অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

ছাগুকাব্য

যদি থাকে এই নাস্তিক সরকার
থাকবে না ঈমান, থাকবে না মান
করো সবে জামায়াতের জয়গান

ধর্ম থাক বা না থাক, মাথায় থাকবে টুপি
সাঈদীর মতো কামনা মেটাব চুপি চুপি

সামনে থাকবে ধর্মের লেবাস
লুকিয়ে লুকিয়ে চলবে ভোগ বিলাস

ইহকালে নারী, পরোকালে হুর
ভোগের বস্তু থাকবে ভরপুর

ইহকাল ও পরোকাল নিশ্চিত করতে চাইলে
চলে এসো সাইদীর মেশিনের ছায়াতলে

করো সবে জামায়াতের জয়গান
যদি থাকে তিল পরিমাণ ঈমান

এলোমেলো কথা

ছোটবেলায় নামায পড়া, আরবী পড়া এসব বাধ্যতামুলক ছিল আমাদের বাড়িতে।
ছোটদের জন্য রোযা রাখা বাধ্যতামুলক না হলেও আমি রাখতাম কারণ বাড়িতে যারা রোযা রাখতো তাদের জন্য অনেক মজা'র খাবার তৈরি হত, আর যারা রোযা রাখতো না তাদের খেতে হত আগের দিনের বাসি খাবার, তাই ভাল খাবারের লোভেই সব সময় রোযা রাখতাম।

যুদ্ধের সময় আমরা ঢাকা ছেড়ে গ্রামে চলে গেলাম সবাই। তখন নতুন নতুন এক অভিজ্ঞতা হল। মসজিদে ইফতার করলে অনেক রকমের ইফতার, সরবত, মিষ্টী, বিরিয়ানি এসব খাওয়া যেতো।
তাই আমি কখনোই মাগরেবের নামাযের সময় মসজিদ ছাড়া অন্য কোথাও থাকতাম না,যদি ইফতার মিস হয়ে যায় এই চিন্তায়।

সেই থেকে রোযা রাখার অভ্যাস আর নষ্ট করি নাই, যদিও নামায পড়ার বেলায় আমি অনেক অলস। আমার দুই ছেলে আমার স্ত্রী'র বদৌলতে ভিন দেশে জন্ম নিয়েও নামায রোযা আর হালাল খাবারের প্রতি যত্নবান। তবে আমি খুব খেয়াল করি আর সব সময় ছেলেদের বলি যেন ওরা স্কুলে কিংবা অন্য কোথাও কোন ধর্মিয় আলোচনায় অংশ না নেয়। কারণ অনেক কিছু হতে পারে।

শ্লীলতা আর অশ্লীলতার মাঝে

শ্লীলতা আর অশ্লীলতার মাঝে ঝুলে আছে পৃথিবী। সব চাইতে বেশি এই শব্দটির ব্যবহার নারীদের পেছনেই হয়। নারীরাই সব অশ্লীলতার প্রতীক। যৌন আবেদন এর জন্য নারী, ভোগ্য পন্যের বিজ্ঞাপনে নারী, বোনের প্রতি ভালোবাসায় নারী, মমতাময়ী মা এর ভূমিকায় নারী। হয়তো অবাক হচ্ছেন অনেকেই, মা এর কথাটা এত পরে আনলাম কেন ? কারন মা আজ বিক্রি হচ্ছে পদে পদে। মা তার সংসার চালায়, মেয়ে তার বাবার সংসার চালায়। বউ তার নিজের সংসার চালায়। এই এত চালানোর মাঝে জীবন এগিয়ে গেছে। সমাজ এগিয়ে গেছে। বোরকা পরা নারীদের পাশে আজ চলছে বিশ্বব্যাপী নতুন ফ্যাশন । প্রতিদিন নতুন নতুন ড্রেস আসছে বিশ্ব বাজারে। যেগুলোর ফ্যাশন শো হয় আবার সেগুলো আমরা গনমাধ্যমে প্রকাশ করি। এর মাঝে প্রশ্ন আসে শ্লীলতার.. কোনটাকে শ্লীলতা বলে, কাপড়ের ধরন কে ? নাকি চোখের বা কামনার সংযম কে ? কথাগুলো খুব খারাপ ভাবে লেখা হচ্ছে । সেই জন্য অনেকেই আমাকে ভাবতে পারেন আমি তসলিমা নাসরিন এর উত্তরসূরী হতে যাচ্ছি কিনা ? না। আমি ফ্যাক্ট বলছি। একটা নারী কি পরবে ? বোরকা ?

