অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

প্রতিবাদে উত্তাল শাহবাগ ০৫/০২/২০১৩

সকালে অফিসে যাইনাই, ভাবছিলাম মিরপুরের কসাই রাজাকার কাদের মোল্লার ফাঁসির রায়টা টিভিতে শুনেই একবারে বের হবো। কিন্তু কি থেকে কি হয়ে গেলো... কিচ্ছু বুঝতে পারলাম না... সকাল সাড়ে এগারোটার দিকে আম্মুর সাথে খানিক্ষণ তর্কও করলাম, ফাঁসি ছাড়া অন্য কোনো রায় কেন হবে না সেইটা নিয়া... কিন্তু যখন রায় শুনলাম, তখন হতাশা-ক্ষোভ-রাগ সবগুলা একবারে ঝাঁপায়া পড়ল...

ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ দেখতেছিলাম ফেসবুকে, এর ভিতরেই হঠাত দেখলাম আজকেই এই হঠকারী রায়ের প্রতিবাদে শাহবাগে সমাবেশ। কিছু না ভাইবাই রওনা দিলাম।

জমায়েত দেখে শুধু একটা শব্দই মুখে আসছে

অভূতপূর্ব

সবাই যতটা স্বতস্ফুর্ত ভাবে যোগ দিছে এই সমাবেশে...

আর বেশী কিছু না বইলা কিছু ছবি শেয়ার করি...

001

002

ভালো থাকার কিছু নেই!

ভালো লাগতেছে না হুট করেই। এমনিতে আমি অবশ্য খুব খারাপ থাকি না। তবে আজ কেনো জানি না প্রচন্ড বিষন্ন লাগতেছে। ক্রিকেট খেলে মন মেজাজ হালকা ছিলো কিন্তু তা আর থাকলো না। কসাই কাদেরের ফাসী হলো না এইটা ভাবতে ভাবতেই বারবার মন খারাপ হয়। যদিও আইন আদালতের বিষয় নিয়ে আমার মাথা ব্যাথা কম থাকে। তাও খুব জানতে ইচ্ছা করে এতো মানুষ মেরে শিশু ধর্ষন করেও যদি নিস্কৃতি পায় তাহলে আদালত থাকার মানে কি! ভাবতেছিলাম এতো আশা করে আমাদের ভোট দেয়া, এতো এক্টিভিজম সব কি তবে বিফলে! জানি না ভাবতে ইচ্ছা করতেছে না। অন্য চায়ের দোকানে বসে আছি। চারিপাশে চায়ের দোকানে ছোটোবড়ো লোকজন বসা। কিন্তু কারো সাথেই কথা বলতে ইচ্ছা করতেছে না। শাহবাগ যাবার কথা ছিলো বেরও হলাম কিন্তু যাওয়া আর হলো না। বন্ধু লতা গেলো না কিন্তু আমি বাসা থেকে বের হয়ে চায়ের দোকানে আসলাম। আছি তো আছিই বসেই। কত হাসির কথাবার্তা চলছে তাও হাসছি। সাইফ বললো চলেন ভাই সাব হাটে গিয়ে ইয়া বড় বার্গার খেয়ে আসি। আমি বললাম রীচ ফুড খেতে খেতে ক্লান্ত আর কতো! এদিকে দুপুরে আম্মুর সাথে কথা হলো। আম্মু বলে বাড়ীতে আসবিনা? আমি বললাম জব টব নাই বাড়ীতে যেয়ে কি করবো, ক্লাস তো চলে কিভাবে আসি?

যুদ্ধাপরাধের বিচারের আজকের রায়.. হতাশা :(

যুদ্ধাপরাধের বিচারের দায় আমরা বয়ে বেরাচ্ছি অনেক দিন। দীর্ঘ ৪১ বছর পর ২০ শে জানুয়ারি, ২০১৩ তারিখে ১৬ কোটি মানুষের আকাঙ্খা'র প্রথম রায় পায় বাংলার জনগন। বাংলাদশের স্বাধীনতা যুদ্ধের চার দশক পর সেই যুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আবুল কালাম আযাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকারের ফাঁসির আদেশ হয়েছে। হাসি কান্নায় উদ্বেলিত বাংলার মানুষ... চার দশক ধরে বয়ে বেড়ানো এ দায়... আমরা ভুল রাজনীতির কারণে বয়ে বেরাচ্ছিলাম... প্রথম রায়ের পর স্বাভাবিক ভাবেই আমাদের দৃষ্টি কেন্দ্রভূত হয় বাকি বিচারের। আজ কাদের মোল্লার অপকর্মের বিচারের রায় ঘোষনা হয়। আমরা মর্মামহত ... সত্যি মর্মাহত..

