প্রেমিকের কাছে প্রেমিকার চিঠি
প্রিয়তম কুদ্দুস,
তোমার পরিবার হইতে আমাদের বাড়ি বিবাহের প্রস্তাব আসিয়াছিল। আমার আনন্দরাশি বিকাশিত হইবার পূর্বেই তাহারা জানিতে চাহিলো আমার সুখের জন্য খুশী হইয়া আমার পিতা তোমাদের কি দিবার চান। আমার পিতা জানাইলো “দু’আ”। তাহারা আমোদ পাইলো বলিয়া বোধ হয়। তাহারা আরো জানাইলো যে বাড়ীর বউয়ের বাহিরে চাকরী করা তাহাদের রীতিতে নাই। ভালো মেয়েরা চাকরী করে না। আমার গায়ের রঙ কালো বলিয়া তাহাদের চোখে বেদনার আভাস দেখিতে পাইলাম।
প্রিয় কুদ্দুস, তোমার পিতা মাতাকে এত বেদনা পাইতে মানা করিয়া দিও। বলিয়া দিও আমাকে তুমি বিবাহ করিতেছ না। ইহাতে তুমি ও তাহারা উভয়ই সুখী হইবে।
লাইক এ্যা ডায়মন্ড ইন দ্যা স্কাই!
শিরোনামটা একটা ইংরেজী ফিকশনের নামে। লেখক সাজিয়া ওমর বাংলাদেশী। যখন নিউএইজে চিঠিপত্র লিখতাম নিয়মিত আর তারা ছাপাতো তখন এই বই ও লেখিকার নাম খুব শুনা। ইন্ডিয়ান প্যাংগুইন থেকে বই প্রকাশ করছে। এতো দিন পরে আমি বইটা পড়া শুরু করছি কারন নীলখেতে ১০০ টাকা কিনে ফেলেই রাখা ছিলো পড়া আর হয় নি। শিরোনামটা পছন্দ হইছে তাই লাগিয়ে দিলাম বইয়ের নামে। বইটা পড়া শেষ হলে একটা পাঠ প্রতিক্রিয়া হয়তো লেখা যেতো কিন্তু এখন তা আর লিখছি না। তবে অনেকের কাছেই বইটা খুব ভাল লাগছে আমার কাছে লাগবে কিনা জানি কারন ইংরেজী বই আমি টেক্সট আর নিউজপেপার ছাড়া পড়ি না আর চেতন ভগত অরুনদ্যোতি রায় ছাড়া কারো বই মন জয় করতে পারে নাই যদিও বন্ধু অঞ্জন অনেক চেষ্টা করছিলো অমিতাভ ঘোষ গেলানোর পারে নাই। বাংলা বই এখনো হাজারে হাজারে পড়া বাকী তা বাদ দিয়ে পুজিবাদী ভাষা চিন্তা মাথায় নিয়ে আমার সিডনী সেল্ডন বা মারিও পুজো পড়ার আহলাদ জাগে না। প্রতিদিন নিউএইজ কিনে পড়ি, ইংরেজীতে লিখে এক্সাম পাস করি তাই ভালো এরচেয়ে বেশী আর দরকার নাই দেশে থাকলে!
রাঁঙিয়ে দাও লাল সবুজে
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস কম বেশী সকলেরই জানা, আমরা জানি ১৯৭১ সালে একটা যুদ্ধ হয়েছিলো আর সেই যুদ্ধে বাঙ্গালী জাতি পরাজিত করেছিলো ততকালীন পশ্চিম পাকিস্তানকে, আর ছিনিয়ে এনেছিলো লাল সবুজের পতাকা।
আজ আর সেই কথা বলবো না, আজ বলবো অন্য এক বিজয়ের কথা।
বাচ্চুতো গেছে এবার সাইদী...
অন্ধকারে ছিলাম আমি, আমার দেশ... এই অন্ধকার ছিল ৩০ লক্ষ শহীদের হত্যার বিচার না করার অন্ধকার... এই অন্ধকার ছিল ২ লক্ষ সম্ভ্রম হারা মা বোনের গলা ফাটানো আর্তনাদের ফলে নেমে আসা অন্ধকার... এই অন্ধকার ছিল রাজাকার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার অন্ধকার... এই অন্ধকার ছিল রাজাকারদের স্মৃতিসৌধে ফুল নিয়ে যাওয়ায় নেমে আসা অন্ধকার, গাড়িতে করে দেশের পতাকা বয়ে বেড়ানোর অন্ধকার... এই অন্ধকার ছিল ৭১ এর পরবর্তী হত্যাকারীদের,
ধর্ষণকারীদের নিজের কাপরের নিছে আলো জ্বালিয়ে আশ্রয় দেওয়ার ফলে নেমে আসা অন্ধকার...
