বইমেলা সরগরম - ০১
পড়াশোনা সীমিত হতে হতে এখন ইতিহাসমুখী, গত ১ বছর কিংবা ২ বছরে মূলত ইতিহাস আর আত্মজীবনি পড়েই সময় কাটলো। উপন্যাস গল্প পড়া হয় নি, এ বছরও বইমেলা মূলত এমন বইয়ের খোঁজেই কাটবে। এক ধরণের তালিকা তৈরি হয়েই আছে মাথার ভেতরে, বই খোঁজার সময় সে তালিকা ধরেই অসচেতন খোঁজটা অব্যহত থাকবে, তবে পুরোনো প্রকাশনীর সাথে পুরোনো বইগুলোও বইমেলার স্টল থেকে হারিয়ে যায় ব্যক্তিগত সংগ্রহে অনাদরে পরে থাকে, সেসবের গায়ে ধুলো জমে এবং কোনো একদিন পরবর্তী প্রজ্ম ঘরের ঝুল ঝেড়ে পরিস্কার করতে গিয়ে ২০ টাকা কেজিতে বিক্রী করে দেয় কাগজের দোকানীর কাছে।
সেসব বই বাছাই হয়ে চলে আসে পুরোনো বইয়ের দোকানে ফুটপাতে, সেখানে হয়তো আগ্রহী মানুষ খুঁজে পায় সেসবের হদিশ এবং পুনরায় সেসব চলে যায় বইয়ের তাকের পেছনের সারিতে, অপেক্ষা করে প্রজন্ম বদলের।
স্থায়ী অপেক্ষা
স্থায়ী অপেক্ষা
কাঁচের ওপারে জাফরি রোদ
ব্যস্ত রাস্তা, হুড়োহুড়ি বেশ
এপারে আয়না ঘরে আমাদেরও
দমবন্ধ, বাতাসে কর্মযজ্ঞের রেশ।
রবি থেকে বৃহস্পতি একই বৃত্ত
এক ই মুখ, একই অসন্তুষ্ট চিত্ত;
জীবন মানে আদতে নারদ নৃত্য,
তোমাকে মাড়িয়ে আমি চলে যাব,
কেউ বোঝে না সবাই-ই
”কর্পোরেট ভৃত্য”।
স্থায়ী নয় সুখ, নয় স্থায়ী নিঃশ্বাস
অপেক্ষায় সেই পুরানো-
’তিন এবং আধ’ মাটির আবাস।।
ব্ল্যাক টিশার্ট
কালকের ঘটনা এক ছোটো ভাই চায়ের দোকানের। তার সাথে রিক্সায় গিয়েছিলাম আজিজে। সাধারনত আমি আজিজে গিয়ে বিদিত বাদে আর মনির সাহেবের চায়ের দোকান এইটুকুতেই যাত্রা মাঝে মধ্যে প্রথমাতে বই দেখা সেইখানে কিছু স্টার টাইপের লোকজনের আনাগোনা হজম করা এতোটুকুই কাজ আমার। আগে লিটল ম্যাগের ওদিকে খুব যেতাম একা একাই পড়তাম কিনতাম কিন্তু লিটলম্যাগ ওয়ালারাও যেমন সাহিত্যের ভরংবাজ আমিও তেমনি তাই আর যাই না। কিন্তু সাইফের সাথে গেলাম সাইফ কিনবে ব্যাগ। ব্যাগ পছন্দ করে রাখছে গ্রাসহুপারসের কিনে ফেলবে। সাথে তার কোর্তা কেনার খায়েশ হইছে আমি তাকে বুদ্ধি দিলাম আরটিস্টিতে গেলে ভালো পাবা সে কইলো ভাই ব্রাকে পড়লেও আমার অতো হেডম নাই তাই আজিজেই খুজি। আজিজে কোর্তা পাওয়া গেলো না। ব্যাগও শেষ লাভের লাভ হলো আমি একটা লেইড জ্যাপলিন মার্কা গেঞ্জী পাইলাম আর গ্রাসহুপারস থেকে কিছু খাতা আর কলম কিনলাম। ফেরার সময় ডিভিডি কিনলাম। দোকানদার আশস্ত করলো আমারে অন্তত সতেরোটা ছবি ভালো দেখতে পারবেন। আমি হাসতে হাসতে উনারে কই বাংলাদেশের চেয়ে সস্তা সিনেমা দেখার দেশ আর হয় না ৭০-৮০ টাকাতে গড়ে আটটা নয়টা ছবি কোনওরকমে দেখা যায় এরকম কপাল কয়দেশের আছে।
ফেইসবুক স্টেটাসমালা ৪
এক.