এক নজরে আজকের বিচারের রায়:
১ম অভিযোগ :
তিনি একাত্তরের ৫ এপ্রিল মিরপুর বাঙলা কলেজের ছাত্র পল্লবকে গুলি করে হত্যার নির্দেশ দেন
রায়: ১৫ বছর কারাদণ্ড

২য় অভিযোগ :
একাত্তরের ২৭ মার্চ তিনি সহযোগীদের নিয়ে কবি মেহেরুননিসা, তাঁর মা এবং দুই ভাইকে মিরপুর ৬ নম্বর সেকশনের বাসায় গিয়ে হত্যা করেন
রায়: ১৫ বছর কারাদণ্ড

৩য় অভিযোগ :

প্রিয় ব্লগার ভাই/বোনেরা

প্রিয় ব্লগার ভাই/বোনেরা
ঝরা পাতার শুভেচ্ছা। এ বছর বইমেলায় আমার দুইটি বই--একটি গল্পগুচ্ছ, ভাদ্র ভাসান (১ম মুদ্রণ, জিনিয়াস পাবলিকেসন্স); একটি উপন্যাস, হৃদয়ের এপিঠ-ওপিঠ ( ২য় সংস্করণ, ১ম রোদেলা প্রকাশ) বের হয়েছে। আপনাদের আশীর্বাদ কামনা করছি। সেই সাথে বই মেলার জিনিয়াস পাবলিকেশন্স স্টল নং ৩৬০-৬১, রোদেলা প্রকাশনী স্টল নং ২০১-২ এ আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।
--শাশ্বত স্বপন

Vadra vasan2.jpg

`12.jpeg

২০১৩: বইমেলা!!! বইমেলা!!! বইমেলা!!!!

বাঙালির প্রাণের মাস ফেব্রুয়ারি... ভাষার মাস ফেব্রুয়ারী... সেই ভাষাকে সম্মানিত করতে এই মাসে গোড়াপত্তন ঘটে বই মেলার... কালের বিবর্তনে এই বইমেলা ঢাকাবাসীকে ছাড়িয়ে সারা বিশ্বের বাঙালির প্রাণে দোলা দেয়ার একটি জায়গা তৈরি করে নিয়েছে। প্রতি বছর এই বই মেলাকে ঘিরে উৎসবের আমেজ তৈরি করে আমাদের মনে। ছাপার অক্ষরে প্রকাশ পায় হয় হাজার হাজার বই এবং ব্লগারদের বই্ও। শুধু মাত্র এই এক মাসে যে পরিমাণ বই ছাপা হয় তার অর্ধেক বইও বাকি ১১ মাসে ছাপা হয় না।

যাক সেসব কথা। বই মেলাকে ঘিরে আমাদের ব্লগারদের কি কি বই প্রকাশ হয়েছে তার একটি ছোট্ট তালিকা তৈরি করতে চাই যাতে আমাদের ক্রয় তালিকায় থাকা প্রিয় মানুষদের বইয়ের কথা যেন ভুলে না যাই। সকল ব্লগারদেরও অনুরোধ জানাই যেন মন্তব্যের ঘরে প্রিয় ব্লগারদের বইয়ের বিস্তারিত জানিয়ে যান। সকল ব্লগারদের প্রকাশিত বইয়ের তালিকা আপনার হাতের মুঠোয় থাক।

শোনা কথায় বইমেলা: ফেব্রুয়ারি ৪

ব্লগে লেখালেখির একটা বড় সুবিধা হচ্ছে যে, মানুষজন ব্লগের লেখা এবং লেখকের ব্যাপারে কী ভাবছে- তা সহজেই জানা যায়। এখানে ভুংভাং করে পার পাওয়ার কোনো উপায় নেই। পত্রিকায় একটি কলাম লিখলে সেই পত্রিকার তালিকাভুক্ত কোনো কলামিস্ট যদি ভুলত্রুটি ধরিয়ে দেয় বা প্রশংসা করেন, তাহলে হয়তো কলাম লেখকের একটি নির্দিষ্ট লেখার পক্ষে বা বিপক্ষে দুএকটা ছত্র থাকতে পারে। না হলে কলামিস্ট যা লিখবেন, তা-ই সই। আজকাল অবশ্য পত্রিকাগুলোর ইন্টারনেট সংস্করণে মন্তব্য করা যায়- কিন্তু তাও মডারেটেড। পত্রিকা কর্তৃপক্ষের পছন্দ না হলে অনেক মন্তব্য প্রকাশ হয় না। আমি নিজে একটি বড় পত্রিকার কয়েকটি খবর ও কলামে একসময় কিছু মন্তব্য করেছিলাম- কিন্তু অধিকাংশই প্রকাশ হয় নি। কলামিস্টের ভুল ধরিয়ে দেয়া মহাপাপ! পত্রিকার আদর্শের বাইরে মন্তব্য করা গর্হিত কাজ!