ফাঁসির আদেশ :: মাওলানা আবুল কালাম আজাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকার
অবশেষে ...
দায়মুক্তির পালা শুরু হলো... প্রথম রায়... যুদ্ধাপরাধের রায়... বাচ্চু রাজাকারের ফাঁসির আদেশ... আশে পাশে মিছিল... এত এত মানুষের দাবী ... কেউ কর্ণপাত করেনি... স্বাধীনতার ৪ দশক পর... প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে যে অপরাধের বোঝা বয়ে বেরিয়েছি আমরা... আজকের শুরুটা তার কিছুটা হয়তো লাঘব হবে। শহীদদের রক্তের কাছে আমাদের অনেক ঋন... অনেক দায়...
আজ শহীদ জননী জাহানারা ইমামের কথা মনে পরে।
"মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সদস্য (রুকন) আবুল কালাম আযাদের ফাঁসির আদেশ হয়েছে। আযাদ পলাতক থাকায় তাঁর অনুপস্থিতিতে এ মামলা রায় ঘোষণা করা হয়।
আজ সোমবার বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ রায় দেন। এটি একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় করা মামলার প্রথম রায়।
আজ বেলা পৌনে ১১টায় রায় পড়া শুরু করেন ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান। ১১টা পাঁচ মিনিটে রায় পড়া শেষ হয়। এ সময় ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি শাহিনুর ইসলাম ছিলেন।
ঝরাপাতা কথকতা # ২ # আমার আমি
মন ভাল নেই;
মন ভাল হচ্ছে না,
মন ভাল হয় না।
আজ খুব হারিয়ে যাওয়ার ইচ্ছে করছে, সেই সকাল থেকেই। পারছি না, কিছুতেই।
আবার ইচ্ছাটাকে ভুলে থাকাটাও সম্ভব হচ্ছে না, মনে পড়ে যাচ্ছে বারেবার।
খুব একলা থাকতে ইচ্ছে করছে আজ,
সব চাওয়া পূরণ হলে তো কোন কথাই ছিল না।
মাঝে মাঝে মনে হয়, নিজের মনের কাছেও বুঝি কিছু আড়াল থাকে।
সে সব জানে ও বোঝে জেনেও তার কাছেও খোলা মনে থাকতে মন চায় না! কি অদ্ভুত!
চেনা দুনিয়ার মাঝে থেকেও মাঝে মাঝে চেনা দুনিয়া থেকে একটু সরে দাঁড়ানো যায়,
মুঠোফোনের দুটি তার কানে গুঁজলেই 'লস্ট ইন মিউজিক'। ব্যাস!
কিন্তু তবুও মনে হয়,কিছু কিছু সময়ে নিজের কাছ থেকেও মাঝে মাঝে একটু লুকিয়ে থাকতে পারলে ভাল হত।
অবাক লাগে ভাবতে, ভাবনা গুলো সব আসে কোথেকে! ব্রেইন না মন?!
একটা মুহূর্তের বিরাম নেই, সারাক্ষণই একটা না একটা কিছু ভাবনা আসবেই আসবে। এটা কেমন ধারা কথা!
একদম ব্ল্যাঙ্ক একেকটা মুহূর্ত আসলে কেমন হতে পারে?
'পিস অফ মাইন্ড' জিনিসটা কি আসলে তাই? কিছুই না ভেবে একেকটা সময় কাটিয়ে দেবার সামর্থ্য? কে জানে, হয়তো বা হয়তো না!
হাওয়া লেগে ভেঙে গেল ভোর..
এক্সাম চলছে, আদ্দেকও শেষ হয়নি এখনও।
আপাতত হাবিজাবি আর কিছু লেখার ইচ্ছা ছিল না খুব একটা,
তবুও আসতেই হল।
এমনিতেই এক্সাম টেক্সামের টাইমে মন মেজাজ খারাপ থাকে,
[গাধা টাইপ ইস্টুডেন্ট, এক্সাম খারাপ হবে আগেই জানি তাই মনে হয়!]
