অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

কি হয়েছিলো সে রাতের পরে

পূর্বের পর্বের ধারাবাহিকতায়

শশাংক সাহেবের বই থেকে জানা যায়, সেদিনের সেই গোপন মিটিং এর পরে সর্বাধিক গোপনীয়তায় আরো দুইবার, বঙ্গবন্ধু, মানিক মিয়া এবং তিনি গোপনে দেখা করেছিলেন, যার উদ্দেশ্য ছিলো বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দের ভারতের কাছ থেকে চাওয়া সম্পর্কে আরো ভালো ধারণা নেয়া।

ঘুরে এলুম বইমেলা ২০১৩

সবার আগে বইলা রাখি, আমি আসলে ঐরকম কোনো পড়ুয়া না। আমার বইমেলায় যাবার প্রধান কারণ হইতেসে মানুষজন দেখা। মানুষজনের আনন্দ, কষ্ট, বিষণ্ণতা, উচ্ছাস এগুলা বুঝার চেষ্টা করা। আর কিছু লেখকের সান্নিধ্য পাওয়া। এইজন্যেই আমার লেখায় বইপত্রে খোঁজ খবরের থিকা মানুষজনের কথা বেশী বেশী থাকবো...

সারাদিন ভাবসি যে আইজকাও বইমেলায় যামুনা, কিন্তু হঠাত ৪টার দিকে মনে হইলো- কি আছে জীবনে, যাইগা এইবারের বইমেলায় পয়লা চক্কর দিয়াই আসি। দিলাম দৌড়। গতবছরেও মেলার দ্বিতীয় দিন যেই লাইন আর ভীড় দেখসিলাম, সেইটা এইবার আর দেখলামনা। আর ফুটপাথের সাইডে যেই দোকান গুলা থাকে সেগুলাও পাইলাম না। কেরম জানি ন্যাড়া ন্যাড়া লাগতেছিলো। যাই হোক, ঢুইকা পড়লাম মেলার ভিতর। ঢুইকাই দৌড়, গত তিনবছর ধইরা বইমেলায় আমাদের যেইটা স্থায়ী ঠিকানা, মানে লিটলম্যাগ চত্ত্বরে। গিয়া দেখি ফাঁকা ফাঁকা। পরিচিত লোকজন তো নাইই, অপরিচিত লোকজনও কম।

ওয়ানস আপন আ টাইম দেয়ার লিভড আ কিং কলড আপ্পু রাজা

ওয়ানস আপন আ টাইম দেয়ার লিভড আ কিং কলড আপ্পু রাজা

সময়ের লাশ 3য় পর্ব

দু’জনেই চলে গেল। বাবা অবশ্য আদর করে বলেছিল, ‘এগুলো কিছু না, মা। কালই আমি সুমাদকে নিয়ে আসব।’ স্বপ্নের কথা বললেও চিঠির কথা গোপন রেখেছিলাম। আবার ঘুমিয়ে ভাবতে লাগলাম আর মনে মনে বলতে লাগলাম--আমি কে?--না, আমি দিলীপ দাসের মেয়ে কল্যাণী। আমার বয়স চৌদ্দ। বাবা-মা আমার জন্য বর দেখছে। আমি শিক্ষিতা, সুন্দরী (সবাই বলে)--আমার হবু স্বামী নিশ্চয়ই খুব সচ্ছল হবে। তবে সুমাদ একি বলছে, আমি একটা মানচিত্র! রাত তিনটা বাজে। আমি আবার চিঠি পড়তে শুরু করলাম। ‘তোমার সারা দেহের লোমে লোমে ছড়িয়ে আছে আ- ই- ক- ম...। ওরা তোমাকে দলিত মথিত করে তোমার লোমগুলি একটি একটি করে তুলে নকল উর্দু অক্ষরযুক্ত লোম লাগিয়ে দেবে। তুমি অপসংস্কৃতি আর পরাধীনতার শৃংখলে আটকে যাবে। তোমার ভাষা হবে দেহের সাথে সম্পর্কহীন। তোমার কথা এত মধুর শুনাবে না। বুঝতে পারনি?