ভালো ছিলে কৃষকায় মেঘ, সংবিগ্ন তাড়ায় উড়ে
যাবে দূরবর্তী দেয়ালের আঁচড়ে ক্ষতবিক্ষত
হাজারো কাহিনী মেলে রাখা বিপন্ন পলেস্তারায়।
তবুও নিয়তি জেনো, বেতার বার্তার মতো ঠিক
ছুঁয়ে দেবে আঁধারের পাখিকূল - অসহায় মোহে।
দুই.
শহরের পথে পড়ে থাকা রোদকণা
ধীরে কুয়াশায় বিলীন হবার কালে
আমি দাঁড়াবো সেখানে; লাল শার্ট,
ক্ষয়ে যাওয়া জিন। সিগারেট জ্বেলে
দিলেই আমার ম্লান বলিরেখাগুলো
আপনার চোখে পড়বে...বয়সের ভার;
তিন.
কার বা কাদের সহযোগিতায় বাচ্চু রাজাকার পালিয়ে গেলো সেইটার তদন্ত আর বিচার জরুরী এখন। পুলিশী নজরদারীর পরেও কিভাবে একজন যুদ্ধাপরাধী দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে পারে তার জবাব সরকারকেই দিতে হবে...
চার.
আহারে দেবদূত! তুমিও ভূতের ভয়ে ভয়ে
রয়ে গেছো পূত পবিত্র শরীর
অবদমনে দমনে ক্ষয়ে গেছে
তোমার মনন, প্রাণ ও মন বিষণ্ন...
পাঁচ.
কুয়াশায় দৃষ্টি সীমানা ঘোলাটে হয়ে আসে;
তবু তারে আরামদায়ক মনে হয়...
কুয়াশায় আড়াল হয়ে যায় জাগতিক নানা রূপ,
তবু সে যেনো নতুন রূপের সূচনা...
ছয়.
শিরোণামহীন
অনেক দিন ব্লগ লেখা হয় না, অবশ্য তেমন বিখ্যাত লেখক না তাই গলা উঁচিয়ে বলতেও পারছি না " বুঝলে আসলে রাইটার্স ব্লক, লেখা আসছে না।" বেশ কয়েকবারই লেখা শুরু করতে গিয়ে মনে হয়েছে আসলে বিছানার উষ্ণতা মনোহর, রক্তচোষা মশা আর শীতের সাথে ধ্বস্তাধ্বস্তি না করে আরামদায়ক উষ্ণতায় নিজেকে সমর্পন করলেই ভালো। এলেমেলো ভাবনা মনে তৈরি হয়েছে বেশ কয়েক দফায় কিন্তু সেসব গুছিয়ে লেখার আগ্রহ হয় নি।
যদিও ইংরেজী উপন্যাস কবিতা পড়া হয় না তারপরও একটানা ইংরেজী পড়ার কিছু সমস্যা আছে, ইংরেজী গদ্য বাংলা গদ্যের চেয়ে অনেক বেশী সাবলীল বলিষ্ঠ ঋজু এবং গোছানো, যদিও গত এক শতকে ইংরেজী গদ্য বিশেষত প্রবন্ধ নিবন্ধজাতীয় লেখায় গদ্যের ব্যবহারে ভিন্নতা এসেছে কিন্তু একটানা যতিচিহ্নবিহীন জটিল বাক্যের এক ধরণের মোহ আছে, কিছুটা সময় লাগে অভ্যস্ত হতে কিন্তু একবার অভ্যস্ত হয়ে গেলে গদ্যের মজাটা উপলব্ধি করা যায়।
এক ধরণের দিনলিপিও বলা যায়
১.
