অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১৩ জন অতিথি অনলাইন

গ্যালাক্সি এস!

ছেলেটা বড় হয়েছে খুব আদরে। চার বোনের পর এক ভাই। বোনেরা মোটামুটী অনেক বড় বড়। তাই বোনদের ভালোবাসায় আর দুলাভাইদের আশকারাতেই তার কিশোর বেলা কাটছে। হুট করে ছেলেটার বাবার চাকরী থেকে অবসর। তল্পি তল্পা গুটিয়ে বাড়ীতে থাকা। ছেলেটা তার বোনদের বাসায় থাকার জীবন শুরু। চারবোনের ভিতরে তিনবোনই বিরক্ত তা নিয়ে। যদিও ভাগ্নে ভাগ্নিরা মামা বলতে অস্থির। থাকার জায়গার বড় অভাব। যাত্রাবাড়ীতে থেকে প্রতিদিন কমার্স কলেজের ক্লাস চলে ইন্টারমিডিয়েটের। কাক ডাকা ভোরে যায় আর রাত করে বাসায় ফিরে। দুপুরে সিংগারা খেয়েই কাটাতে হয়। আরেকবোনের বাসা নিকুঞ্জ। সেখানেও কিছুদিন আস্তানা গড়ে। কিন্তু কোথাও স্থায়ী না। সেই সময় নিকুঞ্জতে দুটা ভালো টিউশনী পেয়ে যায়। টাকা পয়সার কিছু মুখ দেখে জীবনে আনন্দ খুজে পায়। ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষা দেয় যাত্রাবাড়িতে থেকেই। পরীক্ষার শেষ হয়। বন্ধুরা তখন তারা নানান ট্যুর প্ল্যানিং নিয়ে ব্যাস্ত। সে চলে যায় বাড়িতে। বাড়ীতে থাকার কারনে পড়াশুনা কিছুই হয় না আর। বন্ধু বান্ধবের আড্ডা ছাড়া টিভিতে আর লুকিয়ে সিগারেট খাওয়াতেই তার আনন্দ। রেজাল্ট বের হয়। ফলাফল বেশী ভালো না। ঢাকায় এই ভাবে অস্থায়ী থাকাথাকির উপরে জেদ করে সে আর

কবিতা: দোলাচল

দোলাচল
(চেনা-অচেনা-আধোচেনা প্রেক্ষিতের ভেতর গতির সাতকাহন)

আমাদের স্বপ্নের বিরান ক্ষেতে অঙ্কুরিত হতাশার চারা
অনাবিল চলমান বাতাসে দোলে
আর পঁচে যাওয়া বীজগুলো যায় মিশে
ব্যর্থ স্বপ্নের বুকে
নীলিমার নিবিড়তাকে পেছনে ফেলে হয় একাকার

তবু আজও অন্তহীন তিমির অনুভব
যেনবা রাত্রির নক্ষত্র
করুণ আর্তনাদকে দেয় মুছে
গভীরের প্রীতিবোধ- জোৎস্নার পতিত জ্যোতি

আমরা অপেক্ষাতুর তাই
এইসব শস্যহীন পৃথিবীর মাঠে- ইতিহাস সৈকতে
কেননা খসাতে চাই স্বপ্নের লাগাম
ভালোবেসে তুমুল বাজাতে চাই বেদনা আর্তির গান

তবুও আকাঙ্খার মাঠ থেকে সহসা তাড়াতে চায়না সময়

০১/০১/৯৯ ইং।

বাংলা ভাষার উৎসব ২০১৩ ঃ ভাদ্র ভাসান...


