গল্প: গরুচোর কাশেমের গল্প
কাশেমের গরুর গোশত্ খুব পছন্দ। প্রতিরাতে তার গো গোশত্ চা-ই, চাই। বউরে সবসময় বলে রাখে, প্রতি রাইতে আমারে গরুর গোশত্ দিবা। বউ প্রায়ই বলে, আপনে গরু খাওন বন্ধ দেন। গরু খান আর আমার উপর অত্যাচার করেন।
কাশেম মুচকি হাসে। বউরে জড়িয়ে ধরে। গালে চুমু খায়। তারপর বলে, তুমিই তো আমার পেয়ারে গাই।
বউ আল্লাদের সুরে সুরে বলে, উউউ... আপনে আমারে গাই বলতে পারলেন?
দুজনে এরপর ভালোবাসাবাসি করা শুরু করে। দুজনের পেয়ার বেশ। জীবনের বড় সময় দুজন একসঙ্গেই পার করে দিয়েছেন। সন্তান আছে দুইজন। একজন সৌদি থাকে, আরেকজন পাকিস্তান।
দুইজনই পুত্র। মাশাল্লাহ দিলে দিনের পথেই আছে। সৌদিতে আল্লাহর দরবারে ইবাদত বন্দেগী করে। আর কাজ করে। কিসের কাজ করে তা অবশ্য কাশেম বলতে পারবে না। কিংবা এ সংক্রান্ত তথ্য জানলেও কাশেম কখনও প্রকাশ্যে কিছুই বলেনি। তাই আমরাও জানতে পারি না কাশেমের বড় পুত্র কুদ্দুস মোল্লা সৌদিতে কি করে।
আমি বাংলাদেশ কাঁপিয়ে দেব
(এই কবিতা লিখেছেন মানুষ, ইতিহাসের মানুষ, শ্যামলিমা ভূগোলের মানুষ। সুতরাং এই কবিতার কোনো নির্দিষ্ট লেখক নেই।)
আমি দাঁড়িয়ে আছি শাহবাগের জনসমুদ্রের মধ্যখানে।
আমি দাঁড়িয়ে আছি আমার ধর্ষিতা বোনের পবিত্র শরীর স্পর্শ করে।
শহীদের স্মৃতির মণিমুক্তার মালা আমার গলায়,
মুক্তিযুদ্ধের বারুদ সঞ্চারিত হয়েছে আমার বুকে,
মূর্তিমান সাহসিকা শহীদজননী আমাকে দেখাচ্ছেন বরাভয় মুদ্রা।
আমার হাতে বাংলাদেশের পতাকা, আমার হৃদয়জুড়ে বাংলাদেশ।
আমি তরুণ। মুক্তিযুদ্ধ আমার অহংকার।
আমি ঘৃণা করি যুদ্ধাপরাধী।
আমার ক্রোধ মুক্ত, আমার ঘৃণা সুস্থ।
আমার ক্রোধ ছড়িয়ে পড়বে শাহবাগ থেকে সারা দেশ, বিশ্বময়।
আমি জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে আছি নিশিদিন।
নত্র আমার জন্যই মেলে ধরেছে নরম আলো,
চাঁদ বিলিয়ে দিচ্ছে মমতা।
আর, দিনভাগে ‘সূর্য আসি অগ্নি ঢালে হৃদয়ে আমার’।
আমার মুষ্টিবদ্ধ হাত নীলাকাশ স্পর্শ করে।
আমার স্লোগান সহস্র কণ্ঠে মিশে রচনা করে প্রতিবাদের মহাকাব্য।
আমি চিনেছি নব্য রাজাকার, দেখেছি তাদের ক্ষমাহীন স্পর্ধা;
কেউ কেউ ঘাপটি মেরে থাকে,
সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে তারা সঞ্চালন করে রাজাকারি ভ্রম।
আমার শাহবাগ
শাহবাগ ঘুরে এসেছি এইমাত্র। কোন ক্লান্তি নেই। সবার জন্য হৃদয় নিংড়ানো ভালবাসা রেখে আসলাম।কাল অফিস, যেতেই হবে।তবে, ফিরবো শাহবাগ হয়েই। ওটাই এখন প্রান।
দু মাসের যে শিশুটি,
শ্লোগান ওর নাম,
যাকে তার মা দুহাতে ধরলো উঁচিয়ে
লাখো জনতার চিৎকারে হল অভিষেক
কী অসামান্য শক্তি সেই মার !