ওয়াশিংটন ডিসির মেট্রো স্টেশনে লোকটি বেহালা বাজাতে শুরু করলো। জানুয়ারির সকাল। তিনি ৪৫ মিনিট ধরে বেহালা বাজালেন। ব্যস্ত সময় তখন। ওই ৪৫ মিনিটে ১১শ' মানুষ স্টেশনে এসেছিল। কিন্তু সবাই ব্যস্ত। তিন মিনিট পরে একজন বৃদ্ধ চলতে গিয়ে একটু থামলেন, তার দ্রুত চলে গেলেন। এক মেয়ে চলার পথে একটা ডলার রেখে গেলেন। একজন কয়েক সেকেন্ড থেমে বেহালা বাদন শুনে চলে গেলেন। সবচেয়ে বেশি সময় ধরে বেহালা শুনলো তিন বছরের এক শিশু। কিন্তু মা তাকেও নিয়ে গেলেন।
ওই ৪৫ মিনিটে মাত্র ৬ জন খানিক সময়ে থেমেছিলেন, ২০ জন চলার পথে অর্থ দেওয়ায় বেহালা বাদক পেলেন ৩২ ডলার। যখন বেহালা থামিয়ে লোকটা চলে গেল, কেউ তা খেয়ালও করলো না।
পুরো বেহালা বাদনের আয়োজন করেছিল ওয়াশিংটন পোস্ট। মানুষের পছন্দ ও অগ্রাধিকার নিয়ে একটা জরিপের অংশ হিসাবে।
বেহালা বাদক হলেন জশুয়া বেল। এই সময়ের সেরা বেহালা বাদক। এর দুইদিন আগে তিনি বস্টন থিয়েটারে বেহালা বাজিয়েছেন, টিকেটের গড় মূল্য ছিল ১শ ডলার, প্রতিটি টিকিটই বিক্রি হয়ে যায়। অথচ মেট্রো স্টেশনে তাঁরই বেহালা বাদন কেউ শুনলো না।
ম্যুরাল রিভিউঃ অদিতি কবির
"ম্যুরাল", আমরাবন্ধু ব্লগ সংকলন ১ নিয়ে ব্লগার অদিতি কবিরের একটি রিভিউ প্রকাশিত হয়েছে অনন্যা ম্যাগাজিনে! এবি ব্লগারদের সুবিধার্থে পুরো লেখা টুকু তুলে দিলাম এই পোস্টেঃ




মূল লেখাটি পাওয়া যাবে এইখানে অথবা এইখানে।
মূল লেখার স্ক্রিনশট আপনার পিসিতে নামিয়ে পড়ার জন্য এইখানে ক্লিক করুন।
ক্ষ ব্যান্ডের গান নিয়ে বিতর্ক
শুরু হইছে 'ক্ষ' ব্যান্ডের একটি গান নিয়ে সামাজিক গনমাধ্যমে ব্যাপক ঝড়। গানটা আমার কাছে শুনতে ভালোই লাগছে। যে আবেগ দিয়ে সে গানটা গেয়েছে ... তার সেই আবেগ আমাকে কিছুটা হলেও নাড়া দিতে পেরেছে।
কথা হচ্ছে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমির জাতীয় সঙ্গীত নিয়ে। জাতীয় সঙ্গীতের একটা প্যাটার্ণ রাষ্ট্র নির্ধারণ করে দেয়। তার বাইরে যাওয়াটা আসলে নিয়মের অনিয়ম বলা হয়ে থাকে।
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি' গানটির প্রথম দশ লাইনকে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে গ্রহণ করা হয় মুক্তিযুদ্ধের শুরুতেই। আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করা হয় স্বাধীনতার পরে। ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি জাতীয় সংসদে স্বরলিপিসহ জাতীয় সংগীত বিল পাস হয়। পরে সংগীতজ্ঞ সমর দাসের (প্রয়াত) তত্ত্বাবধানে ব্রিটেনের বিবিসি স্টুডিও থেকে জাতীয় সংগীতের অর্কেস্ট্রেশন তৈরি করে আনা হয়। এই সুরই বাজানো হয় রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানাদিতে। কিন্তু অধিকাংশ শিল্পী জাতীয় সংগীত গাওয়ার সময় অনুমোদিত স্বরলিপি ও সুর অনুসরণ না করে তাঁরা ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদিত গায়কী অনুসরণ করছেন।