বাংলা ভাষার উৎসব ২০১৩ উপলক্ষ্যে জাতীয় মানবাধিকার সোসাইটি আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভাষা সৈনিক আব্দুল জলিল, ভাষা সৈনিক অধ্যক্ষ তমিজ উদ্দিন, গবেষক ড. সফিউদ্দিন আহমদ, অধ্যাপক নিরঞ্জন অধিকারী, সাবেক বিচারপতি সিকদার মকবুল হক, ছড়াকার রফিকুল হক দাদু ভাই, কবি রবীন্দ্র গোপ--গুণীজনদের উপস্থিতিতে শাশ্বত স্বপন রচিত গল্পগুচ্ছ ‘ভাদ্র ভাসান’ বইটির মোড়ক উন্মোচন করছেন কবি মহাদেব সাহা ।

বন্ধ হোক ধর্মের নামে অর্ধমভিত্তিক রাজনীতি

এই র্ধম ভিত্তিক রাজনীতিটা ধর্মের নামে অন্যায়,বিবাদ, জাত বিদ্বেষি মনোভাব ,পবিত্র কোরানী শাষনের নামে অহেতুক হত্যাকান্ড,আত্মঘাতী যা সব ধর্মের জন্য ঘৃনিত অপরাধ, এই সব করে আর এই জন্য এদেরি এটি নিষিদ্ধ করা খুবই প্রয়োজন।অতচ তাদের নেতারা ধর্ষক অবস্তানে থেকেও তাদেরকে পীর মেনে আসছে ,যেন অসুরের নেতা অসুর.. আর এটি হচ্ছে তাদের আসুর ভিত্তিক রাজনীতি।।

পরান আমার শাহবাগে এখন যেন মরে ও শান্তি পাব

শাহবাগ সে যেন পরানের পরান ,আমি তো জানি না রাজনীতি শুধু ভালবাসতে জানি দেশ ও মানুষকে।
যারা ভালবেসেছে তারা সবাই এসে মিলেছে শাহবাগে ,পরান চত্বরে এই ভালবাসা মানুষে মানুষে যার বিবেক জাগ্রত হয়েছে, জাগ্রত হয়েছে যার চেতনা-অনুভূতি।আজ বড় আনন্দের দিন সে কতদিন পরে দেখেছি মানুষের ডাক,এত দিন জানতাম মানুষ তার হারিয়েছে..
তা আজ মিথ্যে হয়ে গেল,,,
মানুষের ডাকে মানুষ এ সেছে .......তাই যত পশু ছিল তারা গেল তলিয়ে।
জয় শাহবাগ,জয় পরান,জয় হোক ভালবাসার।।

আমি ত্রাণপ্রার্থী

ব্লগার মুরুব্বিগো কাছে আবদার, আমারে একটা রুটিন কইরা দেন। রুটিনে ৮ ঘন্টা থাকব ঘুম। ৬ ঘন্টা থাকব চরম বিতৃষ্নার কাম, সুশিল সমাজ যারে কয় "লেখাপড়া"(সাবজেক্ট হইতাছে পদার্থবিঞ্জান নামের মোটামুটি সুখাদ্য, রসায়ন কথিত রস-কষবিহীন আজরাইল, গনিত নামের কুখ্যাত মাস্তান এবং উদ্ভিদবিঞ্জান ও প্রাণিবিঞ্জান নামের খচ্চর দুই ভাই-বোন)। আর ৪ ঘনটা থাকব নেটে গুঁতাগুঁতির কাম। মুরুব্বিরা, বড়ই বিপদে পইড়া আপনাগ কাছে সাহাইয্যের আবদার লইয়া আইছি। কলম আর কাগজ লইয়া যুদ্ধ কইরা আইজকা আমি ক্লান্ত, বিধ্বস্ত, পরাজিত। কলমের কালি আর খাতার কাগজ নষ্ট কইরা জাতীয় সম্পদের ক্ষতি সাধন করাই সার হইছে, কিন্তু কুনো কাম হয় নাই। আমি জানি আপনেরা আমারে খালি হাতে ফিরাইবেন না(ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল করলাম, হে…হে…হে…)। আমি আপনাগো ত্রাণের আশায় অপার হইয়া বইসা আছি…

নিস্ফলা শ্রেষ্ঠ সময় অংশ চার!

