অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ২৭ জন অতিথি অনলাইন

No Cull Dhaka!

ঠান্ডা আবার ফিরে আসছে। কুয়াশা নেই কিন্তু রাতে ব্যাপক বাতাস। আমারো শরীরটার অবস্থা বিশেষ সুবিধার না। তাও হাসছি ঘুরছি দোড় ঝাপ করছি মন খারাপ হয়ে পড়ে থাকি সব চলছে এক সাথে। সাধারনত দিনলিপির পোষ্ট তাৎক্ষনিক যে দিন গেলো তাই নিয়ে বললেই ভালো। কালকে পোষ্ট দিতাম ভাবলাম চব্বিশ ঘন্টার ভেতরে দুইটা পোষ্ট দেয়া আবার নীতিমালার খেলাপ কিনা কে জানে দরকার কি ঝামেলার কাল তো পড়ে আছেই রাতে বসে লিখে দিবো। আর ব্লগে দেখলাম জেবীন আপু পোস্টাইছে, মীর ভাই পোস্টাইছে, হাসান আদনান,স্বপ্নচারী, শাহরিন রহমান এদেরও দারুন পোষ্ট আরো অনেকে হয়তো পোস্ট দিবে এইটা ভাবতে ভালো লাগতেছে ব্লগটাও আমার মতো। স্লথ গতিতে চলছে থেমে নাই। দেখা যাক কী হয়!

টুনির কাছে টোনার চিঠি

ওহে আমার টুনটনি বউ,

আমায় কথায় কথায় এত বকিও না। তোমার সুমধুর কন্ঠ হইতে রোজ যে ভৈরবী রাগ আমার প্রতি ঝরিয়া পড়ে তাহা আমার হার্টের জন্য বেশি সুখকর নহে। ডাক্তার টিয়া ভাই বলিয়াছেন আমায় শব্দ হইতে দূরে থাকিতে। টিয়া ভাইয়ের বউটা কি চুপচাপ! খুবই ভালো লাগলো। মেয়েরা এত চুপচাপ হয় ভাবাই যায় না।

বউ আমার, তোমার খোটা খাইতে খাইতে আমার স্নায়ুগুলি দূর্বল হইয়া গিয়াছে। বিশ্বাস না হইলে টিয়া ভাইয়ের বউকে জিজ্ঞাস করিয়া দেখ।

কথায় কথায় তুমি বলিয়া ওঠ আমায় বিয়া করিয়া নাকি তোমার কপাল পুড়িয়াছে। তাহলে টিয়া ভাইয়ের বউয়ের কথা শুনিয়া তুমি এত জ্বলিয়া উঠিয়াছো কেন? তোমার অকর্মণ্য বরকে কেউ কাড়িয়া লইলে তো তোমার বাঁচিয়া যাইবার কথা।

পরিশেষে বলিতে চাই, তোমায় ভালোবাসি। মিলমিশ করিয়া চল আগের খুনসুটি দিনগুলিতে ফিরিয়া যাই। ছানাগুলি কাহার দোষে পড়িয়া যাইতে যাইতে বাঁচিয়াছে এই লইয়া ঝগড়া না করিয়া চল দুইজনই সাবধান হইয়া তাহাদের উড়াইতে শিখাই। পাতার ছায়ায় বসিয়া গান গাওয়া, বালুতে রোদ পোহানোর মত কত সুন্দর স্মৃতিই না আমাদের রহিয়াছে।

বউ, তুমি কি আমার সাথে সেই দিন গুলিতে ফিরিয়া যাইবে?

ইতি
তোমার টোনা বর

গল্প : ২০ কাপ চা আর ২০ টার বেশি সিগারেট খাওয়া দিনগুলো

১.
আমাদের অফিসের রানা ভাই তার নামের বানান লিখেন Shuhel Rana. তাকে যতই বলি এটা সোহেল রানা হয় নাই, এটা হইসে সুহেল রানা- তিনি ততই উদাসী হাসি দেন। বলেন; ভাইজান, বাপ-মায়ে আকিকা কইরা নাম রাখসে সোহেল রানা, বানান রাখসে Shuhel Rana. আমি কি করুম কন?

