অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

বয়ে চলা জীবন কাব্যের পান্ডুলিপি - ৮

ব্লগে আসা হয় না নিয়মিত। কমতে কমতে একেবারে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে পোষ্ট দেয়া।

কেন আসা হয় না তাঁর কোন সদুত্তরও নেই। সারাটাদিন ফেসবুকেই থাকা হয় বেশি। ফেসবুকেও করার কিছু থাকেনা , বসে বসে পোষ্ট দেখি, লিঙ্ক শেয়ার দেখি , ছবি দেখি , নোট দেখি আর লাইক দেই। মন চাইলে কমেন্ট।

একরকম জড়তা , অবসাদগ্রস্ততা গ্রাস করছে ধীরে ধীরে। অফিসে আসা যাওয়ার পথে নানা রকম চিন্তা , কতো ভাবনা এসে জড়ো হয় ।ভাবি , ব্লগে একটা পোষ্ট দেই। অফিসে ঢুকলে বা বাসায় ঢুকা মাত্রই কেন জানি উবে যায় কর্পুরের মতন ইচ্ছাটা। লেখা হয়ে উঠেনা। কিংবা হয়তো লেখালেখির যতটুকু শক্তি ছিলো , শেষ হয়ে গিয়েছে। আগেও যে খুব লিখে উল্টায় ফেলতাম, খুব যে ভালো গল্প উপন্যাস লিখতাম - তা নয়। আমি রাইটার নই , তাই বলতেও পারছিনা রাইটার্স ব্লক ।

তবে এখন ঘুরাঘুরি বেড়ে গেছে অনেক। সময় বানিয়ে নিয়েই দৌড় দেই ঢাকার আশে পাশে কিংবা আরেকটু দূরে । সাথে থাকে ক্যামেরা। না , আমি ফটোগ্রাফারও নই। ক্লিক করা আমার শখ। ক্লিক করতেই থাকি ।

চোরাবালি আসিতেছে

ধানমন্ডী গুলশান শাহবাগের অনেক জায়গাতেই এই চিকা মারা ছিলো অনেক দিন। খবরটা নতুন কিছু না ফারুকী গ্রুপের লোক রেদোয়ান রনি একটা ছবি বানাচ্ছে নাম তার চোরাবালি। ইন্দ্রনীলকে যেদিন আনছে ঢাকায় সেদিন থেকেই শুটিং শুরু সেদিন থেকেই প্রচারনা শুরু পুরোদমে। ইন্দ্রনীলের ঢাকায় কি ভালো লাগে, জয়া আহসান এই ছবি নিয়ে কি বলতেছে, হুমায়ুন ফরিদী মরার আগে কি বলেছে কবে সব পত্রিকার বিনোদন সাংবাদিকেরা ব্যাপক কাভারেজ দিছে বলা যায় অল্প পয়সার মার্কেটিং এজেন্টের জব নিয়ে। এমনকি টিভি চ্যানেল গুলাতেও একটা হাইপ তুলছে, আইটেম সং এর শুটিং খবর দিয়ে মনোযোগ কারছে তাই ব্যাপক প্রচারনার ছবি বলা যায়। রেদোয়ান রনিও চেষ্টার ত্রুটি করে না কলকাতার ইন্দ্রনীলকে এনে চমক দিছে, ইন্দ্রদীপ দাস গুপ্ত বিখ্যাত কলকাতার ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক ডিরেক্টর তাকে দিয়ে কাজ করাইছে, মাদ্রাজ-বোম্বে থেকে পোস্ট প্রোডাকশন করাইছে নাটক সিনেমার শখানেক অভিনেতাদের কাজ করাইছে। বলা যায় সব দিক থেকেই অনেক আয়োজনের বিগ বাজেটের ছবি। কিন্তু এতো আয়োজনের ছবিতেও নায়ক নায়িকার অভিনয়ের কোনো জায়গা রাখে নাই ডিরেক্টর। সিনেমাটা যদি বলা হয় কার ছবি তবে আমি বলবো শহীদুজ্জামান সেলিমের অসাধারন অ

