অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১২ জন অতিথি অনলাইন

আশরাফুলঃএক হতাশার, এক স্বপ্ন ভঙ্গের কাব্য

জ্ঞান হওয়ার আগে থেকেই ক্রিকেটের সাথে পরিচয়, আর জ্ঞান হওয়ার পর থেকেই ক্রিকেটের সাথে প্রেম। মনে ১৯৯৯ সালে অভিষেক বিশ্বকাপেই যখন বাংলাদেশ যখন পাকিস্তানকে হারিয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করে তখন আআআমার পাঁচ কি ছয় বছর। সেদিনের ছোট্ট আমি কিছু না বুঝেই বড়দের সাথে বাঁধহীন উল্লাসে মেতে উঠেছিলাম। তখন থেকেই বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রায় প্রত্যেকটি জয়-পরাজয়ের সাক্ষী হয়ে আছি। ক্রিকেটারদের সাফল্য-ব্যর্থতায় হেসেছি-কেঁদেছি। সাক্ষী হয়ে আছি ২০০৪এ ভারতকে মাটিতে নামিয়ে আনা জয়ের, ২০০৫এ জিম্বাবুয়ে, অস্ট্রেলিয়া বধ, ২০০৬এ শ্রী-লঙ্কান সিংহকে খাঁচায় পুরা, কিংবা ২০০৭ বিশ্বকাপের অবিস্মরনীয় সাফল্যের। শুধু দলের ভাল সময়ে আনন্দ করেছি তাই নয়, দল যখন খারাপ খেলেছে তখন মন খারাপ করেছি, কিন্তু গালি দেইনি; আশায় বুক বেধেছি পরের খেলার জন্য। গত বছর ২২'শে মার্চ যখন এশিয়া কাপের ফাইনালে পাকিস্তানের কাছে মাত্র ২ রানে হেরে যাই তখন সবার সাথে আমিও চোখের পানি ফেলেছি; সেই সাথে তাদের জন্য গর্বও অনুভব করেছি আমরা ১৬ কোটি বাঙ্গালী। এরকম হাজারো আনন্দের-গর্বের আমৃতি আমাদের উপহার দিয়েছেন ক্রিকেটাররা। হাজার দুঃখ-কষ্টে জর্জরিত, দারিদ

বন্ধু

আমার লেখার বয়স হাতে গোনা যায়। বলা যায় মাত্র কয়দিন আগে ফেসবুকে রাসেল এর একটা লেখা পড়ে ওই লিঙ্ক থেকে এই ব্লগে আমার প্রবেশ। এর আগে সত্যি বলতে আমি আর কোন ব্লগ কখনো পড়ি নাই, লেখা তো দুরের কথা। এই ব্লগের সুন্দর মনের মানুষদের অদ্ভুত সব লেখা পড়ে শুধু মুগ্ধ নই, নিজেও কিছু লেখার সাহস পেলাম। যদিও খুব ভাল করে জানি আমার লেখা কিছুই হয়না, তবুও যখন কেউ সেটা পড়ে সুন্দর মন্তব্য করেন অদ্ভুত ভাল লাগে , অনেকটা ছেলের হাতে লাঠিওয়ালা চকোলেট দিলে যেমন খুশি হয় ঠিক তেমন। সত্যি !

যতই ব্যস্ত থাকি মোবাইল দিয়ে হলেও যখন তখন লগিন করে দেখি নতুন কে কি লিখল, নিমিশে পড়ে ফেলি। ভাল লাগে। রাসেল, আরাফাত শান্ত, তানভীরা, আহসান হাবীব, বিষন্ন বাউন্ডুলে আরো কতজন , কি অদ্ভুত সব সুন্দর বিষয় নিয়ে লিখেন, পড়ি , মুগ্ধ হইআর নিজে কিছু লেখার সাহস খুঁজি। অনেক ভুল ভাল লিখি। সবাই ক্ষমা করবেন প্লিজ।

পরাজিত মানুষের ইতিহাস থাকে না

পরাজিত মানুষদের ইতিহাস থাকে না, তারা ইতিহাসের পাতায় নাম লেখাতে প্রতিনিয়ত আত্মাহুতি দেয়, প্রচন্ড নির্যাতন সহ্য করে, প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই করে, গণমাধ্যমের সহানুভুতি -ঘৃণা পায়, তাদের মানবেতর জীবনযাপন ও লড়াই মানবাধিকার সংস্থার স্বীকৃতি পায় কিন্তু বিজয়ের আস্বাদ তারা পায় না।