আমি তার যুক্তি শুনে হাসি। জানতে চাই, বাপ-মায়ে এই বানান রাখসে নাকি মেট্রিকের ফর্ম ফিলাপের সময় কোনো ইংরেজি মাস্টার এই কাহিনী করছে? রানা ভাই বলেন, নারে ভাই। আমার ঘটনা বাপ-মায়েই ঘটাইসে। আর কেউ এর মধ্যে নাক গলানোর সাহস পায় নাই।

শান্ত, নিরীহ, নিরামিশাষী এই ভদ্রলোকের সবচেয়ে বড় গুণ, তিনি সবার প্রক্সি দিয়ে দেন। তার আর আমার ডিপার্টমেন্ট এক না। তাই আমাকে কখনো তার প্রক্সি নিতে হয় না। কিন্তু তার ডিপার্টমেন্টের কতজনের প্রক্সি যে তাকে আমি দিতে দেখি!

র‌্যাগিং নামের নোংরামি বন্ধ হোক!

র‌্যাগিং নিয়ে যুগে যুগেই নানান কেচ্ছা-কাহিনী প্রচলিত। সিনিয়ররা নবীনবরন নামের গালভরা শব্দের আড়ালে জুনিয়রদের নিয়ে যথেচ্ছা যন্ত্রনা দিয়ে থাকে, যা কিনা র‌্যাগিং নামেই পরিচিত। সেসবের কোনটাই ভিক্টটিমের জন্যে সুখকর কিছু নয়। শিক্ষাবর্ষের শুরুতেই ইউনিভার্সিটি/একাডেমী ছেড়ে দেয়া এমনকি আত্মহত্যা করতে যাওয়ার পর্যায়েও চলে যায় এইসব র‌্যাগিং এ আক্রান্ত শিক্ষার্থীরা। দুষ্টুমি করা/মজা করা আর নির্যাতন করার মাঝে একটা সীমারেখা আছে র‌্যাগিং এ মত্ত কিছুসব নোংরা উন্মত্তরা ভুলে যায়!

এতোদিন ছেলেদের হলগুলোতে র‌্যাগিং এর কথা শুনে আসছি আমরা, মেয়েদের হলগুলোতে এক্সট্রিম পর্যায়ের কিছু সামনে আসেনি, কিবা আমার অজ্ঞতার কারনেই জানতে পারিনি। আজ জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের জাহানারা হলের র‌্যাগিংএর কথা শুনে হতবাক না কষ্ট লাগছে, কি করে হয় এত্তো নোংরা মানষিকতার মানুষ যারা কিনা সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠের শিক্ষার্থী, যারা কিনা মায়াময়ী/কোমলমতি নারী!

ফেসবুকে শেয়ার করা লেখাটা পড়ুন, তারপর ভাবুন এরা কারা

দু:খিত শিশির - ভালবাসার বিনিময় মূল্য নিশ্চিত জেন পৃথিবীতে নয় - আশা যদি করতেই চাও - তবে প্রার্থনা কর প্রাপ্তি যেন পরকালে হয়.

দু:খিত শিশির - ভালবাসার বিনিময় মূল্য নিশ্চিত জেন পৃথিবীতে নয় - আশা যদি করতেই চাও - তবে প্রার্থনা কর প্রাপ্তি যেন পরকালে হয়.