সবার সাথে শুধুশুধুই অভিমান হয় – গলার রগ ফুলিয়ে ঝগড়া করতে ইচ্ছা হয়!
তার উপর এই ছাতার পরীক্ষার যন্ত্রনায় আমাদের পিকনিকটায় পর্যন্ত যাওয়া হল না, এইডা কিছু হইল!
কালকে রাতেই শান্ত ভাই এর পিকনিক পোস্ট দেখছি, এখন আবার জেবীনা’পু।
ব্লগ পইড়া আর সব ফটুক দেইখা হিংসিত হওয়াটাই স্বাভাবিক,
আমার হইছে আজিব সমস্যা – পড়ি/দেখি আর মন আরও খারাপ হয়!
শান্ত ভাই ভাল আছে, একবার আমার কথা মনে করছে! আর সবাই পাষাণ!
কত্ত বড় সাহস সবার, আমারে ফালাইয়া সবাই একলা একলা চা খায় আবার তা লইয়া ব্লগ লেইখা দুনিয়া ভইরা ফালাইছে! কি নিষ্ঠুর, কি নিষ্ঠুর!
যাই হোক, কি আর করার!
প্রিয় কিছু মানুষ ভাল কিছু সময় কাটাইতে পারছে একসাথে - দেখতে খারাপ লাগতাছে না! আল্লাহ চাহে তো, নেক্সট টাইম আমারও দিন আসব নে!
পদ্মারপারে পিকনিক২০১৩
পিকনিকের জন্যে সব্বারই মন আকুপাকু করছিলো। কতদিন একে ওকে দেখি না, নতুন নতুন লোকজন চিনি না, জোট বেধেঁ গল্প করা, বিশেষ কাউরে পচাঁনি দেয়া, কিবা কুটচালি করি্ না, আহ! কত্তোদিন। বছরব্যাপি প্রচুর ঘ্যানঘ্যান চলার পরও, ন’মন ঘি রেডি থাকার পরও রাধার নাচ কেউ দেখতে পায় না আই মিন পিকিনিকের ব্যবস্থা হয় না! আসলে এমন তো হতেই পারে না যে, যেখানে আমি নাই আর আমায় ছাড়া মজা করবে বাকি সব্বাই! এই জন্যেই কেউ পিকনিক করে নাই গেলো দু’বছর! হে জনগন, তোমাদের এইসব ভাঙ্গা জংপড়া হৃদয়ের ভালুবাসার পাকে পড়ে হাবুডুবু খাওয়ার ব্যাপারটা বড়ই গবেষনার বিষয়, আপাতত সেই কাজে আপাতত না যাই।
স্বপ্নের শহরঃ নিঃশব্দ প্রহরের কান্না !
শীত বেশ জেঁকে বসেছে এবার, দেশের ইতিহাসে সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ড ছুঁয়েছে। এই হাড় কাঁপানো শীতে খোলা আকাশের নিচে বাঁচার জন্য নিরন্তর সংগ্রাম করে চলে কিছু মানুষ। রঙিন কাঁচের আড়ালে ঝলমলে বর্নীল জীবন নয়, বরং শক্ত মাটির উপর কনক্রিটের বিছানাই ওদের সম্বল। পশমি কম্বলের আরামদায়ক উষ্ণতার প্রত্যাশা ওরা করে না, হাড় কাঁপানো তীব্র শীত আর হিম শীতল বাতাসের সাথে প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করে পাতলা পুরাতন কাপড় কিংবা চটের আচ্ছাদনে উষ্ণতা খুঁজে ফিরে এই সব অস্পৃশ্য মানুষ নামের জীব! সীমাহীন শীতের তীব্রতা থেকে বাঁচাতে এদের দিকে দু’হাত বাড়াতে এগিয়ে আসে না কেউ, দেখায় না সামান্য সহানুভূতি! সারা শহর জুড়ে বিভিন্ন খোলা জায়গায়, পার্কে কিংবা বাসস্ট্যান্ডে গেলে দেখা যায় বাস্তব চিত্র। রাতের ঢাকার এই চিত্র বেশীর ভাগ মানুষের কাছেই থেকে যায় অজানা!