পূর্বপুরুষের পাপের জের টানা এবং নিত্যনির্যাতিত হওয়ার গল্পগুলোর একপেশে উপস্থাপন থাকে বিজয়ীর গাঁথায় কিন্তু পরাজিতের জবানীতে তার আত্মঅধিকার এবং স্বীকৃতির লড়াইয়ের গল্প ততটা প্রচারিত হয় না।

যেমন ধরা যাক রোহিঙ্গাদের কথা, আমাদের সীমান্তবর্তী রোসাঙ্গ রাজ্যের বাসিন্দা তারা, রোসাঙ্গ রাজাদের রাজসভা আলোকিত করেছে চট্টগ্রামের কবিরা, তারা সেখানে মধ্যযুগের বাঙলা সাহিত্যের স্বর্ণযুগের সূচনা করেছিলো, চট্টগ্রামের আব্দুল করিম সাহিত্যবিশারদ তার জীবনের দীর্ঘ একটা সময় এইসব কবিদের সাহিত্য সংগ্রহ ও সম্পাদনা করে অতিবাহিত করেছেন।

সিরাজউদদৌলা যখন কোলকাতা অবরোধ করলেন তখন একজন ইংরেজ সেনাপতির চট্টগ্রাম অভিমুখে আরকান রাজ্য দখল করতে যান, তাদের ধারাবাহিক আক্রমণে অবশেষে আরকান রাজ্য ব্রিটিশ উপনিবেশের অংশভুক্ত হয়।

স্বর্ণালী অপ্সরী !!!

যখন ভালোবাসতে শুরু করেছিলাম তখন তুমি তেমন জনপ্রিয় ছিলেনা। তারপর কেটে গিয়েছে অনেক সময়। কিন্তু তুমি সেই সোনালী পোশাকে মোরানো ফর্সা ধবধবেই রয়ে গেছো।

স্বর্ণালী অপ্সরী !!! হ্যাঁ এটাই বুঝি তোমার জন্য সবথেকে ভালো নাম।
হে সোনালী পোশাকে আবৃত শ্বেতশুভ্র অপ্সরী , তোমাকে সবচেয়ে অপরূপা কোথায় লাগে?

দুই আঙ্গুলের ফাকে নাকি দুই ঠোঁটের মাঝে ?

তোমায় চুমুতে ভরিয়ে দেই আমি সর্বদা। যুগে যুগে কত্তো মহামানবরা তোমায় একটি চুমু দেওয়া কে শত নারীর ঠোঁটের চেয়েও মূল্যবান বলেছে।

তুমি এখনো সুন্দর ওই সোনালী ঘরে। তোমার সৌন্দর্য আরো বেড়ে যায় যখন তুমি জ্বলন্ত অবস্থায় থাকো দুই আঙ্গুলের ফাকে অথবা দু'ঠোঁটের ফাকে।

তুমি একাকিত্বের সঙ্গি। তুমি অবসরের সাথী। তুমি মানসিক প্রশান্তি জোগাও প্রচন্ড ব্যাস্ত সময়ে। করে তোলো উতফুল্ল অনেক চিন্তার মাঝেও। নতুনভাবে ভাবতে সাহায্য করো যখন ভাবনার সীমান্তে পৌঁছে যাই।

মাঝে মাঝে তোমারই কারনে প্রেমিকার সাথে হয়ে যায় তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ !!!! মাঝেমধ্যে তোমার জন্য মা'র সামনে চকলেট খেতে খেতে যাই।

কিশোর বেলার কিশোর থ্রিলার

সেই ছেলেবেলায়, প্রাইমারীর গণ্ডি শেষ করেছি কি করিনি ঠিক মনে পড়ছে না। প্রতিদিন দুপুরে বাসার সবারই নিয়ম করে ঘুমানোর আদেশ ছিল, আমার কখনই দুপুরে ঘুম হত না। মন উদাস করা গ্রীষ্মের সেই দুপুরে একা একা ঘরের কোণে বসে ‘আরব্য রজনীর দেশে’ নামক একটি বই পড়ছিলাম। সেই-ই প্রথম শুরু পাঠ্য বইয়ের বাইরে বই পড়া। মামা ঘুম থেকে উঠে বইটা হাতে দেখে বলে উঠল-এখনই উপন্যাস পড়া শুরু করেছো! কণ্ঠে অনেকটা তাচ্ছিল্যের সুর। আমি বুঝতে পারিনি কি এমন ভুল করলাম, মনে মনে ভাবছিলাম-এটা পড়া কি নিষেধ নাকি!