শোনা কথায় বইমেলা: ফেব্রুয়ারি ২

স্মৃতি শুধু সাদামাটা প্রতারণাই করে না; মারাত্মকভাবেও প্রতারণা করে।

গতকালের শোনা কথায় বইমেলায় কার কার সাথে দেখা হলো, কী আলোচনা হলো তার একটি বিতং বর্ণনা দিয়েছি। কিন্তু বইমেলা থেকে চলে আসার আগে রাসেল ভাইয়ের সাথে যে দেখা হলো, তা কী করে যেন বেমালুম ভুলে গিয়েছিলাম। রাসেল ভাইয়ের সাথে আলাপ হলো টুকটাক, সাথে ভাবী ছিলেন। কিন্তু পুরো ঘটনাটা কী করে যেন মনেই আসেনি লেখাটি তৈরি করার সময়। মনে পড়লো আজ দুপুরে- ঘুম থেকে উঠা পর। এ সময়ে হঠাৎ করে মনে পড়ার কোনোই কারণ নেই, কিন্তু যে রহস্যজনক কারণে ভুলে গিয়েছিলাম, ঠিক সেই রহস্যজনকভাবেই আবার এটি মনে পড়ে গেল।

আজকে বইমেলা যাওয়ার ইচ্ছে ছিল। রাতের ট্রেনে যাচ্ছি রাজশাহী- ভাবলাম বিকেলবেলা ঢু মারা যাবে। কিন্তু বিকেলেই চলে এলেন কয়েকজন অতিথি। ফলে যাওয়া আর হলো না। গতকাল অবশ্য শান্ত ভাইয়ের সাথে কথা হচ্ছিল এ নিয়ে- তিনি বললেন, রাতের ভ্রমণ- ধুলাবালি খেয়ে সারারাত ভ্রমণ করার চেয়ে কিছুটা বিশ্রাম নেয়া ভালো। তাঁর কথা একদিক দিয়ে ঠিক- কিন্তু বইমেলার জন্য আকুলিবিকুলিটা তার চেয়েও বড় হয়ে দেখা দেয়।

প্রথম বইয়ের প্রথম প্রকাশ

tanbira_0.jpg
রাতে বসে বসে স্বামী স্ত্রী রোজকারের খেজুরে আলাপটা সেরে নিচ্ছিলাম। স্বামী টিভি অফ করে প্রায় ওপরে যাচ্ছেন যাচ্ছেন পর্যায়ে আছেন, আর আমাকে তাগাদা দিচ্ছেন যেনো আমিও শুয়ে পড়ি। পতিদেবের ধারনা রোজ কম ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে আমার মেজাজটা দিন দিন আরো খিটখিটে হয়ে যাচ্ছে। তিনি নিয়ম করে দিয়েছেন, উইকডেজে রাত এগারোটার পর বাড়িতে কেউ আর জেগে থাকতে পারবে না। আমি ল্যাপি অফ করবো করবো অবস্থায় আছি, এমন সময় শেষবারের মতো ফেবুটা চেক করতে যেয়ে দেখি জাগৃতি প্রকাশনী তাদের এবারের বইমেলার প্রকাশনার এ্যালবাম আপলোড করেছেন।

দশ বছর!

মিশ্রিত দিন রজনী পার আমার পছন্দ না। হয় দিন ভালো কাটবে নয়তো দিন খারাপ কাটবে, হয়তো মন ভালো থাকবে নয়তো মন তুমুল খারাপ থাকবে। এই মোটামুটি ভালো খারাপের মিশ্রনের দিন আমার পছন্দ না। নানক সাহেব রাস্তার উন্নয়ন করবে খাল কাল্ভার্ট দিয়ে ঢেকে দিবে তাই নান্নুর দোকান চলে গেলো। অবশ্য দোকান বন্ধ হয়ে যাচ্ছে তা তিন চারদিন ধরেই জানা। নান্নু সাহেবের ইচ্ছা ছিলো দোকান চলে গেলেও খোলা আকাশের নিচে দশ পনেরো দিন রেখে ব্যাবসা পাতি করবে বাকীর টাকা উদ্ধার করবে। কিন্তু তা আর হলো না। কাল যদিও বালুর বস্তায় বসে খোলা আকাশে বসে নান্নুর অস্থায়ী বাক্সো দোকানে চা খেলাম। আজ আর কপাল নেই। সকালেই পুলক ফোন করে বলে দিছি নান্নু বন্ধ। তাও বের হলাম গা গোসল করে। সেলিমের দোকান আছে সোসাইটি পাচের মেইনরোডে সেইখানে যেয়ে নিজেরে এতীম এতীম লাগলো। তাও বসে রং চা খেলাম। চাদপুরে বাড়ী সেলিম সাহেবের তার দোকানে কম বসা হলেও পুলকের কারনে তিনি আমারে পায়া অত্যন্ত খুশী। চা খেলাম বসে থাকলাম। এমন সময় এক সমবয়সী লোক তার বন্ধুকে বলতেছে আওয়ামীলীগ বাদে আর কেউ জনস্বার্থ দেখে না। কথাটা নান্নুর দোকানে কইলে তারে আমি জিগাইতাম জনস্বার্থ জিনিসটা কি আগে বুঝায়া কন। কিন