বইমেলা সরগরম - ০৪

বাঙালীর জীবনে ষাট বছরের উর্ধ্বে বেঁচে থাকাই যেন একটা অভিশাপ। বাংলার আবহাওয়া-ভালো স্বাস্থ্য বহুদিন রক্ষার পক্ষে অনুপযোগী-তাই ষাটের উর্ধ্বে বাঙালীকে আমি চিরকালই দেশের উপর একটা বোঝা বলে মনে করেছি- আজো করি। ষাটের পরে আর বাঙালীর উৎপাদন শক্তি বা সৃষ্টিশীলতা থাকে না বলে আমার বিশ্বাস সে শুধু গিলিতচর্বন করে অতীতের মধ্যেই বেঁচে থাকতে চায়।
তাই আমি সাটের পরেই লিখছি অতীতের কথা।
কামরুদ্দীন আহমদ- বাংলার মধ্যবিত্তের আত্মবিকাশ।

কামরুদ্দীন আহমেদের বইটি লেখা শুরু হয়েছিলো ১৯৭১ সালে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর কারাগারে বন্দী অবস্থায়, সরদার ফজলুল করিম, আতাউর রহমান খাঁ এবং আরও অনেকেই জুলাই মাসের শেষের দিক গ্রেফতার হন, তারা কারাবন্দী ছিলেন এবং পাকিস্তানী সেনাবাহিনী আত্মসমর্পনের পরদিন ১৭ই ডিসেম্বর তারা সবাই মুক্তি পান। সম্ভবত পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পনের বিষয়টা নিয়ে এত মাতামাতি হয়েছে ১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পন, ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে তাদের বন্দীজীবন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ার পর ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে বন্দী সবাই মুক্তি পেয়েছেন পরের দিন সকালে।

সময়ের লাশ ৪ র্থ পর্ব

মনে পড়ে, আর একদিনের কথা। সেদিন পুকুরে এক ঘটি জল আনতে গিয়েছিলাম লক্ষ্মী পূজাটা সম্পন্ন করার জন্য। অনেকটা ইচ্ছে করেই গিয়েছিলাম। গিয়ে দেখি ও স্নান করছে। পায়ের কাপড়টুকু উঠিয়ে যেই ঘটিটা পানিতে ডুবিয়েছি অমনি সে বলতে আরম্ভ করল, আমি যাকে ভালোবাসি তার পা আমি কোনদিন দেখিনি। তার বুকে হেঁটেছি, শুয়েছি। একদিন হয়তো তার কোলে ঘুমিয়ে যেতে হবে। আমি বেশ লজ্জা পেয়েছিলাম। কোন কথা না বলেই সেদিনও চলে এলাম। ঘাটের সিঁড়ির চারটি ধাপ পার হতেই ও আমাকে পানি ছিটিয়ে দিল। বলল, ‘তুমি সুন্দর, আমার সেই প্রেমিকার মত--ঠিক প্রেমিকার মত!’ কে ওর প্রেমিকা? সেদিন বুঝতে পারিনি। অনেক পরে বুঝতে পেরেছি। আরেকদিন কোন এক কথা প্রসঙ্গে বাবাকে বলেছিল, ‘জানেন স্যার, এই বাংলার সবাইকে আমার বড় আপন মনে হয়। আমার তো মা-বাবা কেউ নেই। তাই এ দেশ, এই মাটিই আমার মা-বাবা।’ ওর সাথে কখনও কথা বলিনি। কেন? লজ্জা হয়? না, অন্য কিছু--আমি জানি না। আমাদের ব্যাপারটা মা-বাবা-রাম সবাই জেনে গেছে। তাই আমাকে প্রায়ই মায়ের বকা শুনতে হয়। সুমাদকেও একবার বকা শুনতে হয়েছে। একদিন দূর থেকে ওকে দেখেছিলাম। ও কাঁদছে। কেন কাঁদছে? কেন?