ধীরে ধীরে মাথার ভিতরে সেই যে বইয়ের পোকা ঢুকে পড়ে আর বের হয় না। ছেলেবেলায় আমি একটু ঘরকুনো টাইপের ছিলাম। গ্রাম থেকে চলে আসার পর শহরটাকে নিজের করতে বেশ কিছুটা সময় পার হয়ে গিয়েছিল। তারপর শুরু হল নতুন স্কুল জীবন। নতুন বন্ধু, নতুন জগৎ! একসময় বন্ধুদের কল্যাণে পেয়ে গেলাম বিশাল বইয়ের খনি! ‘সেবা প্রকাশনী’ আমার সামনে উন্মোচিত করে দিল এক নতুন দিগন্ত! শুরু হল আমার নতুন অভিযান, অসাধারণ এক এডভেঞ্চার!

বিজ্ঞান তোমাকে ছালাম(শেষ পর্ব)

প্রথমে চলুন দেখি আগুনের উৎস গুলি কি কি?
ক শ্রেনীর আগুন – সাধারন ধাহ্য বস্তু যেমন, কাঠ,কাপড়, পেপার, খড়, রবার, প্লাষ্টিক ইত্যাদি।
খ শ্রেনীর আগুন- এই ধরনের আগুনের উৎস হল, ধাহ্য তরল পদার্থ যেমন পেট্রোল,কেরসিন,তৈল জাতীয় পদার্থ,গ্রীজ, তেল রং, ইত্যাদি।
গ শ্রেনীর আগুন- এই ধরনের আগুনের উৎস হল ধাহ্য গ্যাস।
ঘ শ্রেণীর আগুন- ধায্য ধাতব শ্রেনীর জিনিস যেমন, ম্যাগ্নেসিয়াম,টিটেনিয়াম, সোডিয়াম, লিথিয়াম, এবং পটাসিয়াম ইত্যাদি।
ঙ-শ্রেণীর আগুন- রান্নার কাজে ব্যবহৃত তেল বা ফ্যাট জাতীয় বস্তু।
চ শ্রেনীর আগুন- বিদ্যুৎ চালিত যন্ত্রপাতি, বা বৈদুতিক তারে সর্টসার্কিট জনিত আগুন।
আগুনের উৎস গুলো দেখা হল, এবার চলুন কোন ধরনের আগুন নিভাতে কোন ধরনের অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র ব্যবহার করা যায়।

ধরন ও যে ধরনের আগুনের উপর ব্যবহার উপযোগী
পানি- ক

ফোম/ক্রিম- ক,খ
ড্রাই পাউডার----- ক,খ, গ,ঘ,ঙ
কার্বন-ডাই- অক্সাইড- খ,ঙ
হেলন ১২১১/বি সি এফ- এখন সাধরনত ব্যবহার করা হয় না।

বন্ধুত্বের টানে, বন্ধুদের পানে

প্রায় দু'বছর আগে ব্লগ খুলে আজ প্রথম পোস্ট দিচ্ছি। লেখালেখি থেকে বিচ্ছিন্ন অনেকদিন। সামু দিয়ে ব্লগিং শুরু করলেও পরিচিত, প্রিয় বন্ধুদের টানে এখানে আবার আবির্ভূত হলাম। আশা করি প্রাণময় ব্লগারদের লেখা পড়ে নিজেকে আবারো ঋদ্ধ করবো আর ছাইপাশ লিখে সবাইকে বিরক্ত করে যাবো Smile

পেশাগত কাজের তাগিদে সাম্প্রতিককালে পড়াশোনা করছি শিশু-কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে। আর নিরন্তর ভেবে যাচ্ছি আমাদের দেশের শিশু-কিশোরসহ পূর্ণবয়স্ক মানুষের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষার কী সুযোগই বা আছে? দুশ্চিন্তা, হতাশার মত মানসিক সমস্যাগুলো নিয়ে বাচ্চারা স্কুল-কলেজে কারই-বা শরণাপন্ন হতে পারে? পরিবারের সদস্য বা আত্মীয়-বন্ধুসমাজের কারো, কিংবা নিজের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে আমরা ঠিক কতটুকু সচেতন? প্রতিটি স্কুলে 'স্কুল সাইকোলজিস্ট' নিয়োগ দেবার সরকারি পরিকল্পনাটি ঠিক কি অবস্থায় আছে কেউ জানেন?