প্রিয় ল্যাপটপটা বেকায়দা ভঙ্গিতে ফ্লোরে পড়ে আছে - ডালাটা প্রায় বিচ্ছিন্ন - বোঝা যায় - অক্ষম আক্রোশের প্রথম ঝড়টা তার উপর দিয়েই গেছে - দেয়াল জোড়া ডেকোরেশন গ্লাসে চির ধরেছে - ভারী কিছুর আঘাতের চিহ্ন স্পষ্ট - বুকশেলফের সমস্ত বই মেঝেতে লুটাচ্ছে - দামী গীটারটাকে ভেঙ্গে দু' টুকরো করা হয়েছে - দরজায় দাঁড়িয়ে ক্ষতির পরিমাণ মাপছি - ব্যাকুল চোখ খুঁজছে পছন্দের মানুষটিকে - ওই তো আছে - প্রমাণ সদৃশ খাটের এক কোনায় বাঁকাচোরা ভঙ্গিতে পড়ে আছে ছেলেটি - আমার একসময়কার ভীষণ স্নেহের পাত্র - শিশির - আমার প্রাক্তন ছাত্র
.
বিত্তবান মানুষদের প্রতি আমার এক ধরনের অকারণ ঘৃণা আছে - এই শ্রেণী থেকে নিরাপদ দুরত্বে থাকতেই আমার ভালো লাগে - শিশিরদের পরিবারটি এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ছিল - মফস্বল ছেড়ে তখন মাত্র রাজধানীতে পা রেখেছি - ন্যুনতম বেতনে একখানা চাকরি করি - আর্থিক টানা পোড়নে ভীষণ বিব্রত - কাজেই সহায়ক উপার্জনের পথ হিসেবে বেছে নিলাম গৃহশিক্ষকের দায়িত্ব.

নিঃশব্দ প্রহর

http://sphotos-a.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-prn1/c0.0.320.320/p403x403/164431_410109735747039_1632798298_n.jpg
মাঝরাতে ঘুম ভেঙ্গে যায় কদাচিৎ
গভীর নৈঃশব্দে জেগে থাকি, একাকী !
পাশে ঘুমন্ত চেনা মানুষ, অচেনা লাগে- কখনো;
নিদ্রাহীন স্বপ্নের মাঝে খুঁজে ফিরি নিজেকে
সুখি জীবনের ভিড়ে!

জেগে ওঠে দুঃখ-বেদনা-বিষন্নতা
নিঃশব্দ প্রহর গুনি চাঁদ ডোবা রাতের অচেনা আঁধারে,
বিস্মৃতির অতল হতে ছুটে আসে দুঃস্বপ্নের ঘুণপোকারা
নিশীথের নিস্তব্ধতায়, নির্ঘুম রাতের প্রহরে
রাত জাগা, একা; চেনা-জানা অনেকের মাঝেও!

অদম্য আকর্ষণে অবিরাম ছুটে চলা
আনাদিকালের তরে; এক ঘোর স্বপ্নযাত্রায় !
উদাসী প্রহরে রাত জাগা, হাজারো নক্ষত্রের মত!
গভীর নিশীথে স্বপ্নগুলো বিবর্ণ হয় কখনো,
বুকের ভিতরে জমাটবাধা কষ্টগুলো
গাঢ় নীলাভ হয় শঙ্খনীল বেদনায়!

স্মৃতির আগল খুলে খুঁজে বেড়াই অস্তিত্বের কঙ্কাল,
জোছনা বিহীন আকাশে মেঘের ছায়ার মত জেগে থাকে
ঘুমহীন ক্লান্ত দু’চোখ, অশরীরি অন্ধকারে;

গা বাচিঁয়ে চলা সুখের দিন গুলো!

ভেবেছিলাম কয়দিন আর পোস্ট টোস্ট দিবো না । কারন ব্লগের হোমপেজে আমারই পোস্ট থাকে তিনটা এইটা কোনো কথা হইলো কাজের। তার ভেতরে আমার ঘুমন্ত পাঠক শ্রেনী যারা বাস্তব জীবনে জিগিরের লোকজন বলা শুরু করছে যে আমি নাকি দিনলিপি জোর করেই দিচ্ছি অযথাই। এতো লেখার প্রয়োজন ছিলো না এমন কি একজন বলেছে আমি নাকি বাথরুমে গেলেও তা নিয়ে ব্লগে লিখবো। কত বড় আপত্তিকর কথা যদিও তাদের কথা আমার সামনে পাত্তা পায় নাই। মাইনষের সামনে চুপচাপ থাকলেও বন্ধুদেরকে ফাপড়ের উপরে রাখি সবসময় সেই সুত্রেই বললাম ব্লগ মানেই তো অন্তর্জালিক ডায়রী। নিজের ব্লগে মানুষ নিজের দিন যাপনের ফিরিস্তি দেয় আমি তা একটা ভালো লাগার ঝিমানো ব্লগে দেই এইতো। যারা ভালো পায় তারা পড়ে যারা ভালো পায় না তারা পড়ে মনে মনে বলে আজাইরা প্যাচাল। কিন্তু এই আজাইরা প্যাচাল কত কষ্ট করে স্লো পিসিতে লেখি তাতো পাবলিক বুঝে না। তার ভেতরে রাজশাহী ভার্সিটির লেকচারার একটা এলেক্সা রেটিংয়ের ফিরিস্তি দিলো তাতে মনটা খারাপ হলো। যদিও জানা কথাই তবুও আহারে আমার প্রিয় ব্লগ তার এই হাল!