কী বজ্র বীজ গেঁথে দিল ওর সন্তানের ভিতর !
মাগো, তুমিই মা। তুমিই পেরেছিলে “৭১ এ।
ধন্য মা।
তুমিই ছাড়িয়ে গেলে সবাইকে।
ছড়িয়ে গেল আগুন, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে।
অনেক দিন চোখে জল আসে না। আজ এসে গেল।
চোখ ছল ছল, চোয়াল কঠিন, মুষ্ঠিবদ্ধ হাত আকাশ ফুঁড়ে উঠে গেল
কন্ঠ ছাড়িয়ে বিস্ফোরিত হল,
”খুনী রাজাকারের রক্ষা নাই
সব রাজাকারের ফাঁসি চাই।”
আমার দেশের জন্য আমি তাই খবরটি শেয়ার দিলাম - আপনি কি না দিয়ে থাকতে পারবেন ?
দেশ অনেক দিয়েছে - দিয়েছে আমাকে - দিয়েছে আপনাকে - প্রতিদানে কখনো কিছু চায়নি সে - আজ চাচ্ছে দেশ - চাচ্ছে আমার আপনার নিরাসক্ত আঙ্গুলগুলোতে একটু সাড়া পড়ুক - চাচ্ছে আমরা যেন মাউসের আদুরে পিঠে আলতো একখানা ক্লিক করি - এক খানা জাতীয় দাবীতে যোগ করি আন্তর্জাতিক মাত্রা - ক্ষুদ্র এই দেশের প্রাণের দাবীটি হোক বিবিসির ইতিহাসে সর্বকালের সেরা দাবী - ভেঙ্গে দিক পূর্বাপর সকল রেকর্ড - আমার দেশের জন্য আমি তাই খবরটি শেয়ার দিলাম - আপনি কি না দিয়ে থাকতে পারবেন ?
Click on the following link and share.
BBC News - Huge Bangladesh rally seeks death penalty for war crimes
http://www.bbc.co.uk/news/world-asia-21383632
Hundreds of thousands rally in Bangladesh to demand the death penalty for a political leader convicted of war crimes from the 1971 independence war.
রাজাকারদের তালিকা
রাজাকারদের তালিকাঃ
গোলাম আযম
আব্বাস আলী খান
মতিউর রহমান নিজামী
আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ- ইসলামী ছাত্রসংঘের সভাপতি এবং আলবদর বাহিনীর ঢাকা মহানগরীর প্রধান।
মো: কামরুজ্জামান- জামাতে ইসলামী বাংলাদেশের সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল
দেলোয়ার হোসেন সাঈদী- জামাতে ইসলামীর মজলিসের শুরার সদস্য
আবদুল কাদির মোল্লা, জামাতে ইসলামের প্রচার সম্পাদক
ফজলুল কাদের চৌধুরী
সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী
ঢাকা বিভাগ
ঢাকা জেলা
রাজাকার আকবর- শাঁখারী বাজার, ঢাকা
রাজাকার তোতা মিয়া- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
রাজাকার ঈমান আলী- রায়েরবাজার, ঢাকা
রাজাকার হেদায়েত উল্লাহ (মৃত)- রায়েরবাজার, ঢাকা
গাজীপুর জেলা
রাজাকার আলাউদ্দীন-গ্রাম-মুদাফা, থানা-টঙ্গী, গাজীপুর
রাজাকার আওয়াল- জয়দেবপুর, গাজীপুর
রাজাকার এমপি নওয়াব আলী- জয়দেবপুর, গাজীপুর
রাজাকার হাকিম উদ্দীন- মাধববাড়ি, জয়দেবপুর, গাজীপুর
রাজাকার মজিব- মাধববাড়ি, জয়দেবপুর, গাজীপুর
রাজাকার মনু- মাধববাড়ি, জয়দেবপুর, গাজীপুর
টাঙ্গাইল জেলা
রাজাকার আনিস-ছাব্বিশা, ভূয়াপুর, টাঙ্গাইল
রাজাকার সাজু-কালামাঝি, মধুপুর, টাঙ্গাইল
হরতাল বনাম..…।