সবার জন্য শুভকামনা।

সময় গেলে সাধন হবে না

এক গরীব পোলা বড়শি দিয়া একটা বড় কই মাছ ধরসে ।।
মেলাদিন ভাল কিছু খায় নাই বেচারা ।।
ভাবল আজকে মজা করে মাছ দিয়ে ভাত খাবে ।।
ছেলের মা রাইন্ধা দিল আলু-পিয়াজ-মাছের ঝোল।।
আহ !! কি সুঘ্রান !! পোলাটা খুশি তে বাকবাকুম।।
মা কইল বাপ খাইয়া ল গরম গরম ।।
পোলা কইল-
আম্মা আপ্নে আর আমি আইজ ঝোল দিয়া এ ভাত খাই।
কবে আবার মাছ পামু ঠিক নাই।।
মায় কইল তাইলে ঠিক আসে ।।
মা-ছেলে মজা কইরা খাইল।।
আহারে সে কি খাওয়া ্‌্‌্‌

পরের দিন ...

পোলা কইল...
আম্মা মাছ ত একডা ... কেম্নে কি ??
আইজ এক কাম করি আমি আর আপ্নে মাছের ঝোল আলু আর পিয়াজ দিয়ে এ খাইয়া লই।।
মায় কইল-
ঠিক আছে বাপ ... তয় কাইল কিন্ত আমি লবন মরিচ দিয়া ভাত খামু তুমি কিন্তু একলাই মাছ খাইবা । ঠিক আসে আব্বা?? তাইলে আমি আইজ আলু দিয়া খামু ।
আহারে !! আপ্নেরে ছাড়া আমি কেমতে খাই , আম্মা ।
আপ্নে তাইলে একটু খাইয়া বিসমিল্লাহ কইরা দেন । আমি কাইল মজা লইয়া খামুনে ।
মায় এক চিমটি খাইল।
চোখ বুইঝা স্বপ্ন দেখল তার বাজান মাথা নাছাইয়া কেম্নে আরামে খাইতেসে।

রাইতে পোলা ঘুমাইতে গেল
আহা কি শান্তি
কাইল মাছ খাইব
ভাবতেই ধেই ধেই করে নাচতে মন চায়।

jidajidir jidtai

একদেশে দুই নামিনী,
ঝগড়ে কাটায় যামিনী ।
বাগে পেলে এ উহারে
জবর কষে ঠোকর মারে ।

এক নামিনীর দন্ত-নখর
তীক্ন বেশি অষ্ট প্রহর,
অন্যটার বাসি গু
ঘেটে ছড়ায় অখুশবু ।

দোহাররা তার কোরাস ধরে
হোক্কা হুয়া হুয়া করে ,
ষোল কোটি ভয়ে ডরে
কুত্তার লাহান লেজ নাড়ে ।

অন্যটা একটু কম বাক,
রাখেও কিছু রাখ ঢাক ।
'ডঃ' এর শিং নাইযে
সমান তালে গুতাবে ।

দুইজনেরই উনারা নাই,
খোকা-খুকুরাও বিদেশ থায় ।
দুই নাইয়ার আছে শুধু
জিদাজিদির জিদটাই !

বিচ্ছিন্ন শতদল, বিক্ষিপ্ত জলরাশি

ক্রিং ক্রিং

-ইপি আপু?
কই তুমি?
-গ্যারেজে। গানজা খাই।
ওয়াক! সারাদিন যখনই ফোন করি তখনই কেন তুমি গ্যারেজে গানজা খাও?
-কারণ আপনি ফোন করে এটা শুনলে একটু ধমকান তাই।
কেন? ধমকানোর লোক কই গেছে?
-ওর কি আর ধমকানোর টাইম আছে? উন্নতির ট্রেন ছুটে যাবে তো।
তো তোমার কি উন্নতি করতে ইচ্ছা করে না?
-করে। সেই জন্যই তো ক্ষুধার্ত আর বোকা থাকি।
কিন্তু সেইটা তো শুধু এক্সট্রা অর্ডিনারী মেরিটওলা'দের জন্য। তোর মতো বলদ কি খালি কি ক্ষুধার্ত আর বোকা থাকলে চলে?
-কিন্তু আমার ইনটিউশন যে আমাকে সেরকমই থাকতে বলে।
ইনটিউশন না রে গাধা। অলস মন। ও সবসময়ই মানুষকে আলসেমী করার বুদ্ধি দেয়। ওর কথা শুনলে জীবনে উন্নতি করতে পারবি না।
-আচ্ছা না পারলে অসুবিধা নাই। আপনের কি অবস্থা? এত সকালে ফোন দিলেন যে?
এমনি ফোন করলাম। তোকে ফোন করতে আবার কারণ লাগবে নাকি রে পাগলা?
-তা অবশ্য লাগবে না। চলেন আজকের কড়কড়ে রোদে সারাদিন বেড়াই।

বেদুইন মন যেন ওয়েসিস চায়, কতো দূরে সে দুরের নগর!