দায়শোধ

রক্তে যাদের হাত রাঙ্গা আর
বিবেক অকালমৃত,
সব অধিকার কাড়ায় যাদের অকর্ম
স্বীকৃত,
হয়নি যাদের অন্যায়বোধ, অপরাধেও
সায়,
দোষ স্বীকারের প্রহসন আর ক্ষমাও
যদি চায়-

হয় না ক্ষমা জীবন নেয়ার,
হয় না ক্ষমা ক্রোধের,
হয় না ক্ষমা আঘাত হানা আর
আসুরিক বোধের,
হয় না ক্ষমা চোখের জলের,
লজ্জা অপমানের,
হয় না ক্ষমা দম্ভ মুখোশ
কিংবা কোন ভানের,
হয় না ক্ষমা অসহায়ের
সহায়খানি কাড়ার,
হয় না ক্ষমা মনের পশু
বাইরে এনে ছাড়ার,
হয় না ক্ষমা অধিকারে অন্যায্য
কোন্ দাবী,
হয় না ক্ষমা হয় না ক্ষমা হয়
না ক্ষমা; ভাবি-

দিন যত যাক বছর ফুরাক এক
বিচারক আছে
সব অপরাধ গর্হিত আর ঘৃণার
যে তাঁর কাছে
তাঁর কলমে আসবে যেদিন শেষ
বিচারের রায়
সব জানোয়ার নিপাত যাবে,
কাটবে মনের দায়!!

সনাতন মন্দিরের কাব্য

নারী দেহ
নারীদেহ, সে তো প্রাচীন মন্দির
কত পুরোহিতের পুজা চলে মৌসুমে মৌসুমে
কত দেবীপক্ষের উন্মোচন শিবধুনোর গন্ধ শুকে
খেলা শেষে কত দেবী ভেসে গেল গঙ্গা জলে
আমার আঙ্গুল চলে মৃগনাভির চারিধারে।

ভালবাসা দেহকান্ড,
ভালোবাসি মাংসপিন্ড।

ভালবাসার স্তনে স্তনে শৃঙ্গার অনুভুতি
ঠোঁটে ঠোঁটে গ্রীবায় গ্রীবায় মৃদুমন্দ আবেশ
ত্বকে ত্বকে বক্ষদেশে মাদকের ছড়াছড়ি
কামুক অঙ্গুলি করে বহিঃপ্রকাশ কামের দেহে
ভালবাসা জিভের লালায় জিলেটিনের খনিতে।

ভালবাসা বক্ষে নিতম্বে
ভালবাসা জঙ্ঘাসন্ধিতে।

জলন্ত অগ্নিতে ঘৃত দিয়ে কামদেবের পূজা
লাল লাল শিমুল ফুলে চন্দনে প্রিয়তর আসনে
বাহ্যজ্ঞানশুন্য পূজারিগণ মগ্ন স্বীয় যোগামৃতে
ঘন ঘন ঢালে সবিল্বপত্র ঘৃত ক্ষুধার্ত যজ্ঞকুণ্ডে
উচ্চকার শিৎকারী প্রণবে সুরহা কামনার বীজ ঢেলে দিয়ে।

ভালবাসা নেতিয়ে পড়ে
রহস্য ফুরিয়ে গেলে।

চালু পুরোহিত কখনো বুড়ো হয় না। শিকার শেষে
বেড়িয়ে পড়ে, খোঁজে নিত্যনতুন সেবাদাসী