ও সুবাতাস
সুবাতাস, এপিঠ ওপিঠ বয়ে নাও বাতাবিলেবুর ঘ্রান
কাদা জলে ভিজেছে উন্মাতাল নক্ষত্র ঘর
আজ কবে কোথায় তার গান গেছে মিশে
বুকের খোলা মাঠ, ব্যালকনি কার্নিশে
জানি না, কখনো তার রাখিনি উত্তর।
ও সুবাতাস, উড়ে যাও এমাথা ওমাথা
ক্লান্তিহীন সাদা রঙ হাঁস
তাহার ঠোঁটেতে বয়ে চলে ফসফরাসের ঢেউ
আজন্ম র্তীথ, তেমাথা তিতাস।
সুবাতাস, এ কেমন নিরক্ষ দাগ
জল মিলে যার জানকির পরিণাম
পারমিতার চোখে পৃথিবীর ভূভাগ
আমার হৃদয়ে হেমলক, কালঘাম।
(১০.০১.১৩ {c}MNI)
বড়দিন ১৯৬২ - যে রাতের কথা অজানা অনেকেরই
যেভাবে বিকৃত হয়েছে ১৯৭৫ এর ১৫ই আগষ্টের পরে আমাদের ইতিহাস, তাতে ২৫শে মার্চ মধ্যরাত্রিতে বঙ্গবন্ধুর বেতারে ভেসে আসা সেই বাণীগুলোর আগ পর্যন্ত কিংবা ৭ই মার্চের আগ পর্যন্ত অনেকেই মনে করি স্বয়ং বঙ্গবন্ধুও নাকি চেয়েছিলেন স্বায়ত্ত শাসন। দোষ আমাদের নয়, ঠিক এভাবেই প্রচার করা হয়েছে দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশী সময় ধরে। আজ জানবো জাতির এই মহান নেতা কত আগেই মনস্থির করে ফেলেছিলেন স্বাধীন রাষ্ট্রের, কত আগেই তিনি স্বপ্ন দেখেছিলেন স্বাধীন বাংলার তার অন্যতম এক ঘটনা।
র্যাগিং! বন্ধ হোক বিকৃত আনন্দের উৎসব।

আনন্দ ভাল, তবে সেটি করতে গিয়ে অন্যের বেদনার কারণ হওয়ার অধিকার কারও থাকতে পারেনা। অথচ র্যাগিং নামের এক অদ্ভূৎ ও আদিম আচরন রয়েছে যা আমাদের দেশ ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলংকাতে দেখা যায়। র্যাগিং এর নামে বিশ্ববিদ্যালয় সহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সিনিওর ছাত্র/ছাত্রীরা নবীন ছাত্র/ছাত্রীদের মানসিক ও শারিরীক ভাবে পীড়ন করে থাকে। এর চর্চা চলে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। এর ফল হয় ভয়াবহ। বহু নবীন ছাত্র/ছাত্রী মানসিক আঘাতের কারণে পরবর্তীতে আর স্বাভাবিক আচরন করতে পারেনা, কেও কেও আত্মহত্যাও করে ফেলে। র্যাগিং এ শ্রীলংকার পরিস্তিতি বিশ্বে সবচেয়ে ভয়াবহ। ভারতে এর ক্ষতিকর দিক বিবেচনা করে সরকারী উদ্যোগে ওয়েবসাইট করা হয়েছে, টোল-ফ্রী টেলিফোনসহ দ্রুত অভিযোগ ও সত্যতা প্রমান সাপেক্ষে দ্রুত বিচারের ব্যাবস্থা করা হয়েছে।
একটি রোবটের আবেগ
সময় কত দ্রুত কেটে যায় !!! এই তো সেদিনের কথা, সারাদিন অফিস করে গিয়েছিলাম একটা পার্টিতে। পার্টি যখন প্রায় শেষ তখন, হঠাত বড় আপার ফোন, ধরতেই জিজ্ঞেস করলো, কোথায় তুমি ?