আবার লিখতে বসলাম। যদিও লেখার জন্য খুব একটা উপযোগী মন বা পরিবেশ নাই। গরমের দিন গুলোতেই আমার বেশী ভালো লাগে। এই কথা যখনই কাউকে বলে সবাই অট্টহাসি দেয়। গরমের দিন কারো প্রিয় হতে পারে তা কেউ কখনো ভেবে পায় না। কিন্তু মানুষের ভাবাভাবিতে আমার কিচ্ছু আসে যায় না। এই তীব্র গরম দাবদাহ বা কালবৈশাখীর দিন গুলোই আমার কাছে অসাধারন লাগে। ঝকঝকে দিনে রোদ উঠবে আকাশ কাপিয়ে, এমন দিনে আমি হেটে বেড়াবো নগর বন্দর একা একা এমন সব স্বপ্ন দেখতে আমার অনেক ভালো লাগে। কখনো সখনো যদি এরকম দিন পার করি মনে হয় জীবনের শ্রেষ্ঠ সময় গুলো পার করে আসলাম। তবে গরমের দিন আমার ভালো লাগার আরেকটা বড় কারন হতে পারে ছোটবেলা থেকেই এই লম্বা দিন গুলোতে খুব বাইরে বাইরে থাকতাম। সারাদিন খেলা আর খেলা। আমার বয়সী আমার বন্ধুরা যখন বাসায় যেতো তখনও আমি চলে যেতাম কলোনীর বাইরে। তখন কেউ বাইরে বাস্তোহারা কলোনীর ছেলেদের সাথে খেলতো না একি স্কুলে পড়লেও। কিন্তু দেখা গেলো সারাদিন বাইরে বাইরে থাকার কারনে আমার প্রচুর বন্ধু চারিদিকে। রোদে পুড়ে চেহারা তামাটে কালো, শুকিয়ে কাঠ তার ভেতরেই আমার বাহির অভিযান অব্যাহত। আমার আম্মু আব্বু ভাইয়া মেরেও আমাকে সাইজে আনতে পারে ন

শ্রেষ্ঠত্তের দাবীদার ধর্মে নয় , কর্মে !

সামার শুরু হলেই নিউইয়র্কে শুরু হয় বিভিন্ন দেশের প্যারেড। আর এই প্যারেডগুলি বেশিরভাগ হয় ম্যানহাটানের ফিফথ এভিনিউতে। ফিফথ এভিনিউ হল ম্যানহাটানের সবচেয়ে দামী জায়গা। সবাই পারমিশন পায়না এখানে প্যারেড করার, শুধু প্রভাবশালী দেশগুলির প্যারেড দেখি এই এভিনিউতে।

আগে থেকে জানতাম না, জানলে আর গাড়ি চালিয়ে আজ ম্যানহাটানে না এসে বাসে ট্রেইনে আসতাম। ব্রীজ পার হয়ে শহরে ঢুকতেই অনেক বেশি বিশেষ পুলিশের উপস্থিতি দেখে ভাবলাম আবার কোথাও কোন সন্ত্রাসী হামলা হোলো কিনা !অমন কিছু হলেই পুরো শহর জুড়ে পুলিশি ততপরতা অনেক বেশি দেখা যায়। আমি যেই রুট ধরে সব সময় যাই, সেই সাইড রোডগুলি সব ব্লক করে রাখা, গাড়ি ঘুরিয়ে দিচ্ছে। মহা ঝামেলায় পড়লাম ! ভয়ে ভয়ে গাড়ির কাঁচ নামিয়ে পুলিশকে জিজ্ঞেস করলাম কেন রাস্তা বন্ধ, আবার কিছু হইসে নাকি? পুলিশটা হেসে উত্তর দিল, না কিছু হয় নাই , কিন্তু আজ "ইস্রায়েল ডে প্যারেড" হবে ফিফথ এভিনিউতে , আর তাই পুরো শহর জুড়ে ওদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা।

বাথরুম না রেস্ট রুম ( গল্পটি আমি প্রথমে গেট টুগেদার নামে আরম্ভ করেছিলাম)