আগামীকাল, ১৬ জানুয়ারির হরতাল আমি সমর্থন করি

হরতাল মানে বিড়ম্বনা। হরতাল মানে নাশকতা। হরতাল মানে উন্নয়ণের পথে অন্তরায়। এমন করেই বাংলাদেশের শহুরে মধ্যবিত্তরা জনগণের আন্দোলন সংগ্রামের প্রকাশভঙ্গীকে বিচার করেন। অথচ সভ্যতার ইতিহাসে গৌতম বুদ্ধের পর সবচাইতে জনপ্রিয় শান্তিকামী মানুষ হিসাবে পরিচিত মহাত্মা গান্ধীর পরিকল্পণাতে "হরতাল" নামের আন্দোলন শুরু হয় বৃটিশ বিরোধে মানুষকে একাট্টা করতে। প্রতিবাদের প্রকাশভঙ্গী হিসাবে আমাদের বাংলাদেশেও হরতালের গ্রহণযোগ্যতা ছিলো গতোশতকের আশির দশক পযর্ন্ত। নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের সময় হরতালে যখন আমরা রাজপথে ভাংচূড় করছিলাম তখন সাধারণ খেটেখাওয়া মানুষ-সরকারী কমর্চারী কিম্বা প্রিভিলেজ্ড মধ্যবিত্তরাও বাড়ি থেকে শাবল-কোদাল-দা নিয়ে এসে আমাদের হাতে তুলে দিয়েছিলেন। সেনাহুমকীর মুখে দিনআনিদিনখাই গোত্রের রিকশাওয়ালা ভাইয়েরাও বস্তিতে বস্তিতে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন।

জীবন থেকে নেয়া (ঘুষাঘুষি)

১.
ছোটবেলায় পড়াশোনার করার সময় খুব আদর্শ মানুষ হওয়ার একটা স্বপ্ন দেখতাম, দেশের দশের জন্যে কিছু করব, অন্যায় করব না টাইপ ইত্যাদি। কালের আর্বতনে সব এখন গর্তে চলে গেছে। ভাইবোনদের মধ্যে এনিয়ে কখনো সরব প্রতিজ্ঞা হয়নি কিন্তু মনে মনে আমরা সবাই জানতাম, আমরা সবাই খুবই আদর্শ কিছু হবো। আমি বিয়ে করে দেশ ত্যাগ করে এলেও, দেশে যারা আছেন তাদের কাছে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের আশা রেখে দিয়েছিলাম নিজের অজ্ঞাতেই হয়তো। একবার ঈদ করতে দেশে গিয়েছি। একদিন দেখি আম্মি ভাইয়াকে বলছে, ঈদে কিছু কিনে নাই কেনো? কালকে ঈদ? ভাইয়া বললো হাতে টাকা পয়সা নাই কি দিয়ে কিনবে? এই কথা শুনে মাতৃদেবীর কলিজা ফেটে যাওয়ার উপক্রম। তিনি তাড়াতাড়ি তিনার ব্যক্তিগত রিজার্ভ ভেঙ্গে পুত্রকে ঈদের কাপড়ের যোগাড় দিতে ছুটলেন। চার কন্যা ইস্টু এক পুত্র বিধায়, পুত্রের পাল্লা অলওয়েজ এই ভদ্রমহিলার কাছে ভারী। ঠিক হলো, আমিও যাবো কাপড় পছন্দ করে দিতে আর বাইরের ভাল মন্দ খেতে। রেডী হয়ে এসে দেখি বারান্দায় চোখ মুখ কুঁচকে মাতৃদেবী আর তার পুত্রজান দাঁড়িয়ে আছেন। নীচে এক ভদ্রলোক বেশ আনন্দিত ভঙ্গীতে চলে যাচ্ছেন। ভাইয়া কষে একখানা গালিও দিলো। ব্যাপার কি?

~*~দর্শক কিম্বা ধর্ষক --আমরা পাপী~*~

শেষ রাতের ঘুমটা আরো গাড় হচ্ছিল ক্রমশ ।
সাদাকালো স্বপ্নেরা সবেমাত্র পরাবাস্তবতার স্টেশান এ পা দিল---
গাঢ় আন্ধকারে তলিয়ে যাচ্ছি, যেখানে শুধুই শুন্যতা...
আর মাথার নিউরনে অনবরত ফ্লাশবাক।
সমস্ত শরীর প্রচণ্ড ভয়ে ছোট হতে হতে একদলা মাংশে পরিনত যেন।