বাজাইরা হিন্দী সিনেমা লইয়া আজাইরা আলাপ~

কালকে থেকে আমার মন ভালো। কেনো ভালো জানি না। অকারনেই মন ভালো। সবাই আমার এতো বিষণ্ণতার গল্প শুনতে শুনতে নিশ্চই টায়ার্ড। কিন্তু সত্যি গত দেড় দিন ধরে আমার মন ভালো। সেই খুশিতে চার দিন ধরে হাটি না। এতো হেটে ঘেটে ওজন কমলো মাত্র তিন কেজি। সাইফ বললো ভাইয়া জিমে চলেন আজ থেকে। এডমিশন ফি ১৫০০ মাস প্রতি ১০০০। যদিও ওতো ভালো কোনো জিম না তাও টাকাটা আমার কাছে বেশি লাগলো। মাসে সাড়ে তিন হাজারটাকা হাত খরচ পাওয়া ছেলের জন্য জিম আসলেই একটু বেশী খরচা। তাও যদি বাবা মার সাথে থাকতাম তাহলে একটা ব্যাবস্থা হতো। এই মেসে বুয়ার আসাআসির ঠিক নাই, রান্নার অবস্থাও খুব ভালো না সেখানে জিম করে ফায়দা কি?

বৃষ্টি বিকেল

45869_rain_dhaka.jpg

বৃষ্টি তুমি অঝোর ধারায় ঝরো
সকাল বিকাল অলস দুপুর
নিজের হাতে গড়ো।

বৃষ্টি তুমি ফোঁটায় ফোঁটায় পড়
বিষণ্ণ এই সন্ধ্যাটিকে
রঙিন করে তোলো!

জুঁই চামেলী হাস্না-হেনা
ভেজা কদম ফুল,
ঝড়ো হাওয়ায় উড়িয়ে দাও
শ্যামলা মেয়ের চুল!

মেঘ বালিকার স্বপ্ন উড়ে
সাদা মেঘের ভেলায়
উদাস প্রহর পার হয়ে যায়
শেষ বিকেলের মায়ায়!

আকাশটা আজ কাঁদছে দেখে
মন খারাপের ঢেউ
তোমার বুকেও কান্না জমে
জানলো না কেউ।

আজ জোনায়েদের জন্মদিন

ফজরের আজান হয়ে গেল
মুসুল্লিগন মসজিদে যাচ্ছেন
দিন শুরুর প্রথম নামাজ
আদায় করতে।
সাত বছরের মেয়ে মৌ
জড়িয়ে ধরে ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাঁদছে।
কাজের বুয়া ও কয়েকজন আত্নীয়
অপারেশন থিয়েটারের সামনে ।
আমার প্রিয়তমা স্ত্রীকে নিয়ে গেছে
ওটিতে।
এটা তার দ্বিতীয় সিজারিয়ান।
বগুড়ার মৌ ক্লিনিকের ডাঃ গোলশান আরা
আমার স্ত্রীর শিক্ষক, সব ডাক্তার বিশেষ
পরিচিত ও যত্নবান।
তবু কিছু মুহুর্তে মানুষের মনটা
হয়ে যায় অতি দুর্বল।
আমারও তাই, দোয়া ইউনুস থেকে
যত দোয়া জানি, পড়ে যাচ্ছি।
মিনিট ৪০-৪৫ পর নার্স এসে
তোয়ালে জড়িয়ে আমার কোলে দিল,
পৃথিবীর সকল সুখ,সকল সম্পদসম
আমার ছেলে
জোনায়েদ মাসুদ হোসাইন(শিফাত)কে।
অবশ্য এটা আমার দ্বিতীয় পাওয়া
আমার মেয়ে একি ক্লিনিকে
একই সময়ে আমার কোলে এসেছিল
সাতটি বছর আগে।
একই বা তারচেয়েও বেশী অনুভূতিতে।
ঠিকমত পরিষ্কার হয়নি, রক্ত ও শ্লেষা
লেগে আছে ওর গায়ে,
তাতে কি চুমুর পর চুমু খয়ে যাচ্ছি।
ওর নানি বলল, পাগল হয়ে গেলে নাকি।
আজান দাও,
আমি লজ্জা পেলেও
আল্লাহু আকবার, আলাহু আকবার
আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান
ধ্বনিতে মৌ ক্লিনিকের চারদিকের