এস এস সি পরীক্ষা শুরু হয়ে গেল। আর এ উপলক্ষ্যে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীকে টিভিতে দেখলাম করুণ স্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে প্রার্থনা করছেন তারা যেন পরীক্ষার সময়ে কোন হরতাল না দেয়। এটা দেখে একটা ঘটনার কথা মনে পড়ে গেল, মেয়ে যখন গণধর্ষনের শিকার হচ্ছে তখন তার মা তাকে ধর্ষণ থেকে বাঁচানোর কোন উপায় না পেয়ে ধর্ষকদের কাছে করজোড়ে মিনতি করছেন, "বাবারা! ধর্ষণ করছ কর, কিন্তু দেখো আমার মেয়েটা যেন মরে না যায়।" কিন্তু বিধাতার (পড়ুন রাজনৈতিক দলগুলোর) কি লীলাখেলা! শিক্ষামন্ত্রীর এই আকুল আবেদনের এক সপ্তাহ না পেরোতেই একটি রাজনৈতিক দল লাগাতার হরতাল দিয়ে বসল। সত্যি বিচিত্র এই দেশ! বাংলাদেশই মনে হয় পৃথিবীর একমাত্র দেশ যে দেশে হরতালের কারনে পাবলিক পরীক্ষা নির্ধারিত দিন থেকে পিছিয়ে দেওয়া হয়। এটা শুধুমাত্র বাংলাদেশ বলেই সম্ভব। অথচ এই দেশের রাজনীতিবিদ্দরাই দেশের উন্নয়ন নিয়ে বড় বড় গালভরা ফাঁকা বুলি আওড়ান। আসলে এক শ্রেণীর ভন্ড সাধু আছে যারা কখনোই চায় না আমাদের দেশটার উন্নতি হোক। চাইবে কিভাবে? দেশের যুবসমাজ যদি শতভাগ শিক্ষিত হয়ে যায় তাহলে এসব ভন্ড সাধুদের কুকর্মে সহায়তা করবে কারা?
মতিকণ্ঠের হাস্যরস
মতিকণ্ঠ মেধাবীদের কার্যক্রম। দারুণ লাগে লেখাগুলি পড়তে। লাস্ট কয়েকটাদিন যা একেকটা লেখা আসছে না, লাড্ডু একেবারে
শাহবাগে রেপ হচ্ছে লেখাটা পড়ে হাসি কোনোভাবেই চেপে রাখতে পারলাম না। লেখা আছে-
কিছু কথা কিছু ছোট ছোট দৃশ্য আর কিছু পরিকল্পনা
বিষয়ভিত্তিক কিছু কার্যক্রম নিয়ে অগ্রসর হতে হবে। হাজার দশেক বেঁতের লাঠি জোগাড় করে রাখা দরকার। অন্তত যেকোন রকম তাৎক্ষণিক প্রতিরোধ নিশ্চিত করে রাখার জন্য। শিবিরগুলা শূকর বেশি। গতকাল ইস্ট-ওয়েস্টের ছেলেপিলেদেরকে ওরা ধাওয়া করেছিলো। মহাসমাবেশে যোগ দিতে আসার সময়। রামপুরাতে। এদের যেকোন সময় প্রতিরোধের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।
চট্টগ্রামে হরতাল কেমন হচ্ছে, সে খবর এখনো পাই নাই। আজকে যদি চট্টগ্রামে কোনো গণ্ডগোল হয়, তাহলে সেটা যে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়বে তাতে কোনো সন্দেহ নাই। পত্রিকাগুলো ইতোমধ্যে সারাদেশে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে বলে দাবি করেছে। এখন একটা বারুদের ঘষাই যথেষ্ট স্ফূলিঙ্গ ছড়িয়ে পড়ার জন্য। আজকের পত্রিকার শিরোনামগুলো নিয়ে একটা কোলাজ করার চিন্তা মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। বিবিসি, সিএনএন-এর ওয়েবসাইটগুলোতে বাংলাদেশের খবর ফলাও করে ছাপা হচ্ছে। ইতিবাচকভাবেই হচ্ছে। সেগুলো নিয়েও কিছু করা যায় কিনা ভাবছি।
কিছু ছোট ছোট দৃশ্য
এখনি বের হচ্ছি। শাহবাগে যাবো।
গতকাল সকাল ১১ টায়
শাহবাগে গিয়েছিলাম,
ফিরলাম রাতে, অনেক রাতে, শাহবাগ জেগে থাকা রাতে
সারাদিন একটা ঘোর, একাত্তর, শহীদ,পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, বীর বাঙালী, স্বাধীনতা, পতাকা শ্লোগান.............