হঠাৎ সব ভয় উবে গেল আর সেই নিউরন শুদ্দ সমস্ত আমি প্রবল বেগে ধাবিত হতে থাকলাম এক অসীম শুন্য টানেল ধরে ।
কেউ যেন আমার সত্তাকে পুড়িয়ে মারছে আর আমি ক্রমশই একটা জ্বলন্ত লাভায় পরিনত হচ্ছি । খুব কষ্ট।
ফ্ল্যাশবেকে ভেসে উঠছে কিছু মুখ যারা অকালে ঝরে গেছে ।।
কিম্বা নিজেকে টিকিয়ে রাখতে পারেনি এই নিস্ঠুর পৃথিবী তে।
এই নরকে তাদের ঠাঁই হয়নি ।
যারা চলে গিয়ে বেছে গেছেন এই গ্লানিময় পৃথিবী থেকে।

ওই ত ইয়াসমীন, পারুল , যামিনী , ডাঃ সাজিয়া...
কি সুন্দর ধবধবে সাদা শাড়ী পরে মেঘের মাঝে লুকচুরি খেলছে।
আর আমার আত্মা জ্বলে মরছে ।
আমি ত ধর্ষক নই তবুও কেন আমার এই শাস্তি?
আমার দিকে হেসে বিধাতার বক্রোক্তি -

তুমি হইলা আমার কুলাঙ্গার বান্দা তুমি নপুংশক দর্শক।
নিরব থাইকা সাপোর্ট দিলা, যে ধর্ষক তারে?
নিজের অপারগতা ঢাকতে ভুল ধরতে গেলা মাইয়াগো ?

আবারো নিজের কথা

১।

আমার বয়েস যেদিন ঊনিশ শেষ করে বিশে পড়লো, সেইদিনটা আমার মনে আছে। আমি ট্রেনে ছিলাম। ট্রেনে চেপে বাড়ি থেকে ঢাকা আসছিলাম। পুরা রাস্তা এসেছি পাগলের মতন লাফালাফি করতে করতে। ট্রেনের দরজায় দাঁড়িয়ে থাকা আমার একটা বিপদজনক শখ। সেই ট্রেনের কামড়ার দরজায় দাঁড়িয়ে উদ্দেশ্যহীনভাবে চিৎকার চেঁচামেচি করছিলাম। দুধের বাচ্চা থেকে শুরু করে থুত্থুড়ে বুড়ো সবাইকে "টা টা" দিতে দিতে এসেছি।

এরমাঝে একজন আমাকে না পারতে জিজ্ঞেসই করে ফেললো, "ভাই, সমস্যা কী আপনের?"

আমি বুক ফুলিয়ে উত্তর দিলাম, "আমি আমার টিন-এজ লাইফের শেষ দিন উপভোগ করছি!"

আজ আমার আরেকটি জীবন শেষ হলো বলে। কাল থেকে চাকুরী জীবন শুরু। প্রজাতন্ত্রের গর্বিত চাকর হতে আমি কাল যাচ্ছি। পেছনে ফেলে যাচ্ছি আমার সুখ-দুঃখে মেশানো বর্ণিল ছাত্রজীবনটাকে।

২।

মাস্টারদা আমাদেরই

Hangplatformstone.jpg

ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে আমাদের বাঙ্গালীদের অনেক বড় ভূমিকা থাকলেও স্বীকৃতি যেটুকু আছে তার কৃতিত্ব পুরোটায় দাবী করে বর্তমান ভারত, তবুও ইতিহাস বলে বাঙ্গালীদের দাবিয়ে রাখা যায়নি কোন কালেই, কোন অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেনি এই জাতি, কোন লোভ কিংবা ভয় দেখিয়ে বাঙ্গালী জাতির কোন আন্দোলনকে রুখে দিতে পারেনি কেউ কোন কালেই। শুরুটা করে দিয়েছিলেন মাস্টারদা সূর্যসেন। চট্টগ্রামের সেই সূর্যসন্তান। ১২ই জানুয়ারী ১৯৩৪ এর দিবাগত রাত ১২টা ০১ মিনিটেই মাস্টারদা কে এবং তার সঙ্গী তারেকেশ্বর দস্তিদারকে ফাঁসী দিয়েছিলো ততকালীন বৃটিশ সরকার।

হিন্দু ধর্মের রীতি অনুযায়ী তাদের লাশের সংস্কার করা হয়নি। ফাঁসীর পর লাশদুটো জেলখানা থেকে ট্রাকে করে ৪ নম্বর স্টীমার ঘাটে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর মৃতদেহ দুটোকে ব্রিটিশ ক্রুজার "The Renown" এ তুলে নিয়ে বুকে লোহার টুকরা বেঁধে বঙ্গোপসাগর আর ভারত মহাসাগরের সংলগ্ন একটা জায়গায় ফেলে দেয়া হয়।