দেশ প্রেমিক

আমি যুদ্ধ দেখি'নি। গল্প শুনেছি। শুনেছি ওরা নাকি অনেক খারাপ ছিল। আমাদের কোণঠাষা করে রাখতো। অনেক ছোট ছিলাম, কোন স্মৃতি নেই তখনকার সময়ের।স্বাধীন দেশে বড় হয়েছি। দেশের নাম করা সরকারী স্কুল, কলেজ আর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বলতে গেলে একরকম বিনে পয়সায় পড়াশুনা শেষ করার সুযোগ পেয়েছি ( বেতনের পরিমান খুবি কম ছিল)। দেশের

স্বাধীন দেশে বিনে পয়সায় সর্বোচ্চ ডিগ্রি (যা কিনা পৃথিবী'র আর কোন দেশে আছে কিনা আমার অন্তত জানা নাই) নিয়ে দেশ ছেড়ে নিজের জীবন আরো সুন্দর করার জন্য বিদেশে পাড়ি জমিয়ে দেশের কথা বেমালুম ভুলে গেলাম।বিদেশে আছি , ভাল কামাই, ভাল থাকি, আর ফেসবুকে জ্ঞ্যান গর্ব স্ট্যাটাস লিখি। দেশ আমাকে সব কিছুই দিলো বিনে পয়সায় কিন্তু আমি কিছুই দেই না তার বিনিময়ে। আমি প্রয়োজন হলে হুন্ডি করে টাকা পাঠাই, সোনালী একচেঞ্জে যাইনা, হুন্ডি করলে বেশি লাভ পাওয়া যায়।

আমি দেশের জন্য কিছু করিনা, নিজের জন্য কিছু করার চেষ্টা করি , আর তাই বিদেশে বসেও দেশের রাজনিতি;র সাথে সম্পর্ক রাখি যদি কখনো কাজে লেগে যায়।

বুয়েটের বাপ(পর্ব-৪)

চিফ ইঞ্জিনিয়ারগন কাজে যোগদানের নোটিশ পাবার পার চিফ ইঞ্জিনিয়ারিং স্ট্যাটাস কয়েকদিনের মাঝেই তিরোহিত হতে লাগল। আমাদের ক্যাডেট কলেজ বা ইংরেজী মাধ্যমে পড়ুয়া বন্ধুরা তেমন সমস্যায় না পড়লেও আমরা যারা বাংলা মাধ্যমে পড়াশুনা করেছি, তাদের কাছে সব কিছু যেন এভারেষ্টে আরোহণের চেয়েও কঠিন হয়ে দেখা দিল। কার কাছে জানি শুনেছিলাম মরাকে আরও মার, আমাদের মান্যবর স্যারেরা যেন তারই প্রতিযোগিতায় নামলেন। এস, এস,সি ও এইচ এস সি তে যে সব বিষয় গুলো বাংলায় পানির মত সহজ ও অত্যন্ত মজা করে পড়েছি, স্যারদের ইংরেজীর কচকচানিতে তাই যেন ইস্পাত কঠিন দৃঢ় হয়ে সামনে উপস্থিত হলো যা আমাদের/আমার খুপড়িতে ঢুকছিল না। ইংরেজী জানার যে দৌড় ছিল তাতে এক লাইন পড়তে কতবার ডিকশনারি খুলতে হতো হিসেবে নেই। আমার বন্ধুরা সবাই এমন ছিলে তা কিন্তু বলছি না।