চিঠি

181406_4140509430709_481077291_n.jpg

একটা সময় ছিল যখন চিঠি লিখতাম প্রচুর। শৈশবের বন্ধুদের কাছে, ছোটবোনের কাছে, ভাইদের কাছে, আত্মীয়স্বজন পরিচিতজনদের কাছে। নিজেও চিঠি পেতাম প্রায় প্রতিদিন। চিঠির জন্য সে কি অপেক্ষা।

আজ বহুদিন কাউকে চিঠি লিখি না। কারো চিঠি পাইনা। মোবাইল ফোনের হাতে চিঠি খুন হয়েছে। খুন হয়েছে রক্তমাংসের আবেগ অনুভূতি।

মাঝেমধ্যেই পুরোনো চিঠিগুলো বের করে পড়ি। ধুলোবালি ঝেড়ে পরিস্কার করে যত্ন সহকারে আবার বাক্সে ভরে রাখি। নানান রকমের চিঠি - কোনটা দুই পাতার, কোনটা দশ পাতার, কোনটা রোলটানা কাগজে লেখা, কোনটা লেখা রঙীন প্যাডে।

বইমেলা সরগরম - ০২

ঢাকা আমার অবৈধ প্রণয়, শহরের বিশ্রী জ্যাম, ধুলো, নোংরা আবর্জনাভর্তি রাস্তা আর হকার পতিতায় বেদখল হয়ে যাওয়া পাবলিক প্লেস নিয়ে আক্ষেপ করে কাটিয়ে দিলাম দুই দশক, শহরটা মফস্বলের ছোঁয়াচ মুছে ধীরে ধীরে আরও জগদ্দল স্থবির মন্থর শহরে পরিণত হলো, রাস্তার দুপাশের প্রতিনিয়ত বদলে যাওয়া ল্যান্ডস্কেপের সবুজহীনতার কষ্ট রুমালে মুছি আর মুছি ঠোঁটের ধুলোর দাগ, ঢাকা আমাকে মাটিতে টেনে নিয়ে প্রগাঢ় চুম্বন করে আর আমার ফুসফুস তার কালো নোংরা ধোঁয়া আর বীজাণুতে ভরে ওঠে প্রতিদিন।

এই শহরে নতুন কিছুই ঘটে না ইদানিং, আমাদের গল্পগুলো কেটে যাওয়া লংপ্লে রেকর্ড প্রতিবারই ঘ্যাচাং করে পুরোনো দাগের জায়গা থেকেই বেজে ওঠে নির্লিপ্ত, প্রতিবারই ভাবি বদলে নিতে হবে সবকিছু, বদলে যাওয়ার শ্লোগান দেখি রাস্তার বিলবোর্ডে কিন্তু আমার বদলে যাওয়া হয় না।