অনেক দিন পর আমি সকালে লিখতে বসলাম। রাতে রাতে লিখতে লিখতে এমন অবস্থা হইছে যে রাত ছাড়া লেখারই ইচ্ছা থাকেনা। কিন্তু সারাদিন এই চেচামেচির পরিবেশে থেকে, মাথা ব্যাথা আর মশার কামড় খেতে খেতে বিরক্ত লাগে। আর না লিখলে মনে হয় হুদেই লেখলাম না। এই জটিল পরিস্থিতিতে আজ সকাল সাড়ে সাতটাতেই ঘুম থেকে উঠলাম। চা বানাতে বানাতে ভাবলাম পোস্ট লিখে ফেলি। ক্লাস টেনে থাকতে আমার বাসার উপর তালায় থাকতো ক্লাস মেট মেধাবী ছাত্রী। আম্মু ফজরে উঠেই তার চেয়ার টানাটানির শব্দ শুনতো। আর আমাকে বলতো শান্ত উইঠা পড়, মেয়ে মানুষ হয়ে কত সকালে ঘুম থেকে উঠে! আমিও উঠে যেতাম। এইসব সকালে আম্মুর কথা খুব মনে পড়ে। এখন আর ভোরে ডাক দেয়ার কেউ নাই মায়ের মতো। যখন যতক্ষন খুশী ঘুমানো যায় বলার কেউ কিছু নাই। কিন্তু নিজেরই ঘুমাতে ভালো লাগে না।

শাহবাগ থেকে ফিরে

শাহবাগ থেকে ফিরলাম।
শ্লোগানে শ্লোগানে কম্পিত আমি,, তোমরা।
মাথা ঝাঁকিয়েও সেই শব্দের সংকলন এড়াতে পারছি না, এখনও।
তেড়েফুড়ে বেরিয়ে আসছে............................

”বুকের ভেতর জ্বলছে আগুন
সারা বাংলায় ছড়িয়ে দাও”

বন্ধুরা,
সতর্ক হওয়ার সময় হয়েছে।সতর্ক হও।
শকুনেরা ঘৃণ্য রাজনীতির বিষে মাখামাখি নখর, রক্ত চক্ষু, ভয়ঙ্কর চিৎকারে
ঘরে -বাইরে পাখা মেলতে করেছে শুরু ।

বন্ধু
সতর্ক হও।
নষ্ট রাজনীতি সহজেই নিষ্ফলা করে দিতে পারে তোমায়,
আমার সংহতি, আমাদের শাহবাগ,
সংগ্রামী চেতনা।

বন্ধুরা সাবধান।

শাহবাগকে নিবেদিত

এক
বলেছিলাম ফিরে আসবো
অপেক্ষায় থেকো
থেকো প্রতীক্ষায়
দেরি দেখে ভেবেছো
দিয়েছি উড়াল
গেছি হারিয়ে
স্বপ্নহীনদের ডেরায়
তোমার ভুল ভেংগে
ঠিকই ফিরে এলাম
যেখানে হয়েছে রচনা
বসন্ত বাসর।
বাজছে সানাই
গনমানুষের ,
সেই শাহবাগে
এসো রাখি
হাতেহাত
আমাদের স্বপ্ন হোক
অমর ।
দুই
অনূভবকে অনুভব করবো ভেবে
হাতটা যখনই বাড়াই দেখি
এক রূপালী আলো ছায়া ফেলে হাতে
অনুভবকে খুঁজি চোখের সীমানায়
ও তখন সীমানা পেরিয়েছে
অনুভূতিহীন কোন অন্ধকারে
কিন্তু ওকি জানে সেই রূপালী
আলো এখানে আমার হাতে
হয়ে আছে আজো অদ্ভুত অনুভব!
১০.২.২০১৩

তিন

শাহবাগে আজ কথকতার ফুলঝুড়ি
কথা বলছে জনমানুষ
কথা বলছে জনপথ
এমন করেই যদি কথা বলতে পারতাম
সোচ্চার হতে পারতাম
তোমার দাবিতে, যখন হারিয়েছি তোমাকে !