অদ্ভুত সেই ছেলেটি

আজ আকাশের মন খারাপ। সে মুখ গোমড়া করে আছে। গোমড়া মুখে কষ্ট ছড়িয়ে দিচ্ছে সবার মাঝে ......

এই কষ্ট হঠাৎ স্পর্শ করেছে জানালার ধারে বসে থাকা একাকী অদ্ভুত শ্রাবণ কে। শ্রাবণ আর কেউ না , ঢাকা শহরের যেকোন জানালা দিয়ে অসীম আকাশ পানে তাকিয়ে থাকা সাধারণ একটি ছেলে। নির্মম বাস্তবতা যার সুখ লুটে নিয়েছে। শুধু নিতে পারেনি পথচলার আগ্রহ ! আর তাই সর্বস্ব হারিয়েও বাস্তবতাকে কাচকলা দেখিয়ে সে দৃঢ় পায়ে এগিয়ে চলে সামনের দিকে।

শ্রাবণ তাকিয়ে আছে আকাশের পানে। আকাশের বুকে ভেসে বেড়াচ্ছে মেঘ। শ্রাবণের দৃষ্টি মেঘের পানে নয়। মেঘের সৌন্দর্য , প্রভাব , প্রতিপত্তি কিছুই শ্রাবণকে আকর্ষণ করে না। শ্রাবণ সর্বদা মেঘের মাঝে কাকে যেন খুজেঁ ফেরে। হয়তো বৃষ্টিকে , হয়তোবা চাদঁকে !!! নাকি রাতজাগা পাখিটাকে ? এর জবাব তো শুধুমাত্র শ্রাবণই দিতে পারে।

সজল খালেদের মৃতু ও বন্ধু শুভ কিবরিয়ার ফেবু স্ট্যাটাস

আজ তার মৃত্যু সংবাদ পেয়ে চমকে গেলাম। আহারে কি সুন্দর একটা মানুষ! ওর এমন অকাল মৃত্যু হবে কেন?
( মাফ করো বন্ধু, তোমাকে জ্ঞান দেবার জন্য নয়, আমরা যে তাঁর কাছে কত অসহায় সেটাই শুধু শেয়ার করছি)
বন্ধু তুমি বা আমি কেউ কি জানি কখন আমদের মৃত্যু হবে। জানিনা, পৃথিবীর কেঊ জানে না কখন তার মৃত্যু হবে। এমন কি নবীরাসুলগনও জানতেন না তাদের মৃত্যু কখন হবে। কারন
নাহনু কাদ্দারনা বাইনাকুমুল মাওতা ওয়ামা নাহনু বিমাছবুকিন (সুরা ওয়াক্কিয়া,আয়াত-৬০)
অর্থঃআমি তোমাদের মৃত্যুকাল স্থির করেছি এবং আমি অক্ষম নই।
(৩১৫৯)সহীহ বোখারী শরীফ

এবি’ র প্রথম পাতায় যা সংযোজন করা যেতে পারে

এবির প্রথম পাতায় অন্যান্য অনেক কিছুর সাথে ডানদিকে দুটো গুরুত্ত্বপূর্ন হেড আছে ,

১। সাম্প্রতিক মন্তব্য

২।সপ্তাহের সেরা পাঁচ (আলোচিত, পঠিত, পছন্দকৃত)

আরেকটি যোগ করা যেতে পারে

৩। সপ্তাহের সকল লেখা ( লেখকের নামসহ)