খাওয়া নেই, নাওয়া নেই, তাতে কীইবা এসে গেল,
কন্ঠে আগুন ঠিকই ছড়ালো।
বেঁচে আছি, শরীর একটুকুও বিরক্ত করেনি।
গত কয়েকদিনের অসুস্থতাও মনে হল ভাল হয়ে গেছে।
শ্লোগান, মিছিল, হাত তালি, বিশিষ্টজনের এক কাতারে দাড়ানো.............. এই অভিজ্ঞতা ভুলবার নয়। ভুলবার নয় জাফর ইকবাল স্যারের সংক্ষিপ্ত অথচ প্রচন্ড তাৎপর্য়ময় ভাষন।শাবাশ বন্ধুরা, আমার বন্ধু,আমার ভাই, আমার বোন । এগিয়ে যাও।
মৃত্যুর পর যদি কোন এক শহীদের সাথে দেখা হয়,
হয় কথা।
নিশ্চিত জেনো..............................................
এদিনের গল্প শোনাবো ওদের।
ওদের রক্ত বৃথা যায়নি, যাবে না।যাবে না। যাবে না।
প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম ছড়িয়ে পরেছে মুক্তির বারতা।
এখনি বের হচ্ছি। শাহবাগে যাবো।
এক টুকরো শাহবাগ
এক টুকরো শাহবাগ...
শাহবাগের গনজমায়েতে মানুষের নিরাপত্তায় পুলিস/আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কোন খবরই ছিল না। যেখানে রাজনৈতিক মীটিংয়ে মানুষের চাইতে নিরাপত্তার লোকজনই বেশী থাকে। থাকে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বাহিনী।
কোন নারীকে কেউ টিজ করছে ... এটা কেউ বলতে পারবে না। নারীদের অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য হারে। কিন্তু কোন ধরনের বিচ্যুতি... কেউ বলতে পারেনি।
মানুষের সুশৃঙ্খল অংশগ্রহণ ছিল চোখে পরার মত। কোথাও কোন ধরনের শৃঙ্খলা ভঙ্গ হয় নাই... লক্ষাধিক মানুষের এই জনসমাবেশ সুশৃঙ্খলভাবেই নিজ নিজ দায়িত্বেই সবাই অংশগ্রহণ করেছে।
যেখানে রাজনৈতিক দলের সভা/সমাবেশে লোক ভাড়া করে আনা হয় ... শাহবাগে ঘটছে তার উল্টা ঘটনা। নিজে রং কিনে ফেস্টুন তৈরি করছে... ব্যানার বানাচ্ছে... জাতীয় পতাকা তৈরি করছে। এ এক অভূতপূর্ব ঘটনা। ৯০'এর গনঅভ্যুত্থান, গনআদালতের পর... গনমানুষের এত বড় অংশগ্রহণ আর হয়নি।
সবশেষে একজন ব্লগার হিসেবে এই দিন অনেক গর্বের ছিল... এটা বোঝানোর নয়...
প্রিয় ব্লগ...