নিষিদ্ধ হয়ে গেলে সংগম

গভীর যাতনা নিয়ে পথ হাঁটতে শুরু করেছিলো সে
কিন্তু ক্রমাগত বেড়ে গেছে তার চলার স্থিরতা
এক এক করে দীর্ঘ পদক্ষেপে মেয়েগুলো তাকে অতিক্রম করছিলো
তারাও ফুল ফুটবে বা ফোটাবে বলে এক চঞ্চল ছন্দকে বেছে নিলো

জানলাম প্রথম আমি আজ, রাতেও চড়ে কবুতর আলোর রাস্তায়
তারাও খুঁজে খুদ পানি জেগে রাত অথবা
জীবনের এক অপ্রাকৃত হাতছানি নিসর্গ নমিত করে দেয়
তার বুকের স্পর্শ কোমল পেতে আঁকুপাঁকু করছিলো মন।

একদিন দাবায় নিবদ্ধ থেকে অনুভব আসে তড়িৎগতি
কে যেন জালের ওপার থেকে বাড়িয়ে হাত কোমলমতি
তার কড়ে আঙ্গুলের স্পর্শ পেয়েছি আমি আলতো যতি

নিষিদ্ধ হয়ে গেলে সংগম বেলা শেষের উদগ্র বাসনা ধিকি ধিকি জ্বলে উঠে
তুমি ন্যাংটো ইঁদুর হয়ে রাস্তায় ঘুরে বেড়িও না।

[২০১২-র শেষ দিবসে লেখা কবিতা]

মুক্তি [পরীক্ষামূলক পরমানু গল্প প্রয়াস!]

টানা ২২ দিন গিয়েও খালি মনেই ফেরত্‍ এসেছি,
আজ তেইশ দিন পর স্মিতার সাথে কথা হল।

কোমায় ছিল ও।
জ্ঞান ফিরেছে আজ ভোর রাতে।
সারাদিনে সময় করতে পারে নি,
একটু আগে ফোন করেছিল আর সবাই কে লুকিয়ে,
ওরা নাকি মামলা করতে চাইছে।

চায়ের দোকানে দাড়িয়ে ছিলাম রাতের শেষ কাপ চা খাব বলে,
তখনি ওর ফোন।
প্রায় সোয়া তিন মিনিট কথা হল। বলল, কাল পড়শু নাগাদ রেজিস্ট্রি ডাকে ডির্ভোস লেটার পাঠিয়ে দিবে - সাইন করে দিতে।

সাড়ে আট বছরের চেনা জানা,
তিন বছরের সংসার।
একটা এক্সিডেন্ট, কিছু নিরবতা -
ব্যাস্, তাতেই সব শেষ।

দোষ আমারই ছিল।
হঠাত্‍ করেই ঝোঁকের মাথায় ওকে নিয়ে লং ড্রাইভ। ফেরার পথে ভয়ংকর তীব্র কুয়াশা। হঠাত্‍ দৌড়ে গাড়ির সামনে এসে পড়া এক টোকাই মেয়ে কে বাঁচাতে গিয়েই গাড়ি উঠে গিয়েছিল রোড ডিভাইডারে,
আমার সবকিছুই আবার দুইভাগ করে দিয়ে গেল একটা মাত্র রাত।

তারপরই সেই ভয়ংকর অসহ্য ২৩ দিন।

নাহ, যা হয় ভালর জন্যই হয় হয়তো। অবশ্য এই রাতটার মাঝে ভাল কি থাকতে পারে তা আর এই জীবনে জানা হবে বলে মনে হচ্ছে না।

রাত অনেক হয়ে এসেছে,
বাতি নিভিয়ে দেওয়া দরকার।

ঘুম কিংবা মুক্তি,
একটা কিছু আসুক।।

আত্মমগ্ন কথামালা ২০

*
আসলে কিছুই লেখার নেই।
ছিলোনা কখনোই।
তবু এলোমেলো লিখে রাখি অবিন্যস্ত অনুভুতি গুলো।
হয়তো দিনশেষে, নিজেকেই বোঝার ইচ্ছায়...

৩১১৩
যদিও সীমানা জানা,
তবু মাঝেমাঝেই শখ জাগে অতিক্রমের...

৬১১৩
মাইগ্রেটরি প্রজাপতি এবং ফুল বিষয়ক আলোচনা...