যদি আসে তব কেন যেতে চায়, দেখা দিয়ে তব কেন গো লুকায়

............................................................................................................................................................................................................................
যখন তোমার সঙ্গে আমার হলো দেখা
লেকের ধারে সঙ্গোপনে
বিশ্বে তখন মন্দা ভীষণ
রাজায় রাজায় চলছে লড়াই উলুর বনে

লেকের ধারে না, ছেলেটার সঙ্গে মেয়েটার দেখা ক্লাশে। দেখা বলা হয়তো ঠিক না। বলা যায়, ছেলেটা মেয়েটিকে প্রথম দেখলো ক্লাশ রুমে।

ছেলেটি খোঁড়েনি মাটিতে মধুর জল
মেয়েটি কখনো পরে নাই নাকছাবি
ছেলেটি তবুও গায় জীবনের গান
মেয়েটিকে দেখি একাকী আত্মহারা

মেয়েটি একাকী আত্মহারাই থাকে। নতুন ক্লাশ। কেউ কাইকে চেনে না। তবুও মেয়েটির কোনো দ্বিধা নেই। সে সবার সঙ্গে মেশে কথা বলে। লাজুক ছেলেটি কেবল দূর থেকে দেখে। নামও জানে না। কেবল জানে রোল ২৬। ছেলেটির রোল ১৯।

একদিন ছেলেটিকে উৎফুল্ল দেখা যায়। ছেলেটিকে বলি, খবর কি? কোনো উত্তর দেয় না। ছেলেটি তার বন্ধুকে বলে। তার বোনটি যে বন্ধুর মতোই। রোল ২৬ এখন রোল ১৯ এর সঙ্গে অনেক কথা বলে।

শোনা কথায় বইমেলা: ফেব্রুয়ারি ৩

বইমেলা নিয়ে ফেসবুকে মানুষের উচ্ছ্বাস ভালোলাগে। কারও নতুন বই বেরুচ্ছে, কেউ বইমেলা থেকে কিনে এনেছেন গাদাগাদা বই, কেউবা শুধুই বেড়াতে গিয়েছেন- দেখা হয়ে গেছে নানান জনের সাথে। বছর দশ-পনের আগেও মানুষ কি বইমেলায় নিছক আড্ডা দিতে যেত? আমার অভিজ্ঞতা তেমনটি বলে না। তখন মানুষজন যেতেন একটু ঘুরতে, দুয়েকটা বই কিনতে, এই ফাঁকে হয়তো পরিচিত কয়েকজনের সাথে দেখা হয়ে যেত। লেখকদের কথা অবশ্য আলাদা, তারা অপর লেখকদের সাথে আড্ডা দিতে যান, অটোগ্রাফ দেবার জন্য যান; কিন্তু সাধারণ মানুষদের জন্য বইমেলা একটা আড্ডার স্থান, সামাজিকতার স্থান হিসেবে দিন দিন বইমেলাটা একটা দারুণ জায়গা হয়ে যাচ্ছে। বিষয়টা দারুণ লাগে, কারণ এই ধরনের আড্ডাতে বই-ই শেষ পর্যন্ত মুখ্য বিষয় হয়ে দাড়ায়। অনেকের প্রতিদিন বই কেনার সামর্থ্য থাকে না, কিন্তু বইমেলায় না গেলে কেমন যেন ফাঁকা ফাঁকা লাগে, সন্ধ্যেটা কাটতে চায় না- বইমেলা যে এই আকুতিটা তরুণপ্রাণে সৃষ্টি করে দিয়েছে- এ কি কম গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার!

এয়েচিগো পিরে এয়েচি

তা ভাই বোন বন্দুরা জিগাইতেই পারেন কই গিয়েচিলাম আর্কৈত্থিকা ফিরে এয়েচি। না না না। আমি কুথাউ যাইনাই। আমার ইন্টার্স্টেট মানে ইন্টার্নেট চইলা গেচিলো আর্কি আমার্থিকা। যাউজ্ঞা এলা, ফিরে যকন এয়েই পরেচি আপ্নেগোর সম্মুকে নিয়ে এয়েচি এক জোশিলা বান্দর্নাচের খেলা। বাচ্চারা এক্টু পিচনে গিয়ে বসো, বুঈড়ারা এট্টু বাত্রুম্ফাত্রুম ঘুইরা আসেন............