আমাদের সমিতি প্রতিষ্ঠার লক্ষে প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র মোক্তাদির (আদরণীয় পূর্নাইয় পণ্ডিত) কে মেইলে প্রেরন করার ক্ষনিক বাদেই,তিনি আমাকে মহান ব্যক্তি হিসেবে ঊল্লেখ পূর্বক পাল্টা মেইল করিলেন। আমি এবার সেল যন্ত্রটি হাতে লইয়া ডিজিটাল যুগের নির্দেশিত ডিজিট গুলোতে অঙ্গুলি নির্দেশ প্রদান করত প্রেরন বাটনে চাপ প্রদান করিলাম। পণ্ডিত অবশ্যই কর্ম ফুসরতে ছিলেন। পিক করার সাথে সাথেই আক্রমন করিলাম। কিরে ব্যটা পাম দিতে তো ভালই শিখিয়াছ। আমি আবার কবে থেকে মহান ব্যক্তি হইলাম। নারে দোস্ত তুই.........।

নিউইয়র্কের সামার

বলা যায় নয় মাস শীতের শহর নিউইয়র্ক।হাড় কাঁপানো শীতের পর বসন্তের আমেজ একটু খানি দিয়েই অনেক প্রত্যাশিত গরমের দেখা মিলে জুন মাসে। অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় থাকে এই শহরের মানুষেরা অল্প দিনের এই সামারের জন্য।সামার আসলেই ঝকঝকে রোদের তাপ যেমন বাড়তে থাকে এই শহরের মানুষগুলিও হাসি খুশি আর আনন্দে মেতে উঠে।

পুরো শীতকাল জুড়ে সব গাছ গুলি ন্যাড়া হয়ে কঙ্কালের মত সারি সারি দাঁড়িয়ে থাকে। রাস্তা ঘাটে প্রয়োজন না হলে মানুষ খুব কম বের হয় , বরফ জমে পিচ্ছিল হয়ে থাকে সব কিছু। অনেক শীতের কাপড়, টুপি, মাফ্লার, মোটা জুতা, মোজা অনেক কিছুর ভিতর নিজেকে লুকাতে হয়, আকাশ হয়ে থাকে প্রায় সময় গোমড়া মুখে। যখন তখন শুরু হয়ে যায় হীম শীতল বাতাস কিংবা বরফ পড়া।এই সময়ে ঠেকায় না পড়লে ঘর থেকে বের হতেই ইচ্ছা করেনা। যদি জীবিকার প্রয়োজন না হত তাহলে আমি এই সময়ে ঠিক দেশে গিয়ে কাটিয়ে আসতাম, কিন্তু উপায় নাই গোলাম হোসেন।

লং ডিস্টেন্স রিলেশনশীপ

ঝিরিঝিরি বৃষ্টি পড়ছে। স্নিগ্ধর মনটা আজ খুবই খারাপ। তার ভালোবাসার মানুষটি তার থেকে অনেক দূরে থাকে। তাদের সময়ের ব্যাবধান ১২ ঘন্টার ; স্নিগ্ধর দেশে যখন রাত নামে তখন মিনির দেশে করকরে রোদ।

মিনি অনেক ভালো একটা মেয়ে। পৃথিবীর সবচেয়ে দ্রুতপরিবর্তনশীল দেশে থেকেও যে তৃতীয় বিশ্বের একটি ছেলের জন্য অপেক্ষা করে। তার সকল ভাবনা জুড়েই স্নিগ্ধর বিচরণ। এমনকি স্বপ্নও আসে স্নিগ্ধর স্নিগ্ধতা নিয়ে।

তাদের মাঝে যোগাযোগের একটাই মাধ্যম , সেটা হলো ভার্চুয়াল জিনিস। হয় ফোনে তাদের ভাবনার বিনিময় ঘটে নয়তো চ্যাটিং এর মাধ্যমে আবেগের আদানপ্রদান ঘটে। তবুও হাজার মাইল দূরের দুটি মানুষ কিসের যেনো একটা বাধনে বাধা।

স্নিগ্ধ জানালায় বসে আছে। দেশে এখন চার নম্বর বিপদ সংকেত চলছে। সাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের কারনে সারাদেশে বৃষ্টি নামছে। স্নিগ্ধ স্বাভাবিক একটি ছেলে। আর তাই আজকের আবহাওয়া তার মাঝে রোমান্টিক একটা আবহের সৃষ্টি করেছে; মাঝে মাঝে এটি মিনির শূণ্যতাকে প্রকট করে তুলছে|

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