সাংবাদিকের দিনলিপি

১.
পদ্মা সেতু নিয়ে প্রায় দেড় বছর ধরে টানা লিখে যাচ্ছি। সেই লেখার একটা অধ্যায়ের শেষ হল শুক্রবার। ঘুম থেকে উঠেই দেখি বিশ্বব্যাংকের এক কর্মকর্তার এসএমএস। বললো, মেইল চেক করেন। মেইল দেখলাম, জানলাম যে পদ্মা সেতুতে বিশ্বব্যাংকের অধ্যায় শেষ।
অফিসে গিয়েই দেখি আমার টেবিলে একটা চিঠি। লিখেছেন সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন। এইটা একটা মজার কাহিনী। যতবার আমি বা আমার অন্য সহকর্মীরা পদ্মা নিয়ে লিখেছেন, তারপর দিনই অবধারিত ভাবে আসবে একটা চিঠি। লেখেন সৈয়দ আবুল হোসেন নিজেই। লম্বা লম্বা চিঠি। তিনি যে ফুলের পতো পবিত্র সেটিই ইনিয়ে বিনিয়ে লেখা হয। তবে মজা হয় যদি শিশিরদার কার্টুন থাকে। কার্টুন জিনিষটা সম্ভবত তিনি একদমই সহ্য করতে পারেন না। কার্টুন ছাপা হলে চিঠির দৈর্ঘ আরও বাড়ে।
একাধিকবার অফিসে ফোনও করেছেন। বার বার বলেছেন, দয়া করে যেন কার্টুনটা না দেই। কিন্তু কে শোনে তাঁর কথা। কালকেও নতুন একটা কার্টুন যাচ্ছে।
কেবল চিঠি না, ফোনও করেন। নামে কোনো রিপোর্ট ছাপা হলে, অফিসে তাকেই ফোন করেন। আর ফোন ধরলে আরেক যন্ত্রণা। কথা বলতেই থাকেন। বিষয় একটাই, তিনি ফুলের মতো পবিত্র।

শোনা কথায় বইমেলা: ফেব্রুয়ারি ১

থাকি ঢাকার বাইরে। আগে মতো আর প্রতিদিন বইমেলায় যাওয়া হবে না। এ এক বড় দুঃখ!

১৯৯৩ সাল, নবম শ্রেণীতে উঠেছি। পিসিরা খ্যাপায়- নাইনে নাকি ‘লাইন’ করে। শুনে কিছুটা লাজরাঙা হই; কৈশোর বয়স। দাড়িগোফ উঠতে শুরু করেছে। আভাস দিচ্ছে বড় হওয়ার কিংবা বড়ত্বের। পিসিদের কথার প্রবল প্রতিবাদ করি- না, না, লাইন-টাইন করবো না। তাহলে কী করবি?- পিসিদের প্রশ্নের উত্তরে বলি, কবিতা লিখবো। ইতোমধ্যে বেশ কিছু ছড়া লিখেছি, আস্তে আস্তে ভাবছিলাম কবিতার দিকে যাবো কিনা। কবিতা আমার কাছে তখনো বড়দের ব্যাপার। ভেবেছিলাম লাইনের বদলে পিসিদের কবিতার দিকে ডাইভার্ট করা যাবে; কিন্তু শুনে তারা বললো- মানুষ নাকি প্রেমে পড়লে কবিতা লিখে!

তাই কি?

আমার বই

'রোদ কিংবা জ্যোৎস্না হতে চাইনি কখনও। কবি তো নয়-ই। তবু শব্দের করতালিতে জেগে ওঠে মধ্য রাতে কলম। বরফ হয়ে যাওয়া পাঁজরে চাষবাস করবো শব্দের, কখনও ভাবিনি। আমি কবি নয়, কবিতা হতে পারলে ভালো হতো। কোন কিশোরী লুকিয়ে লুকিয়ে পড়তে সে কবিতা বা সেই কবিতা উপহার দিতো তার প্রেমিককে, আর সেই প্রেমিক কবিতাটি রেখে দিতো বালিশের নিচে।
হতে পারিনি কবিতা। হতে পারিনি বলে কোন আফসোস পোষে রাখিনি।
অথচ কবি হয়ে আমি আফসোস এর স্রোতে ভাসি ক্রমশ, কারণ আমি কবি হতে পারিনি। যা আমি লিখি তা কবিতা নয়! কবিতা বলতে যা বোঝায় সেই কবিতা আমি লিখতে জানিনা।
আমি যা বলতে পারি না কারো কাছে, যে কথাগুলো বলা যায় না, যে কথা শুধু দীর্ঘশ্বাস হতে পারে, যে কথা প্রেমিকটির বালিশের নিচে গোপন থাকা চিঠির মতো গোপন! সেই সকল-ই আমি লিখি, আর আমার এক একটা লেখা পড়ে ছিঁড়ে ফেলে দেই, আমার মনে হয়, আমার লেখা কেউ পাঠ করলে আমার সব ভেসে উঠবে, কারণ শব্দ দিয়ে আমি ঢেকে রেখেছি জীবনের ক্ষতগুলো।