আমি বললাম, এইতো একটু বাইরে আসছি।
তখন হঠাত বড় আপার কন্ঠ ভারী হয়ে গেলো, বললো তারাতারি বাড়ির উদ্দেশ্যে রউনা দাও । কাদতে কাদতে বললো, আব্বা আর নেই ।
আমি আর কিছুই জিজ্ঞাসা করতে পারলাম না। শুধু নিজেকে অস্তিত্বহীন মনেহল । বললাম আচ্ছা।
তারপর ঠিক এমন সময়েই রউনা হয়েছিলাম মৃত বাবার মুখটি দেখতে।
আজ আবার যাচ্ছি , দেখতে দেখতে একটি বছর কেটে গেলো, ছায়াহীন অবস্থায় বেচে আছি। কোথায় যেন একরাশ শূন্যতা। এখন আর শীতের দিনে কেউ কল করে আমায় বলে না, বেশিরাত পর্যন্ত বাইরে থেকো না, আর ঠান্ডা লাগিও না, তোমার তো আবার ঠান্ডার সমস্যা। এই বুঝি আমার একমাত্র হাহাকার।
মাঝে মাঝে বন্ধুদেরকে খুব ভাগ্যবান মনে হয় যখন দেখি ওদের বাবারা ওদের খোজ নিচ্ছে। তখন একটি দীর্ঘশ্বাস ফেলে আপন মনে বলি, বাবা যেখানেই থাকো, ভালো থেকো। হয়তো তোমার ভালো ছেলে হতে পারিনি, কিন্তু বিশ্বাস করো খারাপ ছেলে ও হইনি । আর কথা দিচ্ছি হবোও না।
শিরোনাম হীন-১
১.
কিছু দিন আগে আমার এক ছোট বোন হঠাৎ মজার একটি বিষয় জানায়। গুগল চাচাকে আমার নাম দিয়ে সার্চ দিলে নাকী আমার লেখার লিংক-টিংক চলে আসে। স্বাভাবিকভাবেই আনন্দিত এবং চিন্তিত হলাম। কারণ ইন্টারনেট জিনিষটা এদেশের অর্ধ শিক্ষিত ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের পাল্লায় পড়ে চরিত্রহীণ অবস্থায় আছে! কে কি ছেড়ে দিবে ইন্টারনেটে পরে আমাকেই বিব্রত হতে হবে। ফলে নিজে সতর্কভাবে সার্চ করা শুরু করলাম আমার অপ্রিয় বন্ধুরা কোন মশকরা করেছে কিনা তা দেখার জন্য। সার্চ দিয়ে দেখছি, কোনই ঝামেলা নেই। কিন্তু একটি খবর পেয়ে মনটা ভীষণ খারাপ হয়ে গেল। ২০১০ সালে আমারই জন্মদিনে আমারই নামের একটি মেয়ে শারীরিকভাবে লাঞ্ছণার শিকার হয়েছে পাবনা এলাকায়। কি অদ্ভুদ একটা খারাপ লাগা। কি যে বাজে অনুভূতি! সেদিন সারাদিন কারো সাথে কথা বলতে পারিনি। যেদিন আনন্দে আমার দিনটি কেটেছে সেদিনই প্রকাশ্যে আমার নামের অন্য একটি মেয়ে কত কষ্ট পেল... হয়তো সারাজীবন মুখোমুখি থাকা কষ্টটা পেল!