’ক্লান্তি’ কোলাজ

’ক্লান্তি’ কোলাজ

ভীষণ ক্লান্ত আমি
ভ্রু-তে, পাপড়ি -তে এমন কী
নখের ডগায়ও আমার বিষাদ ।
আমার ঘুম নেই, খাওয়া নেই
বায়বীয় প্রার্থনায় উলুঝুলু সময়
ত্বকের ভাঁজে ভাঁজে বাসা বেঁধেছে ক্ষয়;
এসব অহেতুক ভীড়, মানুষের হলাহল
আমাকে প্রতিদিন ক্লান্ত করে তোলে।
আমাকে ঘিরে থাকা অর্থহীন কাজ
আমার করে যাওয়া স্বাভাবিকতার সাজ!
আমি জানি ”মুক্তি” শব্দটি
জীবিত মানুষের জন্যে অপ্রযোজ্য;
স্বপ্নের রকমারি হেরফের, ফাঁস ঝোলানো গাছ
করণিক দাগাবাজিতে বুকের পাঁজর চুরচুর
জীবিকা-ই আমার আসল সর্বনাশ!

’৫২ সালের সময়ের উপর ভিত্তি করে ধারাবাহিক গল্পঃ সময়ের লাশ ১ম পর্ব

স্বপ্নের হাত ধরে কৃষ্ণপক্ষের রাত্রির অন্ধকারে অনন্তের পথে ছুটে চলা স্মৃতিগুলো প্রত্যেক মানুষের জীবনে জোনাকীর মত জ্বলে আর নিভে। ‘সময়ের লাশ’--গল্পে বৃদ্ধ বয়সে উত্তম পুরুষের বাচন শৈলীতে নায়িকা নায়কের সাথে তার প্রেমের কাহিনী এবং ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভুমির কিয়দংশ বর্ণনা করেছেন। এখানে নায়ক ’৫২ সালের সময়ের ধারক, নায়িকা মাতৃভূমির ধারক অর্থাৎ গল্পটি যেন, ’৫২ এর সময়ের সাথে লাজুক মাতৃভূমির ভালোবাসা-লুকোচুরি-মিছিল-আন্দোলন-যুদ্ধ-মৃত্যুর খেলা।

সময়ের লাশ
--শাশ্বত স্বপন

স্বপ্ন

মাঝে মাঝে সাধ জাগে স্বপ্নদেখি ।
স্বপ্নদেখি একটি শুভ্র সকালের, যা দিয়ে শুরু হবে একটি সতেজ দিন।
স্বপ্নদেখি একচিলতে মিষ্টি রোদের, যার ছোঁয়ায় খুলে যাবে ঘুমকাতুরে চোখ।
স্বপ্নদেখি এমন একটি খবরের কাগজের যে সকাল সকাল মেজাজ বিগরিয়ে দেবে না।
স্বপ্নদেখি এমন একটি কর্মক্ষেত্রের যেথায় কর্মচারীদের মানুষ বলে ভাবা হবে।
স্বপ্নদেখি একটি রোদেলা দুপুরের যা কারো না খেয়ে কাটাতে হবে না।
স্বপ্নদেখি একটি স্নিগ্ধ বিকেলের, যখন সকল প্রেমিক-প্রেমিকা, স্বামী-স্ত্রী, বন্ধুরা মেতে উঠবে উচ্ছল আলোচনায়।
স্বপ্নদেখি একটি সুন্দর সন্ধ্যার, যেখানে বাড়ি ফেরার জন্য বাসে ঝুলতে হবে না।
স্বপ্নদেখি একটি নিরব রাতের, যেথায় কেউ কোন অশান্তি, ক্ষুদা বা চিন্তা নিয়ে বিছানায় যাবে না।
সর্বপোরি স্বপ্নদেখি একটি সুন্দর সমাজের, যেখানে কোন নারী তার নারীহয়ে জন্মাবার জন্য আফসোস করবে না।
স্বপ্নদেখি একটি সুন্দর দেশের, যেথায় মানুষ বাস করবে, শুধুই মানুষ।
কিন্তু ভয় হয় স্বপ্ন কি সত্যি হবে ? নাকি দিবাস্বপ্ন হয়ে রয়ে যাবে ?