বেচে থাকো মানুষের জন্য... মানুষের মাঝে... মাতৃভূমি স্বার্থ রক্ষায় ব্লগের তারুণ্য সচেষ্ট থাকুক সব সময়।
বাংলাদেশ তোমাই করি নত শির।
ভালবাসার তাগিতে বিশ্ব খুজিছে বাংলাদেশ তোমায়,
আবেগ নয় পেয়েছি জাগরণ ভালবাসার অনুভূতি।।
বিশ্ব তোমায় করিবে সালাম,
দ্রোহীরা দেখি তাহা লজ্জাই নত করিবে শির ।।
আর নয়,সময় আর নেই হাতে চলিতে হবে তন্দ্র রাতে ,
লীগ,দল,জামায়াত অনেক খেয়েছিশ লুটেছিশ।।
বিশ্বাস সবি ধংস করেছিস,জনগণ আমরা জেগেছি।
ভোগ ছাড়ি, লাথি মারী, করিব সংহার - জেগেছি আমি জনগণ।।
কোন এক অনাঙ্কাখীত বিদ্রোহীর মাঝে হইতে বেড়ে ওঠা একটি শিশুর
রক্তচালিকা হৃৎপিন্ড কাপছে তাই দিকে দিকে বিদ্রেহীর কম্পন বাংলাদেশ বলছে।।
শোনা কথায় বইমেলা: ফেব্রুয়ারি ৮
বইমেলাতে যাদের বই প্রকাশিত হয়, তাঁরা অন্যের বই কয়টা কিনেন?
প্রশ্নটা ভাবাচ্ছে কয়েকদিন ধরে। কারণ, প্রতি বছর বইমেলাতে প্রচুর বই বের হয়। প্রচুর বই মানে প্রচুর লেখক। বই বিক্রি হয় না বলে একটা অভিযোগ আমাদের সাধারণ ক্রেতাদের প্রতি প্রকাশকরা করে থাকেন। যারা বই লিখেন, তাদের সংখ্যাটা যদি বেশি হয়, তাহলেও, আমার ধারণা, প্রচুর বই বিক্রি হওয়ার কথা। বড় লেখকরা প্রায়শই উঠতি লেখকদের পরামর্শ দেন বই লেখার আগে বেশি বেশি বই পড়তে। আমরা অবশ্য যতো না কিনে বই পড়ি, তার চেয়ে বেশি বই পড়ি ধারদেনা করে। এর বড় কারণ হচ্ছে টাকার অভাব। কিন্তু তারপরও দশটা বইয়ের মধ্যে একটা বই তো কিনে পড়াই যায়। সেই কাজটা আমরা কয়জনে করি? এই ব্যাপারে একটা জরিপ চালানো যেতে পারে। ভাবছি, আগামী বছর একটা ছোটখাটো জরিপ চালাবো এটাকে কেন্দ্র করে।
পুনরায় পাঠ- জামায়াত-শিবিরের প্রতিষ্ঠান: আসুন চিনে রাখি ও বয়কট করি
পোস্টটি অনেক আগের। কিন্তু আজ এটিকে প্রাসঙ্গিক বেশি মনে হচ্ছে। তাই আবার পোস্ট দিলাম।

মূল পোস্ট: যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা সরকারের রাজনৈতিক ও নৈতিক দায়িত্ব। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে অনেক তরুণ ভোটারকে আকৃষ্ট করে ক্ষমতায় এসেছে। মাঝে অনেকেই এ নিয়ে হতাশ ছিলেন। এখন বিষয়টি আবার আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছে। আমরা আবার আশায় বুক বেঁধেছি।
শোনা কথায় বইমেলা: ফেব্রুয়ারি ৭
আগের পর্বগুলোতে সরাসরিই লিখেছিলাম- বইমেলা আর শাহবাগের মধ্যে এখন আর কোনো পার্থক্য নাই। পত্রপত্রিকাগুলো খবর দিচ্ছে, শাহবাগ থেকে উৎসাহিত হয়ে প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়ছে সারা দেশে। তার মানে বইমেলা আস্তে আস্তে বাংলা একাডেমী থেকে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে। লিখেছিলাম- শাহবাগের একেকটি মানুষ একেকটি বই। তার মানে এরকম লাখ লাখ বই এখন সারা দেশে, প্রতিবাদমুখর। সেই সাথে কিছু প্রশ্নও জাগছে মনে, কেন অন্য শহরের মানুষগুলোর এক বা দুদিন পর থেকে প্রতিবাদ শুরু করলেন? শাহবাগে যেমন প্রতিবাদী মানুষজন রায়ের ঘণ্টাখানিকের মধ্যে প্রতিবাদ করতে দাড়িয়ে গেলেন, তেমননি কেন হলো না অন্য শহরগুলোতে? সবকিছুকে ঢাকাকে অনুসরণ করা কি আমাদের অভ্যাসে পরিণত হচ্ছে?