২.
ব্লগর ব্লগর
............................................................................................................................................................................................................................
১.
বাফড়া অবশেষে বিবাহ করলো। কোন বাফড়া?
এই বাফড়া.......

বিবাহ করলেও বাফড়া কিন্তু খুব একটা বদলায় নাই। সামান্য বদলাইছে। আগে এরম কইরা শুইতো, এখন খালি জাস্ট শোয়ার ধরণটা বদলাইছে। চিৎ পজিশন বদলে উপুর পজিশন হইছে আর কি
২.
একটা পুরানা গল্প কই। এক ছেলে খুব মিস্টি পছন্দ করতো। খালি মিস্টি খাইতো। একবার তার হইল জ্বর, গরমে গা পুইড়া যায়। ডাক্তার দিলো ট্যাবলেট। পোলাডা ট্যাবলেট খাইবো না। তখন তার মা মিস্টির মধ্যে ট্যাবলেট দিয়া তারে খাইতে দিল। কিন্তু জ্বর আর যায় না। মা জিগাইলো মিস্টি খাইছিলি। ফাজিল পোলা কয়, খাইছি, তয় বিচিটা ফালাইয়া দিছি।
নতুন বাংলাদেশের স্বপ্নঃ বি-কিউব ফাউন্ডেশন
হৃদয়ে বুদবুদ-মত ওঠে শুভ্র চিন্তা কত ...
বাসায় একসময় মামা-ভাগ্নেরা মিলে আড্ডা হত খুব। ছোট্ট রুমে আবহসঙ্গীত হিসেবে হাবিবের ‘সহে না যাতনা’ আর ‘একটু দাঁড়াবে কি’ আর খাটে ছড়ানো কম্বলে পা ঢুকিয়ে শীতার্ত আলাপের পাশাপাশি গানালাপ, কখনো কখনো ‘খানালাপ’ আর কখনো বিষয়বিহীন ডালপাতা গজানো নির্ভেজাল আড্ডা।
এমনি এক সন্ধ্যার আড্ডায় ছোট মামার এক তীব্র প্রশ্নের মুখোমুখি পড়ে হয়রান হলাম-
“সরকারি স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে তো ৫-১০ টাকা বেতনে পড়েছো এতদিন ধরে- সুবিধা তো কম পাওনি কিছু, বেশিই পেয়েছ বরং- তোমার সবচাইতে সেরা সুবিধাটুকু দেয়ার চেষ্টা যে হচ্ছে সে কার টাকায়? সরকারের? সরকার সে টাকা কোথা থেকে পায়? সাধারণ মানুষগুলোর ট্যাক্সের টাকায়। সাধারণ মানুষগুলোর ঘাড়ে চাপা ঋণের টাকায়। কেবল পাওয়ার হিসেব তো কর, কখনো কি চিন্তা করেছ তুমি কি দিচ্ছ ওদের?
দেশ তো তোমাকে দেয়ার চেষ্টা করছে, তুমি কী দেয়ার চেষ্টা করেছ তোমার দেশকে?”
না পাওয়ার হিসেব তো হাতের নাগালে, পাওয়ার হিসেব আবার সে পাওয়া চুকিয়ে দেওয়ার হিসেব তো করিনি কখনো, মনেই হয়নি সেকথা।