সময়ের লাশ ২য় পর্ব

দাদুর কাছে পড়তে গেলে আগে দু’একদিন বন্ধ দিতাম। এখন পারলে দিনে দু’বার যাই। কারণ যখনই পড়তে যাই, তখনই ওকে দেখি। হয়, মাঠে বসে আড্ডা দিচ্ছে; নয়তো, অনুসন্ধিৎসু দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে আমার দিকে। দু’মাস বয়ে গেছে শুধু দেখা-দেখি। আমাদের বাসা থেকে খানিক দূরে দাদুর বাসা। দাদু, দীননাথ চক্রবর্তী আমার বাবারও শিক্ষক, তাই মায়ের কথামত দাদু বলি। আজ মা দাদুর জন্য পিঠা দিয়েছে। আমি পিঠা নিয়ে যাচ্ছি। রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ বুকটা কেঁপে উঠল। যাকে দূর থেকে আড়চোখে দেখতাম, সে আজ রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে কি করছে? ভয়ে ভয়ে এগোতে লাগলাম। দেখি, একটা কাগজ ইট দ্বারা চাপা দিয়ে ও সরে গেল। বুঝতে আমার বাকী রইল না। হেঁটে সোজা দাদুর বাসায় চলে গেলাম। চিঠির দিকে ভ্রুক্ষেপও নেই আমার। পরের দিনও দেখি চিঠি একই অবস্থায় ইটে চাপা পড়ে আছে। কিছুক্ষণ কাগজটির দিকে তাকিয়ে রইলাম। হঠাৎ কি যেন অনুভূতি জাগল মনে। ভয়ে ভয়ে কাগজটি উঠায়ে চারদিকে তাকালাম। না, কোথাও কেউ নেই। বেশ পাকা হাতে বুকের ভিতর কাগজটা লুকিয়ে রাখলাম। যেন, কেউ না দেখে।

গল্প : শেষ বিকেলের সোনালি আলো মিলেছে যখন চোখের কোণায়

অচেনা বন্ধুকে আমি সুন্দরী মনে করতাম। কিন্তু দেখা হওয়ার পর বুঝতে পারি, ধারণাটায় কি মারাত্মক রকমের ভুল ছিলো!

বই পুস্তকের মেলা খেলায়!

অনেক দিন দুপুরে পোষ্ট লেখি না। সেই সামুর আমলে দুপুরে পোষ্ট লিখতাম সকাল জুড়ে ব্লগে বসে থাকতাম। দিনগুলো ছিলো অন্যরকম। তখন মনে হতো ব্লগে থাকার চেয়ে গুরুত্বপুর্ন কোনো কাজ থাকতে পারে না আর। যাই হোক ব্লগের জায়গায় এখন ফেসবুক। মোবাইল দিয়ে ফেসবুক দেখা সংযোগ থাকা খুব ইজি কাজ। তার জন্য কোনো বাড়তি এফোর্টের প্রয়োজন নাই। কিন্তু ব্লগিংটা আসলে পিসিতে বসেই করার জিনিস। যদিও আমি মোবাইলে লিখতে পারি পোস্ট ভালোই। তাও সেটা ঠেকায় পড়েই। কিন্তু ব্লগিং জিনিসটা কম্পিউটার ল্যাপটপেরই ব্যাপার। ফেসবুকের মতো তা এতো ইউজার ফ্রেন্ডলী আইটেম না। আর ফেসবুক দিয়ে দ্রুত সবার কাছে চলে যাওয়া যায়। ধরেন আমি কালকে একটা লেখা শেয়ার দিলাম বা ইদানিং দিতেছি তাতে চায়ের দোকানের বন্ধু বান্ধবেরা পড়ছে আর এসেমেস করে বলে শান্ত ভাই আপনি তো আমাদের নিয়া সেরকম লেখা লিখে ফেলেন। আপনার লেখার হাত দারুন। অথচ আমি যে ব্লগে লিখি কোন ব্লগে কি লিখি তা কেউ জানে না অথচ ফেসবুকের এক শেয়ারের উসিলায় সব কিছু পড়ে ফেললো। এইটাই ফেসবুকের শক্তি।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