চার
সব কিছু আজ তারণ্যের দখলে
তাই রাজপথ মেঠোপথের মতো আদুরে
ধূসর আগামীর রঙ এখন বাসন্তি।

শোনা কথায় বইমেলা: ফেব্রুয়ারি ৯

বইমেলা উপলক্ষ্যে সম্ভবত বছর চারেক আগে একটি ওয়েব সাইট প্রকাশিত হয় বেসরকারি উদ্যোগে। সাইটটি তৈরি করেছিলেন আমারই এক পরিচিতজন। এর আগে শুধু বইমেলা নিয়ে কোনো ওয়েব সাইট আমার নজরে আসেনি। ফলে তার তৈরি করা ওয়েব সাইটটি নিয়ে অনেকটাই উচ্ছ্বসিত ছিলাম। তাদের একটা স্টলও বসেছিল মেলা প্রাঙ্গনে- আরও নির্দিষ্ট করে বললে লিটলম্যাগ চত্বরে। সেখানে নতুন আসা বইয়ের নামধাম তোলা হতো। সার্চ করার অপশনও ছিল। সাইটটিতে বইয়ের ক্যাটালগ তৈরি করা হতো ইংরেজিতে, তবে বাংলায় ইমেজ আকারে বইয়ের নাম ও লেখকের নাম থাকতো। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সাইট নির্মাতাকে বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছিলাম যার একটি হচ্ছে পুরো সাইটটাকে বাংলায় করা আর বইয়ের পরিচিতি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা। শুধু বইয়ের নাম, লেখকের নাম, দাম, ক্যাটাগরি আর প্রচ্ছদ থাকলেই বইয়ের পরিচিতি জানা হয় না। বইটা কী বিষয়ে, সেখানে কী আছে ইত্যাদি বিষয়ও জানা দরকার। প্রিন্ট বা ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় স্পেস বা সময়ের সংকট থাকে, সেখানে না হয় এসব কারণে এতো তথ্য দেয়া সম্ভব হয় না; কিন্তু ওয়েব সাইটে তো আর সেই ঝামেলা নেই‍!

আমি গর্বিত আমি একজন ব্লগার (বিন্দু থেকে সিন্ধু..…)

ইন্টারনেটের দুনিয়ায় ঘুরাঘুরি করছি চার বছরের কিছু বেশি সময় ধরে। আর ব্লগিঙে তো একেবারেই নতুন, এর আগে মাত্র ২টা কী ৩টা লেখা লিখেছি। ব্লগিঙের দুনিয়ায় অবশ্য ঘুরাঘুরি বছর তিনেক ধরেই, কিন্তু লেখালেখির সাহস হচ্ছিল না। অবশেষে সাহস করে কলম হাতে তুলে নিলাম। প্রথমে খাতায় লিখি, তারপর সেটা কী-বোর্ডে যায়, সেখান থেকে অনলাইনে। থাকি গ্রামে, বুঝতেই পারছেন আমার অবস্থাটা। গ্রামের মুরুব্বীরা এসব ভালো চোখে দেখেন না। তাদের ধারণা ইন্টারনেট আর মোবাইল মানেই আজরাইল। এগুলো দিয়ে যে ভালো কাজও করা যায় এটা তারা মানতেই নারাজ, তাদের মতে ইন্টারনেট আর মোবাইল মানেই পোলাপান নষ্টের যম!

নিস্ফলা শ্রেষ্ঠ সময় অংশ তিন!