৭১১৩
এখানে রিক্ত মাঠ পড়ে আছে।
সোনালী ফসলের ছোঁয়া ভুলে, অবিন্যস্ত কুয়াশায় ঢাকা।
একাকী ফিঙে,
কালো শরীরে ঢেউ তুলে ভেসে যাবার পথে
একটু কি সময় দেবে অতীতের কথা ভেবে...

৮১১৩
ইউনিকর্নের দেহাবশেষ
চিরসবুজ ঘাসের দেশে বয়ে আনে রক্ত ও ঘামের স্মৃতি...

১২১১৩
বিগত সকাল গুলো উত্তর মুখী।
বিগত নারীর ঠোঁটে দারুচিনি সুঘ্রাণ।
চুল বেয়ে নেমে আসা জোছনা ও কুয়াশার মসৃণ রেশম ছোঁয়া
হাতে মেখে নিতে নিতে
সহসাই হারিয়ে যায় সৃতিগন্ধ রোদ, মেঘ এবং অন্যান্য...

বিয়ে কেন করছ না!!!

গত মঙ্গলবারের প্রথম আলো পত্রিকার নকশায় " এখনো বিয়ে করছ না কেন" শিরোনামে একটা লেখা ছেপেছিলো। পত্রিকার পাতা উল্টাতে উল্টাতে লেখাটা চোখে পড়েছে, পড়েছি। পড়ার পর কোনই পতিক্রিয়া হয়নি মনে। কারণ এসব প্রশ্ন আর পরিস্থিতিতে সয়ে গেছি কবেই! ঠিক তার পরদিন ফেসবুকে দেখলাম লীনাপা লিখেছেন যে, সেদিনের প্রথম আলো পত্রিকারই বিনোদন পাতায় অভিনেত্রী ফারাহ রুমার সাথে 'কথোপকথন' - এ জানতে চাওয়া হয়েছে তিনি কেন বিয়ে করছেন না?

শেষ চিঠি

প্রিয়তমা,
আজ তোমার বিয়ে। কিছুক্ষন পরেই তুমি পরস্ত্রী হয়ে যাবে। এটাই তোমার কাছে আমার শেষ চিঠি। কারন, আজকের পর তুমি আর আমার প্রিয়তমা নও, অন্যকারো।
জানো সোনা, আজ মা'র সাথে কথা বলার সময় জিজ্ঞাসা করলাম, মা আমি কি অনেক খারাপ মানুষ ?
মা বললো, না, কেন?
আমি বললাম তাহলে আমার সাথে কেন এমন হয় ? সবাই কেন আমায় ছেড়ে দূরে চলে যায় ?
মা বললো, আসলে যে বা যারা চলে যায় তারা তোকে চিনতে পারেনি। তারা কক্ষনো বোঝার চেষ্টাই করেনি তুই আসলে কতটা আলাদা সবার চেয়ে। আর হয়তো তাদের কোনদিনই থাকার ইচ্ছা ছিলো না।
আমি বললাম, তুমি বাড়িয়ে বলছো। সব মায়ের ছেলেই তার কাছে আলাদা।
মা বললো, না এটা সত্যি না। তুই যদি আমার ছেলে নাও হতি তবুও আমি তোকে এই কথাই বলতাম। যে তোর সাথে থাকলো না, তার নিজেরই থাকার কোন যোগ্যতা নেই। আর যে অযোগ্য তাকে ভুলে যাওয়াই ভালো। যে তোর মত হীরার টুকরাকে কাচ ভেবে ফেলে যায় সে নিতান্তই অভাগা।

আমি জানিনা মা বাড়িয়ে বলেছে কি না? হয়তো নিজের ছেলে বলেই বাড়িয়ে বলেছে। তবে যাই হোক, আমি আসলেই অনেক ভাগ্যবান যার একজন মা আছে যে আমায় সম্পুর্ণ বোঝে।

কত কি করার আছে বাকী...