মজা

Fishing

নৃত্য

চোখ টিপি

হুক্কা

তো কি হৈলো? খেলা ফিনিশ Confused

অনিবার্য অলসতার দিনকাল

শরীর জুড়ে ক্লান্তিময় বিষন্নতা। তাও ভাবলাম লিখে ফেলি পোস্ট। পোষ্ট লিখলেই কাজ শেষ নয়তো মনে হয় ব্লগে লিখলাম না কেনো। ব্যাসিকেলি আমি অলস লোক না। ঘুমাতে অতো বেশী ভাল্লাগে না। কেউ কোনো কাজ দিলে আর আমি তা করতে পারলে মানা করি না। নিজের পকেটের পয়সা খরচ করেও অনেকের অনেক কাজে নেমে গেছি। তাই বলা যাবে না আমি অলস। তবে আমি নিজে অনুভব করি যে আমি খুব অলস। নয়তো এই চায়ের দোকানে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকা কোনো নরমাল মানুষের জন্যে সম্ভব না। এমন না যে সব সময় অনেক লোকজন থাকে। এমন অনেক সময় গেছে যখন আমি আর চায়ের দোকানদার বাদে কাক কুত্তাও নাই। বসে আছি আছি তো আছিই একটানা একি ভাবে। এই অন্তহীণ অলস সময় গুলো আমি অন্য কিছু করলে নিশ্চই অনেক কিছু হয়ে যেতো। শুধুমাত্র বাসা থেকে পড়াশুনাটা করলেও অনেক গুলা বই শেষ করা যেতো, যা অনেক দিন আমার আলমারি হীন ঘরে ফ্লোরে পড়ে আছে।

~*-নীরবের বন্ধু খোঁজা আর আত্মকথা-*~

কিছু ব্যাপার জীবনকে সত্যিই পিছিয়ে দেয়

নীরব নামের ছেলেটা দিনের পর দিন জীবন যুদ্ধে পরাজিত হতে হতে পাথর হয়ে যাচ্ছে। নিজের দুর্বলতা,কষ্ট, কিম্বা ভালবাসার কথা নিজের মনের মধ্যেই পুষে রাখতে পছন্দ করে নীরব। কখনো কথা বলতে থাকে রাতের তারার সাথে চুপিচুপি।

কাউকে কিছু বলতে গেলেই নীরবের শুধুই মনে হতে থাকে-
নিজের গোপনীয়তা যদি কারো কাছে দৃষ্টিকটু হয়?
কিম্বা কেউ যদি একান্ত ব্যক্তিগত ব্যপারটাকে তুচ্ছ করে ? তামাশা করে?
এমন ও তো হতে পারে যে গোপন কথা আর গোপন থাকলো না ?

ভালোবেসে নীরব একবার আকাশকে বলেছিল তার নিজের জীবনের একান্ত কিছু গোপন কথা , সামাজিক ভাবে তার হেয় হবার কথা , তার পরাজয় এর কথা , তার পরিবার এর কিছু অপ্রিয় সত্য কথা । নাহ নীরব এর কথা নীরবে সইতে পারেনি আকাশ। প্রবল ঝড় আর বৃষ্টি দিয়ে আকাশও বুঝিয়েছিল নাহ এ আমি সইব না। তোমার কষ্ট তোমারই থাক। তাই নীরব এখন বন্ধু হিসেবে রাতের তারা কেই খুঁজে নিয়েছে , দিনের আলোয় যে সত্যিই নির্বাক।

আজ নীরব বাস্তবতা বোঝে । দারিদ্রকে মোকাবেলা করতে জানে ।

বইমেলা সরগরম - ০৩

ভেবেছিলাম পুলিশ কন্ট্রোল রুমে গিয়ে বলবো আপনারা যেভাবে বাংলা একাডেমীর গেটে মেটার ডিটেক্টর লাগাচ্ছেন তা দিয়ে হয়তো বই মেলার প্রথম সপ্তাহ কোন মতে পার হয়ে যাবে কিন্তু বই মেলার মূল ভীড়ের সময় আপনারা গাবতলী পর্যন্ত মানুষের লাইন তৈরি করে ফেলবেন। তবে গিয়ে দেখলাম বাংলাদেশের পুলিশকে যতটা নির্বোধ ভাবি তারা ততটা নির্বোধ না, তারা ঠিকই বেশ বড় পরিসর নিয়ে মেটাল ডিটেক্টর বসিয়েছেন। তাদের সুচিন্তিত পদক্ষেপের জন্য তাদের ধন্যবাদ।

ঘুরে এলাম বগালেক-কেওকাড়াডং-তাজিংডং-নাফাকুম

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