এতে পাঠককূল পছন্দের লেখকের লেখা প্রথম পাতা না উল্টিয়ে সরাসরি লেখায় যেতে পারবে।

সুবিধা হল, আলসেমীর জন্য পাতা না উল্টিয়ে, প্রথম পাতা দেখেই অনেকের এবি থেকে সরে আসেন ( অন্তত আমি)। এতে ভালো লেখাগুলো (লেখার/ পোষ্টের ভীড়ে দ্বিতীয় বা তৃতীয় পাতায় চলে যাওয়া) পড়া থেকে আড়ালে চলে যায়।এ সমস্যার সরাসরি সমাধান হবে।

অন্যটি হল, লেখকের লেখার শিরোনাম ও লেখকের নাম পুরো সপ্তাহ জুড়েই প্রথম পাতায় থাকবে। এটাও লেখকের জন্য কম প্রাপ্তি নয়।

তসলিমা নাসরিন

তসলিমা নাসরিনের সাক্ষাৎকার পড়ে ভীষন অসস্তিকর অনুভুতি হলো , মনে হলো পুরুষের বিরুদ্ধে তসলিমার বিদ্রোহ অবসান হলো, তিনি নিজেই তার পরাজয় মেনে নিয়ে পুরুষতন্ত্রের পতাকা উড়িয়েছেন তার ভাবনায়।
এই সাক্ষাৎকারটিও নতুন কোনো সাক্ষাৎকার নয়, বরং অনেক পুরোনো জঞ্জাল নতুন করে সামনে আনা।

সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে যা লিখেছিলাম সেটুকু মুছে ফেলছি।

তার স্মৃতিচারণে খোলামেলা কথার চেয়ে বেশী স্পষ্ট হয়ে থাকা কামনাকাতরতা অসস্তি তৈরি করে। সম্ভবত বাংলাদেশের উপন্যাসে নারীর শরীরময় উপস্থিতির বয়ান শুরু হয় তসলিমা নাসরিনের হাতে।

মিষ্টি মিষ্টি কষ্ট কষ্ট

মেঘলা আকাশ
বৃষ্টি নামবে আজ
ঢেউ তুলো তুমি ঘূর্ণিত ছন্দে।

ঘনীভূত অন্ধকার ফিকে হয়ে এলে প্রভাত আলোর
রুপের সাথে তোমার মিলটি খুঁজি

হে দীর্ঘকায়া
কত হবে সঙ্গিন
এই মায়া রঙিন
বসন্ত বিনম্র ছায়া।

ট্রেন এসেই প্লাটফর্ম থেকে কুড়িয়ে নিলো তাকে
ফিরে তাকালো না পেছনে একবার
দৃষ্টি অসহায় মৌণ-বাক
হৃদয় বীণায় তার ছিঁড়ে যাক।

হৃদ-কাব্যে তুমি জড়িয়ে গেলে
পীনোন্নত বক্ষে ভরে উঠে কবিতা
আম-আঁটির ভেপু বাজে রসালো
মিলে মিশে ভাসে সব একাকার।।

ঝরাপাতা দিন, অস্থিরতার পঙ্ক্তিমালা.. [এলোমেলো কাব্যকথন!]

.....................................................................................................।

......................................................................................................

.........................................................................................................

.......................................................................................................।

.....................................................................................................।

......................................................................................................

.........................................................................................................

.......................................................................................................।

আধো আধো বুলি,
আর;
এক পা দু পা চলার দিন -
না ফুরোলেই বেশ ভালো ছিল।

সত্যিই,
হয়তো ভালোই ছিল..!

ব্লগর ব্লগর

..................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................

১.
যে যত বেশি নিরাপদ, সে তত বেশি তীব্র, তীক্ষ্ণ, দক্ষ সমালোচক

২.
ঘটনাস্থল থেকে যে যত বেশি দূরে সে তত বেশি সাহসী

৩.
আগে বিপ্লবীরা থাকতেন আন্ডারগ্রাউন্ডে অথবা কারাগারে, এখন বিপ্লবীরা থাকেন ফেসবুকে

৪.

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