়,
টুকরো টুকরো হাড়,
সেই হাড় সাঁতরাতে থাকে দিঘি,
কুকুরটা রেগে গেল ত রাজহাঁসের জন্যেই, এত
দীর্ঘশ্বাস কী ধার করা যায়? অপূর্ব ব্যথার এ-
সকালটি আর নামতেই পারলো না
আমার ও আগের মতো লাগে না, বালু
মিশে গেছে চোখে

মনের কথা-১

জীবন কখনো বন্ধুহীন,বোধকরি এই সময়টা একজনের জীবনে সব চেয়ে কষ্টের।

রোকসানা আফরিন , কবি, লিখেছিলেন ,

-অবশেষে জানলাম,
জীবন বন্ধুহীন ,
পথের সাথীকে পথেই ফেলে আসতে হয়!
আজ তাকে ভুলে থাকা যায়!-

বন্ধুহীন জীবনের অলি-গলিতে শুধুই হতাশা,ঋণগ্রস্থ জীবনের আর্তনাদ।
সত্যি বলতে কি ,জীবনে কারো কাছেই ঋণী থাকতে নেই।
প্রিয় বন্ধুর এক মুহুর্তের বিশ্বাস ভঙ্গের বেদনা, বাড়িয়ে দিতে পারে অনেক নতুন ঋণের বোঝা।
কারন, প্রিয় বন্ধু তখন হয়ে যায় অচেনা কেউ,যার নিঃস্বার্থ উপকার তখন ঋণ বলেই মনে হয়।
জীবনে খুব কম মানুষই এক জন আরেক জনের কাছে বিশ্বাসী হয়ে উঠেন।

একটা ব্যাপার লক্ষ্যনীয় যে আমাদের বিশ্বাস এর ধরন ও প্রকৃতি ব্যক্তি বিশেষে ভিন্নতর হয়।
তাই ব্যক্তি জীবনে একাধিক বিশ্বাসী মানুষ এর দরকার পড়ে।
তাছাড়া, এমন কোন মানুষ পাওয়া যাবে না যাকে সব কিছুই বিশ্বাস করে বলে যাবে।
সর্বোপরি, বিশ্বাসী ব্যক্‌তির কাছেই আমাদের বেশি ঋণ থাকে।
কাজেই যেদিন কেও বিশ্বাস ভাঙ্গার কষ্ট সইতে শুরু করেন,
তার সাথে অতিরিক্ত যন্ত্রণা শুরু হয়
ঋনের বোঝা, নিরাপত্তাহীনতা,কিম্বা ভুল বন্ধু নির্বাচন এর জন্য অনুশোচনা।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