ভেবেছিলাম শাহবাগ নিয়ে লিখবো না আর। কারন চারিদিকে এতো বেশী এই নামের লেখালেখি, তাদের এতো শতো ভালোবাসার আবেগের লেখার ভীড়ে আমার সরল দিনলিপির ঠায় কই? তাও লিখি কারন আমার লেখাতো কীবোর্ড টেপার কষ্ট ছাড়া আর কোনো কষ্ট নাই। লেখা যদিও অনেকে ভালো বলে তাও আমি আমার লেখার কোয়ালিটি নিয়া মোটেও সন্তুষ্ট না। তারপর আছে আবার বানান ভুল আর যতি চিন্হ ব্যাবহারের ভুল ভ্রান্তি। তাও লিখি কারন লেখাতেই যাত্রা লেখাতেই শেষ, আমি ভালো আছি এই নিয়ে বেশ!

প্রাণের দাবি

একে এক,
তোরা সবাই রাজাকার
খুঁজে খুঁজে দেখ।
দুই একে দুই,
কাদের মোল্লা, রাজাকার তুই।
তিন একে তিন,
রাজাকারদের
ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দিন।
চার
একে চার,
রাজাকার তোরা দুনিয়া ছাড়।
পাঁচ একে পাঁচ,
তোরা সবাই রাজাকারের
লাশের উপর নাচ।
ছয় একে ছয়,
দেশবাসী কয়
রাজাকারেরা মানুষ নয়।
সাত
একে সাত,
সবাই মিলে হাতে রাখি হাত।
আট একে আট,
তোরা সবাই শাহবাগে হাঁট।
নয় একে নয়,
আর ছলনা নয়।
দশ একে দশ,
হবে এবার রাজাকারের নাশ।

শাহবাগ একটুকরো বাংলাদেশ

একজন অনুজ আর একজন অগ্রজ এই দুই প্রজন্মের সাথে আছি আমরা , এই তিন প্রজন্মের মিলনস্হান এখন শাহবাগ। অগ্রজ একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা তিনি প্রতিদিন তার অর্ধাঙ্গিনীকে নিয়ে আসেন শাহবাগে স্বাধীনতা উত্তর প্রজন্মকে উতসাহ দিতে। তারা দুজনই শারীরিক ভাবে অসুস্থ বসতে পারেন না , কিন্তু তাতে কি দাড়িয়ে স্লোগান দিতে ভোলেন না। তার অনেক আশা তাদের শুরু করা কাজ আমরা শেষ করবো।
আর অনুজের বয়স একবছরের কম , সে কথা বলতে পারে না ঠিকমতো , তাই বলে সে কিন্তু থেমে নেই , যখন আমরা সমস্বরে বলে উঠি তুই রাজাকার তখন সেও আনন্দে লাফিয়ে ওঠে। সে এসেছে তার বাবার কাধেঁ চড়ে। এসেছে হয়তো একটি রাজাকার মুক্ত দেশ পাবার আশায়। আমরা ওর এই চাওয়াকে কিভাবে অপূর্ণ রাখবো?
যাদের সাথে আছে অগ্রজদের আশির্বাদ আর অনুজদের ভালোবাসা তারা কি হারতে পারে? জয় আমাদের হবেই।

কাফন কোরতা

দ্বীপ নিভে নিভে,অশান্ত মন-কুয়াশাচ্ছন্ন হৃদয় কিছু বলতে চাইঃ
মানুষ তার বিবেককে ঠাই দিবে কোথায়?কারও জানা নেই।।
এই রকম রাই বাংলাদেশ সরকারের কাপুরুষতার লক্ষণ নয়কী?
কাদের ও কিসের জন্য ভয়????
আমরা প্রস্তুত, রক্তের উচ্ছাসে বাঁধ ভাঙ্গাব ,
অসীম জোয়ারে তলিয়ে নিব সব বাঁধা।।
বাংলাদেশে থাকবেনা আর রাজাকার আলবদর,
থাকবেনা সেই রাজ কদর।।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