আঁটকে থাকা কাঁটা

আমাদের দেশ সংস্কৃতি এবং সাহিত্যে বেশ সমৃদ্ধই বলা যেতে পারে। বক্তার সংখ্যার হিসেবে বিশ্বে ৭ নম্বর অবস্থানে রয়েছে আমাদের ভাষা। ৫২ এর ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এ জাতী তার মুখের ভাষা হিসেবে ধরে রেখেছে এ ভাষাকে। এজন্য অবশ্য ইউনেস্কো থেকে আমরা একটি দিনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিও আদায় করে নিয়েছি। আমাদের এই ভাষায় কিছু বললে এনকার্টার আনুমানিক হিসেব অনুযায়ী অন্তত বিশ্বের বিশ কোটি মানুষ তা বুঝতে পারার কথা। আর যারা লিখাপড়া জানেন তারাতো বাংলায় কিছু লিখলে পড়তে পারার কথা। এটা আমাদের ভাষার লেখকদের বেশ উৎসাহ যুগিয়েছে। এটা অবশ্যই একটা ভাল দিক। তবে একথাও সত্য যে ব্লগিং এর একটা বিশার ভূমিকা আছে নবীন লেখকদের সাহস যোগানোর পেছনে।

ভ্রান্ত সময়ের প্যাঁচা ও প্রজাপতি

নিষিদ্ধ পুরীতে ঢুকে গেছি আমি
নিষেধের মাথা খেয়ে
তারপর নিষেধ এসে বারণ করেছে আমার ভ্রান্ত-মাত্রাতিক্রমে

আমি চাদর গলিয়ে দিয়েছি ঘাড়ে
উত্ত্যক্ত শীতের প্রহেলিকা ঘিরে
এখনো সমুদ্র কুয়াশায় মেলে ঠোঁট
নাক ডুবে নিয়েছি শ্বাস
আহ্‌ তার চিৎ হয়ে থাকা উলঙ্গ শবের জীবন্ত সংস্পর্শ
আমাকে করেছে পাথর

আকাশের তারার সাথে শত শত বিভোর চুমু
মেখেছি অংকশায়িনীর সুডৌল সরোবরে
পালিয়ে বেড়িয়েছি অতঃপর
বৈশ্বিক শহর ও শহরতলীর আনাচ-কানাচ গলি-ঘুপছি

শপথ করেছি
যাবে না থেমে কখনো কোন
পাখির সরব কেচ্ছা গান
ভ্রান্ত সময়ের যাদুঘর জুড়ে
ছুটোছুটি ওতপ্রোত প্যাঁচা ও প্রজাপতি।

বিক্রমপুর ও কয়েকটি ছবি

কয়েক দিন আগেই আমরা এবি বাসি পিকনিক করে এলাম বিক্রমপুরে স্যার জেসি বোস কমপ্লেক্সে। পিকনিকের দুইটা পোস্ট পড়ার পর নতুন করে আর কিছু আর না বলি Smile ... তার চাইতে এলাকার জীবন জীবিকার হালচাল দেখি।

ছবি ০১। স্মৃতি... হারানো সম্রাজ্য

স্মৃতি... হারানো সম্রাজ্য
মুন্সিগঞ্জ ভাগ্যকুলের ভুতপূর্ব জমিদার যদুনাথ সরকারের বাড়ি।

ছবি ০২। চাষাবাদ

চাষাবাদ
শস্যক্ষেত্র প্রস্তুতি চলছে নতুন ফসলের জন্য। কি রোদ... কি বৃষ্টি... কি শীত ... কি গ্রীষ্ম... অবিরাম পরিশ্রম কৃষকের। হয়তো তার দুবেলা দুমুঠো খাদ্যের নিশ্চয়তা নেই... তবুও চলছে... প্রতিদিন... দেশটার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির বড় একটি অংশ আসছে এইসব হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রমী কৃষকদের কাছ থেকে।

তার পরেও জিডিপিতে অবদান রাখা এইসব মানুষদের আমরা নিচুতলার মানুষ ভাবি। অথচ ভাবিনা প্রবৃদ্ধিতে আমার অবদান কতটুকু... কি বিচিত্র আমরা।

ছবি ০৩। বয়ে চলা জীবন

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