শীত রাতের কিছু দৃশ্যঃ

জয় মহাপ্রভু ধুম্রশলাকার জয়
মহাপ্রভুর প্রিয় অবলম্বনদ্বয় তথা তর্জনি এবং মধ্যমার সহাবস্থান নিশ্চিত হওয়ায় , জ্বলন্ত মহাযোগী ধুম্রশলাকা মহাপ্রভুর নির্দেশিত পথানুরাগী একান্ত ভক্ত , অনুসারী , হন্টক কিংবা পলাতক বশ্যতা স্বীকারপূর্বক প্রভু কর্তৃক দীক্ষিত উপায়ে প্রভু ধুম্রশলাকার নশ্বর দেহের ক্রমাগত জ্বলন বলপূর্বক ত্বরান্বিত করিয়া তাঁহার অন্তেঃষ্টিক্রিয়া সম্পাদন করিয়া চলিয়াছে নিরন্তর । তথাপি মহাপ্রভু ধুম্রশলাকার অস্তিত্ব যেমন চির অক্ষয় , তেমনি তাঁর প্রতি অনুসারীদের পরম ভক্তিও চির অম্লান । সাকার এই মহাপ্রভুর দৃশ্যত জ্বলনে প্রাপ্ত ধুম্রজালের অদৃশ্য অন্তর্নিহিত বস্তুগত এবং ভাবগত অপার কৃপায় গুনগ্রাহীগণ অমৃতসুধা পাইলেও পাইতে পারেন , যদি তাহা তিনি হৃদয়গত বিশ্বাসে গ্রহণ করিয়া থাকেন ।
কৃতজ্ঞতায় - মহাপ্রভুর একনিষ্ঠ এক শিষ্য ।
জয় , মহাপ্রভু ধুম্রশলাকার জয় ।
পিকনিক আপডেট
চারিদিক থেকে দাবী শান্ত পিকনিক নিয়া পোষ্ট দেও। তানাবীরা আপু মেসেজ পাঠাইছে, হেলাল ভাই আস্থা রাখছে, গৌতম দা সবার নাম রাখতে বলছে আরো চারিপাশের মানুষজন বলতেছে শান্ত পিকনিক নিয়া একটা ফাটায়া পোষ্ট দেও। আসলে ফাটানোর মালিক আল্লাহ আমি তো শুধু উসিলা মাত্র। যেহেতু সবার মুখে শুনি আমি নাকি দিনলিপি ভালো লিখি আমার নিজের অবশ্য দিনলিপি ছাড়া কিছু লিখতে পারিনা বলেই লিখি তাই দিনলিপির মতো করেই পোষ্ট শুরু করি!
~!!~নিরবে থাকা স্বপ্নসুখ আর নিশি জাগা একাকীত্ব~!!~
[ কিছু অনুভুতি শেয়ার করার জন্যই এই লেখা ]
নিরবতাই আমার ভাললাগা-
শীতের কুয়াশার চাদরে শিতল হয় অতৃপ্ত আত্মা।
ধীরে ধীরে শান্ত হয় নগরী-আমি জেগে থাকি শুধুই
নিরবতা উপভোগ করব বলে ।
একা থাকা কিম্বা নিরবতা –এর মাঝে সুখ বিস্তর ।
জানি তুমি কষ্ট পাবে হে প্রিয়তমা অথবা জননী, তবু বলে রাখি =
আমার নিজের সত্তার সাথে কিম্বা আকান্ত আমাতে একটু নিমগ্ন হতে গেলে –
তোমাদের কি খুব কষ্ট হবে ?
আমি নিজের মত আপন মনে সুখে থাকি তবুও কেন=
প্রশ্নবানে জর্জরিত কর আমাকে ? কষ্ট পাই ভীষণ- অপরাধী লাগে নিজেকে ।
তোমরা তো জান তোমরাই আমার সব । আমি তো অমানুষ নই।
আমার , আমিতে আত্মনিমগ্নতা –এ এক স্বর্গীয় সুখ।
তবু কেন তোমাদের এত শঙ্কা?
না । আমি কোন কষ্ট পাচ্ছিনা।
নেই কোন অভিযোগ।
আমি আমার ব্যস্ততম দিনের শেষান্তে ।
আমি ভালবাসি আমার আত্মীয় –পরিজন- প্রকৃতি- আর প্রিয়তমা ।
আমাকেও তো আমি ভালবাসি?
নিজের জন্য কি এতটুকু স্বাধীনতা থাকতে নেই ??