সেই অনিবার্য অলসতাতেই দিন কাটছে। সেই কাপে কাপে চা খাওয়া, বিষন্ন মুখের আড্ডা, নানান কথা বারতা শুনেই আর কিছু বলতে বলতেই দিন যাচ্ছে সময় কাটছে। তার ভেতরে ফেসবুকে নাই সাথে এমবিএ ক্লাস নাই অন্তহীন অবসরে ক্লান্ত হই বারবার। সকালে ঘুম থেকে উঠে আর সেই আগের মতো পিসিতে বসার ব্যাস্ততা নাই তবুও উঠে যাই ভোরেই। রেডিওতে গান শুনি সাড়ে ছটায় বিবিসি বাংলার প্রত্যুষা শুনা হয় নিয়মিত হাত মুখ ধুয়ে আবার শুয়ে থাকি এবার শুনি প্রভাতী। প্রভাতী শুনা শেষ হলে এফ এম রেডিও গুলা সকাল সকাল কি গান শুনায় তা নিয়ে আগ্রহ চাপে খানিক সময় শুনেই বিরক্ত লাগে। তখন যে জামা পড়ে শুয়ে ছিলাম তা পড়েই চায়ের দোকান বরাবর রওনা দেই পথে নিউএজ কিনে নেই। চায়ের দোকানে বসেই দুধ চিনি কম চা খেতে খেতে বড় খবর সব গিলে ফেলি। পত্রিকা পকেটে ভাজ করে রাখি আস্তে আস্তে লোকজন আসে আড্ডা জমে কথা বাড়ে। কিন্তু নাস্তা করা হয় না। সকালে নাস্তা না করলে নাকি মেমোরী মাইর খেয়ে যায়। আমার গত ১ বছর ধরেই সকালে তেমন কিছু খাওয়া হয় না। এই চা কিংবা বেকারীর পচা কেক এই খেয়েই কাটাই। এই জন্যেই মনে হয় মেধাশক্তি এভাবে মাইর খাচ্ছে দিনকে দিন। আসলে সকালে নাস্তা করতে এখন একরাশ বিরক্ত লাগে

আমি পশু হতে চাই

যখন দেখি একজন ধর্ষককে মানুষের আইনে বিচার করা হচ্ছে, তখন আমার পশু হতে ইচ্ছে করে। যখন দেখি সেই ধর্ষকদের পক্ষে কথা বলতে গিয়ে কিছু সুশীল, মেয়েদেরকে দোষারোপ করছে , তখন আমার পশু হতে ইচ্ছে করে। যখন দেখি ধর্ষনের কারন হিসেবে নারীর পোষাককে দ্বায়ী করা হচ্ছে, তখন আমার পশু হতে ইচ্ছে করে। যখন শুনি নারীরা উত্তেজনাকর পোষাক পরে বলে তারা ধর্ষিত হয় তখন আমার পশু হতে ইচ্ছে করে।
পশু হওয়াই ভালো, পশুর বিবেক বলে কিছু থাকেনা। নিজের অপারগতার জন্য নিজেকে নগন্য মনেহয় না ।
আমি চাইনা সেই মানুষের জীবন যারা দশ বছরের এক ফুলের মত শিশুকে ধর্ষন করে। আমি চাইনা সেই মানুষ হতে যে তার নিজ বান্ধবীকে ধর্ষিতা করে। আমি চাইনা সেই মানুষ হতে, যে এইসব দেখেও স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে আর বলে আমরা অন্তত ওদের চেয়ে ভালো আছি। আমি চাইনা সেই মানুষ হতে যে বলে ওই মেয়েরই তো দোষ , ও কেন গেলো?

সালমার হুইল চেয়ার এবং স্বপ্নময়ী সাবরিনা

(১)
সালমা আমার খালাতো বোন।থাকে কাপ্তাই শহরে।ওর জন্য অবশ্য শহর-গ্রাম,দিন-রাত এগুলোর পার্থক্য খুব বেশি নয়।কারণ গত ছয়-সাত বছর ধরে ওর জীবনটা ওদের ঘরের একটা খাটের উপরই কেটে যাচ্ছে খুবই নির্দয় ভাবে।ছোটবেলায় ও খুব দুরন্ত ছিল।শৈশবের সময়টাতে কাপ্তাই শহরের বড়ইছড়ি নামক জায়গায় থাকতো ওরা।ওদের বাসার সামনে খোলা মাঠ ছিল।বাসার পেছনে ছিল একটা চা পাতা বানানোর কারখানা।ও নিজেই এসব ঘুরে ঘুরে দেখিয়েছিল আমাদের।আবার সমবয়সীদের সাথে পুতুল খেলার জন্য দিত ভোঁ-দৌড়।আন্টি ওর দুরন্তপনায় কখনো কখনো অস্থির হয়ে উঠত।কারণ ওকে ঘরেই রাখা যেত না।কে জানে পরে আর ঘরের বাইরে যেতে পারবে না বলেই হয়তো তখন ঘরেই থাকতে চাইতো না।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