স্বপ্নলোকের স্বর্ণ সিরিতে আমার পদচারনা থমকে যায় –
ফোন এর ওপাশের কথা শুনে-
তারপর একরাশ কালো কালো ধোঁয়া
ঠিক কি কারণে জানি না, মানুষের জীবনে কখনোই স্থিরতা আসে না। কখনো ভালো সময় যায়। কখনো খারাপ সময়। সাধারণত খারাপ সময়গুলো দীর্ঘস্থায়ী হয়। ভালো সময়গুলো ক্ষণস্থায়ী। হয়তো আপেক্ষিকতা কাজ করে এর পেছনে। যে সময়গুলো আমাদের ভালো লাগে, সেগুলোকে আমরা দ্রুত চলে যেতে দিতে চাই না। সেজন্যই হয়তো সেগুলো দ্রুত চলে যায়। খারাপ সময় দীর্ঘস্থায়ী হোক, তা চাইনা বলেই হয়তো সেগুলো অনেকদিন পর্যন্ত সঙ্গে সঙ্গে থাকে। এভাবেই পার হয় দিন। পার হয়ে যায় গরু, পার হয় গাড়ি/ দুই ধার উঁচু তার, ঢালু তার পাড়ি।
অনলাইন-অফলাইন
সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠেই মেজাজ খারাপ। বেলা দশটা অবধি যেদিন ঘুমাই সেদিন আমার অত্যন্ত বাজে কাটে কিছুই মন দিয়ে করা হয় না। সকালে উঠে বিবিসি বাংলা শুনবো ব্লগে ফেসবুকে ঘোরাফেরা করবো তারপর দু তিনটা পত্রিকা পড়বো নিজে রং চা বানাবো ড্রাইকেক বিস্কিট খাবো তারপর আস্তে ধীরে বাইরে বের হবো তাহলে না হয় একটা পারফেক্ট সকাল উদযাপন হয়। এরকম না হলেই সব কিছু বিগড়ায়। উঠেই মুখ ধুয়ে বাইরে চলে যাই দিনটা কাটে জঘন্য। আজকেও তেমন ভাবেই বের হ্লাম। নিউএজ কিনে হাটতে হাটতে গেলাম হোটেলে। কোনো এক অদ্ভুত কারনে সেই হোটেলের এক খাবার পরিবেশকের চেহারা আমার বন্ধু হাসিনের মতো। তাকে অপ্রস্তুত হয়ে দেখলেই আমার কাছে হাসিন বলে মনে হয়। আর আমাকে দেখলেই তার শুধু নেহারী খাওয়াতে মন চায় কিন্তু আমি খাই মাসে ১ বার তা। এইটা খুব জটিল একটা সমস্যা। সমস্যাটা নিয়ে ভাবতে হবে। যাই হোক নাস্তা করলাম সামান্যই। মুগডাল আর রুটি আর বিস্কুটের গুড়া দেয়া বাজে চা। এরপর চায়ের দোকানে গিয়ে দেখি চায়ের দোকান বন্ধ। মেজাজটা হলো আরও খারাপ। নান্নু সাহেবের পিন্ডী চটকালাম মনে মনে। আরেক দোকানে চা খেলাম শান্তি পেলাম না কারন তারা বানাতে পারে না দুধ চিনি কম দেয়া কড়া লিকারের চ
পেছন পথের ধুলো

এটি একটি কাল্পনিক গল্প, জীবিত বা মৃত কারো সংগে গল্পের কোন চরিত্রের মিল নেই। মিলে গেলে কাকতাল মাত্র।
মাধবপুর স্কুল মাঠ আজ রঙীন সাজে সেজেছে। মাঠের এক পাশে বড় স্টেজ করা হয়েছে। সারা গ্রাম আজ আনন্দের বন্যায় ভাসছে। চারিদিকে একটা উৎসব উৎসব ভাব। ইমতিয়াজ সাহেব আসবেন, তাই এই বিশাল আয়োজন! গ্রামের সব গন্য মান্য ব্যক্তিবর্গ- চেয়ারম্যান, মেম্বার থেকে শুরু করে তরুন-যুবারা আজ মহা ব্যাস্ত।
ইমতিয়াজ সাহেব এই গ্রামের গর্ব। খুব জ্ঞানী মানুষ। তার অনেকগুলো পরিচয়- তিনি এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা, নাট্যকার এবং লেখক। তার আরও একটা বড় পরিচয় আছে- তিনি আসন্ন সংসদ নির্বাচনের একজন প্রার্থী। তাঁর নিজের গ্রাম থেকেই প্রচারণা শুরু করবেন; তাই আজ এই জনসভার আয়োজন।